Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিরোস্লাভ ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের (Fifa World Cup 2026) সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। তবুও নিরুত্তাপ-শান্ত। নিজের রেকর্ড নিয়ে খুব একটা হেলদোল নেই মেসির। তিনি বেশি খুশি হয়েছেন আর্জেন্টিনাকে নকআউটে তুলতে পেরে। তাঁর জোড়া গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা-এটা উপরি পাওনা। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর এমনই অভিমত লিও-র। আর্জেন্টিনা ছাড়া সোমবার নকআউটে গেল ফ্রান্সও। মেসির মতোই জোড়া গোল এমবাপের। ২৬-এর বিশ্বকাপে লিয়োনেল মেসিকে তাড়া করছেন কিলিয়ান এমবাপে। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাতে ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলের মালিক হয়েছেন মেসি। কয়েক ঘণ্টা পর ক্লোজেকে ছুঁয়ে ফেললেন এমবাপে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিও করে ফেললেন ১৬ গোল। ছাপিয়ে গেলেন ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে।

    আর্জেন্টিনার কাছে ২২ জুন ইতিহাস

    জোড়া গোলে আবার নায়ক লিয়োনেল মেসি। ঠিক ৪০ বছর আগে এই ২২ জুন দিনটিকে দিয়েগো মারাদোনা ফুটবল ইতিহাসের পাতায় তুলে দিয়েছিলেন ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল করে। একই দিনে মেসি রচনা করলেন অন্য এক কীর্তি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার জন্য এদিন একটি গোল দরকার ছিল লিয়োর। সহজতম সুযোগ এসে গিয়েছিল ৯ মিনিটে। বক্সের মধ্যে লাউতারো মার্তিনেজকে একসঙ্গে ট্যাকল করেন অস্ট্রিয়ার দুই ফুটবলার। ভার-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। পিছন থেকে ট্যাকল করাতেই সম্ভবত পেনাল্টি দেন তিনি। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একাংশ সন্তুষ্ট নন। তবে নজর ছিল মেসির দিকে। আর্জেন্টিনার অধিনায়কই পেনাল্টি মারতে এগিয়ে যান। গোটা স্টেডিয়াম তখন বিষ্ফোরণের অপেক্ষায়। কিন্তু গোল করতে পারলেন না মেসি! ডান পোস্টে শট মারেন। কিন্তু শটে তেমন জোর ছিল না! আটকে দিলেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লেগার। মেসি গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন ১৯ মিনিটেও। এ বার শ্লেগারকে প্রায় একা পেয়েও তাঁর গায়ে মারেন! মেসি-ভক্তেরা যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। মাহেন্দ্রক্ষণ এল ৩৮ মিনিটে। গোল করলেন মেসি। এ বারের বিশ্বকাপে চতুর্থ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৭তম গোল এলএম টেনের।

     দলকে জিতিয়েই খুশি

    অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়ে মেসি বলেন, “দল জেতায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। খুব দরকার ছিল এই জয়টা। কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। দল নকআউটে ওঠায় মানসিক শান্তি পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্যে করবে। এই বিশ্বকাপে সব ম্যাচই টান টান হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ম্যাচ জিততে গেলে। আমি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করছি। সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ করার জন্য তর সইছে না।” দু’গোলে জিতলেও অস্ট্রিয়া যথেষ্ট লড়াই করেছে বলে মনে করেন মেসি। জয় যে সহজে আসবে না, এটাও তিনি জানতেন। মেসি বলেন, “জিততে পেরে খুশি হয়েছি। কিন্তু কতটা কষ্ট করে জয় পেতে হয়েছে সেটা সকলেই দেখেছেন। ছ’পয়েন্ট পাওয়া খুব দরকার ছিল। আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলাম। তবে এটা জানতাম জয় সহজে আসবে না। এখনকার ফুটবলে কোনও দলই সহজে হাল ছেড়ে দেয় না। প্রতিটা ম্যাচই মনোযোগ দিয়ে খেলতে হয়।”

    সব ম্যাচ জেতাই লক্ষ্য 

    মেসির সংযোজন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল যোগ্যতা অর্জন করা। সব ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে হবে। দলের প্রত্যেকে খুশি। আসলে আমরা একসঙ্গে হলে খুব মজা করতে ভালবাসি। অনুশীলনেও রোজ হাসিঠাট্টার মধ্যে দিয়েই কেটে যায়। সে কারণেই মাঠে নেমে এত ভাল খেলি। আমরা ইতিমধ্যেই অনেককে আনন্দ দিয়েছি। আরও আনন্দ দিতে চাই। পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের উপরেই খুব রেগে গিয়েছিলাম। দিনের শেষে সেটা অবশ্য মাথায় নেই।” অস্ট্রিয়া ম্যাচেই বিশ্বকাপের নকআউট নিশ্চিত করে নিতে চেয়েছিলেন লিয়োনেল স্কালোনি। যে কোনও পেশাদার কোচ তাই চাইবেন। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী কোচও ব্যতিক্রম নন। সোমবার দলকে শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেইমতো খেলে নীল-সাদা। এদিন বিশ্বকাপে মেসির ১৮তম গোলও করেন মেসি। এ বারেই দু’ম্যাচে পাঁচটি।

    দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা

    অন্যদিকে, প্রত্যাশা মতোই ইরাককে ৩-০ গোলে হারাল ফ্রান্স। আরও এক বার জোড়া গোল করলেন এমবাপে। কিন্তু এই ম্যাচে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আমেরিকার আবহাওয়া। দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা ধরে। ১৫ মিনিটের বিরতি বেড়ে হল ১৩১ মিনিটের। ফলে যে খেলা ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ শেষ হয়ে যাওয়া উচিত তা শেষ হল প্রায় সাড়ে ৬টায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দীর্ঘতম ম্যাচ। ফিলাডেলফিয়াতে যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে তা আগেই জানা গিয়েছিল। বিরতির সময়েই জানা যায়, স্টেডিয়ামের কাছাকাছি ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে স্টেডিয়ামেও তা শুরু হয়। দর্শকেরা গ্যালারির ভিতরের দিকে আশ্রয় নেন। প্রবল বৃষ্টি দেখে এক এক সময় মনে হচ্ছিল, আদৌ খেলা শুরু করা যাবে তো। আমেরিকায় এই দৃশ্য মাঝেমাঝেই দেখা যায়। ফলে সেখানকার ফুটবল স্টেডিয়ামের নিকাশি ব্যবস্থা সে ভাবেই করা। বৃষ্টি থামলে দ্রুত খেলা শুরু করা যায়।

