Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Germany: জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে গাড়ি হামলার ঘটনায় আহত ৭ ভারতীয়

    Germany: জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে গাড়ি হামলার ঘটনায় আহত ৭ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির (Germany) ক্রিসমাস মার্কেটে সৌদি আরবের চিকিৎসকের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই হামলায় মোট সাতজন ভারতীয় আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জার্মান প্রশাসন (Christmas Market Attack)। অন্যদিকে, ভারতীয় দূতাবাস আহত ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    এনিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘জার্মানির (Germany) ক্রিসমাস মার্কেটে ভয়াবহ যে হামলা ঘটেছে তাতে অনেক মূল্যবান জীবন নষ্ট হয়েছে। এই হামলায় অনেকেই আহত হয়েছেন। আমরা দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি আহতদের। আমাদের মিশন হল সেই সমস্ত ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা, যাঁরা এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাঁদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি আমরা। সমস্ত ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা তাঁদেরকে প্রদান করা হবে।’’ অন্যদিকে এই ঘটনায় ২০৫ জন আহত হয়েছেন (Germany) বলে জানা গিয়েছে। আহতদের ১৫টি আলাদা আলাদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন

    ইতিমধ্যে প্রশাসন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে। ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন। প্রসঙ্গত, মর্মান্তিক ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত হামলাকারির গাড়িতে কোনও রকমের বিস্ফোরক পায়নি। তবে জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে। একটি তদন্তকারী দলকে ইতিমধ্যে বার্নবার্গ শহরে (Germany) পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেখানেই তালেব আল আবদুল মহসেন থাকতেন। তালেব পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি জার্মানিতে চলে আসেন ২০০৬ সালে। এরপরে জার্মানিতে তাঁকে উদ্বাস্তুর স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। সেখানেই তিনি স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন। তবে এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। আট বছর আগে ২০১৬ সালে তিউনেশিয়ার একজন অনুপ্রবেশকারী আনিস আমরি বার্লিনের একটি খ্রিস্টান বাজারে একইভাবে ট্রাক চালিয়েছিলেন এবং ১২ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছিলেন। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! আশ্রয় নিয়েও উদ্বাস্তুরা জেহাদি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লাগল?” কুয়েতে প্রশ্ন মোদির

    PM Modi: “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লাগল?” কুয়েতে প্রশ্ন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামায়ণ-মহাভারতের আরবি অনুবাদকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার বিশ্বশ্রুত এই দুই মহাকাব্যের আরবি সংস্করণের প্রকাশকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ (Kuwait) করেন তিনি। পরে দুটি বইয়ে স্বাক্ষরও করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর উচ্ছ্বসিত কুয়েতের প্রশাসক এবং অনুবাদকও।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন (PM Modi)

    দু’দিনের সফরে কুয়েত গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কুয়েত প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। দেখা করবেন সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। শনিবার কুয়েতে পা রাখার পর প্রধানমন্ত্রী দেখা করেন রামায়ণ-মহাভারতের আরবি অনুবাদক আবদুল্লা বারন ও প্রকাশক আবদুল্লাতিফ আলনেসেফের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লেগেছে?” তাঁরা জানান, দু’বছর আট মাস। প্রকাশক বলেন, “আমি খুব খুশি। এটা আমার কাছে সম্মানের। এই দুটো বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উনি (মোদি) দুটি বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন।” অনুবাদক বলেন, “এই দুটি গ্রন্থের মাধ্যমে আমরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করেছি।”

    শতায়ু প্রাক্তন ফরেন সার্ভিসেস অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    প্রসঙ্গত, রামায়ণ ও মহাভারত আরবি ভাষায় অনুবাদ হওয়ার খবর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) স্বয়ং। এদিকে, এদিন প্রধানমন্ত্রী দেখা করলেন ১০১ বছর বয়সী প্রাক্তন ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস অফিসার মঙ্গল সাঁই হান্ডার সঙ্গে। হান্ডার নাতনি শ্রেয়া জুনেজা সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে তাঁর ঠাকুর্দার সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কথা দিয়েছিলেন, তিনি কুয়েত পৌঁছেই দেখা করবেন। সেই কথা রাখতেই তিনি গিয়েছিলেন হান্ডার বাড়িতে।

    আরও পড়ুন: সিআইএর ধাঁচে বাংলাদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি গড়ছে আইএসআই!

    এদিন রওনা দেওয়ার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “আজ ও আগামিকাল আমি কুয়েতে থাকব। এই সফর কুয়েতের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও মজবুত করবে। আমি কুয়েতের আমির, যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের অপেক্ষায় রয়েছি। আজ সন্ধ্যায় আমি ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করব এবং আরবিয়ান গালফ কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও (Kuwait) যোগ দেব (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 10: আক্রমণের প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বাংলাদেশের হিন্দুরাও, বিক্ষোভ জাতিসঙ্ঘের সদর দফতরের সামনেও

    Bangladesh Crisis 10: আক্রমণের প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বাংলাদেশের হিন্দুরাও, বিক্ষোভ জাতিসঙ্ঘের সদর দফতরের সামনেও

