Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ISRO: নজর গগনযান মিশনের দিকে, আরও শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা ইসরোর

    ISRO: নজর গগনযান মিশনের দিকে, আরও শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশন গগনযান বাস্তবায়নের পথে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে ‘এলভিএম-৩’ রকেটের ‘সিই২০’ ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের (LVM3 CE20 Cryogenic Engine) ‘সি-লেভেল হট টেস্ট’ পরীক্ষা করল ইসরো (ISRO)। এই ইঞ্জিন গগনযান মিশনকে অনেক শক্তি প্রদান করবে। জানা গিয়েছে, প্রোপালশন কমপ্লেক্সে পরিচালিত পরীক্ষাটি ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে। এর আগে, গত ২৯ নভেম্বর ইসরো এই ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছিল। এবার তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফের পরীক্ষা করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    ধারণ ক্ষমতা ১৯ টন থেকে বাড়িয়ে ২২ টন করা হয়েছে (ISRO)

    ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, সিই২০ ইঞ্জিনটি ইসরো এলভিএম-৩ লঞ্চ ভেহিক্যালকে (LVM3 CE20 Cryogenic Engine) বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে ওঠার ক্ষেত্রে শক্তি প্রদান করবে। চন্দ্রযান-২, চন্দ্রযান-৩ মিশনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এই ‘সিই২০’। আগামী গগনযান মিশনেও এই ইঞ্জিনের ওপরই আস্থা রাখছে ইসরো। ইতিমধ্যে ইঞ্জিনটি ছয়টি সফল এলভিএম ৩ মিশন পার করেছে এই ইঞ্জিন। এবার ভবিষ্যতের মিশনগুলির জন্য এর শক্তি ১৯ টন থেকে বাড়িয়ে ২২ টন করা হয়েছে। এর জন্য ইঞ্জিনের নকশায় একটি বড় বদল করা হয়েছে।

    নতুন ডিজাইনের ইঞ্জিনের কার্যকারিতা পরখ করতেই করা হল ‘সি-লেভেল হট টেস্ট’। ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার মধ্যে একটি মাল্টি-এলিমেন্ট ইগনিটারের প্রদর্শন করা হয়েছে, যা ইঞ্জিনকে পুনঃরায় চালু করতে সহযোগিতা করবে। উৎক্ষেপণের জন্য এই ইঞ্জিন এখন বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী। ইসরোর আরও নানা মিশনে এই ইঞ্জিনের ব্যবহার করা হবে। ইসরো জানিয়েছে, ভারতের ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই নতুন বেশি শক্তিশালী ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন। 

    আরও পড়ুনঃ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল, মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য

    খরচের বোঝাও কমিয়ে দেবে ইঞ্জিন

    ইসরো (ISRO) আরও জানিয়েছে, সমুদ্র স্তরের পরীক্ষার সময় কম্পন এবং হিট প্রেসার-এর মতো কঠিন সমস্যাকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে এলভিএম-৩ ক্রিয়োজনিক ইঞ্জিন (LVM3 CE20 Cryogenic Engine)। এই ইঞ্জিনের ব্যবহারে উৎক্ষেপণে নিরাপত্তা যেমন বৃদ্ধি পায়, ঠিক তেমনি খরচের বোঝাও কমিয়ে দেবে। সিই ২০ ইঞ্জিন হল ভারতের এখন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ইঞ্জিন। আগামী দিনে গগনযান মিশনে তিনজন মহাকাশচারীকে পাঠাতে সাহায্য করবে এই ইঞ্জিন। এই উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তির বিকাশ বিশ্বব্যাপী মহাকাশ অনুসন্ধানে ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। এই সিই২০ ইঞ্জিন ভবিষ্যতের মিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। মহাকাশে আরও বৃহত্তর সাফল্য অর্জন করতে পথকে প্রশস্থ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    JNU: ম্যালেরিয়া-কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে নয়া আবিষ্কার জেএনইউ বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় আবিষ্কার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) বিজ্ঞানীদের। ম্যালেরিয়া ও কোভিড ১৯ চিকিৎসায় পরিবর্তন আনতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে এই আবিষ্কার। জেএনইউয়ের (Big Discovery) স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের দলটি একটি মানব প্রোটিন, ‘এইচএসপি ৭০’-কে চিহ্নিত করেছে।

    একাধিক সংক্রমণ রুখবে (JNU)

    এই প্রোটিনটি ম্যালেরিয়া ও কোভিড-১৯ এর মতো রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিজ্ঞানীরা রাশিয়া ও ভারতের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করে এইচএসপি ৭০ এর একটি ছোট মলিকিউল ইনহিবিটর তৈরি করেছেন, যা একাধিক সংক্রমণের জন্য একটি বিস্তৃত-স্পেকট্রাম চিকিৎসা হিসাবে কাজ করতে পারে। এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন জেএনইউয়ের স্পেশাল সেন্টার ফর মলিকিউলার মেডিসিনের অধ্যাপক আনন্দ রঙ্গনাথন এবং শৈলজা সিং। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এইচএসপি ৭০-কে টার্গেট করা হলে ওষুধ প্রতিরোধ আটকানো যেতে পারে, যা সংক্রমণের চিকিৎসায় একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ফর বায়োলজিকাল ম্যাক্রোমলিকিউলসে।

    এইচএসপি ৭০ টার্গেট

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে (JNU), এইচএসপি ৭০ সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন এবং মানুষের এসিই২ রিসেপ্টরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, যা ভাইরাসকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, জ্বরের সময় এইচএসপি ৭০ এর মাত্রা বাড়ে এবং এই সংযোগকে স্থিতিশীল করে। ফলে ভাইরাসটি কোষে সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এইচএসপি ৭০ ইনহিবিট করে তারা ল্যাব পরীক্ষায় ভাইরাসের প্রতিলিপি সম্পূর্ণরূপে থামাতে সক্ষম হন। অধ্যাপক শৈলজা সিং বলেন, “ম্যালেরিয়া পরজীবী বা সার্স-কোভ২ এর মতো রোগজীবাণু হোস্টের মেকানিজম ব্যবহার করে বেঁচে থাকে। এইচএসপি ৭০ টার্গেট করে আমরা তাদের প্রতিলিপি তৈরি করার ক্ষমতা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে (Big Discovery) লড়াই করার ক্ষমতা ব্যাহত করতে পারি।”

    আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাড়িতে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে খুন! ছেঁড়া হয় তুলিসীর মালা, চলে দেদার লুটপাট

    আবিষ্কারের গুরুত্ব প্রসঙ্গে অধ্যাপক রঙ্গনাথন বলেন, “বিশ্ব হয়ত কোভিড ১৯-কে পেছনে ফেলেছে। কিন্তু বিজ্ঞানী হিসেবে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আমাদের আবিষ্কার ভবিষ্যৎ মহামারির জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে পারে।” এইমসের ড. প্রমোদ গর্গ এবং পিএইচডি স্কলার প্রেরণা জোশি-সহ গবেষণার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “এই গবেষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে একটি সর্বজনীন পদ্ধতি প্রদান করতে পারে (JNU)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: সৌর রহস্যভেদে ইসরোর রকেটে মহাকাশে পাড়ি দিল ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির ‘প্রোবা-৩’

    ISRO: সৌর রহস্যভেদে ইসরোর রকেটে মহাকাশে পাড়ি দিল ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির ‘প্রোবা-৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে পাড়ি দিল প্রোবা-৩ (Proba-3)। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ওই সৌরপর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহকে নিয়ে ইসরোর (ISRO) ওয়ার্কহর্স রকেট পিএসএলভি রওনা দিল বৃহস্পতিবার বিকেলে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর), বিকেলেই এই অভিযান শুরুর কথা ছিল। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে স্যাটেলাইটটিতে কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায়, উৎক্ষেপণ বাতিল করা হয়েছিল। এদিন অবশ্য আর কোনও বাধা-বিপত্তি দেখা দেয়নি। বিকেল ৪টে বেজে ৪ মিনিটে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার মহাকাশ বন্দর নির্বিঘ্নে প্রোবা-৩ স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেয় ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল বা পিএসএলভি এক্সএল (PSLV-XL) রকেট।

    খুশির হাওয়া ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায়

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ইসরো (ISRO) বলেছে, ‘‘সফল লিফ্ট অফ! সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিল পিএসএলভি-সি৫৯ (PSLV-C59)। ইসরো-র প্রযুক্তিগত দক্ষতায় ইএসএ-র যুগান্তকারী প্রোবা-৩ স্যাটেলাইটকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপনের মধ্য দিয়ে এক আন্তর্জাতিক অভিযানের সূচনা হল৷ এটা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভারতের মহাকাশ সাফল্যের সমন্বয় উদযাপনের এক গর্বের মুহূর্ত!’’ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে, সূর্যের থেকেও করোনোর তাপমাত্রা বেশি (১.৮ মিলিয়ন থেকে ৩.৬ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট)। সেখান থেকেই সৌরজগতের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। স্বভাবতই সেই জায়গা নিয়ে বিজ্ঞানীদের প্রচুর আগ্রহ আছে। আর ইসরোর ক্ষেত্রে সবথেকে বড় ব্যাপার হল যে ইতিমধ্যে সৌর মিশন চালাচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা। ‘প্রোবা-৩’ মিশন থেকে যে তথ্য পাওয়া যাবে, তা আদিত্য-এল১ মিশনের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘প্রোবা-৩’ 

