Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan FATF Grey List: এখনই ধূসর তালিকামুক্ত হচ্ছে না পাকিস্তান, জানাল এফএটিএফ 

    Pakistan FATF Grey List: এখনই ধূসর তালিকামুক্ত হচ্ছে না পাকিস্তান, জানাল এফএটিএফ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর (Terror Funding) অভিযোগ উঠেছে বারংবার। তার পরেও পাকিস্তানের (Pakistan) মাথা থেকে সরেনি ‘সন্ত্রাসবাদের আঁতুড় ঘরে’র তকমা। নিজেকে শুধরে নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের ওপর একাধিক শর্ত আরোপ করেছিল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ (FATF)। পাকিস্তানকে তারা রেখে দিয়েছিল ধূসর তালিকায়। এই তালিকা থেকে এখনই সরানো হচ্ছে না পাকিস্তানের নাম। শর্ত পূরণ হয়েছে কিনা, তা দেখেই ব্যবস্থা নেবে এফএটিএফ।

    আরও পড়ুন : ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রর মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    এফএটিএফের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ২০৬ জন। এর মধ্যে রয়েছেন আইএমএফ, রাষ্ট্রসংঘ, বিশ্বব্যাংক সহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। এফএএফটির প্রেসিডেন্ট মার্কাস প্লেয়ারের নেতৃত্বে সম্প্রতি বসেছিল পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন। এই অধিবেশনেই অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আলোচনা হয় পাকিস্তান নিয়েও। ঠিক হয়, পাকিস্তান যথাযথভাবে সব শর্ত মেনেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে সে দেশে যাবে এফএটিএফের প্রতিনিধি দল। শর্তপূরণ করলে তবেই অক্টোবরের দিকে ধূসর তালিকা থেকে সরানো হতে পারে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশের নাম। মার্কাস বলেন, পাকিস্তানকে এখনই ধূসর তালিকা থেকে সরানো হচ্ছে না। শর্ত পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়েছে কিনা, তা দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    জন্মলগ্ন থেকেই নানা কারণে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা বিভিন্ন দেশের তালিকায় ঢুকে গিয়েছে পাকিস্তানের নাম। বিশ্বের একাধিক কুখ্যাত জঙ্গির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়েছে শেহবাজের দেশ। ভিন দেশেও যে সব জঙ্গির ঠাঁই হয়েছে, পাকিস্তান তাদেরও নিয়মিত অর্থ জুগিয়ে চলেছে বলে অভিযোগ। ইসলামবাদ জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে বিশ্ব দরবারে একাধিকবার সরব হয়েছে ভারত (India)। তার পরেও ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবাদে অর্থ সাহায্য বন্ধ করেনি বলে অভিযোগ।

    এফএটিএফ কোনও দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করার আগে দুটি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যায়। একটি হল ‘ধূসর তালিকা’, অন্যটি ‘আরও বেশি ধূসর’। এই দুই তালিকাভুক্ত করে কোনও দেশকে দুবার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তার পরেও কাজ না হলে ওই দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। অনেক আগেই এফএটিএফের তরফে ইসলামবাদকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল, শর্ত ঠিক মতো পালন না করলে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। গত চার বছর ধরে এফটিএফের ধূসর তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। শেষমেশ ঘটতে চলেছে ‘শাপমুক্তি’! তবে এখনই নয়।

     

  • Dinosaur Fossil: ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্মের  সন্ধান পাওয়া গেল সাহারায়

