Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Attack on Hindu in Bangladesh: হিন্দুদের উপর নির্যাতন বাংলাদেশে! ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

    Attack on Hindu in Bangladesh: হিন্দুদের উপর নির্যাতন বাংলাদেশে! ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকে পোস্ট (facebook post) ঘিরে ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগ তুলে সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Hindu) উপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটল বাংলাদেশে (Bangladesh)। গত শুক্রবার নড়াইল (Narail) জেলায় কয়েকটি বাড়ি, দোকান ও মন্দিরে হামলার পর অগ্নিসংযোগ করা হয়। সূত্রের খবর, নড়াইলের লোহাগড়া (Sahapara area of Lohagara) উপজেলায় ফেসবুক (Facebook) পোস্টকে কেন্দ্র করে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। সেদিন নমাজের পর ওই পোস্ট দেওয়া যুবকের খোঁজ করতে থাকে হিংসা সৃষ্টিকারীরা। আর তারপরই সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ও মন্দিরে হামলা চলে। ঘটনার পর ওই এলাকার বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই হামলাকে সংঘবদ্ধ ও পরিকল্পিত অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে একযোগে প্রতিবাদে নেমেছেন বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুরা। 

    আরও পড়ুন: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    স্থানীয়রা জানান, আকাশ সাহা নামে এক কলেজছাত্রের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দীঘলিয়া গ্রামে শুক্রবার নমাজের পর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তার গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ লোকজন। পরে সন্ধ্যায় উত্তেজিত জনতা দীঘলিয়া বাজারে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালায়। উত্তেজিত জনতা রাতে স্থানীয় একটি পুজোমণ্ডপেও আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আকাশ সাহা পলাতক থাকায় তার বাবা অশোক সাহাকে পুলিশ হেফাজতে নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

    আরও পড়ুন: শুরু সংসদের বাদল অধিবেশন, শান্তিপূর্ণ আলোচনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা-নির্যাতন (Attack) নতুন নয়। এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। হিন্দু নিপীড়নের ঘটনায় এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের (Bangladesh) মানবাধিকার কমিশন বলেছে, “বাংলাদেশের মতো একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে দ্রুত তদন্ত চালিয়ে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে কমিশন। এই ঘটনার নিন্দা করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরাফি মোর্তাজা (Mashrafe Bin Mortoza)। তিনি বলেন, “যে নড়াইলকে আমি চিনতাম, এটা সেই নড়াইল নয়। এখানে আমি বড় হয়নি। আমার নড়াইল হারিয়ে গেছে।” ঘটনার নিন্দা করেছে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়।

  • UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    UK PM Race: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK PM Race) বরিস জনসন (Boris Johnson)। এরপরে কার মাথায় উঠবে প্রধানমন্ত্রীর খেতাব তা নিয়েই এখন বিশ্বজোড়া চর্চা। ভোটাভুটির প্রথম রাউন্ডের পরে প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থানে রইলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রাক্তন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। তিনি পেয়েছেন ২৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী পেনি মর্ডান্ট পেয়েছেন ১৯ শতাংশ ভোট। লিজ ট্রস ১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন (Liz Truss)। চতুর্থ স্থানে কেমি বেদেনোক ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, টম টুজেন্ট ১০ শতাংশ ভোট পেয়ে ৫ নম্বরে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রাভারম্যান ৯ শতাংশ ভোট নিয়ে ছয় নম্বরে রয়েছেন। এলিমিনেশন  রাউন্ডে, দুই প্রার্থী, নাদিম জাহাভি এবং জেরেমি হান্ট যথাক্রমে ৭ এবং ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে বাদ পড়েছেন। 

    আরও পড়ুন: কী হল বরিস সরকারের? চার মন্ত্রীর পদত্যাগে চিন্তায় জনসন

    দলের ৩৫৮ জন সাংসদের মধ্যে ৮৮ জনের সমর্থন পেয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতি রাউন্ডে যারা সবচেয়ে কম ভোট পাবেন, তাঁরা প্রতিযোগিতা থেকে বাদ যাবেন। চলতে হবে ভোট। ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দুজনকে চূড়ান্ত করতে হবে। তারপর কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা তাঁদের নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। এরপরে ৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বিদায় বরিস! ব্রিটেনের হাল ভারতীয়ের হাতে?

