Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ISRO: টার্গেট ২০৪০, শুধুমাত্র চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন গড়বে ইসরো

    ISRO: টার্গেট ২০৪০, শুধুমাত্র চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন গড়বে ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪০ সালের মধ্যে চন্দ্র অভিযানের জন্য একটি চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) স্থাপন করবে ইসরো। ভারতের জন্য এটি একটি সাহসী পদক্ষেপ হতে চলেছে, যা মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

    ক্রুড চন্দ্র মিশন রোডম্যাপ ভারতে

    ইসরো (ISRO) সূত্রে খবর, ভবিষ্যতের এই চন্দ্র মহাকাশ স্টেশনটি ভারতের মানব চন্দ্র মিশন (Manned Lunar Mission) রোডম্যাপের তৃতীয় পর্যায় হিসেবে স্থির করা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে ভারতের মতো দেশের জন্য মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্যের পরই ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের জন্য পৃথক নিবেদিত চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) তৈরির উদ্যোগ পরিকল্পনার মধ্যে আসে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করার কৃতিত্ব অর্জন করেছে ভারত। শুধু তাই নয়, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার অনন্য নজির স্থাপন করেছে ভারত।

    চন্দ্র অন্বেষণ কর্মসূচিতে তিন-পর্যায়

    সম্প্রতি, ভারতের ভবিষ্যতের চন্দ্র অন্বেষণ কর্মসূচির তিন-পর্যায়ের রূপরেখা নির্ধারণ করেছে ইসরো (ISRO)। রোডম্যাপের ধাপগুলি হল—

    ১) প্রথম ধাপে আসন্ন চন্দ্রযান-৪ মিশনে চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরা সহ প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং রোবোটিক মিশনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।

    ২)দ্বিতীয় ধাপের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশ অনুসারে ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানব অবতরণ অর্জন করতে হবে।

    ৩) তৃতীয় পর্যায়ে চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন (Lunar Space Station) স্থাপনে সমাপ্ত করা। এতে ভারতকে মহাকাশ অনুসন্ধানের শীর্ষ স্থানে অবস্থান করবে।

    আরও পড়ুনঃ নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    স্টেশনে চাঁদের ভূতত্ত্ব অধ্যয়ন হবে (Lunar Space Station)

    ইসরোর (ISRO) চন্দ্র মহাকাশ স্টেশনের  ফলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সম্পদের ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে গভীর মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি সোপান হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চন্দ্র স্টেশনটি (Lunar Space Station) চাঁদের ভূতত্ত্ব অধ্যয়ন, নতুন প্রযুক্তি পরীক্ষা এবং পৃথিবীর কক্ষপথে গবেষণার নানা প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পৃথিবীর কক্ষপথে ভারতের প্রথম মহাকাশ স্টেশন ২০৩৫ সালের মধ্যে স্থাপনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পৃথিবীর-কক্ষপথে স্টেশনটি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং সিস্টেমগুলির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টেস্টবেড হিসাবে কাজ করবে।

    নেক্সট জেনারেশন লঞ্চ ভেহিকেল-এর লক্ষ্য

    ইসরোর (ISRO) এই পরিকল্পনা চাঁদ নিয়ে গবেষণার নানা দিককে উন্মোচন করবে। গোটা বিশ্ব এই মিশনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিও চাঁদের অভিযানের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। ইসরো নেক্সট জেনারেশন লঞ্চ ভেহিকল (এনজিএলভি) এবং উন্নত জীবন ব্যবস্থা সহ মূল প্রযুক্তিগুলিকে বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। এই গবেষণাগুলি শুধুমাত্র চাঁদের জন্যই নয়, ভারতের বৃহত্তর মহাকাশ অনুসন্ধানের (Lunar Space Station) ক্ষেত্রেও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ছাব্বিশে ‘গগনযান মিশন’, আঠাশে ‘চন্দ্রযান ৪’, ভারতের মহাকাশ সূচি ঘোষণা ইসরোর

