Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis 16: প্রতিহিংসার রাজনীতি অন্তর্বর্তী সরকারের? হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের ১৭৮টি খুনের মামলা!

    Bangladesh Crisis 16: প্রতিহিংসার রাজনীতি অন্তর্বর্তী সরকারের? হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের ১৭৮টি খুনের মামলা!

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ চতুর্থ পর্ব।

     

    আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব-৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis 16) জুড়ে শুরু হয় অত্যাচার। হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মঠ, মন্দির, সংখ্যালঘু থেকে বিরোধী দলের নেতৃত্বের ওপর হামলা চলতেই থাকে। একই সঙ্গে হামলা বাড়তে দেখা যায় বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালত চত্বরে। জামাত-বিএনপি সমেত মৌলবাদীরা টার্গেট করতে থাকে সে দেশের আইনজীবী, প্রাক্তন মন্ত্রী, আইন প্রণেতাদের (Targeting Minority)। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হতে থাকে বিরোধীদের। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বিরুদ্ধে শুধুমাত্র প্রতিহিংসার রাজনীতির জন্য ইউনূস সরকার দায়ের করে ১৭৮টি খুনের মামলা, এমনটাই অভিযোগ। 

    টার্গেট প্রাক্তন বিচারপতি ও আইনজীবীরা

    বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 16) পুলিশ অফিসাররাও মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। মৌলবাদীদের আক্রমণের শিকার হওয়া নামগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, বাংলাদেশের প্রাক্তন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন মানিক, আইনজীবী শেখ ফারিদ। আইনজীবী শেখ ফারিদের অপরাধ ছিল আওয়ামি লিগের নেতাদের হয়ে সওয়াল করতেন তিনি আদালতে। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এই আওয়ামি লিগের নেতাদের কোনও কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করা হতে থাকে। তাঁদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হতে থাকে।

    প্রতিহিংসার রাজনীতি (Bangladesh Crisis 16)

    জানা গিয়েছে, এই সমস্ত মামলায় ৯২ হাজার ৪৮৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং এঁরা প্রত্যেকেই জামাত-বিএনপির বিরোধী। এর মধ্যে অনেকেই আওয়ামি লিগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আওয়ামি লিগের প্রাক্তন নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা, এমনকি শেখ হাসিনার পরিবারকেও বাদ দেওয়া হয়নি। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছে ইউনূস সরকার, এমনটাই অভিযোগ।

    ১৭৮টি খুনের মামলা দায়ের হয় হাসিনার বিরুদ্ধে

    গত ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 16) অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘আজকের পত্রিকা’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে যত মামলা দায়ের হয়েছে, তার মধ্যে আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থক রয়েছেন ২৬ হাজার ২৬৪ জন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বর্তমানে বাংলাদেশে মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৪। আশ্চর্যজনকভাবে তার মধ্যে ১৭৮টি খুনের কেসে অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়েছে শেখ হাসিনার নাম। গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের অন্যতম এক জনপ্রিয় পত্রিকা ডেইলি স্টার তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে ২২০টি। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে ফের আবার হাসিনার বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা বেড়ে গিয়েছে। যেখানে শেখ হাসিনা নিজের বোন শেখ রেহনার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২২টি, হাসিনার পুত্র ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ১৯টি। হাসিনার কন্যা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে চারটি এবং হাসিনার ভাইপো মুজিব সিদ্দিক ববির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে একটি।

    টার্গেট করা হয় হাসিনা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের

    হাসিনা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন যাঁরা, তাঁদেরকেও ব্যাপকভাবে টার্গেট করা হতে থাকে। তাঁদের ওপর যেমন হামলা চলতে থাকে, একইভাবে তাঁদেরকে মিথ্যা মামলাতেও ফাঁসানো হয়। বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আসাদুজ্জামান খান, তাঁর বিরুদ্ধে জামাত-বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা মামলা দায়ের করেছেন ১৯৯টি। আসাদুজ্জামান খানের পরেই রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ১৬৯টি। অন্যদিকে বিদেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ৭২টি। বাংলাদেশের হাসিনা সরকারের আমলে আইনমন্ত্রী থাকা আনিসুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ৫৯টি। 

    টার্গেট করা হয় ছাত্র নেতাদের

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ আরাফাত, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় ৫৪টি। অন্যদিকে, প্রাক্তন ডাক বিভাগের মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় ৪৪টি। ঢাকা সাউথ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন শেখ ফাজাল নূর তাপস, তাঁর বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকা উত্তর শহরের মেয়র মহম্মদ আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কুড়িটি মামলা দায়ের করা হয়। আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের নাম ছাত্রলিগ। সংগঠনের বাংলাদেশের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং তার সম্পাদক শেখ ওয়ালিয়াসিফ ইনান, তাদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ৩১টি ও ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hezbollah: হিজবুল্লার ওপর নজরদারি ইজরায়েলের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক মোসাদের! কী কী তথ্য প্রকাশ্যে এল?

