মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্য়ে মোড়া চাঁদ। এই চাঁদকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের অন্ত নেই। চাঁদকে নিয়ে কবিতা, গল্প কত কিছু যে রচনা হয়েছে তা গুণে শেষ করা যাবে না। তবে এই চাঁদেরই রয়েছ দুই রূপ।
আমরা সবসময় চাঁদের একটা দিক দেখতে পাই। উল্টো দিক সবসময় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। দুই দিকের ভূমিরূপ সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু কেন এই তফাত? সেই রহস্যই উদঘাটন করলেন বিজ্ঞানীরা।
তাঁরা জানালেন, ৪৩০ কোটি বছর আগে প্রাচীন গ্রহাণুর আঘাতে চাঁদের এই দশা। ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামক এক জার্নালে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪৩০ কোটি বছর আগে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে আছড়ে পড়ে বিশাল গ্রহাণু।
আঘাত এতটাই প্রবল ছিল, যে তা চন্দ্রপৃষ্ঠের একদিকের চেহারাই পাল্টে দিয়েছে। ফলে দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য, দুই দিক এত আলাদা। চাঁদের যে দিকটা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে সে দিকটা বিস্তীর্ণ, লাভা প্রবাহের গাঢ় ছাপ রয়েছে। আর উল্টো দিকটা ভর্তি বিশাল বিশাল গর্ত দিয়ে, লাভার চিহ্ন সেখানে নেই বললেই চলে।
বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, চাঁদের চেহারা বদলে যায়। সেজন্য পৃথিবী থেকে চাঁদের যে রূপ আমরা দেখতে পায় সেটা একরকম। আবার যে অংশ দেখতে পায় না তা আবার আলাদা।
গবেষণায় এও দাবি করা হয়েছে, ওই উল্কাপাতেই সৃষ্টি হয়েছে চাঁদের দৈত্যাকার সাউথ পোলএটিক্যান (এসপিএ) বেসিনের। কোনও কিছুর আঘাতে সৃষ্ট গর্তের মধ্যে গোটা সৌরজগতে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম।