Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis 8: মৌলবাদীদের সুরে সুর মিলিয়ে ইউনূস প্রশাসন বন্ধ করে শতাব্দীপ্রাচীন কুণ্ডুবাড়ির মেলা!

    Bangladesh Crisis 8: মৌলবাদীদের সুরে সুর মিলিয়ে ইউনূস প্রশাসন বন্ধ করে শতাব্দীপ্রাচীন কুণ্ডুবাড়ির মেলা!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ অষ্টম পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৫ অগাস্ট পতন হয় হাসিনা সরকারের। অসাংবিধানিকভাবে জামাত-বিএনপির উগ্র মৌলবাদীরা (Bangladesh Crisis 8) দখল করে গণভবন। দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা। তার পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা শুরু হয়। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ থেকে আরম্ভ করে হিন্দু জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের খুনের ঘটনাও সামনে আসতে থাকে। মহিলাদের ওপর নির্যাতনও ঘটতে থাকে সমানে। বাংলাদেশের এমন বর্বরোচিত আচরণে স্তম্ভিত হয় সারা বিশ্ব। ব্রিটেন-আমেরিকার মতো দেশও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বন্ধের আর্জি জানায় ইউনূস সরকারের কাছে। এই সময়ে বাংলাদেশ প্রশাসনেরও ন্যক্কারজনক ভূমিকা সামনে আসে। আসল অপরাধীদের আড়াল করে অত্যাচারিত-নির্যাতিতদের ওপরেই পুনরায় হামলা চালাতে থাকে বাংলাদেশের প্রশাসন। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের রীতিতেও নানাভাবে বাধা দিতে শুরু করে ইউনুস প্রশাসন।

    বন্ধ করা হয় শতাব্দী প্রাচীন কুণ্ডুবাড়ির মেলা (Bangladesh Crisis 8) 

    বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের (Bangladesh Crisis 8) সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের অসংখ্য ঘটনা সামনে এসেছে। ইউনূস সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন যে হিন্দুরা তাঁদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় কোনওভাবেই গান চালাতে পারবেন না আজানের সময়। অর্থাৎ হিন্দুদের সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠানেও বিধিনিষেধ জারি করতে দেখা যায় ইউনূস প্রশাসনকে। একইভাবে শতাব্দী প্রাচীন কুণ্ডুবাড়ির মেলা, যা বাংলাদেশের কালকিনি মাদারিপুরে অনুষ্ঠিত হত, সেটিও মৌলবাদীদের চাপে বন্ধ করে দেয় ইউনূস প্রশাসন। এই ঘটনায় ফের একবার সামনে আসে ইউনূস সরকারের হিন্দু বিরোধিতা। চলতি বছরের দুর্গাপুজোর সময় ফতোয়া জারি করতেও দেখা যায় বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলিকে। এর মধ্যে সে দেশের কুখ্যাত মৌলবাদী সংগঠন হিসেবে পরিচিত, ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র জনতা’ ১৬ দফার ফতোয়া জারি করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল দুর্গাপুজোর বিরোধিতা। কারণ হিসেবে তারা জানায় মূর্তি পুজো ইসলাম বিরোধী। শুধু তাই নয়, পুজো মণ্ডপে ভারত বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় ওই সংগঠনকে।

    বৌদ্ধদের ওপরেও চূড়ান্ত অত্যাচার

    শুধু তাই নয়, হিন্দুদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বৌদ্ধদের ওপরেও চূড়ান্ত অত্যাচার শুরু হয়। বিশেষত চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের বৌদ্ধদের নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এমন হুমকির মুখে পড়ে নিজেদের ধর্মীয় আচরণও বন্ধ করতে বাধ্য হয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা।

    বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপরে নির্মম অত্যাচারের সঙ্গে গণহত্যাও ঘটতে থাকে। চলতি বছরে ৩০ সেপ্টেম্বর একটি উগ্র মৌলবাদীদের দল হত্যা করে পার্থ বিশ্বাস পিন্টু নামের এক হিন্দু যুবককে। এর পাশাপাশি খুন করা হয় খুলনার উৎসব মণ্ডলকে। সেই সময়ে হৃদয় রবিদাস নামের এক হিন্দুকে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। এ ধরনের সাম্প্রদায়িক হামলাগুলির প্রতি ক্ষেত্রে একটা সাধারণ বিষয় দেখা যায় যে মসজিদ থেকে ঘোষণা করা হয়, তারপরেই জমায়েত শুরু করে মৌলবাদীরা।

    যৌন নির্যাতন হিন্দু মহিলাদের ওপরে (Targeting Minority)

    শুধু তাই নয়, নির্মমভাবে অত্যাচার শুরু হয় হিন্দু মহিলা ও ছাত্রীদের ওপরেও। তাঁদেরকে নানাভাবে (Bangladesh Crisis 8) যৌন নির্যাতন চালানো হয়। শ্লীলতাহানির একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। ধর্ষণের স্বীকারও হন হিন্দু রমণীরা। যশোরে এক হিন্দু যুবতীকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। এভাবেই নির্যাতিত হতে থাকেন বাংলাদেশের হিন্দু মহিলারা। একইসঙ্গে হিন্দু কিশোরী ও যুবতীদের অপহরণেরও অভিযোগ ওঠে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের রামকৃষ্ণ মিশন রোডের বাসিন্দা একজন হিন্দু ছাত্রী সুচি রানি নাথ হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায়। সন্দেহ করা হয়, তাঁকে মৌলবাদীরা অপহরণ করেছে। বাংলাদেশের দৈনিক সংবাদপত্রগুলিতে খবরও লেখা হয় এবিষয়ে। বাংলাদেশের ফুলবাড়িতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। এক হিন্দু ছাত্রীকে অপহরণ করার ঘটনা সামনে আসে সেখানে। অন্যদিকে, হিন্দু কলেজ ছাত্রী তমা চক্রবর্তীকে বাংলাদেশের জামালপুরে অপহরণ করে মৌলবাদীরা। রাজারহাট উপজেলায় আনসার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে দুর্গাপুজোর সময় এক হিন্দু যুবতীকে অপহরণ করার।