    Hezbollah: হিজবুল্লার ওপর নজরদারি ইজরায়েলের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক মোসাদের! কী কী তথ্য প্রকাশ্যে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিজবুল্লার একজন সিনিয়র কমান্ডারের চারজন উপপত্নী ছিল। চারজনকেই তিনি ফোনে বিয়ে করেছিলেন। ইজরায়েলের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক মোসাদ লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর নজরদারির সময় এই তথ্য জানতে পেরেছিল। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজবুল্লার (Hezbollah) সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ফুয়াদ শুকর, একবারে চারজন মহিলাকে ঠকানোর জন্য তাঁর মধ্যে এক “অপরাধ” বোধ কাজ করেছিল। পরে, তাঁদের বিয়ে করার জন্য তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

    হিজবুল্লাকে নিয়ে কী বলল মোসাদ? (Hezbollah)

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুকর তাঁর পরিস্থিতি সম্পর্কে অস্বস্তি বোধ করেন। তিনি হিজবুল্লার (Hezbollah) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হাশেম সফিউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন – যিনি অক্টোবরে একটি বিমান হামলায় নিহত হন। মোসাদ প্রকাশ করেছে যে সফিউদ্দিন শুকরকে তার চার উপপত্নীর সঙ্গে বিয়ে করতে বলেছিলেন। সফিউদ্দিনের পরামর্শে তার জন্য চারটি পৃথক ফোনভিত্তিক বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহিলারা কোথায় থাকতেন এবং ফোন কলগুলি কোথায় হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। মোসাদ কয়েক দশক ধরে হিজবুল্লা কমান্ডারদের সম্পর্কে জাগতিক এবং ঘনিষ্ঠ বিবরণ সংগ্রহ করেছে। শুকর ২০০৬ সালের যুদ্ধের শেষের পর থেকে ইজরায়েল দ্বারা ট্র্যাক করা শত শত হিজবুল্লা কমান্ডারদের মধ্যে একজন ছিলেন। জুলাই মাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তিনি ইজরায়েলের মূল লক্ষ্য হয়ে ওঠেন, যেখানে কয়েক ডজন ইজরায়েলি নিহত হয়েছিল। জুলাই মাসে শুকর একটি ফোন কল পেয়েছিলেন, যা তার গোপন লুকানোর জায়গাটি প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তাকে কিছুক্ষণ পরেই হত্যা করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে একটি আমেরিকান সেনা ব্যারাকে বোমা হামলার পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন শুকর, যেখানে ২৪১ আমেরিকান সেনা নিহত হয়।

    আরও পড়ুন: অসমে কয়েক দশকের গড়ে ধস, কংগ্রেসকে ধরাশায়ী বিজেপির তরুণ তুর্কি দীপলুর

    নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইজরায়েলের সঙ্গে গাজায় হামাসের যুদ্ধ শুরু হয়। পরে, মধ্যপ্রাচ্যে সেই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সেই যুদ্ধে লেবাননের ইরান সমর্থিত হিজবুল্লা (Hezbollah) যোগ দেয়। যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে, ইজরায়েলের সরকার হিজবুল্লার বিরুদ্ধে একটি “উত্তর ফ্রন্ট” খোলার বিযয় নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel: ইজরায়েলে ১৬০০০ ভারতীয় শ্রমিককে নির্মাণ কাজে প্রবেশের অনুমতি, ঢুকতে বাধা ফিলিস্তিনিদের

    Israel: ইজরায়েলে ১৬০০০ ভারতীয় শ্রমিককে নির্মাণ কাজে প্রবেশের অনুমতি, ঢুকতে বাধা ফিলিস্তিনিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে (Israel) ১৬০০০ ভারতীয় শ্রমিককে (Indian worker) নির্মাণ কাজের জন্য প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে ফিলিস্তিনিদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে এই ইহুদি দেশে। উল্লেখ্য গত ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে ইসলামী জঙ্গি সংগঠন হামাস, ফিলিস্তিনির মাটি ব্যবহার করে আচমকা ইজরায়েলের উপর আক্রমণ করেছিল। প্রচুর নারী, শিশু এবং সাধারণ নাগরিককে অকাতরে হত্যা করেছিল ঘাতক জঙ্গিরা। একই ভাবে ২০০ জনের বেশি নাগরিককে অপহরণ করেছিল হামাস। সেই থেকে দুই দেশের মধ্যে বিবাদ ব্যাপক আকার নিয়েছে। ইহুদি সেনার লাগাতার হামলায় ফিলিস্তিনিতে থাকা একাধিক হামাসের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মুসলিম শ্রমিকদের প্রবেশাধিকারে প্রতিবন্ধকতা

