Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Robot Committed Suicide: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    Robot Committed Suicide: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের চাপে আত্মহত্যা (Robot Committed Suicide) করতে বাধ্য হল রোবট! ঘটনায় হইচই বিশ্বজুড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) গুমি সিটি কাউন্সিল এলাকার ঘটনা। ২৬ জুন এই কাউন্সিল ঘোষণা করে, সাইবর্গ (রোবটটির নাম) সাড়ে ছ’ফুট উঁচু সিঁড়ি থেকে লাফিয়ে নীচে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার হয় তার ‘দেহ’। সাইবর্গ সিটি কাউন্সিল অফিসার হিসেবে কাজ করছিল। সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, রোবটটির মৃত্যু আদতে ‘আত্মহত্যা’ কিনা, তা জানা প্রয়োজন। ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে সিটি কাউন্সিলের অফিসার নির্বাচিত করা হয়েছিল এই রোবটটিকে। লিফ্ট ডেকে নিজেই ফ্লোরে চলাফেরা করতে পারত সাইবর্গ।

    কী বলছেন সাইবর্গের সহকর্মীরা? (Robot Committed Suicide)

    রোবটটির জন্ম ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক রুট স্টার্টআপ বিয়ার রোবোটিক্সে। সিটি কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা বলেন, “এটি দৈনিক নথি সরবরাহ, শহরে প্রচার এবং তথ্য সরবরাহে সহায়তা করত। অন্য যে কোনও স্থায়ী কর্মচারীর মতো সাইবর্গ সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত কাজ করত। এর সিভিল সার্ভিস অফিসার কার্ডও ছিল।” সাইবর্গের (Robot Committed Suicide) এক ‘সহকর্মী’ বলেন, “রোবটটি ছিল পরিশ্রমী কর্মীর মতো। এই মুহূর্তে গুমি সিটি কাউন্সিল অন্য কোনও রোবট অফিসার আনার কথা ভাবছে না।” দক্ষিণ কোরিয়ায় রোবোটিক প্রযুক্তি ব্যবহারের রমরমা। ইন্টার ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রোবোটিক্সের মতে, এ দেশে বিশ্বের সর্বোচ্চ রোবট ঘনত্ব রয়েছে। প্রতি দশজন মানব কর্মচারীর জন্য একটি করে শিল্প রোবট রয়েছে।

    কীভাবে আত্মহত্যা করতে পারে?

    রোবট একটি মেশিন। তার আবেগ থাকার কথা নয়। নেইও। সে কীভাবে আত্মহত্যা করতে পারে? প্রযুক্তিবিদদের মতে, রোবটটি আত্মহত্যা করেনি। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই সেটির ‘মৃত্যু’ হয়েছে। জানা গিয়েছে, রোবটটি এমন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছিল, যাতে সেটি কোনও অবস্থায়ই সিঁড়ির দিকে যেতে না পারে। তবে সাইবর্গ কীভাবে সিঁড়ির দিকে গেল, পড়েই বা গেল কীভাবে, সে প্রশ্ন উঠছে। সাইবর্গ যখন ‘আত্মহত্যা’ করে, তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওই কাউন্সিলের কয়েকজন কর্মী। তাঁরা জানান, সে এমনভাবে (South Korea) পাক খাচ্ছিল, যে তাকে আটকানো সম্ভব হয়নি। সেন্সর এড়িয়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায় সে। সেখান থেকে পড়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সাইবর্গ (Robot Committed Suicide)।

    আর পড়ুন: রথযাত্রায় জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় বিশেষ ছাপ্পান্ন ভোগ, কী এর মাহাত্ম্য?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Water Made From Sun And Air: সূর্যালোক ও বায়ু থেকে বোতলজাত জল উৎপাদন! বিরাট দাবি মার্কিন সংস্থার

    Water Made From Sun And Air: সূর্যালোক ও বায়ু থেকে বোতলজাত জল উৎপাদন! বিরাট দাবি মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যালোক ও বাতাস থেকে উৎপাদন করা জল আসছে মার্কিন বাজারে (USA)। পদ্ধতিটির নাম দেওয়া হয়েছে স্কাই ডব্লিউটিআর (Water Made From Sun And Air)। এমন উদ্যোগ নিয়েছে অ্যারিজোনার কোম্পানি, সোর্স। জানা গিয়েছে, এই পরিকল্পনা অবশ্য শুরু হয়েছিল এক দশক আগেই। অ্যারিজোনার স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এটা নিয়ে রিসার্চ শুরু করেন। তাঁরা হাইড্রো-প্যানেল প্রযুক্তি তৈরি করেন। জানা গিয়েছে, প্রতিটি প্যানেল দিনে সর্বোচ্চ ৩ লিটার পর্যন্ত পানীয় জল তৈরি করতে পারবে। অজস্র প্যানেল নিয়ে তৈরি হতে ওয়াটার ফার্ম। ইতিমধ্যে এমনই ওয়াটার ফার্ম গড়ে তোলা হয়েছে ফ্লোরিডায় (USA)। প্রতিদিন তিন হাজার লিটার জল উৎপাদন করা হয় সেখানে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের অগাস্ট অথবা সেপ্টেম্বরের মধ্যে সারা যুক্তরাষ্ট্র জুড়েই স্কাই ওয়াটার ব্র্যান্ডের অধীনে (Water Made From Sun And Air) এই জল ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যাবে।

