Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের (India) সঙ্গে রাশিয়ার (Russia) বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি (President) ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে রাশিয়ান ফেডারেশনের (Russian Federation) সঙ্গে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর বাণিজ্য ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ও ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ায় ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন খোলার আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও রাশিয়ার বাজারে চিনা গাড়ি, সরঞ্জাম এবং হার্ডওয়্যারের শেয়ার বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলছে। এর ফলে  ব্রিকস দেশগুলোতে রাশিয়ার উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। 

    আরও পড়ুন:দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত

    উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) ফলে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে থাকলে রাশিয়া ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর চিন (China) ও ভারতে জ্বালানি তেলের রফতানিও বাড়িয়েছে রাশিয়া। এজন্য দামেও ছাড় দিয়েছে পুতিনের দেশ। চলতি মাসের মে মাসে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল আমদানি করেছে চিন ও ভারত। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে যথেষ্ট পরিমাণে সার (Fertilisers) ব্রিকস দেশগুলিতে রফতানি করা হয়েছে। পুতিন জানিয়েছেন যে, রুশ আইটি কোম্পানিগুলিও ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) ধীরে ধীরে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন:ডলার নয়, “রুপি-রুবল” বিনিময়ে হবে ভারত-রুশ বাণিজ্য! কীভাবে লেনদেন?

    পুতিন আরও জানিয়েছেন, ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে এএকটি গোচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার বাণিজ্যিক সিস্টেমটি ব্রিকসের পাঁচটি দেশের ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছে। ব্রিকস অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার জন্যে অভিন্ন মুদ্রাভাণ্ডার তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। এই পরিকল্পনা সফল হলে  খুব সহজেই বাণিজ্যিক লেনদেন করতে পারবে পুতিনের রাশিয়া এবং মোদির (Modi) ভারত সহ ব্রিকস গোষ্ঠীর অন্যান্য দেশগুলি।

  • G20 Summit:  কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    G20 Summit:  কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Kashmir) জি-২০ (G-20)  বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সরকার। তাতে আগেই বাধ সেধেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। এবার শেহবাজ শরিফের দেশের দোসর হল শি জিন পিংয়ের চিনও (China)। কাশ্মীরে জি-২০ বৈঠকে আপত্তি জানিয়েছে ড্রাগনের দেশ। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, চিনা সরকার বিষয়টি নিয়ে ভারতের ওপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করলেও, ওই সম্মেলন কাশ্মীরেই করার বিষয়ে অনড় নয়াদিল্লি।

    আগামী বছর জি-২০র অন্তর্গত রাষ্ট্রগুলির শীর্ষ সম্মেলন হবে ভারতে। মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর শীর্ষ সম্মেলন হবে ভূস্বর্গে। তাতেই পাকিস্তানের পর এবার বাদ সাধল চিন। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়াং বলেন, কাশ্মীর নিয়ে চিনের দৃষ্টিভঙ্গি ধারাবাহিকভাবে একই রয়েছে। এবং তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বারবার। এটা ভারত ও পাকিস্তানের পুরানো সমস্যা। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রস্তাব ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলির সাপেক্ষে এর সমাধান হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দু পক্ষেরই উচিত এক তরফা কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টিকে অযথা জটিল না করে তোলা। আমাদের উচিত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্যের অবসান ঘটানো। একত্রে শান্তি ও সুস্থিতি বহাল রাখা।

    আরও পড়ুন : মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলনে কি তা হলে অংশ নেবে না চিন?  সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তের চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, আমরা বৈঠকে অংশ নেব কি নেব না, তা ভেবে দেখা হবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সমস্ত রাষ্ট্রের কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে মন দিতে। বিষয়গুলি নিয়ে রাজনীতি না করতে। তাহলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে চাঙা করা যাবে। চলতি বছরের মার্চেই কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি। এবার সেখানেই জি-২০ বৈঠকের আয়োজন করতে চলেছে ভারত। মোদি সরকারের আমলে কাশ্মীরে যে প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে, বিশ্বের দরবারে সেই বার্তা দিতেই কাশ্মীরে বৈঠকের আয়োজন বলে ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    তবে বিষয়টি এত সহজে মেনে নেবে না পাকিস্তান। চিনকে পাশে পাওয়ার পর এখন সৌদি আরব এবং তুরস্ককেও পাশে পাওয়ার চেষ্টা করছে শেহবাজের দেশ। তবে তাতে ইসলামাবাদ আদৌ সফল হবে কিনা, হলেও কতটা, তা বলবে সময়।

     

  • India In Afganistan: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    India In Afganistan: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপন্ন প্রতিবেশীর পাশে ফের ভারত। ভূমিকম্প (Earth Quake) বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের (Afganistan) রাজধানী কাবুলে (Kabul) দূতাবাসে ত্রাণ সামগ্রী সহ টেকনিক্যাল টিম পাঠিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় কাবুলে ফের শুরু হল ভারতের (India) কূটনৈতিক উপস্থিতি।

    নির্বাচিত সরকারকে হঠিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। তারপরেই সে দেশের দূতাবাস থেকে ভারতীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করে নেয় সাউথ ব্লক। এই ঘটনার দশ মাসেরও বেশি সময় পরে কাবুলে ফের দল পাঠাল নয়াদিল্লি। তবে এবার গিয়েছে টেকনিক্যাল টিম। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভারতীয়  একটি টেকনিক্যাল টিম কাবুলে পৌঁছেছে। সেখানে ভারতীয় দূতাবাসে তাদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, মৃত্যু হাজার পার

    পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং ইরানের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের পয়েন্ট পার্সন জেপি সিংয়ের নেতৃত্বে একটি ভারতীয় দল কাবুল সফর করে। সেখানে তারা ভারপ্রাপ্ত বিদেশমন্ত্রী মাওলাউই আমির খান মুত্তাকি এবং অন্য তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে। এই ঘটনার সপ্তাহ তিনেক পরে দূতাবাস ফের চালু করা হয়। যদি কাবুলে ভারতীয় ওই দূতাবাসে এতদিন কাজ করছিলেন স্থানীয় কর্মীরাই।   

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, মানবিক সাহায্য কার্যকর করতে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের প্রচেষ্টা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করতে একটি ভারতীয় টেকনিক্যাল টিম কাবুলে পৌঁছেছে। সম্প্রতি আরও একটি ভারতীয় দল আফগানিস্তানে ভারতের মানবিক সহায়তার কাজের তদারকি করতে কাবুলে গিয়েছিল এবং তালিবানের বর্ষীয়ান সদস্যদের সঙ্গে তারা দেখাও করেছে।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আফগান সমাজের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আফগানিস্তানের জনগণের জন্য মানবিক সাহায্য ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে।

    আরও পড়ুন : সন্ত্রাসমুক্ত আফগানিস্তান গড়তে, মানুষের পাশে সর্বদা থাকবে ভারত, বার্তা ডোভালের

    বুধবার ভোরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভূমিকম্পের জেরে আফগানিস্তানে মৃত্যু হয় হাজারেরও বেশি মানুষের। জখম হয়েছেন হাজার দুয়েক মানুষ। তার পরেই টেকনিক্যাল টিম পাঠায় ভারত।

    ভারতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান মুখপাত্র আবদুল ওয়াহার বালকি বলেন, ভারতের টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানবাসী সম্পর্ক বহু পুরানো। মানবিক  সাহায্যের জন্যই দল পাঠিয়েছে ভারত।

     

  • Ruchira Kamboj: রাষ্ট্রসংঘে ভারতের নয়া স্থায়ী দূত রুচিরা কম্বোজ

    Ruchira Kamboj: রাষ্ট্রসংঘে ভারতের নয়া স্থায়ী দূত রুচিরা কম্বোজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে (United Nations) ভারতের নতুন স্থায়ী দূত (India’s Permanent Ambassador to UN) নিযুক্ত হলেন রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj)। রুচিরা বর্তমানে ভুটানে (Bhutan) ভারতের রাষ্ট্রদূত (Indian Ambassador) হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ১৯৮৭ সালের ব্যাচের ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (Indian Foreign Service) এই আধিকারিক, খুব শীঘ্রই দায়িত্ব বুঝে নেবেন। টিএস ত্রিমূর্তির (TS Trimurti) পরেই তিনি এই পদে বসছেন। টিএস ত্রিমূর্তি গত মার্চ মাসে অবসর নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর চাকরির মেয়াদ তিন মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে বারবার ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ত্রিমূর্তি। এবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করার দায়িত্ব অভিজ্ঞ রুচিরার উপর। 