    ইজরায়েলের (Israel) ইয়াকভ শহরের নতুন নতুন ভবন নির্মাণে ভারতীয় শ্রমিকদের (Indian worker) কাজ লাগানো হচ্ছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা বেল্ট, হেলমেট, হাতুড়ি এবং কাজের জুতো পরা রাজু নিষাদ নামক এক ভারতীয়দের দেখা গিয়েছে। হামাসের আক্রমণের আগে এই এলাকায় নির্মাণ কাজে বিশেষ করে উঁচু টাওয়ার, বাড়িঘর, রাস্তা এবং ফুটপাথের কাজে প্রচুর আরবি ভাষার কথা বলা শ্রমিকদের ভিড় ছিল। বলার অপেক্ষা রাখে না এখানে মুসলিম ধর্মের শ্রমিকরা কাজ করত বেশি পরিমাণে, কিন্তু এই জায়গায় বর্তমানে হিন্দি, হিব্রু ভাষার শ্রমিকদের আধিক্য বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সুতরাং রাজনীতির বিশেজ্ঞদের অনেকই মনে করছেন এবার ইজরায়েল তাদের দেশে নির্মাণ শিল্পে আরবী ভাষায় কথা বলা মুসলিম শ্রমিকদের প্রবেশাধিকারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে।

    আরও পড়ুনঃ বাইরের কেউ দেখলে অশ্লীলতা! মেয়েদের ঘরের জানলা পুরোপুরি বন্ধ করার নিদান দিল তালিবান

    বাড়ি নির্মাণের কাজে আয় অনেক বেশি

    ভারতীয় হিন্দি ভাষায় কথা বলা শ্রমিক রাজু নিশাদ (Indian worker) জানিয়েছেন, “এখানে এখন ভয়ের কিছু নেই। তবে বিমান হামলার (Israel) ভয় ছিল একটা সময়ে। বিপদ জনক মনে হলে সাইরেন বাজানো হয়, কাজ বন্ধ রাখি তখন আবার সাইরেন বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের কাজ শুরু হয়। সতর্কতা অবলম্বন করে কাজ করতে হচ্ছে। এখানে বাড়ি নির্মাণের কাজে আয় অনেক বেশি। আর এই জন্য অনেক ভারতীয়রা এখানে এসে কাজ করছেন। এই আয় আমাদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের জন্য ব্যবহার করার কাজে হবে।”

    বিরাট কাজের বাজার এখন ইজরায়েল!

    জানা গিয়েছে, কাজের জন্য ভারত থেকে গত ১ বছরে ১৬০০০ কর্মীরা এখন কাজ করছেন এই ইহুদিদের (Israel) দেশে। গত কয়েক দশক ধরে ইজরায়েলে হাজার হাজার মানুষ বয়স্ক লোকেদের দেখাশোনার কাজে এসে কাজ করে থাকেন। একই ভাবে প্রচুর হীরা ব্যবসায়ী, আইটি পেশাদারি কাজে অনেক লোক যুক্ত রয়েছেন, কিন্তু গাজায় যুদ্ধ চলার পর থেকেই একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আবার দিল্লি-ভিত্তিক ডায়নামিক স্টাফিং সার্ভিসেসের চেয়ারম্যান সমীর খোসলা বলেন, “৫০০০০০ ভারতীয়কে ৩০টিরও বেশি দেশে কাজ করার জন্য পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত ৩৫০০ এরও বেশি কর্মীকে ইজরায়েলে (Israel) গিয়েছেন। ওখানে একটি নতুন কাজের বাজার তৈরি হয়েছে।”

    আরও জানা গিয়েছে তেল আবিবে ভারতীয়রা (Indian worker) রান্নার কাজে অনেকে কাজ করে থাকেন। হামাসের হামলার আগে ৮০০০০০ ফিলিস্তিনি নির্মাণ কাজে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। বর্তমানে ৩০০০০ বিদেশি কর্মীরা কর্মরত রয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taliban: বাইরের কেউ দেখলে অশ্লীলতা! মেয়েদের ঘরের জানলা পুরোপুরি বন্ধ করার নিদান দিল তালিবান