    Dinosaur Fossil: ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া গেল সাহারায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনোসর বিশ্বের বিলুপ্ত প্রাণী। কিন্তু ডাইনোসরকে নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এরইমধ্যে এক আশ্চর্যকর তথ্য ঘোষণা করলেন ইজিপসিয়ান-আমেরিকার গবেষকদের দল। তাঁরা জানান, গত বুধবার, ইজিপ্টের (Egypt) সাহারা মরুভূমির (Sahara Desert) বাহারিয়া নামক জায়গা থেকে ৯৮ মিলিয়ন পুরনো নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে। এই বাহারিয়া ফরমেশন জায়গাটি জীবাশ্মের জন্য বিখ্যাত ও এখানে এর আগেও বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তুর জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে। এবারে এখানে খননকার্য চালিয়ে এই নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম উদ্ধার করেছেন। যদিও এই প্রজাতির নামকরণ এখনও করা হয়নি, তবে এটি থেরোপডস প্রজাতির আবেলিসৌরিদ (abelisaurid) গোষ্ঠীর অন্তর্গত এবং যেই পাথরে এই জীবাশ্মটি পাওয়া গিয়েছে সেটি ক্রিটেশিয়াস (Cretaceous) যুগের।

    আরও পড়ুন: গ্রহাণুর আঘাতেই কি বিলুপ্ত হয়েছে ডায়নোসর? নিদর্শন মিলল ফসিল সাইটে

    এই গবেষনার লিডার জানিয়েছেন যে, এই আবিষ্কারের একটি আশ্চর্যকর তথ্য হল যে, এই জায়গাতেই একসঙ্গে অনেক মাংসাশী ডাইনোসর একই সময়ে বসবাস করতে সক্ষম ছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, মধ্য ক্রিটেশিয়াস যুগে এই বাহারিয়া মরুদ্যানটি (Bahariya Oasis) পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর জায়গা ছিল। একই সময়ে একসঙ্গে অনেক বিশালাকৃতির ডাইনোসর কিভাবে বসবাস করতে পারত, সেটিই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। যদিও ধারণা করা হয়েছে, তাদের শিকার হয়ত বিভিন্ন ধরণের ছিল বলেই তারা একসঙ্গে বসবাস করতে পারত। গবেষকরা জানিয়েছেন, বাহারিয়াতে এটিই শুধুমাত্র উদ্ধার করা হয়নি, এর আগেও এই জায়গা থেকে অনেক জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে।

    এই নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম থেকে বোঝা যায়, এটির দৈর্ঘ প্রায় ৬মিটার। এর মুখ বুলডগের মুখের ন্যায় ও এর ছোট আকৃতির দাঁত ও  ছোট হাত ছিল। এই আবেলিসৌরিদ গোষ্ঠীর জীবাশ্ম উদ্ধারের পর জানা যায়, এই জায়গায় একসময়ে এর চেয়েও বড় আকৃতির ডাইনোসর ঘুরে বেড়াত। ২০২২ সালেও এত বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়ার পর মানুষের কৌতূহল আরও বেড়ে গিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর কী কী উদ্ধার করা হবে তা নিয়েই বিশেষ আগ্রহী হয়ে পড়েছে মানুষ।

    আরও পড়ুন: বিলুপ্তির ৭০ বছর পর ফের ভারতে আসতে চলেছে চিতা?

     

  • China: বুমেরাং হচ্ছে চিনা ঋণের ফাঁদ?

    China: বুমেরাং হচ্ছে চিনা ঋণের ফাঁদ?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলিকে ঋণের ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিল ড্রাগনের দেশ। বর্তমানে সেটাই কাল হয়েছে চিনের। এক সময় যে দেশগুলোকে ঋণের ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিল তারা, সে সব দেশেই আক্রান্ত হচ্ছে চিন।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো যেসব দেশ চিনা ঋণের ফাঁদে পা দিয়েছে, সেসব দেশে আক্রান্ত হচ্ছেন চিনা নাগরিকরা। গত মাসে পাকিস্তানে হামলায় অন্তত তিনজন চিনা নাগরিক খুন হন। ২৬ এপ্রিল বোরখা পরা বালুচ লিবারেশন আর্মির আত্মঘাতী বাহিনীর এক সদস্যের হামলায় নিহত হন তিন চিনা শিক্ষক। করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের একটি যাত্রিবাহী বাসে বিস্ফোরণ ঘটালে মারা যান তাঁরা। ওই ঘটনায় জখমও হন এক চিনা নাগরিক। এই বালুচ লিবারেশন আর্মি চিন পাকিস্তান ইকনমিক করিডর নির্মাণের ঘোরতর বিরোধী। তার প্রমাণ ২০২১ সালের একটি ঘটনা। ওই বছর পাকিস্তানের ডাসু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি বাসে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হন ৯ জন চিনা প্রযুক্তিবিদ। ওই ঘটনায় মোটা অঙ্কের টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। ওই বছরেরই শেষের দিকে অপ্রয়োজনীয় চেক পয়েন্ট অপসারণের দাবি এবং চিনা মাছ ধরার ট্রলার দেওয়ার বিরোধিতায় গদর এলাকায় ব্যাপক আন্দোলন হয়। করিডরের বিরোধিতা করেও সংগঠিত হয়েছিল ব্যাপক আন্দোলন।

