Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Super-Earth: মহাকাশে আরও এক পৃথিবী! অবিকল পৃথিবীর মতই ‘সুপার-আর্থ’ খুঁজে পেলেন নাসার বিজ্ঞানীরা

    Super-Earth: মহাকাশে আরও এক পৃথিবী! অবিকল পৃথিবীর মতই ‘সুপার-আর্থ’ খুঁজে পেলেন নাসার বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? নাকি পৃথিবীর মত আরও গ্রহ আছে, যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। পৃথিবী ছাড়া আর কোনও গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এভাবেই নাসা আরও এক পৃথিবীর (Exoplanet) সন্ধান দিল এই মহাবিশ্বে। এই পৃথিবীকে নাসার বিজ্ঞানীরা ‘সুপার-আর্থ’ (Super Earth) তকমা দিয়েছে। একইসঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নতুন আবিষ্কৃত এই পৃথিবী আমাদের পৃথিবীর ভরের চার গুণ। আর আমাদের পৃথিবী থেকে মাত্র ৩৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান এই সুপার আর্থের।

    নাসা জানিয়েছে, নতুন যে পৃথিবী আবিষ্কার করেছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, তার নাম ‘রস ৫০৮বি’ (Ross 508b)। এই পৃথিবী এম টাইপ তারকার (M type Star) চারদিকে ঘুরছে। আর এই তারকাকে একবার পুরো ঘুরে আসতে সময় নেয় মাত্র ১০.৮ দিন। অর্থাৎ ১১ দিনের থেকেও কম। পৃথিবীর মতই এই গ্রহ এম টাইপ তারকাকে ঘিরে ঘুরে চলেছে। ফলে এই নতুন বিশ্বে ১১ দিনের কম সময়েই এক বছর হয়। সুপার আর্থ যে তারকাকে বা বামন গ্রহকে প্রদক্ষিণ করছে তা সূর্যের থেকে অনেক বেশি লাল, ঠান্ডা, ম্লান এবং আকারেও ছোট।

    ৫০৮বি নামের সুপার আর্থটি ৮.২ মিটারের সুবারু টেলিস্কোপে দ্বারা আবিষ্কার করা হয়েছে। এই টেলিস্কোপটি হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়া অবজারভেটরিতে অবস্থিত। এই সুপার আর্থের সন্ধান পাওয়ার পরে নাসা থেকেও ট্যুইট করে জানানো হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    নাসা থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, এই সুপার আর্থটি বসবাসের যোগ্য হতে পারে। কারণ এটি তারকাটির habitable zone  বা বসবাসযোগ্য এলাকায় আছে। কিন্তু এটি প্রদক্ষিণ করার সময়ে কিছু সময়ের জন্য তার  বাসযোগ্য অঞ্চলের ভেতরে থাকে। আবার কিছু সময়ের জন্য তার বাইরে চলে যায়। গবেষণা অনুসারে এক্সোপ্ল্যানেট তার নক্ষত্রকে এমন দূরত্বে প্রদক্ষিণ করে যা গ্রহের পৃষ্ঠে জল গঠনের অনুকূল। অর্থাৎ এই গ্রহের পরিবেশ জল তৈরি ও ধরে রাখার পক্ষে অনুকূল, ঠিক যেমন আমাদের পৃথিবীর অবস্থান। আবার ৫০৮বি এক্সোপ্ল্যানেটে পৃথিবীর মতই পাথুরে ভূখন্ড রয়েছে, যা প্রাণের অস্তিস্ব থাকার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তবে, এখনও কিছুই প্রমাণ হয়নি, এই সুপার আর্থ আদেও বসবাসের যোগ্য কিনা। তাই এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

     

     

  • NASA: পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে ছায়াপথের ছবি পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

    NASA: পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে ছায়াপথের ছবি পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশের অনেক সুন্দর ছবি ইতিমধ্যেই আমাদের সামনে এনেছে নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ (James Webb Space Telescope)। সম্প্রতি একটি কার্ট হুইল ছায়াপথের (Cartwheel Galaxy) ছবি পাঠিয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। সেই ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA)। দীর্ঘ সময় এবং বিপুল পরিমাণ ধূলিকণার মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে এই অসাধারণ ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে স্কালপচার (Sculptor) নক্ষত্রপুঞ্জে অবস্থিত এই কার্ট হুইল ছায়াপথ। 