    এমবাপের ঝড়

    ঝড়বৃষ্টির আগে ও পরে দু’বার ঝড় তুললেন এমবাপেও। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরাল শটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে। তাঁর শটের কোনও জবাব গোলরক্ষকের কাছে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হওয়ার পর আবার গোল করেন এমবাপে। সেই সঙ্গে ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে টপকে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন ক্লোজ়েকে। পরের ম্যাচে একটি গোল করলে মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে একই বিশ্বকাপে ক্লোজ়েকে ছাপিয়ে যাবেন তিনি। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে হবেন দ্বিতীয় সর্বাধিক গোলদাতা। ফ্রান্সের হয়ে ৬৬ মিনিটে দলের তৃতীয় গোল করেন উসমান দেম্বেলে। এই জয়ের পর ফ্রান্সের পয়েন্ট দুই ম্যাচ ৬।

  • FIFA World Cup 2026: ম্লান রোনাল্ডো, জোড়া গোল হ্যারি কেনের! আটকে গেল পর্তুগাল, জয় দিয়ে শুরু ইংল্যান্ডের

    FIFA World Cup 2026: ম্লান রোনাল্ডো, জোড়া গোল হ্যারি কেনের! আটকে গেল পর্তুগাল, জয় দিয়ে শুরু ইংল্যান্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোঁচট খেয়ে শুরু করল পর্তুগাল। বুধবার ডিআর কঙ্গোর কাছে আটকে গেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল। ১-১ ফলে শেষ হল ম্যাচ। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেলেও খুঁজে পাওয়া গেল না রোনাল্ডোকে। অন্যদিকে, আট বছর আগে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) শেষ হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের। বুধবার রাতে ডালাসে সেই ক্রোয়েশিয়াকেই চার গোল মেরে ইংল্যান্ড বুঝিয়ে দিল, এ বার তাদের হালকা ভাবে নিলে ভুগতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড যে ফুটবল খেলেছে তা রোজ দেখা গেলে বিপক্ষ দলগুলির কপালে দুঃখ আছে। তরুণ দল নিয়েও ক্রোয়েশিয়ার কপালে হারই জুটল। রক্ষণ ডোবাল তাদের।

    মেসির সামনে ম্লান রোনাল্ডো

    লিয়োনেল মেসি, আর্লিং হালান্ড, কিলিয়ান এমবাপে— এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলে যাঁদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়, তাঁরা প্রত্যেকেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে গোল পেয়েছেন। মেসি তো হ্যাটট্রিকও করেছেন। ফলে বুধবার রোনাল্ডো কী করেন সে দিকে অনেকেরই নজর ছিল। প্রথম দিনই তাঁরা হতাশ হলেন। রোনাল্ডো আগাগোড়া যা খেললেন তাতে তাঁকে প্রথম একাদশে জোর করে রাখা হচ্ছে কি না, সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। কাতার বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর সঙ্গে তৎকালীন পর্তুগালের কোচ ফের্নান্দো সান্তোসের ইগোর লড়াই নিয়ে চর্চা হয়েছিল। রোনাল্ডোকে প্রথম একাদশে রাখতেন না সান্তোস, যা নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। বিশ্বকাপের পর চাকরিও যায়। পর্তুগালের কোচ হওয়ার পর রবার্তো মার্তিনেজ ঘোষণা করেছিলেন, তাঁর দল হবে রোনাল্ডোকে ঘিরেই। তাই দলে একাধিক নেতা থাকা সত্ত্বেও ৪১ বছরের রোনাল্ডো প্রথম একাদশে তো ছিলেনই, তাঁর হাতেই উঠেছিল অধিনায়কের আর্মব্যান্ড। খেলার শেষে কিন্তু নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারলেন না সিআর৭। পর্তুগাল-কঙ্গো ম্যাচ শেষ হওয়ার পর রোনাল্ডো যখন টানেলের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন গ্যালারিতে থাকা দর্শকেরা তাঁকে দেখে বিদ্রুপ করতে শুরু করেন। মেসির নামে চিৎকার শুরু করেন তাঁরা। রোনাল্ডোদের ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে খেলতে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। হ্যাটট্রিক করে দলকে জিতিয়েছেন মেসি। সেই কারণেই হয়তো তাঁর নাম করে রোনাল্ডোকে টিটকিরি করেন দর্শকেরা।

    হ্যারি কেনের ঝড়

    চলতি বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বাদে মোটামুটি সব বড় তারকা ফুটবলারই গোল করেছেন। চোখ ছিল হ্যারি কেনের দিকেও। হতাশ করলেন না ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে মরসুমটা ভাল গিয়েছে তাঁর। দেশের জার্সিতেও এই ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখলেন। দু’টি গোল এল তাঁর থেকে। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে ১০টি গোল করে ফেললেন কেন। একটি করে গোল জুড বেলিংহ্যাম এবং মার্কাস রাশফোর্ডের। ডালাসে প্রথমার্ধেই হয় চার গোল। দু’বার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের আগ্রাসী ফুটবলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি তারা। খেলায় ইংল্যান্ডের দাপট ক্রমশ বাড়তে থাকে। বলের নিয়ন্ত্রণ থেকে গোল লক্ষ্য করে শট, সবেতেই তারা এগিয়ে ছিল। কেন যেখানে সাফল্য পেলেন, সেখানে মদ্রিচ একেবারেই নিষ্প্রভ। তাঁকে বাধ্য হয়ে দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি তুলে নিতে হল। বুধবারের প্রথম ম্যাচে বিশ্ব দেখেছে কী ভাবে ৪১ বছরের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নিষ্প্রভ থেকেছেন। পরের ম্যাচে ৪০-এর মদ্রিচেরও একই অবস্থা হল। বয়স ছুঁয়েছে তাঁর খেলাকেও।

  • Messi on Arup Biswas: প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপের নামে বিধাননগর পুলিশে চিঠি পাঠাল মেসির টিম, কী কী অভিযোগ?

