Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Moon: চাঁদের উল্টোপিঠ কেন আলাদা? এতদিনে রহস্যের উদঘাটন বিজ্ঞানীদের

    Moon: চাঁদের উল্টোপিঠ কেন আলাদা? এতদিনে রহস্যের উদঘাটন বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্য়ে মোড়া চাঁদ। এই চাঁদকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের অন্ত নেই। চাঁদকে নিয়ে কবিতা, গল্প কত কিছু যে রচনা হয়েছে তা গুণে শেষ করা যাবে না। তবে এই চাঁদেরই রয়েছ দুই রূপ। 

    আমরা সবসময় চাঁদের একটা দিক দেখতে পাই। উল্টো দিক সবসময় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। দুই দিকের ভূমিরূপ সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু কেন এই তফাত? সেই রহস্যই উদঘাটন করলেন বিজ্ঞানীরা। 

    তাঁরা জানালেন, ৪৩০ কোটি বছর আগে প্রাচীন গ্রহাণুর আঘাতে চাঁদের এই দশা। ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামক এক জার্নালে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪৩০ কোটি বছর আগে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে আছড়ে পড়ে বিশাল গ্রহাণু। 

    আঘাত এতটাই প্রবল ছিল, যে তা চন্দ্রপৃষ্ঠের একদিকের চেহারাই পাল্টে দিয়েছে। ফলে দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য, দুই দিক এত আলাদা। চাঁদের যে দিকটা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে সে দিকটা বিস্তীর্ণ, লাভা প্রবাহের গাঢ় ছাপ রয়েছে। আর উল্টো দিকটা ভর্তি বিশাল বিশাল গর্ত দিয়ে, লাভার চিহ্ন সেখানে নেই বললেই চলে। 

    বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, চাঁদের চেহারা বদলে যায়। সেজন্য পৃথিবী থেকে চাঁদের যে রূপ আমরা দেখতে পায়  সেটা একরকম। আবার যে অংশ দেখতে পায় না তা আবার আলাদা।  

    গবেষণায় এও দাবি করা হয়েছে, ওই উল্কাপাতেই সৃষ্টি হয়েছে চাঁদের দৈত্যাকার সাউথ পোলএটিক্যান (এসপিএ) বেসিনের। কোনও কিছুর আঘাতে সৃষ্ট গর্তের মধ্যে গোটা সৌরজগতে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম। 

     

  • Dinosaur: গ্রহাণুর আঘাতেই কি বিলুপ্ত হয়েছে ডায়নোসর? নিদর্শন মিলল ফসিল সাইটে

    Dinosaur: গ্রহাণুর আঘাতেই কি বিলুপ্ত হয়েছে ডায়নোসর? নিদর্শন মিলল ফসিল সাইটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীতে আছড়ে পড়া এক বিশাল গ্রহাণুর আঘাতেই ধ্বংস হয়েছিল ডায়নোসরেরা। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটার তানিস ফসিল সাইটে এর নিদর্শন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এ নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, পৃথিবীতে যে বিশাল গ্রহাণু আছড়ে পড়েছিল, সরাসরি তার আঘাতেই  ডায়নোসরের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনাকেই ইতিহাস থেকে ডায়নোসরের মুছে যাওয়ার জন্য দায়ি করা হয়ে থাকে। বহু বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলেছিল। পরিবর্তিত হয়েছিল পৃথিবীর জলবায়ু। যেদিন এই ঘটনা ঘটেছিল সেদিনের ঘটনার নানা নিদর্শন ওই ফসিল সাইটে মিলেছে।
    তানিসে আরও অনেক ফসিল উদ্ধার করা গেছে। এরমধ্যে আছে সেই  সময়ে মারা যাওয়া মাছ, কচ্ছপ, ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং একাধিক প্রজাতির ডায়নোসর। 
    ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের (Manchester University)শিক্ষার্থী ও গবেষক রবার্ট ডিপালমা (Robert DePalma)এই গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমরা সেখান থেকে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছি। সেখানে সব এমন ভাবে সাজানো রয়েছে যে আমরা ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ দেখতে পাচ্ছিলাম। প্রতিটা মুহূর্তে কী হচ্ছিল তা জানা গেছে। যেন একটি সিনেমা চলছে। সেখানকার পাথর ও ফসিলের দিকে তাকালে আপনি একদম সেই গ্রহাণু আছড়ে পরার দিনে চলে যাবেন।” এখনও বিতর্ক আছে যে ডায়নোসর বিলুপ্তকারী বস্তুটি কোনও গ্রহাণু ছিল না,  একটি ধূমকেতু ছিল। নতুন এই আবিষ্কার সেই বিতর্ক শেষ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