    অন্য একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মহেন্দ্র রাজাপক্ষে চিনপন্থী। কিছুদিন আগেই সরকার বিরোধী আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করেন তিনি। এর পরেই শ্রীলঙ্কায় কর্মরত চিনা নাগরিকদের সতর্ক করে দেয় ড্রাগন প্রশাসন।

    আরও পড়ুন : এখন শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে চিন!

    শ্রীলঙ্কাবাসীর সিংহভাগই মনে করে চিনা ঋণের ফাঁদে পা দিয়েই দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে দেশ। অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে দেশকে টেনে তুলতে বেজিংয়ের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। অভিযোগ, সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দেয় বেজিং। তাতেই আরও ক্ষোভ বেড়েছে কলম্বোর। যার জেরে চিনা নগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছেন ড্রাগন প্রশাসন।

     

  • Al Qaeda: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    Al Qaeda: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (india) পর এবার বাংলাদেশ (bangladesh)। নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়দার (Al Qaeda) শাখা সংগঠন ‘আল কায়দা ইন ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্ট’ বা আকিস (AQIS) হুমকি শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দেশকে। বুধবারই নূপুর শর্মাকাণ্ডে (Nupur Sharma) ভারতকে হুমকি চিঠি দিয়েছিল এই জঙ্গি সংগঠন। এবার একই চিঠি দেওয়া হল ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেও।

    ৬ জুন ভারতকে পাঠানো হুমকি চিঠিতে আল কায়দা জানিয়েছে, নবীর (Prophet) সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাটের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, হিন্দুত্ববাদীরা (Hindutva) আল্লার শরিয়ত (Shariat) বিরোধী। ভারতীয় চ্যানেলে মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় অপমান করা হয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিমের হৃদয় রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের মন প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ। এর বদলা অবশ্যই নেওয়া হবে। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, বিশ্বের সব উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে, তাদের হত্যা করব। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।

    আরও পড়ুন :পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    ভারতকে এই হুমকি চিঠি পাঠানোর পরপরই চিঠি পাঠানো হল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশে ৭ নির্দোষ ব্যক্তিকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশ সরকার হিন্দুত্বের এজেন্টের মতো আচরণ করছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে আল কায়দার তরফে। ইসলামের নিন্দাকারীদের শাস্তি দেওয়ায় কেন বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাল্টা শাস্তি দিল, সে প্রশ্নও তুলেছে আল কায়দা। বাংলাদেশ হিন্দুত্বের এজেন্ট বলেও মন্তব্য করেছে কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনটি।

    আরও পড়ুন : কর্নাটক হিজাব বিতর্কে মুণ্ডুচ্ছেদের হুমকি, গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি নেতা

    ঈশ্বর নিন্দা (Blasphemy) করায় ২০১৪ ও তার পরের বছর হত্যা করা হয় লিজিয়ন ও বিজয়কে। বাংলাদেশ সরকার হত্যাকারীদের ফাঁসি দেয়। সেই কারণেই আকিস হুমকি চিঠি দিয়েছে হাসিনার সরকারকে।

