Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Anita Anand: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    Anita Anand: ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার অনিতা আনন্দ, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিদ্বেষ এবং ‘খালিস্তানপন্থী-প্রেমী’ সাজাই ‘কাল’ হয়েছিল কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর। তার জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে হয়েছে তাঁকে। সোমবারই পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেছন লিবারেল পার্টির এই নেতা। গত ৯ বছর ধরে কানাডায় রাজ করছিলেন ট্রুডো। সোমবার রাতে অবসান ঘটল তার।

    তালিকায় অনিতা আনন্দ (Anita Anand)

    কানাডার সম্ভাব্য নয়া প্রধানমন্ত্রী কে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছেন ট্রুডো সরকারের পরিবহণমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দ (Anita Anand)। তিনি যদি ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন, তাহলে তা হবে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের বিশ্বজয়। প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। কানাডার সংসদীয় রীতি অনুসারে, এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দল পরবর্তী নেতা নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন সময় পাবে। এই তিন মাস কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালাবেন তিনি। সোমবারই তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচন করবে তাঁর দল লিবারেল পার্টি। এই ক’দিন স্থগিত থাকবে সংসদের অধিবেশন।

    কে এই অনিতা আনন্দ?

    ট্রুডো পদত্যাগ করতেই উত্তরসূরি বাছাই করতে কোমর কষে নেমে পড়েছে লিবারেল পার্টি। সেখানেই সামনের সারিতে রয়েছেন অনিতা (Anita Anand)। পরিবহণ দফতর সামলানো ছাড়াও নানা সময় জনসেবা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, কোষাগার বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অনিতার জন্ম নোভা স্কোটিয়া প্রদেশের কেন্টভিলে। অনিতার বাবা তামিল, নাম এসভি (অ্যান্ডি) আনন্দ। মায়ের নাম সরোজ ডি রাম। পেশায় দুজনেই ছিলেন চিকিৎসক। অনিতার দুই বোন রয়েছেন। তাঁদের নাম গীতা ও সোনিয়া। 

    ঈর্ষনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা

    বছর সাতান্নর অনিতা (Anita Anand) অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ঈর্ষনীয়। স্থানীয় কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলায় স্নাতক। এর পর, অক্সফোর্ড থেকে আইনশাস্ত্রে স্নাতক। ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক। পরে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে স্নাতকোত্তর লাভ করেন তিনি। রাজনীতিতে আসার আগে অধ্যাপনা করতেন অনিতা। সম্মানীয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধিতাই হল কাল! কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা ট্রুডোর, এগিয়ে আসছে নির্বাচন?

    রাজনৈতিক উত্থান

    ২০১৯ সালে রাজনীতির জগতে পা রাখার পরে পরেই দ্রুত দলে উত্থান ঘটতে থাকে অনিতার (Anita Anand)। সেই বছর ওকভিলের সাংসদ নির্বাচিত হন পলিটিক্যাল স্টাডিজের এই ছাত্রী। সাংসদ হওয়ার পরেই ঠাঁই হয় ট্রুডোর মন্ত্রিসভায়। তার জেরেই সটান চলে আসেন ট্রুডো মন্ত্রিসভায়। যুদ্ধের সময় ইউক্রেনকে ত্রাণ ও অন্যান্য সাহায্য পাঠানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, অনিতা ছাড়াও কানাডার (Canada) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন মেলাইন জলি, ক্রিস্টিয়া, ফ্রিল্যান্ড, মার্ক কার্নি, ফ্রাঙ্কেইস-ফিলিপ শ্যাম্পেন প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ৫০ বিচারকের ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে আসার সূচি বাতিল ইউনূস সরকারের

    India Bangladesh Relation: বাংলাদেশের ৫০ বিচারকের ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে আসার সূচি বাতিল ইউনূস সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India Bangladesh Relation) এসে প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের ৫০ জন বিচারকের (Bangladesh Judges)। নিম্ন আদালতের ৫০ জন বিচারককে গত ৩০ ডিসেম্বর ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক। রবিবার এক নোটিস জারি করে সেই নির্দেশিকা বাতিল করে দিলে ইউনূস সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রক। প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত কেন প্রত্যাহার করা হল তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি ঢাকা।

    কেন বাতিল, কারণ অজানা

    বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) সংবাদপত্র ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য এই প্রশিক্ষণের নোটিশ বাতিল করা হয়েছে ৷ তবে এমন দাবি ঠিক কিনা তাও সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়নি। একদিন আগে, বাংলাদেশ সরকারের সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, নিম্ন আদালতের ৫০ জন বিচারক একদিনের প্রশিক্ষণ নেবেন ৷ ১০ ফেব্রুয়ারি এই প্রশিক্ষণ হবে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমি এবং স্টেট জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমিতে ৷ পরে তা বাতিল হয়ে যায়। এই ট্রেনি বিচারকরা- জেলা ও দায়রা বিচারক বা তার সমতুল্য আধিকারিক, অতিরিক্ত বিচারক এবং দায়রা বিচারক, যুগ্ম বিচারক, সিনিয়র সহকারী বিচারক এবং সহকারী বিচারক ৷ ভারত সরকারই এই প্রশিক্ষণের সমস্ত খরচ বহন করবে বলে কথা ছিল৷

