Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Afghanistan: তালিবানি ফতোয়ায় বন্ধ মেয়েদের পড়াশোনা, প্রতিবাদে ক্লাস বয়কটের সিদ্ধান্ত ছাত্রদের

    Afghanistan: তালিবানি ফতোয়ায় বন্ধ মেয়েদের পড়াশোনা, প্রতিবাদে ক্লাস বয়কটের সিদ্ধান্ত ছাত্রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের উচ্চশিক্ষার উপরও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালিবান সরকার (Taliban)। এই ফতোয়া ঘিরে উত্তাল গোটা বিশ্ব। আর এবারে এই ফতোয়ার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আফগানিস্তানের (Afghanistan) ছাত্ররাও। তালিবান সরকারের এই ফতোয়াকে নিন্দা করেছেন আফগান ছাত্ররা। মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় নিষেধাজ্ঞার জন্য আফগান ছাত্ররা ক্লাস বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁরা তালিবান শাসকের ফতোয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছেন, মেয়েরা ক্লাস করতে না পারলে তাঁরাও ক্লাস করবেন না। আর যতদিন এই নিষেধাজ্ঞা না সরানো হবে, ততদিন এই বয়কট চলবে।

    আফগান ছাত্রীদের পাশে ছাত্ররা

    নারীদের উচ্চশিক্ষায় নিষেধাজ্ঞার তীব্র বিরোধিতা করে মুজামেল নামে এক ছাত্র বলেছেন, “আমরা আমাদের বয়কট অব্যাহত রাখব এবং যদি মেয়েদের জন্য ক্লাস পুনরায় চালু না করা হয়, আমরা আমাদের ক্লাস বয়কট করব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ বন্ধ রাখব।” নাভিদুল্লাহ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমাদের বোনদের জন্য বন্ধ। আমরাও সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চাই না।” মোহেবুল্লাহ নামে আরেক ছাত্র বলেছেন, “আমার দুই বোনও উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে, কিন্তু তাঁদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই আমিও পড়াশোনা করব না।”

    আরও পড়ুন: মহিলাদের উচ্চশিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তি দিলেন তালিবানের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী

    আবার কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক তালিবানকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা দুর্ভাগ্যজনক। তৌফিকুল্লাহ নামে একজন শিক্ষক বলেন, “আমরা ইসলামিক এমিরেটকে আমাদের ছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবার চালু করার অনুরোধ জানিয়েছি।”

    আফগান নারীদের উচ্চশিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা

    প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের শুরুতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধের কথা ঘোষণা করেছে আফগানিস্তানের (Afghanistan) উচ্চশিক্ষা মন্ত্রক। দেশের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ব্যাপক প্রতিবাদ করা হয় ও বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। কিছুদিন আগেই সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে যান আফগান ছাত্ররা। ছাত্ররা জানিয়েছিলেন, আফগান ছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। আর এবারে ক্লাস বয়কটেরও ডাক দিয়েছে তাঁরা। 

  • Pushpa Kamal Dahal: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন প্রচণ্ড

    Pushpa Kamal Dahal: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন প্রচণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে  চলেছেন পুষ্প কমল দহল (Pushpa Kamal Dahal) ওরফে প্রচণ্ড । এদিন দেশের রাষ্ট্রপতি (President of Nepal) বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করার কথা জানিয়েছেন।

    নেপাল রাজনীতির সারাদিনের ঘটনাক্রম

    রবিবার সকালেই নেপালি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন পাঁচ দলের জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন প্রচণ্ড (Pushpa Kamal Dahal)। কারণ প্রথম দফায় প্রচণ্ডকে (Pushpa Kamal Dahal) প্রধানমন্ত্রিত্ব দিতে রাজি হননি নেপাল কংগ্রেসের নেতা শের বাহাদুর দেউবা। জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের পদও নিজেদের দখলেই রাখতে চেয়েছিলেন দেউবা। প্রচণ্ডের দলকে আপাতত স্পিকারের পদই দিতে চেয়েছিলেন তিনি। বেঁকে বসেন প্রচণ্ড। সে কারণে জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। 