    কীভাবে জল উৎপাদন করা হয় (Water Made From Sun And Air)

    হাইড্রোপ্যানেলের মাধ্যমে অফগ্রিড পদ্ধতিতে জল উৎপাদন করা যায়। প্রথমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে ফ্যান চালু করা হয়। এসব ফ্যান বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প টেনে নেয়। ডেসিক্যান্ট নামক জল শোষণকারী পদার্থ সেই জলীয় বাষ্প আটকে ফেলে। এরপর প্যানেলের সৌরশক্তি সেই জলীয় বাষ্পকে প্যানেলের ভেতরেই একটি সংরক্ষিত এলাকায় ছেড়ে দেয়। এতে ডিস্টিল্ড জল পাওয়ার জন্য বাতাসকে পাতিত করা হয়। এরপর ডিস্টিল্ড জল একটি প্রেশারাইজড ট্যাংকে পাঠানো হয় (Water Made From Sun And Air)। সেখানে জলের পিএইচের মাত্রা ঠিকঠাক করার পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো মিনারেল যোগ করা হয়।

    কী জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা

    অন্যতম উদ্যোক্তা কডি ফ্রিজেন (Water Made From Sun And Air) জানান, প্রতিটি প্যানেল দিনে ৩ লিটার পর্যন্ত খাবার জল উৎপাদন করতে পারে—যা একজন মানুষের দৈনিক গড় জল পানের সমান। এ ছাড়া প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক পরিবেশেও এ প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে কাজ করে। বিশ্বজুড়ে ৫৬টি দেশে হাইড্রোপ্যানেল স্থাপন করেছে কোম্পানিটি। এসব প্যানেল মাটিতে বা ছাদে যেকোনো জায়গায় স্থাপন করা যায়। তারপর বাড়ির পাইপের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া যায়, এভাবেই পাওয়া যাবে খাবার জল। আগামী বছরগুলোতে প্যানেলের দাম অনেকটা কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে কোম্পানির, যাতে স্থানীয়ভাবে পানি উৎপাদন আরও সাশ্রয়ী করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO Chief: রাষ্ট্রপ্রধান মোদিকে মহাকাশ অভিযানে পাঠাতে চান ইসরো প্রধান

    ISRO Chief: রাষ্ট্রপ্রধান মোদিকে মহাকাশ অভিযানে পাঠাতে চান ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে প্রথম মানব পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরো। মিশন গগনযান শুরু হতে পারে আগামী বছরেই। এনিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরো প্রধান (ISRO Chief) এস সোমনাথ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলেই খুব গর্বিত হব, যদি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে (PM Modi) মহাকাশে পাঠাতে পারি।’’ কিন্তু তিনি এও বলেন, ‘‘দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের (PM Modi)  আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’’ এর পাশাপাশি ইসরো প্রধান (ISRO Chief) আরও জানিয়েছেন, প্রথম গগনযান মহাকাশে একদিন স্থায়ী হতে পারে এবং নভোচররা পৃথিবীর ১৬টি কক্ষপথই ঘুরবেন।

    গগনযানের তিন ধাপ

    গগনযান মিশন সম্পর্কে ইসরো প্রধান (ISRO Chief) আরও জানিয়েছেন, প্রথমে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানো হবে। এরপরে সেই যানটিকে সাফল্যের সঙ্গে ফিরিয়ে আনা হবে। দ্বিতীয় ধাপে সরঞ্জামসহ অ্যালগরিদম সম্পর্কে একটি পরীক্ষা করা হবে। তৃতীয় ধাপে পরীক্ষামূলক অভিযান হবে। আগামী বছরের শেষের দিকে এই গগনযান মিশনের প্রথম পরীক্ষামূলক অভিযান সম্পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কোন চার মহাকাশচারীকে বাছল ইসরো (ISRO Chief)

    প্রসঙ্গত, গগনযান মিশনের জন্য ইতিমধ্যে চারজন নভোচারীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এস সোমনাথ (ISRO Chief) জানিয়েছেন, নির্বাচিত চার জনের মধ্যে আপাতত একজনকে মহাকাশে পাঠানো হবে। তবে প্রত্যেককেই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। যে চার জন নভোচারীকে বাছা হয়েছে তাঁরা হলেন, প্রশান্ত নায়ার, অঙ্গদ প্রতাপ, অজিত কৃষ্ণান এবং শুভাংশু শুক্লা।