  • Bullet Train in India: ভারতের মাটিতে কবে থেকে ছুটবে বুলেট ট্রেন? জানা গেল অবশেষে

    Bullet Train in India: ভারতের মাটিতে কবে থেকে ছুটবে বুলেট ট্রেন? জানা গেল অবশেষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শীঘ্রই ভারতের মাটিতে ছুটতে চলেছে বুলেট ট্রেন। পরীক্ষামূলকভাবে ভারতে প্রথম বুলেট ট্রেন চালানো হবে। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পরীক্ষার সময়ে ৩৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে চলবে বুলেট ট্রেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানের টেক-অফ গতির সঙ্গে তুলনীয় বুলেট ট্রেনের ট্রায়ালের (Bullet Train Trial Run) এই গতি। তবে, যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে প্রতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার গতিতে। 

    জানা গিয়েছে, পরীক্ষাকালীন প্রথম বুলেট ট্রেন চলবে গুজরাটের সুরাট এবং বিলিমোরার মধ্যে। তারপরে ধীরে অন্যান্য জায়গাতে এই ট্রায়াল পরিচালনা করা হবে। ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের আধিকারিক জানান, ২০২৬ সালে এই ট্রেন সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাবে। এই মুহূর্তে জাপানের সহযোগিতায় অনেকটাই কাজ এগিয়েছে। 

    ভারতে বুলেট ট্রেন চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ঋণের ৮০ শতাংশই এসেছে জাপান থেকে। বুলেট ট্রেনের জন্য বিশেষ রেল লাইন বসানোর উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই দেড় কিলোমিটার লম্বা একটি ব্রিজ তৈরি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ‘স্ল্যাব ট্র্যাক সিস্টেম’ নামক বিশেষ রেললাইন দিয়েই ছুটবে বুলেট ট্রেন। এই ট্রেনের মাধ্যমে আহমেদাবাদ থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন ঘণ্টা।

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতে বুলেট ট্রেন চালু হলে মাত্র তিন ঘণ্টায় আহমেদাবাদ থেকে মুম্বই পৌঁছে যাওয়া যাবে। জাপান থেকে সংগ্রহ করা ডিজাইন ব্যবহার করে, ফুল স্প্যান লঞ্চিং মেথড (FLSM) এর মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে রেলের সেতু, যা বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক সেতু নির্মাণ প্রযুক্তি। NHSRCL বিলিমোরা এবং সুরাতের মধ্যে প্রতি মাসে ২০০-২৫০ টি পিলার তৈরি করেছে।

    বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হতে পারে সেই নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে। এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, প্লেনের ইকোনমি ক্লাসের সমতুল্য ভাড়াই প্রযোজ্য হবে বুলেট ট্রেনের ক্ষেত্রে। 

     

  • Asteroids: ফের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পরপর পাঁচটি গ্রহাণু, জানুন কবে আসবে…

    Asteroids: ফের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পরপর পাঁচটি গ্রহাণু, জানুন কবে আসবে…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি-দুটি নয়, পাঁচটি গ্রহাণু (Asteroid) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে থাকে। আজ থেকেই শুরু হয়েছে গ্রহাণুর আসা। তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসবে ঠিকই কিন্তু পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে। অর্থাৎ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার কোবও সম্ভাবনা নেই। ফলে এতে কোনও চিন্তার বিষয়ও নেই। সম্প্রতি অনেক গ্রহাণুই পৃথিবার পাশ কেটে চলে গিয়েছে এবং এতে পৃথিবীর ওপর কোনও প্রভাবও পড়েনি। কোন গ্রহাণু কেন দিন পৃথিবীর দিকে আসতে চলেছে, জেনে নিন।

    এনইও ২০২২ কিউপি৪ গ্রহাণু(NEO 2022 QP4)

    আজ এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। এটি প্রায় পৃথিবীর কক্ষপথের ১কোটি ৩৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ২২ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসবে ও পাশ কেটে উড়ে যাবে। এনইও ২০২২ কিউপি৪ গ্রহাণুটি প্রায় ৪০ ফুট চওড়া, প্রায় একটি বাসের আকারে সমান। এর গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ২৫০০০কিলোমিটার। এটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাওয়ার পর পরবর্তীতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরেই মঙ্গল গ্রহের দিকে যাবে।