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, যেভাবে ‘প্রোবা-৩’ (Proba-3) মিশন উৎক্ষেপণ করা হবে, তা বিশ্বে প্রথমবার হচ্ছে। তাতে দুটি স্যাটেলাইট আছে। দুটি মহাকাশযান (করোনাগ্রাফ এবং অকুলটার) একসঙ্গে উড়ে যাবে। দুটি খুব কাছাকাছি থাকবে। প্রায় ১৮ মিনিট যাওয়ার পরে ৫৫০ কিলোগ্রামের ‘প্রোবা-৩’ স্যাটেলাইটকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেয় পিএসএলভি। প্রাথমিক কক্ষপথে পৌঁছানোর পরে দুটি স্যাটেলাইট ১৫০ মিটারের ব্যবধানে এগিয়ে যাবে। এমনভাবে ওই স্যাটেলাইট দুটি যাবে, যাতে সূর্যের ‘সোলার ডিস্ক’-কে ঢেকে দেবে অকুলটার। আর সেই পরিস্থিতিতে সূর্যের করোনা এবং সূর্যের আশপাশের পরিবেশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে করোনাগ্রাফ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drug Resistant Pneumonia: বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা, আবিষ্কার নয়া অ্যান্টিবায়োটিক

    Drug Resistant Pneumonia: বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা, আবিষ্কার নয়া অ্যান্টিবায়োটিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বায়োটেকনোলজি জগতে যুগান্তকারী ঘটনা। মহারাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ওকহার্ট লিমিটেড প্রথম দেশীয়ভাবে উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ‘নাফিথ্রোমাইসিন’ (বাণিজ্যিক নাম- মিকন্যাফ) তৈরি করেছে। এটি বহু-ওষুধ প্রতিরোধী (Drug Resistant Pneumonia) জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর। এই নয়া অ্যান্টিবায়োটিকটি (Antibiotic) প্রাপ্তবয়স্কদের কমিউনিটি-অ্যাকোয়ার্ড ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া (CABP) চিকিৎসার কাজে লাগবে।

    ‘সফট লঞ্চ’ (Drug Resistant Pneumonia)

    চলতি বছরের ২০ নভেম্বর কেন্দ্রের ডিপার্টমেন্ট অব বায়োটেকনোলজি এবং বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিল (BIRAC) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই ওষুধটির ‘সফট লঞ্চ’ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড্রাগ-প্রতিরোধী নিউমোনিয়া প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী  ২০ লক্ষেরও বেশি মৃত্যুর জন্য দায়ী। বিশ্বব্যাপী নিউমোনিয়ার মধ্যে ভারতের অংশ ২৩ শতাংশ। এখানে অ্যাজিথ্রোমাইসিনের মতো প্রচলিত ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কারণে চিকিৎসায় নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে (Drug Resistant Pneumonia)।

    কী বলছেন প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান?

    বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিল ওকহার্টকে নাফিথ্রোমাইসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ৮ কোটি টাকা দিয়েছে। যদিও প্রকল্পের খরচ ৫০০ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেওয়া হয়েছে। ওকহার্টের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান ডঃ হাবিল খোরাকিওয়ালা তাঁর বক্তব্যে মিকন্যাফের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এটি একটি ওরাল ড্রাগ, যা কমিউনিটি রেসপিরেটরি ইনফেকশন মোকাবিলার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। গত ৩০ বছরে এই সেগমেন্টে বিশ্বব্যাপী কোনও নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হয়নি বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, ওষুধটি অ্যাজিথ্রোমাইসিনের তুলনায় ১০ গুণ বেশি কার্যকর এবং ফুসফুসে ৮ গুণ বেশি এক্সপোজার দেয়। এটি প্রতিদিন একবার করে তিন দিন খেতে হবে। তিনি জানান, নাফিথ্রোমাইসিন উন্নততর নিরাপত্তা এবং সহনশীলতা প্রদর্শন করে। এতে ক্লিনিক্যাল কিওর রেট রয়েছে ৯৬.৭ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাফিথ্রোমাইসিনের উন্নয়ন ১৪ বছরের টানা গবেষণা এবং ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের (Antibiotic) ফল, যেখানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং ভারতের মধ্যে পরিচালিত হয়েছে (Drug Resistant Pneumonia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: মহাকাশে ভারতের প্রথম এআই ল্যাবরেটরি! ইসরোর নয়া পরিকল্পনা সম্পর্কে জানেন কি?