    Taliban: বাইরের কেউ দেখলে অশ্লীলতা! মেয়েদের ঘরের জানলা পুরোপুরি বন্ধ করার নিদান দিল তালিবান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির ভিতরে গৃহস্থালি কর্মে থাকা মহিলাদের দেখা অশালীন কাজ! এমন অদ্ভুত যুক্তি দিয়ে এবার আফগানিস্তানে মেয়েদের ঘর এবং বাইরের জানলা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার নিদান দিল তালিবান সরকার (Taliban)। সম্প্রতি তালিবানি নির্দেশে এই ধরনের জানলা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। এমন নির্দেশ সামনে আসতেই ফের শুরু হয়েছে বিতর্ক। তালিবানের (Taliban) যুক্তি, বাড়ির ভিতরে কাজ করতে থাকা কোনও মহিলাকে বাইরে থেকে দেখলেও অশ্লীল কাজকর্ম হতে পারে। রাস্তা থেকে কোনও মহিলাকে রান্না করতে দেখলে, জল তুলতে দেখলে বা ঘরের অন্যান্য কাজ করতে দেখলে পুরুষরা আকৃষ্ট হতেই পারেন, এধরনের আকর্ষণ নাকি তালিবানের মতে অশালীন কাজের মধ্যে পড়ে। তাই এইসব জায়গায় জানলা রাখা যাবে না। ওই নির্দেশে আরও জানানো হয়েছে, নতুন বাড়ি করলে কোনওরকম জানলাই রাখা যাবে না, পুরনো বাড়ি হলে জানলা বন্ধ করে দিতে হবে।

    জানলা বন্ধের কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে তালিবানরা (Taliban)

    স্পষ্টভাবে তাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাড়ির রান্নাঘর, প্রতিবেশীর দেওয়াল এবং মেয়েদের ঘরে জানলা থাকলে তা তাড়াতাড়ি বুজিয়ে দিতে হবে। এখানেই শেষ নয় গোটা বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে তালিবান সরকার (Afgan Women)। জানলা বন্ধের কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে তালিবানরা, এমনটাও জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

    আরও পড়ুন: অবৈধভাবে ভারতে থাকার জন্য ১৩ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র এটিএস

    ডিসেম্বরে এল জানলা বন্ধের ফতোয়া

    প্রসঙ্গত, মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়তেই ২০২১ সালের ১৫ অগাস্ট ফের একবার ক্ষমতায় আসে তালিবানরা (Taliban)। তারপর থেকেই মেয়েদের বিরুদ্ধে একাধিক ফতোয়া জারি করতে দেখা গিয়েছে। কয়েক মাস আগে নতুন নিয়ম করে তালিবান জানিয়েছিল, এক মহিলার কথা অন্য মহিলা শুনতে পারবেন না। পুরুষদের সামনে বা তাঁদের সঙ্গে জোরে কথা বলা আগেই বারণ ছিল। এরপর ডিসেম্বরে ফের এল জানলা বন্ধের ফতোয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jimmy Carter: প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০০ বছর

    Jimmy Carter: প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১০০ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রয়াত হলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার (Jimmy Carter)। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US president) ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন জিমি। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই নিজের শততম জন্মদিন পালন করেছিলেন জিমি কার্টার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি জর্জিয়া প্রদেশের গভর্নর ছিলেন বলে জানা যায়। তার আগে জর্জিয়া স্টেট সেনেটেরও সদস্য ছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত প্রায় সাড়ে চার দশকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জারি রেখেছিলেন। এই কারণে গত ২০০২ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারও পেয়েছিলেন।

    জিমি কার্টারের (Jimmy Carter) ছেলের বিবৃতি

    ১৯৪৬ সালে রোজালিন স্মিথের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জিমি কার্টারের। ২০২৩ সালের নভেম্বরেই তাঁর স্ত্রী প্রয়াত হন। আর তার ১১ মাসের মধ্যেই প্রয়াত হলেন জিমি। এক বিবৃতিতে জিমি কার্টারের ছেলে চিপ কার্টার বলেন, ‘‘আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছেই নন, যাঁরা শান্তি, মানবাধিকার এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন, এমন সবার কাছেই তিনি নায়ক ছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ইজরায়েল এবং মিশরের মধ্যকার যুদ্ধ থামাতে পেরেছিলেন কার্টার।

    কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন

    এদিকে জিমি কার্টারের (Jimmy Carter) প্রয়াণে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সহ বহু নেতাই শোক জ্ঞাপন করেছেন। জিমি কার্টারের স্বাক্ষরিত তাঁদের একটি ছবি পোস্ট করে বাইডেন লেখেন, ‘‘৬ দশক ধরে জিমি কার্টারকে বন্ধু বলে ডাকার সৌভাগ্য পেয়েছি জিল এবং আমি। তবে জিমির সবথেকে বড় কৃতিত্ব ছিল, আমেরিকা এবং গোটা বিশ্বে এমন কয়েক লাখ লোক হবে, যাঁরা কখনও জিমির সঙ্গে দেখা করেননি, তাও তাঁরা মনে করতেন জিমি তাঁদের বন্ধু।’’ প্রসঙ্গত, জিমি এক মেয়াদেই প্রেসিডেন্ট থাকতে পেরেছিলেন। প্রেসিডেন্ট পদ খোয়ানোর পরও বিশ্ব রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব ছিল যথেষ্ঠ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis15: অশান্ত বাংলাদেশে মৌলবাদীদের অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি তৃতীয় লিঙ্গরা! বেড়েছে বন্দিমৃত্যুও

    Bangladesh Crisis15: অশান্ত বাংলাদেশে মৌলবাদীদের অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি তৃতীয় লিঙ্গরা! বেড়েছে বন্দিমৃত্যুও

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ তৃতীয় পর্ব।

     

     আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব -৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis15) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই শুরু হয় অরাজকতা। ইউনূসের অনাচারের রাজত্বে বাংলাদেশে বেড়েই চলে অত্যাচার। মহিলাদের ধর্ষণ-গণধর্ষণ তো রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি বাদ যায়নি (Targeting Minority) তৃতীয় লিঙ্গের ওপরেও অত্যাচারের ঘটনা। একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানকার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজন বিক্ষোভে নামেন নিরাপত্তার দাবিতে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের এই বিক্ষোভগুলির খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন আকারেও প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের দিনাজপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, কক্সবাজার প্রভৃতি এলাকাতে চলে এই নির্যাতন। এর পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনকে খুন করার খবরও সামনে আসে। তাঁদেরকে নানাভাবে হেনস্তা করতে থাকে মৌলবাদীরা। তাঁদের সম্পত্তি লুট করা, ভাঙচুর করার খবরও প্রকাশিত (Bangladesh Crisis15) হয়। শুধু তাই নয়, সেখানকার মৌলবাদীরা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনকে কোনও রকম অধিকার দেওয়ার বিপক্ষেই সরব হয়েছেন বারবার। মৌলবাদীদের দাবি ছিল, শিক্ষা থেকে চাকরি-কোথাও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সংরক্ষণ দেওয়া চলবে না।

    বেড়েছে বন্দিমৃত্যুর সংখ্যা

    একই সঙ্গে হাসিনা সরকারের (Bangladesh Crisis15) পতনের পর থেকেই পুলিশ ও জেল হেফাজতে একের পর এক বন্দির মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতে থাকে। ইউনূস সরকারের এমন অরাজকতায় প্রশ্নের মুখে পড়ে মানবাধিকার। বারবার আন্তর্জাতিক স্তরেও সমালোচিত হতে হয় ইউনূস সরকারকে। তবে তাতে কি! বন্দিমৃত্যুর তদন্ত তো দূরের কথা, সামান্য বিবৃতি পর্যন্তও দেয়নি ইউনূস সরকার। হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক পর পরেই দুইজন জেলবন্দির মৃত্যু হয়। একজন এলাহি সিকদার এবং অপরজন আলিজ্জামান চৌধুরী। দুজনেই বন্দি ছিলেন গোপালগঞ্জের জেলা সংশোধনাগারে।

    বন্দিমৃত্যুর একাধিক ঘটনা

    প্রসঙ্গত এই বন্দিদের (Bangladesh Crisis15) বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাঁরা বাংলাদেশের সেনার ওপরে হামলা করেছেন এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়েছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের কারাগারের এক বন্দি গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে মারা যান। অন্যদিকে, সেখানেই দুইজন বন্দিকে যখন বাংলাদেশের পুলিশ পাকড়াও করে, তখনই তাঁদের ওপর এতটাই নির্যাতন করা হয় যে তাঁরা মারা যান। অন্যদিকে, সম্প্রতি জেল হেফাজতে আরও দুই বন্দির মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। একজন হলেন সোহরাব হোসেন আপেল, অন্যজন হলেন শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের আর এক বন্দি শেখ আরিফুজ্জামান রুপমকে বাংলাদেশের পুলিশ গ্রেফতার করার সময়ই মৌলবাদীরা গণপিটুনি দিতে শুরু করে। এই ধরনের একাধিক ঘটনা বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলি তুলে ধরতে থাকে। সে দেশের বেশ কিছু সাহসী সংবাদমাধ্যম এগুলি এ নিয়ে খবরও করতে থাকে। আন্তর্জাতিক স্তরেও চর্চা শুরু হয় বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে।