    ISRO: ছাব্বিশে ‘গগনযান মিশন’, আঠাশে ‘চন্দ্রযান ৪’, ভারতের মহাকাশ সূচি ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সাফল্যের পর, জোর কদমে কাজ চলছে ‘চন্দ্রযান ৪’ এবং ‘গগনযান’ নিয়ে। সব ঠিক থাকলে ২০২৮ সালেই চন্দ্রযান ৪ অভিযান চালানো হতে পারে, বলে জানালেন ইসরো (ISRO) প্রধান এস সোমনাথ। একই সঙ্গে তিনি জানালেন, নিরাপত্তার কারণে চলতি বছর ‘গগনযান’ অভিযান ২০২৫ সালে হচ্ছে না। পরিবর্তে ২০২৬ সালে হবে ওই অভিযান। সোমনাথ বলেছেন, ‘‘আগামী কয়েক দশকে বিশ্বের মহাকাশ গবেষণায় ভারতের বর্তমান অবদান ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করতে ইসরো বদ্ধপরিকর।’’ সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে ইসরো।

    কবে হবে চন্দ্রযান ৪-এর উৎক্ষেপণ 

    ১৮ জুলাই ২০২৩ উৎক্ষেপণের পর, ২৩ আগস্ট সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিল চন্দ্রযান ৩। চাঁদের বাড়িতে চন্দ্রযান (ISRO) পৌঁছে যাওযার পর, নতুন উদ্যমে চন্দ্রযান ৪-এর কথা ভাবা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরেই চন্দ্রযান ৪-এর অভিযানে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। আগেই জানা গিয়েছিল, এই প্রজেক্টের সম্ভাব্য বাজেট। মনে করা হচ্ছে ২১০৪.০৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে চন্দ্রযান ৪-এর অভিযানে। এবার, সর্দার প্যাটেল মেমোরিয়াল বক্তৃতায় সোমনাথ জানান, ২০২৮ সালে রওনা হবে ‘চন্দ্রযান ৪’।

    গগনযান অভিযান কবে

    এদিন ইসরো (ISRO) প্রধান গগনযান মিশন সম্পর্কেও বিস্তারিত জানান। ইসরো জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে ২০২৫ সালে ‘গগনযান’ অভিযান করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবর্তে ২০২৬ সালে এই অভিযান করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালে হতে চলেছে ভারত-আমেরিকার যৌথ অভিযান ‘নিসার’। ‘গগনযান’ অভিযান হল ভারতের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথম এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কথা ছিল ২০২২ সালেই এই অভিযান হবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তা পিছিয়ে ২০২৫ করা হয়। এখন সেই অভিযানও পিছিয়ে গেল। আসল অভিযানের আগে একাধিকবার মহড়া দেবে ইসরো। খালি মহাকাশযানকে পাঠিয়ে তা নিরাপদে ফিরিয়ে আনার পরীক্ষা করা হবে। সব পরীক্ষায় সফল হয়েই এই অভিযান শুরু করতে চাইছে ইসরো। অভিযান সফল হলে রাশিয়া, আমেরিকা ও চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে গবেষণার উদ্দেশে নভশ্চর পাঠাবে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। শনিবার তিনি বলেছিলেন, “বর্তমানে গ্লোবাল স্পেস অর্থনীতিতে ভারতের অবদান (Gaganyaan) ২ শতাংশ হলেও, আগামী এক দশকের মধ্যেই তা বাড়িয়ে অন্তত ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন ইসরো কর্তা (ISRO)

    এদিন অল ইন্ডিয়া রেডিওয় সর্দার প্যাটেল স্মৃতি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন সোমনাথ। সেই সময় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন্ন মিশনের নতুন তারিখও জানান। এগুলি হল, মানববাহী মহাকাশ মিশন গগনযান সম্ভবত ২০২৬ সালে, চন্দ্রযান-৪ মিশনের স্যাম্পল রিটার্ন মিশন ২০২৮ সালে, এবং ভারত-মার্কিন যৌথ নিসার মিশনও হবে আগামী বছরে। ইসরোর চেয়ারম্যান জানান, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জাক্সার সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদে অবতরণের মিশনটি এখন চন্দ্রযান-৫ মিশন হিসাবে পরিকল্পিত। তবে মিশনটি কবে হবে, তার কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-৫ মিশন শুরু হতে পারে ২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের পরে।

