Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ferry Service: তিনমাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হল এই ফেরি ঘাট, জানেন কোথায়?

    Ferry Service: তিনমাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হল এই ফেরি ঘাট, জানেন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  আগাম নোটিস দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছিল বরানগর কুটিঘাট ফেরি পরিষেবা (Ferry Service)। প্রায় তিন মাস ধরে জেটি ঘাটের সংস্কারের কাজ চলছিল। আর এই ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) বন্ধ থাকার কারণে দুপারের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে কলকাতা যাতায়াতের জন্য এই ফেরি পরিষেবা (Ferry Service) অত্যন্ত জনপ্রিয়। গত তিনমাস বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে ফের চালু হয়ে গেল বরানগরের কুটিঘাট ফেরি সার্ভিস। কলকাতা লাগোয়া এই জেটিঘাটের পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় বরানগর সহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দাদের কাছে খুশির খবর। কারণ, খুব সহজেই বেলুড় মঠ যাওয়া কিংবা জলপথে কলকাতা যাওয়ার সুবিধা থেকে এই এলাকার মানুষ এতদিন বঞ্চিত ছিলেন। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে,গঙ্গার ধারে কয়েকটি জেটির হাল খারাপ। এরমধ্যে রয়েছে, কামারহাটির চারমিনার ঘাট, খড়দহের জেটিঘাট। সবই মেরামতির কাজ চলছে। এতদিন এই জেটিঘাট সংস্কার হওয়ার পর এদিন থেকে তা চালু করে দেওয়া হল।  

    কুঠি ঘাট ফেরি সার্ভিসের কত ভাড়া জানেন? Ferry Service

    কুটিঘাট ফেরি সার্ভিস থেকে দুটি রুটের লঞ্চ পরিষেবা চলে। কুটিঘাটের উলটো দিকেই রয়েছে বেলুড় মঠ। ফলে, এই জেলার হাজার হাজার ভক্ত বেলুড় মঠ যাওয়ার জন্য এই ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) ব্যবহার করেন। আর এখান থেকে কলকাতার ফেয়ারলি যাওয়া যায়। এমনিতেই বিটি রোডে যানজটের কারণে বহু নিত্যযাত্রী এই ফেরি সার্ভিস ব্যবহার করেন। আর সহজ পথে হাওড়া যাওয়ার জন্য এই ফেরি সার্ভিস এই এলাকার হাজার হাজার মানুষের ভরসা। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) পরিষেবা চালু থাকবে। আর কুটিঘাট থেকে ফেয়ারলির ভাড়া ১১ টাকা। কুটিঘাট-বেলুড় মঠের ভাড়া ৬ টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    Recruitment Scam: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের (Recruitment Scam) রহস্য ভেদে এবারে মরিয়া হয়ে উঠেছে দুই তদন্তকারী সংস্থা। একদিকে যেমন ইডি কুন্তল ঘোষের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষকে তলব করেছে, আবার অন্যদিকে ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তলব করেছে সিবিআই। নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়েছেন সুজয় ভদ্র। অন্যদিকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছেন কুন্তল ঘোষের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ।

    কুন্তলের স্ত্রীকে তলব ইডির

    ইতিমধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক করে হুগলির যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুন্তল ঘোষকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও দলের মুখপাত্র শশী পাঁজা। এরপরেই স্ত্রীকে তলব ইডির। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আরও বিপাকে পড়ল কুন্তল। কুন্তল ঘোষের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষের কাছে কুন্তলের সম্পত্তির হিসেব রয়েছে বলে অনুমান ইডির। জয়শ্রীকে জেরা করেই কুন্তল ঘোষের একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। তাঁর সঙ্গে কয়েকটি নথি আনতেও বলা হয়েছে। তাপস মণ্ডলকে তাঁদের ফ্ল্যাটে থাকতে দিয়েছিলেন কেন?‌ তাপসের সঙ্গে কুন্তলের সম্পর্ক কী তা নিয়েও জানতে চাওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। ইডি অফিসে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন কুন্তল ঘোষের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ। জয়শ্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন ইডি অফিসাররা (Recruitment Scam)।