    সেনাকে বিশেষ ক্ষমতা

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পরেই ইউনূস সরকার সে দেশের সেনাকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেশন ক্ষমতা প্রদান করে। সরকারের এমন পদক্ষেপ কড়াভাবে সমালোচিত হয় বাংলাদেশের সর্বত্র। নানা ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর সামনে আসে। যেমন চট্টগ্রামের সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ইসকন ভক্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালানোর। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সেনাকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেশনের ক্ষমতা প্রদানের ধারণা ইউনূসের নিজের নয়। ২০০১ সালে বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিল বিএনপি এবং জামাতের নেতৃত্বাধীন জোট। তখনই তারা দাবি জানাত, এই স্পেশাল মিলিটারি ম্যাজিস্ট্রেশন পাওয়ারের। কিন্তু যখনই সেনার ক্ষমতা বৃদ্ধির এমন প্রস্তাব বিএনপি দিত, তখনই তার প্রতিবাদ করত আওয়ামি লিগ। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে ক্ষমতায় রয়েছে বিএনপি-জামাতের বন্ধু ইউনূস সরকার। ইউনূসের প্রাণভোমরা রয়েছে খালেদা জিয়ার দলের কাছেই। মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে (Targeting Minority) খুশি করতে তাই তাদের মতোই চলতে হচ্ছে ইউনূসকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taliban: যুদ্ধ কি আসন্ন? পাকিস্তানের সীমান্তের দিকে এগোচ্ছে ১৫ হাজার তালিবানি সেনা

    Taliban: যুদ্ধ কি আসন্ন? পাকিস্তানের সীমান্তের দিকে এগোচ্ছে ১৫ হাজার তালিবানি সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামলা ও পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাক-আফগান সীমান্ত (Afghanistan)। পাকিস্তানি বায়ুসেনার হামলার জবাব দিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবানরা (Taliban)। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, তালিবানি হামলায় পাকিস্তানের সীমান্তে ১৯ জন পাকসেনার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, পাক হামলায় আফগানিস্তানে তিনজন সাধারণ নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে। পাকিস্তানের ওপর হামলা নিয়ে এক বিবৃতিতে তালিবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র এনায়তোল্লা খোয়ারাজামি বলেন, ‘‘কাল্পনিক সীমান্তের ও-পারে আকাশ-পথে অভিযান চালিয়েছে আমাদের বাহিনী। আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হয়েছে সেখানে।’’

    পাকিস্তানি সেনা ছাউনিতে আগুনও লাগিয়ে দিয়েছে তালিবানরা (Taliban)

    জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের তালিবান (Taliban) সেনারা সীমান্তে বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি সেনা ছাউনিতে আগুনও লাগিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, দুটি পাকিস্তানি পোস্টও দখল করে নিয়েছে আফগান বাহিনী, এমনটাই খবর। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাতে আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলার পরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাক হামলায় পাকতিকা প্রদেশে নারী ও শিশু সহ ৫১ জন নিহত হয় বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তান জানায়, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল, তেহরিক-ই-তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠীর ঘাঁটি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি। কারণ, তাদের দেশে অশান্তি আর সন্ত্রাস ছড়ানোর পিছনে রয়েছে তালিবান মদতপুষ্ট এই জঙ্গি গোষ্ঠীরই হাত। 

    ১৫ হাজার তালিবান সেনা এগোচ্ছে পাক সীমান্তের দিকে

    গত মঙ্গলবারের পাক হামলার ঠিক চার দিনের মাথায় পাল্টা পাক সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় হামলা চালাল তালিবানরা (Taliban)। একইসঙ্গে তালিবানরা সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। পাক সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয়েছে, অন্তত ১৫ হাজার তালিবানি সেনা হেরাট, কন্দহর, কাবুলের মতো এলাকা থেকে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমের প্রত্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মির আলি সীমান্তের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক এই আবহে আগামী কয়েক দিনে দুই দেশের সীমান্তের পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    আরও পড়ুন: কাজাখস্তানের পরে দক্ষিণ কোরিয়া, ১৮১ জনকে নিয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, মৃত অন্তত ৬২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Plane Crash: কাজাখস্তানের পরে দক্ষিণ কোরিয়া, ১৮১ জনকে নিয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, জীবিত মাত্র ২!