    আরও পড়ুন: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, টিএস মূর্তির পর রাষ্ট্রসংঘে ভারতের হয়ে স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব করবেন রুচিরা কম্বোজ। কূটনীতিক হিসেবে এই ভারতীয় কন্যার কেরিয়ার গ্রাফ শুরু থেকেই উজ্জ্বল। ১৯৮৭ ব্যাচের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনি দেশের মহিলাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে ছিলেন। কাজে যোগদানের পর থেকে প্রতিটি জায়গাতেই নিজের প্রতিভার পরিচয় রেখেছেন রুচিরা। তিনি ফ্রান্স, মরিশাসে ভারতের দূত হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। ২০১৭-১৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিযুক্ত ছিলেন রুচিরা।

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    ১৯৯১-৯৬ সাল পর্যন্ত রুচিরা পশ্চিম ইউরোপ ডিভিশনে আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন। সেই সময় ফ্রান্স, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও কমনওয়েলথের সঙ্গে ভারতের সু-সম্পর্ক রক্ষায় রুচিরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। লন্ডনে (London) কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটে (Commonwealth Secretariat) সেক্রেটারি জেনারেলের অফিসের  ডেপুটি হেড হিসাবেও তিনি দায়িত্ব সামলেছিলেন। একাধিক আন্তর্জাতিক সামিট আয়োজনে ভূমিকা নিয়েছেন এই ভারতীয় কন্যা। ২০১৪-১৬ সাল পর্যন্ত প্যারিসে ইউনেসকোর (UNESCO) ভারতীয় দূত হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন রুচিরা। এরপর ২০১৯ সালে তিনি ভুটানে (Bhutan) ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসাবে কর্মরত হন।

  • PM Modi: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    PM Modi: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক (Single Use Plastic) নিয়ে মোদির (PM Modi) সিদ্ধান্ত পৃথিবীর জন্য একটি দুর্দান্ত উপহার। সম্প্রতি ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করেছে নরওয়ে (Norway) এবং ডেনমার্ক (Denmark)।

    সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তারই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে ও ডেনমার্ক। ভারতে নিযুক্ত ডেনিস রাষ্ট্রদূত ফ্রেডি সোয়াইন সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষেধাজ্ঞায় মোদির সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মোদির এই সিদ্ধান্ত পৃথিবীর জন্য একটি দুর্দান্ত উপহার। নরওয়ের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মার্টিন আমডাল বোথেম বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার জেরে প্লাস্টিকের পরিমাণ কমে যাবে। এজন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদও জানিয়েছেন বোথাম। সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিকই এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের বিপদ। মহাসাগরে দূষণ ছড়ানোর পাশাপাশি জল-জীবনের পক্ষেও ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এই প্লাস্টিক। মোদির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এই প্লাস্টিককে সমুদ্র থেকে অপসারণ করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ করতে এই প্লাস্টিক সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহার করা উচিত। তিনি বলেন, সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক গোটা বিশ্বের জন্য একটি বড় সমস্যা। আমরা বাতাস ভাগ করি, সমুদ্রও ভাগ করি। তাই এটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা।

    আরও পড়ুন : ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    নরওয়ের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মার্টিন আমডাল বোথেম বলেন, তাই এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে ভারত সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ফ্রেডি বলেন, ভারত দ্রুত এগোচ্ছে। সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার যে সিদ্ধান্ত ভারত নিয়েছ, বিশ্বে তার অবদান কম নয়। আমি ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। প্রসঙ্গত, সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক হল প্লাস্টিকের সেই সব আইটেম, যেগুলি মাত্র একবারই ব্যবহার করা যায়। প্লাস্টিকের স্টিক, কাপ, প্লেট, পতাকা, বেলুন, থার্মোকল সহ হাজারো জিনিস। এই জিনিসগুলির উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিতরণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৭৫ মাইক্রন থেকে ১২০ মাইক্রনে উন্নীত করতে বলা হয়েছে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগকে।

    আরও পড়ুন : মিশরে তৈরি হবে ‘তেজস’ যুদ্ধবিমান, ‘ধ্রুব’ হেলিকপ্টার! নয়া চুক্তির পথে ভারত?

  • Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুক বিশ্ব। দীর্ঘদিন পর জনসমক্ষে এসে এই হুঁশিয়ারি দিলেন আড়ালে থাকা তালিবান (Taliban) শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (Hibatullah Akhundzada)। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে (Kabul) ধর্মগুরুদের একটি সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই দেন হুঁশিয়ারি।

    গত ১৫ আগস্ট আফিগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। তার পর থেকে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দেখা মিললেও আখুন্দজাদা রয়ে গিয়েছিলেন পর্দার আড়ালেই। জনসমক্ষে এলেন এদিন, কাবুলের এই ধর্মগুরুদের সভায় যোগ দিতে। শুধু তাই নয়, ঘণ্টাখানেক ধরে বক্তৃতাও করেন তিনি। সম্মেলন স্থলে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয়েছে সে দেশের রেডিওতে। ওই ভাষণ দিতে গিয়েই আফগানিস্তানের বিষয়ে বহির্বিশ্বের নাক গলানো নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন আখুন্দজাদা। বলেন, কেন বিশ্ব আমাদের ব্যাপারে মাথা ঘামায়? তারা কেন বলে, তোমরা এটা করো না, কেন করো না? কেন আমাদের কাজে হস্তক্ষেপ করে বিশ্ব?

    আরও পড়ুন : আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    আখুন্দজাদা বলেন, তালিবান আফগানিস্তানের জন্য জয়লাভ করেছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা কীভাবে শরিয়ত আইন প্রয়োগ করা যায়, সে ব্যাপারে নয়া শাসকদের পরামর্শ দেবে। আখুন্দজাদা বলেন, ইসলামি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা সহজে মেনে নেবে না বর্তমান বিশ্ব। হাজার তিনেক ধর্মগুরুর এই সমাবেশে কোনও মহিলা যোগ দেননি। তবে তালিবানের একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন মেয়েদের শিক্ষার মতো কণ্টকাকীর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এই সমাবেশে আলোচনা হবে।

    প্রসঙ্গত, তালিবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের মাস দুয়েক পরে একবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন আখুন্দজাদা। সেই সময় কান্দাহারে দারুল উলুম হাকিমা মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। তার পর এই এলেন প্রকাশ্যে। হুঁশিয়ারি দিলেন গোটা বিশ্বকে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে প্রবল ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছিল আফগানিস্তান। মৃত্যু হয়েছিল হাজারেরও বেশি মানুষের। জখমও হয়েছিলেন বহু মানুষ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তখনও গোপন ডেরা থেকে বের হননি আখুন্দজাদা। এলেন এদিন, কেবল ধর্মগুরুদের সভায়।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

  • Sino-Indian Meet: সন্দেহ নয়, একে অপরের প্রতি আস্থা রাখুন, ভারতকে বার্তা চিনের

    Sino-Indian Meet: সন্দেহ নয়, একে অপরের প্রতি আস্থা রাখুন, ভারতকে বার্তা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেহ নয়, সম্পর্ক ভালো করতে একে অপরের ওপর আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। বৈঠকে এমন সম্পর্ক গড়ার কথাই শোনালেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। বুধবার চিনের রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ওয়াই, (Wang Wi) চিনে (China) নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত প্রদীপ কুমার রাওয়াতের (Pradeep Kumar Rawat) সঙ্গে বৈঠক করেন। 

    ১৪ তম ব্রিকস সামিটের (14th BRICS Summit) আগে দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই সামিটে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা উপস্থিত থাকার কথা। এবারের ব্রিকস সামিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে চিন।

    আরও পড়ুন: “শান্তি ভিক্ষা চাইবে না ভারত”, চিন-পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ডোভালের 

    চিনের বিদেশমন্ত্রী এবিষয়ে বলেন, “দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে উভয়ের এগিয়ে আসা দরকার।” চিনের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত ও চিনের অভিন্ন স্বার্থ তাদের পার্থক্যের চেয়ে বেশি। একে অপরকে দুর্বল না করে সমর্থন করা উচিৎ। একে অপরের  বিরুদ্ধে পাহারা দেওয়ার পরিবর্তে, সহযোগিতা জোরদার করতে হবে এবং পারস্পরিক বিশ্বাস বাড়াতে হবে। 

    প্রতিবেশি দেশের বিদেশমন্ত্রী চারটি পয়েন্টের এজেন্ডাও জানিয়েছেন। চিন যে চারটি পয়েন্ট উল্লেখ করেছ সেগুলি হল, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, চিন ও ভারত প্রতিযোগী নয় সহযোগী। চিন ও ভারত পরস্পরকে হুঁশিয়ারি দেবে না। পারস্পরিক উন্নতিতে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জটিল পরিস্থিতির সঙ্গে তারা যৌথভাবে মোকাবিলা করবে।

    আরও পড়ুন: সীমান্ত আগ্রাসন নিয়ে চিনকে হুঁশিয়ারি জয়শঙ্করের, কী বললেন তিনি? 

    এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। ইউরোপ সফরে গিয়ে এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই বিষয়ে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না ভারত সরকার।” 

    জয়শঙ্করের (S Jaishankar) এই স্পষ্ট বক্তব্যের প্রশংসা করে ওয়াং ওয়াই বলেন, “ভারত-চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভারতের স্বাধীনতার ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ।” 

    গত বছর ভারতের সঙ্গে চিনের ব্যবসায়িক আদানপ্রদান ১২,৫০০ কোটিরও বেশি হয়েছে। আগেরবারই প্রথম এই দুই দেশে ব্যবসায়িক আদানপ্রদান ১০০০ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়েছে। তাই এইবছরের ব্রিক সম্মেলনের আগে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত জরুরি। 

    ২৪ মাস আগে ভারতের সীমান্তে চিন আকস্মিক আগ্রাসন চালানোয় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তাই এই বৈঠকের পর দুই দেশের কুটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির বিষয়ে আশাবাদী রাজনৈতিক মহল।  

     

  • Russia: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    Russia: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো বছরে এই প্রথম! বিদেশি ঋণ (Foreign Debt) শোধে ব্যর্থ রাশিয়া (Russia)। ২৭ মে-র পর দেশটিকে আরও বাড়তি প্রায় এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও ঋণ শোধ করতে পারেনি ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। দেশটিতে এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, বলশেভিক বিপ্লবের সময়।

    ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনের (Ukraine) সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া। তার পর থেকে চার মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও, এখনও থামেনি যুদ্ধ। পুতিনের দেশকে সবক শেখাতে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু দেশ। তার পরেও দমানো যায়নি অদম্য রাশিয়াকে। যুদ্ধ চলছেই।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    এর আগে অন্তর্দেশীয় ঋণ পরিশোধে সর্বশেষ রাশিয়া ব্যর্থ হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরে পরে রুবেলের সংকট দেখা দেওয়ায় এমনটা হয়েছিল। তবে সেই সময় অভ্যন্তরীণ ঋণ শোধে অপারগ হলেও, বিদেশি ঋণ শোধ করেছে মস্কো। আর এখন বৈদেশিক ঋণ শোধ করতেই ব্যর্থ হয়েছে দেশটি।

    সূত্রের খবর, অনেক আগেই মস্কোর এই ঋণ শোধের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ঋণ শোধ করতে পারেনি পুতিনের দেশ। ধার শোধের সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ২৭ মে। সেবারও ঋণ শোধে অপারগ হওয়ায় সময়সীমা ফের বাড়িয়ে করা হয় ২৬ জুন। এদিনও বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে পারেনি পুতিনের দেশ। জানা গিয়েছে, বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন : ভারতের ওপর কি ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে রাশিয়া?

    কী কারণে বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ হয়েছে রাশিয়া? রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম সুইফট। যার জেরে লেনদেন করতে পারছে না পুতিনের দেশ। ফলশ্রুতিতে বৈদেশিক ঋণ শোধে ফের একবার ব্যর্থ হল মস্কো। প্রসঙ্গত, এর আগে বলশেভিক বিপ্লবের সময় ঋণ শোধ করতে অস্বীকার করেছিলেন কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেনিন। একটি রাশিয়ান কোম্পানির বর্ষীয়ান কর্নধার হাসান মালিক বলেন, এটা খুবই, খুবই বিরল একটি ঘটনা। এখানে সরকার ঋণ শোধে ব্যর্থ হয়েছে বিদেশ শক্তির প্রভাবে। ইতিহাসে এই ঘটনা একটি যুগসন্ধিক্ষণ হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

     

  • US parade shooting: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

    US parade shooting: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মেজাজে তখন গোটা দেশ। শিকাগোয় (Chicago) চলছে স্বাধীনতার উদযাপন। তারই মাঝে কাটল তাল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেন রক্তবন্যা থামার নাম নেই। ফের রক্তাক্ত হল ৪ জুলাইয়ের প্যারেড (4th July Parade)। সোমবার শিকাগোর হাইল্যান্ড পার্কে চতুর্থ জুলাইয়ের প্যারেড চলাকালীন এলোপাথাড়ি গুলি (Shooting) চালায় এক বন্দুকবাজ। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন অনেকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এক বন্দুকধারী একটি দোকানের ছাদ থেকে প্যারেডে অংশগ্রহণকারীদের উপর গুলি চালায়। 