    আরও পড়ুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এবার ‘কালীঘাটের কাকু’কে তলব করেছিল সিবিআই। আর তলব পেয়েই বুধবার সকাল ১১টার কিছু আগেই নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছিলেন ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। প্রায় আড়াই ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই গোয়েন্দারা। নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে সুজয়কৃষ্ণ সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি। শুধু জানিয়েছেন, তিনি নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত বহিষ্কৃত দুই যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিনতেন। তবে সবটাই রাজনৈতিক কারণে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, ‘কালীঘাটের কাকু’র বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তাঁর রেকর্ড করা বক্তব্যের সঙ্গে কুন্তল, শান্তনু, তাপস মণ্ডল ও গোপাল দলপতির বক্তব্য মিলিয়ে দেখা হবে। তারপরই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে মিলল রক্ষাকবচ, অনুমতি ছাড়া সঞ্জয় বসুর বাড়িতে চলবে না তল্লাশিও

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে মিলল রক্ষাকবচ, অনুমতি ছাড়া সঞ্জয় বসুর বাড়িতে চলবে না তল্লাশিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে আগেভাগেই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইনজীবী সঞ্জয় বসু (Sanjay Basu)। তিনি সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল। বুধবার তাঁকে রক্ষাকবচ দিল আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবারই নিজেদের দফতরে সঞ্জয়কে তলব করেছে ইডি। এদিনই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সঞ্জয়। সঞ্জয়ের আইনজীবী সপ্তাংশু বসুর দাবি, ভুয়ো অর্থনৈতিক সংস্থার একাধিক মামলায় রাজ্যের আইনজীবী ছিলেন তাঁর মক্কেল। তাই ইডি বারবার হেনস্থা করছে সঞ্জয়কে।

    সঞ্জয়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি…

    প্রসঙ্গত, ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে নেমে সঞ্জয়ের আলিপুরের বাড়িতে ইতিমধ্যেই হানা দিয়েছে ইডি। ১ মার্চ সকালে তাঁর বাড়িতে ঢুকেছিলেন ইডির আধিকারিকরা। ২ মার্চ দুপুরের দিকে তাঁর বাড়ি থেকে বের হন তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় ২২ ঘণ্টা ম্যারাথন তল্লাশির পর সঞ্জয়ের বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরেই ইডির দফতরে তলব করা হয় সঞ্জয়কে।

    এদিন বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয় মামলাটির। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সঞ্জয়কে কোনও নোটিশ দিতে পারবে না ইডি। তাঁর অফিস বা বাড়িতে তল্লাশিও চালাতে পারবে না। কোনও কিছু বাজেয়াপ্তও করতে পারবে না। সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    সঞ্জয়ের বাড়িতে (Calcutta High Court) ইডির হানা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২ মার্চ দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ওরা (ইডি) গতকাল সঞ্জয়ের বাড়িতে ঢুকেছিল। আজ মেঘালয়ে ফল ঘোষণা পর্যন্ত ছিল। তিনি বলেন, সঞ্জয় রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল। সরকারের অনেক কাগজপত্র স্বাভাবিকভাবেই ওর কাছে থাকে। ও আমারও আইনজীবী। ওকে আমি জিজ্ঞেস করেছি, এত তল্লাশি করে কী কী পেল? ও বলল, কিছু পায়নি। খালি আপনাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mamata Banerjee: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    Mamata Banerjee: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন এতজনের চাকরি গেল? চাকরি গেলে খাবে কী? মঙ্গলবার এই সব প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিয়োগ কেলেঙ্কারি (recruitment scam) সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) ও সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। এমতাবস্থায় আদালতের নির্দেশে যখন অযোগ্যদের চাকরি বাতিল হচ্ছে, তখন মুখ্যমন্ত্রী এমন মন্তব্য করলেন কেন? এই প্রশ্ন তুলে আদালত অবমাননার মামলার আবেদন জানানো হল হাইকোর্টে। বুধবার স্বতঃপ্রণোদিত আদালত অবমাননার মামলা গ্রহণের আবেদন জানান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সহ কয়েকজন আইনজীবী। আদালতের তরফে হলফনামা দাখিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি টিএস শিবগননমের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন। ৭৮৫ জনের চাকরি গিয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, কেউ কেউ আত্মহত্যা করছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বক্তব্যের যে অংশে আপত্তি…

