Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। শনিবার একটি বিবৃতি জারি করে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যেই  শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা (Sri Lankan Protesters) রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ (Mansion) থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিরাপত্তা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকালেই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksha) সরকারি বাসভবন বা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনের দখল নিয়েছে। এমনকি সুইমিং পুল ও রান্নাঘরের দখল নিয়েও সেখানকার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তারপরই রাজাপক্ষের দেশ ছাড়ার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজে করেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কলম্বো বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে তিন জন বড় বড় সুটকেস তুলছে। যেগুলি রাজাপক্ষের বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। কলম্বো বন্দরের (Colombo Port) হারবার মাস্টার (Harbour Master) বলেছেন, একটি দল এসএলএনএস সিন্দুরালা (SLNS Sindurala) ও এসএলএনএস গজবাহুতে (SLNS Gajabahu) চড়ে বন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি এখন কোথায় গিয়েছেন তার হদিশ মেলেনি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি শ্রীলঙ্কা সেনা হেডকোয়ার্টারে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    এই বিক্ষোভে পথে নেমেছেন শ্রীলঙ্কার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jayasuriya) ও রোশন মহানামা (Roshan Mahanama)। তাঁরা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে সরব হয়েছেন। ট্যুইটারে #gohomegota লিখে প্রতিবাদ করছেন ও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিিতির জন্য অনেকটাই চিন দায়ী। ২০১০ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় আর্থিক দুর্দশা দেখা যায় এরপর ২০১৯ সালে তা চরম সঙ্কটের মুখে পড়ে। কলম্বো ও হাম্বানটোটা বন্দরকে ১০০ বছরের জন্যে চিনের কাছে লিজে রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে চিন এই দেশকে ঋণ কূটনীতির ফাঁদে (Debt Trap Diplomacy) ফেলেছে যাতে শ্রীলঙ্কার ওপর পুরো কন্ট্রোল নেওয়া যায়। চিন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা (Lender)। আর এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মোট ঋণের ১০ শতাংশ এসেছে বেজিংয়ের থেকে। এই ঋণে ভারসাম্য না-থাকার কারণেই সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সমস্যা মেটানোর জন্য বিদেশি সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর ফলে চিনের উপর দেশটির নির্ভরতা বেড়েছে, যে কারণে ঋণের বোঝাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর পরিস্থিতিও খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে। চিনের ঋণ ফাঁদ ছাড়াও সরকার চালানোয় অক্ষমতা, স্পষ্টতার অভাব ইত্যাদির কারণে শ্রীলঙ্কার আর্থিক পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। চিনের কাছে শ্রীলঙ্কার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০০ কোটি ডলার, যা তার মোট বৈদেশিক ঋণ ৪৫০০ কোটি ডলারের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। এই বছরের জন্য শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে চিনের পাওনা প্রায় ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি ডলার। ভারত শ্রীলঙ্কাকে ঋণের থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা করে থাকলেও শ্রীলঙ্কা এমনই ঋণ ফাঁদে পড়েছিল যে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরেও এই দেশের অবস্থা ঠিক করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন যে, চিন নিজেই শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে পরে সাহায্য করতে আসলেও তা সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে। ‘ঋণ কূটনীতি’ ব্যবহার করেই বিশ্ব জুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে তাদের উপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সুতরাং অনেক দেশেরই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, চিন কীভাবে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ ফাঁদের জালে ফেলে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে।

  • Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা তুলতে পশ্চিমের দেশগুলিকে চাপ দিল রাশিয়া (russia)!