    Plane Crash: কাজাখস্তানের পরে দক্ষিণ কোরিয়া, ১৮১ জনকে নিয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, জীবিত মাত্র ২!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজাখস্থানের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়া! ভেঙে পড়ল বিমান (Plane Crash)। দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান নামের একটি বিমানবন্দরে ১৮১ জনকে নিয়ে এই বিমান ভেঙে পড়ে। জানা গিয়েছে, বিমানটি ঠিক মাটি ছোঁয়ার আগেই রানওয়ের ওপরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন পাইলট (South Korea Flight)। তখনই একটি দেওয়ালের সঙ্গে ধাক্কা খায় বিমানটি। মুহূর্তের মধ্যে তাতে আগুন ধরে যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা গিয়েছে, ওই বিমানের ১৭৯ জনেরই মৃত্যুর হয়েছে। বেঁচে ফিরেছেন মাত্র ২ জন। প্রসঙ্গত, ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৫ জন ছিলেন যাত্রী ও বাকি ৬ জন বিমানকর্মী।

    ব্যাঙ্কক থেকে মুয়ান শহরে আসছিল বিমানটি (Plane Crash)

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার এই বিমান ব্যাঙ্কক থেকে মুয়ান শহরে আসছিল। রবিবারে মুয়ান বিমানবন্দরে অবতরণের (Plane Crash) সময় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা গিয়েছে, বিমানের আগুন নেভানো হয়েছে। দুর্ঘটনার ছবি ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যম জুড়ে। মুয়ান বিমানবন্দরের আকাশেও দেখা যাচ্ছে একেবারে কালো ধোঁয়া। 

    জরুরি বৈঠকে সরকার (Plane Crash)

    বিমান দুর্ঘটনার খবর পেতেই দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার জরুরি বৈঠকে বসেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৭৯ জনের মৃত্যুর খবর সেদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে মিলেছে। সেখানকার দমকলকর্মী বা উদ্ধারকর্মীরা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃতের সংখ্যা জানায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kazakhstan Plane Crash: পরোক্ষে দোষ স্বীকার! কাজাখস্তানে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন পুতিন

    Kazakhstan Plane Crash: পরোক্ষে দোষ স্বীকার! কাজাখস্তানে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজাখস্তানে (Kazakhstan Plane Crash) বিমান দুর্ঘটনায় রাশিয়ার দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। কোনও কোনও মহলের মতে, মস্কোর ছোড়া মিসাইল হামলায় ভেঙে পড়ে আজারবাইজান এয়ারলাইনসের বিমান। যদিও রাশিয়া গত বৃহস্পতিবারই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে এবার প্রতিক্রিয়া এল খোদ সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Putin) কাছ থেকে। এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইলেন তিনি। আজারবাইজান এয়ারলাইনস আগেই জানিয়েছিল, বহিরাগত কোনও কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে রাশিয়ার তরফ থেকে ক্ষমা চাওয়া হল এই ঘটনার জন্য। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! তবে কি ক্ষমা চেয়ে রাশিয়া নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ পরোক্ষভাবে স্বীকার করে নিল।

    কী বলা হল রাশিয়ার তরফ থেকে (Kazakhstan Plane Crash)?

    রাশিয়ার তরফ (Kazakhstan Plane Crash) থেকে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই ঘটনায় শোকাহত। রাশিয়ার আকাশসীমার মধ্যে বিমান ভেঙে পড়ায় তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। প্রসঙ্গত, ওই বিমানটি বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রোজনিতে যাচ্ছিল। মাঝপথে কোনও এক কারণে তা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এদিকে রাশিয়া গত বৃহস্পতিবার স্পষ্টত জানিয়ে দেয়, বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে তাই আগে থেকে যেন কেউ কিছু কল্পনা না করে ফেলেন। কেউ কেউ এখনই বিষয়টি নিয়ে নানারকম দাবি করছেন, সেগুলি ঠিক নয়। প্রসঙ্গত, আজারবাইজান প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কাজাখস্তান প্রশাসনও আলাদাভাবে ঘটনার তদন্ত করছে।

    কোনও দাবিরই অকাট্য প্রমাণ মেলেনি

    বিমানটিতে (Russia) ৩৭ জন আজারবাইজানের, ১৬ জন রাশিয়ার, ৬ জন কাজাখস্তানের এবং ৩ জন কিরগিস্তানের বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আকতাউ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি আকাশের মাঝপথ থেকেই ক্রমশ নীচের দিকে নামতে শুরু করে এবং তাতে আগুন লেগে যায়। প্রাথমিক অনুমান, কুয়াশার কারণে হয়তো পাইলট দিকভ্রষ্ট হয়েছিলেন। যার ফলে তিনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। আবার কেউ কেউ মনে করেছেন পাখির ঝাঁকের সঙ্গে কোনওভাবে ধাক্কা লেগেছিল বিমানটির। তাতেই কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি তৈরি হয়। এছাড়া বিমানের ইঞ্জিনেও কোনও সমস্যা থাকতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে কোনও দাবিরই (Azerbaijan Airlines) অকাট্য কোনও প্রমাণ মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis13: অগাস্টেই শুরু হয় অনাচার, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা!