    মঙ্গলবার আলিপুর আদালতের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বক্তব্যের একটি অংশ নিয়ে অভিযোগ করেন বিকাশ। তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, প্রধান বিচারপতি এখানে নেই, আমি সুব্রতদাকে বলব, যিনি এখানে আছেন, এটা আমার ব্যক্তিগত মত, দয়া করে এত সহজে চাকরি কেড়ে নেবেন না। ওই অনুষ্ঠানে চাকরি বাতিল নিয়ে করা মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের একাধিক অংশেরও বিরোধিতা করেছেন বিকাশ।

    প্রসঙ্গত, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, প্রাইমারি, নবম-দশম সব মামলা হাইকোর্টের বিচারপতি তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। তার পরেও আলিপুর আদালতের ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেনেশুনে কোনও অন্যায় করিনি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর একটা সিপিএম ক্যাডারের চাকরি খাইনি। মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, যাঁরা অন্যায় করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। রোজ কথায় কথায় চাকরি বাদ দিচ্ছে। কালও দুজন আত্মহত্যা করেছে। যদি কেউ ভুল করে তার দায় কেন সবাই নেবে। তিনি বলেন, একটু ভেবে দেখবেন। ছেলেমেয়েরা যেন অবিচারের শিকার না হয়, তাঁদের চাকরিটা আইন অনুযায়ী ফিরিয়ে দিন।

    আরও পড়ুুন: জামিনের আবেদন করলেন না পার্থ-অর্পিতা, জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল আদালত

    ওই অনুষ্ঠানে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, একজন চাকরি করছে বলেই বিয়ে করে সংসার করছে, চাকরি করে বলেই বাবা-মাকে দেখতে পারছে। হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে তারা খাবে কী? তাদের সন্তানদের মুখে কীভাবে খাবার তুলে দেবে? এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, যদি কোনও ভুল করে থাকে, তাকে সুযোগ দেওয়া হোক। দরকার হলে আবার পরীক্ষা দিক। নিয়োগ কেলেঙ্কারি ইস্যুতে এতদিন মামলা কিংবা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত নিয়ে একাধিকবার সুর চড়িয়েছেন মমতা। তবে এবার তিনি যেভাবে তিনি আদালতের নির্দেশে চাকরি হারানোদের হয়ে সওয়াল করলেন, তা কার্যত বেনজির বলেও মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal:  দিল্লিতে হাজিরা এড়ালেন কেষ্ট কন্যা! চিঠি দিলেন ইডিকে, কী জানালেন সুকন্যা?

    Anubrata Mondal: দিল্লিতে হাজিরা এড়ালেন কেষ্ট কন্যা! চিঠি দিলেন ইডিকে, কী জানালেন সুকন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিচ্ছেন না অনুব্রত-কন্যা (Anubrata Mondal) সুকন্যা মণ্ডল। ইডি সূত্রে খবর, সুকন্যা জানিয়েছেন, তাঁর কিছু সমস্যা ও পূর্ব নির্ধারিত কাজ থাকায় আজ যেতে পারছেন না তিনি। তাঁকে সময় দেওয়া হোক। ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত-কন্যাকে ফের তলব করা হবে। গতকাল অনুব্রতের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে জেরা করার পরেই গ্রেফতার করা হয়। তাই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কাতেই ইডির তলব এড়িয়ে গেলেন সুকন্যা?