    বর্তমানে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ঋষি সুনক। প্রতিযোগিতায় রয়েছেন আরেক ভারতীয় রাজনীতিবিদ সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান। 

    কে এই ঋষি সুনক?  

    বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের (Infosys) প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির (Narayana Murthy) জামাই এই ঋষি সুনক। ১৯৮০-র ১২ মে ব্রিটেনের বন্দর শহর সাউদাম্পটনে (Southampton) জন্ম হয় ঋষি সুনকের। অক্সফোর্ড (Oxford) ও স্ট্যান্ডফোর্ড (Stanford) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ঋষি রাজনীতিতে আসার আগে ছিলেন ব্যবসায়ী। ২০১৫-য় রিচমন্ড ইয়র্কশায়ার (Richmond Yorkshire) থেকে জিতে প্রথমবার সাংসদ হন তিনি। বরিসের মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান। ২০০৯-এ বিয়ে করেন ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির কন্যা অক্ষতাকে। দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। একটা সময় ব্রেক্সিটের প্রচারে বরিসের পাশে ঋষিকেই মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায়। একাধিক বিতর্কেও নাম জড়িয়েছে তাঁর। পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে (Partygate scandal) নাম জড়ায় ঋষি সুনকের।  

    দলের নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজতেও কনজারভেটিভ পার্টিতে মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। যে প্রার্থীরা ৩০ এর কম ভোট পেয়েছেন তাঁদের বাদ দেওয়া হয়। ব্রিটেনের নিয়ম অনুযায়ী, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে কেবলমাত্র সেই প্রার্থীরাই পরের রাউন্ডে যেতে পারবেন, যারা অন্তত ৩০ জন সাংসদের সমর্থন পাবেন। ভোটের আগে সব প্রার্থীদের পার্টির কর্মীদের সামনে বক্তৃতা রাখার জন্যে ১২ মিনিটের সময় দেওয়া হয়।   

    শেষ রাউন্ডের শেষে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনি কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য হয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বরেই মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। এমনটাই আশা করা হচ্ছে। 

  • Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকটের মোকাবিলা করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রোহ ঠেকাতে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করলেন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংঘে (Acting President Ranil Wickremesinghe)। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল।

    এদিন তিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিজ নিজ বিভেদ সরিয়ে রেখে সর্বদলীয় সরকার গঠন করার করার আহ্বান জানান। দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচত করতে শনিবার থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেদেশের পার্লামেন্ট। সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নেওয়া গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীলঙ্কার কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হন রনিল। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ২০ তারিখ ভোটাভুটি হওয়ার কথা। 

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?

    শ্রীলঙ্কার এই চরম সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ কয়েকটি মিত্র রাষ্ট্র। এদিনই দ্বীপরাষ্ট্রে পৌঁছেছে জ্বালানি। দেশে চরম আর্থিক দুরবস্থার জেরে খাদ্য থেকে শুরু করে সার ও ওষুধ আমদানি করার ক্ষমতা নেই প্রশাসনের। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের থেকে সাহায্য নিয়ে কথাবার্তা চলছে শ্রীলঙ্কার।

    এদিকে, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই সদ্যপ্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। তাঁর থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে না বলে একপ্রকার জানিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার মালদ্বীপ থেকে বিশেষ বিমানে করে সিঙ্গাপুরে পৌঁছন গোতাবায়া। তাঁর সফরকে ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করে সিঙ্গাপুর সরকার। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, গোতাবায়া সেখানে আশ্রয় চাননি বা তাঁকে আশ্রয় দেওয়াও হয়নি। 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে (Sri Lanka Crisis) সর্বদলীয় বৈঠকে (All-Party Meeting) ডাক দিয়েছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার হতে চলেছে সেই বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। 

     

  • Indian Officials in Kabul: তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    Indian Officials in Kabul: তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের অগাস্টে আফগানিস্তান (Afghanistan) দখল করেছিল তালিবান (Taliban)। তার পর প্রায় সাড়ে ন’মাস পরে এই প্রথম তালিবান-শাসিত আফগানিস্তান সফরে গেল ভারত (India) সরকারের কোনও প্রতিনিধি দল।

    বিদেশমন্ত্রকের (MEA) এক শীর্ষকর্তার নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দলটি পৌঁছেছে কাবুলে (kabul)। এই সফরের বিষয়ে বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তালিবানের ঊর্ধ্বতন সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন। আফগানিস্তানের জনগণের জন্য ভারতের মানবিক সহায়তা নিয়েও আলোচনা করবে এই প্রতিনিধি দল।

    জানা গিয়েছে, বিদেশমন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক  যুগ্মসচিব জে পি সিংহের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধি দল কাবুল পৌঁছে দেখা করেছেন তালিবান বিদেশমন্ত্রী ওয়াকিল আহমেদ মুত্তাওয়াকিল সহ কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে, মানুষের পাশে সর্বদা থাকবে ভারত, বার্তা ডোভালের

    বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি আফগানিস্থানে গিয়েছে। দলটি মানবিক সহায়তা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করবে। ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এমন জায়গাগুলি পরিদর্শন করবেন, যেখানে ভারতীয় প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে এও জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানের জনগণের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারত এপর্যন্ত ২০ হাজার মেট্রিক টন গম, ১৩ টন ওষুধ, ৫ লক্ষ ডোজ অ্যান্টি-কোভিড ভ্যাকসিন, শীতপোশাক ইত্যাদি পাঠিয়েছে। এই ত্রাণসামগ্রীগুলি কাবুলের ইন্দিরা গান্ধী চিলড্রেন হাসপাতাল, ডব্লিউএইচও, ডব্লিউইপির মতো সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এদিন ভারতীয় কূটনীতিকরা ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেল্থে গিয়ে কথা বলেছেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। পরে পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার তৈরি চিটমালা ইলেকট্রিসিটি সাব-স্টেশনও পরিদর্শন করেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন : রাজস্থানে ভাঙা পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির, ‘তালিবান’ রাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস দাবি বিজেপির

    আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াকুব সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে আমরা সম্প্রীতির সম্পর্ক চাই। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশ ভারত। আমরা আশা করব, ভারতও একইভাবে আমাদের দেখবে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগেও খুবই ভাল ছিল। আমি ভারতকে স্বাগত জানাচ্ছি এবং আমাদের দরজা খুলে রাখছি। আশা করব, আমাদের সম্পর্ককে চাঙ্গা করতে উদ্যোগী হবে ভারতও।

    গত বছর আফগানিস্তানের রাশ তালিবানদের হাতে চলে যাওয়ার পরেই সে দেশে নিজেদের সব কাজকর্ম বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত। বন্ধ করে দেওয়া হয় ভারতীয় দূতাবাসের কাজকর্মও। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, ১৫ অগাস্টের পর আফগানিস্তান থেকে ভারতের সব কর্মীকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছিলেন। আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং সামজিকভাবে আবদ্ধ। সেই সূত্রে ধরেই আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বজায় থাকবে।

     

  • Bill Gates: ভারতের করোনা টিকাকরণ অভিযান নিয়ে বড় মন্তব্য বিল গেটসের

    Bill Gates: ভারতের করোনা টিকাকরণ অভিযান নিয়ে বড় মন্তব্য বিল গেটসের

    নিউজ মাধ্যম ডেস্ক: করোনা টিকাকরণ অভিযানে ভারতের সাফল্যকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates)। করোনা ভ্যাকসিনেশন ড্রাইভ নিয়ে তিনি বলেছেন ভারত প্রায় সমস্ত জনসাধারণের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে। এর জন্য ভারত বিশ্বব্যাপী এক উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বিল গেটস ও ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়। এর পর মাণ্ডব্য টুইট করে বলেন, “বিল গেটসের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। কোভিডের ব্যবস্থাপনা এবং বিশাল টিকাকরণ প্রচেষ্টায় ভারতের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন তিনি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা ডিজিটালে স্বাস্থ্যের প্রচার, রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, এমআরএনএ আঞ্চলিক হাব তৈরি এবং কম মূল্যের এবং ভালো ডায়াগনস্টিকস ও চিকিৎসা করার বিভিন্ন যন্ত্রের উন্নয়নকে শক্তিশালী করা সহ স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছি।”