    কার্টহুইল আকৃতির এই ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে দুটো বলয় প্রসারিত হতে দেখা গিয়েছে। পুকুরে ঢিল ছুড়লে যেমন রঙ বা বলয় আকৃতিতে জল প্রসারিত হয়, এখানেও অনেকটা তেমনই হয়েছে বলে জানিয়েছে নাসা এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি। এই দুই স্পেস এজেন্সি জানিয়েছে যে, এই ছায়াপথের কেন্দ্রে একটি সাদা রঙের বলয় রয়েছে। আর বাইরের বলয়ের অংশে অনেক রঙের স্পোক দেখা গিয়েছে। মহাবিশ্বে প্রায় ৪৪০ মিলিয়ন বছর ধরে এই বলয় প্রসারিত হচ্ছে। বাইরের অংশের বলয় প্রসারিত হলে তা গ্যাসে পরিণত হয় এবং নতুন নক্ষত্রের স্ফুলিঙ্গ গঠনের সহায়ক হয়।

    আরও পড়ুন: পৃথিবী থেকে নয়, মহাকাশ থেকে কেমন লাগে সূর্যগ্রহণ? ছবি প্রকাশ করল নাসা

    ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে এই টেলিস্কোপ লঞ্চ করা হয়েছিল। গত মাসে সাধারণ মানুষের সামনে প্রথম ছবি (টেলিস্কোপে তোলা) প্রকাশ করেছিল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। আগামী দিনে মহাবিশ্বের আরও অনেক অজানা রহস্যের উন্মোচন করবে এই টেলিস্কোপ, সেই ব্যাপারে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।

  • Synthetic Embryos: অবিশ্বাস্য! শুক্রাণু ছাড়াই কৃত্রিম উপায়ে ভ্রূণ বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা, জানুন কীভাবে

    Synthetic Embryos: অবিশ্বাস্য! শুক্রাণু ছাড়াই কৃত্রিম উপায়ে ভ্রূণ বানিয়ে ফেললেন বিজ্ঞানীরা, জানুন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রাণু, ডিম্বানু ছাড়াই গবেষণাগারে তৈরি হল ভ্রূণ! এটি বিশ্বের প্রথম সিন্থেটিক ভ্রূণ। অবাক হচ্ছেন যে কীভাবে শুক্রাণু ছাড়াই ভ্রূণ তৈরি করা গেল? কিন্তু এমনই তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে। এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন ইজরায়েলের বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে ইজরায়েলের (Israel) ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের (Weizmann Institute Of Science) বিজ্ঞানীরা এই সিন্থেটিক ভ্রূণ তৈরি করে এক অসাধ্যকে সাধন করেছেন।

    আরও পড়ুন: শুক্রাণু কম, জেনে নিন কেন কমে, বাড়াবেনই বা কীভাবে?

    তবে অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন যে কী এই সিন্থেটিক ভ্রূণ? বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভ্রূণের ক্ষেত্রে ডিম্বাণুর কোনওরকম নিষিক্তকরণ করানো হয়না। অর্থাৎ ফার্টিলাইজেশন ছাড়াই ভ্রূণ তৈরি করা হলে তাকে সিন্থেটিক ভ্রূণ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। তবে কীভাবে এই ভ্রূণ তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা? বিজ্ঞানীদের থেকে জানা গিয়েছে যে, ইঁদুর থেকে স্টেম সেল ব্যবহার করে ভ্রূণের মতো কোষ গঠন তৈরি করেছিলেন বিজ্ঞানীরা, যার একটি অন্ত্র, একটি মস্তিষ্কের মতো গঠন এবং একটি স্পন্দিত হৃদয় ছিল। বিজ্ঞানীদের দলটি প্রাকৃতিক ভ্রূণের মত এই কৃত্রিম ভ্রূণেও চারপাশে প্লাসেন্টা বা কুসুম-থলির মতো কোষ দেখতে পেয়েছিলেন। তবে এই ভ্রূণটি সাড়ে ৮ দিন পর্যন্ত বিকশিত হয়েছিল ও এই কয়েকদিনে একটি স্পন্দিত হৃৎপিণ্ড, রক্তের স্টেম সেল সঞ্চালন, একটি মস্তিষ্ক, একটি নিউরাল টিউব এবং একটি অন্ত্রের ট্র্যাক্ট গঠিত হয়ে গিয়েছিল।

    গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ স্টেম সেল ভ্রূণের মতো কোষ গঠন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে প্রায় ০.৫ শতাংশ স্টেম সেল মিলিত হয়ে ছোট বলের আকার ধারণ করে। আর ওই বল থেকেই ট্যিসু বা কলা উৎপন্ন এবং অঙ্গের বিকাশ ঘটে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। অভ্যন্তরীণ গঠন এবং কোষের জেনেটিক প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক ইঁদুরের ভ্রুণের সঙ্গে তুলনা করলে কৃত্রিম এই ভ্রূণের ৯৫ শতাংশ মিল পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া গেল সাহারায়

    বিজ্ঞানীর জানিয়েছেন, এর পরবর্তীতে তাঁরা আরও এই বিষয়ে গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। কীভাবে এই স্টেম সেলগুলি কাজ করে, বা কীভাবে একটা স্টেম সেল বুঝতে পারে যে তাকে কী করতে হবে। এগুলোকে নিয়ে পরবর্তীতে কোন কোন কাজে লাগানো যেতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করবেন তাঁরা।

     

  • Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ২৪ ঘণ্টার থেকে কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ (Rotation) করেছে পৃথিবী (Earth)। ৫০ বছরে এটাই আপাতত সব থেকে ছোট দিনের (Shortest Day) রেকর্ড। এক দিন সম্পন্ন হতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৫৯ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছে। 

    বিজ্ঞানীদের মতে সম্প্রতি নিজের গতি বাড়িয়েছে পৃথিবী। ১৯৬০ সালের পরে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই ছিল পৃথিবীর সব থেকে ছোট দিন। সেই দিন পৃথিবীর নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৪৭ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছিল। 

    আরও পড়ুন: প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! ভাইরাল ভিডিও

    পৃথিবীর গতি বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারণ এখনও বিজ্ঞানীদের অজানা। বিজ্ঞানীদের অনুমান, পৃথিবীর এই ভিন্ন ঘূর্ণন গতি হতে পারে অভ্যন্তরীণ কারণে, আবার হতে পারে বাইরের স্তরের কারণেও। আবার মহাসাগরের জোয়ার-ভাটা কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। গবেষকরা বলেন, পৃথিবীর উপরিভাগ চ্যান্ডলার ওয়াবল নামে পরিচিত। ওই জায়গা থেকেই গতি পেতে শুরু করে পৃথিবী। সেখানকার কোনও কারণেও গতি কম বা বেশি হতে পারে। 

    মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২৯ জুলাই পৃথিবী ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেছে। আর একইসঙ্গে ভেঙে দিয়েছে সবথেকে ছোটো দিনের আগের সব রেকর্ড। 
     
    পৃথিবী অবিরত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। তারই জেরে হচ্ছে দিন-রাত। পুরো একটা দিন অর্থাৎ পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তাই আমরা ২৪ ঘণ্টাকে এক দিন বুঝি।

    আরও পড়ুন: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    পৃথিবীর প্রদক্ষিণের গতি যখন এমন বেড়ে যায়, তখন পরের বছরও তা সাধারণত বর্ধিত হারে ঘুরতে থাকে। কিন্তু ২০২১ সালে পৃথিবীর গতি কোনও রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। কিন্তু কেন এমনটা হয়? পৃথিবীর ঘূর্ণনের ভিন্ন গতির কারণ এখনও অজানা।  

    পৃথিবী যদি ক্রমবর্ধমানে হারে ঘুরতে ঘুরতে লিপ সেকেন্ডের প্রবর্তন করে, তবে পারমানবিক ঘড়ির পরিমাপের সঙ্গে সমাঞ্জস্য রেখে চলবে। তা হলে লিপ সেকেন্ড স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এই লিপ সেকেন্ড ভালোর থেকে বেশি ক্ষতি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এটি টাইমারের সফটওয়ারের উপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলবে। এর ফলে একটি নেতিবাচক লিপ সেকেন্ড যোগ করতে হতে পার। যাকে বলে ড্রপ সেকেন্ড। 

  • Asteroid Nearing Earth: ধেয়ে আসছে গগণচুম্বী গ্রহাণু!  আজই সবচেয়ে কাছে, কী হবে পৃথিবীর