    Messi on Arup Biswas: প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপের নামে বিধাননগর পুলিশে চিঠি পাঠাল মেসির টিম, কী কী অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে অরূপ বিশ্বাস। লিয়োনেল মেসিদের ই-মেল পৌঁছে গেল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে। গত ডিসেম্বরে যুবভারতীকাণ্ডের জন্য তাঁরা সরাসরি অরূপ বিশ্বাসকে দায়ী করেছেন। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকে এই মেল করেছেন মেসির দলের এক জন। তিনি ডিসেম্বরের ‘গোট ট্যুর’-এ মেসির পরামর্শদাতা হিসেবে এসেছিলেন। সে দিন যুবভারতীতে তিনি নিজেও মেসির সঙ্গে মাঠে ছিলেন। ওই ই-মেলে লেখা হয়েছে, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মাঠে ঢোকার পরেই যাবতীয় ঝামেলার সূত্রপাত। সরাসরি অরূপের নাম করে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মেসির টিম। বলা হয়েছে, মাঠে ঢুকে অরূপ যে সব কাজকর্ম শুরু করেছিলেন, তা নির্ধারিত সূচিতে ছিল না। এর ফলে ইতিমধ্যেই নানা বিতর্কে জড়িয়ে থাকা প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনি অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    অরূপ কী কী করেছিলেন

    ওই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী বার বার মেসিকে স্পর্শ করছিলেন, ছবি তোলার জন্য কাঁধে এবং কোমরে হাত দিচ্ছিলেন। অরূপের সঙ্গে বহু মানুষ সে দিন মাঠে ঢুকেছিলেন, যাঁদের মাঠে ঢোকার অধিকার ছিল না— এটিও উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে। যেখানে তিন জন আলোকচিত্রীর থাকার কথা ছিল, সেখানে প্রায় ৪০ জন মাঠে ছিলেন। এতেই মেসি বিরক্ত হন এবং তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয় বলে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, এর পর মেসির পক্ষে আর ইভেন্টে থাকা সম্ভব হয়নি। মেসির দলের পক্ষে এটাও জানানো হয়েছে, ওই ট্যুরের যিনি আয়োজক, সেই শতদ্রু দত্তের নিয়ন্ত্রণে ছিল না বিষয়টি। বলা হয়েছে, মেসির তাড়াতাড়ি যুবভারতী ছাড়ার জন্য শতদ্রু কোনও ভাবেই দায়ী নন। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে লেখা হয়েছে, প্রোটোকল অনুযায়ী লিওনেল মেসিকে সকলে স্পর্শ করতে পারেন না। তাঁকে দেখা যায়, কিন্তু ছোঁয়া যায় না। তবে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী গা ঘেঁষাঘেঁষি করে ছবি তুলেছিলেন। কাঁধে-কোমরে হাত দিয়ে ছবি তুলেছিলেন। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, প্রচুর মানুষ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মাঠে ঢুকে গিয়েছিলেন। যার ফলে দ্রুত মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। নিরাপত্তার গাফিলতিরও অভিযোগ করা হয়েছে।

    আগেই অভিযুক্ত অরূপ

    কলকাতায় যে দিন মেসি এসেছিলেন তাঁকে দেখার জন্য হাজার-হাজার ভক্তের ভিড় হয়েছিল মাঠে। তবে আগত দর্শকদের অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও তাঁর সঙ্গীরা মেসিকে এমনভাবে ঘিরে রেখেছিলেন যে দর্শকরা এই ফুটবলারকে দেখতে পাননি। এই নিয়ে বিস্তর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তাঁরা। পরবর্তীতে অরূপ এবং মেসির একটি ছবি ভাইরাল। যে ছবিতে দেখা যায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ফুটবলারের পেটে-কাঁধে হাত দিয়ে রয়েছেন। মেসিকাণ্ড নিয়ে আগেই থানা পুলিশ হয়েছে। এবার খোদ ফুটবলারের টিম থেকে আসল চিঠি। মেসির কলকাতা সফরে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় অরূপের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেছেন শতদ্রু। এই মামলায় অরূপের যে রক্ষাকবচ রয়েছে, তাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছেন তিনি।

  • FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপে নেমেই হ্যাটট্রিক! মেসির পায়ে আলজেরিয়াকে হেলায় হারাল আর্জেন্টিনা, জয় পেল ফ্রান্সও

    FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপে নেমেই হ্যাটট্রিক! মেসির পায়ে আলজেরিয়াকে হেলায় হারাল আর্জেন্টিনা, জয় পেল ফ্রান্সও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে বলবে ৩৯-এর কোঠায় তিনি! কে বলবে এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ! যেন পার্কে বেড়াতে বেরিয়েছেন। লিয়োনেল মেসিকে দেখে এমনটাই মনে হচ্ছিল। আলজেরিয়ার ডিফেন্ডারদের মধ্যে কোনও পরিকল্পনাই দেখা যাচ্ছিল না তাঁকে আটকানোর। তার ফল যা হওয়ার তাই হল। আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের ২০০তম ম্যাচ খেলতে নেমে ৭৮ মিনিট মাঠে থাকলেন মেসি। করলেন হ্যাটট্রিক। বিশ্বকাপে প্রথম বার। মেসির পায়ে আলজেরিয়াকে হেলায় হারাল আর্জেন্টিনা। মেসি প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন, আরও এক বার চ্যাম্পিয়ন হতেই নেমেছেন তাঁরা। মঙ্গলবার বিশ্বকাপের অন্য ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স। জোড়া গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপে।

    সমালোচকদের জবাব

    ৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছেন। মেসি আদৌ ভাল খেলতে পারবেন তো? কত ক্ষণ খেলতে পারবেন? বিশ্বকাপের আগে চোট পেয়েছিলেন। সেই চোট কতটা সেরেছে? এমনই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছিল গত বারের বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে নিয়ে। তিন শটে তার জবাব দিয়ে দিলেন তিনি। আপাতত চুপ করে যাবেন সমালোচকেরা। মেসিকে শুরু থেকেই নামিয়ে দেন কোচ লিয়োনেল স্কালোনি। তিনি চাইছিলেন, শুরুতেই গোল তুলে নিতে। আর তার জন্য মেসির উপরেই ভরসা রাখেন তিনি। কোচকে হতাশ করেননি মেসি। চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলল আর্জেন্টিনা। চ্যাম্পিয়নের মতোই খেললেন লিয়োনেল মেসি। তাঁর খেলার দেখে বাক্‌রুদ্ধ দলের কোচ লিয়োনেল স্কালোনি। খেলা শেষে বেশি কথা বলতে পারেননি তিনি। শুধু বলেছেন, “আমি ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। লিয়োকে নিয়ে আর কী বলব। আমি বাক্‌রুদ্ধ। ও দুর্দান্ত।”