    ইডি দফতরে যাচ্ছেন না সুকন্যা

    ইডি সূত্রে খবর, বুধবার ইডির মুখোমুখি হবেন না সুকন্যা। আইনজীবী মারফত ই-মেল করে আজ দিল্লিতে ইডি অফিসে অনুপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন সুকন্যা। যদিও ঠিক কী কারণে বুধবার হাজিরা দিতে পারবেন না সুকন্যা বা ইমেল-এ ঠিক কী উল্লেখ করেছেন তিনি, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: জামিনের আবেদন করলেন না পার্থ-অর্পিতা, জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল আদালত

    গরু পাচার মামলায় আজ ইডির দফতরে তলব করা হয়েছিল সুকন্যাকে। ঠিক ছিল, আজ বাবা-মেয়ে অর্থাৎ কেষ্ট-সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে। আবার ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছিল, সুকন্যা মণ্ডল, মণীশ কোঠারি এবং অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal), এই তিনজনকেই মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এদিকে আপাতত আদালতের নির্দেশে ইডি হেফাজতেই রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে নিয়মিত জেরা করছেন ইডি আধিকারিকরা।

    গ্রেফতার মণীশ কোঠারি

    গতকাল টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে অনুব্রতর (Anubrata Mondal) হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে গ্রেফতার করে ইডি। আজ তাঁকে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে পেশ করবে ইডি। মণীশ কোঠারির গ্রেফতারির পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছিল যে, এবারে কি তবে আজ সুকন্যাকেও জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হবে? কিন্তু আজ কেষ্ট কন্যা হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ায় এখনও কোনও কিছুই স্পষ্ট নয়। ইডি সূত্রে খবর, ফের তলব করা হবে সুকন্যাকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     
  • Partha-Arpita: জামিনের আবেদন করলেন না পার্থ-অর্পিতা, জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল আদালত

    Partha-Arpita: জামিনের আবেদন করলেন না পার্থ-অর্পিতা, জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Partha-Arpita)। গতকাল জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয় তাঁদের। সেখানে ভার্চুয়াল শুনানিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজির হন পার্থ এবং অর্পিতা। শুনানি শেষে আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দু’জনকেই জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তবে এই শুনানির সময় পার্থ-অর্পিতাকে জামিনের আবেদন করতে দেখা যায়নি। তার বদলে পার্থ ও অর্পিতার মধ্যে ‘প্রেমালাপ’ করতে দেখা যায়। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    ভার্চুয়াল শুনানিতে কী বললেন অর্পিতা?

    প্রায় ৮ মাস হল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে রয়েছেন অভিনেত্রী-মডেল অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Partha-Arpita)। সেখানে বিচারকের উদ্দেশে অর্পিতা জানান, তিনি নির্দোষ। বিনা অপরাধে তাঁকে ৮ মাস ধরে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। এতে তাঁর সামাজিক মর্যাদাহানি হচ্ছে। বিচারকের উদ্দেশে অর্পিতাকে বলতে শোনা যায়, “আপনার কি মনে হয় না, একজন মহিলাকে আটকে রেখে তাঁর সামাজিক স্টেটাস (মর্যাদা) নষ্ট হচ্ছে?” অভিনেত্রী আরও বলেন, “আমি অত্যন্ত উচ্চ বংশের মেয়ে। আমার মা অসুস্থ। তাঁর পাশে থাকতে হবে।”

    আরও পড়ুন:গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    জামিনের আবেদন করলেন না পার্থ

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ রয়েছেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। গতকাল তাঁকে আদালতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পেশ করা হলে তিনি জামিনের আবেদন করেননি (Partha-Arpita)। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী জানান, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। গ্রেফতারির পর ভুবনেশ্বর এইমসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন পার্থর আইনজীবী আবেদন করেন যাতে চিফ মেডিকেল অফিসার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে মেডিকেল চেক-আপ করে। ৭-৮ দিনের মধ্যে সেই মেডিক্যাল রিপোর্ট করার আবেদন জানান তিনি৷ কিন্তু ইডি’র আইনজীবী এর বিরোধিতা করে বলেন, যে এইমসের কথা বলা হচ্ছে সেখানে পার্থকে সুস্থ বলা হয়েছিল। তারপরই হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এদিকে পার্থ-অর্পিতার তরফে জামিনের আবেদন না করায় তাদের আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছে আদালত।

    অন্যদিকে, মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানির আরও একটি ঘটনা চর্চায় উঠে এসেছে। তা হল পার্থ এবং অর্পিতার একে অন্যের উদ্দেশে করা অঙ্গভঙ্গি। এক সময় আদালতের স্ক্রিনে দেখা যায় পার্থ ও অর্পিতাকে। সেই সময় ‘চোখে চোখে কথা’ বলেন পার্থ-অর্পিতা, সূত্রের খবর (Partha-Arpita)।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা স্বাস্থ্যভবনের