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ অষ্টম পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্ট মাসের পাঁচ তারিখে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 10) সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন নেমে আসে। এরপর থেকেই হিন্দুদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ শুরু হয়। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই বড় আকারের সমাবেশ করে বাংলাদেশ সম্মিলিত সংখ্যালঘু জোট (Targeting Minority)। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪ অক্টোবর এখানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সমাজের ধর্মীয় নেতারা এবং তাঁরা নিজেদের বক্তব্যে হিন্দু ধর্ম তথা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার নিন্দা করেন এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে সরব হন।

    ১৯ জন হিন্দুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ মামলা (Bangladesh Crisis 10)

    প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দাবি সমেত অন্যান্য আট দফা দাবিতে চট্টগ্রামে এক বিশাল হিন্দু সমাবেশ আয়োজন করে সনাতন জাগরণ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। হিন্দু সমাজের ওই সমাবেশের পরে ফের একের পর এক সম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা শুরু হয়। চট্টগ্রামে অক্টোবর মাসেই বিতর্কিতভাবে দেশদ্রোহী মামলা দায়ের করা হয় ১৯ জন হিন্দুর বিরুদ্ধে। যাঁদের মধ্যে ছিলেন ইস্কন সন্ন্যাসীরাও। অভিযোগ করা হয় যে ইসকনের ওই সন্ন্যাসীরা বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 10) জাতীয় পতাকার ওপরে গৈরিক পতাকা উত্তোলন করেছেন।  

    ২ নভেম্বর সনাতন জাগরণ মঞ্চের সভা

    হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ চলতে থাকে নভেম্বর মাসেও। সেই সময়ও বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 10) একাধিক জায়গায় মন্দিরে-মন্দিরে হামলা, সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িতে লুট, অগ্নি-সংযোগের ঘটনা ঘটতে থাকে। গত ২ নভেম্বর সেখানকার সনাতন জাগরণ মঞ্চ চট্টগ্রামের পার্বত্য এলাকায় সভা করে। চট্টগ্রামের ওই সভার মধ্যে অন্যতম দাবি ছিল, বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হওয়া হামলার বিচার। বিপুল সংখ্যায় হিন্দুরা ওই সমাবেশে যোগদান করে এবং তারা নিরাপত্তা তথা বিচারের দাবিতে গর্জন শুরু করে।

    বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা

    বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর লাগাতার এমন অত্যাচারের ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম সমেত বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 10) জেলায় জেলায় বিক্ষোভের পাশাপাশি, নির্যাতিত হিন্দুদের পাশে দাঁড়াতে গোটা বিশ্বের সনাতনীরা মাঠে নেমে পড়ে। এক ব্যাপক হিন্দু আন্দোলন গড়ে ওঠে সারা বিশ্বজুড়ে। বিশ্বের কমবেশি প্রত্যেকটি দেশেই শুরু হয় প্রতিবাদ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সনাতনীরা হাতে পোস্টার এবং ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে সব থেকে বড় আকারের বিক্ষোভ হয়। বাংলাদেশি হিন্দু বংশোদ্ভুতরা জাতিসঙ্ঘের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। নিউইয়র্কের এই বিক্ষোভে ব্যাপক প্রভাব পড়ে দুনিয়াজুড়ে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য সংবাদমাধ্যমও এই ঘটনাগুলিকে খবরের আকারের প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশ করে। বিক্ষোভ চলতে থাকে মিশিগান, ওয়াশিংটন প্রভৃতি শহরে।

    বিক্ষোভ হোয়াইট হাউসের সামনেও

    অন্যদিকে, হিন্দুরা ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের সামনেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। গোটা দুনিয়ার নজরে আনা হয় বাংলাদেশ সরকারের এমন বর্বরোচিত আচরণ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ দেখা যায় ব্রিটেনেও। সেখানেও দলে দলে হিন্দুরা রাস্তায় নামে। বাংলাদেশের হিন্দুদের বিরুদ্ধে হওয়া আক্রমণের ঘটনায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট বিল্ডিং-এর সামনে বিবিসি হেডকোয়ার্টারের পাশেই বিক্ষোভ চলতে থাকে। একইসঙ্গে বিক্ষোভ দেখানো হয় লন্ডনেও। শুধুমাত্র ব্রিটেন কিংবা আমেরিকা নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও শুরু হয় এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ। অস্ট্রেলিয়াতে ব্যাপক সংখ্যায় হিন্দুরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। সে দেশে বিক্ষোভ চলে মেলবোর্ন অ্যাডিলেড পার্ক প্রভৃতি স্থানে।

    গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় প্রভুকে

    প্রসঙ্গত, মৌলবাদীদের পাশাপাশি সে দেশে প্রশাসনের মদতেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে নির্বিচারে অত্যাচার শুরু হয়। হয়রানি করা হতে থাকে সেখানকার সাধু-সন্ন্যাসীদের। ইসকনের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, যিনি ছিলেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম মুখপাত্র এবং ইসকনের সন্ন্যাসী, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা বিমানবন্দরে চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করা হয় ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ২৫ তারিখ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় দেশদ্রোহিতার এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার। এরপরে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে যেদিন চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হয়, সেদিন ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে। সেখানে নিহত হয় এক আইনজীবী।

    গ্রেফতার চিন্ময় প্রভু, বিক্ষোভ বাংলাদেশজুড়ে 

    চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পরেই বাংলাদেশ জুড়ে আবার ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মধ্যে। দলে দলে হিন্দুরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করতে থাকেন। বিক্ষোভ শুরু হয় চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে। এর পাশাপাশি ঢাকা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, সিলেট, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী প্রত্যেকটি জায়গাতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নামে দলে দলে হিন্দুরা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের ইসকন আনুষ্ঠানিকভাবে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISI: সিআইএর ধাঁচে বাংলাদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি গড়ছে আইএসআই!