    তিন গোল করে তিনটি রেকর্ড মেসির

    • বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতা: আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকের পর বিশ্বকাপে মেসির গোলের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬। বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতার তালিকায় যুগ্মভাবে শীর্ষে তিনি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল মিরোস্লাভ ক্লোজের দখলে। পরের ম্যাচেই জার্মানির ফুটবলারকে টপকে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের মালিক হওয়ার সুযোগ মেসির সামনে।
    • বয়স্কতম ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপে একাধিক গোল: সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে একাধিক গোল করলেন মেসি। আগে এই রেকর্ড ছিল ক্যামেরুনের রজার মিল্লার দখলে। ৩৮ বছর ৩৪ দিন বয়সে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে একাধিক গোল করেছিলেন মিল্লা। মেসির বয়স ৩৮ বছর ৩৫৭ দিন। ৩৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙলেন মেসি।
    • ছুঁয়ে ফেললেন রোনাল্ডোকে: সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ডে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ছুঁয়ে ফেলেছেন মেসি। মোট পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। সেগুলি হল ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ। রোনাল্ডো ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন। এ বারের বিশ্বকাপে গোল করলে অবশ্য মেসিকে ছাপিয়ে যাবেন রোনাল্ডো।

    চোখে জল লিয়োনেল মেসির

    প্রথম গোলের পর কয়েক সেকেন্ডের উল্লাস। তার পরেই দেখা গেল মাথা নিচু। চোখে জল লিয়োনেল মেসির। জার্সি দিয়ে মুছলেন জল। তার পর আবার শুরু করলেন খেলা। খেলার পর মেসি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু তার নেপথ্যে ফুটবল নয়। মেসি বলেন, “হ্যাঁ, আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। তবে ফুটবলের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। গত কয়েকটা দিন খুব কঠিন ছিল। কঠিন সময় কাটিয়েছি। জটিল সময় কাটিয়েছি। সেগুলোই মনে পড়ছিল। ফুটবলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।” সেই কঠিন সময়ের কথা বিস্তারিত ভাবে জানাননি মেসি। তবে কঠিন সময়ে কী ভাবে সতীর্থেরা তাঁর পাশে থেকেছেন সেই কথা শোনা গিয়েছে মেসির মুখে। তিনি বলেন, “আমি গোটা দলের কাছে কৃতজ্ঞ। সতীর্থদের কাছে কৃতজ্ঞ। ওরা অনেক চেষ্টা করেছে আমাকে ভাল রাখার। ওদের এই সাহায্যের কথা ভুলব না।” ৩৯ বছর বয়সেও গোল করে চলেছেন মেসি। এমনকি, বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক এত দিনে এসেছে তাঁর। মেসি জানিয়েছেন, এখন খেলা উপভোগ করছেন তিনি। মেসি বলেন, “এখন খেলা উপভোগ করি। এটা কেকের উপর চেরির মতো বিষয়। দুর্দান্ত একটা দলের হয়ে খেলতে পেরে আমি খুব খুশি। খেলা উপভোগ করছি।”

    দেশঁর চালে ফ্রান্সের বাজিমাত

    মঙ্গলবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বার মুখোমুখি হচ্ছিল ফ্রান্স ও সেনেগাল। আগের বারের স্মৃতি ফ্রান্সের জন্য সুখকর ছিল না। পাপা বৌবা দিওফের নাম জিদান অন্তত কোনও দিন ভুলবেন না। ২৪ বছর আগে সেনেগালের কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ যেতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। কিন্তু এবার তা হল না। ফ্রান্সের এই দলের কোচের নাম দিদিয়ের দেশঁ। বিরতিতে দেশঁর একটি চালে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স। সেনেগাল জানতে ফ্রান্সের সব আক্রমণের লক্ষ্য থাকবেন এমবাপে। তাই তারা রক্ষণ সে ভাবেই সাজিয়েছিল। এমবাপের সঙ্গে জোঁকের মতো লেগেছিলেন কৌলিবালি। ব্যস, প্রথমার্ধে সেখানেই ঢাকা পড়ে গেলেন এমবাপে। প্রথমার্ধে খুব বেশি হলে চার থেকে পাঁচ বার বল পেয়েছেন এমবাপে। তা-ও রাখতে পারেননি। প্রথম টাচ দেখে মনে হচ্ছিল, এমবাপের মুখোশ পরে হয়তো অন্য কেউ খেলছেন।

    জোড়া গোল এম-বাপের

    বিরতিতে একটিই বদল করেন দেশঁ। প্রথমার্ধে দলের নম্বর ১০ পজিশনে খেলছিলেন এমবাপে। ফলে তাঁকে বল দিতে হলে সেন্টার অফ দ্য পার্ক দিয়ে খেলতে হচ্ছিল। সেই কারণে এমবাপে বল পেলেই কৌলিবালি তাঁকে আটকে দিচ্ছিলেন। দ্রুত তিন থেকে চার জন ঘিরে ধরছিলেন ফরাসি ফুটবলারদের। ফাঁকা জায়গা পাচ্ছিলেন না তাঁরা। দেশঁ এমবাপেকে প্রান্তে আনলেন। কখনও ডান, কখনও বাঁ প্রান্ত থেকে উঠলেন তিনি। নম্বর ১০ পজিশনে নিয়ে গেলেন ওলিসেকে। প্রথমার্ধে এমবাপেকে বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন সেনেগালের সেন্টার ব্যাক কৌলিবালি। কিন্তু এমবাপে প্রান্তে চলে যাওয়ায় কৌলিবালির নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়ে গেলেন। ওলিসের গতি কৌলিবালিকে সমস্যায় ফেলল। এই এক চালেই খেলার ছবি বদলে গেল। দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটা ফাঁকা জায়গায় বল পেতে শুরু করলেন এমবাপে। দেখা গেল তাঁর পরিচিত দৌড়। ৬৬ মিনিটের মাথায় ওলিসের পাস ধরে মেন্ডির পায়ের পাশ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন এমবাপে। এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এমবাপে অবশ্য বরাবরই দ্বিতীয়ার্ধের ফুটবলার। বিশ্বকাপে করা তাঁর ১৪ গোলের মধ্যে ১৩টিই দ্বিতীয়ার্ধে করা। এদিনও দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের সর্বাধিক গোলের লড়াই জমিয়ে দিলেন এমবাপে।