    Adenovirus: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা স্বাস্থ্যভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adenovirus) মোকাবিলায় চেষ্টা চললেও শিশুমৃত্যু ঠেকাতে পারছে না সরকার। কোন পথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, তা বুঝে উঠতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও শিশুদের বেড নেই। তাই এবার সঠিক পরিসংখ্যান জানতে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে অ্যাডিনো নিয়ে আলোচনায় বসল স্বাস্থ্য কমিশন। 

    বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা

    মঙ্গলবার, রাজ্যে সাম্প্রতিক অ্যাডিনো (Adenovirus) পরিস্থিতি নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা বলে স্বাস্থ্যভবন। স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারম্যান অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ভবনের অন্যান্য কর্তারাও। ১৫ মার্চ পর্যন্ত কতজন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে, মৃতের হার কত, তা রিপোর্ট দিয়ে জানাতে বলা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে। ২৫ মার্চের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামিদিনে অ্যাডিনো মোকাবিলায় হেল্পলাইন নম্বর চালুর পাশাপাশি একটি ওয়েব পোর্টাল চালুর ভাবনাও রয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের। এই পোর্টালের মাধ্যমে কোন হাসপাতালে কতগুলি শয্যা খালি আছে, তা জানা যাবে।

    আরও পড়ুুন: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

    আগামিদিনে এই ধরনের ভাইরাস (Adenovirus) হামলা করলে বা কোনও অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি হলে, তা মোকাবিলা করতে হাসপাতালগুলি কতটা তৈরি আছে, কী কী পরিকাঠামো আছে, কোনটার অভাব আছে, তা রিপোর্ট আকারে জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিন উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের সচিব নারায়ন স্বরূপ নিগম, শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য প্রমুখ। দিনে দিনে ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus)। বিসি রায় শিশু হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও ২ শিশুর। এই নিয়ে ২ মাসে রাজ্যে মৃত্যু হল ১৫০ জন শিশুর। অ্যাডিনো আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ফের ভর্তি হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যা উদ্বেগের বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের মতে, দ্বিতীয়বার যে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক অবস্থা আরও বেশি সংকট জনক হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    Cattle Smuggling Case: গ্রেফতার কেষ্টর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি, এবার কি সুকন্যার পালা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) এবার ইডি-র জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি (Manish Kothari)। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে। সেখানেই মঙ্গলবার সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মণীশকে। এরপর সন্ধ্যার দিকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রে খবর, মণীশের বয়ানে অসঙ্গতি মিলেছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিতে চান গোয়েন্দা আধিকারিকরা। অভিযোগ, তথ্য লুকনোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। উঠেছে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ।

    মোট ১২ জনকে অনুব্রতের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা ইডির!

    সূত্রের খবর, এর আগে অনুব্রতকে হেফাজতে চাওয়ার সময় আদালতে ইডি জানিয়েছিল, অনুব্রতের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি-সহ ১২ জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। ইডি সূত্রে খবর, ওই তালিকায় সুকন্যার গাড়িচালক তুফান মির্ধা, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কৃপাময় ঘোষ, অনুব্রতর বাড়ির পরিচারক বিজয় রজক-ও রয়েছেন। এছাড়া অনুব্রতর সহায়ক অর্ক দত্ত, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধান শুভঙ্কর সাধু, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ তৃণমূলকর্মী তাপস মণ্ডল-সহ আরও বেশ কয়েক জন রয়েছেন। তার মধ্যে মঙ্গলবার মণীশকে প্রথমে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: রামনবমীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে বাংলা, জানালেন শুভেন্দু

    গ্রেফতার মণীশ কোঠারি

    গতকাল সকাল ১১ টায় শুরু হয় জেরা। চলে একটানা রাত ৮ টা পর্যন্ত।  প্রায় ৯ ঘন্টা ‘ম্যারাথন’ জেরার পরই নয়াদিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের বিশ্বস্ত হিসাবরক্ষক মনীশ কোঠারি। বুধবার কোর্টে পেশ করা হবে মণীশ কোঠারিকে। এর আগেও ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে মণীশকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, অনুব্রত, তাঁর স্ত্রী, কন্যা, আত্মীয়, ঘনিষ্ঠদের নামে বিপুল সম্পত্তি, একাধিক রাইস মিল, কোটি কোটি টাকার লেনদেন— এই সব নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। আর এবারে তাঁর তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় মণীশকে।

    সুকন্যাকেও গ্রেফতারির পথে ইডি!

