Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bonny Sengupta: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    Bonny Sengupta: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে পড়লেন টলিউড অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)। সংবাদমাধ্যমকে তাঁর বিষয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষ। বৃহস্পতিবার আদালত থেকে বেরোনোর পথে হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ বলেন, “বনি পাঁচ বছর কাজ করেছে আমার ইভেন্টে। তারই পারিশ্রমিক।” সেই কাজ কী? অভিনয় না কি অন্য কিছু, তা স্পষ্ট করেননি কুন্তল। তবে কুন্তলের দাবি, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে বনির কাছে যে টাকা গিয়েছে তা নিছকই ‘পারিশ্রমিক’। অর্থাৎ, কাজের বিনিময়ে সেই টাকা পেয়েছেন টলিউড অভিনেতা।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি 

    বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা্র শুনানি ছিল। শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কুন্তল। বনিকে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta) তলব করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডাকে সাড়া দিয়ে নির্ধারিত দিনের একদিন আগেই, আজ ইডির মুখোমুখি হয়েছেন বনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বনির নাম সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। 

    প্রায় একই সময়ে কুন্তল আদালতে এবং বনি (Bonny Sengupta) সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। কুন্তলের অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে কেন, সেই প্রশ্নের জবাব পেতেই বনিকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। 

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বনি (Bonny Sengupta) বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিজেপির হয়ে প্রচারও করেছিলেন। কিন্তু এক বছর কাটতে না কাটতেই বিজেপির সদস্যপদ ছেড়ে দেন।  কুন্তলের দাবি অনুযায়ী, বিজেপিতে যোগ দিলেও তৃণমূলের নেতার সঙ্গে ‘কাজের’ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন বনি। উল্লেখ্য বনি বিজেপিতে যোগ দিলেও তাঁর প্রেমিকা টলিউড অভিনেত্রী কৌশানি বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেন।

    এদিকে একই মামলায় ইডি স্ক্যানারে রয়েছেন টলিউডের চার অভিনেত্রী। তাঁদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এখনই তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। এখন তাঁদের ডেকেও পাঠানো হবে না। খোঁজখবর নিয়ে ডেকে পাঠিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন হলে, তা হলে তাঁদেরও বনি সেনগুপ্তের মতোই নোটিস পাঠানো হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     
      

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে অ্যাডিনো সংক্রমণ নিয়ে বিবৃতি দাবি শুভেন্দুর, বিধানসভায় বিক্ষোভ

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে অ্যাডিনো সংক্রমণ নিয়ে বিবৃতি দাবি শুভেন্দুর, বিধানসভায় বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্রমেই বাড়ছে অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adeno Virus) শিশু বলির সংখ্যা। তার পরেও তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমতাবস্থায় রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সরকার পক্ষের বিবৃতি দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্য সরকারের তরফে উপযুক্ত জবাব না পেয়ে অধিবেশন চলাকালীনই বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ পদ্ম শিবিরের অভিযোগ…

    পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, রাজ্যের স্বাস্থ্য কাঠামো ভেঙে পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিবৃতি দেওয়ার পরেও অ্যাডিনো ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে একের পর এক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে কীভাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গেরুয়া বিধায়করা। অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ার পরেও বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে একের পর এক শিশুমৃত্যু নিয়ে বিবৃতি দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। পরে বিষয়টি নিয়ে তোপ দাগেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    বিজেপির (Suvendu Adhikari) আরও দাবি, অ্যাডিনো ভাইরাসে শিশু মৃত্যুর বিষয়টি কেবল উদ্বেগজনক নয়, এটি সারা রাজ্যের মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। তাই এরকম সময় এটি নিয়ে আলোচনা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, তাতে সব কিছুই আড়াল করা হয়েছে। ভাইরাসে শিশু মৃত্যুর বিষয়টিকে তিনি কো-মর্বিডিটি বলে আড়াল করেছেন। এর পরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে বিবৃতি দিতে বলেন বিজেপি বিধায়করা। এই সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, বিষয়টি নিয়ে আগেই বিবৃতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আর নতুন করে বিবৃতি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুুন: অ্যাডিনো আতঙ্কের মধ্যেই ফের ৩ শিশুর মৃত্যু, বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগ

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন বিধানসভায় বিবৃতি দেন, সেদিন বিধানসভায় ছিলেন না বিজেপি বিধায়করা (Suvendu Adhikari)। এ প্রসঙ্গে পদ্ম শিবিরের তরফে বলা হয়, তুঘলকি আচরণ করবেন বিধানসভায়, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য করা হয়েছে। আর অর্থবিল আর অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিলে কীভাবে শিশুমৃত্যু নিয়ে বিবৃতি দেওয়া সম্ভব, তা একমাত্র মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীই বলতে পারেন। প্রসঙ্গত, বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দু মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২৯ জন শিশুর। সকলের শরীরে অবশ্য অ্যাডিনো ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Suvendu Adhikari: “২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই”, বনি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই”, বনি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়াল টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর (Bonny Sengupta)। চলতি সপ্তাহেই তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তবে তলবের একদিন আগেই হাজিরা দিলেন তিনি। তলব করা হয়েছিল শুক্রবার। তার একদিন আগেই ইডির দফতরে হাজির হলেন বাংলা সিনেমার অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। তলবে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরেই তিনি পৌঁছলেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে। আর বনির প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাফ জানালেন, ভোটের সময় বিজেপিতে এসেছিলেন বনি সেনগুপ্ত। গত দুবছর পার্টির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই তাঁর। তিনি যদি টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁকেই এটা দেখতে হবে। এরসঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।

    কী সম্পর্ক রয়েছে বিজেপির সঙ্গে বনির?

    ২০২১-এ রাজ্যের ‘হাই ভোল্টেজ’ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে রাজনৈতিক দলের পতাকা হাতে নিয়ে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)। মা পিয়া সেনগুপ্ত তৃণমূলের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন বনি। উল্লেখ্য, ২০২১-এ বিজেপিতে যোগ দেওয়া বনি, দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার কথা তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন ২০২২-সালেই। তাঁর বক্তব্য ছিল, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি, তাই এক বছরেই মোহভঙ্গ। এবারে বিজেপির সঙ্গে অভিনেতার আর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) ।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলবের একদিন আগেই ইডি দফতরে হাজিরা

    বিরোধী দলনেতা কী বললেন?

    এদিন যখন সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছেও গিয়েছেন বনি, অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) সংবাদমাধ্যমে বনিকে নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “বনি যদি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে তাকেই ব্যক্তিগতভাবে তার জবাব দিতে হবে। বিজেপি এইসব ‘অ্যালাউ’ করে না। ভোটের সময় ওরকম অনেক তারকারাই দলে যোগ দেন। ২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই।”

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের দেওয়া নথিতে বনি সেনগুপ্তের নামও রয়েছে। সে বিষয় নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করতে বনিকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বনির কয়েকজন এজেন্টকেও তলব করা হয়েছে বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘অনুব্রত মণ্ডল সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘অনুব্রত মণ্ডল সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র’, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) হল সিপিআইএম (CPM) নেতা সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র। বুধবার নদিয়ার মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জিজ্ঞাসাবাদ করতে বিস্তর টানাপোড়েনের পর তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছেন ইডি-র আধিকারিকরা। সেই প্রসঙ্গেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির অধ্যাপক নেতা বলেন, অনুব্রত মণ্ডল হচ্ছে সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষদের ভাল ছাত্র। সুশান্ত ঘোষরা এক সময় এরকম ফাঁকা আওয়াজ দিত। যেটা এখন অনুব্রত দেয়। সঙ্গে আছে চড়াম চড়াম গুড় বাতাসা।

    সিপিএমকে কটাক্ষ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)…

    তিনি বলেন, সিপিএম নেতাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েই অনুব্রত বলতো বোম মারব, গুলি মারব। অনুব্রত সিপিআইএমের স্কুল থেকেই পড়া ও পাশ করা। সিপিআইএমের কাছ থেকেই এমন কথার সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন। যদি তিনি মুখ খোলেন তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসে ভূমিকম্প হবে। ধপাস করে দলটাই পড়ে যাবে। এদিন বামেদেরও নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, অনুব্রতর তিহার যাত্রা নিয়ে সিপিএমের গর্ব হওয়া উচিত যে তারা দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি অথচ তাদের ছাত্র দিল্লি পