Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Deepfake AI: গোটা পৃথিবীতে চলছে AI যুগ, ডিপফেক কত বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে?

    Deepfake AI: গোটা পৃথিবীতে চলছে AI যুগ, ডিপফেক কত বড় বিপদ ডেকে আনতে চলেছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান প্রযুক্তি (Deepfake AI) আশীর্বাদ না অভিশাপ? এই প্রশ্ন এখন সবার মনে। গোটা পৃথিবীতে এখন AI যুগ চলছে বলা যেতেই পারে। কিন্তু এই প্রযুক্তিই যখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেটিকে আশীর্বাদ না বলে কি অভিশাপ বলাটাই শ্রেয়? এক অন্য বিশেষ কারণের জন্য তৈরি কোনও প্রযুক্তিকে যখন খারাপ কাজে ব্যবহার করা হয়, তখন তা হয়ে ওঠে অতি ভয়ানক। কিছুদিন আগের ঘটনা। ‘পুষ্পা’ সিনেমা খ্যাত অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দনার একটি বিকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাঁর মুখকে অন্য কোনও অশ্লীল ভিডিও-র সাথে বসিয়ে একটি ফেক ভিডিও তৈরি করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়। যেটি দেখে হুবহু অভিনেত্রীকে মনে হলেও কিন্তু তিনি নন। শুধু অভিনেত্রী নয়, অন্যান্য অনেক মহিলাকে নিয়ে এভাবে আপত্তিকর ভিডিও বানিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়ে ব্লাকমেইলিং করা হয়। 

    কী এই ডিপফেক পদ্ধতি? (Deepfake AI)

    ডিপফেক পদ্ধতি এমন এক আধুনিক প্রযুক্তি, যেখানে AI কে কাজে লাগিয়ে যে কোনও অডিও বা ভিডিওতে কারচুপি করা সম্ভব। আরও সহজ ভাবে বলতে গেলে, এই ডিপফেক-এর সাহায্যে এমন ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা যায়, যেটি দেখতে একদম আসলের মতো। এই ডিপফেক-এর সাহায্যে কোনও অশ্লীল ভিডিওতে উপস্থিত মানুষের চেহারা বদল করে মানুষকে ব্লাকমেইলিংয়ের  মতো ঘটনা বরাবর ঘটে চলেছে। 

    এই ডিপফেক কোথায় ব্যবহৃত হয়?

    এই ডিপফেক পদ্ধতি (Deepfake AI) তৈরি করা হয়েছিল সাধারণত বিনোদনের জন্য। যার উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কাছে এমন কিছু তুলে ধরা, যা বাস্তবে ঘটেনি, কিন্তু সেটিকে এই পদ্ধতির মাধ্যমে করে দেখানো। বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্পে এই পদ্ধতি অনেক জায়গায় ব্যাবহার করা হয়। মৃত ব্যক্তি বা পূর্বপুরুষদের জীবন্ত ভিডিও তৈরিতেও এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু ২০১৯ এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী অনলাইনে পাওয়া ডিপফেক ভিডিওর ৯৭ শতাংশই অশ্লীল ভিডিও। বিশেষ করে পর্নোগ্রাফিতে এই ডিপফেক পদ্ধতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মুখমণ্ডল ও চেহারা পাল্টে অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছে। শুধু এখানেই থেমে নেই, এই ডিপফেক এখন রাজনীতিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে। কোনও বিরোধী পার্টিকে আক্রমণ করার জন্য সেই পার্টির কোনও ভিডিওকে এই পদ্ধতির মাধ্যমে বিকৃত করে ইন্টারনেটে পোস্ট করা হচ্ছে। এই ধরনের বহু ভিডিও আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে পাওয়া যায়।

    ডিপফেক শনাক্ত করার উপায় কী?

    এই ডিপফেককে শনাক্ত করার জন্য বিশেষ কিছু দিকে নজর দিতে হয়। বেশিরভাগ ডিপফেক (Deepfake AI) পুরোপুরি কোনও বিষয়কে নকল করতে পারে না। যার মধ্যে কিছু জিনিস হল মানুষের চুল, নাক, কান। আবার কোনও সময় দেখা যায় অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরও চোখের পলক পড়ছে না। তাছাড়াও কনটেন্ট কালারিং বিষয়টি ভালোভাবে নজর করলে দেখা যায় সেটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আরও অনেক পদ্ধতি আছে যার সাহায্যে এই ডিপফেককে শনাক্ত করা যায়। বর্তমানে ডিপফেকের কিছু আপত্তিকর জিনিস থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সাইবার সুরক্ষার সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Headless Chicken: দেড় বছর বিনা মুণ্ডতেই বেঁচে ছিল ‘মাইক’! তাজ্জব বিজ্ঞানী মহল