  • FIFA World Cup 2026: প্রাণবন্ত ফুটবল ইরানের, মিশরের কাছে আটকে গেল বেলজিয়াম, সৌদির বিপক্ষে জয়য় পেল না উরুগুয়েও

    FIFA World Cup 2026: প্রাণবন্ত ফুটবল ইরানের, মিশরের কাছে আটকে গেল বেলজিয়াম, সৌদির বিপক্ষে জয়য় পেল না উরুগুয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরান। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ঠিক মতো বিশ্বকাপের প্রস্ততি নিতে পারেননি ইরানের ফুটবলাররা। তা-ও নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে বেশ উজ্জীবিত ফুটবল খেলল এশিয়ার সেরা দল। দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েননি মহম্মদ মোহেবিরা। খেলা শেষ হল ২-২ গোলে। ফুটবল বিশ্বযুদ্ধে (FIFA World Cup 2026) সোমবারের কোনও ম্যাচেই ফয়সালা হয়নি। বেলজিয়াম-মিশর ম্যাচও অমীমাংসিত থাকে ১-১ গোলে। অপর ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে আটকে যায় উরুগুয়েও।

    ইরানের প্রাণবন্ত ফুটবল

    পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানকে নিয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। মাঠও নিজেদের খেলার ঝাঁঝ বজায় রাখল ইরানিরা। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। ৭ মিনিটে গোল করেন ইলিজা জাস্ট। ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান রামিন রেজাইন। পিছিয়ে পড়ার পরও হতাশ দেখায়নি ইরানের ফুটবলারদের। সমানে নিউ জিল্যান্ডের অর্ধে চাপ বজায় রেখেছিলেন তাঁরা। ছোট ছোট পাসে আক্রমণ তৈরি করেছেন, সময় মতো জায়গা নিয়েছেন ইরানের ফুটবলারেরা। মাঠ জুড়ে ফুটবল খেলেছেন। বেশ কয়েক বার কিউয়ি বক্সে চাপ তৈরি হয়েছিল। দূর পাল্লার শটেও ইরানের ফুটলারেরা প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রথমার্ধের খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় নিউ জিল্যান্ড। ইরানের ডিফেন্স কিছুটা চাপে পড়ে যায়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৫৫ মিনিটে দলকে দ্বিতীয় বার এগিয়ে দেন জাস্ট। পদ্বিতীয় বার পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ইরান। ১০ মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরায় তারা। মাঝ মাঠ এবং আক্রমণের সুন্দর বোঝাপড়ায় ৬৪ মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন মহম্মদ মোহেবি।

    বেলজিয়াম-মিশর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    সিয়াটলের তীব্র গরমে বেলজিয়াম-মিশর খেলা দেখতে এসেছিলেন প্রায় ৬৬ হাজার ফুটবলপ্রেমী। অধিকাংশেরই প্রত্যাশা ছিল বেলজিয়ামের জয়। মহম্মদ সালাহরাও প্রস্তুত হয়েই মাঠে নেমেছিলেন। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। শুরুতে বেলজিয়ামের আধিপত্য থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দাপট বাড়াতে থাকে মিশর। ২০ মিনিটে সালাহ ডান দিকে বল পেয়ে দুর্দান্ত পাস বাড়ান এমাম আশুরকে। ‘ডি’ বক্স থেকে নেওয়া আশুরের শক্তিশালী শট জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় বেলজিয়াম। চাপে পড়ে যায় মিশর। ৬৬ মিনিটে মহম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

    আটকে গেল উরুগুয়ে

    বিশ্বকাপের শুরুটা ভাল করতে পারল না উরুগুয়েও। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে আটকে গেল প্রথম দু’বারের বিশ্বজয়ীরা। বেলজিয়ামের মতোই পিছিয়ে পড়ে ড্র করেছেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাহুরা। ৪১ মিনিটে আব্দুল্লা আল আমরির গোলে এগিয়ে যায় সৌদি। ৮০ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেই জিততে পারল না সৌদি। চাপের মুখে উরুগুয়েকে ৮০ মিনিটে সমতায় ফেরেন আরাহু। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল সৌদি। এ বার লিয়োনেল মেসিদের প্রতিবেশী দেশকেও আটকে দিল।

    মাঠে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার

    মঙ্গলবার বিশ্বকাপে অভিষেক হল আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারের। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে খেললেন সরপ্রীত সিং। ৯০ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন ২৭ বছরের মিডফিল্ডার। সরপ্রীতের পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভাল। পঞ্জাবি পরিবারের সন্তান সরপ্রীত। নিউ জিল্যান্ডেই জন্ম তাঁর। কাজের সন্ধানে তাঁর বাবা-মা অকল্যান্ডে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে সরপ্রীতের বাবার। গ্রামের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে রায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলা ফুটবলারের। ২০১৯ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ খেলতে ভারতে এসেছিলেন। উল্লেখ্য, দু’দিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাঠে নেমেছিলেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার নিশান ভেলুপিল্লাই।

  • FIFA World Cup 2026: জার্মানির ৭, সুইডেনের ৫! ঐতিহাসিক, বিশ্বকাপে এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল

    FIFA World Cup 2026: জার্মানির ৭, সুইডেনের ৫! ঐতিহাসিক, বিশ্বকাপে এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল। এত গোল বিশ্বকাপে আগে কবে হয়েছে, তা ভেবে দেখতে হবে। ভারতীয় সময় রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত চার ম্যাচে মোট ১৯ গোল হল। বড় জয় পেল জার্মানি, সুইডেন। ড্র হল নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান ম্যাচ। জিতল আইভরি কোস্টও।