    এনইও ২০২২ কিউকিউ৪ (NEO 2022 QQ4)

    এই গ্রহাণুটি আগামীকাল পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে যাবে ও এর আকার আগের গ্রহাণুটির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ১১০ ফুট চওড়া গ্রহাণুটির গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৭ কিমি। নাসার মতে এই গ্রহাণুটি পুনরায় ২১৩১ সালের ১৬ অগাস্ট পৃথিবীর দিকেই ফিরে আসবে।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিমানের চেয়ে তিনগুণ বড় গ্রহাণু! আছড়ে পড়বে কি? কী বলছেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা

    এনইও ২০২২ কিউপি৩ (NEO 2022 QP3)

    এই গ্রহাণুটি রবিবার অর্থাৎ ২৮ অগাস্ট পৃথিবীর কক্ষপথের ৫৫ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে চলে যাবে। তবে এর আকার আগের গ্রহাণুর আকারের সমান। কিন্তু এই গ্রহাণুর গতিবেগ আগের গ্রহাণুর থেকে একটু বেশি। এর গতিবেগ প্রায় প্রতি ঘন্টায় ২৯০০০ কিলোমিটার। এই গ্রহাণুটি আবার ২০২৫ সালের ১৬ অগাস্ট পৃথিবীর দিকে ফের চলে আসবে।

    ২০২২ কিউএক্স৪ ও ২০১৭ বিইউ(2022 QX4 and 2017 BU)

    এই দুটি গ্রহাণুই সোমবার পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে চলেছে। ১৪০ ফুটের সমান ২০২২ কিউএক্স৪ গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের ১৮ লক্ষ কিমির মধ্যে দিয়ে চলে যাবে। এর গতিবেগও প্রতি ঘন্টায় ২৯০০০ কিমি। এটি আবার ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবে।

    ১০০ ফুট চওড়া ২০১৭ বিইউ গ্রহাণুটি ৬৫ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর পাশ কেটে চলে যাবে। এর গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ২৫কিলোমিটার। এটি আবার ২০৫১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী পৃথিবীর দিকে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Solar Eclipse 2022: বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ কবে, কখন ও কোথায় দেখা যাবে? জেনে নিন

    Solar Eclipse 2022: বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ কবে, কখন ও কোথায় দেখা যাবে? জেনে নিন

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: এই বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse 2022) দেখা যাবে ৩০ এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার। তবে ভারতবাসীর জন্য দুঃসংবাদ। এদেশে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। দক্ষিণ এবং পশ্চিম-দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং আন্টার্কটিক মহাসাগরে গ্রহণ দেখা যাবে। ২০২২ সালে ঘটতে চলা দু’টি আংশিক সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রথম গ্রহণ এটি। দ্বিতীয়টি হবে চলতি বছরের ২৫ অক্টোবর।

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী, ৩০ এপ্রিল সূর্যগ্রহণ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে। শেষ হবে ৪টা ৭ মিনিটে। EarthSky.org এর মতে, গ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বিকেল ৪টা ৪১মিনিটে। গ্রহণ স্থায়ী হবে তিন ঘণ্টা বাহান্ন মিনিট। সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে যখন চাঁদ চলে আসে তখনই সূর্যগ্রহণ হয়। চাঁদ সূর্যকে আড়াল করে। ফলে সূর্যের রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছোতে বাধা পায়। সেইসময় সূর্যগ্রহণ হয়। বিজ্ঞানীদের পরামর্শ প্রতিরক্ষামূলক চশমা, দূরবিন বা টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্রহণ দেখা উচিৎ।

    সূর্যগ্রহণকে চার ভাগে ভাগ করা হয়: পূর্ণগ্রাস, বলয়গ্রাস, আংশিক এবং হাইব্রিড। ২০২২ সালে চারটি গ্রহণ ঘটবে, দু’টি আংশিক সূর্যগ্রহণ এবং দু’টি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করা একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

     

     

  • NASA Largest Comet: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর হদিশ দিল নাসা, এগোচ্ছে পৃথিবীর দিকে?