    মিশন সফল করার জন্য ইসরো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে

    জানা গিয়েছে, গগনযানের প্রথম অভিযান সফল হলে পরবর্তীকালে ওই তিন মহাকাশচারীকে একসঙ্গে মহাকাশে পাঠাবে ইসরো। তাঁদেরকে সাত দিন মহাকাশে রাখা হবে। তারপর সাফল্যের সঙ্গে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, চলতি বছর গগনযান মিশনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। মিশনটি সফল করার জন্য ইসরো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা প্রত্যেকেই সুনীতা উইলিয়ামসকে নিয়ে গর্বিত। তাঁর ঝুলিতে অনেকগুলি অভিযানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নয়া মহাকাশযানে চড়ে প্রথম মহাকাশে যাওয়া খুবই সাহসিকতার কাজ।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) প্রধান এস সোমনাথ।

    ‘স্পেস স্টেশন অত্যন্ত নিরাপদ স্থান’ (ISRO)

    গত ৫ জুন সুনীতা এবং তাঁর অভিযানসঙ্গী বুচ উইলমারকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হয় ‘বোয়িং স্টারলাইনার’। গত ২৬ জুন তাঁদের ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, মহাকাশযানে হিলিয়াম গ্যাস লিক সহ একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাছেই একটি রুশ উপগ্রহে বিস্ফোরণ ঘটায় তার ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে. নাসা জানিয়ে দিয়েছে, এখনই পৃথিবীতে ফেরা হচ্ছে না সুনীতাদের। মার্কিন মহাকাশ সংস্থার আশঙ্কা, ৪৫ থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে সুনীতাদের ঘরে ফেরা।

    এপ্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ইসরো প্রধান বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সুনীতাদের ফেরা নিয়ে এত গভীর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থান। মহাকাশচারীরা দীর্ঘদিন সেখানে নিরাপদে ও সুস্থভাবে থাকতে পারেন। সমস্ত রকম বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে।” তিনি বলেন, “সুনীতা ছাড়াও সেখানে আরও ন’জন মহাকাশচারী রয়েছেন। তাঁরা কেউই আটকে নেই। এমন শব্দ প্রয়োগ অনুচিত।”

    ‘কোনও সমস্যাই নেই’

    ইসরো কর্তা বলেন, “কোনও না কোনওদিন সকলকেই ফিরে আসতে হবে। নয়া মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনকারের কর্মক্ষমতা যাচাই করতেই গিয়েছেন তাঁরা। কীভাবে সেটি মহাকাশে ঘুরপাক খেতে পারে, কীভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে, এগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” এই মহাকাশবিজ্ঞানী বলেন (ISRO), “মহাকাশচারীদের ফেরানোর নানারকম প্রযুক্তি রয়েছে ওই মহাকাশযানে। তাই কোনও সমস্যাই নেই। তাছাড়া মহাকাশচারীদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে অনেকদিন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    বোয়িং স্টারলাইনারের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ইসরো কর্তা বলেন, “যখন আমরা বোয়িং স্টারলাইনারের মতো কোনও মহাকাশযান তৈরি করি, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে সেটি অভিযান সেরে সফলভাবে পৃথিবীতে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে কিনা, তা যাচাই করে নেওয়া।” তিনি বলেন, “বোয়িং স্টারলাইনারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামানো হয়েছে বলেই আমার অনুমান।” সোমনাথ জানান, সুনীতা নিজেও ওই মহাকাশযানের ডিজাইন টিমে ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “আমরাও একটি নয়া মডেল তৈরি করছি। তাই বুঝতে পারছি সুনীতার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের থেকে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন সুনীতা। আমি কামনা করি, তিনি যেন সুস্থভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। পরে তাঁর এই অভিজ্ঞতার সাহায্যে নয়া মহাকাশযান তৈরিতে সাহায্য করুন।” ইসরো কর্তা বলেন, “মহকাশ অভিযান মানুষের জন্যই। বলা তো যায় না, হয়তো অন্য কোনও দেশের জন্য উদ্ধার কাজে যাবে ভারতের মহাকাশযান।”

    সোমনাথের কণ্ঠে ঝরে পড়ে প্রত্যয়। স্বাভাবিক। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে যে তামাম বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে ইসরোই (ISRO)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Scientific Discovery: মহাসাগর পেরোতে পারে প্রজাপতি, জানা গেল সাম্প্রতিক গবেষণায়

    Scientific Discovery: মহাসাগর পেরোতে পারে প্রজাপতি, জানা গেল সাম্প্রতিক গবেষণায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি প্রজাপতি কয়েক হাজার কিলোমিটার অতিক্রম করতে পারে, না থেকে না খেয়ে, ঠিক যেভাবে সাইবেরিয়ান পাখি করে? উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ পারে। সাম্প্রতিক গবেষণায় (Scientific Discovery) এমনই তথ্য উঠে এসেছে। জেরার্ড তালাভেরা নামে এক গবেষক প্রমাণ করেছেন যে প্রজাপতি (Butterfly) যা কয়েক লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে আছে, তারা মহাসাগর অতিক্রম করার ক্ষমতা রাখে।

     মহাসাগর পেরোতে পারে প্রজাপতি (Scientific Discovery)

    ২০২৩ সালের অক্টোবরের শেষের দিকের এক সকালে, জেরার্ড তালাভেরা নামে একজন কীটতত্ত্ববিদ, এক অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখেছিলেন। তিনি দেখেন ফ্রেঞ্চ গায়ানার একটি সমুদ্র সৈকতে এক ঝাঁক পেন্টেড লেডি প্রজাতি প্রজাপতি উড়ে বেড়াচ্ছে। পেন্টেড লেডি, বা প্রজাতি ভ্যানেসা কার্ডুই, বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত প্রজাপতিগুলির মধ্যে একটি। তবে এটি দক্ষিণ আমেরিকায় পাওয়া যায় না। তবুও সেখানে মহাদেশের পূর্ব উপকূলের বালিতে ওই প্রজাতির প্রজাপতিরা শুয়ে ছিল। তাঁদের ডানাগুলি ছিল ছিন্নভিন্ন। তাঁদের অবস্থার বিচার করে, স্পেনের ইনস্টিটিউট বোটানিক ডি বার্সেলোনায় কাজ করা ব্ল্যারি-চোখের তালাভেরা অনুমান করেছিলেন (Scientific Discovery) যে প্রজাপতিগুলি দীর্ঘ যাত্রাপথের ধাকায় ক্লান্ত, তবে ধীরে ধীরে থেকে সেরে উঠছিল।

    ইউরোপ থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত উড়তে পারে প্রজাপতি (Butterfly)

    এই পতঙ্গটি দীর্ঘ-দূরত্বের ভ্রমণের জন্য পরিচিত, নিয়মিতভাবে সাহারা অতিক্রম করে ইউরোপ থেকে সাব-সাহারান আফ্রিকা পর্যন্ত, ৯ হাজার মাইল পর্যন্ত জুড়ে এরা ঘুরে বেড়ায়। তবে এরা কি অ্যাটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে টানা ২,৬০০ মাইল যাত্রা করতে পারে, তাও না খেয়ে না থেমে, তালাভেরা এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছেন। পোকামাকড়ের দীর্ঘ পরিসরের গতিবিধি অনুসরণ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। রেডিও-ট্র্যাকিং ডিভাইসের মত সরঞ্জামগুলি পোকামাকড়ের ছোট এবং সূক্ষ্ম দেহের জন্য খুব বড় এবং র‍্যাডার শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অবস্থানগুলি পর্যবেক্ষণ করার অনুমতি দেয়। ভ্রমণের ধরণগুলিকে একত্রিত করার জন্য বিজ্ঞানীদের কিছুটা অনুমান এবং বিজ্ঞান নিয়ে যারা চর্চা করছেন এমন মানুষদের (Scientific Discovery) পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভর করতে হয়।

    জেনেটিক সিকোয়েন্সিং টুল থেকে এসেছে সাফল্য

    ২০১৮ সালে, তালাভেরা পরাগ ডিএনএ বিশ্লেষণের জন্য একটি জেনেটিক সিকোয়েন্সিং টুল ব্যবহার করার উপায় তৈরি করেছিলেন। তালাভেরা পরাগগুলির ডিএনএ ক্রমানুসার দেখার জন্য ডিএনএ মেটাবারকোডিং নামে একটি (Scientific Discovery) পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন এবং এগুলি কোন উদ্ভিদ থেকে এসেছে, তা নির্ধারণ করেছিলেন। পোকামাকড়ের পথ চার্ট করার জন্য ভৌগলিক উদ্ভিদে ডিএনএ সনাক্ত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: জানেন হাতিরাও নিজেদের মধ্যে নাম রাখে? একে অপরকে সেই ভাবেই সম্বোধন করে

    নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে, তালাভেরা এবং তাঁর দল আটকে থাকা প্রজাপতির রহস্য ভেদ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বর্ণনা করেছেন। ফ্রেঞ্চ গায়ানার প্রজাপতির গায়ে আঁকড়ে থাকা পরাগের সঙ্গে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলির ঝোপের ফুলের মিল রয়েছে। এই গুল্মগুলিতে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ফুল ফোটে, যা প্রজাপতির (Butterfly) আগমনের সময়রেখার সাথে মেলে। ফলে বোঝা যায় যে প্রজাপতিগুলি আটলান্টিক অতিক্রম করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    Sunita Williams: এখনও আটকে, কমছে জ্বালানি! মহাকাশে কী অপেক্ষা করছে সুনীতাদের জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট দিনের কর্মসূচি ছিল। কথা ছিল, ১৩ জুন ফিরে আসবেন। কিন্তু এখনও ফেরা সম্ভব হয়নি। মহাকাশে আটকে পড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও তাঁর সঙ্গী ব্যারি উইলমোর। কবে আবার পৃথিবীর মাটিতে পা রাখবেন সুনীতারা, তা অনিশ্চিত। নাসার (NASA) তরফে জানানো হয়েছে নিরাপদেই আছেন সুনীতারা। ৬ জুলাই তাঁরা ফিরবেন। আটদিনের অভিযান হয়তো শেষ হবে এক মাসে।  

    কেন আটকে সুনীতারা (Sunita Williams) 