    Headless Chicken: দেড় বছর বিনা মুণ্ডতেই বেঁচে ছিল ‘মাইক’! তাজ্জব বিজ্ঞানী মহল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত আশ্চর্য কত কিছু ঘটে চলেছে। তার মধ্যে কিছু ঘটনা আমাদের সত্যি ভাবিয়ে তোলে, যার ব্যাখ্যা অভিজ্ঞরাও দিতে হিমশিম খান। কল্পবিজ্ঞানের নানা জিনিস মানুষ দেখতে খুবই পছন্দ করেন। কিন্তু কল্পবিজ্ঞানের জিনিস যদি বাস্তব দুনিয়াতেও ঘটে, তাহলে কেমন হয়? হ্যাঁ, বাস্তবে এমন এক ঘটনাই ঘটেছিল পৃথিবীতে, যা বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলেছিল। ঘটনাটি হল, একটি মুরগি প্রায় দেড় বছর বিনা মুণ্ডতেই বেঁচে ছিল (Headless Chicken)। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। আজ জানব সেই মুণ্ডহীন মুরগির সম্বন্ধে।

    কীভাবে প্রকাশ্যে এল ওই ঘটনা? (Headless Chicken)

    সালটা ১৯৪৫, কলোরাডোর স্বাভাবিক দৈনন্দিন সকালের মতোই একটি সকাল। এই অঞ্চলের ফ্রুটা শহরে মুরগির মাংস সরবরাহ করতেন এক দম্পতি লয়েড ওলসেন ও তাঁর স্ত্রী ক্লারা। এক দিন তাঁরা প্রায় চল্লিশটি মুরগি কেটে সাপ্লাই করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তখনই হঠাৎ তাঁদের নজরে পড়ে, ধড় থেকে মাথা আলাদা হয়ে গেলেও মুণ্ডহীন ভাবেই হেঁটে আসছে একটি মুরগি। তখন এই দৃশ্য দেখে যথারীতি অবাক হন দম্পতি। প্রথমে স্বাভাবিক মনে হলেও এটি মারা যাওয়ার অপেক্ষায় একটি বক্সে ভরে ঘুমাতে যান তাঁরা। পরের দিন সকালে উঠে বাক্স খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তাঁদের। দেখা যায়, মুরগিটি তখনও পর্যন্ত জীবিত অবস্থাতেই রয়েছে। এই অবাক করা খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহর জুড়ে। রাতারাতি সব কিছু বদলে যায়। সাংবাদিকদের ভিড় জমতে শুরু করে এই অলৌকিক জিনিস দেখার জন্য। একটি মুরগি (Headless Chicken) কীভাবে নিজের মুণ্ড ছাড়াও এভাবে বেঁচে থাকতে পারে? এভাবে প্রায় কয়েকদিন কেটে গেলেও মুণ্ডহীন ভাবেই মুরগিটি জীবিত অবস্থায় থাকে এবং মুরগিটি একটি নাম রাখা হয় “মাইক”। এই মাইককে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রদর্শনীর জন্য নিয়ে যেতে থাকেন লয়েড। যথারীতি যত্ন নেওয়া হয় মাইক-এর। গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে “Mike the headless chicken” এর কথা। কিন্তু এই অসম্ভব সম্ভব হল কী করেে, তা নিয়ে যথারীতি হইচই পড়ে যায় বিজ্ঞানী মহলে। কিন্তু এই মুণ্ডহীন মুরগিটির মতো অন্য মুরগি তৈরি করতে বার বার ব্যর্থ হন বিজ্ঞানীরা।

    কীভাবে অসম্ভব সম্ভব হল? (Headless Chicken)

    এটি কোনও জাদু না অলৌকিক ঘটনা, তা নিয়ে মাথাব্যথা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। অনেক গবেষণা শুরু হয়, কীভাবে একটি মুরগি মুণ্ড ছাড়াও এভাবে এক বছর বেঁচে থাকতে পারে! মাইক মুরগিটিকে লিকুইড খাবার ড্রপারে করে মুখে থাকা ছিদ্রের মাধ্যমে খাওয়াতেন। কীভাবে এই সব কিছু সম্ভব হচ্ছিল, তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা তদন্ত শুরু করেন এবং অনেক গবেষণায় দেখা যায়, যেদিন সকালে ওই দম্পতি মুরগিটিকে মাথায় কোপ মেরেছিলেন, সেদিন মুরগিটির (Headless Chicken) মুখের সামনে অংশ বাদ গেলেও মস্তিষ্কের গুরু অংশটি অক্ষত অবস্থাতেই রয়ে যায়। মস্তিষ্কের প্রায় ৮০ শতাংশ বেঁচে যায় সেই সময়। কারণ মুরগির মস্তিষ্কের অংশ মূল মুখমণ্ডলের থেকে অনেকটাই পিছন দিকে থাকে। আর মুরগিটির অর্থাৎ মাইকের মস্তিষ্কের এই অংশটিই শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদ্‌স্পন্দন, খিদে, হজমের মতো সমস্ত শারীরিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করত। মাথা না থাকায় ড্রপারের সাহায্যে তরল খাবার ঢেলে দিতেন লয়েড। আর ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতেন লয়েড। ফলে আশ্চর্যজনক ভাবে মাইক মুণ্ডহীন ভাবেই বেঁচে যায় দিব্যি।

    কবে ও কীভাবে মৃত্যু ঘটে মাইকের? (Headless Chicken)