    Asteroid Nearing Earth: ধেয়ে আসছে গগণচুম্বী গ্রহাণু! আজই সবচেয়ে কাছে, কী হবে পৃথিবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রহাণুদের আসার বিরাম নেই। গত বছর ধরে দফায় দফায় গ্রহাণুরা পৃথিবীর আশপাশে ঘুরে গেছে। কেউ একেবারে কোল ঘেঁষে আবার কেউ একটু তফাৎ রেখে দূর দিয়ে। গত সপ্তাহে দুটি ভিন্ন আকারের গ্রহাণুর সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একটি ছিল ৪০০ ফুট চওড়া, অন্যটি ৬০০ ফুট চওড়া। তবে এবার তার থেকে অনেক বড় অনুমান, কুতুব মিনারের চেয়ে ৬ গুণ বড় একটি গ্রহাণু আজই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসবে। এবার কি তবে সত্যিই পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন? একথা উঠছে, কারণ, এই মহাজাগতিক ঘটনা নিয়ে সতর্ক করেছে নাসা (NASA)।

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    যে কোনও আকারের গ্রহাণুই পৃথিবীর পক্ষে ভয়ের। কেননা, যে ভরবেগ নিয়ে তারা ছুটে আসে, তাতে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা লাগলে কোনও না কোনও বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু সাধারণ আকারের চেয়ে যদি ছুটে আসতে থাকা গ্রহাণুর আকার ও আকৃতি অনেকটাই বড় হয়, তাহলে বিপদ বেড়েই যায়। নাসা আগেই এই গ্রহাণু নিয়ে সতর্ক করেছিল। এই বিশাল গ্রহাণু (Asteroids) তেড়েফুঁড়ে এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। আজ ৩ অগাস্ট পৃথিবীর একেবারে কাছাকাছি চলে আসবে। এখন টক্কর লাগবে নাকি পৃথিবীর কোল ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তবে তাঁরা সর্বদা এর গতিপথের দিকে নজর রাখছে।

    আরও পড়ুন: সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়! ফল কী হতে পারে? জানুন

    প্রায় ১২০০ ফুট বিস্তৃত ৩৬৫ মিটার চওড়া দীর্ঘ আকারের এই অ্যাস্টেরয়েড ভয়ংকর গতিতে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এখন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এটা। প্রদক্ষিণ করতে করতেই ক্রমশ সামনে চলে আসছে। বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে এই ভাবে বোঝাচ্ছেন, যে গ্রহাণু ধেয়ে আসছে, সেটি আকারে স্ট্যাচু অব লিবার্টির ৩ গুণ। এত বৃহৎ একটি পাথর যে কোনও ভাবেই আসুক না কেন তা যে কোনও সময়েই বিপদের বার্তা বহন করে আনে।  

  • China Rocket Debris: প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! ভাইরাল ভিডিও

    China Rocket Debris: প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মধ্যরাত নাগাদ হঠাৎ আকাশে দেখা যায় লাল, নীল, হলুদ, কমলা রঙের আতসবাজির মতো আলোর ফুলকি। এবং এগুলো কাছে আসতেই উল্কাপাতের ন্যায় মনে হচ্ছিল। আর তারই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল। এরপর এই ভিডিও-এর রহস্য জানা যায়। সেগুলো আসলে কোনও উল্কাপাত নয়, সেগুলো চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ (China Rocket Debris)। গত ২৪ জুলাই চিনের বৃহত্তম রকেট Long March 5 চিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। আর তারই ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। ফলে শনিবার রাতেই ভারত মহাসাগরে (Indian Ocean) ও প্রশান্ত মহাসাগরে (Pacific Ocean)  আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: ভারতে আছড়ে পড়তে চলেছে চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! দাবি মার্কিন সংস্থার

    এরোস্পেস (Aerospace) থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল যে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রকেটের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কা সত্যি করেই ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে ছড়িয়ে পড়ল ধ্বংসাবশেষ। মালয়েশিয়ার শহরের আকাশেও এই দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হাজার হাজার মানুষ এই বিরল ঘটনার সাক্ষী থেকেছে এদিন।

    [tw]


    [/tw]

     পরে এই বিষয়ে US SPACE COMMAND থেকে জানানো হয় যে, চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ ৩০ জুলাই ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ভারত মহাসাগরের ওপরে আছড়ে পড়ে।

    [tw]


    [/tw]

  • Supermoon 2022: ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ দেখা যাবে আকাশে, কবে জানেন?