    বিল গেটসও তাঁর উত্তরে ট্যুইটারে লেখেন, “মানসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে দেখা করে ও বিশ্বের স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করে আমি আনন্দিত। ভারতের টিকাকরণ অভিযান ও চিকিৎসায় বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার, এক সাফল্য এনে দিয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী এক বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছে।”

    বিল গেটসের মতে, বিশ্বজুড়ে দারিদ্রতা দূর করার জন্য যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল তা করোনার জন্য সম্পূর্ণ হতে পারেনি। তাই এইসময়ে বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন খুবই দরকার।

    গত বছরের জানুয়ারিতে কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম টিকাদান অভিযান শুরু করার পর ভারত দেশের প্রায় ৮৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের সম্পূর্ণরূপে টিকা দিয়েছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (Serum Institute)  মাধ্যমে ভারতের জনসংখ্যার একটি বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে কোভিশিল্ড (Covishield) এবং কোভ্যাক্সিন (Covaxin)  টিকা দেওয়া হয়েছে।

    বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের ( Bill & Melinda gates Foundation) বিশ্ব উন্নয়ন রিপোর্ট (Global Development Report) অনুসারে, এরা ২০০৩ সাল থেকে ভারতে কাজ করছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতে বেশি বিনিয়োগ করেছে।

  • Nepal Air Crash: খোঁজ মিলল নেপালের দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের, ১৪টি ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার

    Nepal Air Crash: খোঁজ মিলল নেপালের দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের, ১৪টি ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নেপালের দুর্ঘটনাগ্রস্ত (Nepal Air Crash) বিমানের খবর মিলল। গতকাল সন্ধ্যায় খারাপ আবহাওয়ার জন্য উদ্ধারকাজ বন্ধ থাকার পর আজ ফের নতুন করে তল্লাশি অভিযানে নেমেছিল উদ্ধারকারী দল। এরপর সকালেই জানানো হয়, নেপালে দুর্ঘটনার কবলে পড়া তারা এয়ারের (Tara Air) বিমানটিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে থেকে ১৪ জনের ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছে। নেপাল সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “বিমান দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই।” গতকাল চার ভারতীয়সহ ২২ জন যাত্রী নিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল বিমানটি।  

    নেপালের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র দেও চন্দ্র লাল কর্ণ জানান, “এখনও পর্যন্ত ১৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের জন্য অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া খারাপ থাকার দরুন দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়া যাচ্ছে না। তুষারপাতের কারণে অন্য কোনও ফ্লাইটে করে এখন আর সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

    ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের জেনারেল ম্যানেজার প্রেমনাথ ঠাকুর বলেন, “তুষারপাতের কারণে আজকের উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখতে হবে। যেসব হেলিকপ্টারগুলিকে উদ্ধার কাজে পাঠানো হয়েছিল তাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।” গতকাল সকালে তারা এয়ারের ৯ এনএইটি (Tara Air’s 9 NAET) বিমানটি নেপালের পোখারা (Pokhara) থেকে জোমসমের (Jomsom) উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল।

    সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের পর থেকে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, মুসতাং জেলার (Mustang District) জোমসমের কাছে আকাশে বিমানটি শেষবার দেখা গিয়েছিল। তারপর তা ধৌলাগিরি শৃঙ্গের দিকে বাঁক নেয়। তখন থেকেই বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।    