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    বিচারব্যবস্থায় অনীহা

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেখানে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। হিন্দু-সহ অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh Judges)সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়েছে৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশে এখন বিচার ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। তাঁরা মানুষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিচ্ছেন না, কোর্ট চত্বরে মারপিট হচ্ছে।  যাঁরা বিচার ব্যবস্থা অচল করে রাখতে চাইছেন, তাঁদের বিচার পদ্ধতি শিখতে ভারতে আসতে অনীহা থাকাই স্বাভাবিক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RAW: পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের মারছে ‘র’! অভিযোগ আতঙ্কিত ইসলামাবাদের, অস্বীকার দিল্লির

    RAW: পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের মারছে ‘র’! অভিযোগ আতঙ্কিত ইসলামাবাদের, অস্বীকার দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘র’ (RAW) আতঙ্কে কাঁপছে পাকিস্তান। তাদের ঘরে ঢুকে গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগ ঠিক এমনটাই। সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্টে মাধ্যমে পাকিস্তানের এমন দাবি সামনে এসেছে। পাকিস্তানের দাবি, ২০২১ সালে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’ (RAW) পাকিস্তানের প্রায় আধডজন নাগরিককে পরিকল্পনামাফিক বাড়িতে ঢুকে হত্যা করেছে। পাকিস্তানের আরও দাবি, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের ভারত লস্কর-ই-তৈবা এবং জয়েশ-ই-মহম্মদের আতঙ্কবাদী হিসেবে সন্দেহ করত। তবে, ইসলামাবাদের যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করেছে নয়াদিল্লি।

    ভাড়া করা শ্যুটার দিয়ে এমন কাজ করেছে ‘র’, দাবি পাকিস্তানের

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান দাবি করেছে, ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থার ‘র’ (RAW), এমন হত্যালীলা সংঘটিত করতে কোনও ভারতীয় নাগরিকদের ব্যবহার করেনি। এর জন্য তারা পাকিস্তানের স্থানীয় অপরাধীদেরই কাজে লাগায় এবং আফগানিস্তান থেকে ভাড়া করা শ্যুটার আনে। পরিকল্পনামাফিক ভাবেই এমন ‘র’ (RAW) এমন হত্যালীলা সংঘটিত করেছে বলে অভিযোগ পাকিস্তানের। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের দাবি, মোট ২০ জনকে টার্গেট করে ‘র’। হাওলার মাধ্যমে টাকা আসে শ্যুটারদের কাছে। ওই রিপোর্টের দাবি করা হয়েছে, ২০১৩ সালে ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিং-কে হত্যা করার অন্যতম অভিযুক্ত আমির সরফরাজের ওপরে হামলা চালানো হয়, এটাও ‘র’-এর কাজ বলেই দাবি পাকিস্তানের। পাকিস্তানের আরও দাবি, এই হত্যালীলাগুলি সংঘটিত করতে আলাদা টিম তৈরি করেছিল ‘র’।

    মোদি জমানায় ভারতের রণনীতি আক্রমণাত্মক, অভিযোগ পাক গুপ্তচর সংস্থার

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের মাটিতে একের পর এক সন্ত্রাসবাদীকে অজ্ঞাতপরিচয়রা হত্যা করতে থাকে। এখানে ব্যর্থতা সামনে আসে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের। এর পর, হতাশ আইএসআই ২০২২ সালে এ নিয়ে অভিযোগ করে সিআইএ-র নির্দেশক উইলিয়ামের কাছে। পাকিস্তানি আধিকারিকদের অভিযোগ ছিল, ভারত তাদের দেশে ঢুকে এ ধরনের কাজ করছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (RAW)। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর দাবি, যখন থেকে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তখন থেকে ভারতের রণনীতি আরও আক্রমণাত্মক হয়েছে।

    যদিও, ভারতের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পুরোটাই খারিজ করেছে দিল্লি। নিজেদের বিবৃতিতে ভারত সরকার জানিয়েছে, পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বড় গণতন্ত্রের দেশ হল ভারত। নিজেদের সীমাক্ষেত্র লঙ্ঘন করে অন্য দেশে গিয়ে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং করে না ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earthquake Hits Tibet: তিব্বতে ভূমিকম্পে মৃত অন্তত ৫৩, হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা

    Earthquake Hits Tibet: তিব্বতে ভূমিকম্পে মৃত অন্তত ৫৩, হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের ভোরে তখনও ঘুম ভাঙেনি সকলের। তার মাঝেই প্রবল তীব্রতায় কেঁপে ওঠে নেপাল, তিব্বত, ভারত এবং চিনের বেশকিছু অংশ। তিব্বতই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। তিব্বতের (Earthquake Hits Tibet) ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ৫৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ৬২ জনকে। ভূমিকম্পের ধাক্কা কাটিয়ে শুরু হয়েছে উদ্ধারের চেষ্টা। হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

    ভূমিকম্পে প্রভাবিত অন্তত আট লক্ষ!