    গুরুত্বপূর্ণ মিশন

    সোমনাথ বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিশন হবে, যেখানে ভারতের পক্ষ থেকে ল্যান্ডার এবং জাপানের পক্ষ থেকে রোভার সরবরাহ করা হবে। চন্দ্রযান-৩-এর রোভারটির ওজন ছিল প্রায় ২৭ কেজি। কিন্তু এই মিশনে ৩৫০ কেজির একটি রোভার থাকবে।” তিনি বলেন, “এটি একটি বিজ্ঞানসমৃদ্ধ মিশন, যা আমাদের চাঁদে মানব অবতরণের এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে যাবে।” তিনি জানান, ভারত ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি মানব মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে। ইসরো (ISRO) কর্তা বলেন, “মহাকাশ খাতটি বেসরকারি উদ্যোগের জন্য উন্মুক্ত করা, নয়া সহায়ক নীতিমালা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের দেখানো উদ্দীপনা ভারতে একটি প্রাণবন্ত মহাকাশ ইকোসিস্টেম সৃষ্টি করেছে।”

    আরও পড়ুন: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    তিনি বলেন, “আমাদের বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে অবদান এখনও প্রায় ২ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে এটি প্রায় ১০ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ইসরো একা এটা অর্জন করতে পারবে না। আমাদের অন্যান্য অংশীদারদের অংশগ্রহণও প্রয়োজন। স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে বড় কোম্পানিগুলি, সবাইকেই (Gaganyaan) এগিয়ে আসতে হবে এবং ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করতে হবে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mount Everest: অবাককাণ্ড! প্রতি বছর উচ্চতা বাড়ছে মাউন্ট এভারেস্ট-মাকালু শৃঙ্গের, দায়ী নদী?

    Mount Everest: অবাককাণ্ড! প্রতি বছর উচ্চতা বাড়ছে মাউন্ট এভারেস্ট-মাকালু শৃঙ্গের, দায়ী নদী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাউন্ট এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮.৮৫ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ এই শৃঙ্গ। এর উচ্চতা ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে জানিয়ে চমৎকৃত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ‘নেচার জিওসায়েন্স’ জার্নাল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বিষয়টি এই উঠে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিশ্বজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    প্রতি বছর লম্বায় বাড়ছে এভারেস্ট! (Mount Everest)

    ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ভূবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক অ্যাডাম স্মিথ, চিনের ইউনিভার্সিটি অফ জিওসায়েন্সের ভূবিজ্ঞানী জিং-জেন দাই এই গবেষণায় যুক্ত। গবেষকদের দাবি, প্রতি বছর মাউন্ট এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায়, তার ১০ শতাংশই ঘটে এই আইসোস্ট্যাটিক রিবাউন্ডের জেরে। প্রতি বছর ০.০১-০.০২ ইঞ্চি করে উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে মাউন্ট এভারেস্টের। বর্তমান দিনে ঝোড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টিপাত এবং নদীর জলস্রোতের ধাক্কায় ভূমিক্ষয় ঘটছে এবং সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে উঠে আসছে ভূগর্ভের মাটি, যা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধি করছে। ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে গত ৫ কোটি বছর ধরেই উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে হিমালয় পর্বতমালার। কিন্তু মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধির গতি তার চেয়ে অনেক বেশি বলে উঠে এসেছে নয়া গবেষণায়। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর ০.০৮ ইঞ্চি করে উচ্চতা বাড়ছে এভারেস্টের, যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটাই বেশি। এর জন্য অরুণ নদীকে দায়ী করা হচ্ছে। অরুণ নদীর গতিপথও অদ্ভুত বলে মত গবেষকদের। তাঁদের মতে, সাধারণত গাছের মতো শাখাপ্রশাখা থাকে নদীর। অরুণ নদীটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে এসে হঠাৎই ইংরেজি হরফ এল-এর মতো আকার নিয়েছে। একেবারে ৯০ ডিগ্রি কোণে হিমালয় পর্বতমালার দক্ষিণে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্য একটি নদী এসে মেশাতেই এমনটা ঘটেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    এভারেস্ট ছাড়াও অন্য পর্বতশৃঙ্গও বাড়ছে

    গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, আজ থেকে প্রায় ৮৯ হাজার বছর আগে কোশী নদী মিশে যায় অরুণ নদীর (River) সঙ্গে। সেই থেকে এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা ৪৯ থেকে ১৬৪ ফুট বেড়ে গিয়েছে। কোশী নদী এবং অরুণ নদী পরস্পরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর ওই অঞ্চলে ব্যাপক ভূমিক্ষয় হয়। প্রচুর পরিমাণ পাথর, মাটি সরে দিয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হয়। ওজন কমে যায় ভূত্বকের। ওই শূন্যস্থান পূরণে নীচের অংশের মাটি উপরের দিকে উঠে আসে, ঠিক যেমন মালপত্র সরিয়ে নিলে নৌকা জলের উপরে উঠে আসে। শুধুমাত্র মাউন্ট এভারেস্ট নয়, ৭ লোৎসে, ৭ মাকালু পর্বতশৃঙ্গেরও উচ্চতা লাগাতার বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মাকালু অরুণ নদীর কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। মাউন্ট এভারেস্টের তুলনায় উচ্চতা সামান্য বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মাউন্ট এভারেস্ট-সহ আশেপাশের সব পর্বতশৃঙ্গেরই উচ্চতা বৃদ্ধি হয়েছে।

    গবেষকরা কী বললেন?

    এই গবেষণার অন্যতম অধ্যাপক লন্ডন কলেজের পড়ুয়া অ্যাডাম স্মিথ বলেন, জিপিএস থেকে জানা গিয়েছে কত দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এভারেস্টের উচ্চতা। ভূমিক্ষয় হওয়ায় আইসোস্ট্যাটিক পদ্ধতিতে উচ্চতা বাড়তেই থাকবে। এই গবেষণা প্রমাণ করছে পৃথিবীতে মাউন্ট এভারেস্টের মতো শৃঙ্গও জিওলজিক্যাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনশীল। পৃথিবী ক্রমশ পরিবর্তন ঘটাচ্ছে এটা তার জ্বলন্ত উদাহরণ বলেই মনে করছেন গবেষকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩ সাফল্যের মুখ দেখেছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারত। এবার শুরু হয়ে গেল চন্দ্রযান ৪ এর প্রস্তুতি (Chandrayaan 4)। এ ব্যাপারে গত মার্চেই বার্তা দিয়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। বুধবার (Venus Mission) সেই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে চন্দ্রযান ৪ কর্মসূচিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শুক্রে মহাকাশযান পাঠানো এবং মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

    চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ (Chandrayaan 4)

    ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ করা হবে দুটি ধাপে। প্রথমবার উৎক্ষেপণ করা হবে এলভিএম-৩, দ্বিতীয় দফায় পিএসএলভি। এতে পাঁচটি আলাদা আলাদা যান থাকবে। ভারতের এই মিশন সফল হলে আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসে যাবে ভারত। ইতিমধ্যেই জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা করেছে ইসরো।

    অভিযানের লক্ষ্য

    এই অভিযানের লক্ষ্য হবে চাঁদের মেরু অঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকায় জল ও বিভিন্ন খনিজ অনুসন্ধান করা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন, চন্দ্রযান ৪ এর মাধ্যমে শুধু চাঁদের মাটিতে অবতরণই নয়, ইসরো সেখান থেকে মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে দেশে নিয়ে আসতে চায়। সেই পরিকল্পনাই করা হচ্ছে। ইসরো শুক্র অভিযানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল সেই ২০১৮ সালে (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় হয়নি শুক্র অভিযান। এদিন সেই ‘ভেনাস অরবিটার’ কর্মসূচিও ছাড়পত্র পেয়েছে মন্ত্রিসভার। ছাড়পত্র পেয়েছে প্রথম দেশে তৈরি মহাকাশ যানে ভারতীয় নভঃচর পাঠানোর গগনযান প্রকল্পও।

    আরও পড়ুন: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যে কক্ষপথ রয়েছে ২০৩৫ সালের মধ্যে সেখানে তৈরি হয়ে যাবে ভারতের স্পেস স্টেশন। এই স্পেস স্টেশনে অ্যাস্ট্রোবায়োলজি ও মাইক্রোগ্র্যাভিটি সংক্রান্ত নানা গবেষণা করা হবে। চন্দ্রযান ৪ অভিযান ইসরোর কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারত কতটা এগিয়েছে, যা জানা যাবে এই অভিযানেই। চাঁদের কক্ষপক্ষে নোঙর করা, চাঁদে ল্যান্ড করে নমুনা সংগ্রহ করা, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা এবং ফের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে (Venus Mission) এই গ্রহের মাটি ছোঁয়া, প্রতিটি পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ (Chandrayaan 4)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rigveda solar eclipse: হিন্দু ধর্মশাস্ত্র ঋগ্বেদেই রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়

    Rigveda solar eclipse: হিন্দু ধর্মশাস্ত্র ঋগ্বেদেই রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋগ্বেদে (Rigveda solar eclipse) লুকিয়ে রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়। এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ভারতের প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলির (Hindu scripture) মধ্যে ঋগ্বেদ অন্যতম প্রধান গ্রন্থ। ধর্মশাস্ত্র, দর্শনশাস্ত্র হিসেবেও এই গ্রন্থের বিশেষ মান্যতা রয়েছে। কিন্তু নিছক আধ্যাত্মিক কথাই এর সারবস্তু নয়, এর মধ্যে রয়েছে মহাজাগতিক ঘটনাবলীর বিশেষ রেকর্ডও। সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও একই দাবি তুলেছেন। জানা গিয়েছে, বিশ্বের সব থেকে পুরনো সূর্য গ্রহণের তথ্য সূত্র রয়েছে এই হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে। এই গ্রন্থ সুপ্রাচীন হলেও তার মধ্যে মহাজাগতিক নানা ঘটনার কার্য-কারণ সম্পর্কের বিবরণ গ্রন্থিত করায়, ভারতীয়রা কতটা প্রাজ্ঞ ছিলেন, তা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

    সংকলিত হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে

    ঋগ্বেদ (Rigveda solar eclipse) সংকলিত হয়েছিল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে। তবে এই শাস্ত্র মূলত ধর্মীয় আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে লেখা। একই ভাবে নানা রকম ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং কিছু কিছু সূক্তের ব্যাখ্যাও রয়েছে। সময় এবং যুগের পরিসরে নানা বিষয় এখানে সঙ্কলিত হয়েছে। তবে কোনও একজন বিশেষ ব্যক্তি এই বেদ লেখেননি। সম্প্রতি মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মায়াঙ্ক ভাহিয়া এবং জাপানের ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরির মিৎসুরু সোমার, সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে চাঞ্চল্য তথ্য এই গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এই দাবি করেছেন। তাঁদের গবেষণায় উঠে এসেছে, আনুমানিক ৬০০০ বছরের আগের সূর্য গ্রহণের কথা এই ঋগ্বেদে রয়েছে।

    রাহু কেতুর কাহিনি (Rigveda solar eclipse)

    দুই বিজ্ঞানী ঋগ্বেদ (Rigveda solar eclipse) নিয়ে অনেক দিন ধরে গবেষণা করছিলেন। তাঁরা বেশ কিছু অধ্যায় নিবিড়ভাবে পাঠ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, সূর্যকে বিদ্ধ করেছে অন্ধকার এবং এক ‘জাদুবিদ্যা’ অদৃশ্য হয়ে পড়েছে। একই ভাবে হিন্দু পৌরাণিক (Hindu scripture) কাহিনিগুলিতে সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণকে রাহু এবং কেতুর গ্রাস হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। অনেকের মতে, ঋগ্বেদ সংকলিত হয়েছে, রাহু এবং কেতুর কাহিনি নির্মাণের অনেক আগেই। এই গ্রন্থের মধ্যে সূর্যকে অন্ধকারে আবিষ্ট করার কথা বলা হয়েছে। আর এই ঘটনাকেই বর্তমান বিজ্ঞানীরা সূর্যগ্রহণ বলেছেন। ফলে হিন্দু সমাজের পণ্ডিতেরা যে ভাবে সূর্যের গ্রহণকে নজরে এনেছিলেন তা সত্যই ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভাবনাকে উৎকর্ষের জায়গায় নিয়ে গিয়েছে।

    কীভাবে গ্রহণ চিহ্নিত করা গেল?