    এরপর নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি কেপি শর্মা ওলির সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎকার করেন প্রচণ্ড (Pushpa Kamal Dahal)। ওলির বাসকোটের বাড়িতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে প্রচণ্ডের নেতৃত্বাধীন সিপিএন-এমসি, ওলির নেতৃত্বাধীন সিপিএন-ইউএমএল, রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি এবং অন্য কিছু ছোট ছোট দল।  নিজেদের মধ্যে সহমতের ভিত্তিতে জোট সরকার গড়ার বিষয়ে সহমত হয়েছে দলগুলি। ঠিক হয়েছে ওলি এবং প্রচণ্ডের মধ্যে প্রধানমন্ত্রিত্ব ভাগ হবে। প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী হবেন প্রচণ্ড।

    প্রসঙ্গত, নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান প্রচণ্ড তৃতীয়বারের জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রীর হতে চলেছেন। ২০০৮-২০০৯ সাল ও ২০১৬-১৭ সালের পর আবারও ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি (Pushpa Kamal Dahal)। জাতীয় সংসদের ২৭৫ জন প্রতিনিধির মধ্যে ১৬৫ জনই তাঁর সমর্থনে রয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তার মধ্যে সিপিএন-ইউএমএলের ৭৮ জনের সমর্থন পেয়েছে নতুন জোট সরকার। প্রচণ্ডের দল সিপিএন-এমসির ৩২ জনের সমর্থন রয়েছে। আরএসপির ২০ জন, আরপিপির ১৪ জন, জেএসপির ১২ জন, জনমত দলের ৬ জন এবং নাগরিক উন্মুক্তি পার্টির ৩ জনের সমর্থন রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • China: বিলম্বিত বোধোদয়! ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চিন!

    China: বিলম্বিত বোধোদয়! ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনে বড় বার্তা দিল চিন (China)! রবিবার ২৫ ডিসেম্বর শি জিনপিংয়ের দেশের বিদেশমন্ত্রী (Chinese Foreign Minister) ওয়াং ই বলেন, ভারতের (India) সঙ্গে কাজ করতে রাজি চিন। দুই দেশের সম্পর্কও উন্নত করতে চাই। চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ওয়েবসাইট থেকেই জানা গিয়েছে ভারতের প্রতি নতুন করে তাঁর এই আগ্রহের কথা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে কথা বলছিলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিন এবং ভারত কূটনৈতিক মহলে কথা চালিয়ে যাচ্ছে। মিলিটারি টু মিলিটারি চ্যানেলেও কথা চলছে। তিনি বলেন, দুই দেশই সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে। এর পরেই ওয়াং ই বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। ভারত চিন সম্পর্কের উন্নতিতেও আগ্রহী।

    তাওয়াংকাণ্ড…

    ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতে অনুপ্রবেশ করে চিনা সেনা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভারতীয় ফৌজ। দু পক্ষে সংঘর্ষ হয়। কেউ মারা না গেলেও, ভারত ও চিন দু পক্ষেরই কয়েকজন সেনা জখম হন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, লাল ফৌজকে মেরে তাড়িয়ে দেয় ভারত। এই আবহে বড়দিনের দিন চিনা বিদেশমন্ত্রীর এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    তাওয়াংয়ে ভারত, চিন (China) দুই দেশের সেনা সংঘর্ষের পরে বিবৃতি জারি করে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। তাতে বলা হয়, ভারত, চিন সেনা কমান্ডার স্তরে ১৭ দফা বৈঠক হয়েছে। চিনের দিকে চুশুল মল্ডো বর্ডার মিটিং পয়েন্টে ২০ ডিসেম্বর ওই বৈঠকগুলি হয়েছে। ওয়েস্টার্ন সেক্টরে নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সহমত হয়েছে দুই দেশ।

    আরও পড়ুন: চিন সমেত পাঁচটি দেশ থেকে ফিরলে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, দুই দেশই রাজি হয়েছে নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলতে। মিলিটারি স্তরে কথা চালানোর পক্ষেও সহমত হয়েছে দুই দেশ। আলোচনা চলবে কূটনৈতিক স্তরেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Russia Oil Export: তেল বিক্রি নিয়ে ডিক্রি জারি পুতিনের, জানেন কী রয়েছে নির্দেশিকায়?