    পশ্চিমের দেশগুলি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যসঙ্কট (Global food crisis) এড়াতে মস্কো (Moscow) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে প্রস্তুত। একথা জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির (Mario Draghi) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সেই সময়ই পুতিন মারিওকে জানিয়ে দেন একথা।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ক্রেমলিনের (Kremlin) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আজভ (Sea of Azov) ও কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফোনে কথা বলার সময় পুতিন আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন মারিওকে। তিনি সেখানে এসব জাহাজ চলাচলে নিয়মিত মানবিক করিডর চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

    রাশিয়ার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্যসঙ্কট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যে প্রস্তুত ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তা জানানো হয়েছিল। তবে সেজন্য পশ্চিমের দেশগুলি থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    রাশিয়ার অবস্থানকে ব্ল্যাকমেল হিসেবে বর্ণনা করেছে ইউক্রেন (Ukraine)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট খাদ্যসঙ্কটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছেন পুতিন। কিভের দাবি, ইউক্রেনের বন্দর আটকে রেখেছে রাশিয়া। যে কারণে, সেখান দিয়ে কোনও শস্য় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। মস্কোর পাল্টা দাবি, বন্দরগুলিতে মাইন বিছিয়ে রেখেছে ইউক্রেন। 

    বিশ্ববাজারে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে খাদ্যসঙ্কট। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটকে উসকে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। তার জেরে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলি। তারা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজিও জানিয়েছে। অবশ্য গম রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিন (China)।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য পশ্চিমের দেশগুলির ওপর দায় চাপাতে চাইছে ক্রেমলিন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের (Ukraine Russia Crisis) কারণে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে পারছে না ইউক্রেন।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি এবং সারের। দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কটও। যদিও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, অসামরিক জাহাজগুলি এখন নিরাপদে ইউক্রেনের মারিউপোলের (Mariupol) আজভ সাগর বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এই বন্দরে ছটি বিদেশি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ এখন ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। এই জাহাজগুলি বুলগেরিয়া, ডোমিনিকা, লাইবেরিয়া, পানামা, তুরস্ক এবং জামাইকা থেকে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদিত দু’কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশটিতে নতুন করে ফসল কাটার সময়ও চলে এসেছে। এমতাবস্থায় পুতিনের ‘শর্তে’ বিশ্বনেতারা রাজি হন কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

  • Imran khan: অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    Imran khan: অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকারকে “চরম হুঁশিয়ারি” দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran khan)। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (pakistan Tehreek-i-insaf) দলের প্রধান বলেন, মাত্র ছ’দিন। তার মধ্যেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে হবে। এই সময়সীমার মধ্যে সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণার দাবি জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। আজাদি মিছিলে (protest march) যোগ দিতে বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামাবাদে আসেন ইমরান। সেখানকার জিন্নাহ অ্যাভেনিউতে দাঁড়িয়ে শাহবাজের সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন ‘কাপ্তান’। সরকার যদি এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ না করে, তাহলে এবার গোটা দেশকে পাশে নিয়ে রাজধানীতে আসবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন ইমরান।

    আরও পড়ুন : গদি বাঁচাতে সেনাপ্রধানকে সরিয়ে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করতে চেয়েছিলেন ইমরান?

    অবিলম্বে সংসদ ভেঙে নির্বাচনের দিন ঘোষণার দাবিতে উত্তাল ভারতের প্রতিবেশী দেশটি। বুধবার থেকেই ইমরানের সভা নিয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়েছে অশান্তির আগুন। রাজধানী ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিণ্ডি, করাচি, লাহোর, খাইবার পাখুনখাওয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ইসলামাবাদের রেড জোন, ব্লু জোনেও ব্যাপক অশান্তি হয়। বুধবার ইসলামাবাদের অদূরে আটকে দেওয়া হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। তবে এদিন সকালে রাজধানীতে সভা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : ১৫ কোটি টাকার সরকারি গাড়ি নিজের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন ইমরান, দাবি পাক মন্ত্রীর

    ইমরান বলেন, আমি ঠিক করেছি যে যতক্ষণ না এই সরকার সংসদ ভেঙে নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করছে, ততক্ষণ আমি এখানেই বসে থাকব। গত ২৪ ঘণ্টায় আমি যা দেখেছি, তাতে বুঝতে পারছি যে দেশে নৈরাজ্য চলছে। সাধারণ মানুষ ও পুলিশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