    এর আগেও ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পশ্চিম নেপালের পাহাড়ি এলাকায় ভেঙে পড়েছিল তারা এয়ারেরই একটি বিমান। মৃত্যু হয়েছিল বিমানে থাকা ২৩ জন যাত্রীর। সেই বিমানটিও পোখারা থেকে জোমসমের দিকেই যাচ্ছিল।   

     

      

  • Viral News: হত্যার অপরাধে ৩ বছরের কারাদণ্ড ভেড়ার! জানুন কোথায় ঘটল এমন ঘটনা…

    Viral News: হত্যার অপরাধে ৩ বছরের কারাদণ্ড ভেড়ার! জানুন কোথায় ঘটল এমন ঘটনা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা সাধারণত প্রাণী হত্যার অপরাধে মানুষের শাস্তি পাওয়ার ঘটনা এর আগে অনেকবারই শুনেছি। তবে এবারের ঘটনাটি একেবারেই উল্টো। মানুষের হত্যার অভিযোগে প্রাণীর শাস্তি, এমন ঘটনা সত্যিই বিরল।

    অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে আফ্রিকার দক্ষিণ সুদানে, যেখানে এক মহিলাকে গুঁতিয়ে খুনের অপরাধে একটি ভেড়াকে তিন বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই খবর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

    সুদানের আই রেডিও-এর (Eye Radio) খবর অনুযায়ী, ৪৫ বছরের অ্যাডিউ চ্যাপিং নামে এক মহিলাকে হত্যা করার ফলে প্রাণীটিকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত ভেড়াটি বারবার চ্যাপিংয়ের মাথায় আঘাত করেছিল এবং তাঁর পাঁজর ভেঙে দিয়েছিল, ফলে তখনই মহিলাটির মৃত্যু হয়। 

    এলিজাহ মাবো নামে এক পুলিশকর্মী সুদানের সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “ভেড়াটি মহিলাটির পাঁজরে আঘাত করেছিল এবং তার সেখানেই মৃত্যু হয়।” তিনি আরও বলেন, “মালিক নির্দোষ এবং ভেড়াটি যে অপরাধ করেছে তা গ্রেফতারের যোগ্য। পরে মামলাটি স্থানীয় আদালতে পাঠানো হয়। সেখানেই ভেড়াটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।”

    এদিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ঘাতক ভেড়াটিকে এখন আগামী তিন বছর সামরিক ঘাঁটিতে কাটাতে হবে। ছাড়া পাওয়ার পর, তাকে তুলে দেওয়া হবে নিহতের পরিবারের হাতে। তবে এখানেই শেষ নয়, এর জল গড়িয়েছে অনেক দূর। ভেড়াটির কারাদণ্ডের পাশাপাশি ভেড়াটির মালিক ডুয়োনি মানয়াং ধল-কে (Duony Manyang Dhal) দিতে হয়েছে জরিমানা। ক্ষতিপূরণ বাবদ মৃতার পরিবারকে দিতে হয়েছে চ্যাপিংয়ের পাঁচটি গরু। 

    গতবছরও এমনই একটি বিরল ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি খামারে একটি ভেড়ার আক্রমণে মৃত্যু হয় এক ৭৩ বছর বয়সী মহিলা কিম টেলারের। ভেড়াটি তার উপর আক্রমণ করলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ফলে তাঁকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

  • Beer From Urine: মূত্র, নর্দমার জল থেকে বিয়ার! চোখ কপালে সুরাপ্রেমীদের

    Beer From Urine: মূত্র, নর্দমার জল থেকে বিয়ার! চোখ কপালে সুরাপ্রেমীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূত্র (Urine), নর্দমার জল (Sewage Water) থেকে তৈরি হচ্ছে বিয়ার (Beer)! কেউ কস্মিন্কালে শুনেছে এমন কথা! এমনটাই ঘটছে সিঙ্গাপুরে (Singapore)। এক অভিনব কায়দায় সুরা তৈরি করছে ‘নিউব্রু’ (New Brew) নামের এক সংস্থা। তাদের দাবি, মূত্র ও নর্দমার জল থেকে তৈরি এই বিয়ারই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব বিয়ার। নোংরা জল পরিশুদ্ধ করে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ ধরনের বিয়ার। 