    নারী নির্যাতনের আরও উদাহরণ (Targeting Minority)

    একইসঙ্গে বাংলাদেশে হিন্দু মহিলাদের ওপরে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটতে থাকে। মৌলবাদীরা একের পর এক মহিলাদের ওপরে যৌন নির্যাতন চালাতে থাকে। বাংলাদেশের এক হিন্দু স্কুল ছাত্রীকে, এক মুসলিম শিক্ষক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে সে দেশে চাকমা সম্প্রদায়ের এক মহিলাকে রামগড় উপজেলার খাগড়াগাছিতে গত ২২ অগাস্ট ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। আট বছরের এক শিশুকন্যাকেও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সেদেশে। দক্ষিণ বাংলাদেশের নাটোরের এক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। একই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে সারা বাংলাদেশ জুড়ে।

    লুট চালানো হয় হিন্দু বাড়িগুলিতে

    অন্যদিকে বাংলাদেশের নড়াইল জেলার লোহাগড় উপজেলাতে হিন্দু বাড়িগুলিতে লুট চালানো হয় এবং একইসঙ্গে মহিলাদের শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ সামনে আসে। একই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে নোয়াখালিতেও। সেখানে হিন্দু বাসিন্দা সহদেব রায়ের বাড়িতে লুট চালানো হয় এবং তাঁর বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা ফের একবার উসকে দেয় ১৯৪৬ সালের নোয়াখালির সাম্প্রদায়িক হিংসার স্মৃতিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paresh Barua: এবার ভারত-বিরোধী আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়ার ফাঁসির সাজা মকুব বাংলাদেশে

    Paresh Barua: এবার ভারত-বিরোধী আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়ার ফাঁসির সাজা মকুব বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিরোধী পদক্ষেপ আবারও করল বাংলাদেশ। বিচ্ছিন্নতাবাদী তথা ভারতবিরোধী সংগঠন হল আলফা, তারই প্রধান পরেশ বড়ুয়ার (Paresh Barua) মৃত্যুদণ্ড মকুব হল বাংলাদেশের আদালতে। চট্টগ্রাম অস্ত্র পাচার মামলায় আলফা প্রধানের (Paresh Barua) সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট। চট্টগ্রাম অস্ত্র পাচার মামলায় আসামীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় দিয়েছে বিচারপতি মোস্তাফা জামান ইসলাম ও নাসরিন আক্তারের বেঞ্চ।

    ২০ বছরের পুরনো মামলা 

    প্রসঙ্গত, এই মামলাটি ২০ বছরের পুরনো, ২০০৪ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেই মাঝরাতে সেদেশের চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ধারের জেটিঘাট থেকে অস্ত্র বোঝাই ১০টি ট্রাক উদ্ধার করে বাংলাদেশ পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে অস্ত্রগুলি চিনের তৈরি। সেই অস্ত্রগুলি মূলত ভারতবিরোধী কার্যকলাপ চালানোর জন্য পাচার করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল ভারত-বিরোধী সংগঠনের আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়া, বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর-সহ মোট ৫০ জনের। ইতিমধ্যে সেই মামলার রায় দিতে গিয়েই সাজা কমল পরেশ বড়ুয়ার (Paresh Barua)। বেকসুর খালাস হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরও।

    মামলা প্রত্যাহার খালেদা পুত্রর বিরুদ্ধে

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর থেকে আবারও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার হল। আওয়ামি লিগের সমাবেশে হামলার অভিযোগের পরে এ বার সেদেশের জয়পুরহাটে রাষ্ট্রদ্রোহ সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে খালাস করা হল। লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তারেক এবার রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    ২০১৫ সালের ২৮ মে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের হয়

    জানা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে লন্ডনে একটি আলোচনা সভায় তারেক রহমান বিতর্কিত বক্তৃতা করেছিলেন। সেসময় আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলিগের জয়পুরহাট জেলা শাখার তরফে তারেকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। ২০১৫ সালের ২৮ মে জয়পুরহাট সদর থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির অভিযোগে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছিল। পরে তদন্ত করে পুলিশ এই মামলায় আদালতে তারেকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। কিন্তু বুধবার বিচার পর্বে অভিযোগকারী ছাত্রলিগ নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক রেজা আদালতে উপস্থিত হননি। এর ফলে বিচারক মামলাটি খারিজ করে দেন (Bangladesh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: কলকাতা ছেড়ে এবার দিল্লি দখলের দিবাস্বপ্ন! ফাঁকা বুলি বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতার

    Bangladesh Crisis: কলকাতা ছেড়ে এবার দিল্লি দখলের দিবাস্বপ্ন! ফাঁকা বুলি বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি বেয়াদবি করে, তাহলে আমরা আসল দাবি তুলব। তখন দিল্লি ধরে টান দেব।” চার দিনে কলকাতা বা আগরতলা বা সেভেন সিস্টার্স কব্জা না করতে পেরে এবার দিল্লি দখলের দিবাস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতারা। যার ফলস্বরূপ, মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক ফাঁকা বুলি।

    মৌলবাদী নেতার হুমকি (Bangladesh Crisis)