    প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বুধবার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সংঘর্ষে তাঁর দলের পাঁচ সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। একজন অ্যাটোক ব্রিজ থেকে পড়ে গিয়েছেন। নদীতে ডুবেও মৃত্যু হয়েছে একজনের। করাচিতেও তাঁর দলের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    ইমরান বলেন, জুনে নির্বাচনের জন্য সংসদ ভেঙে দিতে হবে। দাবি পূরণ না হলে ফের রাজধানীতে মিছিল করবেন বলেও জানান পাক প্রধানমন্ত্রী। এদিন ইমরান ফের দাবি করেন, গত মাসে আস্থাভোটে তাঁর পতনের নেপথ্যে ছিল মার্কিন ষড়যন্ত্র। তাঁর পেছনে যে জাতীয় সমর্থন রয়েছে, এদিনের সভায় তাও জানিয়ে দেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী।

    এদিনের এই সভা করতে ইমরামকে কম বাধার প্রাচীর ডিঙোতে হয়নি। শেষমেশ সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে খোলা জায়গায় ইমরানকে সভা করার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেইমতো এদিন সভা করেন ইমরান। তার আগে রাজধানীতে ঢোকার বিভিন্ন রাস্তায় ইমরানের সমর্থকদের সঙ্গে পাক পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে, বিক্ষোভ মিছিলের ভ্যানগার্ডের উপর লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে আটক করে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। সরকারি সূত্রে খবর, দু’পক্ষের সংঘর্ষে জখম হয়েছেন ১৮ জন পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর কর্মী।

     

     

  • PM Modi: বুদ্ধজয়ন্তীতে লুম্বিনিতে বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিলান্যাস মোদির

    PM Modi: বুদ্ধজয়ন্তীতে লুম্বিনিতে বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিলান্যাস মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লুম্বিনিতে (Lumbini) বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (buddhist cultural centre) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভারত (India) ও নেপালের (Nepal) প্রধানমন্ত্রী। সোমবার বুদ্ধজয়ন্তীর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ওই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অংশ নেন বৌদ্ধ রীতি অনুযায়ী পুজোয়ও।

    এদিন বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে নেপাল পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে চলে যান লুম্বিনিতে। এই লুম্বিনিতেই জন্ম হয়েছিল ভগবান বুদ্ধের (Lord Buddha)। বৌদ্ধ (Buddhist) তো বটেই, হিন্দুদের (Hindu) কাছেও লুম্বিনির গুরুত্ব অপরিসীম। হিন্দুদের বিশ্বাস, বুদ্ধ স্বয়ং বিষ্ণুর (Lord Vishnu) অবতার।

    এদিন যে জায়গায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেটি ইন্টারন্যাশনাল বৌদ্ধ কনফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লুম্বিনিতে যান মোদি। তার আগে দর্শন করেন মায়াদেবীর মন্দির (maya devi temple)। মোদির সঙ্গে ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী আরজু রানা দেউবা। লুম্বিনিতে গিয়ে মূলপ্রস্তরে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন। এই প্রস্তরখণ্ডটি বুদ্ধের সঠিক জন্মস্থান নির্দেশ করে। এর পরেই শুরু হয় বৌদ্ধরীতিতে পুজো। মন্দির সংলগ্ন অশোক স্তম্ভের কাছেও প্রদীপ জ্বালান দুই প্রধানমন্ত্রী।