    ISI: সিআইএর ধাঁচে বাংলাদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি গড়ছে আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি। কারণ বিভিন্ন পক্ষ এই দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টায় লিপ্ত। বাংলাদেশকে এই ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা আইএসআইয়ের (ISI) কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ এতে তারা শুধু যে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি স্থাপন করতে পারবে তা নয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে হওয়া অপমানের প্রতিশোধও নিতে পারবে কড়ায় গন্ডায়।

    রাষ্ট্রের রাশ কবজা করাই লক্ষ্য (ISI)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের প্রধান হন মহম্মদ ইউনূস। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, এটি একটি সাজানো ছাত্র আন্দোলন। যে আন্দোলনের লক্ষ্যই ছিল হাসিনাকে গদিচ্যুত করে রাষ্ট্রের রাশ কবজা করা। আইএসআইয়ের এই উদ্দশ্যে একশো শতাংশ সফল (ISI)। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, ইউনূস বর্তমানে আইএসআইয়ের হাতের পুতুল। বাংলাদেশে ছাত্রদের এই আন্দোলন নিয়ে সবসময়ই সন্দেহ ছিল। এটি একটি পুরনো কৌশল, যা সিআইএ বহুবার ব্যবহার করেছে। ছাত্রদের দিয়ে সরকার পতনের জন্য এবং পরে কোনও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য। এখন সিআইএর ইউক্রেন কৌশল বাংলাদেশের জন্য ব্যবহার করেছে আইএসআই। মস্কোপন্থী সরকার পতনের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল এই কৌশলই।

    ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি

    ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি নামে একটি নতুন জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরি হচ্ছে, যা ইউনূস-সমর্থিত অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন স্টুডেন্ট মুভমেন্টের (এডিএসএম) নেতারা পরিচালনা করছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে এটি একটি বড় উদ্বেগের কারণ। কেননা, এই গোষ্ঠী সশস্ত্র আন্দোলনের ডাক দেয়। অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন স্টুডেন্ট মুভমেন্ট একটি ইসলামি বিপ্লবী আন্দোলন শুরুর পরিকল্পনা করছে। পৃষ্ঠপোষকতা (Bangladesh) করছেন জর্জ সরোস, বারাক ওবামা, বিল এবং হিলারি ক্লিনটনের মতো মানুষ। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস এঁদের অনুসারী। তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে ক্লিনটন, ওবামা এবং সরোসের। বাংলাদেশের এই ছাত্র আন্দোলনটি একটি সশস্ত্র সংগ্রামে রূপান্তরিত হওয়া শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের পক্ষেও উদ্বেগের। কারণ নয়া এই আন্দোলন পাকিস্তানের আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট।

    বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়ার প্রস্তুতি

    ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন স্টুডেন্ট মুভমেন্ট। নয়া সংগঠনে যোগদানের জন্য বহু যুবককে আহ্বানও জানিয়েছে তারা। নয়া এই গোষ্ঠী তৈরি সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামি উগ্রপন্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয় বই কি! এই গোষ্ঠী গঠিত হলে, অস্থিরতা সৃষ্টি করার কাজে লিপ্ত হতে পারে। যার জেরে এক বিপজ্জনক যুগের সূচনা হতে পারে ভূ-রাজনীতিতে। ইসলামিক বিপ্লবী সেনাবাহিনীর গঠন শেষ হবে এই মাসের শেষের দিকে। এডিএসএমের তরফে আশিকুর রহমান জিম জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে তিন দিনের একটি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হবে। পরে, সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীকে দিয়ে এক মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

    সিআইএর স্ট্র্যাটেজি

    জানা গিয়েছে, নয়া দলটি সিআইএর স্ট্র্যাটেজি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছে। একই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল রাশিয়া-সমর্থিত ইউক্রেন সরকারের অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য। এখানে বিদ্রোহী ছাত্ররা একটি মিলিশিয়া গঠন করেছিল। পরে তাণ্ডব চালিয়ে রাজ্যের পরিকাঠামো ধ্বংস করেছিল। এটি পুলিশ বাহিনী ধ্বংস করার পাশাপাশি ইউক্রেনের রুশভাষী জনগোষ্ঠীকে বিশেষভাবে টার্গেট করেছিল। বাংলাদেশেও আইএসআই একই কাজ করতে চায়। এবং শেষ পর্যন্ত এটিকে পাকিস্তানের মতো একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এর মাধ্যমে আইএসআই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রতিশোধ নিতে চায়। তাছাড়া বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে তা হবে ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে দুঃস্বপ্ন স্বরূপ। এর পাশাপাশি, এই ছাত্র মিলিশিয়া বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের টার্গেট করবে। এরাই অত্যাচার করছে হিন্দুদের ওপর।