    মঙ্গলবার ঢাকার রিপোর্টার্স কার্যালয়ে এমনই ফাঁকা বুলি আওড়ালেন ইসলামি মৌলবাদী বক্তা মুফতি কাজি ইব্রাহিম (Bangladesh Crisis)। তিনি বলেন, “মুসলমানদের কাছ থেকে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষকে ছিনিয়ে নিয়েছে। যার জিনিস তাকে তো ফেরত দিতে হয়। নিয়েছ আমার থেকে, ফেরত দেবে কাকে? তুমি তো অন্যায় করেছ।” এর (India) পরেই হাওয়া গরম করতে তিনি বলেন, “ভারত যদি বেয়াদবি করে, তাহলে আমরা আসল দাবি তুলব। তখন দিল্লি ধরে টান দেব।” কলকাতা, আগরতলা, সেভেন সিস্টার্স দখলের ফাঁকা বুলি আওড়ানোর পর এবার দিল্লি ধরে টান দেওয়ার হুমকি এল বাংলাদেশ থেকে। এই মৌলবাদী বক্তা বলেন, “ভারতকে বলব, তুমি তোমাকে নিয়ে থাক। যদি আমারটা নিয়ে বাড়াবাড়ি কর, তাহলে তোমারটা নিয়ে টান দেব। আমরা ডিফেন্সিভ জাতি। আক্রান্ত হলে আমরা সবাই রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ভারতকে বলছি, মোদিকে বলছি, খামোখা আমাদের নিয়ে নাক গলাবেন না। ইউনূস আছেন। তাঁকে দেশটা চালাতে দিন। আপনি আপনার দেশ নিয়ে ভাবুন।” মুফতি বলেন (Bangladesh Crisis), “ভারতকে তো কেউ দেখতে পারে না। মলদ্বীপের মতো দেশকেও তারা বন্ধু হিসেবে ধরে রাখতে পারেনি। বাংলাদেশ কখনও ভারতকে শত্রু বানায়নি। তারা বাংলাদেশ নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    ভালো নেই বাংলাদেশের হিন্দুরা

    হাসিনা-উত্তর জমানায় ভালো নেই বাংলাদেশের হিন্দুরা। হিন্দু-সহ সে দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার চালাচ্ছে মৌলবাদীরা। কখনও ভাঙচুর করা হচ্ছে মঠ-মন্দির-গির্জা। কখনও আবার বাড়িতে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। বাড়ির মেয়ে-বউদেরও তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। হিন্দুদের দোকানদানিতে লুটতরাজ চালানো হচ্ছে বলেও নানা সময় উঠেছে অভিযোগ। খোদ রাষ্ট্রের মদতে সংখ্যালঘু নির্যাতন চলছে বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইসলামি ও বক্তা। তিনি বলেন, “এখানে হিন্দুদের নির্যাতন করা হচ্ছে না। তাদের ভালোবাসার আবহে রাখা হয়েছে। হিন্দু বলছে, আমরা ভালো আছি, নিরাপদে আছি। কিন্তু ভারত বলছে তারা সুখে (India) নেই।” কট্টরপন্থী এই ইসলামি নেতার দাবি, “বাংলাদেশ নিয়ে ভারত বহির্বিশ্বে মিথ্যে প্রচার চালাচ্ছে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • US Firms: বরাত পেতে ভারতীয় সংস্থাকে ঘুষ! কাঠগড়ায় তিন বড় মার্কিন সংস্থা, মুখ বাঁচাতে জরিমানা

    US Firms: বরাত পেতে ভারতীয় সংস্থাকে ঘুষ! কাঠগড়ায় তিন বড় মার্কিন সংস্থা, মুখ বাঁচাতে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির (Bribes) কারণে তদন্তের মুখে পড়েছে বেশ কিছু মার্কিন কোম্পানিও। সম্প্রতি এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, তিনটি মার্কিন কোম্পানি ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে আমেরিকার নিয়ন্ত্রকের কাছে মামলা নিষ্পত্তি করতে ও মামলার হাত থেকে রেহাই পেতে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিয়েছে (US Firms)।

    কাঠগড়ায় তিন কোম্পানি (US Firms)

    এই তিন কোম্পানি হল মুগ ইনকর্পোরেটেড, ওরাক্যল এবং অ্যালবেমার্ল কর্পোরেশন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বরাত পেতে তারা ভারতের বিভিন্ন দফতর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেলওয়ে, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্যাল লিমিটেড  এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি মামলার মধ্যে দুটিতে ভারতীয় রেলের পদস্থ কর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়েছে মার্কিন ওই সংস্থাগুলি। বিষয়টি জানাজানি হতেই সক্রিয় হয় সে দেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। তখন জরিমানা বাবদ গড়ে ঘুষের তিন গুণ টাকা জমা করেছে অভিযুক্ত তিন সংস্থা।

    ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ

    মার্কিন তদন্তকারীরা জেনেছেন, আমেরিকান সংস্থা মুগ ইনকর্পোরেটেডের তরফে হ্যাল ও ভারতীয় রেলের পদস্থ কর্তাদের পাঁচ কোটি ডলারের বেশি ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সামরিক সরঞ্জাম, মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত সামগ্রী ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছোটবড় নানা সাইজের যন্ত্রপাতি নির্মাণে মুগের বিশ্বজোড়া নামডাক রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামও তৈরি করে আমেরিকার এই সংস্থা। ওই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, ঘুষের বিনিময়ে দক্ষিণ-মধ্য রেল থেকে ৩৪ হাজার ৩২৩ ডলার ও হ্যালের থেকে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৮ মার্কিন ডলারের বরাত হাতিয়ে নিতে চেয়েছে মুগ মোশন কন্ট্রোলস প্রাইভেট লিমিটেড। হ্যালের (US Firms) শীর্ষ আধিকারিকদের এজন্য পাঁচ শতাংশ কমিশন দিয়েছে মুগ। ধরা পড়ার পরে মুগকে জরিমানা বাবদ দিতে হয়েছে ১৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    অন্য দিকে, বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওরাক্যলের বিরুদ্ধেও উঠেছে ভারতীয় রেলের কর্তাদের ৬৮ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ। অ্যালবেমার্লে কর্পোরেশনের দেওয়া ঘুষের পরিমাণ ৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। অভিযোগ, মার্কিন এই সংস্থা ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামে কর্মরত ইন্ডিয়ান অয়েলের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন (Bribes) করেছে (US Firms)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hijab Laws: বিতর্কিত হিজাব আইন প্রয়োগ এখনই নয়, জানাল ইরান সরকার