    ২৪৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক এই স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে দুই প্রধানমন্ত্রী শিশু-বোধিবৃক্ষে জল দেন। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদি যখন নেপালে এসেছিলেন, তখন বুদ্ধগয়া (Bodhgaya) থেকে তিনি এই বৃক্ষটি উপহার হিসেবে নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন : ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    এই নিয়ে পাঁচবার লুম্বিনিতে গেলেন মোদি। বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিন লুম্বিনি দর্শন করতে পেরে তিনি যে খুশি, তা ধরা পড়েছে এদিন নেপাল পৌঁছেই তাঁর করা ট্যুইটে। মোদি লিখেছেন, নেপালে অবতরণ করেছি। বুদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষ দিন উপলক্ষে নেপালের বিস্ময়কর মানুষের মধ্যে থাকতে পেরে খুশি। লুম্বিনির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি। এর পরেই লুম্বিনিতে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    ’১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে সচেষ্ট হন মোদি। সেই সময়ও তিনি গিয়েছিলেন নেপালে। পরে গাঢ় হয় নেপাল-চিন সম্পর্ক। স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব রচনা হয় ভারত-নেপাল সম্পর্কে (India Nepal bilateral relations)। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের গুরুত্ব পরে বুঝতে পারে নেপাল। ক্রমেই শীতল হতে থাকে নেপাল-চিন (Nepal-China) সম্পর্ক। তার পর ফের নেপালের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক মসৃণ করতে সচেষ্ট হন মোদি। যার জেরে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম তিনি পা রাখলেন নেপালে। তাও আবার বুদ্ধজয়ন্তীর দিন।

     

  • Russia India Relation: ভারতের ওপর কি ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে রাশিয়া?

    Russia India Relation: ভারতের ওপর কি ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বেশি করে ভারতের (India) ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ল রাশিয়া (Russia)। ইউক্রেনে (Ukraine) হামলা চালানোর কারণে ইতিমধ্যেই প্রচুর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে রাশিয়ার উপর। যার মধ্যে অন্যতম ইউরোপের দেশগুলিতে অপরিশোধিত তেলের রফতানি (Crude oil exports)। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনায় আংশিক নিষেধাজ্ঞা (partial embargo) জারি করেছে ইউরোপ (Europe)। 

    তাই এবার চিন (China) এবং ভারতের ওপর নির্ভর করতে হবে ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) দেশকে। কারণ এই দুই দেশ ছাড়া আর এশিয়ার অন্য কোনও দেশের তেল পরিশোধন করার আধুনিক প্রযুক্তি নেই। তাই অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) এই দুই দেশেই রফতানি করতে হবে রাশিয়াকে। 

    পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    রাশিয়া থেকে জলপথে তেল রফতানি করা হয় পৃথিবীর নানা দেশে। রাশিয়া থেকে জলপথে দুই তৃতীয়াংশ তেল ইউরোপে আসে। জাহাজে আসা তেলের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union)। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রায় সাতাত্তর হাজার কোটি টাকার লোকসান হবে রুশ প্রশাসনের।  

    ব্রাসেলসে এক সম্মেলন শেষে ষষ্ঠবারের জন্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়। এতে বলা হয়, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানি দুই-তৃতীয়াংশ বন্ধ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা একমত হয়েছেন। এর ফলে সমুদ্রপথে রাশিয়া থেকে ইউরোপে তেল আমদানি বন্ধ হবে।  

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাহিদার ২৭ শতাংশ তেল এবং ৪০ শতাংশ গ্যাস রাশিয়া থেকে আমদানি করা হয়। যার মূল্য প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ইউরো। এদিকে পোল্যান্ড ও জার্মানি এ বছরের শেষে পাইপলাইনে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করবে। এতে ইউরোপে রুশ তেল আমদানির পরিমাণ ৯০ শতাংশ কমে যাবে।

    রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের 

    ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সবগুলি অংশ নিয়েছে। এতে রাশিয়ার তেল আমদানি কমিয়ে আনার নিয়ে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান চার্লস মিচেল বলেন, এর ফলে রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনা করার অর্থের উৎস বন্ধ হবে। এছাড়া রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যাংক এবং তিনটি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেবার ব্যাপারে ইউরোপীয় নেতারা একমত হয়েছে। 

    ইউরোপের এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন বাজার ধরতে হবে রুশ প্রশাসনকে। সেই ক্ষেত্রে রাশিয়ার সামনে একমাত্র বাজার এশিয়া। যেখানে বেশিরভাগ দেশেরই তেল পরিশোধ করার প্রযুক্তি নেই। তাই অপরিশোধিত তেল রপ্তানির বিষয়ে ভারত এবং চিনের মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে রাশিয়াকে। 

     

  • Giant Panda Fossil: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    Giant Panda Fossil: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনোসরের জীবাশ্মের খোঁজ, এসব এখন অতীত। সম্প্রতি ৬ মিলিয়ন অর্থাৎ ৬০ লক্ষ বছর পুরনো জায়েন্ট পান্ডার (Giant Panda) জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে চিন (China) থেকে। আর এই নিয়েই আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগেই পান্ডার উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে এই নিয়ে অনেক আলোচনা চলছিল। জানা গিয়েছিল, জায়েন্ট পান্ডার হদিশ নাকি চিন থেকেই পাওয়া যায়। কিন্তু এবারে এত বছরের পুরনো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পান্ডার জীবাশ্ম উদ্ধার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের।

    ওই দুই মহিলার মধ্যে একজন অস্ট্রিয়ান ও অন্যজন রোমানিয়ান ছিলেন।

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে প্রজাতির পান্ডার হাড়ের জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে তার নাম Ailurarctos। জীবাশ্মটি চিনের ইউনানের (Yunnan) জাওটং (Zhaotong) শহরের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জীবাশ্ম ও এই প্রজন্মের পান্ডাদের থেকেই বর্তমান প্রজন্মের পান্ডারা এসেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই হাড়গুলো থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের হাড়ের পরিবর্তনের কথা জানতে পারবেন বিজ্ঞানীরা। ‘ফলস থাম্প’ নামক হাড়ের গঠনে কী কী পরিবর্তন এসেছে এই নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই জীবাশ্ম অনেক সাহায্য করে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ফলস থাম্পের সাহায্যেই পান্ডারা হাতে কোনও খাবার বা বাঁশ নিয়ে খেতে পারে। বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের সঙ্গে এর মিলও খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র এটি আকারে বড় ধরণের ছিল ও এতে হুক নেই যা বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের আছে।

    আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    এর আগে ২০১০ সালে প্রথম Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার হাতের হাড় পাওয়া গিয়েছিল ও ২০১৫ সালে দাঁত ও ফলস থাম্প উদ্ধার করেছিল বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই জীবাশ্মের সাহায্যেই বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে,  Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার ফলস থাম্পের থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের গঠন বেশি ভালো। এদের থাম্পে হুক থাকায় কোনও জিনিসকে বা কোনও খাবারকে এরা ভালোভাবে ধরতে পারে। ফলে এই জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়ার পরে বিজ্ঞানীরা জায়েন্ট পান্ডাদের সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে পারেন ও এখনকার পান্ডাদের সঙ্গে আগের প্রজন্মের পান্ডাদের কী কী মিল ও অমিল রয়েছে তাও জানতে পারেন। বিজ্ঞানীরা এই জীবাশ্ম নিয়ে এখনও গবেষণা করে চলেছে, তাই ভবিষ্যতে আর কী কী নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে এটিই এখন দেখার।

  • Viral News: সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণে দুই মহিলা, এরপর কী হল…

    Viral News: সাগরে সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণে দুই মহিলা, এরপর কী হল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল মিশরের উপকূলে। এই ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকল একগুচ্ছ মানুষ। তবে কারোর থেকেই সাহায্য পাওয়া গেল না। একটি হাঙরের আক্রমণে প্রাণ হারালেন এক ৬৮ বছর বয়সী অস্ট্রিয়ান মহিলা ও এক রোমানিয়ান মহিলা। ইজিপ্টের (Egypt) লোহিত সাগরের (Red Sea) সল হাশিশ (Sahl Hasheesh) উপসাগরে এই ভয়ানক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনাটি হওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত বহু মানুষ এটির ভিডিয়োও করেছেন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই এটি ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে।

    খবরসূত্রে জানা যায়, এই দুই মহিলা লোহিত সাগরে সাঁতার কাটছিলেন। আর তখনই মহিলাটির ওপর হাঙর আক্রমণ করে। আর তখন সেখানে উপস্থিত লোকেরা ভিডিও করে হাঙরটির দৃষ্টি অন্য দিকে সরানোর চেষ্টা করলেও কেউ জলে নেমে তাঁদের সাহায্য করতে যায়নি। শুধুমাত্র আক্রমণ চালিয়েই থেমে থাকেনি হাঙরটি, অস্ট্রিয়ান মহিলাটির একটি হাত ও পা কেটে নিয়েও চলে যায়। যদিও তিনি অনেক চেষ্টা করে উপকূলে এসে পৌঁছতে পারেন। কিন্তু শেষ রক্ষাটুকু করা গেল না। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয়। আর এক মহিলাকে আক্রমণ চালানোর প্রায় এক ঘণ্টা পরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    সেখানকার সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার হুরঘাদা (Hurghada) রিসর্টের দক্ষিণে সল হাশিশ উপসাগরে সাঁতার কাটছিলেন তাঁরা। তারপরেই হাঙর আক্রমণ করলে একজনের পা ও হাত কেটে নিয়ে চলে যায়। এরপরেও নিজেই উপকূলে আসার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ধারে পৌঁছে গেলেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান। এই ঘটনার পরেই লোহিত সাগরের (Red Sea) সমস্ত সৈকত দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত ৩ দিনের জন্য বন্ধ সৈকতগুলি।

    প্রসঙ্গত, এর কিছুদিন আগেই ফ্লোরিডাতে (Florida) এমনই দুর্ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে একটি কম বয়সী মেয়েকেও আক্রমণ করেছিল এক হাঙর এবং তার পায়ের কিছুটা অংশ কেটে নিয়ে চলে যায়। যদিও পরে সে বেঁচে যায় তার দাদার জন্য। এই ঘটনাটির কথা তাঁর বাবা ফেসবুকে পোস্ট করে জানান। 

     

  • Brazilian Model: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ব্রাজিলীয় লাস্যময়ী মডেল, জানুন তাঁর আরেক পরিচয়

    Brazilian Model: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ব্রাজিলীয় লাস্যময়ী মডেল, জানুন তাঁর আরেক পরিচয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন লাস্যময়ী মডেল (Brazilian Model)। পরবর্তীতে হাতে তুলে নেন বন্দুক। গত মাসে রাশিয়ার হামলায় (Russia-Ukrain War) নিহত ব্রাজিলীয় মডেল তথা স্নাইপার (Sniper) থালিতো দো ভ্যালে (Thalito do Valle)। হাতে সর্বদা অস্ত্র থাকলেও, মন থেকে চাইতেন শান্তি। আর, সেই কারণেই সারা বিশ্ব জুড়ে মানব কল্যাণের বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। এর আগে, ইরাকে আইএসআইএস-এর বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলীয় মডেল। ইউক্রেনে রুশ হামলার পরও তিনি একই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। ছুটে গিয়েছিলেন ইউক্রেনে। ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন। কে জানত এই লড়াইই তাঁর শেষ লড়াই! সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের খারকিভ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ।  

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের       

    এক সময় ব্রাজিলের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল ছিলেন থালিতো দো ভ্যালে। পরে মডেলিং ছেড়ে বিভিন্ন মানবতাবাদী কাজে লিপ্ত হন। কয়েক সপ্তাহ আগেই, তিনি ডগলাস বুরিগো নামে ব্রাজিল সেনার এক প্রাক্তন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে, ব্রাজিল থেকে ইউক্রেনে গিয়েছিলেন। ইউক্রেনের ওপর রুশ বর্বরতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে। ইউটিউব এবং টিকটকে তাঁদের ইউক্রেন যাত্রার ভিডিয়োও পোস্ট করছিলেন। এরপর,  ইউক্রেনের যোদ্ধাদের সঙ্গে তাঁরাও রুশ বাহিনীকে পরাস্ত করার কাজে যুক্ত হয়েছিলেন। বিশেষ করে থালিতো তাঁর স্নাইপার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দিচ্ছিলেন। কিন্তু, গত মাসের শেষেই খারকিভ শহরের যুদ্ধে তাঁদের দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই থালিতো এবং ডগলাস খারকিভে এসেছিলেন। শহরের একটি বাঙ্কারে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে সেই বাঙ্কারটিই ধ্বংস হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের লাভিভে বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং রেল লাইনের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার     

    অত্যন্ত দক্ষ স্নাইপার হিসেবে পরিচিত ছিলেন থালিতো। স্নাইপারের প্রশিক্ষণ তিনি পেয়েছিলেন ইরাকে। ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়ার আগেও, তাঁর যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ছিল। ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কুর্দি যোদ্ধাদের হয়ে লড়াই করেছিলেন এই মডেল। কুর্দিস্তান এলাকার সশস্ত্র যোদ্ধা বাহিনী ‘পেশমারগাস’-এ যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই বাহিনীর কমান্ডাররাই থালিতোকে স্নাইপারের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর স্নাইপার চালনায় সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে, সেই পড়াশোনাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে পশু উদ্ধারের কাজে যুক্ত হয়েছিলেন।  

    ইউক্রেন যুদ্ধে তাঁর অভিজ্ঞতা একটি ইউটিউব চ্যানেলে নথিভুক্ত করছিলেন থালিতো। একজন লেখককেও জানিয়েছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। একটি বই প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। ব্রাজিলে আছে থালিতোর ভাই। দিদি তাঁর কাছে ‘নায়ক’। দিদির মৃত্যুর পর তিনি বলেছেন, “থালিতো বরাবর মানবতাবাদী যে কোনও অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়তেন। অসহায় মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে এগিয়ে যেতে দুবার ভাবতেন না। খারকিভে পৌঁছনোর পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে থালিতোর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তবে, ইউক্রেন থেকে বাড়িতে ফোন করতে ভয় পেতেন থালিতো। তাঁর মনে হত রুশ সেনাবাহিনী ফোনে আড়ি পাতছে।”  

     

  • Modi Europe Visit: এক বোতামেই তিন দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা শেষ করেছে ভারত, বার্লিনে মোদি

    Modi Europe Visit: এক বোতামেই তিন দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা শেষ করেছে ভারত, বার্লিনে মোদি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: এক বোতামেই ৩০ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা (Political disturbance) শেষ করেছে ভারত (India)। সোমবার বার্লিনে (Berlin) প্রবাসী ভারতীয়দের সভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি বলেন, তিন দশক পর নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার সরকার পেয়েছে দেশ। 

    জার্মানির পটসডামের প্লেতজে প্রবাসী ভারতীয়দের (Indian diaspora) সঙ্গে এক ইন্টারেক্টিভ সেশনে মোদি (Modi in Germany) বলেন, তিনি এখানে যেমন নিজের কথা বলতে আসেননি, তেমনই বলতে আসেননি মোদি সরকারের কথা।  বরং কয়েক কোটি দেশবাসীর গুণগান করতেই এসেছেন তিনি যাঁরা এই ইতিবাচক বদলটা এনেছেন। আর এই দেশবাসীর তালিকায় প্রবাসীদেরও বড় ভূমিকা আছে।

    বার্লিনে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে কথা বলছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগে একটা দেশ ছিল কিন্তু সংবিধান ছিল দুটো, সাত দশক সময় লেগেছে, এক দেশ, এক সংবিধান তৈরি করতে।” মোদি বলেন, ইতিবাচক পরিবর্তন এবং দ্রুত উন্নয়নের চাহিদায় দেশের মানুষ নিরঙ্কুশ শক্তিশালী সরকার চেয়েছেন কেন্দ্রে। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে আরও বেশি জনসমর্থন সরকারের ভিত শক্ত করেছে। 

    পুর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের আগে সব কাজেই “হচ্ছে-হবে”র ঢিলেমি ছিল। বর্তমান সরকারের আমলে ‘পিএম গতিশক্তি’ (PM Gati Shakti) মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প শেষ করতে সবপক্ষকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের সরকার বিনিয়োগকারী বা উদ্যোগপতিদের বেঁধে রাখতে চায় না, বরং সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সব সময় সাহায্য করতে উন্মুখ। নতুন ধরণের সবরকম উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে নয়া ভারত। উদাহরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে নতুন স্টার্ট আপের (Start up) সংখ্যা যেখানে ৪০০ ছিল এখন তা বেড়ে ৬৮ হাজার। প্রবাসীদের দেশে নতুন নতুন প্রকল্পের সূচনা করার আহ্বান জানিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিশ্বে নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসছে ভারত। 

    প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীদের সভা থেকে  স্লোগান ওঠে, ‘টুয়েন্টি টুয়েন্টি ফোর, মোদি ওয়ান্স মোর’।

     

     

  • Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    Biden Modi: গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(pm Narendra modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন(Joe Biden)। মঙ্গলবার টোকিওতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন মোদি এবং বাইডেন। তার আগে এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের দেখা হয়েছিল কোয়াড বৈঠকে। ওই বৈঠকেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন বাইডেন। বলেন, গণতন্ত্র(democracy) নিশ্চিত করার জন্য আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  

    কোয়াড সম্মেলনে(Quad summit) যোগ দিতে দু দিনের জাপান সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক শেষে সেখানে আলাদাভাবে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে মতপার্থক্যকে এক পাশে সরিয়ে রেখে আলোচনা শুরু করেন মোদি-বাইডেন। ওই বৈঠকের শুরুতেই বাইডেন বলেন, আমাদের দেশগুলি এক সঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে এবং করবেও। আমি পৃথিবীতে আমাদের সব চেয়ে কাছের মার্কিন-ভারত নিবিড় বন্ধুত্ব তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান

    এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে হয় কোয়াড বৈঠক। ওই বৈঠকে গণতন্ত্র বনাম স্বৈরচারের প্রেক্ষিতে মোদির নামোল্লেখ করেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি, আপনাকে আবার ব্যক্তিগতভাবে দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে আপনার ক্রমাগত প্রতিশ্রুতির জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ এটিই হল গণতন্ত্র বনাম স্বৈরাচার। এবং আমাদের গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হবে।

    আরও পড়ুন : ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    টোকিওতে শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি-বাইডেন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পর্কে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার অযৌক্তিক যুদ্ধের নিন্দা করেছেন। নেতারা মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এবং তাদের নিজ নিজ নাগরিক ও বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিঘ্ন, বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কীভাবে সহযোগিতা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতেও ইউক্রেনের পরিস্থিতির উল্লেখ করা হয়নি।

    আরও পড়ুন : বাঃ! কোথা থেকে শিখলে? জাপানি শিশুর হিন্দিতে মুগ্ধ মোদি

    বাইডেন মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরুতেই মোদি বলেছিলেন, আমাদের ভাগ করা মূল্যবোধ এবং নিরাপত্তা সহ অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণ স্বার্থ, এই বিশ্বাসের বন্ধনকে শক্তিশালী করেছে। আমি নিশ্চিত যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গ্রহের স্থায়িত্ব এবং সর্বোপরি, মানবজাতির মঙ্গলের জন্য এটা প্রয়োজন।

     

LinkedIn
Share