    NASA Largest Comet: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর হদিশ দিল নাসা, এগোচ্ছে পৃথিবীর দিকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর (Comet) সন্ধান দিল নাসার (NASA) হাবল টেলিস্কোপ (Hubble telescope)।  এতদিন পর্যন্ত আবিষ্কার হওয়া ধূমকেতুগুলির মধ্যে এর দৈর্ঘ্য সর্বাধিক। যা শুনলে চমকে উঠবে যে কেউ। 

    এই ধূমকেতুর দৈর্ঘ্য সম্পর্কে এতদিন যা ধারণা ছিল,তা ভেঙে গিয়েছে। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। এর নাম C/2014 UN271। সাধারণ ধূমকেতুর যে দৈর্ঘ্য, তার থেকে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ গুণ বেশি! আমেরিকার দ্বীপ রোদে আইল্যান্ডের থেকেও বড় এটি। প্রায় ৩৫ হাজার কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে সেটিকে ছুটে আসতে দেখা গিয়েছে সৌরজগতের সীমানার দিকে।
    কেবল দৈর্ঘ্য় নয়, ধূমকেতুটির ভরও চমকে দেওয়ার মতো। এর ভর প্রায় ৫০০ লক্ষ কোটি টন। এটিও এতদিন আবিষ্কৃত ধূমকেতুদের থেকে বহু গুণ বেশি। স্বাভাবিক ভাবেই এমন অতিকায় ধূমকেতুকে দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিল C/2002 VQ94 নামের এক ধূমকেতু। সেটিই ছিল এতদিন পর্যন্ত চেনা ধূমকেতুদের মধ্যে সবথেকে দীর্ঘ। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। 

    এই ধূমকেতুটিকে প্রথমবার দেখা গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই সময় সূর্যের থেকে এর দূরত্ব ছিল ৩০০ কোটি মাইল। তবে সেবার কেবল একে দেখা গেলেও এর অস্তিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত খবর পাওয়া গেল প্রথম বার। আশ্চর্য এই ধূমকেতুকে নিয়ে মহাকাশপ্রেমীদের কৌতূহলের শেষ নেই। 

    নাসা জানাচ্ছে, ২০৩১ সালে সেটি পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসবে। তাহলে কি ওই অতিকায় ধূমকেতুর সঙ্গে সংঘর্ষ হতে চলেছে আমাদের পৃথিবীর। এবিষয়ে অবশ্য আশ্বস্ত করছে নাসা। জানা গিয়েছে, আমাদের নীল গ্রহের কাছে এলেও ধূমকেতুটি তার থেকে অনেক দূর দিয়েই চলে যাবে। তাই কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে রাতের আকাশের দিকে চোখ রেখে যে চমকে উঠবেন মহাকাশপ্রেমীরা, তাতে সন্দেহ নেই।

     

  • Solar Flare Hits Earth: পৃথিবীতে আছড়ে পড়ল ‘সোলার ফ্লেয়ার’, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়ায় রেডিও ব্ল্যাকআউট

    Solar Flare Hits Earth: পৃথিবীতে আছড়ে পড়ল ‘সোলার ফ্লেয়ার’, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়ায় রেডিও ব্ল্যাকআউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় পৃথিবীতে আঘাত হানার পর থেকেই সূর্যের ক্রিয়াকলাপ আবারও গতি পাচ্ছে। দু-একদিনের মধ্যেই পৃথিবীতে ধেয়ে এসেছে ভূ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ! রবিবারই একটি সূর্য তরঙ্গাংশ এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় রেডিও যোগাযোগে বিপত্তি তৈরি করে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখানেই শেষ নয়, পৃথিবীকে আরও যন্ত্রণা দিতে আগামী এক সপ্তাহ জুড়ে সূর্যের নানা কার্যকলাপ চলতেই থাকবে। আর কী হতে পারে এই সপ্তাহ জুড়ে, আশঙ্কার কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা। 

    সূর্যের পূর্ব দিকের অংশ থেকে একটি সৌর তরঙ্গাংশ বা ফ্লেয়ার তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে তরঙ্গ দু-একদিন আগে তৈরি হয়েছিল, তেমনই একাধিক তরঙ্গ তৈরি হতে পারে, কারণ একাধিক সান স্পট তার স্থান অদল-বদল করবে। সেই ফ্লেয়ার ধেয়ে আসতে পারে পৃথিবীর দিকে।