    Russia Oil Export: তেল বিক্রি নিয়ে ডিক্রি জারি পুতিনের, জানেন কী রয়েছে নির্দেশিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং জি-৭ সহ পশ্চিমি দুনিয়ার বেঁধে দেওয়া দরে যারা তেল কিনতে চাইবে, নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের তেল (Russia Oil Export) বিক্রি করা হবে না। সম্প্রতি এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের এই ডিক্রি প্রকাশিত হয়েছে সরকারি পোর্টাল ও ক্রেমলিন ওয়েবসাইটে। 

    রাশিয়ার তেল…

    জানা গিয়েছে, চলতি বছর ডিসেম্বরের প্রথম দিকে সমুদ্রপথে সরবরাহ করা রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইউরোপিয় ইউনিয়ন। শুধু তাই নয়, এই ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, ব্রিটেন এবং আমেরিকা এই জি-৭ গোষ্ঠীর দেশগুলি গোটা বিশ্বের জন্য তেল কেনার দর বেঁধে দিয়েছিল ব্যারেল পিছু ৬০ ডলারে। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পুতিনের ডিক্রি, যে বিদেশি ব্যক্তি এবং সংস্থা বেঁধে দেওয়া দরে তেল কিনতে চাইবে, রাশিয়ার দরজা তাদের জন্য বন্ধ।

    আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে দু’ রকম কথা বলছে পশ্চিম’, বললেন জয়শঙ্কর

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ বাঁধে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের। তার পর গোটা বিশ্ব কার্যত ভাগ হয়ে গিয়েছে আড়াআড়িভাবে। একদল দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার পক্ষে, অন্যদল ইউক্রেনের পাশে। এর পরেই রাশিয়ার ওপর নানা বিধিনিধেষ জারি করে পশ্চিমের দেশগুলি। বেঁধে দেয় রাশিয়ার তেলের দরও। রাশিয়ার (Russia Oil Export) অভিযোগ, ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও জি-৭ অপরিশোধিত তেলের যে দর বেঁধে দিয়েছে, উৎপাদন খরচের দিক থেকে তা ১২ থেকে ১৫ ডলার কম। তাই যারা ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং জি-৭ সহ পশ্চিমি দুনিয়ার বেঁধে দেওয়া দরে তেল কিনতে চাইবে, নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের তেল বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুতিনের দেশ। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের পর রাশিয়াই বিশ্বের দ্বিতীয় তেল রফতানিকারী দেশ। তাই রাশিয়ার একটা সিদ্ধান্তেই বদলে যেতে পারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। কারণ রাশিয়া যদি সত্যিই তেল রফতানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে তামাম বিশ্বে বাড়বে তেলের দর। আমরা জানি, তেলের দর বাড়লে বাড়ে মুদ্রাস্ফীতিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। তুষার ঝড়ে বিধ্বস্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। প্রবল তুষারপাতে (Bomb Cyclone)  সেখানকার রাস্তাঘাট সবকিছুই বরফের পুরু চাদরে ঢেকেছে। আমেরিকার জাতীয় আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে যে দেশে এমন পরিস্থিতির রেকর্ড অতীতে খুব কমই আছে। তারা আরও জানাচ্ছে এই বছর তাপমাত্রা যেভাবে নীচে নামতে শুরু করেছে তাতে মনে হচ্ছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে যাবে।