    মঙ্গলবার সকালে ৭.১ তীব্রতার জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তিব্বত (Earthquake Hits Tibet)। যার প্রভাব পড়ে নেপাল, ভুটান এবং ভারতেও। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শিগাতসের এই ভূমিকম্পে প্রভাবিত হয়েছেন অন্তত আট লক্ষ মানুষ। ভূমিকম্পের উৎসস্থল তিব্বতের তিংরি প্রদেশে। এই অঞ্চলটিকে এভারেস্টের উত্তরের প্রবেশদ্বার হিসাবে দেখা হয়।  এমনিতেই এই অঞ্চলটি ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা বলে চিহ্নিত। শিগাতসের ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে গত পাঁচ বছরে তিন বা তার বেশি মাত্রার ২৯টি ভূমিকম্প হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সকালের মতো তীব্রতা কোনওটিরই ছিল না। এদিন প্রথম কম্পন অনুভূত হয় সকাল সাড়ে ছ’ টা নাগাদ। তীব্রতা ছিল ৭.১, উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০কিলোমিটার গভীরে। তারপর বারবার কেঁপে ওঠে ভূপৃষ্ঠ। 

    ৪০টিরও বেশি কম্পন অনুভূত

    সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পের পর ৪০টিরও বেশি ‘আফটারশক’ অনুভূত হয়েছে ওই অঞ্চলে। তার মধ্যে ১৬টি কম্পনের মাত্রা ছিল ৩-এর বেশি। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিওয় দেখা গিয়েছে রাস্তার ধারে দোকান ভেঙে পড়েছে। ধ্বংসাবশেষ ছড়িয় ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে রাস্তার উপর। ভিডিওটি তিব্বতের লাৎসে শহরের কাছে। সাধারণত এই ধরনের জোরালো মাত্রার কোনও ভূমিকম্পের জেরে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানিয়েছে, সরকারি আধিকারিকরা ভূমিকম্পের জেরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ জানার চেষ্টা করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলির হতাহতের সংখ্যা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

    তিব্বতে (Earthquake Hits Tibet) ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। সেখানেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রাণ ভয়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন কাঠমান্ডুর বাসিন্দারা। প্রভাব পড়েছে এভারেস্টের পাদদেশে অবস্থিত নেপালের সোলুখুম্বু জেলাতেও। সেখানকার মুখ্য জেলা আধিকারিক অনোজ রাজ ঘিমিরে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সোলুখুম্বুতে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। নেপালের স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা করছে। ভুটানের রাজধানী থিম্পু এবং উত্তরপূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে, বিশেষ করে বিহার, উত্তরবঙ্গ, সিকিমের মতো জায়গাগুলিতে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justin Trudeau: ভারত-বিরোধিতাই হল কাল! কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা ট্রুডোর, এগিয়ে আসছে নির্বাচন?

    Justin Trudeau: ভারত-বিরোধিতাই হল কাল! কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা ট্রুডোর, এগিয়ে আসছে নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার (Canada) প্রধানমন্ত্রী তথা লিবারেল পার্টির নেতা পদে ইস্তফা দিলেন জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। ঘরে-বাইরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগই করলেন ট্রুডো। সোমবার রাজধানী অটোয়ায় তাঁর বাসভবন রিডো কটেজের বাইরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে ইস্তফার কথা জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দল নতুন নেতা নির্বাচিত না করা পর্যন্ত আপাতত তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাবেন, জানিয়েছেন ট্রুডো।

    কী বললেন ট্রুডো? (Justin Trudeau)

    তিনি বলেন, “কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাই। আমার এই ইচ্ছের কথা আমি দল ও গভর্নরকে জানিয়েছি। দল নতুন নেতা নির্বাচন করার পর দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেব।” তিনি বলেন, “এই বছরের শেষের দিকে নির্বাচন হবে। তা না হওয়া পর্যন্ত দল ও কানাডার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একজন নতুন নেতা খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এজন্য আমি ২৪ মার্চ পর্যন্ত সংসদ স্থগিত করছি।”

    প্রধানমন্ত্রী পদে ৯ বছর

    গত ৯ বছর ধরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন ট্রুডো। এই পর্বে তাঁর দল লিবারেল পার্টির নেতাও ছিলেন তিনি। খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার অভিযোগ ওঠে ট্রুডোর দলের অন্দরেই। তা নিয়ে ভারতের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি হয় ট্রুডোর দেশের। কানাডার আন্তর্জাতিক নীতি নিয়েও দল এবং বিরোধীদের প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রুডো। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, তারই খেসারত দিতে হল ট্রুডোকে (Justin Trudeau)। কানাডার সংসদীয় রীতি অনুসারে, এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দল পরবর্তী নেতা নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন সময় পাবে।