    ISRO: মহাকাশে ভারতের প্রথম এআই ল্যাবরেটরি! ইসরোর নয়া পরিকল্পনা সম্পর্কে জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ল্যাবরেটরি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ইসরো। পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (PSLV) দ্বারা প্রোবা-৩ মিশনটি মহাকাশে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। হায়দরাবাদ ভিত্তিক বেসকরকারি স্পেস প্রযুক্তি সংস্থা ‘টেকমি ২ স্পেস’ ভারতের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ল্যাবরেটরি ‘মাই অরবিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার – টেকনোলজি ডেমোনস্ট্রেটর’ (MOI-TD) মহাকাশে পাঠাচ্ছে। ডিসেম্বরের ৪ তারিখেই এটি পিএসএলভি এক্স এল (PSLV-XL) রকেটে মহাকাশে পৌঁছবে। এই মিশন সফল হলে মহাকাশ গবেষণায় বিপ্লব আনতে সক্ষম হবে ভারত। এমওআই-টিডি(MOI-TD) প্ল্যাটফর্মটি মহাকাশে রিয়েল-টাইম ডেটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে গবেষণা পদ্ধতিকে আরও উন্নত করবে।

    মহাকাশে এআই ল্যাব-এর সুবিধা

    বর্তমানে, স্যাটেলাইটের প্রাপ্ত ডেটার ৪০% পর্যন্ত মেঘলা আবহাওয়ার কারণে অকার্যকর হয়ে যায়, যার ফলে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ সময় লাগে। এআই ল্যাব মহাকাশে ডেটা প্রক্রিয়া করে দ্রুত এবং কম খরচে কার্যকরী তথ্য প্রদান করতে সক্ষম হবে। টেকমি২ স্পেসের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও রৌনক কুমার সামানট্রয় বলেন, ‘‘এই গবেষণা মহাকাশ বিজ্ঞানকে আরও উন্মুক্ত করবে।’’ তিনি মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত প্রবেশাধিকারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। মহাকাশে এই এআই গবেষণাগার ব্যবহারকারীরা ‘অরবিটল্যাব’ নামে একটি ওয়েব-বেসড কনসোলের মাধ্যমে স্যাটেলাইটের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারবেন। যা তাঁদেরকে পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ, বনভূমি উচ্ছেদ এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন শনাক্তকরণের মতো বিভিন্ন এআই মডেল আপলোড করার সুযোগ দেবে।

     এআই গবেষণাগারের গুরুত্ব

    ইসরো সূত্রে জানানো হয়েছে এই মিশনটি “ইনস্পেস টেকনিক্যাল সেন্টার”-এর সমর্থনে তৈরি হয়েছে। যা ভারত সরকারের একটি সংস্থা। আমেদাবাদে অবস্থিত ইনস্পেস “মাই অরবিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার – টেকনোলজি ডেমোনস্ট্রেটর”-কে প্রস্তুত করেছে। তার ওপর সফল পরীক্ষাও করা হয়েছে। এআই অ্যাক্সিলারেটর, নমনীয় সৌর কোষ এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে এই এআই গবেষণাগারে। এই মিশনটি শুধুমাত্র পৃথিবী থেকে মানুষের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়াবে না, বরং ভবিষ্যতে মহাকাশ ভিত্তিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির জন্য ভিত্তি স্থাপন করবে। এই প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যেই তার প্রথম গবেষণা অংশীদার, মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতীয় স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি দলকে পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-4: ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ ভারী হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভার! জানাল ইসরো, আর কী কী পরিবর্তন?

    Chandrayaan-4: ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ ভারী হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভার! জানাল ইসরো, আর কী কী পরিবর্তন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান অভিযান ভারতের মহাকাশ গবেষণাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্য মহাকাশ বিজ্ঞানে ইসরোর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে। এবার পালা চন্দ্রযান ৪-এর (Chandrayaan-4)। স্বাভাবিক ভাবেই আরও আধুনিক হতে চলেছে এই অভিযান। ইসরো (ISRO) সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৩-এর রোভার ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ বেশি হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভারের ওজন। 

    ওজন হবে ৩৫০ কেজি

    ইসরো জানিয়েছে, আনুমানিক ৩৫০ কেজি হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভারের ওজন। চন্দ্রযান ৪ অভিযানের (Chandrayaan-4) জন্য জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিছু কাজ সারতে চাইছে ইসরো (ISRO)। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-এর স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (SAC) পরিচালক নিলেশ দেশাই বলেন, ‘‘চন্দ্রযান ৪ মিশনের রোভারটির ওজন হবে ৩৫০ কেজি, যা আগের রোভারটির চেয়ে ১২ গুণ বেশি।’’ তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসবে, যেখানে নতুন রোভারটি চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান চালাতে সক্ষম হবে। চন্দ্রযান ৪ মিশনটি শুধু চাঁদে অবতরণ করবে না, বরং চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা ভারতকে বিশ্বের এমন কয়েকটি দেশের তালিকায় স্থান দেবে, যারা এ ধরনের জটিল মহাকাশ কার্যক্রম সম্পাদন করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    চন্দ্রযান ৪-এ নতুন কী?