    স্টারলাইন স্পেসক্র্যাফ্ট, যাতে করে সুনীতা-ব্যারি মহাকাশে গিয়েছিলেন, তাতে হিলিয়াম লিক করেছে। এজন্যই তাঁদের ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই যান্ত্রিক গোলযোগ মেরামতির চেষ্টা করছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, রওনা দেওয়ার পর থেকে বোয়িং ক্যাপসুলে পাঁচটি হিলিয়াম লিক হয়েছে, পাঁচটি ম্যানুভারিং থ্রাস্টার খারাপ হয়ে গিয়েছে এবং একটি ধীর গতির প্রপেলান্ট ভালভেও সমস্যা দেখা গিয়েছে।  

    ৫৪ বছর আগের স্মৃতি

    বোয়িং স্টারলাইনারের বর্তমান পরিস্থিতি নাসার ৫৪ বছর আগেকার ‘সফল ব্যর্থ’ মিশনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। ১৯৭০ সালে মহাকাশযানের একটি বিস্ফোরণের ফলে তিনজন মহাকাশচারী পৃথিবী থেকে দুই লাখ পাঁচ হাজার মাইল দূরে চাঁদের চারপাশে থেকে গিয়েছিলেন। এই মিশনটি ছিল অ্যাপোলো ১৩ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাঁদে অবতরণ করার তৃতীয় প্রচেষ্টা। সেই সময় ক্রুদের কাছে বেঁচে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছিল। সুনীতাদের কাছেও বিষয়টা হয়তো তাই। আপাতত সুনীতাদের (Sunita Williams) পৃথিবীতে সুরক্ষিত ল্যান্ডিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে গোটা বিশ্ব।

    আরও পড়ুন: নেট পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা! ওএমআর-এ নয়, পরীক্ষা হবে কম্পিউটারে

    কী বলছে নাসা

    জানা গিয়েছে, স্টারলাইনার মহাকাশযানটি খুব বেশিদিন মহাকাশে থাকতে পারবে না। মহাকশযানটির জ্বালানি ক্ষমতা সীমিত। নিরাপদে ফিরে আসা নিশ্চিত করতে স্টারলাইনার মাত্র ৪৫ দিন অপেক্ষায় থাকতে পারবে। এর চেয়ে বেশি সময় লাগলেই সংকট তৈরি হতে পারে। তবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সুনীতা উইলিয়ামস এবং ব্যারি উইলমোর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদেই আছেন। তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য রয়েছে। ত্রুটিমুক্ত রয়েছে যোগাযোগের সরঞ্জামও। নাসা (NASA) জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে মহাকাশযানটি যে কোনও সময়ে উড়তে পারে। সব সংকট কাটিয়ে ফিরে আসতে পারে পৃথিবী পৃষ্ঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    Sunita Williams: মহাকাশে আটকে সুনীতা উইলিয়ামস! কী সমস্যা, কীভাবে ফিরবেন পৃথিবীতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ‘আটকে’ রয়েছেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। তিনি ও তাঁর সহযাত্রী ব্যারি বুচ উইলমোর আপাতত ফিরতে পারবেন না পৃথিবীতে। এমনটাই জানিয়েছে নাসা (NASA)। প্রথমে জানা গিয়েছিল, ২৬ জুন তাঁরা ফিরবেন। কিন্তু এখন নাসা সূত্রে জানানো হয়েছে, আপাতত তাঁদের ফেরা সম্ভব নয়। ত্রুটি ধরা পড়েছে তাঁদের মহাকাশযানে। যে মহাকাশযানে তাঁরা গিয়েছিলেন তাতে আর ২৬ দিনের জ্বালানি বাকি রয়েছে। তাই সুনীতাদের পৃথিবীতে ফেরা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

    কেন আটকে সুনীতারা

    মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনারকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। গত ৫ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাড়ি দিয়েছিলেন সুনীতা (Sunita Williams)। উৎক্ষেপণের পরেই একাধিক যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে তাঁদের মহাকাশযানে। না ঘুমিয়ে নিজেরাই সেই ত্রুটি মেরামত করেন নভশ্চররা। এরপর যাবতীয় সমস্যা পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যায় তাঁদের মহাকাশযান। কিন্তু ফের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ছে তাঁদের যানে। তাই মহাকাশ স্টেশনেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাঁদের। জানা গিয়েছে সুনীতা উইলিয়ামস ও তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর, দুজনেই সেই আইএসএসে নিরাপদেই রয়েছেন। তাদের সঙ্গে আরও সাতজন ক্রু মেম্বার রয়েছেন। 

    ফিরবেন কবে?