    কেনই বা এই বিচিত্র পদ্ধতিতে বিয়ার তৈরির পরিকল্পনা নিল এই সংস্থা? সংস্থার এই বিষয়ে বক্তব্য, বিশ্বে যেভাবে জল সংকট বাড়ছে, তাতে আগামী কয়েকবছরে পানীয় জলের বিপুল পরিমাণ ঘাটতি দেখা দেবে। এই আবহে জলের সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই এই বিয়ার সংস্থা এই অভিনব পন্থায় বিয়ার তৈরি করছে। 

    আরও পড়ুন: এ কেমন শখ! মানুষ থেকে কুকুর হল জাপানি যুবক

    কিন্তু এই পন্থা কিন্তু খুব একটা নতুন নয়। ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যান দিয়েগোর এক বিয়ার সংস্থা  এমনভাবেই নোংরা জলকে পরিশ্রুত করে বিয়ার তৈরি করেছিল।  
     
    সিঙ্গাপুরের ওই সংস্থা জানিয়েছে, তাদের বিয়ারের অন্যতম প্রধান উপাধান ‘নিওয়াটার’ (NeWater)। নর্দমার জলকে পরিশোধিত করে তৈরি করা হয় এই উপাদান। একধিক পরীক্ষা এবং পরিশ্রুতকরণের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় এই নিওয়াটারকে। সংস্থার আরও দাবি, তাদের বিয়ার তৈরি করা হয় ৯৫ শতাংশ পরিশোধিত জল দিয়ে। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনেই এই বিয়ারের জল পরিশোধিত করা হয়। বেশ কয়েক দফায় কড়া পরীক্ষা করা হয়। তারপর তৈরি করা হয় ‘আলট্রা ক্লিন’ জল। আর তা দিয়েই তৈরি হয় বিয়ার।  

    আরও পড়ুন: নিলামে উটের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৪ কোটি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সরগরম নেটপাড়া

    গত মাসেই জাতীয় জল সংস্থা পিইউবি এবং স্থানীয় বিয়ার সংস্থা ব্রুয়ারি ব্রুওয়ার্কজের যৌথ উদ্যোগে লঞ্চ হয়েছে এই নতুন বিয়ার ব্র্যান্ড।

  • Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। শনিবার একটি বিবৃতি জারি করে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যেই  শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা (Sri Lankan Protesters) রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ (Mansion) থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিরাপত্তা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকালেই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksha) সরকারি বাসভবন বা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনের দখল নিয়েছে। এমনকি সুইমিং পুল ও রান্নাঘরের দখল নিয়েও সেখানকার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তারপরই রাজাপক্ষের দেশ ছাড়ার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজে করেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কলম্বো বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে তিন জন বড় বড় সুটকেস তুলছে। যেগুলি রাজাপক্ষের বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। কলম্বো বন্দরের (Colombo Port) হারবার মাস্টার (Harbour Master) বলেছেন, একটি দল এসএলএনএস সিন্দুরালা (SLNS Sindurala) ও এসএলএনএস গজবাহুতে (SLNS Gajabahu) চড়ে বন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি এখন কোথায় গিয়েছেন তার হদিশ মেলেনি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি শ্রীলঙ্কা সেনা হেডকোয়ার্টারে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    এই বিক্ষোভে পথে নেমেছেন শ্রীলঙ্কার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jayasuriya) ও রোশন মহানামা (Roshan Mahanama)। তাঁরা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে সরব হয়েছেন। ট্যুইটারে #gohomegota লিখে প্রতিবাদ করছেন ও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিিতির জন্য অনেকটাই চিন দায়ী। ২০১০ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় আর্থিক দুর্দশা দেখা যায় এরপর ২০১৯ সালে তা চরম সঙ্কটের মুখে পড়ে। কলম্বো ও হাম্বানটোটা বন্দরকে ১০০ বছরের জন্যে চিনের কাছে লিজে রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে চিন এই দেশকে ঋণ কূটনীতির ফাঁদে (Debt Trap Diplomacy) ফেলেছে যাতে শ্রীলঙ্কার ওপর পুরো কন্ট্রোল নেওয়া যায়। চিন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা (Lender)। আর এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মোট ঋণের ১০ শতাংশ এসেছে বেজিংয়ের থেকে। এই ঋণে ভারসাম্য না-থাকার কারণেই সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সমস্যা মেটানোর জন্য বিদেশি সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর ফলে চিনের উপর দেশটির নির্ভরতা বেড়েছে, যে কারণে ঋণের বোঝাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর পরিস্থিতিও খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে। চিনের ঋণ ফাঁদ ছাড়াও সরকার চালানোয় অক্ষমতা, স্পষ্টতার অভাব ইত্যাদির কারণে শ্রীলঙ্কার আর্থিক পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। চিনের কাছে শ্রীলঙ্কার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০০ কোটি ডলার, যা তার মোট বৈদেশিক ঋণ ৪৫০০ কোটি ডলারের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। এই বছরের জন্য শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে চিনের পাওনা প্রায় ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি ডলার। ভারত শ্রীলঙ্কাকে ঋণের থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা করে থাকলেও শ্রীলঙ্কা এমনই ঋণ ফাঁদে পড়েছিল যে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরেও এই দেশের অবস্থা ঠিক করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন যে, চিন নিজেই শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে পরে সাহায্য করতে আসলেও তা সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে। ‘ঋণ কূটনীতি’ ব্যবহার করেই বিশ্ব জুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে তাদের উপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সুতরাং অনেক দেশেরই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, চিন কীভাবে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ ফাঁদের জালে ফেলে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে।

  • Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা তুলতে পশ্চিমের দেশগুলিকে চাপ দিল রাশিয়া (russia)!

    পশ্চিমের দেশগুলি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যসঙ্কট (Global food crisis) এড়াতে মস্কো (Moscow) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে প্রস্তুত। একথা জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির (Mario Draghi) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সেই সময়ই পুতিন মারিওকে জানিয়ে দেন একথা।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ক্রেমলিনের (Kremlin) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আজভ (Sea of Azov) ও কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফোনে কথা বলার সময় পুতিন আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন মারিওকে। তিনি সেখানে এসব জাহাজ চলাচলে নিয়মিত মানবিক করিডর চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

    রাশিয়ার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্যসঙ্কট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যে প্রস্তুত ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তা জানানো হয়েছিল। তবে সেজন্য পশ্চিমের দেশগুলি থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    রাশিয়ার অবস্থানকে ব্ল্যাকমেল হিসেবে বর্ণনা করেছে ইউক্রেন (Ukraine)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট খাদ্যসঙ্কটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছেন পুতিন। কিভের দাবি, ইউক্রেনের বন্দর আটকে রেখেছে রাশিয়া। যে কারণে, সেখান দিয়ে কোনও শস্য় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। মস্কোর পাল্টা দাবি, বন্দরগুলিতে মাইন বিছিয়ে রেখেছে ইউক্রেন। 

    বিশ্ববাজারে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে খাদ্যসঙ্কট। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটকে উসকে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। তার জেরে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলি। তারা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজিও জানিয়েছে। অবশ্য গম রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিন (China)।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য পশ্চিমের দেশগুলির ওপর দায় চাপাতে চাইছে ক্রেমলিন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের (Ukraine Russia Crisis) কারণে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে পারছে না ইউক্রেন।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি এবং সারের। দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কটও। যদিও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, অসামরিক জাহাজগুলি এখন নিরাপদে ইউক্রেনের মারিউপোলের (Mariupol) আজভ সাগর বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এই বন্দরে ছটি বিদেশি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ এখন ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। এই জাহাজগুলি বুলগেরিয়া, ডোমিনিকা, লাইবেরিয়া, পানামা, তুরস্ক এবং জামাইকা থেকে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদিত দু’কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশটিতে নতুন করে ফসল কাটার সময়ও চলে এসেছে। এমতাবস্থায় পুতিনের ‘শর্তে’ বিশ্বনেতারা রাজি হন কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

LinkedIn
Share