    রোভারটির ওজন বৃদ্ধির ফলে এটি আরও বড় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করতে পারবে এবং এর অনুসন্ধান এলাকা হবে অনেক বড়। যেখানে প্রজ্ঞান রোভার ৫০০ মিটার x ৫০০ মিটার এলাকা আবিষ্কার করেছিল, নতুন রোভারটি প্রায় ১ কিলোমিটার x ১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে গবেষণা চালাতে সক্ষম হবে। এছাড়াও দেশাই জানান, চন্দ্রযান ৩ দক্ষিণ মেরুর ৬৯.৩ ডিগ্রিতে অবতরণ করেছিল। ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর পেট থেকে বেরিয়ে সেখানে চাঁদের মাটিতে চাকা গড়িয়েছিল রোভার প্রজ্ঞানের। কিন্তু চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan-4) একেবারে ঠিক করা স্থানেই অবতরণ করবে ভারতের ল্যান্ডার। আর তা হবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর একদম ৯০ ডিগ্রি বিন্দু। দেশাই আরও বলেন, ‘‘যদি সরকারের অনুমোদন পাই, তবে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মিশনটি বাস্তবায়ন করতে পারব।’’ তবে ইসরোর (ISRO) অপর এক সূত্রের খবর, এই অভিযান ২০২৭ সালের মধ্যেই করার চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    ISRO: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) তরফ থেকে শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4), গগনযান এবং মহাকাশ স্টেশন নিয়ে ছয়টি মিশনের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য ভারতের এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা লাগাতার অভিনব প্রয়োগের কৌশলকে বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করে অনন্য নজির গড়ছে। ইতিমধ্যে চন্দ্রযান ৩, আদিত্য এল-১ মিশনের সাফল্যে নাসার কাছেও ব্যাপক প্রশংসার পাত্র হয়েছে ইসরো। আসুন এবার থেকে জেনে নিই ইসরো তার ভবিষ্যৎ কর্মসূচি কীভাবে পরিকল্পনা করেছে।

    শুক্রযান (Shukrayaan)

    শুক্রের রহস্য উন্মোচনের জন্য ইসরো (ISRO) শুক্রকে প্রদক্ষিণ করবে। এই কাজের জন্য একটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে শুক্রযানকে। এই যানকে ২০২৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে। শুক্রযান সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার এবং আল্ট্রাভায়োলেট ইমেজিং সিস্টেমের মতো উন্নত যন্ত্র দিয়ে সজ্জিত। শুক্রযান শুক্রের ঘন বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে খোঁজ খবর করবে। মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সালফিউরিক অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত ওই বায়ুমণ্ডলকে নিরীক্ষণ করবে। সেই সঙ্গে এই শুক্রের মিশনের মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে একটি হল সক্রিয় আগ্নেয়গিরি সনাক্তকরণ করা এবং গ্রহের ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপের মূল্যায়ন করা। ইসরোর (ISRO) এই মিশনের পরিচালক নীলেশ দেশাই জানিয়েছেন, ভারত সরকার শুক্রযান উপগ্রহকে বিশেষ অনুমোদন দিয়েছে।

    চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4)

    প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল সফট ল্যান্ডিং ঘটিয়ে ইসরো সারা বিশ্বে মান্যতা পেয়েছে। অবশ্য এই দক্ষিণ মেরুতে ভারত প্রথম সফল ভাবে অবতরণ করে বিশ্বের ক্ষমতাশীল দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে। ইসরো (ISRO) এবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে ফের লক্ষ্য করে জাপানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অবতরণ করবে। এই অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের (Chandrayaan 4) মাটি, পাথর এবং খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান করবে। এই মিশনের অভিপ্রায় শুধু অবতরণ নয় সেই সঙ্গে চন্দ্রযানকে পৃথিবীর মাটিতে ফিরিয়ে আনাও মিশনের প্রধান অঙ্গ। অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে এই অভিযানের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। মিশনের পরিচালক দেশাই জানিয়েছেন, “যদি আমরা সরকারের ঠিকঠাক অনুমোদন পাই তাহলে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মিশনটি সফল ভাবে কার্যকর করব। আমরা এই মিশন নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।”