    কোথায় কোথায় তাপমাত্রার রেকর্ড পতন হল

    পশ্চিম কানাডায় ইতিমধ্যে তাপমাত্রার পারদের রেকর্ড পতন হয়েছে। তাপমাত্রার পারদ থেমেছে হিমাঙ্কের ৫৩ ডিগ্রি নিচে। মিনেসোটার তাপমাত্রা বর্তমানে মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ডালাসের তাপমাত্রা নেমেছে হিমাঙ্কের  ১৩ ডিগ্রি নীচে। তুষার ঝড়ের (Bomb Cyclone) কারণে আমেরিকার সম্পূর্ণ রাজপথ পুরু বরফের আস্তরণে ঢাকা পড়ে গেছে। এই কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা। বেশিরভাগ জায়গাতেই বরফের আস্তরণের উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট। জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ১৫ হাজার বিমান বাতিল করতে হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে,  এই মুহূর্তে আমেরিকাতে প্রায় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন ভাবে রয়েছেন এবং তাদের স্বাভাবিক গৃহকর্মও বন্ধ রয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তার কোন নিশ্চয়তা দিতে পারছে না আমেরিকার আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন এই পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতরে থাকতে হবে, তুষার ঝড়ে (Bomb Cyclone) আক্রান্ত হলে মৃত্যুও হতে পারে। এই নিয়ে টানা ৫ দিন এই তুষার ঝড়ের সাক্ষী থাকছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। তীব্র এই তুষারঝড় (Bomb Cyclone) কে স্থানীয় আমেরিকানরা বলছেন বোম সাইক্লোন বা সাইক্লোন বোমা (Bomb Cyclone)। ইতিমধ্যে এই প্রবল শৈত্যপ্রবাহে ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এরকম পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্য চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমেরিকার পরিস্থিতি বেশ ভয়ঙ্কর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Bomb Cyclone: বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ! ৮ ফুট বরফের স্তরে ঢাকা বহু শহর, বম্ব সাইক্লোনে মৃত ৩৪

    Bomb Cyclone: বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ! ৮ ফুট বরফের স্তরে ঢাকা বহু শহর, বম্ব সাইক্লোনে মৃত ৩৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসব না আতঙ্ক! ক্রিসমাসের সময় বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ। তুষারঝড়ে দেশ জুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৪।   বিধ্বস্ত পূর্ব আমেরিকার বিস্তীর্ণ অংশ।  হাজার হাজার মানুষ দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তুষারঝড়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ওয়েস্টার্ন নিউ ইয়র্কের বাফেলোর। ঝড়ের পরে গোটা শহরটাই প্রায় ৮ ফুট বরফের স্তরের নীচে ঢাকা পড়ে গেছে। 

    তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৫ ডিগ্রি নীচে

    আমেরিকার এই ভয়ঙ্কর তুষারঝড়কে বলা হচ্ছে ‘সাইক্লোন বম্ব’। এর ফলে দেশের নানা প্রান্তে হিমাঙ্কের ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে তাপমাত্রা। ঠান্ডায় প্রায় জমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাস্তাঘাটের অবস্থা এমন যে, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও দুর্যোগ কবলিতদের উদ্ধারে বাধা পাচ্ছে। বিদ্যুৎহীন একাধিক এলাকা। কোথাও গাড়ির ভিতর থেকে নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে, কোথাও স্নো-ব্যাঙ্কের নীচ থেকে। বন্ধ শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নিষিদ্ধ করা হয়েছে গাড়ির চলাচলও।