    Hijab Laws: বিতর্কিত হিজাব আইন প্রয়োগ এখনই নয়, জানাল ইরান সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়ে পিছু হঠল ইরান (Iran) সরকার । নয়া হিজাব আইন (Hijab Laws) চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিল ইরান সরকার। তবে ব্যাপক সমালোচনার জেরে বলবৎ করার আগেই তা প্রত্যাহার করে নিল সরকার। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ান জানান, প্রস্তাবিত আইনটি অস্পষ্ট এবং এর সংস্কার প্রয়োজন। গত শুক্রবার আইনটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হল সেটি।

    প্রস্তাবিত আইনের বক্তব্য (Hijab Laws)

    প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, মহিলাদের কঠোরভাবে হিজাব বিধি মেনে চলতে হবে। পরতে হবে ঢিলেঢালা পোশাক। ঢেকে রাখতে হবে মাথার চুল, কাঁধ এবং পা। নিয়ম ভাঙলে ভারতীয় মুদ্রায় জরিমানা দিতে হবে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। কোনও মহিলাকে অশোভন কোনও পোশাকে দেখেও যিনি প্রশাসনকে জানাবেন না, নয়া বিধানে সাজার ব্যবস্থা রয়েছে তাঁরও। অল্প নিয়ম ভাঙলেও, জরিমানা নেওয়া হত। সর্বোচ্চ সাজা ছিল ১৫ বছরের কারাদণ্ড। এই হিজাব ফতোয়া নিয়েই বিতর্কের ঝড় ওঠে ঘরে-বাইরে। ইরানের একাধিক নারী সংগঠনের পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়। তার পরেই পিছু হটে প্রশাসন।

    পশ্চাদপসারণের কারণ

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইরান প্রশাসনের এই পশ্চাদপসারণের নেপথ্যে রয়েছেন সংস্কারমুখী প্রেসিডেন্ট চিকিৎসক-রাজনীতিক পেজেকশিয়ান। চলতি বছরের (Hijab Laws) গোড়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় ইরানে। সেই সময় প্রচারে বেরিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি হিজাব নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধের বিপক্ষে। সেই কারণেই এই পিছু হটা বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। অন্য একটি অংশের মতে, তিনশোরও বেশি ইরানি কর্মী, লেখক এবং সাংবাদিক একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাতে আইনটিকে অবৈধ ও প্রয়োগ অযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁরা প্রেসিডেন্টকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বানও জানিয়েছিলেন। সেই কারণেও প্রেসিডেন্ট পিছু হঠতে পারেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন: লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কবে থেকে ভোট একযোগে?

    ইরানে হিজাব নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০২২ সালে ইরানি তরুণী মাহসা আমিনি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন হিজাব না পরে। সেই ‘অপরাধে’ তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ইরানের নীতি পুলিশ। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। তা নিয়েও কম বিতর্ক হয়নি ইরানে। সম্প্রতি এই পোশাক ফতোয়ার প্রতিবাদে রাজধানী তেহরানে ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া আহু দারইয়াই প্রকাশ্যে অন্তর্বাস পরে হেঁটেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল (Iran) ইরানের পুলিশ (Hijab Laws)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis 7: দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে অঞ্জলির সময় তাঁতিবাজারে পেট্রোল বোমা মেরেছিল জেহাদিরা!

    Bangladesh Crisis 7: দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে অঞ্জলির সময় তাঁতিবাজারে পেট্রোল বোমা মেরেছিল জেহাদিরা!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ সপ্তম পর্ব।

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালটা বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের জন্য ছিল অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের সময়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে পূর্ব পাকিস্তান-পশ্চিম পাকিস্তান দুই ইসলাম প্রধান দেশই হিন্দু স্বার্থকে (Targeting Minority) সুরক্ষিত রাখেনি। শত্রু সম্পত্তি আইন থেকে শুরু করে গায়ের জোরে হিন্দু নিধন যজ্ঞ চালানো হয়েছে। ধর্মের নামে দেশ ভাগের চূড়ান্ত মাশুল দিতে হয়েছিল একমাত্র পূর্ববঙ্গের হিন্দু বাঙালিদের। ওদেশে সরকার ব্যবস্থায় যেই থাকুক না কেন, স্বাধীন জয় বাংলায় হিন্দুদের ভোট কোনও সময়েই ভোটব্যাঙ্কের রাজনৈতিক চাবিকাঠিতে রূপান্তরিত হয়নি। উল্টো দিকে স্বাধীন ভারতে মুসলমানরা বিশেষ ‘তোষণ নীতি’ নিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সংখ্যালঘু শব্দটা উভয় দেশের জন্য আলাদা আলদা মানে। গত ৫ অগাস্ট হাসিনাকে বিতাড়িত করার পর থেকেই হিন্দু মন্দির, মূর্তি, বাড়ি-ঘর ধ্বংস-সহ এককথায় সনাতনীদের জনজীবন নরকে পরিণত করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির কট্টর মুসলমানদের দিকে।