    আরও পড়ুন: মোদিকে বিদায়ী চিঠি বাইডেনের! দুই দেশের সম্পর্ককে শক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি বছরের শেষের দিকে কানাডায় সংসদ নির্বাচন। ২০২৩ সালেই বিভিন্ন নির্বাচনী সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছিল কানাডার সিংহভাগ বাসিন্দাই ট্রুডোকে পছন্দ করছেন না। ট্রুডোর ভারত বিরোধিতার পর দলেও তাঁর বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত হচ্ছিল ক্ষোভের আগুন। সমীক্ষা বলছে, আগামী নির্বাচনে কানাডায় ধরাশায়ী হবে ট্রুডোর দল। গোহারা হারবেন স্বয়ং ট্রুডো। ক্ষমতায় আসতে পারে কনজারভেটিভ পার্টি। পরাজয়ের আঁচ পেয়ে কিছুদিন আগেই পদত্যাগ করেন কানাডার উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। তার পর থেকে দিন যত গিয়েছে, ততই বেড়েছে ট্রুডো বিরোধীদের সংখ্যা। মন্ত্রিসভায় রদবদল করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেননি ট্রুডো। রাজনৈতিক মহলের মতে (Canada), নিতান্তই নিরুপায় হয়ে পদত্যাগ করলেন ট্রুডো (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave Alert: ২০২৫ সালে প্রখর তাপের সম্মুখীন হতে হবে বিশ্ববাসীকে, চরম সতর্কতা

    Heatwave Alert: ২০২৫ সালে প্রখর তাপের সম্মুখীন হতে হবে বিশ্ববাসীকে, চরম সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে প্রখর তাপের (Heatwave Alert) সম্মুখীন হতে হবে বিশ্ববাসীকে। এই মর্মে সর্তকতা জারি করল বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে হতে পারে বড়সড় বিপদ। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা আগামী বছরেও অব্যাহত থাকবে। গ্রিনহাউসে গ্যাসের কারণে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে ভবিষ্যতে উষ্ণায়ন (Global Warming) ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। 

    বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গিয়েছে (Heatwave Alert)

    বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৪ সালে পৃথিবী রেকর্ড ব্রেকিং তাপমাত্রা (Heatwave Alert) অনুভব করেছে। ওই বছর ছিল সব থেকে উষ্ণ (Global Warming) বছর। একই সময়ে ব্রিটেনের আবহাওয়া অফিসের আশঙ্কা, ২০২৫ সালটিও তৃতীয় উষ্ণবছর হতে চলেছে। ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মতো ২০২৫ সালেও প্রচণ্ড গরম পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল যুগের (১৮৫০-১৯০০) আগের তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি গরম পড়বে। আগামী বছরে প্যারিস চুক্তির সীমা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উপরে উঠে যাবে। প্রাক-শিল্প উৎপাদন যুগের তুলনায় বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গিয়েছে। জলবায়ুর স্থায়ী পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। তাই ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী, গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ রাখতে হবে ১.৫ ডিগ্রির কম। ২০২৩ সালেই বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৪৫ ডিগ্রি! ২০২৪ সালে তা ১.৫ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

    গত দশ বছরে রেকর্ডের শীর্ষ উষ্ণতম বছরের সাক্ষী

    রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তেনিও গুয়েতেরেস এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা এক দশক ধরে মারাত্মক তাপপ্রবাহ (Heatwave Alert) অনুভব করছি। ২০২৪ সহ গত দশ বছরে রেকর্ডের শীর্ষ উষ্ণতম বছরের সাক্ষী থেকেছি। ২০২৪ সহ গত দশ বছরের তাপমাত্রা ব্যাপক আকার ছিল। তবে ২০২৫ সালে তাপমাত্রা কী হতে চলেছে তা এখনই সুনিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল এবং সুস্থ ভবিষ্যত তৈরি করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।” তিনি বলেন, “এ ভাবে সভ্যতা ধ্বংসের পথ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদ পথের সন্ধান করতে হবে। একইভাবে বিকল্প পথের কথাগুলি জোর দিয়ে ভাবতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    ২৬টিই বিধ্বংসী প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনায় ৩,৭০০ জনেরও বেশি মৃত

    আবার ডব্লিউএমও সেক্রেটারি-জেনারেল সেলেস্তে সাওলো বলেন, “তাপমাত্রার (Heatwave Alert) সামান্য বৃদ্ধিও আবহাওয়াকে চরম বিপজ্জনক করে তুলেছে। প্রথম বছরেই আমি জলবায়ু সংক্রান্ত রেড অ্যালার্ট জারি করেছিলাম। ২০২৫ সালে ডব্লিউএমও-এর ৭৫তম বার্ষিকী। ফলে পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখতে সকলকেই পদক্ষেপ করতে হবে। এই দায়িত্ব আমাদের সকলের। এই বিশ্বব্যাপী দায়িত্ববোধের কথা সকলকে মনে রাখতে হবে।”

    প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন এবং ক্লাইমেট সেন্ট্রালের একটি নতুন রিপোর্টে জানা গিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের (Global Warming) কারণে ২০২৪ সালে ২৯টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ২৬টিই বিধ্বংসী আকার নিয়েছিল। মোট ৩,৭০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।  লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 21: বন্ধ করা হয় ছাত্র রাজনীতি, স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবরের জায়গাটুকুও দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার

    Bangladesh Crisis 21: বন্ধ করা হয় ছাত্র রাজনীতি, স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবরের জায়গাটুকুও দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ নবম পর্ব।