    প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব

    জানা গিয়েছে, আইএসআই স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপকে (এসএসজি) এই ছাত্রদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে দুবাই এবং কাতারে বৈঠকও করেছে তারা। এই এসএসজি অতীতে হিজবুল-উত-তাহরিরের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এই মিলিশিয়া একা কাজ করবে না। আপাতত এর ভূমিকা বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আর এসএসজি-প্রশিক্ষিত জঙ্গি গোষ্ঠী হিজব-উত-তাহরির ভারতে হামলা চালাবে। এজন্য সম্প্রতি এসএসজি ৩০০ জন জঙ্গিকে প্রশিক্ষণও দিয়েছে (ISI)।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে ধৃত দুই জঙ্গি মণিরুল-আব্বাস কী কাজ করত? চালচলন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    ইউনূস সরকারের কারণে পাকিস্তানের কাজ সহজ হয়ে গিয়েছে। জঙ্গিদের প্রতিটি দাবিই মেনে নিয়েছে ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের জলসীমা উন্মুক্ত করার ফলে পাকিস্তান সমুদ্রপথে অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়েছে। ইতিমধ্যেই অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারে ব্যবহৃতও হচ্ছে। সমুদ্রপথটি ব্যবহৃত হচ্ছে লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিদের বাংলাদেশে পাঠানোর কাজে। তার জেরেই অশান্তির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। যা ক্রমেই মাথাব্যথার (ISI) কারণ হয়ে উঠছে ভারতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Germany: জঙ্গি যোগ! জার্মানির ভিড় বাজারে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ২ জনকে পিষলেন ‘উদ্বাস্তু’ চিকিৎসক

    Germany: জঙ্গি যোগ! জার্মানির ভিড় বাজারে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ২ জনকে পিষলেন ‘উদ্বাস্তু’ চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জার্মানির (Germany) ম্যাগডেবার্গ শহরে একটি হাড়হিম করা ঘটনা ঘটে। ওই শহরের জনবহুল বাজারে ইচ্ছাকৃতভাবে রুদ্ধশ্বাসে গাড়ি চালিয়ে কয়েকজনকে পিষে দেন সৌদি আরবের এক ডাক্তার। জার্মানির স্থানীয় সংবাদপত্রগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পরিকল্পিত হামলায় কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন। মর্মান্তিকভাবে নিহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এটা কি জার্মানির উদারমনস্ক উদ্বাস্ত নীতির ফল? উঠছে প্রশ্ন।

    ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন

    ইতিমধ্যে সে রাজ্যের স্থানীয় প্রশাসন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে। ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন। প্রসঙ্গত, মর্মান্তিক ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত হামলাকারির গাড়িতে কোনও রকমের বিস্ফোরক পায়নি। তবে জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে। একটি তদন্তকারী দলকে ইতিমধ্যে বার্নবার্গ শহরে (Germany) পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেখানেই তালেব আল আবদুল মহসেন থাকতেন। তালেব পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি জার্মানিতে চলে আসেন ২০০৬ সালে। এরপরে জার্মানিতে তাঁকে উদ্বাস্তুর স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। সেখানেই তিনি স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন।

    ১৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক (Germany)

    হামলার খবর পৌঁছতেই সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল। একশোর বেশি দমকল কর্মী এবং ৫০ জন অন্যান্য উদ্ধারকর্মী উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন। জানা গিয়েছে , আহতদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রসঙ্গত, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবের প্রশাসন এবং সমবেদনা জানিয়েছে নিহত জার্মান নাগরিকদের প্রতি।

    ২০১৬ সালেও একই কায়দায় হামলা চালানো হয়

    গতকালের এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। আট বছর আগে ২০১৬ সালে তিউনেশিয়ার একজন অনুপ্রবেশকারী আনিস আমরি বার্লিনের একটি খ্রিস্টান বাজারে একইভাবে ট্রাক চালিয়েছিলেন এবং ১২ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছিলেন। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! আশ্রয় নিয়েও উদ্বাস্তুরা জেহাদি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

    ম্যাগডেবুর্গ শহরের (Germany) মেয়র সিমোন বোরিসের বিবৃতি 

    এনিয়ে শহরের মুখপাত্র মাইকেল রেইফ বলেন, ‘‘ঘণ্টায় ১৩০ কিমি বেগে টাউন হলের সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভিড়ের মধ্যে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়েছেন অভিযুক্ত।’’ তিনি এও বলেন, ‘‘হামলাকারী একাই ছিলেন। ফলে এই মুহূর্তে নতুন করে হামলার কোনও আশঙ্কা নেই। তবু ঝুঁকি না নিয়ে শহরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।’’ যেখানে হামলা চালানো হয়েছে সেটি ম্যাগডেবার্গ শহরের ক্রিসমাস মার্কেট হিসেবে পরিচিত। বড়দিন উপলক্ষে ইতিমধ্যে আলোতে সেজে উঠেছে ৪০০ মিটার ওই এলাকা। সন্ধ্যায় অনেকেই সেখানে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। খবরে প্রকাশ, একটি কালো রঙের বিএমডব্লু ভাড়া করেন অভিযুক্ত। এরপরই বেপরোয়া গতিতে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে দেন তিনি। যা থেকে তদন্তকারীরা মনে করছেন, পুরোটাই পরিকল্পিত, হামলা চালানোর জন্যই ওই সৌদি ডাক্তার এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ম্যাগডেবুর্গ শহরের মেয়র সিমোন বোরিস বলেছেন, ‘‘আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমি কখনই ভাবতে পারিনি যে ম্যাগডেবুর্গ শহরে এমন একটি ঘটনা ঘটবে।’’