    ১৯৪৭ সালে লয়েড দম্পতি একবার মাইককে নিয়ে পশ্চিম আমেরিকার ফিনিক্স শহরে এক প্রদর্শনীতে যান। সেখানে সব শেষে হোটেলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তাঁরা। হঠাৎ এক শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। দেখেন, দম আটকে প্রায় শেষ অবস্থা মাইকের। পরে দেখা যায় গলায় খাবার আটকে দম বন্ধ হয়ে যায় মাইকের। আর সেদিনই মৃত্যু ঘটে মাইকের। এই অস্বাভাবিক ঘটনার জন্য আজও সেলিব্রিটি মুণ্ডহীন মুরগি মাইক জনপ্রিয় হয়ে আছে গোটা পৃথিবী জুড়ে। প্রায় দেড় বছর এভাবে বেঁচে ছিল মুরগিটি। শুধু একটি দিন কীভাবে আর সাধারণ মুরগির থেকে মাইকের জীবন আলাদা করে দেবে, কারও তা জানা ছিল না। গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে “Mike the Headless chicken” এর কথা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Artificial Intelligence: চাকরিজীবীদের কাছে হুমকি হবে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জানালেন নারায়ণ মূর্তি

    Artificial Intelligence: চাকরিজীবীদের কাছে হুমকি হবে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জানালেন নারায়ণ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স চাকরিজীবীদের কাছে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে! এমনটা ভাবেন না ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এনআর নারায়ণ মূর্তি। তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (Artificial Intelligence) বিজ্ঞানের একটি বড় আবিষ্কার বলেই মনে করেন। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যে আগামী দিনে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি বড় জায়গা নিতে চলেছে তাও মনে করেন নারায়ণ মূর্তি। একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা বলতে শোনা যায় নারায়ণ মূর্তিকে।

    আরও পড়ুন: গাজার হাসপাতালে ইজরায়েলি সেনার প্রবেশ, হদিশ মিলল হামাসের অস্ত্রভাণ্ডারের

    সমস্যার সমাধানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স…

    দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার সমাধানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) যে একটি বড় টুল বা ইনস্টলমেন্ট হয়েছে এ কথা জানান ইনফোসিস কর্তা। চ্যাট-জিপিটি থেকে অ্যালগরিদম এসব কিছুতেই ডেটার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, মানুষের মন এবং বুদ্ধি হল সব থেকে বড় ইন্সট্রুমেন্ট যেকোনও সমস্যা সমাধানের। তিনি জানান,মানববুদ্ধির সাহায্যে যখনই আপনি চিন্তা করবেন কোনও বড় কিছুর এবং জটিল সমস্যার সমাধানের তার বিকল্প সবসময় এআই হবে না।

    আরও পড়ুন: বিরসা মুন্ডার জয়ন্তীতে আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন দ্রৌপদী মুর্মু, শুভেচ্ছা বার্তা মোদির

    অশুভ শক্তির হাতে যেন না ওঠে এআই

    আগামীদিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, এটাকেও স্বাগত জানিয়েছেন নারায়ণ মূর্তি। তিনি বলেন জানান, অনেক কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলিতে মানুষ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ব্যবহার করতে পারছে। এছাড়াও রোবোটিক্স সায়েন্সের ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে বলেন নারায়ণ মূর্তি। কিন্তু এর পাশাপাশি এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি যেন কোনোভাবেই অশুভ শক্তির হাতে না পৌঁছায় সে ব্যাপারেও সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইনফোসিস কর্তা।

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal Earthquake: এটাই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হতে পারে নেপালে, কেন জানেন?

    Nepal Earthquake: এটাই শেষ নয়, আরও ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হতে পারে নেপালে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মাঝরাতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুলে ওঠে নেপাল (Nepal Earthquake)। ভূমিকম্পে মৃতের  সংখ্যা ছাড়িয়েছে একশোরও বেশি। ৩ নভেম্বর রাতের এই ভূমিকম্প যেন ২০১৫ সালের নেপালের ভয়াবহতার স্মৃতিকে ফের একবার উস্কে দিল। গত এক মাসে টানা চারবার ভূমিকম্পের (Nepal Earthquake) ঘটনা ঘটল নেপালে। প্রতিবারই নেপালের ভূমিকম্পের আঁচ পড়ে উত্তর ভারত সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। গতকালের ভূমিকম্পেও কেঁপে উঠেছে রাজধানী দিল্লি সহ উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের একাংশ। ভূমিকম্পের আঁচ থেকে বাদ যায়নি তিলোত্তমাও। কম্পন অনুভূত হয়েছে কলকাতাতেও। তবে বিশেষজ্ঞরা আরও আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন। 

    ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা থাকছেই নেপালে

    এমনিতেই পৃথিবীর মধ্যে ১১তম ভূকম্পনপ্রবণ রাষ্ট্র হল নেপাল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এটাই শেষ নয় এমন কম্পনের আশঙ্কা বজায় থাকবে! তাঁদের মতে, ৩ নভেম্বর নেপালে যে অংশে ভূমিকম্প হয়েছে তার উৎসস্থল দোতি জেলার কাছে। অন্যদিকে, ঠিক এক মাস আগে গত ৩ অক্টোবর ওই জেলারই আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকবার কম্পন অনুভূত হয়েছে। এই জেলা নিয়েই আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২০২২ সালের নভেম্বর মাসেও ওই একই এলাকায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নেপাল। সেই কম্পনে তিনজনের মৃত্যুর খবরও আসে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৩। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয়ের নিকটবর্তী ভূখণ্ডে যেকোনও সময় ভয়াবহ ভূমিকম্প (Nepal Earthquake) আবার হতে পারে। কারণ ওই অংশে ইন্ডিয়ান টেকটনিক প্লেট এবং ইউরাশিয়ান প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে।

    ইন্ডিয়ান প্লেট সরছে উত্তর দিকে

    সৃষ্টির প্রথমে অর্থাৎ চার থেকে পাঁচ কোটি বছর আগে ভারত মহাসাগর থেকে ইন্ডিয়ান প্লেটের উৎপত্তি হয়। এই ইন্ডিয়ান প্লেট যখন উত্তর দিকে সরতে থাকে তখনই ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা শুরু হয়। দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই তৈরি হয় হিমালয় পর্বতমালা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ইন্ডিয়ান প্লেট আবার উত্তর দিকে সরতে শুরু করেছে। যার ফলে নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে। কোনও বড় রকমের ভূমিকম্প (Nepal Earthquake) হওয়ার পরেই এই চাপ মুক্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কখন সেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হবে! তা ঠিক বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাই আশঙ্কা থাকছেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Scientist: বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় সবংয়ের চিন্ময় চক্রবর্তী! টানা ৩ বার শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

    Scientist: বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় সবংয়ের চিন্ময় চক্রবর্তী! টানা ৩ বার শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য প্রকাশিত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের (Scientist) তালিকায় এবারও জায়গা পেলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের ‘ভূমিপুত্র’ অধ্যাপক চিন্ময় চক্রবর্তী। এই নিয়ে টানা ৩ বছর আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত পৃথিবী-বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় জায়গা পেলেন সবংয়ের কৃতি সন্তান চিন্ময়। গত ৪ অক্টোবর বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উদ্ধৃতি, এইচ-ইনডেক্স, এইচএম-ইনডেক্স ইত্যাদির ভিত্তিতে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র তরফে। ২০২১, ২০২২-র পর এবারও সেই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন আইআইটি খড়্গপুরের এই প্রাক্তনী। বর্তমানে তিনি ঝাড়খণ্ডের বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে অধ্যাপনা করছেন।

    উত্তরণের কাহিনি (Scientist)

    উল্লেখ্য, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার পানিথর গ্রামের বাসিন্দা অধ্যাপক চিন্ময় চক্রবর্তী ১৯৯৯ সালে পিংলার কড়কাই বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক এবং ২০০১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক  পাশ করেন। প্রথম থেকেই মেধাবী চিন্ময় ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। এরপর, খড়্গপুর আইআইটি থেকে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর রিসার্চ করেন এবং ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অফ পিয়াও, ব্রাজিল থেকে পোস্ট ডক্টরেট করেন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর। চলতি বছরই ডক্টর চিন্ময় ইউরোপিয়ন ফেলোশিপের মাধ্যমে গবেষণার জন্য ইউরোপে যান। সেখানে ইউনিভার্সিটি অফ মলটা এবং ইউনিভার্সিটি অফ বারি-তে ইন্দো-ইউরোপিয়ান গবেষণার উপর কাজ করেন (Scientist)।

    কীসের ওপর গবেষণা? (Scientist)

    বছর ৪০’র অধ্যাপক চিন্ময় চক্রবর্তী গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ বিষয়ে গবেষণা করে চলেছেন। চলতি বছরের অগাস্ট মাসে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে আয়োজিত একটি কর্মশালাতে এই বিষয়ে প্রধান বক্তাও ছিলেন তিনি। বর্তমানে, জাতীয় শিক্ষানীতির প্রয়োগ সম্পর্কিত প্রকল্পে কাজ করে চলেছেন ডক্টর চক্রবর্তী। হোসাই ইউনিভার্সিটি (জাপান), লাউসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি, দ্য ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডা আমেরিকা, আইআইটি খড়্গপুর এবং IISER, কলকাতার নানা গবেষণা কর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন চিন্ময়। চলতি বছরের জুন মাসে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া)-র পক্ষ থেকে তাঁকে ‘প্রমিনেন্ট ইয়ং রিসার্চার’ অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ব্যস্ততা এবং আর্থিক টানাপোড়েনের এই যুগে ‘টেলিমেডিসিন’ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত হাসপাতাল থেকেও যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষেরা চিকিৎসা পরিষেবা লাভ করতে পারেন, সেই বিষয়েই নিরন্তর নিজের গবেষণা কর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের ‘গর্ব’ অধ্যাপক চিন্ময় চক্রবর্তী (Scientist)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Super Blue moon 2023: এক মাসেই দুই পূর্ণিমা, আকাশ জুড়ে কখন দেখা যাবে “সুপার ব্লু মুন” জেনে নিন