     

    আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব-৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis 21) জুড়ে শুরু হয় অরাজকতা। এই সময়ে গণতন্ত্র ভুলুন্ঠিত হয়। দিকে দিকে বিরোধী আওয়ামি লিগ সমেত অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির ওপরে আছড়ে পড়ে ব্যাপক আক্রমণ। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, খুলনা থেকে রাজশাহী-প্রত্যেকটি জায়গাতে সংখ্যালঘুদের ওপর চলে ব্যাপক নির্যাতন। মহিলাদের ওপরে চলতে থাকে অত্যাচার। ঠিক এমন অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দেয় ইউনূস সরকার। এমন সিদ্ধান্তের পিছনে অন্যতম কারণ ছিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামি লিগকে দূরে রাখা। কারণ ইউনূস সরকার ক্ষমতা দখল করার পরেই বাংলাদেশের সমস্ত ধরনের জনপ্রতিনিধিদের জোর করে পদত্যাগ করানো হয়। প্রত্যেকটি জেলা পরিষদ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগ করানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় সে দেশের পার্লামেন্টকেও।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রাজনীতি (Bangladesh Crisis 21) 

    সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিকভাবে এই কাজ করতে থাকে ইউনূস সরকার। স্বাভাবিকভাবে ইউনূস হলেন সরকারের মুখোশ এবং এই সরকারের প্রাণভোমরা বিএনপি এবং জামাতের হাতেই রয়েছে। আসলে একচ্ছত্রভাবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Bangladesh Crisis 21) দখল করার জন্যই তারা ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে দেয়। এর পাশাপাশি যুব সমাজকে কীভাবে মৌলবাদী শিক্ষায় শিক্ষিত করা যাবে, সেই পরিকল্পনাও চলতে থাকে। সাধারণভাবে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে পড়ুয়াদেরকে গণতন্ত্রের পাঠ শেখানো হয়, মূল্যবোধের পাঠ দেওয়া হয় তাঁদেরকে। উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্র রাজনীতিকে নিষেধ করার ফলে গণতন্ত্রের মূল্যবোধ হারিয়ে যায় বাংলাদেশে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়ে খবর লেখা হয় বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও তোলা হয়।

    অসম্মান মুক্তিযোদ্ধাদেরও 

    শুধুমাত্র তাই নয়, ইউনূস সরকারের আমলে (Targeting Minority) আরও ন্যক্কারজনক ঘটনা সামনে আসে। যখন মুক্তিযোদ্ধাকেও চূড়ান্ত অসম্মান করে জামাত-বিএনপির নিয়ন্ত্রণে  থাকা এই সরকার। আসলে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী সৈন্য এবং রাজাকারদের হাত থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনা হয়েছিল। পাকিস্তানি সৈনিক এবং রাজাকারদের বিরুদ্ধে আনা এই স্বাধীনতাকে কখনই মেনে নিতে পারেনি জামাত-বিএনপি। জামাত-বিএনপির মৌলবাদীরা যেদিন গণভবন দখল করে, সেই সময় করুণ ছবি সামনে আসে। বাংলাদেশ তৈরির প্রধান স্থপতি, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, পাকিস্তানের হাত থেকে যিনি বাংলাদেশকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যেতে থাকে, হাসিনা সরকারের পতনে বাংলাদেশের রাজাকাররা ঠিক কতটা উচ্ছ্বসিত।

    জায়গা মেলেনি স্বাধীনতা সংগ্রামী মতিয়া চৌধুরির কবরের

    ইউনূস জমানায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ওপরেও চলে ব্যাপক অত্যাচার। তাঁদেরকেও নানাভাবে সম্মানহানি করা হতে থাকে। এরকমই ঘটনা উঠে আসে, যখন মতিয়া চৌধুরী নামের এক স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবর দেওয়ার জায়গাটুকু পর্যন্ত জোগাড় করে দেয়নি ইউনূস সরকার। শুধুমাত্র তাই নয়, একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে যে সম্মান জানানোর (Bangladesh Crisis 21) রীতি চালু ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে, সেটাকে পর্যন্ত অস্বীকার করা হয়। ন্যূনতম অন্তিম সম্মানটুকু বাংলাদেশে বিএনপি ও জামাতের নেতৃত্বে চলতে থাকা ইউনূস সরকার দেয়নি মতিয়া চৌধুরীকে। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে  খবরও লেখা হয়। শুধুমাত্র তাই নয়, মতিয়া চৌধুরীর অপরাধ ছিল, তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামি লিগের সরকারের একজন প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন। তথাপি আওয়ামি লিগের একজন সক্রিয় নেত্রী ছিলেন। মতিয়া চৌধুরীর কবরের জন্য ইউনূস সরকার কোনও রকমের জায়গা না দেওয়ায়, অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশেই কবর দেওয়া হয় স্বাধীনতা সংগ্রামীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    Bangladesh Crisis: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)? এক সময় যাঁরা তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন, তাঁরাই ক্রমে তাঁর পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। সেই কারণে স্বদেশেই ক্রমে জনপ্রিয়তা হাচ্ছাচ্ছেন বাংলাদেশের একমাত্র নোবেলজয়ী ইউনূস।