    থ্রাস্টার ট্রাবল শুটিং এবং নির্ধারিত স্পেসওয়াকের কারণে মহাকাশযানটি ফেরত আসতে বিলম্ব হবে বলে জানিয়েছে সিএনএন। স্টিচের মতে, ‘আমাদের দলের ডেটা দেখার জন্য আরও কিছুটা সময় লাগবে, এরপর আমরা নিশ্চিত করব যে আমরা সত্যিই বাড়িতে আসতে প্রস্তুত।’ বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল ক্রু প্রোগ্রামের প্রধান মার্ক নাপ্পি বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি। এক্ষেত্রে স্টেশনে থেকে আরও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’ একবার নাসা মহাকাশচারীদের ফিরে আসার সবুজ সংকেত দিলে, স্টারলাইনারের থ্রাস্টারগুলি আইএসএস থেকে ক্যাপসুলটিকে আনডক করতে ব্যবহার করা হবে। এরপর ছয় ঘণ্টায় পৃথিবীতে পৌঁছে যাবেন সুনীতারা (Sunita Williams)। তাঁরা ৬ জুলাই পৃথিবীতে ফিরতে পারেন।

    মহাকাশযান যদি ব্যর্থ হয়

    নাসা (NASA) বলেছে যে প্রপালশন সিস্টেমে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও স্টারলাইনার মহাকাশচারীদের সঙ্গে করে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সক্ষম। স্টারলাইনারকে সম্পূর্ণ অকেজো ঘোষণা করা হলে স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগনের মাধ্যমে মহাকাশচারীদের ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। মার্চ মাসে, ক্রু ড্রাগন চার নভোচারীকে মহাকাশ স্টেশনে নিয়ে যায়। জরুরী পরিস্থিতিতে, ক্রু ড্রাগনে আরও নভোচারী বসানো যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: “সংসদীয় ইতিহাসের স্বর্ণালী সময়”, স্পিকার পদে ওম বিড়লাকে স্বাগত মোদির

    কল্পনার স্মৃতি

    ২০০৩ সালের ১৬ জানুয়ারি মহাকাশ অভিযান শেষ করে স্পেস শাটল কলম্বিয়ায় পৃথিবীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন কল্পনা চাওলা ও তাঁর সঙ্গীরা। ১লা ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর মাটি ছোঁয়ার ১৬ মিনিট আগে ভেঙে পড়ে কলম্বিয়া। মৃত্যু হয় কল্পনা-সহ বাকি নভোশ্চরদের। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, মহাকাশযান সবদিক থেকে ঠিকঠাক ছিল। খালি হাইড্রোলিক ট্যাঙ্কের তরল দ্রুত কমে আসছিল। এতেই মহাকাশযানের সেন্সর সিস্টেমে গড়বড় শুরু হয়। এবার মহাকাশে আটকে রয়েছেন আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এর আগে ২০০৬ ও ২০১২ সালে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সুনীতা (Sunita Williams)। সব মিলিয়ে ৩২২ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তিনি শুধু ভারতীয় বংশোদ্ভূত নন, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তাই তাঁকে উদ্বিগ্ন ভারতও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darknet: ডার্কনেট কী? কেনই বা একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

    Darknet: ডার্কনেট কী? কেনই বা একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্ক নেট বা ডার্কনেট (Darknet) হল ইন্টারনেটের মধ্যে একটি ওভারলে নেটওয়ার্ক যা কেবল নির্দিষ্ট সফ্টওয়্যার, কনফিগারেশন অনুমোদনের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। এই প্রায়ই একটি অনন্য কাস্টমাইজড যোগাযোগ প্রোটোকল ব্যবহার করে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে জার্মান প্রশাসন ডার্কমার্কেট বন্ধ করে দেয়। ডার্কনেটের মধ্যে এটিই ছিল সম্ভবত সব চেয়ে বড় অবৈধ মার্কেটপ্লেস।

    ‘ডার্কনেট’

    ‘ডার্কনেট’ শব্দটি প্রথম চালু হয় ১৯৭০ সালে, কিছু নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ককে আলাদা করতে। এই নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে রয়েছে আরপানেট-ও। ডার্কনেটের (Darknet) ঠিকানাগুলি আরপানেট থেকে ডেটা গ্রহণ করবে। তবে এটি সাধারণ নেটওয়ার্কের অধীনে তালিকাভুক্ত হবে না বা কোনও পিংয়ের উত্তর দেবে না। ১৯৭০ সালে শব্দটি (Darknet) চালু হলেও, জনপ্রিয়তা লাভ করে ২০০২ সালে। মাইক্রোসফ্টের চার কর্মচারী পিটার বিডল, পল ইংল্যান্ড, মার্কাস পেইনাডো এবং ব্রায়ান উইলম্যানের একটি গবেষণাপত্র ‘দ্য ডার্কনেট অ্যান্ড দ্য ফিউচার অফ কন্টেন্ট  ডিস্ট্রিবিউশন’ প্রকাশ্যে আসার পর। তাঁদের যুক্তি, ডার্কনেট প্রযুক্তির বিকাশের পক্ষে হুমকি স্বরূপ। এটি কপিরাইট লঙ্ঘনকে অনিবার্য করে তুলেছিল। ডার্কনেটকে যে কোনও ধরনের সমান্তরাল নেটওয়ার্ক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি এনক্রিপ্ট করতে পারে। এটি অ্যাক্সেস করার জন্য ইউজারের প্রয়োজন হয় একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকলের।

    ডার্কনেটের সুবিধা

    ডার্কনেট গণ নজরদারি থেকে নাগরিকদের গোপনীয়তার সুরক্ষা দেয়। হ্যাকিং, ফিশিং সহ নানা সাইবার ক্রাইম করতে সাহায্য করে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ভিন্নমতাবলম্বীদের সুরক্ষা দেয়। পাবলিক ডোমেনে শ্রেণিবদ্ধ তথ্যের হুইসেলব্লোয়িং এবং খবর ফাঁসে সাহায্য করে। অবৈধ পণ্য ও পরিষেবা ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। নেটওয়ার্ক সেন্সরশিপ, বিষয়বস্তু-ফিল্টারিং সিস্টেম ও সীমিত ফায়ারওয়াল নীতিগুলিকে বাইপাস করে।

    আর পড়ুন: “জনতা কাজ চায়, স্লোগান নয়”, লোকসভা অধিবেশনের আগে বললেন মোদি

    ডার্কনেটের সঙ্গে ডিপওয়েবের পার্থক্য রয়েছে। বিশ্বের সিংহভাগ ডিজিটাল কন্টেট ভায়া ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন অ্যাক্সেস করে না। অন্যদিকে, ডিপওয়েবে রয়েছে কলোসাল অ্যামাউন্ট অফ ইনফর্মেশন। এতে অনলাইনের প্রায় সব ধরণের কাজ করা যায়। ডিপওয়েবকে ডেইলি রুটিনের অঙ্গীভূত করা যায়। ইমেল অ্যাকাউন্ট লগইন করা, অনলাইন ব্যাঙ্কিং ডিটেইলস চেক করা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা – এসবই করা যায় ডিপওয়েবে। ডিপওয়েবের উপাদানগুলি হল ডেটাবেস, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, ইমেল, ইন্টারনেট, ফোরাম, পেওয়াল প্রোটেকটেড কনটেন্ট। মনে রাখতে হবে, ডার্কওয়েবের অরিজিনে কেউ পিনপয়েন্ট করতে পারে না (Darknet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ২৩ জুন তৃতীয়বার সফল অবতরণ করল ইসরোর (ISRO) পুষ্পক। এটি আদতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য একটি মহাকাশযান। মহাকাশ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল’। ইসরোর বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছেন ‘পুষ্পক’। পৌরাণিক আখ্যানে যে পুষ্পক রথের কথা বলা হয়েছে, তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে এই রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যালের।

    ‘পুষ্পকে’র অবতরণ (ISRO)

    ‘আরএলভি এলইএক্স-০৩’ নামে পরিচিত এই মিশনটি কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জ থেকে পরিচালনা করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক হেলিকপ্টার থেকে ৪. কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় পুষ্পককে। ইসরোর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এলইএক্স-০৩ সিরিজের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছিল ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭টা ১০ মিনিটে। কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। দ্রাঘিমা ও পার্শ্বীয় সমতল ত্রুটি সংশোধনের জন্য মিশনটিতে উন্নত নির্দেশিকা যুক্ত অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়েছে।

    এক ঢিলে মরবে একাধিক পাখি

    এই মিশনে আগেরবারের মিশন আরএলভি এলইএক্স-০২-র উইং বডি এবং ফ্লাইট সিস্টেমগুলি ব্যবহার করা হয়েছে। এই মিশনটি ইসরো (ISRO), ভারতীয় বিমান বাহিনী ও অন্য কয়েকটি সংস্থার একটি যৌথ প্রচেষ্টা। ইসরোর এই মিশন সফল হওয়ায় এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মরবে। প্রথমত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য যান হওয়ায় মহাকাশে দূষণ কমবে। সর্বোপরি, মহাকাশ অভিযানের খরচ একলপ্তে কমে যাবে অনেকখানি। ইসরো সূত্রের দাবি, ‘পুষ্পকে’র মতো আরএলভিকে মহাকাশ থেকে মাটিতে ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি ভারতের হাতে এসে গিয়েছে। পরে সেটিকে আবারও মহাকাশে ফেরত পাঠানো যাবে।

    আর পড়ুন: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ‘পুষ্পক’ মিশন সফল হওয়ায় টিম ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “পুষ্পকের সফল অবতরণ হ্যাটট্রিক করেছে। এটা ইসরোর বড় সাফল্য। পুষ্পকের অরবিটাল টেস্ট চলছে। মহাকাশে এটিকে একটি রকেটে লঞ্চ করা হবে। তাহলেই এটি নিরাপদে ফিরে আসবে পৃথিবীতে।” তিনি বলেন, “এটি প্রকৃতই একটি গেম চেঞ্জার প্রযুক্তি। এতে মহাকাশে যান পাঠানো অনেক সস্তা হয়ে যাবে। এটি ইসরোর আত্মনির্ভর প্রচেষ্টার সুফল। একবিংশ শতাব্দীতে সম্পূর্ণ স্বদেশি পথে লঞ্চ করা হল রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল পুষ্পকের।” ভিএসএসসির ডিরেক্টর এস উন্নীকৃষ্ণণ নায়ার বলেন, “এই ধারাবাহিক সাফল্য ভবিষ্যতের অরবিটাল রি-এন্ট্রি মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির প্রতি ইসরোর আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Elephant Voice: জানেন হাতিরাও নিজেদের মধ্যে নাম রাখে? একে অপরকে সেই ভাবেই সম্বোধন করে