    আরও পড়ুন: তাপমাত্রা নামবে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা

    ২ লক্ষ মানুষ অন্ধকারে

    বাফেলোর বাসিন্দা তথা নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্য়াথি হোচুল বলেন, “মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দুপাশে গাড়ির স্তূপ। রবিবার সন্ধে পর্যন্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। আমরা সকলকে বাড়ির ভিতরেই থাকার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কারণ, বাইরে তাপমাত্রা এত নেমে গিয়েছিল যে, কোনও মুহূর্তেই মানুষ মারা যেতে পারতেন।”আবওহাওয়া দফতরের খবর, কোথাও কোথাও তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৮ ডিগ্রি নীচে চলে গিয়েছে। প্রবল শীতের কারণে মুহূর্তের মধ্যেই বরফে পরিণত হয়েছে ফুটন্ত জল। আমেরিকায় টানা ৫ দিন ধরে বরফের ঝড় চলেছে। তুষার বর্ষণের পাশাপাশি কনকনে ঠান্ডা হাওয়া ভুগিয়েছে স্থানীয়দের। যদিও আপাতত সেই হাওয়ার বেগ কিছুটা কমেছে। দুর্যোগে আমেরিকার অন্তত ২ লক্ষ মানুষ বড়দিন কাটিয়েছেন বিদ্যুৎহীন অবস্থায়। বিদ্যুৎ পরিষেবা কবে, কখন স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউ। কারণ অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের খুঁটি ডুবে গিয়েছে বরফের আস্তরণে। দেশে যাতায়াত ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Richard Verma: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ পদে ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড ভার্মা, জানেন তিনি কে?

    Richard Verma: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ পদে ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড ভার্মা, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জয়জয়কার ভারতীয় (Indian) বংশোদ্ভূতের! এবার ইউএস (US) ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ডিপ্লমেটিক পদে বসলেন এক ইন্দো-আমেরিকান। শুক্রবার তাঁকে নিয়োগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। ইন্দো-আমেরিকান এই ব্যক্তির নাম হল রিচার্ড আর ভার্মা (Richard Verma)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শুক্রবার ওই পদে রিচার্ড আর ভার্মার নাম ঘোষণা করেছেন বাইডেন স্বয়ং। স্টেট ফর ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেসের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে।

    রিচার্ড আর ভার্মা…

    বিস্তর টালবাহানার পরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। ব্রিটেনের পর এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ পদ অলঙ্কৃত করবেন ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড আর ভার্মা। বর্তমানে ভার্মা রয়েছেন চিফ লিগ্যাল অফিসার পদে। তিনি মাস্টারকার্ডে গ্লোবাল পাবলিক পলিসির প্রধানও। এক সময় তিনি কাজ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে, পোস্টিং ছিলেন ভারতে। ওবামা প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। তখন ভার্মা ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট ফর লেজিসলেটিভ অ্যাফেয়ার্স। কেরিয়ারের একেবারে গোড়ার দিকে ভার্মা (Richard Verma) ছিলেন ইউনাইটেড স্টেট সেনেটর হ্যারি রীডের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন ডেমোক্রেটিক হুইপ, মাইনরিটি লিডার এবং মেজরিটি লিডার অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস সেনেট। এশিয়া গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। আরও বেশ কিছু সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন রিচার্ড আর ভার্মা। ইউনাইটেড স্টেটস এয়ারফোর্সেও কাজ করেছেন তিনি। সেখানে তিনি ছিলেন জাজ অ্যাডভোকেট।

    আরও পড়ুন: মৃতদেহের স্তূপ, কাজ করছেন সংক্রমিতরা, চিনের করোনা পরিস্থিতিতে তস্ত্র গোটা বিশ্ব

    দীর্ঘ কেরিয়ারে বহু পুরস্কার পেয়েছেন ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড আর ভার্মা। এর মধ্য রয়েছে ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস মেডেল। তাঁকে এই সম্মান দিয়েছিল ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের কাছ থেকে তিনি পেয়েছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ফেলোশিপ। ইউনাইটেড স্টেটস এয়ারফোর্সের কাছ থেকে পেয়েছিলেন মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল। হোয়াইট হাউসের ওই প্রেস রিলিজ থেকে এও জানা গিয়েছে, রিচার্ড আর ভার্মাকে (Richard Verma) এক সময় নিয়োগ করা হয়েছিল প্রেসিডেন্টের ইন্টেলিজেন্স বোর্ডে। ওয়েপনস অফ মাস ডেস্ট্রাকশান অ্যান্ড টেররিজম কমিশনের সদস্যও ছিলেন তিনি। ফোর্ড ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি হিসেবেও কাজ করেছেন রিচার্ড আর ভার্মা। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বোর্ডে কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল এনডাওমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড লেহাই ইউনিভার্সিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China Covid Horror: দৈনিক মৃত্যু ৫ হাজার! সৎকার করছেন সংক্রমিতরাই! চিনের কোভিড-ছবি প্রকাশ্যে