    ইউনূসের সঙ্গে দূরত্ব (Bangladesh Crisis)

    ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশকে তীব্র অস্থিরতা ও ইসলামিকরণের দিকে নিয়ে গিয়েছেন ইউনূস। এই পর্বে তাঁর পাশে ছিলেন বাংলাদেশের এক শ্রেণির রাজনীতিবিদ। এখন তাঁরাও ইউনূসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে দেখেও হাত গুটিয়ে বসেছিলেন ইউনূস। এজন্য তাঁকে তিরস্কার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনিও এ বিষয়ে তাঁর মতামত পরিষ্কার করে দিয়েছেন।

    নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে

    যদিও সংখ্যায় কম, বাংলাদেশের তরুণদের একটি অংশ এখনই ইউনূস শাসনের নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে। সেটা হয়তো বিরাট কিছু নয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে এটাই কাল হতে পারে ইউনূসের পক্ষে। ছাত্র আন্দোলনের নামে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সরানোর যে ছক কষা হয়েছিল, তা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। হাসিনার অপসারণ এবং ইউনূসকে (Muhammad Yunus) বসানোর পর অনেকেই ভেবেছিলেন দেশ চলবে স্বাভাবিকভাবে। তাঁদের সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। জামাতে ইসলামির মতো সংগঠন, যা আদতে পাকিস্তানের অধীনে কাজ করে, এই সুযোগে সন্ত্রাস ছড়ানোর কাজে লেগে পড়ে কোমর কষে।

    ডামাডোলের বাজারে চাকরির অবস্থাও করুণ

    অল্প সংখ্যক কিছু মানুষ যাঁরা এই নৃশংসতার প্রতিবাদ করতে এগিয়ে এসেছে, তারা সন্ত্রাস নিয়ে অভিযোগ করছেন। ডামাডোলের বাজারে (Bangladesh Crisis) চাকরির অবস্থাও করুণ। সন্ত্রাসের আবহে ক্রমেই তলিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতির হাল। এটাই ক্ষোভের সঞ্চার করছে তরুণ মনে। জীবন এবং জীবিকা বিপন্ন হওয়ায় ইউনূস প্রশাসনের বিরুদ্ধে তাঁরাই ফুঁসছেন ক্ষোভে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটাই ব্যুমেরাং হতে পারে ইউনূস প্রশাসনের। বিএনপি সুপ্রিমো খালেদা জিয়ার বন্দিদশা ঘুঁচিয়ে তাঁর দলের সমর্থন কুড়িয়েছিলেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। বিএনপি আশা করেছিল, ইউনূসের নেতৃত্বে তদারকি সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন করবে। কিন্তু কোথায় কি! গদি আঁকড়েই বসে রয়েছেন ইউনূস। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, দেশে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে এ বছরের শেষে কিংবা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে। ইউনূসের এহেন সিদ্ধান্তে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে বিএনপির ক্যাডারদের মধ্যেও।

    আরও পড়ুন: অশান্ত বাংলাদেশ, আমলা-পুলিশ-বিচারপতিদেরও হেনস্থা করা হয়েছে নানাভাবে

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর

    রাজনৈতিক মহলের একটা অংশের মতে, ইউনূস আমজনতার প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, পরিস্থিতি ততই খারাপ হবে। সাধারণ নির্বাচনের পরে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের একটা বিরাট সমস্যার (Bangladesh Crisis) সম্মুখীন হতে হবে। মোকাবিলা করতে হবে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে শুধু আইনশৃঙ্খলাই পুনর্বহাল করতে হবে না, পোক্ত করতে হবে অর্থনীতির ভিতও। ঘটনাপ্রবাহ যেদিকে এগোচ্ছে এবং ঢাকা ক্রমেই পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছে, তাতে আন্তর্জাতিক স্তরে আরওই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে ইউনূস প্রশাসন। সেক্ষেত্রে তাঁর বিপদ বাড়বে বই কমবে না।

    ইউনূস অন্যতম খারাপ নেতা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইউনূসকে সে দেশের অন্যতম খারাপ নেতা বললেও ভুল বলা হবে না। তাঁর শাসনেই বেড়েছে হিংসার ঘটনা, মাথা তুলেছে উগ্রপন্থীরা, জাতীয় নীতি পরিণত হয়েছে সন্ত্রাসবাদে। ভারতের বদলে ইউনূস সরকার ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। অর্থনীতিবিদ ইউনূসকে যথন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে বসানো হয়, তখন (Bangladesh Crisis) সবাই আশা করেছিলেন, দেশের ত্রুটি সংশোধন করে মজবুত করবেন দেশীয় অর্থনীতির ভিত। অথচ হল, ঠিক তার উল্টোটা। নিজে অর্থনীতিবিদ হওয়া সত্ত্বেও ইউনূস বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছেন ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে। মাত্র কয়েক মাস আগেও যে দেশটিকে বিশ্বের প্রতিশ্রুতিশীল অর্থনীতির একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছিল, তা এখন শুধুই অতীত।

    ব্যর্থতা ঢাকতে ভারত বিরোধী অ্যাজেন্ডা?