    ৫ থেকে ২০ অগাস্টে মোট ৬৯টি মন্দির ভাঙা হয়

    হিন্দু বাঙালির (Targeting Minority) বড় পুজো হল দুর্গাপুজো। অপর দিকে ইসলামে মূর্তি পুজো হারাম। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) তাই এক মৌলানা প্রকাশ্যে বলেছিলেন, “মূর্তি আমি গড়তে আসি নাই, মূর্তি ভাঙতে এসেছি, আমি না পারলে আমার ছেলে ভাঙবে, ছেলে না পারলে তার ছেলে ভাঙবে, ইনশাল্লাহ এক দিন ভাঙবই।” এই অভিপ্রায়কে বাস্তবায়ন করছে মহম্মদ ইউনূস প্রশাসন, এমনটাই বলছেন ভুক্তভোগীরা। চট্টগ্রামে দুর্গাপুজার মন্দিরে জামাত শিবিরের নেতারা জোর করে ঢুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের গান করেন। স্পষ্ট উদ্দেশ্য, আগামী দিনে পুজো তথা মূর্তি পুজো বন্ধ করে সবাইকে মসজিদে নামাজই পড়তে হবে। ‘ঢাকা ট্রাইবুন’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট জানিয়েছে গত ৫ অগাস্ট থেকে ২০ অগাস্টের মধ্যে ৪৩টি মন্দির ভাঙা হয়েছে। আবার বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে মোট ৬৯টি মন্দির ভাঙা হয়েছে। একই ভাবে সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ এই সময়ে ২২টি মন্দির ভাঙার কথা জানিয়েছে।

    হিন্দুরা রাত জেগে মন্দির পাহারা দিয়েছিল

    দুর্গাপুজোর আগে থেকেই পুজো করতে গেলে ৫-৬ লাখ করে পুজো কমিটিগুলিকে চাঁদা দেওয়ার ফতোয়া জারি করে জামাত এবং বিএনপির নেতার। একই ভাবে ঢাকার (Bangladesh Crisis) উত্তরাতে দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হবে না বলে বিশাল মিছিল বের করেছিল স্থানীয় মৌলবিরা। মিছিলে স্পষ্ট বলা হয়, পুজো করলে উদ্যোক্তাদের বাড়িতে হামলা করা হবে। পুজোর আগেই চট্টগ্রাম, রংপুর, নেত্রকোনা, বরিশাল, কুমিল্লা, ঢাকা, খুলনা, বগুড়ায় প্রচুর নির্মীয়মান দুর্গামূর্তি এবং মন্দির ভেঙে দেওয়া হয়। এলাকায় এলাকায় হিন্দুরা (Targeting Minority) রাত জেগে জেহাদিদের কবল থেকে মন্দির রক্ষা করতে পাহারায় নামতে বাধ্য হন। সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি প্রচুর দেখা গিয়েছিল। মন্দির ভাঙার অপরাধে কুঁড়িগ্রামের রাজারহাট এলাকায় আনসার বাহিনীর এক সদস্য মহম্মদ নিজামুদ্দিন নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু তারপর তদন্তের গতিপ্রকৃতি আর প্রকাশ্যে আসেনি।

    আরও পড়ুনঃ ভেঙে ফেলা হয়েছে মেরির মূর্তি! হিন্দুদের মতো বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের ওপরও অবর্ণনীয় অত্যাচার বাংলাদেশে

    তাঁতিবাজারে পুজোয় পেট্রোল বোমা মারা হয়

    দুর্গাপুজোর মহাঅষ্টমীর দিনে ঢাকার তাঁতিবাজার (Bangladesh Crisis) এলাকার এক দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে অঞ্জলি দেওয়ার সময় পেট্রোল বোমার বিস্ফোরণ ঘটনায় জেহাদিরা। পুজোকে আরও কোণঠাসা করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে ফতোয়া দেন, “মন্দিরে ঢাক, ঢোল, কাঁসর বাজানো যাবে না, এমনকী বিসর্জনে বাদ্যযন্ত্র বাজানো যাবে না।” কিশোরগঞ্জের গোপীনাথ জিউর আখড়ায় দুর্গাপুজোতে হামলা করেছিল দুষ্কৃতীরা। নেত্রকোনা, কেন্দুয়া, ফেনির পার্বতীপুর, দিনাজপুর এলাকায় দুর্গামূর্তি, কালীমূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, পীরগঞ্জ উপজেলা, শরীয়তপুর সদর সহ একাধিক জায়গায় ব্যাপক ভাবে হিন্দু (Targeting Minority) আস্থার ধর্মকেন্দ্রগুলিকে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে কট্টর মৌলবাদীরা। এই অত্যাচার থেকে বাদ যায়নি রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম এবং ইসকনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিও।

    মা যশোরেশ্বরী মন্দিরে গয়না লুট

    সাতক্ষীরা (Bangladesh Crisis) কালীমন্দিরে দুষ্কৃতীরা চালায় ব্যাপক লুটপাট। শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী মন্দিরের মায়ের জন্য একটি সোনার গয়না দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই গয়নাকে চুরি করানো হয়। এখনও ইউনূস প্রশাসন তা উদ্ধার করতে ব্যর্থ। একই ভাবে লাগাতার আক্রমণ করা হয় বগুড়ার অন্যতম শক্তিপীঠ ভবানীপুর মন্দির, বরিশালের শ্যামপুর দেউরি বাড়ি সর্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির, রাজবাড়ির সজানকাণ্ডা জেলার মন্দিরে। পাবনায় মূর্তি ভাঙা হয়, পালপাড়া শক্তিপীঠ, বাঘেরহাটের মোল্লারকুল পাশ্চিমপাড়া দুর্গাপূজা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙা হয়। টাঙ্গাইল, ফরিদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি মূর্তি ভাঙা হয়। সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছিল, এই সময় ফরিদপুর থেকে বাপি হাসান নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরিতাপের কথা সেনাশাসন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং মহম্মদ ইউনূস হিন্দু সুরক্ষা নিয়ে মুখে কুলুপ। 

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Chido: ঘূর্ণিঝড় চিডোর মারাত্মক ধ্বংসলীলা ফ্রান্সের মেইয়োত দ্বীপপুঞ্জে, হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু!