    দ্বিতীয় মঙ্গলগ্রহ (Mangalyaan) অভিযান

    মঙ্গলগ্রহে অভিযানের জন্য ইসরো (ISRO) মঙ্গল অরবাইটার মিশনের অন্তর্গত দ্বিতীয় মঙ্গলযান তৈরির কাজ করছে বলে ইসরো জানিয়েছে। তবে শুধুমাত্র মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ নয়, এই লালগ্রহকে পরিক্রমা করে পৃষ্ঠদেশে অবতরণ করার চেষ্টাও একটা প্রধান অঙ্গ। মিশনের পরিচালক দেশাই বলেছেন, “মঙ্গল মিশনের একটি অংশ হিসেবে শুধু কক্ষপথের উপর আমাদের নির্মিত উপগ্রহকে রাখব না। বরং কীভাবে ভূ-মণ্ডলের উপর অবতরণ করা হবে সেই চেষ্টাও করা হবে। এই গ্রহকে নিয়ে আরও অনেক গবেষণা এবং তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।”

    গগনযান (Gaganyaan)

    মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ইসরো (ISRO)। গগনযান মিশনের এটি হবে একটি মাইলফলক মিশন। প্রথমে মানুষবিহীন ভাবে এই গগনযান পাঠানো হবে এরপর পরীক্ষামূলক সফলের মাধ্যমে মানুষবাহী মহাকাশযান পাঠানো হবে। এই মিশনের পরিচালক জানিয়েছেন, “আগামী ২ বছরের মধ্যে গগনযান পাঠানো হবে। মহাকাশের নানা অজানা তথ্য এবং খোঁজ পেতে এই মিশন ব্যাপক ভাবে কার্যকর হবে। তবে এই মিশনে দেশের জন্য সর্বাত্মক উৎসর্গ করা ভাবনাকে বিশেষ প্রধান্য দেওয়া হবে।”

    ইনস্যাট ৪ সিরিজ (INSAT 4)

    ইসরো (ISRO) মহাকাশযানের মধ্যে ইনস্যাট ৪ সিরিজের পরবর্তী উপগ্রহর উৎক্ষেপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই মিশনে ভূমণ্ডলের আবহাওয়া, সমুদ্র সংক্রান্ত ক্ষমতার উন্নতি, দুর্যোগের পূর্বাভাস সহ একাধিক নানা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করা হবে। এটি নতুন সেন্সর এবং অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের অঙ্গ।

    আরও পড়ুনঃ উপত্যকায় সন্ত্রাস দমনে আরও সক্রিয় কেন্দ্র, জম্মুতে স্থায়ী মোতায়েন এনএসজি-র বিশেষ দল

    মহাকাশ স্টেশন (Indian Space Station)

    ভারত সরকার একটি মহাকাশ স্টেশনের পরিকল্পনাকে অনুমোদন করেছে। তবে এটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আকারে কিছুটা ছোট হবে। ইসরোর (ISRO) এই মহাকাশ স্টেশনে ৫টি মডিউল থাকবে। প্রথম মডিউলটি ২০২৮ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ স্টেশন চালু হয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

    দূরবর্তী গ্রহ অন্বেষণ থেকে শুরু করে মানুষের মহাকাশযান অগ্রসর করা পর্যন্ত, প্রতিটি মিশন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় অর্থপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিনিয়ত প্রতিফলিত হচ্ছে। বর্তমান ভারত সরকার এবং ইসরোর পরিকল্পনা আগামী দিনে ভারতকে মহাশক্তিধর রাষ্ট্র এবং বিকশিত ভারতের দিকে যে এগিয়ে নিয়ে যাবে তা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: মহাকাশ গবেষণায় বড় আবিষ্কার, আমেরিকায় তাক লাগাল বাঁকুড়ার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অয়ন

    Bankura: মহাকাশ গবেষণায় বড় আবিষ্কার, আমেরিকায় তাক লাগাল বাঁকুড়ার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট থেকেই রকেট সায়েন্সের প্রতি আসক্ত বাঁকুড়ার (Bankura) অয়ন দেওঘড়িয়া। বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কিত একাধিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের নজর কাড়ে সে। এবার আমেরিকার আলাবামায় ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে আয়োজিত একটি প্রোগ্রামে তাক লাগিয়ে দিল অয়নের পদার্থ-তত্ত্ব। 

    কী তত্ত্ব তৈরি করেছে অয়ন? (Bankura)

    বাঁকুড়া (Bankura) জেলার ছাতনা ব্লকের মনতুমড়া গ্রামের বাসিন্দা অয়ন। বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে সে। সেখানে পড়ার সুবাদে সে বাঁকুড়া শহর লাগোয়া একটি বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকে। সম্প্রতি আমেরিকার আলাবামায় ইউএস স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারে আয়োজিত পাঁচ দিনের একটি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছিল সে। আমেরিকা ও মেক্সিকোর একদল ছাত্রের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি তত্ত্ব তৈরি করেছে অয়ন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, বিশেষ একধরনের পদার্থ তৈরি সম্ভব যা মহাকাশে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দিব্যি টিকে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে মহাকাশ কেন্দ্রে সেই পদার্থ পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হবে। তা সফল হলে পরবর্তী চন্দ্র অভিযানে এই পদার্থ ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টারের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    কী বলল অয়ন?