    Supermoon 2022: ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ দেখা যাবে আকাশে, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কিছুদিন আগেই চাঁদের এক অন্য রূপ দেখতে পেয়েছে গোটা বিশ্বব্যাপী মানুষ। সাধারণত জুন মাসের মাঝ বরাবর এই সুপারমুন দেখা গিয়েছিল। যা ‘স্ট্রবেরি মুন’ (Strawberry Moon) নামে পরিচিত ছিল। আবার আগামী ১৩ জুলাই মধ্যরাতে আকাশে সুপারমুন দেখতে পাবে সারা বিশ্বের মানুষ। চলতি মাসে চাঁদকে ফের নয়া রূপে দেখবে বিশ্ববাসী। বুধবার অর্থাৎ ১৩ জুলাই নতুনভাবে দেখা যাবে চাঁদকে। এদিন পৃথিবীর সবথেকে কাছে আসছে চাঁদ। তার ফলে চাঁদকে পৃথিবীতে বিরাট আকারে দেখা যাবে। বিজ্ঞানীদের মতে, বুধবারের চাঁদটি ২০২২ সালের বৃহত্তম ‘সুপারমুন’ (Supermoon)।

    কী এই সুপারমুন?

    এই নির্দিষ্ট দিনে চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে তার কক্ষপথের সবচেয়ে কাছের বিন্দুতে থাকবে, যাকে পেরিজি (perigee) বলা হয়, সেই কারণে ১০ গুণ বেশি উজ্জ্বল দেখাবে তাকে। পৃথিবী থেকে এদিন মাত্র ৩,৫৭,২৬৪ কিমি দূরে অবস্থান করবে চাঁদ। আর এর ফলে সবথেকে বড় পূর্ণ চাঁদ দেখা যাবে। চাঁদের এমন রূপকেই বলা হয় সুপারমুন। ১৯৭৯ সালে মহাকাশ বিজ্ঞানী রিচার্ড নোল্লে (Richard Nolle) চাঁদের এই বিশেষ অবস্থানের নামকরণ করেন ‘সুপারমুন’। এবারের সুপারমুনটিকে তাদের মধ্যে সবথেকে বড় বলে চিহ্নিত করেছে নাসা (NASA)।

    আরও পড়ুন: আজ আকাশে দেখা যাবে স্ট্রবেরি মুন! কী এর বিশেষত্ব, জানুন

    ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ

    ১৩ জুলাই অর্থাৎ বুধবার রাতের আকাশে যে সুপারমুন দেখা যাবে, তা এ বছরের সবথেকে বড়। এই সুপারমুনকে বাক মুনও (Buck Moon) বলা হয়। সারা বিশ্বে এর অন্য নামও রয়েছে। যেমন, থান্ডার মুন (Thunder Moon), হে মুন (Hay Moon) এবং উইর্ট মুন (Wyrt Moon)। আমেরিকানরা একে সালমন মুন (Salmon Moon), রাস্পবেরি মুন (Raspberry Moon) এবং ক্যালমিং মুন (Calming Moon) বলে থাকেন। চাঁদ এদিন পৃথিবীর অনেক কাছে আসায় সুপারমুনের প্রভাব বেশ জোরালো ভাবে জোয়ার-ভাটায় পড়বে।

    কখন দেখা যাবে এই সুপারমুনটি?

    ১৩ জুলাই রাত ১২টা ৭ মিনিটে দেখা যাবে। এরপর ফের ৩ জুলাই, ২০২৩ সালে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, বছরের শেষ সুপারমুন দেখা গিয়েছিল চলতি বছরের জুনে। যা স্ট্রবেরি মুন নামে পরিচিত। তখন চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩,৬৩,৩০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। কিন্তু এবার মাত্র ৩,৫৭,২৬৪ কিমি দূরে অবস্থান করবে চাঁদ।

    আরও পড়ুন: একনজরে দেখে নিন স্ট্রবেরি মুনের বিভিন্ন দৃশ্য

     

     

  • PSLV-C53: সিঙ্গাপুরের ৩টি উপগ্রহ নিয়ে আজ মহাকাশে পাড়ি ইসরোর পিএসএলভি-সি৫৩-র

    PSLV-C53: সিঙ্গাপুরের ৩টি উপগ্রহ নিয়ে আজ মহাকাশে পাড়ি ইসরোর পিএসএলভি-সি৫৩-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সন্ধ্যায় মহাকাশে ইসরো (ISRO) পাঠাতে চলেছে তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ (Satellite)। তামিলনাড়ুর শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে পিএসএলভি-সি৫৩ (PSLV C53) রকেটের। ইসরো-র অত্যাধুনিক শক্তিশালী পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি (PSLV) রকেটে চাপিয়েই সিঙ্গাপুরের তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো হবে মহাকাশে। নিউজ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটিডের (NewSpace India Limited) সঙ্গে চুক্তিতে সিঙ্গাপুর এই তিনটি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাচ্ছে। এটি ইসরোর ৫৫তম মিশন যা শ্রীহরিকোটার (Sriharikota) সতীশ ধবন স্পেস সেন্টার (Satish Dhawan Sapce Centre) থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে।

    আরও পড়ুন: ফরাসি রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি ভারতীয় GSAT-24 উপগ্রহের

    উৎক্ষেপণের বিষয়টি ২৯ জুন ইসরো  ট্যুইটারের মাধ্যমে জানিয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    PSLV C-53 মিশনটি এনএসআইএল-এর দ্বিতীয় বাণিজ্যিক মিশন। এতে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহকে— DS-EO, NeuSAR, Scoob-1 পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হবে। ইসরোর এই রকেটটি ৪৪.৪ মিটার দীর্ঘ ও এর ওজন ২২৮ টন। ৩৬৫ কেজির DS-EO উপগ্রহর সাহায্যে মহাকাশের ছবি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। যে কোনও আবহাওয়াতে দিন ও রাতের ছবি পাঠাতে সাহায্য করবে কোরিয়ার Starec Initiative দ্বারা তৈরি ১৫৫ কেজির Neu-SAR উপগ্রহটি। ২.৮ কেজির Scoob-1 উপগ্রহটি ন্যানয়াং টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nanyang Technological University) পড়ুয়ারা তৈরি করেছে। এটি এদের ট্রেনিং-এর একটি অংশ। এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলো মহাকাশের ছবি বা পৃথিবার বিভিন্ন জায়গার বিভিন্ন তথ্য পাঠিয়ে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে। 

    আরও পড়ুন: চাঁদ ও মঙ্গলের পর এবার শুক্রগ্রহে অভিযান চালাবে ইসরো

    উৎক্ষেপণের পাশাপাশি, PS4 স্টেজকে একটা অরবিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে PSLV অরবিটাল এক্লপেরিমেন্টাল মডিউল (POEM) কয়েকটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। এই প্রথমবার PS4 স্টেজ একটা অরবিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পৃথিবীকে পদক্ষিণ করবে। 

  • Floating Drones:  এবারে নদী থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হবে সহজ! তৈরী করা হল ভাসমান ড্রোন

    Floating Drones: এবারে নদী থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হবে সহজ! তৈরী করা হল ভাসমান ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্লাস্টিকের ব্যবহারের (Plastic Use) ফলে দূষণ বেড়েই চলেছে। কারণ প্লাস্টিক প্রাকৃতিক উপায়ে মাটিতে মেশে না (Bio-nondegradable)। ফলে বাড়তে থাকে পরিবেশ দূষণের (Environmental Pollution) হার। ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে, তাই এই পরিস্থিতিতে  কিছু আবিষ্কারক এমন যন্ত্র তৈরী করেছে যা নদী, পুকুর, হ্রদের জলে ভেসে থাকা প্লাস্টিক যাতে সমুদ্রে না যেতে পারে তার জন্য ভাসমান ড্রোন তৈরি করা করেছে। প্লাস্টিক দূষণ রোধ করার জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরী করা হয়েছে। এগুলোর আকার, গঠন বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    ওয়েস্টসার্ক (WasteShark) নামক এক ড্রোন তৈরী করা হয়েছে যা প্রায় ৪ ফিট দীর্ঘ ও এটি প্রায় ১৬০ লিটার আবর্জনা সংগ্রহ করতে পারবে। এটি একটি ডাচ কোম্পানী তৈরী করেছে। হোয়েল  তিমি হাঙরের অনুকরণে এই ড্রোনটি তৈরী করা হয়েছে। এই ড্রোনটি নদী বা কোনো জলাশয়ের নোংরা আবর্জনা খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারে। একবার এই ড্রোনটি ভরে গেলে তারপর এটি অটোমেটিক্যাালি জলাশয়ের ধারে আসায় তারপর এটি থেকে খুব সহজেই আবর্জনা বের করে নেওয়া হয়। জলাশয়ের প্লাস্টিকগুলো সমুদ্রে পৌঁছনোর আগেই আবর্জনা গুলো পরিস্কার করে নেওয়া যায়। ওয়েস্টসার্ক কোনো হ্রদ বা জলাশয়ের জন্য উপযুক্ত।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    এই ওয়েস্টসার্ক ছাড়াও ‘ফ্লোটিং ট্র্যাস ব্যারিয়ার’ (Floating Trash Barrier) নামক ড্রোনটি ২২০০ টন প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে পারে। এটিকে পরে আরও উন্নত করা হয় যাতে এই ড্রোনটি জলাশয় থেকে ক্ষতিকারক তেলও সংগ্রহ করে জলকে পরিশ্রুত করে তুলতে পারে। ‘মিস্টার ট্র্যাস হুইল’ (Mr Trash Wheel) নামেও একটি ভাসমান ড্রোন তৈরী করা হয়, যেটি নদী থেকে প্লাস্টিক, বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করতে পারে। জল থেকে বর্জ্য পদার্থ বা প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে এইসব নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • NASA: পৃথিবী থেকে নয়, মহাকাশ থেকে কেমন লাগে সূর্যগ্রহণ? ছবি প্রকাশ করল নাসা