  • Dinesh Gunawardena: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

    Dinesh Gunawardena: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী (Sri Lanka Prime Minister) দীনেশ গুণবর্ধনে (Dinesh Gunawardena)। শুক্রবার শপথগ্রহণ করলেন তিনি। ছয়বারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে (Ranil Wickremesinghe) দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার একদিন পরই গুণবর্ধনেকে নিয়োগ করা হয়। ২০২০ সালের সংসদ নির্বাচনের পর গুণবর্ধনে বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রক। গত এপ্রিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হন তিনি। এবার দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমসিংহে তাঁকে বেছে নিলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। সূত্রের খবর, যে যতক্ষণ দেশের বিরোধী দলগুলি দেশ চালাতে সহযোগিতা না করছে, ততক্ষণ পুরনো মন্ত্রিসভার সদস্যদের দিয়ে কাজ চালাবেন বলে জানিয়েছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

    [tw]


    [/tw]

    গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বহুদিনের। তাঁর বাবা ফিলিপ গুণবর্ধনে ছিলেন ভারতীয় রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ নারায়ণ ও ভিকে কৃষ্ণা মেননের সহপাঠী। ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়াইও করেছেন ফিলিপ ও তাঁর স্ত্রী। শ্রীলঙ্কায় সমাজতন্ত্রের জনক (father of socialism in Sri Lanka) ছিলেন ফিলিপ গুণবর্ধনে। দক্ষিণ এশিয়াকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালে ফিলিপ ও তাঁর স্ত্রী কুসুমা ব্রিটিশদের নজর এড়িয়ে শ্রীলঙ্কা থেকে ভারতে আসেন। ভারতের স্বাধীনতার জন্য গোপনে লড়াইও করেন তাঁরা। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁদের ধরে ফেলে। তৎকালীন বম্বের আর্থার রোড জেলে বন্দি করে রাখা হয় তাঁদের। পরে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয়। স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ফিলিপ এবং তাঁর স্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসেন। দীনেশ গুণবর্ধনের ভাবমূর্তিও তাঁর বাবার মতোই স্বচ্ছ্ব। শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীও যে ভারতের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব বজায় রাখবেন তা আশা করাই যায়।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে নির্বাচনের ঘণ্টা, বাদ সাধতে পারে চিল্লাই কলন!

    সূত্রের খবর, গুণবর্ধনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় দেশে নতুন করে বিক্ষোভের সূচনা হতে পারে বলেও মনে করছে দ্বীপরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। নতুন প্রধানমন্ত্রী শুধু পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের ঘনিষ্ঠই নন, তাঁর দল এসএলপিপি-র সদস্যও বটে। দ্বীপরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষই দায়ি বলে মনে করেন দেশের অধিকাংশ মানুষ। এই অবস্থায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠকে আদৌও দেশের জনতা মেনে নেবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ।

  • Pakistan defence:  প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    Pakistan defence:  প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা (defence) খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান (pakistan) সরকার। আগামী অর্থবর্ষে সেনাবাহিনীর জন্য ১.৪৫৩ ট্রিলিয়ন রুপি বরাদ্দ রাখতে যাচ্ছে শেহবাজ সরকার। গত অর্থবর্ষে এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১.৩৭ ট্রিলিয়ন রুপি। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    রবিবার পাকিস্তানের একটি সংবাদ প্রতিবেদনে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ যে বাড়তে চলেছে, তা জানানো হয়েছে। মাস কয়েক আগেই ইমরান খানের সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে শেহবাজ শরিফ (Shahbaz shariff )। ইমরানের অভিযোগ, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। যদিও এই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পাক সরকার।