    Super Blue moon 2023: এক মাসেই দুই পূর্ণিমা, আকাশ জুড়ে কখন দেখা যাবে “সুপার ব্লু মুন” জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার ব্লু মুন (Super Blue moon 2023) কখন দেখা যাবে, আসুন জেনে নিই। মহাজাগতিক এই সংসারে নানা ঘটনাবলীর মধ্যে একটি অন্যতম বিষয় হল সুপার ব্লু মুন দেখা। সুপার ব্লু মুন দেখা নিয়ে অনেক উৎসাহী মানুষের মধ্যে ভীষণ কৌতূহল লক্ষ্য করা যায়। সূত্রে জানা গেছে, ৩০ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট সকালের মধ্যে এই ব্লু মুন দেখা যাবে। এবারের ব্লু মুন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাখি পূর্ণিমাও একই সময়ে মিলেমিশে গেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং বার্ষিক উৎসবের মধ্যে অসাধারণ একটি যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

    কেন বিরল (Super Blue moon 2023)?

    সুপার ব্লু মুন (Super Blue moon 2023) সব সময়ের জন্যই বিরল। এই সুপার ব্লু মুনের মতো ঘটনা অন্তত ১০ বছরে একবার ঘটে থাকে। এক মাসে দু’বার সুপার ব্লু মুন দেখা গিয়েছিল শেষ বার ২০১৮ সালে।

    কেন সুপার ব্লু মুন?

    জানা গেছে, উত্তর গোলার্ধে তৃতীয় এবং শেষ পূর্ণিমা বলেই এই চাঁদের নাম সুপার ব্লু মুন (Super Blue moon 2023)। চাঁদের পৃথিবীর ২৯ দিনের কক্ষপথের একমাসের মধ্যে দ্বিতীয় পূর্ণিমা। সুপার মুন হল আমরা সাধারণত যে চাঁদ দেখি, তার থেকে প্রায় ১৬ শতাংশ বড়। চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর সব থেকে কাছে থাকবে এবং আকাশে পূর্ণিমা থাকবে, এমন হিসেবেই সুপার ব্লু মুনের উদয় হয়ে থাকে।

    নীল চাঁদ, কিন্তু নীল নয়

    চাঁদের রং বাস্তবে নীল নয়। কিন্তু এই নামের পিছনে অনেক গল্প রয়েছে। ব্লু মুন (Super Blue moon 2023) বা হান্টার মুন নামেও জানা যায়। কেউ কেউ বলেন, এই পূর্ণিমা চাঁদের রাতে শিকার করতে যেত বলে নাম হল হান্টার মুন। আবার কেউ বলেন চাষিদের নামে নাম দেওয়া হয় নীল চাঁদ। কোনও ঋতুতে চারটি পূর্ণিমা পড়ে গেলে মনে রাখার জন্য অতিরিক্ত পূর্ণিমাকে বলে ব্লু মুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    Chandrayaan 3: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুরিয়ে আসছে আয়ু। তাই শেষ করতে হবে হাতের কাজ। ইতিমধ্যেই চাঁদে ছ’ দিন কাটিয়ে ফেলেছে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3)। ‘শিবশক্তি পয়েন্টে’ ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম। ছ’ চাকায় ভর করে চন্দ্রালোকে তথ্য খুঁজে বেড়াচ্ছে রোভার প্রজ্ঞান। সংগৃহীত তথ্য প্রজ্ঞান পাঠাচ্ছে বিক্রমকে। বিক্রম সেই তথ্য পাঠিয়ে দিচ্ছে চন্দ্রযান ২-র আঁতুড় ঘর ইসরোয়।

    চন্দ্রযান ৩

    ২৩ অগাস্ট সন্ধ্যা ৬টি ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফট ল্যান্ডিং করে চন্দ্রযান ৩। যে এলাকায় পা রেখেছে ভারত, সেই অঞ্চলে বিশ্বের আর কোনও দেশ এখনও পৌঁছতেও পারেনি। তাই চাঁদ নিয়ে যাঁরা গবেষণা করবেন, তাঁদের কাছে চাঁদের এই অঞ্চলের রহস্যের দুয়ার খুলে দেবে প্রজ্ঞান। সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার গতি প্রজ্ঞানের। তাতেই বাজিমাত করে চলেছে সে। জানা গিয়েছে, চন্দ্রপৃষ্ঠের খনিজ পরীক্ষা করছে প্রজ্ঞান। চন্দ্রভূমে ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং টাইটানিয়াম রয়েছে। চাঁদের যে অংশে পা রেখেছে বিক্রম, তার চারপাশের শিলাগুলিও পরীক্ষা করে চলেছে প্রজ্ঞান।

    চন্দ্রযান ৩-র আয়ু

    পৃথিবীর হিসেবে চাঁদে (Chandrayaan 3) ১৪ দিন দিন থাকে। বাকি ১৪ দিন থাকে রাত। বর্তমানে চাঁদে চলছে দিন। সূর্য অস্ত যেতে বাকি আর মাত্র আট দিন। তার মধ্যেই কাজ শেষ করে ফেলতে হবে প্রজ্ঞানকে। কারণ চন্দ্রযান ৩ কাজ করছে সোলার প্যানেলের সাহায্যে। সূর্য যতক্ষণ কিরণ দেবে, ততক্ষণই কাজ করবে এই প্যানেল। সূর্য অস্ত গেলে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়বে চন্দ্রযান ৩। যেহেতু আট দিন পরে সূর্য অস্ত যাবে চাঁদে, তাই চন্দ্রযান ৩-র আয়ুও ওই ক’ দিন। তার পর কী ফের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে চন্দ্রযান ৩-র?