    Bangladesh Crisis13: অগাস্টেই শুরু হয় অনাচার, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা!

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ প্রথম পর্ব।

     

     আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব -১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৫ অগাস্ট বিএনপি ও জামাতের ষড়যন্ত্রে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা (Bangladesh Crisis 1)। দখল হয় গণভবন। এরপর থেকেই বাংলাদেশে নেমে আসে অরাজকতা। ইউনূস সরকারের আমলে কার্যত জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয় বাংলাদেশ। বেড়ে যায় গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা। হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক পরেই দুজন ছাত্রনেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। যাঁদের মধ্যে একজন হলেন তোফাজ্জল হোসেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কাঠালতোড়ি ইউনিয়নের পাথরঘাটার উপজেলার বরগুনার বাসিন্দা। তোফাজ্জলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মধ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আরেকজন হলেন শামিম আহমেদ। যাঁর অপর নাম শামিম মোল্লা। তাঁকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলিগের নেতা ছিলেন শামিম। বিএনপি-জামাতের কাছে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হতেই এমন আক্রমণ নেমে আসে।

    কী বলছে সেদেশের সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্ট?

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিও সরব হয় গণপিটুনির ঘটনায়। একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট সামনে আসে। বাংলাদেশের (Targeting Minority) জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই ৩৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অপর এক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার তাদের রিপোর্টে জানাচ্ছে যে হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫৩টি ঘটনা ঘটেছে গণপিটুনির, যার মধ্যে ৪৪টিতেই মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে অপর এক সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, অগাস্টের ৫ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ৪৪টি গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২১টি সংঘটিত হয়েছে অগাস্ট মাসে। বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে সেপ্টেম্বর মাসেই গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার সংখ্যা ২০। অক্টোবর মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬।

    জেলায়-জেলায় পরিসংখ্যান (Bangladesh Crisis 1)

    বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদসংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজধানী ঢাকাতে হাসিনা সরকারের পতনের ৩৮ দিনের মাথায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে গণপিটুনিতে।

    দিনাজপুর জেলায় তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে অগাস্ট মাসের ১১ তারিখ। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখেও ওই জেলায় তিনজন গণপিটুনিতে মারা যান।

    বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় ৩১ অগাস্ট একজনকে ও ১৮ সেপ্টেম্বর অন্য একজনের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে।

    রাজশাহী জেলাতে প্রাক্তন ছাত্রলিগের নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৭ সেপ্টেম্বর।

    চট্টগ্রামে একজন স্থানীয় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলাতে একজন বয়স্ক মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় সেপ্টেম্বর মাসে।

    বাংলাদেশের খুলনাতে ৪০ বছর বয়স্ক একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৪ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলাতে একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১২ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের গাজীপুর ও বরিশালে দুজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে হত্যা করার অগাস্টে, অপরজনকে সেপ্টেম্বরে।

    বাংলাদেশের নাটোরে ৩৬ বছর বয়সি একজন পুরুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ২ অগাস্ট।

    বাংলাদেশের টাঙ্গাইল ও খাগড়াছাড়িতেও গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর অন্যদিকে অপরজনকে খাগড়াছাড়িতে হত্যা করা হয় ১৮ সেপ্টেম্বর।

    গণপিটুনির কারণ কী কী? (Bangladesh Crisis 1)

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এই ধরনের গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার একাধিক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হল-

    রাজনৈতিক কারণ

    প্রসঙ্গত, ৫ অগাস্ট বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পরেই আওয়ামি লিগের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের ওপর ব্যাপক সন্ত্রাস নেমে আসে। বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদেরকে টার্গেট করতে থাকে বাংলাদেশের মৌলবাদী তথা বিএনপি-জামাতের নেতৃত্ব।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    জামাত-বিএনপি নেতৃত্বে বাংলাদেশের মসনদ দখল হওয়া মাত্রই সে দেশে জঙ্গলের রাজত্ব শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি নজরে আসতে থাকে। সে দেশে প্রশাসন বলে আর কিছুই বাকি ছিল না, যখন হাসিনা সরকারকে পদচ্যুত করা হয়। এই অবস্থায় সুযোগ নিতে শুরু করে বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন ও বিএনপি জামাতের মতো রাজনৈতিক দলগুলি।

    গুজব (Bangladesh Crisis 1)

    গুজব একটা বড়সড় কারণ গণপিটুনিতে হত্যার। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে ব্যাপক গুজব ছড়ানো হয় এবং এতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশে হিংসা এবং গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share