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    সূত্রের খবর, শেহবাজ ক্ষমতায় এসেই নজর দেন প্রতিরক্ষা খাতের দিকে। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়াবে শেহবাজের সরকার। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী অর্থবর্ষে সেনাবাহিনীর জন্য ১.৪৫৩ ট্রিলিয়ন রুপি বরাদ্দ রাখা হবে। গত অর্থবর্ষে ছিল ১.৩৭ ট্রিলিয়ন রূপি। অর্থাৎ নয়া অর্থবর্ষে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ছে প্রায় ৮৩০০ কোটি রুপি। গত অর্থবর্ষের তুলনায় যা শতকরা ৬ ভাগ বেশি। সেনাবাহিনীর দাবি, মুদ্রাস্ফীতির তুলনায় বরাদ্দের যে পরিমাণ প্রয়োজন, এই অর্থ তার চেয়ে প্রায় ৫৩০০ কোটি রুপি কম। প্রতিবেদনে দাবি, বর্ধিত পরিমাণ বরাদ্দের বেশিরভাগটাই খরচ হবে সেনা কর্মীদের বেতন ও ভাতা দিতে। বরাদ্দের বাকি টাকা খরচ হবে সামরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনায়। কর্মীদের রেশন, ট্রান্সপোর্ট, ট্রেনিং এবং চিকিৎসাখাতেও ব্যয় করা হবে ওই বরাদ্দ।  

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    চলতি বছরের এপ্রিলেই অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী ইমরান খানকে। আইএসআই গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের নিয়োগে সিলমোহর দিতে অস্বীকার করায় সেনাবাহিনীর রোষানলে পড়েন তিনি। তার জেরেই গদি হারাতে হয় এই ক্রিকেটার-রাজনীতিবিদকে।

    সূত্রের খবর, ফি বছর পাকিস্তানের একজন সৈনিকের জন্য খরচ হয় ২.৬৫ বিলিয়ন রুপি। ভারত যা ব্যয় করে তার এক তৃতীয়াংশও নয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১.৩ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির জেরে এই বরাদ্দ প্রত্যাশিতই ছিল।

     

     

  • S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনে (Ukraine) আগ্রাসনে অভিযুক্ত রাশিয়া (Russia)। সেই রাশিয়ার সঙ্গে সুসস্পর্ক বজায় রেখে চলেছে ভারত (India)। তা নিয়ে বিভিন্ন সময় ভারতের সমালোচনা করেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার সেই সমালোচনারই জবাব দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) শুক্রবার ইউরোপের তীব্র নিন্দা করেছেন। ইরান এবং ভেনেজুয়েলার তেল কেনার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন জয়শঙ্কর।     

    আরও পড়ুন :রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    চারদিনের স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি বক্তৃতা দেন “গ্লোবসেক ২০২২ ব্রাতিস্লাভা” ফোরামে। এই ফোরামেই ইউরোপকে নিশানা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ ইউরোপ রাশিয়া থেকে তেল, গ্যাস কিনছে। নিষেধাজ্ঞার নয়া প্যাকেজ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে তার দেশীয় জনগণের কল্যাণকে বিবেচনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে, আপনি যদি নিজের প্রতি বিবেচনাশীল হতে পারেন তবে অবশ্যই আপনি অন্যদের প্রতি বিবেচ্য হতে পারেন। 

    রাশিয়া থেকে অপরিশোধিতা জ্বালানি কেনা নিয়ে ক্রমাগত ভারতের সমালোচনা করে আসছে পাশ্চাত্য দেশগুলি। এমনকি, সম্প্রতি এমনও বলা হয়েছে যে, রাশিয়া থেকে তেল কিনে আদতে ভারত যুদ্ধে আর্থিক মদত দিচ্ছে। এপ্রসঙ্গে, কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই রাশিয়া থেকে ইউরোপ যেখানে গ্যাস আমদানি চালু রেখেছে। শুধু ভারতের বেলায় কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