    China Covid Horror: দৈনিক মৃত্যু ৫ হাজার! সৎকার করছেন সংক্রমিতরাই! চিনের কোভিড-ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে (China Covid Horror) হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। জিনপিং সরকার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর আসল তথ্য প্রকাশ করছে না বলে ইতিমধ্যেই অভিযোগে সরব হয়েছে চিনবাসী। সচেতনাও বাড়ছে না। তাই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ অব্যহত। করোনা রোগীর চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোর ওপর যেমন চাপ পড়েছে তেমনিই মৃতদেহ সৎকার করতে গিয়ে শ্মশানগুলোতে টালমাটাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বেজিং, চংকিং ও গুয়াংঝৌ শহরের শ্মশানগুলোয় সারি সারি মৃতদেহ দেখা গিয়েছে। শ্মশানগুলোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ সময়ের চেয়ে তারা এখন অনেক বেশি ব্যস্ততা। চিনে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটিই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। 

    আমেরিকার সংক্রামক রোগ সোসাইটির বিশেষজ্ঞ এবং ডার্টমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গিজেল স্কুল অফ মেডিসিনের অধ্যাপক ড্যানিয়েল লুসি বলেন, আগামী সপ্তাহগুলিতে এই সংক্রমণ (China Covid Horror) আরও বহুগুণ বাড়বে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আরও ভুগতে হবে চিনকে।

    কী পরিস্থিতি চিনে?  

    এই আবহেই প্রকাশ্যে এসেছে এক ভয়ঙ্কর খবর। শ্মশানে (China Covid Horror) স্তূপাকৃত মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। সংক্রমিত শ্মশান কর্মীরাও। এমনটাই দাবি করছেন চিনের সমাজকর্মী জেনিফার জেং। ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে শ্মশানের বাইরে স্তূপাকৃত মৃতদেহের ভিড়। সেখানেই তিনি দাবি করেন যে কর্মীরা এই মৃতদেহগুলির সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরাও ইতিমধ্যেই সংক্রমিত।

     

    চিন (China Covid Horror) সংক্রমিত ব্যক্তিদের কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। তাহলে কী দেশটি ভাইরাসের সঙ্গে সহাবস্থান করা শিখতে চাইছে? চিন সরকার ২৩ জন সংক্রমিত পড়ুয়াকে জোড় করে কাজ করতে বাধ্য করেছে। এমনই দাবি উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

    জেং অপর একটি ট্যুইটে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে শেনিয়াং শহরের রাস্তার ওপর পড়ে রয়েছে মৃতদেহ। জেং লেখেন, “শ্মশানে আর মৃতদেহ রাখার জায়গা নেই। তাই কেউ প্রিয়জনের দেহ শ্মশানের বাইরে রাস্তাতেই ফেলে রেখে গিয়েছেন। আর কোনও উপায় ছিল না হয়তো। কত জনের মৃত্যু হল?” 