    ২০১৮ সালের সমীক্ষা (Germany)

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে জার্মান (Germany) দেশে একটি সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষায় উঠে আসে যে, সে দেশের চতুর্থ জনবহুল রাজ্য লোয়ার স্যাক্সনিতে অনুপ্রবেশকারীদের কারণেই হিংসাত্মক কার্যকলাপ সব থেকে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই পরিসংখ্যান বলছে ২০০৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে লোয়ার স্যাক্সনিতে অপরাধ ২১.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ আবার ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে যায় অপরাধ। পরিসংখ্যান বলছে, লোয়ার স্যাক্সনি শহরের প্রায় সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি উদ্বাস্তু রয়েছেন এবং তাঁরা জার্মান দেশের নাগরিকত্ব ছাড়াই সেখানে বসবাস করছেন। তথ্য বলছে, ২০১৬ সালের শেষের দিকে, প্রায় ১.৫ লাখ উদ্বাস্ত জার্মান দেশে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছিলেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, লোয়ার স্যাক্সনিতে মোট অপরাধের ৯২.১ শতাংশই উদ্বাস্তুদের কারণে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই বাংলাদেশে, ফের তিন মন্দিরে হামলা, ভাঙা হল ৮ মূর্তি

    Bangladesh: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই বাংলাদেশে, ফের তিন মন্দিরে হামলা, ভাঙা হল ৮ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর হামলা চলছেই। বাদ যাচ্ছে না হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিও। সে দেশে ফের ভাঙা হল মূর্তি। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়মনসিংহ ও দিনাজপুরের তিনটি মন্দিরে হামলা চালিয়ে মোট আটটি মূর্তি ভেঙে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও মৌলবাদীকেই গ্রেফতার করতে পারেনি বাংলাদেশের পুলিশ। শুধুমাত্র  একটি ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটে হামলা (Idols Vandalised)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) জনপ্রিয় সংবাদ সংস্থাগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সে দেশের ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার বন্দেরপাড়ায় স্থানীয় রাধাগোবিন্দ মন্দিরের হামলা চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই মন্দিরের সাতটি মূর্তি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর পাশাপাশি দুটি মূর্তির মাথায় আংশিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনটি প্রতিমা আংশিক ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনটাই জানা গিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) পুলিশ রিপোর্টে।

    ভারতের সংসদে কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান

    অন্যদিকে, শুক্রবারই লোকসভায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয় চলতি বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ২২০০-র বেশি হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। ময়মনসিংহ জেলার ঘটনায় থানার ওসি এবং উপজেলা পুলিশ আধিকারিক ঘটনাস্থলে গিয়েছে বলে খবর। তবে হামলাকারীদের পরিচয় নিয়ে পুলিশ এখনও পর্যন্ত কিছু জানাতে পারেনি। প্রসঙ্গত, সপ্তাহ দুই আগেই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ঢাকায় গিয়েছিলেন এবং সেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় ভারত সরকার যে উদ্বিগ্ন তা তিনি বুঝিয়ে দেন ইউনূস সরকারকে। কিন্তু এই আবহে ফের হামলা হল একাধিক হিন্দু মন্দিরে।

    হামলা দিনাজপুর জেলায় (Bangladesh)

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় ঝাড়বাড়ি শ্মশান কালী মন্দিরের পাঁচটি মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মূর্তি ভাঙা হলেও বৃহস্পতিবার বিষয়টি প্রথমবার সামনে আসে। আর তারপরেই সেই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মন্দির কমিটির সভাপতি জনার্দন রায়। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক আবদুল গফুর জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ukraine Russia War: ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে চলেছেন পুতিন! কী বললেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    Ukraine Russia War: ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে চলেছেন পুতিন! কী বললেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ দাঁড়ি পড়তে চলেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Ukraine Russia War) অন্তত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বক্তব্যে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। সম্প্রতি পুতিন (Putin) বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় আপস করার জন্য উন্মুক্ত।

    কোনও পূর্বশর্ত নেই (Ukraine Russia War)

    তিনি বলেন, আলোচনার জন্য কোনও পূর্বশর্ত নেই। তবে যে কোনও চুক্তিতে অবশ্যই বৈধ ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া যে কোনও ব্যক্তির সঙ্গে, এমনকি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও আলোচনা করতে প্রস্তুত। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পুতিন জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কয়েক বছর ধরে কথা বলেননি। তবে তিনি সংঘাত নিয়ে আলোচনা করতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত। রাশিয়া দুর্বল জায়গায় রয়েছে, একথা মানতে রাজি নন পুতিন। তিনি বলেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর দেশটি আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর পরেই পুতিন বলেন, রাশিয়া আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। তিনি বলেন, কিভকেও আপসের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    স্থায়ী শান্তি চুক্তি