    জয়শঙ্করের প্রশ্ন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল আমদানির মাধ্যমে যুদ্ধে আর্থিক মদত করে থাকে, তাহলে রাশিয়া থেকে ইউরোপের গ্যাস আমদানি কেন যুদ্ধে আর্থিক মদত হিসেবে দেখা হবে না? জয়শঙ্কর বলেন, ‘অর্থের বিনিময়ে ভারতে রাশিয়ার তেল এলে তা যুদ্ধে আর্থিক মদত, আর ইউরোপে গ্যাস এলে তা যুদ্ধে মদত নয়? একটু নিরপেক্ষতা তো বজায় রাখবেন। অন্যদেরও তো স্বাধীনতা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    ভারতকে কেন গম রফতানি নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল, এদিন সে প্রশ্নেরও জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, গম ক্রয়কারী দেশের সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে কেন্দ্রের অনুমোদনের পরেই রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি চেয়েছিল দরিদ্র দেশগুলি গম সংগ্রহ করুক। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইয়েমেন, সুদান এবং উপসাগরীয় দেশগুলির মতো দেশগুলি, ভারতীয় গমের ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, গম রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তখন ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন। তারা জানিয়েছিল, ভারতের জনগণের স্বার্থে তারা গম রফতানি বন্ধ করতে পারে।

  • Indian Officials in Kabul: নারীশক্তি! তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের মহিলা প্রতিনিধি

    Indian Officials in Kabul: নারীশক্তি! তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের মহিলা প্রতিনিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানবাসীর হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছনো এবং সেখানকার বিভিন্ন ভারতীয় প্রকল্পের দেখভাল করতে কাবুলে পৌঁছেছে ভারতীয় প্রতিনিধিদের একটি দল। বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক (Pakistan-Afghanistan-Iran division) যুগ্মসচিব জেপি সিংয়ের (J P Singh) নেতৃত্বে ওই দলে রয়েছেন এক মহিলা কূটনীতিকও। দীপ্তি ঝাড়ওয়াল (Deepti Jharwal) নামে ওই মহিলা কূটনীতিক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের ডেস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব সামলান।

    গত বছর আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে সেখানকার মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হয়েছে। একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে মহিলাদের উপর। মহিলাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। পুরুষদের কর্মক্ষেত্রে মহিলারা কাজ করতে পারবেন না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণির উপরে মেয়েদের স্কুল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    এখানেই থেমে থাকেনি মহিলাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার তালিকা। দূরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থানীয় আফগান নেতার অনুমতি নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। রেস্তোরাঁ-বারে পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যেতে বসতে পারবেন না কোনও মহিলা। স্বামী হলেও নয়। এমনকি খবর পড়তে গেলেও মহিলাদের মুখ ঢেকে রাখতে হবে এমনই নির্দেশ তালিবান সরকারের। 

    এই প্রেক্ষিতে কাবুলে তালিবান শাসকদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়া ভারতীয় প্রতিনিধি দলে এক মহিলার উপস্থিতি বিশেষ নজর কেড়েছে।  আফগানিস্তানে মহিলাদের সমস্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে নারী সুরক্ষার কথা বলা তালিবানের কাছে এটা ভারত সরকারের একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে করছে সারা বিশ্বের কূটনীতিকরা। ভারতে নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দেশের সব ক্ষেত্রে মহিলাদের বিচরণ তালিবানদের কাছে শেখার বলেও অভিমত অনেকের। দীপ্তি ২০১১ সালে আইএফএস হিসেবে কাজে যোগ দেন। তিনি ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে ইরানেও গিয়েছিলেন।

    তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরে সেদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়েছিল ভারত (India)। বৃহস্পতিবার, ঠিক সাড়ে ন’মাস বাদে কাবুলে পা রাখলেন ভারতীয় কূটনৈতিক কর্তারা। এখনই আফগান সরকারকে মান্যতা দেওয়া বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুনর্জাগরণ করা না হলেও, অন্তত দরজাটুকু খোলা হল বলেই অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন: বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার শূন্য, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়ার পথে পাকিস্তানও?