     

    জেং এমনও ছবি শেয়ার করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের মেঝেতেই চিকিৎসা হচ্ছে রোগীদের। কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যান বলছে খুব অল্প সংখ্যক মানুষেরই মৃত্যু হয়েছে। এখনও তথ্য লুকোনোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিন প্রশাসন। চিন প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী, যারা একমাত্র শ্বাসকষ্টে মারা যাচ্ছেন তাঁদেরকে শুধু করোনায় মৃত্যু হিসেবে ধরা হবে। গোটা দেশের বহু মৃত্যুকে করোনায় মৃত্যু হিসেবে রেজিস্টারই করেনি জিনপিং সরকার।

    আরও পড়ুন: একদিনে আক্রান্ত প্রায় চার কোটি! চিনে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে করোনা 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চিন থেকেই করোনা ভাইরাস (China Covid Horror) মহামারি পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৬৬ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। এত কিছুর পরও সারাবিশ্ব যখন করোনা রোধে বিভিন্ন মাত্রায় ভ্যাকসিন দিচ্ছে এবং করোনাকে মোকাবিলা করতে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেখানে চিন দুটি বিষয়কেই এড়িয়ে চলছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • China Covid: চিনে একদিনে সংক্রমিত পৌনে চার কোটি! ডিসেম্বরে আক্রান্ত প্রায় ২৫ কোটি!

    China Covid: চিনে একদিনে সংক্রমিত পৌনে চার কোটি! ডিসেম্বরে আক্রান্ত প্রায় ২৫ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে আবার ভয় ধরাচ্ছে করোনা (China Covid)। সরকারি রিপোর্টেই অনুমান করা হচ্ছে সে দেশে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৭০ লক্ষ মানুষ। করোনার এই ভয়ঙ্কর আবহে গত বুধবার বৈঠকে বসে চিন ন্যাশনাল হেল্থ কমিশন। সেখানকার অভ্যন্তরীণ আলোচনা অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে প্রায় ২৪৮ মিলিয়ন বা প্রায় ২৫ কোটি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। যা চিনের মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ। সেই বৈঠকেই একদিনে ৩৭ মিলিয়ন বা ৩.৭ কোটি মানুষের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এই তথ্য সঠিক হলে, সর্বকালীন সমস্ত রেকর্ড ভাঙতে চলেছে চিন। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এক দিনে ৪০ লক্ষ মানিষের সংক্রমিত হওয়ার খবর সামনে এসেছিল। সংক্রমণের পর ও টিকা না নেওয়ায় সে দেশের মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। আর সেই কারণেই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সিনচুয়ান প্রদেশের অর্ধেকের বেশি সংখ্যক মানুষ করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। বেজিংয়েও প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যাই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। 

    বিশেষজ্ঞদের দাবি, আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে পরিস্থিতি। সূত্রের খবর, সম্প্রতি চিনের (China Covid) পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ অধ্যাপকের মৃত্যু হয়েছে। চিনে ফের ভয়ঙ্কর গতিতে করোনা ছড়াতে শুরু করায় উদ্বেগপ্রকাশ করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। ভারতেও ইতিমধ্যেই ভয়ঙ্কর সাব ভ্যারিয়েন্ট BF.7-এর হদিশ মিলেছে। দেশে এখনও অবধি চার জনের মধ্যে এর দেখা মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে সাবধান করছেন চিকিৎসকরা।

    ২০২০ সালে চিনে লুনার ইয়ারের পর কার্যত রকেট গতিয়ে ছড়িয়েছিল করোনার সংক্রমণ। তার প্রায় ৩ বছর পর, সেই এক পরিস্থিতি। চিনে ভয়ঙ্কর হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। হাসপাতাল থেকে শ্মশান-সর্বত্র লম্বা লাইন।

    আরও পড়ুন: “আপনার মক্কেল এত ভিআইপি যে…”, কেষ্টর জামিন মামলায় বললেন বিচারপতি

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার নতুন এই সাব ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক। তাতে আক্রান্ত একজন অত্যন্ত দ্রুত ১০ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। ভয়ের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বিলম্ব না করে ফের জনবহুল অবস্থায় প্রত্যেকের মাস্ক পরা উচিত।

    কতটা সতর্ক ভারত? 