    কুরাসাওকে ৭ গোল জার্মানির

    শেষ বার বিশ্বকাপে জার্মানি ৭-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছিল ১২ বছর আগে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আয়োজক ব্রাজিলকে এই ব্যবধানেই হারিয়েছিল তারা। একই ফলাফল ফিরল এ বারের বিশ্বকাপে। হিউস্টনে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারাল জার্মানি। ১২ বছর পর ‘বন্ধু’ পেল ব্রাজিল। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর এবং চার বারের বিশ্বজয়ী জার্মানির বিরুদ্ধে ম্যাচ যে সহজ হবে না এটা অতি বড় কুরাসাও সমর্থকও বুঝতে পেরেছিলেন। তবে সাত গোল খেতে হবে এটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। ম্যাচের শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যায় জার্মানি। ২১ মিনিটে গোল শোধ করে দেয় কুরাসাও। ওই একটা গোল হজম জার্মানির খেলার মেজাজটাই বদলে দেয়। বাকি যে সময়টা খেলা হল, তাতে দাপট শুধু জার্মানির। বল নিয়ন্ত্রণ, শট, আগ্রাসন— সবেতেই এগিয়ে থেকেছে তারা। সাতটি গোলের মধ্যে ছ’জন আলাদা স্কোরার। এতেই বোঝা গিয়েছে জার্মানি কতটা দলগত খেলা উপহার দিয়েছে।

    নেদারল্যান্ডসকে রুখল জাপান

    রবিবার নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান ম্যাচের প্রথমার্ধে ঘুমপাড়ানি ফুটবল চলছিল। দুই দলের খেলায় না ছিল তাগিদ, না ছিল আগ্রাসন। দ্বিতীয়ার্ধে সেই দুই দলের খেলাই আমূল বদলে গেল। খেলায় গতি এল, প্রাণ ফিরে পেল ম্যাচ। দেখা গেল লড়াকু, আগ্রাসী জাপানকে। এশিয়ার দল রুখে দিল নেদারল্যান্ডসকে। শেষ মুহূ্র্তের করা গোলে ২-২ ড্র হল ম্যাচ। সাম্প্রতিক অতীতে ইংল্যান্ড, ব্রাজ়িলের মতো দেশকে হারিয়েছে জাপান। গত বারের বিশ্বকাপে হারিয়েছে জার্মানির মতো দলকে।

    টিউনিশিয়াকে হারাল সুইডেন

    সুইডেনের খেলা দেখে মনে হল, এ বারের বিশ্বকাপের কালো ঘোড়া তারা। গত বার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি পোল্যান্ডের কাছে হেরে। এ বার সেই পোল্যান্ডকে হারিয়েই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে তারা। প্রথম ম্যাচেই সুইডেন বুঝিয়ে দিল, তাদেরকে হালকা ভাবে নিলে ভুগতে হবে। এদিন পাঁচ গোল করলেও অন্তত সাত গোল করার সুযোগ পেয়েছিল সুইডেন। জাপান ও নেদারল্যান্ডস ড্র করায় এই গ্রুপ থেকে আপাতত শীর্ষে সুইডেন। তারা যে খেলাটা দেখাল, তাতে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের সামনেও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।

    ইকুয়েডরকে হারাল আইভরি কোস্ট

    বাকি তিন ম্যাচে ১৮ গোল হলেও এই ম্যাচে মাত্র এক গোল হল। তা-ও একেবারে শেষ মুহূর্তে। দেখে মনে হচ্ছিল, ড্র হবে খেলা। কিন্তু ৯০ মিনিটের মাথায় আমাদ দিয়ালোর গোলে জেতে আইভরি কোস্ট। হারতে হল লাতিন আমেরিকার দল ইকুয়েডরকে।

  • India vs Pakistan: কোন মন্ত্রে পাকবধ? জানালেন হরমন-দীপ্তি, টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ৬৪ রানে হারাল ভারত

    India vs Pakistan: কোন মন্ত্রে পাকবধ? জানালেন হরমন-দীপ্তি, টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ৬৪ রানে হারাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাইশ গজে দাপট ভারতের। পুরুষ হোক বা মহিলা, একই ছবি দেখা যাচ্ছে গত কয়েক বছরে। বিশ্বক্রিকেটে ভারতের সামনে খেলতে নামলেই এক অজানা আতঙ্ক গ্রাস করে পাকিস্তানকে (India vs Pakistan)। শুরুটা ভাল করলেও যত ম্যাচ গড়ায় তত পিছিয়ে পড়ে তারা। মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও (ICC Women T20I World Cup 2026) সেই ছবি দেখা গেল। ভারতের সামনে দাঁড়াতে পারল না পাকিস্তান। বার্মিংহ্যামে দাপট দেখালেন হরমনপ্রীত কৌরেরা। পাকিস্তানকে ৬৪ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হল তাঁদের। ব্যাট হাতে নায়ক স্মৃতি মন্ধানা ও রিচা ঘোষ। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে দাপট দেখালেন দীপ্তি শর্মা।

    দুরন্ত বাংলার রিচা

    এই জয়ের রহস্য ফাঁস করেছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত ও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় দীপ্তি। হরমনপ্রীত দুই ক্রিকেটারকে জয়ের প্রধান কৃতিত্ব দিয়েছেন। তাঁরা হলেন স্মৃতি মন্ধানা ও দীপ্তি শর্মা। অধিনায়ক বলেন, “যখনই দরকার পড়ে, ওরা এগিয়ে আসে। দলকে জেতায়। ওদের নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। ওদের খেলায় আমি খুব খুশি। আশা করছি, আগামী দিনেও ওরা এ ভাবে খেলবে।” ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। দেখে মনে হচ্ছিল, এই পিচে ব্যাট করা কঠিন। পিচ ততটাও কঠিন ছিল না বলে জানিয়েছেন হরমনপ্রীত। তিনি বলেন, “পিচ ঠিকই ছিল। আমার মনে হয়, শুরুতে অকারণে বেশি চাপ নিয়ে ফেলেছিলাম। পরে আমি ও স্মৃতি জুটি বাঁধলাম। সেখান থেকে খেলায় ফিরলাম।” ভারতের রান ১৭০ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব রিচা ঘোষের। ১৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন বাংলার রিচা। হরমন চান, রিচা শুরু থেকে খেলুন। কিন্তু তা সম্ভব নয়। হরমনপ্রীত বলেন, “আমি চাই রিচা প্রথম বল থেকে ব্যাট করুক। আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে ওকে শুরুতে নামাতাম। কিন্তু এই দলে ওর নির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। সেটাই ও খুব ভাল ভাবে পালন করছে।”