    ভারতীয় প্রতিনিধি দল এদিন কাবুল পৌঁছে দেখা করেছে তালিবান বিদেশমন্ত্রী ওয়াকিল আহমেদ মুত্তাওয়াকিল-সহ কয়েক জন প্রতিনিধির সঙ্গে। চা-সহযোগে দু’পক্ষের আলোচনাও হয়েছে। এর পরে সে দেশের ভারতীয় প্রকল্পগুলি ঘুরে দেখেছেন তাঁরা। ভারতের অর্থ এবং উদ্যোগে নতুন করে তৈরি হওয়া হাবিবিয়া হাইস্কুলে গিয়ে ছাত্র, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

    ভারতীয় প্রতিনিধি দলের একাধিক ছবিতে দীপ্তিকে দেখা গিয়েছে। যদিও ছবিতে একমাত্র তিনিই মাস্ক পরেছিলেন, যা ইঙ্গিতবহ। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত ছবিতে দীপ্তিকে দেখা গেলেও কাবুলের তালিবান শাসকদের তরফে প্রকাশিত কোনও ছবিতেই তাঁকে দেখা যায়নি।

  • Viral video: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    Viral video: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কুমিরের এক প্রজাতি একটি বড় অ্যালিগেটরকে (Alligator) পেঁচিয়ে ধরেছে বিরাট গ্রিন অ্যানাকোন্ডা (Anaconda)। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে এমন একটা ভিডিও। যা দেখে চোখ ফেরানো যাচ্ছে না। টানটান উত্তেজনা। চুপ করে বসে থাকতে হচ্ছে শেষে কী হবে তা দেখার জন্য। এই কুমিরটি আসলে একটি ‘কেম্যান’, যা ব্রাজিলে অ্যালিগেটরের আর এক প্রজাতি। অস্তিত্বের জন্য কীভাবে ওই দুই সরীসৃপ সংগ্রাম করে যাচ্ছে, তা ধরে পড়েছে সদ্য ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োটিতে।

    আরও পড়ুন: কলম্বোয় আক্রান্ত দূতাবাস আধিকারিক, অ্যাডভাইজরি জারি ভারতীয় হাই কমিশনের

    ভাইরাল এই ফুটেজে দেখা যায়, প্রথম থেকেই কুমিরটিকে পেঁচিয়ে ধরেছে ওই ভয়ঙ্কর অ্যানাকোন্ডা। কোনও ভাবে কুমিরটিকে এক ফোঁটাও জায়গা ছেড়ে দিতে রাজি নয় সে! ভয় দেখানোর জন্য নিজের বিরাট হাঁ-মুখ দেখায় অ্যালিগেটর। কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি।

    [insta]https://www.instagram.com/reel/CgBLp2CKjzZ/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার বাসিন্দা কিম সুলিভান গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই ভিডিওটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে আফ্রিকান ওয়াইল্ড লাইফ নামের একটি পেজ থেকে এই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। তার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “না, এটা একটা পাইথনও নয়। আবার একটা বোয়া কনস্ট্রিক্টরও নয়। তাদের সবার থেকে বড় এটি: দ্য অ্যানাকোন্ডা।”

    আরও পড়ুন: জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে মানুষ, উদ্ধারে এগিয়ে এল হাতি

    ৫৫০ পাউন্ডের একটি সাপ এবং একটি কুমিরের মধ্যে নাছোড় লড়াই দেখে ইন্টারনেটের বাসিন্দারা এক প্রকার অবাক হয়ে গিয়েছেন। কৌতূহল থেকেই একজন প্রশ্ন করে বসেছেন, “লড়াইতে শেষ পর্যন্ত জিতল কে?” আর একজন যোগ করেছেন, “শেষ পর্যন্ত দুজনেই বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। অ্যানকোন্ডাও শেষমেশ কুমিরটিকে বাগে আনতে না পেরে এলাকা ছেড়ে চলে যান। কুমিরটিও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল কারণ তাকে এমন ভাবে ওই ভয়ঙ্কর সাপটি জাপ্টে ধরেছিল যে সে তার ধকল নিতে পারছিল না।”