    প্রতিবেশী দেশে করোনার (China Covid) এই অবস্থা দেখে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে ভারত। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সকলকে জনবহুল জায়গায় মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেছে কেন্দ্র। নতুন ভ্যারিয়েন্টে পুরনো ভ্যাকসিন কার্যকর হবে কি না এখন সেটাই জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় পরিকাঠামো নিয়ে ২৭ ডিসেম্বর সব রাজ্যকে মক ড্রিল করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Harry & Meghan: ডকুমেন্টরি ‘হ্যারি অ্যান্ড মেগান’-এ দেখানো ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়িটি বিক্রি করা হবে কত টাকায়, জানেন?

    Harry & Meghan: ডকুমেন্টরি ‘হ্যারি অ্যান্ড মেগান’-এ দেখানো ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়িটি বিক্রি করা হবে কত টাকায়, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে বহু প্রতীক্ষিত ‘হ্যারি অ্যান্ড মেগান’ (Harry & Meghan) নামক ডকুমেন্টরি সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। যেটির মাধ্যমে রাজপরিবারের বিভিন্ন অজানা গল্প তুলে ধরা হয়েছে। তবে আজ আলোচনার বিষয়টি হল, ক্যালিফোর্নিয়ার যেই বাড়িটিতে এই ডকুমেন্টরি শ্যুট করা হয়েছে, তা দেখতে অস্বাভাবিক সুন্দর। আর যার সৌন্দর্য নজর কেড়েছে দর্শকদের। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বাড়িটি বিক্রি করার জন্য রাখা হয়েছে। আর এটির দাম রাখা হয়েছে আকাশছোঁয়া। জানা গিয়েছে, এই বাড়িটি এখন ৩৩.৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হতে চলেছে। উল্লেখ্য, এই বাড়িটিতে কিন্তু প্রিন্স হ্যারি ও মেগান থাকেন না। এই বাড়িটিতে শুধুমাত্র ডকুমেন্টরিই শ্যুট করা হয়েছিল।

    ক্যালিফোর্নিয়ার বিলাসবহুল বাড়ি…

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ার (Harry & Meghan) এই বিলাসবহুল বাড়িটির মালিকের নাম মার্ক শুলহফ, যিনি একজন ব্যবসায়ী। ২০১৩ সালে তিনি ১৪.৬ মিলিয়ন ডলারে বাড়িটি কিনেছিলেন। বাড়িটি শুধু সুন্দরই নয়, এতে রয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাও। ২ একরেরও বেশি জায়গা জুড়ে এই বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। এই বাড়িটিতে কি নেই! বাড়িটি প্রাসাদের থেকে কম কিছু নয়। এতে ছটি বেডরুম, সাতটি বাথরুম, একটি জিম, একটি থিয়েটার, একটি বার, একটি গেম রুম, একটি মেডিটেশন রুম এবং একটি পুল রয়েছে। এখানে গ্যারেজের পাশাপাশি একটি জেনারেটর, সৌর শক্তি এবং জলের সেচ ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সুবিধাও রয়েছে৷ বেশ কয়েকটি ভাস্কর্য সহ একটি বিশাল বড় ডাইনিং রুমও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজপরিবারের সঙ্গে ক্রিসমাস উদযাপন করবেন না প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল! কী এমন হল?

    উল্লেখ্য, ১২,৮০৪ ফুটের বাড়িটি ২০০৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল ও এটি তৈরি করেছিলেন ডন নল্টি এবং জেএফ ব্রেনান এবং নাতাশা বারাদারন। সান্তা বারবারা ব্রোকারস ও রিস্কিন পার্টনারস গ্রুপের ভিলেজ প্রপার্টিজের রায়ান মালমস্টেন এই প্রাসাদের মত বাড়িটিকে বিক্রির জন্য তালিকাভু্ক্ত করেছে (Harry & Meghan)।

    প্রসঙ্গত, প্রিন্স হ্যারি ও মেগান (Harry & Meghan) মার্কেল বর্তমানে মন্টেসিটোর একটি বাড়িতে থাকেন। এটি ২০২০ সালে তৈরি করতে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার লেগেছিল।

LinkedIn
Share