    আজ, বুধবার আবার তলব করা হয়েছে অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে। অনুব্রতর মুখোমুখি বসিয়ে সুকন্যাকে জেরা করতে চায় ইডি। আবার প্রয়োজন পড়লে, অনুব্রত, তাঁর কন্য়া সুকন্য়া ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি তিন জনকে একসঙ্গে বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সুকন্যা মণ্ডল এবং তাঁর প্রয়াত মা ছবিরানী মণ্ডলের নামে ৩৪ কোটি টাকার বিপুল সম্পত্তির যে হিসেব রয়েছে ইডির কাছে সেই বিষয়টি নিয়েই সুকন্যা এবং অনুব্রতকে একসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলেছেন ইডির শীর্ষ আধিকারিকরা, এমনটাই দাবি সূত্রের। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, মঙ্গলে গ্রেফতার হলেন মণীশ, বুধে কী অপেক্ষা করছে সুকন্যার জন্য? বাবা ও বাবার হিসাবরক্ষক এবং দেহরক্ষীর পরে কী তবে এবার তাঁকেও গ্রেফতার করতে পারে ইডি?

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaustav Bagchi: পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতে কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ

    Kaustav Bagchi: পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতে কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি (Kaustav Bagchi)। ৩ মার্চ মধ্য রাতে তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। মঙ্গলবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে আদালত। বুধবার শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    কৌস্তুভ বাগচির (Kaustav Bagchi) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। তার পরেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে কিছু মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, অধীরের কন্যার আত্মহত্যা ও তাঁর গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে অনেক কথা তিনি জানেন। তিনি মুখ খুললে বিপদ হবে। এর পরেই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন কৌস্তুভ (Kaustav Bagchi)। সেই সময় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন আমলা দীপক ঘোষের একটি বইয়ের প্রসঙ্গ তুলে কৌস্তুভ মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তি আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ। কৌস্তুভের মন্তব্য প্ররোচনামূলক বলে উল্লেখ করে বড়তলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এক তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ দায়ের হয় ৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ।  

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    ওই দিন মধ্য রাতে কৌস্তুভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে হানা দেয় কলকাতার বড়তলা থানার পুলিশ। অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে পরের দিন সকালে গ্রেফতার করা হয় কংগ্রেসের এই আইনজীবী নেতাকে। গ্রেফতারির পর তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ। বিনা কারণে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেন কৌস্তুভ। ওই দিন বিকেলেই অবশ্য জামিন পান তিনি। ১০০০ টাকার বন্ডে কৌস্তুভকে জামিন দেন বিচারক। জামিন পাওয়ার পর মস্তক মুণ্ডন করেন এই কংগ্রেস নেতা। বলেন, যত দিন না মমতার সরকারকে উৎখাত করছি, ততদিন মাথায় চুল রাখব না।