    Cyclone Chido: ঘূর্ণিঝড় চিডোর মারাত্মক ধ্বংসলীলা ফ্রান্সের মেইয়োত দ্বীপপুঞ্জে, হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফান্সে (France) মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় চিডো (Cyclone Chido) ব্যাপক ধ্বংসলীলায় আঘাত হেনেছে। বাড়ি-ঘর, গাছপালা, দোকান, রাস্তায় বিরাট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফ্রান্সের ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেতাইয়ো বলেছেন, “ঠিক কত পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি এবং মৃত্যু হয়েছে, সেই সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভাবে তথ্য দিতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।”

    অঞ্চলগুলি অত্যন্ত দুর্গম তাই উদ্ধারে বাধা (Cyclone Chido)

    জানা গিয়েছে, ফ্রান্সের (France) মেইয়োত এলাকা আর্থিকভাবে অত্যন্ত অনুন্নত এবং পিছিয়ে থাকা অঞ্চল। এখানেই সবথেকে বেশি ঝড়ের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি (Cyclone Chido) হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার বাহিনী লাগাতার জোরকদমে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে গুরুতর অসুস্থ এবং আহত লোকজনকে দ্রুত উদ্ধার কাজের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। চিডোকে গত এক শতাব্দীর মধ্যে সব থেকে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ব্রুনো বলেছেন, “অঞ্চলগুলি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ার জন্য উদ্ধার কাজে ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।”

    সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস ম্যাক্রঁর

    ঘূর্ণিঝড় চিডো (Cyclone Chido) গত সপ্তাহের শেষে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপপুঞ্জের একটি বৃহৎ অংশে ২০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে পাহাড় এবং সমতলে আছড়ে পড়ে। বিদ্যুতের খুঁটি, পানীয় জল সরবরাহের গোটা সিস্টেমকে নিঃশেষ করে দিয়েছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁ, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, “ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ দ্বীপপুঞ্জের এলাকাগুলিকে দ্রুত পরিদর্শনে যাব। দুর্যোগের বিষয়ে আমি সবরকম সহযোগিতার চেষ্টা করব। নিহত পরিবারের লোকজনের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই। মর্মান্তিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করছি।”

    আরও পড়ুন: ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জানালেন মোদি

    স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন অনেক মানুষ

    মেইয়োত অঞ্চলের বাসিন্দা ক্যামিল কোজন আবদুরাজাক বলেছেন, “রীতিমতো একটি বড়সড় যুদ্ধ বিপর্যস্ত এলাকার মতো মনে হচ্ছে। আমি নিজে কিছুই আর চিনতে পারছি না। এখানে ঝড়ের (Cyclone Chido) ফলে একটা গাছও আর অবশিষ্ট নেই। পাহাড়ের কোনও ঘাসের চিহ্ন নেই। মানুষের জীবন অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়েছে।” এলাকার আর এক বাসিন্দা পেশায় স্কুল শিক্ষক হামাদা আলি বলেন, “আমাদের এলাকার রাস্তাগুলি মাটির কাদায় ঢাকা পড়ে গিয়েছে। মানুষ নিরুপায় হয়ে স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। একটা বিস্তীর্ণ অংশের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিছিন্ন হয়ে গিয়েছে।”

    রাজধানী মামুদজুতে প্রধান হাসপাতালটিতে জরুরি ভিত্তিতে পরিষেবা দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে একটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে এবং সেখানে ১০০ জন অতিরিক্ত চিকিৎসক মোতায়েন করে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেয়ুনিয়ঁ দ্বীপ থেকে ত্রাণ সরবরাহ এবং সরঞ্জাম পরিবহণের জন্য সামুদ্রিক এবং আকাশপথে অভিযান চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বিজয় দিবসে জাতীয় সৌধে রক্তগোলাপ অর্ঘ্য হাসিনার, ইউনূসকে তোপ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর

    Bangladesh: বিজয় দিবসে জাতীয় সৌধে রক্তগোলাপ অর্ঘ্য হাসিনার, ইউনূসকে তোপ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে বাংলাদেশে এখন অন্তর্বর্তী ক্ষমতায় ইউনূস সরকার। ৫ অগাস্টের পর থেকেই আমূল বদলে গিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) ছবিটা। একে একে মুছে ফেলা হয়েছে হাসিনা আমলের সব চিহ্ন। ভেঙে ফেলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের মূর্তি। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ভবন থেকে স্থাপত্য সব মুছে ফেলতে উদ্যত বাংলাদেশের চরমপন্থী নেতারা। এই পরিস্থিতিতেই বিজয় দিবস পালন। ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পালিত হল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের দিন। তবে, মুজিবুরের বাসভবনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ইউনূস সরকারের সমর্থনকারীদের হাতে আক্রান্ত হন আওয়ামি লিগের কর্মীরা।

    স্মৃতিসৌধে হাসিনার পাঠানো রক্তগোলাপ

    হাজার নজরদারি, মারধরের আতঙ্ক জয় করে ‘বিজয় দিবস’-এ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে (Bangladesh) গেরিলা কায়দায় ঢুকে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পক্ষ থেকে সবুজ পাতায় মোড়া রক্তগোলাপের স্তবক দিয়ে এলেন আওয়ামি লিগের কর্মীরা। দিনের বিভিন্ন সময়ে জনস্রোতে ভেসে বারে বারে দলের বিভিন্ন শাখা ও সংগঠনের কর্মীরা পৌঁছে যান জাতীয় স্মৃতিসৌধের চত্বরে। শ্রদ্ধা জানিয়ে ফিরেও যান নিভৃতে। চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা বা খুলনা- সর্বত্র শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে সবার আগে পৌঁছে গিয়ে দলের নাম লেখা ফুলের স্তবক রেখে ‘বিজয় দিবস’-এর শ্রদ্ধা জানিয়ে আসেন আওয়ামি কর্মীরা। এক্স হ্যান্ডলে বার্তাও দিয়েছেন হাসিনা।