    বন্দুকবাজের হামলায় ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত অন্তত ৫৭ জন। শিকাগোর পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হয় কুচকাওয়াজ। মিনিট দশেক পরেই স্থানীয় একটি দোকানের ওপর থেকে মুহুর্মুহু গুলি চালায় এক আততায়ী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ২৪ রাউন্ড গুলি চলার শব্দ শোনা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু হামলা নিয়ে নিন্দা আমেরিকার, পালটা ‘বন্দুকবাজ’ খোঁচা ভারতের

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে কুচকাওয়াজ দেখছিলেন বহু মানুষ। পরের ফ্রেমেই, তাঁদের মাটি থেকে লাফিয়ে দৌড়তে দেখা যায়, শোনা যায় বন্দুকের শব্দ, মানুষের চিৎকার।  

    [tw]


    [/tw]

    হাইল্যান্ড পার্কের পুলিশ চিফ লউ জগম্যান জানিয়েছেন, শহরতলির নানা জায়গায় গুলি চালিয়েছে আততায়ী। তার নাম রবার্ট ক্রিমো। পেশায় ইউটিউবার। আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    শিকাগোর ইলিনয়ের সাউথ ওয়েন্টওয়ার্থ অ্যাভিনিউয়ে ২৪ বছর বয়সি এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নতুন চার-দেশীয় গোষ্ঠী ‘আই২ইউ২’-র সদস্য ভারত, আছে কারা?  

    হাইল্যান্ড পার্কের নিরাপত্তার দায়িত্বে লেক কাউন্টি শেরিফ বিভাগ। শেরিফ বিভাগের কার্যালয় থেকে সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা টহল দিচ্ছে পুলিশ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বাধীনতা দিবসের সব রকমের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র।   

    মার্কিন প্রতিনিধি ব্র্যাড স্নাইডার রয়টার্সকে বলেছেন যে হাইল্যান্ড পার্কে যখন গোলাগুলি শুরু হয়েছিল তখন তিনি প্যারেডের সামনে ছিলেন। স্নাইডার ট্যুইটারে লেখেন, “অনেকের মৃত্যুর  খবর পাওয়া গিয়েছে এবং আরো অনেকে আহত হয়েছেন। হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা।”  

     

  • Putin-Modi Phone Call: ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    Putin-Modi Phone Call: ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পেরিয়ে গিয়েছে চার মাস। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যহত। রাশিয়ার বিরুদ্ধে গিয়েছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ। ভারত কেন এখনও রাশিয়ার প্রতি নরম, সে নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের  (Vladimir Putin) সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে ফোনে কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা সমাধান করতে অনুরোধ জানিয়েছেন মোদি। গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানের প্রসঙ্গও এদিন আলোচনায় তুলে ধরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও পুতিনের ডিসেম্বরের ভারত সফরের সময় বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলি কার্যকর করার বিষয়েও শুক্রবার কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।   

    আরও পড়ুন: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) শুরু হওয়ার পরে বেশ কয়েকবার ফোনে পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মোদি। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করার সময়ে ভারতীয়দের ওপর কোনও হামলা হবে না বলেও ভারতকে আশ্বস্থ করেছিল রাশিয়া। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে একটি বিবৃতি জারি করে পুতিনের সঙ্গে মোদির ফোনালাপের বিষয়টি জানানো হয়।  

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের

    এর আগেও ইউক্রেন সমস্যা নিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে পুতিনকে সরাসরি কথা বলার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। যদিও সেই আলোচনার পরেও ইউক্রেন-সঙ্কট সমাধানের কোনও সূত্র মেলেনি। আন্তর্জাতিক শক্তি ও খাদ্য সামগ্রীর আন্তর্জাতিক বাজার নিয়েও এদিন দুই দেশের প্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতেও ভাব বিনিময় হয়েছে দুপক্ষের মধ্যে।  

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে রাশিয়া। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশের ওপর রাশিয়ার এই আচমকা আঘাতে রাশিয়ার সঙ্গ ছাড়ে বিশ্বের বহু শক্তিশালী দেশ। রাশিয়ার থেকে তেল কেনাও বন্ধ করে তারা। তবে ভারত তেল কেনা বন্ধ করেনি। কম টাকায় ভারতকে তেল সরবরাহ করতে থাকে রাশিয়া। মোদি জানান, দেশের স্বার্থই সবার আগে বিবেচ্য। ভারতের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিতও হয়। ভারত যেমন সরাসরি রাশিয়ার সমালোচনা করেনি, তেমনি প্রত্যক্ষভাবে ইউক্রেনের পাশেও দাঁড়ায়নি। সবসময়ই ভারত ভারসাম্যের নীতি নিয়ে চলেছে।    

     

LinkedIn
Share