    Elephant Voice: জানেন হাতিরাও নিজেদের মধ্যে নাম রাখে? একে অপরকে সেই ভাবেই সম্বোধন করে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতিদেরও (Elephant Voice) নাম রয়েছে এবং তারা একে অপরকে সেই নামেই সম্বোধন করে। নিজেদের মধ্যে ভাব বিনিময় করে। সম্প্রতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিজ্ঞানীরা এমনই তথ্য জানতে পেরেছেন। অর্থাৎ হাতিদের ভাব বিনিময় ঠিক একেবারে মানুষের মতোই এবং তা অন্যান্য প্রাণীদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। চলতি জুন মাসের ১০ তারিখ নেচার জার্নালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছিল। সেখানেই উল্লেখ করা হয় যে আফ্রিকা মহাদেশের হাতিরা একে অপরকে আলাদা আলাদা ভাবে নির্দিষ্ট নামে ডেকে সম্মোধন করে ও ভাব বিনিময় করে। প্রসঙ্গত, এই সংক্রান্ত গবেষণাটি চালান কলরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বেশ কিছু প্রাক্তনী।

    আফ্রিকান হাতিরা তাদের বাচ্চাদের নামও রাখে এবং সেই নামে সম্বোধন করে 

    আরও চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে গবেষণায়, আফ্রিকান হাতিরা তাদের বাচ্চাদের নামও রাখে এবং সেই নামে সম্বোধন করে। তাদের সঙ্গে ভাব বিনিময় করে। শুধু তাই নয়, এই নামগুলি সঙ্গে মানুষের দেওয়া নামের যথেষ্ট মিল রয়েছে বলে দাবি গবেষকদের। হাতিদের ডাকার নাম ধরে এক হাতি অপর হাতিকে ঠিক চিনতেও পারে। গবেষকদের আরও দাবি, কখনও কখনও একটি হাতি যখন অন্য হাতির দলকে ডাকে, তখন সবাই একসঙ্গে সাড়া দেয় কিন্তু যখন সেই একই হাতি (Elephant Voice) নির্দিষ্ট হাতির উদ্দেশে ডাক দেয় তখন শুধু সেই হাতিই সাড়া দেয়। 

    হাতির ডাকগুলিতে একটি নাম সদৃশ্য উপাদান রয়েছে

    এই গবেষণায় গবেষকরা আফ্রিকা মহাদেশের অ্যাম্বসেলি ন্যাশনাল পার্ক রিজার্ভের ১০০টিরও বেশি হাতির (Elephant Voice) কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণ করেছেন। সেখানে দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ হাতিই তাদের ভোকাল কর্ডকে ব্যবহার করে ডাকাডাকি করতে। ওই কণ্ঠস্বরকে বিশ্লেষণ করে আরও জানা গিয়েছে যে হাতির ডাকগুলিতে একটি নাম সদৃশ উপাদান রয়েছে যা একটি মাত্র নির্দিষ্ট হাতিকেই চিহ্নিত করেন।

    কী বলছেন গবেষকরা? 

    কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটি প্রাক্তনী তথা গবেষক মিকি পারডোর মতে, হাতিরা একে অপরকে ব্যক্তি হিসেবে সম্বোধন করে যা তাদের মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরি করে। দূরবর্তী হাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য তারা নির্দিষ্ট কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে এবং এটি অনেকটা মানুষের মতোই। গবেষকদের এও দাবি যে নতুন এই সমীক্ষা তুলে ধরে যে হাতিরা ঠিক কতটা বুদ্ধিমান! গবেষকরা হাতির (Elephant Voice) গর্জনের একটি অডিও রেকর্ডিং শুনিয়েছিল ১৭টি হাতিদের একটি দলকে। তখন দেখা যায় নির্দিষ্ট কিছু শব্দতে আলাদা আলাদা হাতি প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে এবং অন্যান্য হাতির দিকে তাকাচ্ছে।

    মানুষ কি একদিন হাতির সঙ্গে কথা বলতে পারবে?

    কৌতূহল জাগছে তবে কি মানুষ একদিন হাতির (Elephant Voice) সঙ্গে কথা বলতে পারবে? এনিয়ে অবশ্য গবেষকরা বলছেন, এটি যদি হয় তাহলে তা অবশ্যই চমৎকার বিষয় হবে। তবে এখনও তা থেকে আমরা অনেকটা দূরে আছি। কারণ আমরা এখনও মৌলিক উপাদানগুলি জানিনা যার দ্বারা হাতির কণ্ঠস্বরের তথ্য এনকোড করে। আগে হাতিকে বোঝানোর মত কণ্ঠস্বর তথ্যকে এনকোড করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share