    আওয়ামি লিগের কর্মীদের ওপর হামলা

    জানা গিয়েছে, দেশ (Bangladesh) জুড়ে যখন বিজয় দিবস পালন চলছে, তখন ঢাকার পল্টন ময়দান দাপিয়ে তখন জনসভা করছে জামাতে ইসলামি— একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি বাহিনীর হানাদারির সঙ্গী হয়েছিল যারা। পরাজিত বাহিনীর সেই সঙ্গীরা এ দিন ‘বিজয় দিবস’ পালন করল বিজয়ের সঙ্গী ভারতের বিরুদ্ধে দফায় দফায় জিগির তুলে। তার পরে মোটরবাইক মিছিল সামনে রেখে রাজপথ কাঁপিয়ে শোভাযাত্রা করে জামাত ও তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলি। হাতে হাতে তাদের ধর্মীয় পতাকা। এ দিন সকালে কিছু তরুণ ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবুরের বাসভবনে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হলে সরকার সমর্থিত কিছু সশস্ত্র যুবক পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের প্রচণ্ড মারধর করে। এর পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। জানায়, আওয়ামি লিগের এই কর্মীরা মিছিল করার চেষ্টায় ছিল।

    কী বললেন ইউনূস?

    অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু করেন মুক্তিযুদ্ধের ‘লক্ষ লক্ষ শহিদ’কে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারণ করেননি তিনি। এমনকি, যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশের জন্ম, তার নামও নেননি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। কারণ, পাকিস্তান এখন এই সরকারের বন্ধু দেশ। ইউনূসের ‘বিজয় দিবস’-এর বক্তৃতা জুড়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের জয়গান। সঙ্গে আওয়ামি লিগকে তীব্র আক্রমণ তিনি।

    হাসিনা পুত্র কী বললেন?

    এদিনই এক্স হ্যান্ডলে বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করে পোস্ট করলেন হাসিনা-পুত্র সজীব ওয়াজেদ। হাসিনা-পুত্র লিখেছেন, ‘‘স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয়ে গণহত্যা চালানো যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরিরা আজ অবৈধ সরকারের সান্নিধ্যে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় ভূমিকা রাখা বয়োজ্যেষ্ঠদের শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বহনকারী প্রতীকগুলো বিনা বাধায় ধ্বংস করা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রীয় সম্মান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান এখনও ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইতে অনীহা প্রকাশ করে চলেছে। স্বাধীনতা, পতাকা, সার্বভৌমত্ব এবং মাতৃভাষার জন্য লড়াই করা দলকে ধ্বংস করতে পরিকল্পিত সহিংসতা চালানো হচ্ছে। তবে গত পাঁচ দশকে যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগীরা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে একই ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল। কিন্তু এই দেশের জনগণ সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিকে পরাজিত করেছিল। এ বিজয় দিবসে আমার আহ্বান হল– সব বিভেদ ভুলে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার মূল চেতনা ধ্বংসের সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জয় বাংলা!’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hambantota Port: ‘ভারতের ক্ষতি হবে এমন কাজ করতে দেব না’, চিনকে বার্তা শ্রীলঙ্কার!

    Hambantota Port: ‘ভারতের ক্ষতি হবে এমন কাজ করতে দেব না’, চিনকে বার্তা শ্রীলঙ্কার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড কোনওভাবেই ভারতের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হবে এমন কাজে ব্যবহৃত হতে দেব না। সোমবার এমনই আশ্বাস দিলেন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুর কুমার ডিসানায়েকা। এদিন ভারত-শ্রীলঙ্কা (Hambantota Port) যৌথ বিবৃতিতে ফের একবার শ্রীলঙ্কার অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। কলম্বোর এই আশ্বাস এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন চিন তার ‘মিশন ইন্ডিয়ান ওশান’ শুরু করেছে। ভারতকে টার্গেট করতেই বেজিংয়ের শ্যেনদৃষ্টি ভারত মহাসাগরে (Sri Lanka)।

    হাম্বানটোটা বন্দর (Hambantota Port)

    এই মহাসাগরেই রয়েছে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর। চিনের ঋণ শোধ করতে না পারায় শ্রীলঙ্কার ওই বন্দর নিয়ন্ত্রণ করছে চিন। সেখানে তাদের নৌবাহিনীর নজরদারি ও গোয়েন্দা জাহাজ নোঙর করছে। গত দুবছরে, বেইজিং একাধিকবার তাদের ২৫ হাজার টনের স্যাটেলাইট এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাকিং জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫ হাম্বানটোটায় মোতায়েন করেছে। এটি ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী। কারণ শ্রীলঙ্কার ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের কাছাকাছি। এবং শ্রীলঙ্কার এই বন্দর কৌশলগতভাবে ভারত ও চিন দুপক্ষের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতের উদ্বেগ

    ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে, যখন নয়াদিল্লি কলম্বোকে তাদের উদ্বেগের কথা জানায়, তখন শ্রীলঙ্কা প্রাথমিকভাবে বেজিংকে তাদের জাহাজের আসা পিছিয়ে দেওয়ার এবং এমনতর কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছিল। তার পরেও চিনের চর জাহাজ ভেড়ে হাম্বানটোটা বন্দরে। তারপর থেকে চিনের নজরদারি ও গোয়েন্দা জাহাজ নিয়মিতভাবে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে টহল দিচ্ছে এবং হাম্বানটোটায় নোঙর (Hambantota Port) করছে।