    বেশ কয়েক মাস আগেই আমেরিকায় এই প্রোগ্রামের আমন্ত্রণ পেয়েছিল অয়ন। কিন্তু, প্রাথমিকভাবে পরিবারের আর্থিক অবস্থার কথা ভেবে ওই প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে অয়নের পক্ষে। পরবর্তীতে ভারতেরই একটি সংস্থা তার পাশে দাঁড়ালে অয়ন পাড়ি দেয় আমেরিকায়। ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর আলাবামায় আয়োজিত ওই প্রোগ্রামে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে অংশ নিয়েছিল অয়ন। আমেরিকা ও মেক্সিকোর অন্য ছয় গবেষকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অয়ন (Bankura) তৈরি করেছে একটি পদার্থ তৈরির তত্ত্ব। অয়ন ও তার সঙ্গীদের তৈরি এই তত্ত্ব নজর কেড়েছে ওই প্রোগ্রামে উপস্থিত গবেষকদের। ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত তার মা-বাবাও। অয়ন বলেছে, ‘‘আমি ভগবানের কাছে ধন্যবাদ জানাই। ভগবান সাহস না জোগালে এই সাফল্য পেতাম না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GSAT 20 Satellite: মাঝ আকাশেও ইন্টারনেট পরিষেবা! মাস্কের রকেটে চেপে মহাকাশে ভারতের ‘জিস্যাট ২০’

    GSAT 20 Satellite: মাঝ আকাশেও ইন্টারনেট পরিষেবা! মাস্কের রকেটে চেপে মহাকাশে ভারতের ‘জিস্যাট ২০’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে পাড়ি দিল ইসরোর (ISRO) অত্যাধুনিক কৃত্রিম উপগ্রহ ‘জিস্যাট ২০’ (GSAT 20 Satellite)। ইলন মাস্কের স্পেসএক্স সংস্থার ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটে চড়ে মহাকাশে যাত্রা করল ‘জিস্যাট ২০’। ভারতীয় সময় অনুসারে সোমবার মধ্যরাতে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। যাত্রাপথে সময় লেগেছে ৩৪ মিনিট। ইসরো সূত্রে জানানো হয়েছে, এই উপগ্রহ ১৪ বছর কর্মক্ষম থাকবে। ভারতের প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব আনবে এই উপগ্রহ।

    কোথা থেকে উৎক্ষেপণ

    চলতি বছরে ৩ জানুয়ারি ইসরোর (ISRO) বাণিজ্যিক শাখা নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা ঘোষণা করে। ইসরোর ‘জিস্যাট২০’ (GSAT 20 Satellite) উপগ্রহটি ৪ হাজার ৭০০ কিলোগ্রাম ভারী। এত ভারী উপগ্রহকে মহাকাশে পাঠানোর মতো রকেট ইসরোর হাতে নেই। তাই স্পেসএক্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। ইসরো এখনও পর্যন্ত ৪৩০টি বিদেশি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে।  ইসরো এবং ‘স্পেস এক্স’-এর যৌথ উদ্যোগে এটিই প্রথম উৎক্ষেপণ। সোমবার মধ্যরাতে কেপ ক্যানভেরালের স্পেস কমপ্লেক্স ৪০ থেকে উৎক্ষেপিত হয় ইসরোর এই কৃত্রিম উপগ্রহ। এই অঞ্চলটি আমেরিকার মহাকাশ বাহিনীর (আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর একটি অঙ্গ) অধীনে রয়েছে। স্পেস কমপ্লেক্সের এই উৎক্ষেপণস্থলটি বর্তমানে ব্যবহার করে মাস্কের সংস্থা।

    কী কাজে লাগবে ‘জিস্যাট ২০’

    ইসরো জানিয়েছে, ‘জিস্যাট২০’ (GSAT 20 Satellite) হল একটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক কৃত্রিম উপগ্রহ। ভারতের ইন্টারনেট পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে কৃত্রিম এই উপগ্রহ। প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা, মাঝ আকাশে বিমানের ভিতরেও ইন্টারনেট পরিষেবার মতো একাধিক সুবিধা পাওয়া যাবে। নিউ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান রাধাকৃষ্ণন দুরাইরাজ কেপ ক্যানাভেরাল থেকে প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, উৎক্ষপণ সফল হয়েছে এবং কৃত্রিম উপগ্রহটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