    আরও পড়ুুন: অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চিন বেজিংয়ের! চিনা আগ্রাসনে রুষ্ট ভারত

    বিজ্ঞানী দেবীপ্রসাদ দুয়ারি বলেন, “ইসরো বিষয়টিকে একেবারে নাকচ করে দেয়নি ঠিকই। তবে বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের চলাফেরার ক্ষমতা নির্ভর করছে অনেকগুলি ‘যদি’ এবং ‘তবে’র ওপর। ১৪ দিনের সকাল শেষে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামবে ১৪ দিনের অতিশীতল রাত। এই ১৪ দিন সূর্যরশ্মির (Chandrayaan 3) একটি কণাও পৌঁছবে না চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। সেই সময় তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে মাইনাস ৩০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত। তাতে চন্দ্রযান ৩-র যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদে কি মানুষ বাস করতে পারবে? কী জানাল বিক্রম?

    Chandrayaan 3: চাঁদে কি মানুষ বাস করতে পারবে? কী জানাল বিক্রম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3)। ল্যান্ডার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে এসেছে প্রজ্ঞানও। গুটি গুটি পায়ে শুরু করে দিয়েছে চাঁদের মাটি পরীক্ষার কাজও। বিক্রমের পেটে করে পাঠানো হয়েছে আরও একটি যন্ত্র। নাম চ্যাস্ট। চন্দ্রপৃষ্ঠের ওপরে এবং নীচে ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারবে এই যন্ত্র। আজ, রবিবার চন্দ্রযান ৩ ইসরোতে কী তথ্য পাঠিয়েছে, তা শেয়ার করেছেন ইসরো কর্তৃপক্ষ। এই প্রথম চাঁদের দক্ষিণ মেরুর তাপমাত্রা মাপতে পারল বিশ্বের কোনও দেশ। প্রসঙ্গত, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখেছে ভারতের চন্দ্রযান ৩।

    চন্দ্রপৃষ্ঠের ওপরের অংশের তাপমাত্রা

    এদিন ইসরোর তরফে এক ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়েছে, চ্যাস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠের ওপরের অংশের তাপমাত্রা পরীক্ষা করেছে। যাতে চন্দ্রপৃষ্ঠের (Chandrayaan 3) তাপীয় আচরণ জানা যায়। এই ডিভাইসটি ১০ সেন্টিমিটারের মধ্যে তাপকে স্পর্শ না করে, চন্দ্রপৃষ্ঠের ওপর না পড়ে, পৃষ্ঠ খনন না করে তাপ মাপতে পারে। ইসরো জানিয়েছে, চন্দ্রপৃষ্ঠে কোন তাপমাত্রা চ্যাস্টে পাওয়া গিয়েছে? চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রথমবারের মতো নেওয়া হয়েছে। তাই এই গ্রাফটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি গ্রাফের বাম দিকে তাকান, তখন আপনি মিলিমিটারে লেখা গভীরতা দেখতে পাবেন। মানে পৃষ্ঠের ভিতর কতটা গভীর।

    ওপরে গরম আর ভিতরে এত ঠান্ডা

    ওপরে গরম আর ভিতরে এত ঠান্ডা…পবিত্রতা শূন্যে বাম দিকে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সেখানে তাপমাত্রা ৫০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। যা গ্রাফে বাম থেকে ডানে কমতে কমতে ক্রমহ্রাসমান। কমলা রেখার নীল বিন্দু চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেখায়। যেখানে পবিত্রতা শূন্য বিন্দুতে। এটি ৫০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    আরও পড়ুুন: “ভারতে আজ যাঁরা গরিব, আগামিকাল তাঁরাই হবেন মধ্যবিত্ত”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কিন্তু ঠিক একই পৃষ্ঠের নীচে ১০ সেন্টিমিটার ভিতরে পারদ মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন আপনি নিজেই চিন্তা করুন যে মাটিতে আপনি দাঁড়িয়ে রয়েছেন, সেটি মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো ঠান্ডা এবং ওপরের তাপমাত্রা আপনাকে ঘামতে বাধ্য করছে। ইসরোর বিজ্ঞানী বিএইচএম দারুকেশা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করতাম (Chandrayaan 3) চাঁদের তাপমাত্রা ২০-৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের আশপাশে। এখন দেখছি, ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

     

     

  • Watermelon Cultivation: পৃথিবীর শীতলতম স্থানে তরমুজ চাষ! বাজিমাত রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের

    Watermelon Cultivation: পৃথিবীর শীতলতম স্থানে তরমুজ চাষ! বাজিমাত রাশিয়ান বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা গ্রীষ্মের দুপুরে তরমুজ এক আলাদা তৃপ্তি দেয়। আর গ্রীষ্মের শেষ হতে না হতেই বাজারে আকাল পড়ে তরমুজের। আবার এক বছর অপেক্ষার পর পাওয়া যায় তরমুজ। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন চির ঠান্ডার দেশে বরফমোড়া স্থানে চাষ হয় তরমুজের (Watermelon Cultivation), আর তার ফলনও চোখে পড়ার মতো! হ্যাঁ, এই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছেন একদল রাশিয়ান বিজ্ঞানী।

    শীতলতম স্থানেই তরমুজ চাষ (Watermelon Cultivation) নিয়ে গবেষণা!

    রাশিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র ভোস্টক স্টেশন। এটি পৃথিবীর শীতলতম স্থান হিসাবেই পরিচিত। এখানে রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে নানা গবেষণা করে চলেছেন। এই স্থানের তাপমাত্রা সব সময় প্রায় -89.2 ডিগ্রির কাছাকাছি থাকে। অবাক করা বিষয়, আজ থেকে প্রায় ৪৩০০ বছর আগে সুদানে প্রথম বারের মতো তরমুজ নামক ফলটি জন্ম নিয়েছিল। আর সেখান থেকেই গোটা পৃথিবীতে আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পড়ে। সুদানের সাক্কারায় প্রথম তরমুজের দেখা মেলে, যা কিনা আন্টার্টিকার ঠান্ডা থেকে অনেক অনেক দূরে। যেখানে কোনও ভাবেই ঠান্ডাতে তরমুজ চাষের সম্ভাবনা নেই, সেখানেই তরমুজ গাছ বেড়ে ওঠা ও তরমুজ জন্ম নেওয়াতে (Watermelon Cultivation) বিজ্ঞান মহল হতবাকও।

    কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব (Watermelon Cultivation) করেছেন বিজ্ঞানীরা? 

    প্রথমত,  এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন অ্যান্টার্কটিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রুশ গবেষকরা। তার সঙ্গে এগ্রোফিজিকাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও রাশিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর বায়োমেডিক্যাল ইনস্টিটিউটের গবেষকরা একত্রিত হয়ে এই গবেষণাকার্য চালিয়েছেন এবং বরফে তরমুজ জন্মানো (Watermelon Cultivation) সম্ভব করেছেন। ভোস্টক স্টেশনে বিজ্ঞানীরা একটি গ্রিন হাউস চেম্বার তৈরি করেছেন। এই গ্রিন হাউস চেম্বারটিকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ভিতরের তাপমাত্রা সহজে কমানো এবং বাড়ানো যেতে পারে। তাছাড়া তরমুজ চাষের জন্য যা যা পরিবেশের প্রয়োজন, সমস্তটাই কৃত্রিমভাবে তৈরি করেছেন তাঁরা।

    কৃত্রিমভাবে তৈরি করেছেন সূর্যালোকও

    তরমুজ চাষের জন্য যে সূর্যালোকের প্রয়োজন, সেই সূর্যালোকও কৃত্রিম ভাবে তৈরি করেছেন এই রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা। গ্রিন হাউস চেম্বারের ভিতর এক রকম বিশেষ আলোর ব্যবহার করা হয়েছে যা অবিকল সূর্যালোকের মতো। বিজ্ঞানীরা দুটি প্রজাতির তরমুজ এই চাষের জন্য (Watermelon Cultivation) বেছে নিয়েছিলেন, যেগুলি খুব সহজেই এবং তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে। কোনও স্থানে অক্সিজেনের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও সেই স্থানে এই তরমুজ চাষ ও অন্যান্য উদ্ভিদ বেড়ে ওঠা সম্ভব কিনা, এই উদ্দেশ্যেই তাঁরা এই গবেষণা শুরু করেছিলেন। শুধু সূর্যালোকই নয়, বরফের দেশে চাষের জন্য কৃত্রিম মাটিরও সৃষ্টি করেছিলেন এই বিজ্ঞানীরা। এই কৃত্রিম মাটিতেই বপন করা হয়েছিল বীজ। অক্সিজেন বিহীন এই ঠান্ডার দেশে পরাগায়নের জন্য কোনও পোকার উপস্থিতি না থাকায় বিজ্ঞানীরা নিজ হাতে পরাগায়ন ঘটিয়েছিলেন। বীজ রোপনের প্রায় ১০৩ দিন পর প্রথম আটটি পাকা ও মিষ্টি তরমুজ গাছের দেখা মেলে এই স্থানে। এই গাছে যে তরমুজগুলি জন্মেছিল, সেগুলির এক একটির ওজন প্রায় দুই পাউন্ড অর্থাৎ ১ কেজি ওজনের।

    শুধু তরমুজ (Watermelon Cultivation) নয়, চাষ আরও অনেক কিছুরই 

    এই স্থানে তরমুজ চাষ (Watermelon Cultivation) ছাড়াও আরও নানা বিষয়ে গবেষণা করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। ২০২০ সালে, ভোস্টক স্টেশনে তুলসী, পার্সলে এবং বাঁধাকপির মতো উদ্ভিদ চাষ করেছেন। তাছাড়াও কোরিয়ান বিজ্ঞানীরা এই স্থানে চাষ করার চেষ্টা করেন। কিছু ক্ষেত্রে তাঁরাও সফলতা অর্জন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিস্থিতি সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের ১৪ তারিখ মহাকাশের উদ্দেশে রওনা হবে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এখনও পর্যন্ত ইসরোর তরফ থেকে এই দিনটিকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাই প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী থাকতে চলেছে ভারত তথা সমগ্র বিশ্ব। চন্দ্রযান বহনকারী হেভিয়েস্ট স্পেস ক্র্যাফ্ট লঞ্চ হবে সেইদিন। এটিই ভারতের প্রথম হেভিয়েস্ট জিএসএলভি। এটি তৈরি করা হয়েছে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে। জানা গিয়েছে, যে রকেটের মাধ্যমে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে, ইতিমধ্যে সেটি অ্যাসেম্বল করা হয়ে গিয়েছে।

    ভারতের ইতিহাসে পূর্বের কিছু চন্দ্র অভিযান

    ২০০৮ সালে ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান শুরু হয় চন্দ্রযান-১ এর মাধ্যমে। সেই বছর চাঁদের কক্ষপথে এটিকে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল ইসরো। এর পর ২০১৯ সালের চন্দ্রযান ২ উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সরে গিয়ে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ে সেটি। ফলে এটি অসফল থেকে যায়। আর এই অসফল প্রজেক্টকে সফল করার লক্ষ্যেই এখন পাখির চোখ চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    এবারের চন্দ্রযানে (Chandrayaan-3) কী কী নতুন জিনিস যোগ করা হয়েছে?

    চাঁদের মাটিতে দক্ষিণ প্রান্তে সফলভাবে ল্যান্ড করানোর উদ্দেশ্যে চন্দ্রযান-৩ তে (Chandrayaan-3) থাকবে একটি ল্যান্ডার ও রোভার এবং একটি প্রোপালশান মডিউল। লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক ৩-এর সঙ্গে ইতিমধ্যে জুড়ে দেওয়া হয়েছে চন্দ্রযান-৩ কে। এই চন্দ্রযানটির মোট ওজন চার হাজার কিলোগ্রামের কাছাকাছি। এর মধ্যে বিশেষভাবে প্রোপালশান মডিউলটিকে গবেষণার শীর্ষে রাখা হয়েছিল। কারণ চাঁদের কক্ষপথে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ল্যান্ডার ও রোভারটিকে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য একমাত্র এই প্রোপালশান মডিউলের। এটির ওজন ২ হাজার ১৪৮ কিলোগ্রাম। রোভারটিকে সফলভাবে চাঁদের মাটিতে নামানোর কাজ করবে ল্যান্ডারটি। একটি ফর্মারের ভিতরে যুক্ত রয়েছে এই রোভারটি, যার ওজন ১ হাজার ৭৫২ কিলোগ্রাম।

    পূর্বের চন্দ্রযান ২ এর রোভারের সাথে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর রোভারের কী পার্থক্য রয়েছে?

    চন্দ্রযান-২ এর রোভারের সাথে বিশেষ কিছু পার্থক্য না থাকলেও এর কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোনও রকম যান্ত্রিক গোলযোগ এবং সমস্যার যাতে সম্মুখীন না হয়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগের থেকে রোভারটির কিছু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। প্রোপালশান মডিউলটির ৭৫৮ ওয়াট, ল্যান্ডার মডিউলটির ৭৩৮ ওয়াট এবং রোভারটির ৫০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করার মতো ক্ষমতা রয়েছে এবার (Chandrayaan-3)।

    কী উদ্দেশ্য এই চন্দ্রযান-৩ এর (Chandrayaan-3)?

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর তরফ থেকে জানা গেছে, চাঁদের মাটিতে বিনা সমস্যায় নির্বিঘ্নে এই চন্দ্রযানটিকে অবতরণ করিয়ে চাঁদ নিয়ে গবেষণার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। যেটি হতে চলেছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চাঁদের অজানা তথ্যকে সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠাবে এই চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    সমগ্র প্রকল্পটিতে কত খরচ হয়েছে এখনও পর্যন্ত?

    ইসরোর তরফ থেকে ২০১৯ এর তথ্য অনুযায়ী এই সমগ্র প্রকল্পটির (Chandrayaan-3) জন্য যে অর্থায়নের অনুরোধ করা হয়েছিল, সেখানে উল্লেখ ছিল ৭৫ কোটি টাকা। যার মধ্যে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬০ কোটি টাকা বা ৮.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাকি ১৫ কোটি রাজস্ব বহন বাবদ ধার্য করা হয়েছিল। ইসরোর সভাপতি কে সিভান জানিয়েছিলেন, এই সমগ্র অভিযানে খরচ হবে প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা, যা মার্কিন ৮৬ মিলিয়ন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share