    এখন প্রশ্ন হল, বিজ্ঞানীরা কীভাবে এই ৬০০০ বছরের পুরনো সময়কে ঋগ্বেদে (Rigveda solar eclipse) চিহ্নিত করলেন? উত্তরে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রন্থের মধ্যে অনুচ্ছেদগুলিতে কালপুরুষে ঘটতে থাকা মহাবিষুব রেখার কথারও উল্লেখ রয়েছে। এই গ্রহণ সম্পর্কে আরও বলা হয়েছে, এই গ্রহণ শুরু হয়েছিল শরৎকালীন বিষুবের তিন দিন আগে। এ থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যগ্রহণটির একটি কালপরিক্রমাকে চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন। সূর্য গ্রহণ সব জায়গা থেকে সমান ভাবে দেখা যায় না। কোথাও পূর্ণ গ্রহণ আবার কোথাও আংশিক গ্রহণ দেখা যায়। ঋগ্বেদের সময়ের রচয়িতাদের অবস্থান ধরে কবে পূর্ণ গ্রহণ আর কবে আংশিক গ্রহণ ছিল, তাও চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।

    আরও পড়ুনঃ পরের শুনানি ১৭ই, আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের সুপ্রিম-নির্দেশ

    সূর্যগ্রহণের প্রাচীনতম রেকর্ড

    বিজ্ঞানীরা মূলত দুটি তারিখ নির্ণয় করেছেন। প্রথমটি ৪২০২ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ২২ অক্টোবর, দ্বিতীয়টি ৩৮১১ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৯ অক্টোবর। এখনও পর্যন্ত সূর্যগ্রহণের (Rigveda solar eclipse)  প্রাচীনতম রেকর্ড হিসেবে ধরা হয় সিরিয়ার একটি মাটির টালি এবং আয়ারল্যান্ডের একটি শিলা খোদাইকে। সিরিয়ান টালিটিতে যে গ্রহণের ছবি ছিল তা ১৩৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ বা ১২২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সময়কার। আইরিশ শিলা খোদাইটিতে যে সূর্যগ্রহণের কথা বলা আছে, তা ৩৩৪০ খ্রীস্টপূর্বাব্দের সময়ের বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ঋগ্বেদে বর্ণিত সূর্যগ্রহণের (Rigveda solar eclipse) তারিখ এই দুই শিলাখণ্ড থেকেও পুরনো। ফলে একটা বিষয় খুব স্পষ্ট যে, ভারতের জ্ঞান পরম্পরা অনেক উন্নত এবং আধুনিক ছিল। আজকের দিনের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে অনুসন্ধান করেছেন সেই সময়ের মাপকে। পৃথিবীর আদিম জ্ঞানকাণ্ডের যাত্রা যে ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু বা হিন্দু সভ্যতার মূলসূত্র থেকেই গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই কথারও ইঙ্গিত বহন করে এই ঋগ্বেদ (Hindu scripture)-এর তথ্য। তাই ভারতীয় সভ্যতা সংস্কৃতিকে আরও নিবিড় ভাবে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rhumi-1: ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট ‘রুমি-১’ পাড়ি দিল মহাকাশে

    Rhumi-1: ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট ‘রুমি-১’ পাড়ি দিল মহাকাশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণার সাফল্যের মুকুটে ফের যোগ হল একটি পালক। শনিবার সকালে চেন্নাইয়ের ইস্ট রোড উপকূল থেকে মহাকাশে পাড়ি দিল ভারতের প্রথম হাইব্রিড রিউজেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট (Reusable Hybrid Rocket)। মোবাইল লঞ্চারের মাধ্যমে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা এই রকেটের পোশাকি নাম ‘রুমি-১’ (Rhumi-1)। জানা গিয়েছে, এই রকেটের মাধ্যমেই মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ৩টি কিউব স্যাটেলাইট, ৫০টি পিকো স্যাটেলাইট। এই মহাকাশ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিশন রুমি ১’। ক্ষুদ্র উপগ্রহগুলিকে একটি সাবঅরবিটাল ট্র্যাজেক্টরিতে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই স্যাটেলাইটগুলি বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের গবেষণার উদ্দেশ্যে ডেটা সংগ্রহ করবে।