    প্রসঙ্গত, ওই দিন কৌস্তুভের (Kaustav Bagchi) হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। কংগ্রেসের আইনজীবী নেতার জামিনের পক্ষে সওয়াল করে তিনি বলেন, পুলিশ মাঝরাতে বাড়ি চলে যাচ্ছে। এ বার তো বিচারকদের বাড়িও চলে যাবে। আগাম কোনও নোটিশ ছাড়াই পুলিশ কীভাবে কৌস্তুভকে গ্রেফতার করল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিকাশ। সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ মধ্যরাতে অভিযুক্তের বাড়ি গেল কীভাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • CBI: সিউড়ি থানার আইসিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    CBI: সিউড়ি থানার আইসিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মঙ্গলবার বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি শেখ মহম্মদ আলিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে সিবিআই (Cbi) ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মূলত কয়লা পাচার করার জন্য তাঁকে নিয়মিত প্রোটেকশন মানি দেওয়া হত বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কয়লা পাচারের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার মুখেও এই পুলিশ অফিসারের নাম সিবিআই (Cbi) আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন। মহম্মদবাজারের অফিসার ইন চার্জ হিসেবে থাকার সময় এই পুলিশ আধিকারিক নিয়মিত প্রোটেকশন মানি নেওয়ার পাশাপাশি  বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যেত। বিনিময়ে পাচারকারীদের   কয়লা পাচার করতে  কোনও সমস্যা হত না। কোনও সমস্যা হলেই মহম্মহ আলি মুশকিল আসান ছিলেন। মহম্মদ আলি থাকলে পাচারকারীদের কাজ করতে কোনও সমস্যা হত না বলে তদন্তকারী অফিসার জানতে পেরেছেন। কারণ, অনেকেই সে কথা তদন্তকারী অফিসারদের কাছে স্বীকার করেছে। এর আগে কয়লা পাচারে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামূল হকের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে যে সব নথি পাওয়া গিয়েছে, তাতে রাজ্যে ১০০টি থানার অফিসার ইন চার্জের নাম পাওয়া গিয়েছে। লালার নিতুড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ হাজার পাতার খাতা পাওয়া গিয়েছে, তাতে সব পুলিশ অফিসারের খুঁটিনাটি রয়েছে। প্রোটেকশন মানি হিসেবে কাকে কত টাকা দেওয়া হত তার বিস্তারিত রয়েছে। সিউড়ি থানার আইসির কাছে নিয়মিত টাকার খাম পৌঁচ্ছে যেত। লালার কাছে থেকেই সেই তথ্য তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছে।

    মহম্মদ আলি বীরভূম জেলায় কত বছর আছে জানেন? Cbi

    ২০০৫ সালে বীরভূম জেলায় মহম্মদ আলির পোস্টিং হয়। এরপর নলহাটি, কাঁকড়তলা, খয়ড়াশোল, ইলামবাজার মহম্মদবাজার থানায় তিনি ঘোরাফেরা করেছেন। মূলত যে সব রুট দিয়ে কয়লা পাচার হত, সেই সব থানায় তিনি দায়িত্বে থাকতেন। এক সময় তিনি বাম নেতাদের কাছাকাছি থাকলেও রাজ্যে পালা বদলের পর তিনি শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। মহম্মদবাজার থানায় থাকার সময় তিনি কয়লা পাচারকারীদের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেন। কয়লা পাচারকারীরা তাঁর মাধ্যমেই পুলিশের বিভিন্ন আধিকারিকদের কাছে টাকা পৌঁচ্ছে দিত। শুধু তাই নয়, যে সব থানা দিয়ে কয়লার গাড়ি যেত সেখানকার প্রোটেকশন মানিও তাঁর হাত দিয়ে যেত বলে (Cbi) সিবিআই তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কারণ, যারা নিয়মিত এই টাকা মহম্মদ আলিকে দিত তারা তদন্তকারী অফিসারের কাছে সে কথা স্বীকার করেছেন। কয়লা পাচারকারীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি শাসক দলের দাপুটে নেতাদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। বীরভূমের এক প্রভাবশালী নেতার কাছে তিনি নিয়মিত যেতেন বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। এক সময় প্রায় নিয়মিত সেই নেতার বাড়ি গিয়ে কী করতেন তা তদন্তকারী অফিসাররা জানার চেষ্টা করছেন। সিউড়ি থানার আইসি হিসেবে থাকলেও নলহাটি, মহম্মদবাজারসহ একাধিক থানা তিনি নিয়ন্ত্রণ করতেন। জেলার এক উচ্চ পদস্থ কর্তার সঙ্গে তাঁর এতটাই সখ্যতা ছিল যে জেলার বিভিন্ন থানায় কে কোথায় অফিসার হবেন তা তিনি ঠিক করতেন। তদন্তকারীরা আধিকারিকরা এই সব তথ্য কতটা সত্যি তা যাচাই করে দেখছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share