  • Mother-Daughter Pilot: স্বপ্নের উড়ান, একই ফ্লাইটে পাইলটের ভূমিকায় মা ও মেয়ে

    Mother-Daughter Pilot: স্বপ্নের উড়ান, একই ফ্লাইটে পাইলটের ভূমিকায় মা ও মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা-মেয়ে (Mother-Daughter) ওড়াচ্ছেন একই বিমান। এ যেন এক স্বপ্নের উড়ান (Pilot)। তবে বাস্তবেই ঘটেছে এমনটা। মা-মেয়েকে একই বিমানের ককপিটে দেখে আবেগে গা ভাসিয়েছেন নেট নাগরিকরাও।  

    সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনের বিমান ওড়ার জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছে রানওয়েতে। হঠাতই মাইকে এক ঘোষণা। “যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছে বিরাট চমক”। ঘোষণা শুনে অনেক প্রশ্ন মনে নিয়ে একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিলেন যাত্রীরা। এমন সময় ককপিটের দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন ক্যাপ্টেন হোলি পেটিট (Captain Holly Petitt) এবং ফার্স্ট অফিসার কিলি পেটিট (First Office Keely Petitt)। কেন পাইলট এবং কোপাইলট ককপিট থেকে বেরিয়ে এলেন, যাত্রীরা প্রথমে সেটা বুঝতে পারেননি। ক্যাপ্টেন হোলি পেটিট জানান, তাঁর পাশে যে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাঁর মেয়ে। আজ তারা যাত্রীদের ডেনভের থেকে সেন্ট লুইস নিয়ে যাবেন। 

    আরও পড়ুন: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনের কর্মী ক্যাপ্টেন হোলি পেটিট (মা) এবং ফার্স্ট অফিসার কিলি পেটিট (মেয়ে) ২৩ জুলাই একই সঙ্গে ওড়ালেন একই বিমান। সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনের প্রথম মা মেয়ে পাইলট জুড়ি তাঁরা। সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইন, পাইলট মা-মেয়ের একটা ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছেন ডেনভার থেকে সেন্ট লুইস পর্যন্ত বিমান ৩৬৫৮ কিলোমিটার উড়িয়ে নিয়ে যাবেন এই মা-মেয়ের জুটি। ক্যাপ্টেন হোলি, তাঁর মেয়ে কিলিকে পরিচয় করিয়ে দেন বিমানের যাত্রীদের সঙ্গে।    

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Southwest Airlines (@southwestair)

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মা মেয়ে তাঁদের একটা ছবি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবির ক্যাপশনে লেখা, “আপনারাই সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনের প্রথম মা মেয়ের পাইলট জুটি।”   

    ক্যাপ্টেন হোলি ভিডিওতে বিমান যাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, “আজ আমার জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন। সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইন টিমের নতুন সদস্য, আপনাদের বিমানের ফার্স্ট অফিসার আমার মেয়ে কিলি।” 

    আরও পড়ুন: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    ভিডিওতে মা মেয়েকে দেখা যাচ্ছে তাঁরা একসঙ্গে পাইলটের পোশাক পরছেন, বিমান ওড়ানোর জন্য তৈরি হচ্ছেনও একসঙ্গে। এই ভিডিও দেখে আবেগে ভেসেছেন নেট নাগরিকরা। 

    ক্যাপ্টেন হোলি ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে শুরু করেছিলেন কর্মজীবন। তিনি পাইলট হতে চেয়েছিলেন। যখন কিলির বয়স ২ বছর, তখন হোলি পাইলটের ট্রেনিং নেন। তাঁর আরও দুই সন্তান রয়েছে। ১৮ বছর ধরে বিমান ওড়াচ্ছেন তিনি।  

    কিলির বয়স যখন ১৪ বছর, তখনই এই পেশার প্রেমে পড়েন তিনি। ২০১৭ সালে সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনে ইন্টার্নশিপ করেন তিনি। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 

    কিলি বলেন, “সাউথ ওয়েস্ট এয়ারলাইনই স্বপ্ন ছিল। আর কোনও দিকেই তাকায়নি আমি।” 

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share