    দীপ্তির আভায় উজ্জ্বল ভারত

    ভারতের জয়ের নেপথ্যে একটা বড় ভূমিকা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মার (Deepti Sharma)। এই ম্য়াচে তিনি ক্রিকেট ইতিহাসে এক নয়া অধ্যায় যোগ করেছেন। রবিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীপ্তি ৫ উইকেট শিকার করেন। ভারতীয় টি-২০ ক্রিকেট ইতিহাসে এটাই সর্বকালের সেরা পরিসংখ্যান। কোন মন্ত্রে এই সাফল্য! ম্য়াচ শেষ হতেই ফাঁস করলেন সিক্রেট। টিম ইন্ডিয়ার ম্য়াজিশিয়ান বললেন, একটি ছোট্ট পরিবর্তন করেই সফল হয়েছেন তিনি। দীপ্তি বলেন, “আমি এই ধরনের পিচে বল করতে ভালবাসি। বলের গতি কিছুটা কম রাখছিলাম। উইকেট লক্ষ্য করে বল করছিলাম। বাকিটা পিচ করে দিয়েছে।” যে ভাবে সমর্থকেরা তাঁদের উৎসাহ দিয়েছেন সে কথাও জানিয়েছেন হনুমানজির ভক্ত দীপ্তি। পাশাপাশি স্মৃতি ও হরমনপ্রীতের ব্যাটিংয়ের প্রশংসাও করেছেন তিনি।

  • Women’s T20 World Cup 2026: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    Women’s T20 World Cup 2026: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে রবিবার মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। ক্রিকেটের মহাযুদ্ধের মঞ্চে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ (Women’s T20 World Cup 2026)-এর গ্রুপ-১-এর এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে রবিবার বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী এজবাস্টন স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের (India-Pakistan) বিরুদ্ধে মাঠে নামছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। ‘উইমেন ইন ব্লু’-দের এই হাই-ভোল্টেজ অভিযানকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, আজ, শনিবার সন্ধে ৭টা ৩০টায় শুরু হবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।

    বিশ্বজয়ের লক্ষ্য হরমনপ্রীতদের (Women’s T20 World Cup 2026)

    গত বছর ওয়ান-ডে বিশ্বকাপ জিতে দীর্ঘদিনের আইসিসি ট্রফির খরা কাটিয়েছে ভারত (India-Pakistan)। এবার সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই ২০ ওভারের বিশ্বমঞ্চে ট্রফি (Women’s T20 World Cup 2026) জয়ের অধরা স্বপ্ন পূরণ করতে নামছেন হরমনপ্রীত কৌর এবং স্মৃতি মন্ধনারা। এর আগে ভারতীয় দল পাঁচবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেও এবং একবার ফাইনালে খেললেও ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি। এবার সেই অপ্রাপ্তি ঘোচাতে মরিয়া দল।

    পরিসংখ্যানের লড়াইয়ে ভারত এগিয়ে

    যদিও আইসিসি (Women’s T20 World Cup 2026) র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ নম্বরে থাকা ভারতের সাম্প্রতিক ফর্ম কিছুটা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গিয়েছে, তবুও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তারা। হেড-টু-হেড রেকর্ডের দিকে তাকালে দেখা যাবে, দুই দলের মধ্যে হওয়া ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ১৩টিতে, আর পাকিস্তান জয় পেয়েছে মাত্র ৩টি ম্যাচে। তবে বিশ্বকাপে ভারতের ৬টি জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের (India-Pakistan) যে ৩টি জয় রয়েছে, তার মধ্যে ২টি-ই এসেছে এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে থাকা পাকিস্তানকেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ভারতী।

    সরাসরি সম্প্রচার

    ভারতের (India-Pakistan) ক্রিকেট অনুরাগীরা এই টানটান উত্তেজনার ম্যাচটি টেলিভিশনে স্টার স্পোর্টস (Star Sports) নেটওয়ার্কের বিভিন্ন চ্যানেলে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘জিওহটস্টার’ (JioHotstar)-এর মাধ্যমে সরাসরি লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে পাবেন। এই হাই-প্রোফাইল ম্যাচের (Women’s T20 World Cup 2026) মধ্যে দিয়ে ভারত বিশ্বকাপে সূচনা করতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রীড়ামোদীরা।

  • Jaspal Rana Dies: ‘ভারতীয় ক্রীড়াজগতে বিরাট ক্ষতি’ দেশের অন্যতম সেরা শুটার যশপল রানার মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Jaspal Rana Dies: ‘ভারতীয় ক্রীড়াজগতে বিরাট ক্ষতি’ দেশের অন্যতম সেরা শুটার যশপল রানার মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী শ্যুটার ও কোচ যশপাল রানা প্রয়াত (Jaspal Rana Dies)। দিল্লি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। যশপালের বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৯ বছর। জার্মানিতে শ্যুটিং বিশ্বকাপ থেকে ফেরার সময় হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে দিল্লি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেশ ৪৯ বছর বয়সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন যশপাল। এই যশপাল রানার কোচিংয়েই কিন্তু অলিম্পিক্সে জোড়া পদক জেতেন মনু ভাকের। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    যশপাল রানার প্রয়াণে এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘শ্রী যশপাল রানা জির প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। ভারতীয় ক্রীড়াজগতের জন্য এটি এক বিরাট ক্ষতি (Sports News Bangla)। শুটিংয়ে তাঁর অসাধারণ সাফল্য দেশের গৌরব বৃদ্ধি করেছে। একইসঙ্গে একজন মেন্টর হিসেবে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে বহু তরুণ ক্রীড়াবিদকে গড়ে তুলেছেন।’ যশপাল রানার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রা (Abhinav Bindra)। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, যশপাল শুধু একজন অসাধারণ শুটারই ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভারতীয় শুটিংয়ের এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় ক্রীড়া তথা শুটিং জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। দেশের অসংখ্য তরুণ শুটারের কাছে তিনি চিরকাল আদর্শ হয়ে থাকবেন।

    সোনালি কেরিয়ার

    ১৯৭৬ সালের ২৮ জুন উত্তরাখণ্ডে জন্ম তাঁর। ১৯৯৪ সালে প্রথম বার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। সে বছর মিলানে আয়োজিত জুনিয়র বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছিলেন। এশিয়ান গেমসে ২৫ মিটার সেন্টার ফায়ার পিস্তলে সোনা জেতেন। ২০০৬ সালের দোহা এশিয়ান গেমসে তিনটি সোনা জিতে নজর কাড়েন। একটি ইভেন্টে বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক স্তরে ১৫টি পদক রয়েছে তাঁর। তার মধ্যে ৯টি সোনার। মাত্র ১৮ বছর বয়সে অর্জুন হন। পরে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানও দেয়।