    স্পেস ওয়েদার নামে একটি ওয়েবসাইটের দাবি, সপ্তাহের শুরুতে যে কাণ্ড ঘটেছে তা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। এর পরেই একটি বড়সড় রেডিও অ্যাক্টিভ রিজিওন রয়েছে। সেটি ধরা পড়েছে রবিবার। সেটির প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতে। স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টারের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সূর্যের অগ্ন্যুৎপাতের পরে পৃথিবী-সহ সৌরমণ্ডলের অভ্যন্তরীণ গ্রহের দিকে অগ্নিশিখা আঘাত হানতে পারে।

    একটি সৌর শিখা সূর্যের পৃষ্ঠে আকস্মিক, দ্রুত এবং তীব্র বিস্ফোরণ ঘটায়। যখন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ শক্তি হঠাৎ করে নির্গত হয় তখনই ঘটে ওই বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণ মহাবিশ্বের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থজুড়ে বিকিরণ নির্গত করে। সৌরজগতের গ্রহগুলির দিকে আঘাত করে। এই বিকিরণগুলিতে রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে এবং গামা রশ্মি থাকে।

    বিজ্ঞানীরা বলেছেন, একটি সৌর শিখার তিনটি পর্যায় রয়েছে। প্রথম হল পূর্ববর্তী পর্যায়, যেখানে চৌম্বকীয় শক্তির মুক্তি নরম এক্স-রে নির্গমনের মাধ্যমে শুরু হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রোটন এবং ইলেকট্রন এক মিলিয়ন ইলেকট্রন ভোল্টের সমতুল্য শক্তিতে ত্বরাণ্বিত হয়। তৃতীয় পর্যায় হল এক্স-রেগুলির ধীরে ধীরে বিল্ড আপ এবং ক্ষয় হয়। উল্লেখ্য, সূর্য এখন তার একাদশতম সৌর চক্রে রয়েছে, যা পৃষ্ঠের উপর উচ্চ কার্যকলাপ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 

    বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সৌর ঝড়ের ফলে প্লাজমা ছড়িয়ে পড়ে মহাশূন্যে। এর আগে পৃথিবীর দিকে নয়, পৃথিবীর থেকে দূরবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রভাব পড়েছিল পৃথিবীতে। এ বার সেটি পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকা অংশেই ঘটছে। তাই আশঙ্কা বেশি। এই ধরণের সোলার ফ্লেয়ার সাধারণত বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত করে পৃথিবীর দিকে। ম্যাগনেটিক ফিল্ডে আটকে থাকা সেই শক্তি হঠাৎ বাইরে বেরিয়ে পড়ে। এর ফলে তৈরি হয় বিকিরণ। যা থেকেই ঘনিয়ে আসতে পারে বিপদ।

     

  • Asteroid: কাল পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে গোল্ডেন গেট ব্রিজের মতো বড় গ্রহাণু

    Asteroid: কাল পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে গোল্ডেন গেট ব্রিজের মতো বড় গ্রহাণু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামীকাল আরও একটি মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। সানফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজের আকারের একটি গ্রহাণু পৃথিবীর কক্ষপথে আসতে চলছোন ঘেঁষে চলে যাওয়ার কথা। ঘণ্টায় ২৫ হাজার কিমি গতিতে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে নাসা।

    গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘৪১৮১৩৫(২০০৮এজি৩৩)’। সাধারণত পৃথিবীর পাশ দিয়ে এত বড় আকারের কোনও গ্রহাণু গেলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। তবে এই গ্রহাণুর ফলে পৃথিবীর কোনও বিপদের আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নাসা সূত্রে খবর, পৃথিবী থেকে ৩,২৪০,০০০ কিমি দূর দিয়ে চলে যাবে গ্রহাণুটি। এর ব্যাস ৪৫০ মিটার।  তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে গেলেও, সেটিকে খালি চোখে দেখা যাবে না বলেই নাসা সূত্রে খবর। তবে ছোট টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

    নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাকাশে এখনও পর্যন্ত ১,০৩১,৪৮৮টি গ্রহাণু তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার শুরুর দিকে এই পাথুরে, বাতাসহীন গ্রহাণুগুলি তৈরি হয়। এই গ্রহাণুগুলি পৃথিবীর কক্ষপথে এলে কিছুটা প্রভাব পড়ে। তবে এবার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে নাসা। শেষপর্যন্ত এর গতিপথের দিকে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে নাসার বিজ্ঞানীরা।

LinkedIn
Share