    NASA: পৃথিবী থেকে নয়, মহাকাশ থেকে কেমন লাগে সূর্যগ্রহণ? ছবি প্রকাশ করল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবী থেকে সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য চাক্ষুষ করতে চাই আমরা সবাই। তবে এক একবার এক একটি জায়গা থেকে সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। আমরা ভিড় জমাই সেখানে। চোখ রাখি ক্যামেরায়। কিন্তু মহাকাশ থেকে যদি সূর্যগ্রহণ প্রতক্ষ্য করা যায়, তা কেমন দেখতে হবে? এবার মহাকাশ থেকে তোলা সূর্যগ্রহণের ছবি প্রকাশ করল নাসা (NASA)। গত ২৯ জুন   নাসা তার সোলার ডায়নামিক্স অবজারভেটরি (NASA’s Solar Dynamics Observatory) থেকে সূর্যগ্রহণের এই ছবি তোলে। মহাশূন্যে নাসার এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র অবস্থিত। ২০১০ সালে এর সূচনা।

    আরও পড়ুন: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    চাঁদ যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে চলে যায়, তখন পৃথিবীতে একটি ছায়া পড়ে, কিছু এলাকায় সূর্যের আলো সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে অবরুদ্ধ হয়ে যায়, এ ভাবে সূর্যগ্রহণ ঘটে। পূর্ণ সূর্যগ্রহণের জন্য, সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবীকে অবশ্যই নির্দিষ্ট রেখায় সারিবদ্ধ হতে হবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সূর্যের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে না, তাই সেই ক্ষেত্রে গ্রহণ মহাকাশ থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায়। মহাশূন্যে দেখতে পাওয়া এই আংশিক সূর্যগ্রহণ লেন্সবন্দি করেছে নাসা। ৩৫ মিনিট ধরে এই আংশিক গ্রহণের ছবি ধরেছে নাসার ক্যামেরা।

    আরও পড়ুন: হয়ে গেল বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ , ভারত তখন ঘুমিয়ে

    গত ১২ বছর ধরে সোলার ডায়নামিক্স অবজারভেটরি (এসডিও / SDO) সূর্যের ভিতরের অনেক কিছু জানতে সাহায্য করেছে। বিভিন্ন গ্রহে সূর্যাস্তের ছবি কেমন লাগে, সেই চিত্রও তুলে ধরেছিল এসডিও। সূর্যের পৃষ্ঠে ক্রমাগত নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যার কারণে অতীতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর সূর্য থেকে অনেক সৌর তরঙ্গ বেরিয়ে এসেছিল। বড়সড় সৌর বিস্ফোরণে পৃথিবীর জন্যেও বিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি, AR3032 থেকে একটি শক্তিশালী সৌর শিখা বিস্ফোরিত হয়েছিল। এই AR3032 একটি সক্রিয় সানস্পট, এই চিত্রও তুলে ধরেছিল এসডিও। সোলার ডায়নামিক্স অবজারভেটরি টানা ১২ বছর ধরে সূর্যের উপর নজরদারি করছে। এই ১২ বছরে সূর্য সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে, বলে জানিয়েছে নাসা।

LinkedIn
Share