    অর্জুন থেকে দ্রোণাচার্য

    এক সময় বিশ্বের অন্যতম সেরা শুটার রানা নতুন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন ২০২৪ সালের অলিম্পিক্সের সময়। প্যারিসে জোড়া পদকজয়ী মনুর কোচ হিসেবে তাঁকে নিয়েও হইচই শুরু হয়। ভারতীয় শুটিংয়ের হাই পারফম্যান্স কোচ হিসাবে কাজ করা রানার হাত ধরে উঠে এসেছেন বেশ কয়েক জন সেরা মানের শুটার। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ চৌধরি, অনীশ ভানওয়ালা, চিঙ্কি যাদবের মতো শুটারেরা। ২০১২ সালে কোচিং শুরু করেন। খেলোয়াড় হিসাবে অর্জুন পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি কোচ হিসাবে দ্রোণাচার্য পুরস্কারও পেয়েছেন রানা। মিউনিখ শুটিং বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফেরার সময় বিমানে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন রানা। দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান। শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকেরা একটি স্টেন্ট বসিয়েছিলেন। কিছু দিন পর আরও একটি স্টেন্ট বসানোর কথা ছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সেই সময় দিলেন না এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী শুটার।

  • FIFA World Cup 2026: উদ্বোধনে মাঠ মাতালেন শাকিরা-বার্নবয়, জিতলেও মন ভরাতে পারল না মেক্সিকোর খেলা

    FIFA World Cup 2026: উদ্বোধনে মাঠ মাতালেন শাকিরা-বার্নবয়, জিতলেও মন ভরাতে পারল না মেক্সিকোর খেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। বৃহস্পতিবার রাতে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকে কাঠি পড়ল বিশ্বকাপের। কলম্বিয়ার পপ তারকা শাকিরার গান, নাচ এবং নাইজেরিয়ার পপ তারকা বার্না বয়ের গানে ঝলমলে উদ্বোধন। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোর সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফির উন্মোচনে ছিল আরও গ্ল্যামারের ছোঁয়া। হাজির ছিলেন হলিউড তারকা এবং মেক্সিকোর ঘরের মেয়ে সালমা হায়েক। গ্যালারির ৮০ হাজারের বেশি দর্শক তখন মাতোয়ারা। মেক্সিকান সময় সকাল সাড়ে এগারোটায় ছিল উদ্বোধন। কিন্তু সকাল সাতটা থেকেই মেক্সিকো সিটির অলি–গলি ধরে মানুষের ভিড় হেঁটে এগোচ্ছিল স্টেডিয়ামের দিকে। সেই স্টেডিয়াম যেখানে ১৯৭০ ফাইনালে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছিল পেলের ব্রাজিল, ১৯৮৬ ফাইনালে দিয়েগো মারাদোনা।

    জমকালো উদ্বোধন

    ভারতীয় সময় রাত ১১ টা নাগাদ শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরু হয় মেক্সিকোর রক ব্যান্ড ‘মানা’কে দিয়ে। স্থানীয় ভাষায় জনপ্রিয় ‘ওয়ে মি আমোর’ গান গেয়ে মেক্সিকোর জনতার হৃদয় জিতে নেয় মানা। গোটা স্টেডিয়াম গাইছিল তাঁদের সঙ্গে। এর পর ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওসান মঞ্চে ওঠেন। তিনিও স্পেনীয় গান এবং তাঁর জমকালো পোশাকে মাতিয়ে দেন দর্শকদের। এর পরেই যাঁর জন্য অপেক্ষা ছিল, তিনি হাজির হন স্টেডিয়ামে। হলুদ জামা, সাদা মিনিস্কার্ট এবং চোখে রোদচশমা নিয়ে হাজির হন শাকিরা। সঙ্গে ছিলেন বার্না বয়। বিশ্বকাপের ‘থিম সং’ গেয়েছেন তাঁরা। স্টেডিয়াম ফেটে পড়েছে উল্লাসে। শাকিরা এবং বার্না বয়ের নাচ এবং গান মাতিয়ে দেয়।

    মেক্সিকোর জয়

    এক ম্যাচে তিন-তিনটে লাল কার্ড! বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা গেল নাটক। দক্ষিণ আফ্রিকার দু’জন ফুটবলার লাল কার্ড দেখলেন। মেক্সিকোর একজন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল মেক্সিকো। তবে উদ্বোধনী ম্যাচে যে রকম ফুটবল প্রত্যাশা করা হয়েছিল তা দেখা গেল না। হয়তো ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে কিছুটা নীচের দিকে থাকা দল বলেই আকর্ষণীয় ফুটবল দেখা গেল না। দুই দলের মধ্যেই সেই ঝাঁজের অভাব ছিল। তবে মেক্সিকোর খেলোয়াড়দের দাপট গোড়া থেকেই বেশি ছিল। আগ্রাসী ফুটবলের রাস্তাই তারা বেছে নিয়েছিল। ৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জুলিয়ান কিনোনেস। চার নম্বর বিশ্বকাপ খেলতে নেমে প্রথম গোল করলেন জিমেনেজ। তা-ও আবার ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে। আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন জিমেনেজ। তবে, ব্রাজিলের রেফারি উইল্টন সাম্পাইয়োর একাধিক সিদ্ধান্ত বিতর্কিত হয়ে থাকবে। এই প্রথম বার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিন জন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হল। ২০০৬-এর পর্তুগাল বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে এত জন লাল কার্ড দেখলেন।

    জয় দক্ষিণ কোরিয়ার

    ভারতীয় সময় শুক্রবার সকালে, মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া দল পিছিয়ে পড়েও চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে। ৫৯তম মিনিটে চেক প্রজাতন্ত্রের কাছে পিছিয়ে পড়লেও, দক্ষিণ কোরিয়া দল হোয়াং ইন বম (৬৭তম মিনিট) এবং ওহ হিয়ন গিউয়ের (৮০তম মিনিট) করা দুটি দ্রুত গোলের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয় নিশ্চিত করে।

LinkedIn
Share