    স্পেস জোন ইন্ডিয়া এই রুমি-১ (Rhumi-1) নামক হাইব্রিড রকেটটিকে মহাকাশে পাঠিয়েছে

    জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর স্টার্ট-আপ কোম্পানি স্পেস জোন ইন্ডিয়া এই রুমি-১ (Rhumi-1) নামক হাইব্রিড রকেটটিকে মহাকাশে পাঠিয়েছে। এই মহাকাশ অভিযানের উদ্যোক্তা হলেন স্পেস জোন ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ মেগালিঙ্গমের। অভিযানে তাঁকে দিশা দেখিয়েছেন ইসরোর প্রাক্তন অধিকর্তা মিলস্বামী আন্নাদুরা। প্রসঙ্গত, স্পেস জোন ইন্ডিয়া হল একটি অ্যারো-টেকনোলজি কোম্পানি যা চেন্নাইতে অবস্থিত এবং এর লক্ষ্য হল স্বল্পমূল্যের এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী দিয়ে রকেট তৈরি করা। এর পাশাপাশি, এই সংস্থা প্রশিক্ষণও দেয় অ্যারো ডাইনামিক নীতি, স্যাটেলাইট টেকনোলজি, ড্রোন টেকনোলজি, রকেট টেকনোলজি (Reusable Hybrid Rocket) প্রভৃতি বিষয়ে। এর পাশাপাশি এই সমস্ত বিষয়গুলিতে কেরিয়ার তৈরি করলে কী কী সুফল মিলবে তাও বলে এই সংস্থা। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্ট এবং সায়েন্স কলেজ, বেসরকারি এবং সরকারি স্কুলকে যুক্ত করে কাজ করে থাকে স্পেস জোন ইন্ডিয়া (SZI)।

    আরও পড়ুন: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট রুমি-১-এর খুঁটিনাটি (Rhumi-1)

    জানা গিয়েছে, রকেটের এয়ারফ্রেমে কার্বন ফাইবার, কাচের ফাইবার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া, রকেটে পাইরো টেকনিক পদ্ধতির সাহায্যে প্যারাশ্যুট ডেপ্লয়মেন্ট সিস্টেমও রয়েছে। হাইব্রিড প্রপালশন সিস্টেমও রয়েছে (Reusable Hybrid Rocket)। জ্বালানি হিসাবে নাইট্রাস অক্সাইড আর ওয়াক্স ফুয়েল সলিড ফুয়েল ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাইনাইট্রোটোলুইন (TNT) এই রকেটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Undersea Cable Projects: ইন্টারনেট ক্ষমতা বাড়বে চারগুণ! রূপায়নের পথে তিনটি আন্ডারসি কেবল প্রকল্প

    Undersea Cable Projects: ইন্টারনেট ক্ষমতা বাড়বে চারগুণ! রূপায়নের পথে তিনটি আন্ডারসি কেবল প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India’s Internet Capacity) ডিজিটাল বিপ্লব ঘটতে চলেছে। তিনটি উল্লেখযোগ্য আন্ডারসি কেবল প্রকল্প (Undersea Cable Projects) চলতি বছরের অক্টোবর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্পগুলি হল ‘২ আফ্রিকা পার্লস’, ‘ইন্ডিয়া-এশিয়া-এক্সপ্রেস’ (IAX) এবং ‘ইন্ডিয়া-ইউরোপ-এক্সপ্রেস’ (IEX)। এই প্রকল্পগুলির রূপায়ণ হলে ভারতের ইন্টারনেট ক্ষমতা চারগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের।

    আন্ডারসি কেবল

    আন্ডারসি (Undersea Cable Projects) বা সাবমেরিন যোগাযোগ কেবলগুলি হল ফাইবার-অপটিক কেবল। মহাদেশগুলির মধ্যে ডেটা প্রেরণের জন্য এগুলি মহাসাগরের নীচে স্থাপন করা হয়। এগুলি বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ভিত মজবুত করে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এই ধরনের কেবলের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। 

    ২ আফ্রিকা পার্লস

    ‘২ আফ্রিকা পার্লস’ প্রকল্পটি দীর্ঘতম আন্ডার-সি কেবল সিস্টেমগুলির মধ্যে একটি। ৪৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। এখানে বিনিয়োগ করেছে ভারতী এয়ারটেল এবং মেটা। এই বিশাল কেবল নেটওয়ার্কের ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষমতা ১৮০ টেরাবিট প্রতি সেকেন্ড (tbps)। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার ৩৩টি দেশকে সংযুক্ত করবে এই কেবল। এক্ষেত্রে এয়ারটেলের মুম্বই ল্যান্ডিং স্টেশন একটি প্রধান নোড হিসাবে কাজ করবে।