    ব্যর্থতা ঢাকতে ইউনূস আপাতত ভারত-বিরোধী অ্যাজেন্ডা নিয়েছেন। এটা প্রত্যাশিতই ছিল। কারণ তিনি পাকিস্তানকে প্রক্সি হিসাবে তাঁর দেশ শাসন করতে দিয়েছেন। প্যারিস-ভিত্তিক ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ বলেছে যে, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর যে হামলা চালানো এবং সংগঠিত করা হয়েছে, তা র‌্যাডিকালাইজড ভারত-বিরোধী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা। ইউনূস এগুলি (Bangladesh Crisis) প্রতিহত করতে প্রায় কিছুই করেননি। ইউনূস বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে শুধুমাত্র শেখ হাসিনার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। তাঁর সাক্ষাৎকারগুলিতে স্পষ্ট হয় তাঁর ভারত-বিরোধী মনোভাব।

    অথচ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে নয়াদিল্লি অনেক পদক্ষেপ করেছে। ভারতীয় হাইকমিশন এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিসা বাংলাদেশি নাগরিকদের ইস্যু করে। অসংখ্য বাংলাদেশি নাগরিক চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ভারতে আসছেন। এগুলির দিকে না দৃষ্টি দিয়ে ইউনূস আসলে যে আচরণ করছেন, তা অকৃতজ্ঞের মতো। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূস একটি বিপজ্জনক খেলা খেলছেন, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের দেশকে (Bangladesh Crisis) চরম মূল্য দিতে বাধ্য করবে। খেসারত দিতে হবে স্বয়ং ইউনূসকেও (Muhammad Yunus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis20: বিপন্ন গণতন্ত্র, ভাঙা হয় পার্লামেন্ট, জোর করে পদত্যাগ করানো হয় জনপ্রতিনিধিদের

    Bangladesh Crisis20: বিপন্ন গণতন্ত্র, ভাঙা হয় পার্লামেন্ট, জোর করে পদত্যাগ করানো হয় জনপ্রতিনিধিদের

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ অষ্টম পর্ব।

     

     আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব -৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানবাধিকারকে রক্ষা করতে রাজনৈতিক স্বাধীনতা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে ২০২৪ সালের (Bangladesh Crisis20) অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই লঙ্ঘিত হতে থাকে মানবাধিকার। রাজনৈতিক স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সব কিছুই শেষ হয়ে যায়। শুরু হয় অনাচার। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ওপরেও হামলা চলতে থাকে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জোর করে পদত্যাগ করানো হতে থাকে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবুদ্দিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে সে দেশের পার্লামেন্টকেও ভেঙে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকার জোর করে পদত্যাগ করায় বাংলাদেশের বারোটি নগর নিগমের মেয়রকে। একই সঙ্গে পদত্যাগ করানো হয় ১,৮৭৩ জন জনপ্রতিনিধিকে। পঞ্চায়েত স্তরেরও অজস্র জনপ্রতিনিধিকে পদত্যাগ করানো হয়। বাংলাদেশের ৩৩০টি পুরসভার পুরপ্রধানকেও পদত্যাগ করানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় ৬১টি জেলা পরিষদ। একই সঙ্গে ৪৯৫টির মধ্যে ৪৯৩টি উপ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করানো হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, উপ জেলা পরিষদের ৯৮৮ জন ভাইস চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করানো হয়। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার দল বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন জানায় নতুনভাবে ইলেকশন কমিশন তৈরি করার এবং যত দ্রুত সম্ভব দেশে নির্বাচন করানোর। বাংলাদেশে এই ধরনের কার্যকলাপের মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়ে যায় যে কোনও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

    অনাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় মানুষ

    অনাচারের এই রাজত্বের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis20) ব্যাপক আকারে সরকার বিরোধী ক্ষোভ বাড়তে থাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ রাস্তাতেও নামতে থাকেন। ঢাকা সমেত দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে বিক্ষোভ (Targeting Minority) দেখা যায়। আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর থেকে রাজধানী ঢাকা কেন্দ্র হয়ে ওঠে বিক্ষোভ দেখানোর। চাকরিপ্রার্থীরা, নার্সদের বিভিন্ন সংগঠন, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভে নামে নিজেদের নানা দাবিকে সামনে রেখে।

    ঢাকায় বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের

    ২০২৪ সালে এসে ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis20) অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদ দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট দেয়, চাকরিপ্রার্থীরা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে ঢাকাতে। ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশ মহম্মদ ইউনূসের বাড়ির সামনে যে কোনও ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশে প্রথম থেকেই নিষেধ করে। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীদের এই বিক্ষোভ মহম্মদ ইউনূসের বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার আগেই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। কাঁদানে গ্যাসও ছুড়তে হয় পুলিশকে, বিক্ষোভ সামাল দিতে। প্রসঙ্গত, কোটাবিরোধী আন্দোলনের কথা বলে এই ইউনূস সরকার ক্ষমতায় এসেছিল এবং অসাংবিধানিকভাবে জামাত-বিএনপি সহায়তায় হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। সেই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধেও একই ক্ষোভ দেখা যেতে থাকে। এখানেই উঠতে শুরু করে প্রশ্ন। আসলে কোটা বিরোধী আন্দোলন যে জামাত-বিএনপির নেতৃত্বে মৌলবাদীদের শাসন প্রতিষ্ঠা করার মুখোশ ছিল, তা ধীরে ধীরে সামনে আসতে শুরু করে।

    মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে শ্রমিকরা

    এই সময় বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis20) শ্রমিক বিক্ষোভও দেখা যায়। সেখানকার বিভিন্ন সংবাদপত্র শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে খবরও করতে থাকে। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭০টি কারখানা, যার মধ্যে ৫৯টি ছিল পোশাক তৈরির কারখানা সেগুলিকে বন্ধ করে দিতে হয়। এই কারখানাগুলি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত ছিল। কারখানার শ্রমিকরা নিজেদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানাতে থাকেন এবং কাজের পরিবেশ ভালো করার দাবি জানান তাঁরা। এর পাশাপাশি শ্রমিকরা অভিযোগ তোলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তাঁদের কোনওভাবেই দেখভাল করছে না। বিক্ষোভ সামাল দিতে সেনা পর্যন্ত নামাতে হয় ইউনূস সরকারকে। সেনার গুলিতে নিহত হন ২ শ্রমিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকা এমন কোনও পদক্ষপ করবে না যা তার প্রতিবেশীর কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে (India Bangladesh Relation) বোঝাপড়ার মাধ্যমে এগোনোর কথা বললেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শেখ হাসিনা সরকারের পতনে পর থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমশই প্রকাশ্যে আসছে। ভারত বিরোধিতার কারণে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারও বাড়ছে। এই অবস্থায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা সহজ হবে বলে আশা করছে কূটনৈতিক মহল। 

    দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক

    শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে যখন উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) সেই সময় শেখ হাসিনার থেকে সেনার হাতে ক্ষমতা নেওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতার বার্তা দিয়েছেন। বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, তাঁদের জন্য ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ অনেক বিষয়েই ভারতের উপর নির্ভর করে। আবার ভারতও কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে সুবিধা পায়। জেনারেল ওয়াকারের কথায়, “এটা একটা দেওয়া–নেওয়ার সম্পর্ক।” 

    পারস্পরিক বোঝাপড়া

    পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমন কিছু করবে না, যা সেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি চান, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও যেন তা বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু না করে। সরাসরি কোনও প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “সীমান্তে আমাদের লোকজনকে হত্যা করবে না। আমরা প্রাপ্য জল পাব। এতে তো কোনও অসুবিধা নেই!” বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, “দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। ভারতের অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করছেন। আবার বাংলাদেশ থেকেও অনেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। ভারত থেকে পণ্যও কিনছে বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।”

    মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) আটক ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী এবং ভারতে আটক ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীর পারস্পরিক আদানপ্রদান প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অনুমান। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশের জলসীমায় আটক হওয়া ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীদের এতদিন সে দেশে রেখে দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে দিল্লির হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। অন্যদিকে, মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পাশাপাশি ভারতে আটক বাংলাদেশের দু’টি ফিশিং ভেসেল এবং বাংলাদেশে আটক ভারতের ছয়টি ফিশিং বোটও হস্তান্তর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। গত ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিকটে ‘এফভি লায়লা-২’ এবং ‘এফভি মেঘনা-৫’ নামে দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ভেসেল-সহ মোট ৭৮ জন এবং গত ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মাছ ধরার নৌকা ‘এফবি কৌশিক’ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডুবে গেলে এর ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। তাঁদের কারামুক্তি ঘটেছে। ৭৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী আপাতত ওড়িশার পারাদ্বীপে ভারতীয় উপকূল বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১২ জন পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চিনে ফের নতুন ভাইরাসের হানা! হাসপাতালে ভিড়ের ভিডিও ভাইরাল

    ট্রাম্প-মোদি সমীকরণ

    আমেরিকা যে বিশ্বের সুপারপাওয়ার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে, ভারতও (India Bangladesh Relation) বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দাদা। ভারতকে বাদ দিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকার পক্ষেও কিছু করা সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের নরমে-গরমে সম্পর্ক ছিল। তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। প্রচার পর্বেও বারবার ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদিকে ‘চমৎকার মানুষ’, ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও জোরালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কাজেই, ট্রাম্প জয়ী হওয়ায়, আমেরিকা-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারত ঢুকে পড়েছে এমনটাই মনে করে কূটনৈতিক মহল। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইউনূস সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে, বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। এক কথায় ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায়, বাংলাদেশের পক্ষে আর ভারতকে অবজ্ঞা করা সম্ভব হবে না। ভারত নির্ভরতা আরও বাড়বে। তাই আমেরিকায় পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের সুর নরম হয়েছে। ভারতকে বন্ধু না বললেও, প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করতেও নারাজ বাংলাদেশ। দিল্লিকে অবজ্ঞা করার সাহস ঢাকা যে পাবে না তা ভালোই জানে ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share