    সাময়িক যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছেন পুতিন। তিনি স্থায়ী শান্তি চুক্তির পক্ষে (Ukraine Russia War) মত প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ইস্তানবুলের বৈঠকে বাস্তবায়িত না হওয়া প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের আলোচনা হওয়া উচিত। তবে, এই খসড়া চুক্তিকে কিছু ইউক্রেনীয় রাজনীতিবিদ আত্মসমর্পণ হিসেবেই বিবেচিনা করেছিলেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের হাতে অনায়াসে কি চলে যাচ্ছে পাসপোর্ট? বিরাট আশঙ্কা গোয়েন্দাদের

    যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত লক্ষ লক্ষ মানুষ। এসবের জেরে রাশিয়া ও পশ্চিমের দেশগুলোর সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। পুতিন এই আক্রমণকে নেটোর সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযান হিসেবে সমর্থন করেছেন। যদিও রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। পুতিন জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি যদি অন্য রকম কিছু ভাবতাম, তাহলে ২০২২ সালের আগেই ইউক্রেনে সেনা পাঠানো উচিত ছিল। একইসঙ্গে পুতিন (Putin) স্বীকার করেন, যুদ্ধের (Ukraine Russia War) জন্য রাশিয়ার আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হওয়া উচিত ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: পেটে খিদে, ভাত দিন! ভারতের কাছে হাত পাতলেন ইউনূস, যাচ্ছে ৫০ হাজার টন চাল

    Bangladesh: পেটে খিদে, ভাত দিন! ভারতের কাছে হাত পাতলেন ইউনূস, যাচ্ছে ৫০ হাজার টন চাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। ৫২টি জেলায় হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অন্তত ২ হাজারটি হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে মন্দির ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক আক্রমণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এই হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। অত্যাচারের ঘটনায় বাংলাদেশকে কড়া বার্তা দেয় ভারত। তাতে জ্বলন ধরে ইউনূসের। এমনকী অন্যান্য উপদেষ্টারাও লাগাতার ভারতকে আক্রমণ করতে শুরু করে। কার্যত এক পা এগিয়ে ভারতের সমস্ত জিনিস বয়কটের ডাক দেওয়া হয়। কেউ কেউ তো আবার কলকাতা, এমনকী দিল্লি দখল করার দিবাস্বপ্ন দেখছিলেন। হুমকি দিচ্ছিলেন পরমাণু বোমার! বাস্তবে কাজে আসল না কোনও হুঁশিয়ারি! এবার সত্যি সত্যিই ভারতের কাছে হাত পাতল ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। দেশে সব্জি, আনাজের হাহাকার। এই পরিস্থিতিতে ভারতের থেকে চাল চাইল বাংলাদেশ।

     ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি!(Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, ইউনূস সরকার (Bangladesh) প্রথমে ভারতকে ততটা গুরুত্ব দিতে চায়নি। তাই, দেশবাসীর মুখে অন্ন তুলে দিতে চাল, ডাল কিংবা অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে ভারতের বিকল্প খুঁজতে শুরু করে। চিন, পাকিস্তান কিংবা তুরস্ক থেকে চাল কিংবা পেঁয়াজ কেনা হবে বলে চিন্তাভাবনা শুরু করে ইউনূস। কিন্তু তা যে সম্ভব নয় তা কয়েকদিনের মধ্যে তারা বুঝে যায়। অবশেষে, দিনরাত গালাগালি দেওয়া ভারতের কাছে হাত পাততে হল ইউনূসকে। কলকাতা দখল তো দূরের কথা, ভারতের ওপর নির্ভর করতে হল ইউনূস সরকারকে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিল ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘বাংলা ট্রিবিউনে’-এর খবর অনুযায়ী, দেশের মানুষের জন্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় ইউনূসের সরকার। আর তাই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও প্রতি কেজি চালের ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ৫৪ টাকা ৮০ পয়সা। এতে ৫০ হাজার টন চাল আমদানিতে ব্যয় হবে ২৭৪ কোটি ২০ হাজার টাকা, এমনটাই দাবি বাংলাদেশের ওই সংবাদমাধ্যমে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে এলেন অমিত শাহ, দিনভর কোন কোন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়?

    বাংলা ট্রিবিউনের খবর অনুযায়ী, সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি বৈঠক হয়। যেখানে খাদ্য মন্ত্রকের (Bangladesh) শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ বৈঠকে এই বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়। এবং তা গৃহীত হয়। লজ্জার মাথা খেয়ে সমস্ত কিছু ভুলে দেশবাসীর ভাত জোগাড় করার জন্য কার্যত ভারত থেকেই চাল কেনার অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে চাল ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে পরবর্তী কাজ শুরু হবে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, সে দেশের বাজারে সমস্ত জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে হিমশিম হতে হচ্ছে আমজনতাকে।

    চাল ছাড়াও ভারতের কাছে হাত পেতে আর কী নিয়েছে ইউনূস?

    এই বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশে (Bangladesh) ভয়াবহ বন্যার কারণে চাল আমদানির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। কারণ, বন্যায় আনুমানিক ১.১ মিলিয়ন টন চাল ধ্বংস হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। আর এই শূন্যস্থান পূরণের জন্য ইউনূস সরকারকে বিদেশের দিকে হাত বাড়াতে বাধ্য করেছে। জানা গিয়েছে, ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের খাদ্যশস্যের মজুতের পরিমাণ ১১.৪৮ লক্ষ টন থেকে নেমে হয়েছে ৭.৪২ লক্ষ টন। প্রধান খাদ্য হিসেবে ভাতের ওপর বেশি নির্ভর করে এমন একটি জাতির জন্য এটি উদ্বেগজনকভাবে কম। এই পরিস্থিতি সরকারকে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমদানি এবং দেশীয় ক্রয় উভয়ই জোরদার করতে বাধ্য করেছে। স্থানীয় মজুত বাড়ানোর জন্য সরকার চলতি মরশুমে ৮ লক্ষ টন আমন চাল সংগ্রহ করার এবং ২০২৫ সালের প্রথম দিকে বোরো ধান মজুত করার পরিকল্পনা করেছে। যাই হোক, এই প্রচেষ্টা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ ক্ষতিপূরণের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় গত দু’দিন আগেই ভারত থেকে আরও একবার আলু পাঠানো হয় বাংলাদেশে। কার্যত সে দেশের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে আনতে যশোরের শার্শার বেনাপোল বন্দর দিয়ে আলু পাঠানো হয়। প্রায় এক হাজার ৯০০ মেট্রিক টন আলু গিয়েছে। এমনকী গিয়েছে পেঁয়াজ ও ডিমও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 9: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা! দেশ ছাড়তে নদীতে  ঝাঁপ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা

    Bangladesh Crisis 9: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা! দেশ ছাড়তে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ নবম পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্ট মাসে বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রে পদত্যাগ করতে হয় বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis 9) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এরপর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন নেমে আসে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা দলে দলে দেশ ছাড়তে সীমান্ত জড়ো হন। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম সমাজ-সংস্কৃতি, ইত্তেফাক প্রভৃতি খবরের কাগজগুলি তাদের প্রথম পাতার শিরোনামে লেখে সংখ্যালঘুদের দেশ ছাড়ার কথা। অগাস্ট মাসে সমাজ-সংস্কৃতি নামের বাংলাদেশের ওই পত্রিকা নিজেদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং যার শিরোনাম ছিল, ‘‘ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তে কয়েকশো বাংলাদেশি’’। অন্যদিকে ইত্তেফাক পত্রিকার খবর প্রকাশিত হয়, ‘‘দেশত্যাগ করতে ভারত সীমান্তে জড়ো হয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।’’

    দেশ ছাড়তে নদীতে ঝাঁপ হিন্দুদের (Bangladesh Crisis 9) 

    সংখ্যালঘু হিন্দুদের দোকানঘরগুলিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় মৌলবাদী জেহাদিরা। তাদের সম্পত্তিকেও দখল করে নেয় জেহাদী সংগঠনগুলি। প্রাণ বাঁচাতে হাতিবন্ধ, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, কালিয়াগঞ্জ, পঞ্চগড় প্রভৃতি সীমান্তে জড়ো হতে থাকেন শয়ে শয়ে বাংলাদেশি হিন্দুরা। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করছেন বাংলাদেশি সংখ্যালঘুরা। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো চলতি বছরের ২৯ অগাস্ট তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে ৮ বাংলাদেশি হিন্দুকে গ্রেফতার করেছে বর্ডার গার্ড অফ বাংলাদেশ বা বিজিবি। তেতুলিয়া বর্ডারে এই হিন্দুদের গ্রেফতার করা হয়।

    হামলা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিতে (Targeting Minority)

    অন্যদিকে, একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে (Bangladesh Crisis 9) হামলার ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে এই সময়ে। বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলিতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, হিংসা সবথেকে বেশি ছড়ায় যশোর, সাতক্ষীরা, হাবিবগঞ্জ, বগুড়া, চট্টগ্রাম শেরপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, জয়পুরহাট, ফিরোজপুর, ঢাকা প্রভৃতি জেলায়। এখানে বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে সংখ্যালঘুদের ওপরে নির্যাতন চলতে থাকে।

    আশ্রমের পুকুর জোর করে দখল করে নেয় মৌলবাদীরা 

    একইভাবে জোর করে হিন্দুদের জমি দখল করার অভিযোগ ওঠে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বাংলাদেশের বেশ কিছু ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ সরব হন। অন্যদিকে, এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে সামান্য এক হিন্দু ভ্যান চালকের জমি দখল ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়ার। দিনাজপুর জেলার ফুলতলা শ্মশান মাঠের কাছে জোর করে হিন্দুদের জমি দখলের অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের পাইকপাড়া এলাকাতে কৈবল্যধাম আশ্রমের ওপর হামলা চালায় উগ্র মৌলবাদীরা এবং ওই আশ্রমের পুকুর জোর করে দখল করে নেয় তারা। পটুয়াখালিতে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ২১টি হিন্দু পরিবারের জমি দখলের। ওই পরিবারগুলিকে হুমকি দিয়ে দেশ ছাড়ার (Bangladesh Crisis 9) কথা বলে ওই বিএনপি নেতা।

    সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রতিরোধ

    তবে এসব কিছুর মাঝেও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে যে ঐক্য দেখা যায় তা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়োয়। সংখ্যালঘু অধিকারের কথা বলে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করতে থাকে হিন্দুরা। এ ক্ষেত্রে অন্য দুই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় খ্রিস্টান ও বৌদ্ধরাও যোগ দেয় হিন্দুদের সঙ্গে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এধরনের সংখ্যালঘু বিক্ষোভ খুবই কম দেখা গিয়েছে। অত্যাচার এবং নির্যাতনে দেয়ালে পিঠ ঠেকতে ঠেকতে লাখ লাখ হিন্দু সমাবেশ করতে শুরু করেন। ৯ আগস্ট ২০২৪ থেকেই শুরু হয় এই সমাবেশ। হিন্দুরা গর্জে ওঠেন হিংসা, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ এবং সমাজমাধ্যমে চলা হিন্দু ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরুদ্ধে।

    ৯ অগাস্ট থেকে শুরু প্রতিবাদ

    চলতি বছরের ৯ অগাস্ট বাংলাদেশ সচেতন সনাতনী নাগরিক নামের একটি সংগঠন বিক্ষোভ শুরু করে। এই আঁচ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশজুড়ে। ২০ অগাস্ট বৃহৎ হিন্দু সমাবেশ দেখা যায় বাংলাদেশের শরিয়তপুর, দিনাজপুর, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, ফরিদপুর নীলফামারী, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায়। হাজার হাজার হিন্দু রাস্তায় নামেন অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে। ময়মনসিংহ জেলাতে হিন্দু মহাজোট নামের একটি সংগঠন একটি বড় সমাবেশের আয়োজন করে। ৪ দফা দাবিও জানান সেখানে হিন্দুরা। অন্যদিকে নাটোরে হিন্দুরা রাস্তায় নামে ইসকনের নেতৃত্বে।

    ১১ অগাস্ট চট্টগ্রামে ব্যাপক বিক্ষোভ 

    ১১ অগাস্ট চট্টগ্রামে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় হিন্দুরা। এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজনের দায়িত্ব ছিল হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ওপর। বাংলাদেশ পুজো উদযাপন পরিষদ, সনাতনী ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা পরিষদ প্রভৃতি সংগঠন এই বিক্ষোভগুলি দেখাতে শুরু করে। অগাস্ট মাসের ১২ তারিখে হিন্দু সমাজের সদস্যরা গাইবান্ধা, চাওডাঙ্গা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, মাদারিপুর, নেত্রকোনা, পাবনা প্রভৃতি জায়গাতে বিক্ষোভ দেখায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kailash Mansarovar Yatra: ডোভালের বৈঠকে গলল বরফ, ফের শুরু হতে চলেছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা

    Kailash Mansarovar Yatra: ডোভালের বৈঠকে গলল বরফ, ফের শুরু হতে চলেছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শুরু হতে চলেছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra)। ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা অনুপ্রবেশের পর সামরিক সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (India China Relation)। সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভারত ও চিন ঐক্যমত্যে পৌঁছতে বুধবার ছ’দফা চুক্তি করেছে। সীমান্ত পেরিয়ে নদীর সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নাথুলা সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য ফের চালু করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বেজিংয়ে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও চিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা করা হয়।

    কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা

    কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। হিন্দু, জৈন এবং বৌদ্ধরাও কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা করেন। তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত কৈলাস পর্বত দর্শন করে আনন্দ লাভ করেন পুণ্যার্থীরা। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই কৈলাসই মহাদেবের বাসস্থান। ২০২০ সালের আগে ফি বছর কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যেতেন পুণ্যার্থীরা। ২০২০ সালে করোনা অতিমারির কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয় তীর্থযাত্রা। পরে করোনা-পর্ব চুকে গেলেও, চিনের টালবাহানায় আর শুরু হয়নি যাত্রা। সম্প্রতি সেই যাত্রাই ফের চালু হতে চলেছে বলে খবর। তবে কবে থেকে যাত্রা শুরু হবে, তা জানানো হয়নি (Kailash Mansarovar Yatra) চিন কিংবা ভারতের বিবৃতিতে (India China Relation)।

    আরও পড়ুন: অসম-বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক? মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার ২ জঙ্গি

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক

    তবে, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশেষ প্রতিনিধিরা সীমান্ত পেরিয়ে সহযোগিতা ও বিনিময়ের জন্য ইতিবাচক নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় চালু করা, সীমান্ত পেরিয়ে নদীর তথ্য শেয়ারিং এবং সীমান্ত বাণিজ্য। ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধি (ডোভাল এবং ওয়াং) সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন (Kailash Mansarovar Yatra)। ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করতেই এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা জোর দিয়েছেন যে সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়গুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিক উন্নয়নে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share