    ‘জিস্যাট ২০’ উৎক্ষেপণের সময়ে বেঙ্গালুরুর ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার থেকে প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছিলেন ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। তিনি জানিয়েছেন, কৃত্রিম উপগ্রহটি ১৪ বছর সচল থাকবে। তার জন্য দেশের মাটিতে সমস্ত পরিকাঠামো তৈরি রয়েছে। এই স্যাটেলাইট ‘জিএসএটি-এন২’ (GSAT N2) নামেও পরিচিত। শুধু এক কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ নয়। ইসরো এবং স্পেসএক্স যৌথভাবে ভারতীয় মহাকাশচারীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানোর বিষয়েও কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sunita Williams: দিনে দিনে কমছে ওজন! মহাকাশে সুনীতার ছবি দেখে উদ্বিগ্ন বিশ্ববাসী, সতর্ক নাসা

    Sunita Williams: দিনে দিনে কমছে ওজন! মহাকাশে সুনীতার ছবি দেখে উদ্বিগ্ন বিশ্ববাসী, সতর্ক নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দিন ধরে মহাকাশে আটকে থাকায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও বুচ উইলমোরের। সম্প্রতি নাসার পক্ষ থেকে সুনীতার যে ক’টি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভোচরের স্বাস্থ্যের অবনতি লক্ষ করার মতো। এই পাঁচ মাসে তাঁর ওজন এতটাই হ্রাস পেয়েছে যে সুনীতাকে অত্যন্ত শীর্ণকায় লাগছে। তাঁর এতটাই ওজন হ্রাস পেয়েছে, যা চিন্তা বাড়িয়েছে নাসারও।

    শীর্ণকায় সুনীতা

    গত পাঁচ মাস ধরে মহাকাশযানের ছোট্ট গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ সুনীতা উইলিয়ামসের (Sunita Williams) দুনিয়া। এক দিন এক দিন করে মহাকাশে ১৫০ দিন পার করে ফেলেছেন সুনীতা ও তাঁর সঙ্গী বুচ। মহাকাশকে নিজের ‘হ্যাপি প্লেস’ বলে বর্ণনা করেছেন সুনীতা উইলিয়ামস। বোয়িং স্টারলাইনারের যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও কখনও পৃথিবীতে ফেরা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েননি। তবে তাঁর ওজন মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় চিন্তিত নাসা। এই মিশনের সঙ্গে জড়িত নাসার এক কর্মীর কথায়, ‘ওঁর চামড়া ঝুলে গিয়েছে এবং হাড় ক্ষয়েছে। বর্তমানে শরীরের ওজন স্থিতিশীল করা সর্বাপেক্ষা জরুরি।’ ওই কর্মীর সংযোজন, ‘সুনীতার সর্বশেষ ছবি দেখে আমি আঁতকে উঠেছিলাম। যা দেখলাম তাতে উদ্বেগ হওয়া খুব স্বাভাবিক। বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’ সুনীতার ওজন দ্রুত স্থিতিশীল করা দরকার এবং এই মুহূর্তে তাঁদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন নাসার ওই কর্তা।

    সুনীতার স্বাস্থ্যে নজর

    সুনীতার স্বাস্থ্যের উপর কড়া নজর রাখছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। মহাকাশ যাত্রা শুরুর সময় গত ৫ জুন সুনীতার (Sunita Williams) ওজন ছিল ৬৩ কেজি। দিন যতই গড়িয়েছে ওজন ক্রমেই কমেছে সুনীতার। মহাকাশে ওজন স্থিতিশীল রাখতে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হয় মহাকাশচারীদের। শুধুমাত্র ওজন বজায় রাখার জন্য মহাকাশ সফরের সময় প্রতি দিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার ক্যালোরির খাবার খেতে হয় নভোচরদের। সেই পরিমাণ খাবার শরীরকে না দিলে শরীর ভাঙতে শুরু করে ও দ্রুত ওজন কমতে থাকে।

    আরও পড়ুন: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    সুনীতার সমস্যা

    মহাকাশ ভ্রমণের সময় বিপাকের পরিবর্তনের কারণে পুরুষ নভোচরদের তুলনায় দ্রুত পেশি ক্ষয় অনুভব করেন মহিলা মহাকাশচারীরা। শরীরের ওপর অভিকর্ষের নিরবচ্ছিন্ন টান না থাকায় মহাকাশে মানবদেহের পেশি ও হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। দুই সপ্তাহ পরেই পেশির ঘনত্ব ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ছয় মাস থাকলে তা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। খুব বেশি দিন মহাকাশে থাকলে দ্রুত হারে কমতে থাকে লাল রক্তকণিকার পরিমাণ। সে ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে রক্তাল্পতার মতো শারীরিক সমস্যাও। গবেষণা বলছে, মহাকাশে থাককালীন প্রতি সেকেন্ডে ২ লক্ষের বদলে ৩ লক্ষ লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়ে যায় নভোচরদের। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উপরে আইএসএসে রয়েছেন সুনীতারা। সেখানে বসেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তিনি। নিজের শারীরিক সমস্যা নিয়েও চিন্তিত নন সুনীতা। মহাকাশেই ঘর বানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share