    আরও পড়ুন: ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জানালেন মোদি

    ২০১০ সালে চালু হয় হাম্বানটোটা বন্দর। শ্রীলঙ্কার তৎকালীন রিনল বিক্রমসিঙ্ঘের সরকার দেশের অর্থনৈতিক ভান্ডারে বৈদেশিক মুদ্রা বাড়ানোর তাগিদে এই বন্দর বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত নেয়। চিনের এক সংস্থাকে ১১২ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে বন্দরটিকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। তার পর থেকে চিনা চর জাহাজ নিয়মিতভাবে ভিড়ছে ওই বন্দরে। যা আদতে ভারতের মাথাব্যথার কারণ। ভারতের এই উদ্বেগ কাটাতেই শ্রীলঙ্কার অবস্থান (Hambantota Port) স্পষ্ট করে দিলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট (Sri Lanka)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Bangladesh Crisis 6: শিক্ষাজগৎ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংখ্যালঘুদের, আক্রান্ত লেখক-শিল্পীরাও!

    Bangladesh Crisis 6: শিক্ষাজগৎ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংখ্যালঘুদের, আক্রান্ত লেখক-শিল্পীরাও!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ ষষ্ঠ পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। চাকরি থেকে জবরদস্তি ছাঁটাই কিংবা হিন্দু-বৌদ্ধদের দোকান লুট নিত্যদিনের ঘটনা। প্রশাসন, পুলিশ থেকে তো বটেই, শিক্ষাজগত থেকেও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংখ্যালঘুদের। ‘আমার সোনার বাংলা’কে জাতীয় সঙ্গীত না রাখার বিপুল ব্যস্ততা দেখে ত্রস্ত বিশ্ব। ঋত্বিক ঘটকের বাড়ি ভেঙে দেওয়া কিংবা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ির দখল নিয়ে নেওয়া, রবীন্দ্রনাথের নামাঙ্কিত প্রতিষ্ঠানের নামবদল অথবা লালন সাঁইয়ের অনুসারীদের আখড়াতেও আক্রমণ, বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা বদলের চেষ্টা চলছে প্রতিনিয়ত। মাদ্রাসা ছাত্রদের নেতৃত্বে ভাঙা হচ্ছে চার-পাঁচশো বছরের পুরনো সব সুফি মাজার। শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়ির সহস্রাধিক বাদ্যযন্ত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন আরও বেশ কয়েক জন গায়ক-গায়িকা। 

    অপহরণ এবং আর্থিক শোষণ

    চলতি বছর সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ এবং আর্থিক শোষণের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদাহ জেলার কচচান্দপুরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের মালিকানাধীন দোকান লুট করা হয় এবং একাধিক অপহরণের ঘটনা ঘটে। দাবি করা হয় মুক্তিপণও। নারাইল সদর উপজেলার ৯নং ওয়ার্ডে সুজয় বসুর বাড়ি লুট করা হয়, তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয় এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের তথ্য অনুযায়ী, ৫ অগাস্ট ২০২৪ থেকে ১,০০০টিরও বেশি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। যার শিকার সংখ্যালঘুরা।

    শিক্ষাক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের উপর চাপ

    পদ্মাপড়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের, বিশেষত শিক্ষক এবং শিক্ষাবিদদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এই আক্রমণের ধারা সংখ্যালঘুদের প্রতি বাড়তি শত্রুতা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে তাদের ভূমিকা কমে যাওয়ার বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ কিছু ব্যক্তির চাপের ফলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানরা পদত্যাগ করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক শতপ্রসাদ মজুমদার, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভাইস চ্যান্সেলর। সৌমিত্র শেখর, কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। বেনু কুমার মেহি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর। অধ্যাপক ড. মিহিররঞ্জন মালাকার, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। প্রায় ১৫০০ শিক্ষক, যাদের মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু, পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর পিছনে ছিল প্রধানত কোটা সংস্কার আন্দোলন, যা ইসলামিক এবং জাতীয়তাবাদী অঙ্গীকার দ্বারা বেড়ে উঠেছিল।

    শিক্ষকদের ওপর হামলা এবং হুমকি

    অধ্যাপক শ্রেষ্ঠা মল্লিক, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস, অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি-আক্রান্ত হন। এখানে তার ধর্মীয় সমালোচনা এবং ধর্মীয় উৎসবগুলোর বিরুদ্ধে বক্তব্য একটি হিংসাত্মক ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রে পরিণত হয়। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান শাপনকুমার সরকার হঠাৎ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তার পদত্যাগের পেছনে সাম্প্রদায়িক পক্ষপাতিত্ব একটি বড় কারণ ছিল। এটি সংখ্যালঘু শিক্ষকদের প্রতি অসামাজিক আক্রমণের একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তুলে ধরে, যা জাতীয় একতা, শিক্ষাক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা এবং অন্তর্ভুক্তি হ্রাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন:ভারতে এসে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করলেন আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ

    এই আক্রমণগুলো সংখ্যালঘুদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে মার্জিনালাইজ করার একটি ষড়যন্ত্র। যা বালাদেশের সাম্প্রদায়িক শান্তি এবং বহুত্ববাদী সমাজের উপর গুরুতর আঘাত হানছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বর্ণমালা বদলে দেওয়ার কাজ চলছে ভয়ঙ্কর দ্রুততার সঙ্গে। কাগজে না হলেও মগজে ফিরিয়ে আনছে ‘পূর্ব পাকিস্তান’। সেই পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু-বৌদ্ধদের জন্য বৃষ্টি নেই, রয়েছে কেবলই আগুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share