    ভারত-এশিয়া ও ভারত ইউরোপ এক্সপ্রেস

    এছাড়াও, ইন্ডিয়া-এশিয়া-এক্সপ্রেস (IAX) এবং ইন্ডিয়া-ইউরোপ-এক্সপ্রেস (IEX) কেবলগুলি ভারতের সংযোগ ব্যবস্থা আরও জোরদার করবে। সূত্রের খবর, রিলায়েন্স জিও-র সমর্থনে এই সিস্টেমগুলির প্রতিটি ২০০ টিবিপিএস-এরও বেশি ক্ষমতা যোগ করবে। আইএএক্স কেবলটি ১৬,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে বিস্তৃত হবে। এটি মুম্বইকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান হাব সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, তাইল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যুক্ত করবে। একইভাবে, আইইএক্স কেবলটি প্রায় ৯,৭৭৫ কিমি দূরত্বে বিস্তৃত হবে। পারস্য উপসাগরের মাধ্যমে ভারতকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করবে।

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ আইসিসি চেয়ারম্যান! আইসিসি-র সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন জয় শাহ?

    আন্ডারসি কেবলের সুবিধা

    টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুসারে, ২০২৩ পর্যন্ত, এই নেটওয়ার্কের মোট ক্ষমতা ছিল ১৩৮.৫৫ টিবিপিএস, যার মধ্যে ১১১.১১ টিবিপিএস সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নতুন কেবলগুলি (India’s Internet Capacity) যোগ করার ফলে এই ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ইন্টারনেট ক্ষমতার বৃদ্ধি পরিষেবার মান উন্নত করবে। বিশেষ করে, ৫জি ভিডিও স্ট্রিমিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইস, এআই-ভিত্তিক পরিষেবা এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পগুলি নয়া দিগন্ত খুলে দেবে। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকেও চাঙ্গা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বরেই গগনযান প্রকল্পের প্রথম মিশন (Gaganyaan Mission) মহাকাশে পাড়ি দিতে পারে বলে আশা ইসরোর। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ (S Somanath) সম্প্রতি জানান, গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর উৎক্ষেপণ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

    গগনযান-এর কাজ কোন পর্যায়

    গগনযান (Gaganyaan Mission) প্রথম মিশন মহাকাশে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। একাধিক আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ এগিয়ে চলেছে। চেষ্টা চলছে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম মিশনটি শুরু করে দেওয়ার। সম্প্রতি ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘বর্তমানে মহাকাশাভিযান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত রকেট ও হার্ডওয়ার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে পৌঁছেছে এবং ক্রু মডিউলের সংযোজন প্রক্রিয়া তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমরা গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ করছি। আমরা পুরো তারের ওয়ারিং এবং টেস্টিং-এর কাজ সম্পন্ন করে ফেলেছি। আশা করছি, নভেম্বরের মধ্যেই পুরো সিস্টেম উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। ফলে খুব সহজেই আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হব।’’

    আরও পড়ুন: রাখি পূর্ণিমায় রাতের আকাশে সুপার-ব্লু মুন! ভারতে কখন দেখা যাবে?

    মহাকাশে মানুষ পাঠানোই লক্ষ্য

    চন্দ্রযান-৩ প্রকল্পে সাফল্যের পর গগনযান প্রকল্প সফল করতে জোরদার প্রস্তুতি শুরু করে ইসরো (ISRO)। প্রথমে পৃথিবীর অক্ষে এই মানববিহীন যান প্রদক্ষিণ করবে। মহাকাশযানে করে মানুষের পরিবর্তে পাঠানো হবে মানবীয় (মানুষের মতো দেখতে) রোবট ‘ব্যোমিত্র’-কে। পরবর্তীতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। ইতিমধ্যেই রকেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ছাড়াও মানববাহী মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারে আনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারেও শুরু হয়েছে মহাকাশ গবেষণার নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ। ইসরো আগে এই ধরনের অভিযান (Gaganyaan Mission) করেনি ফলে এটা সর্বাত্মক ভাবে সফল করা ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার কাছে একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share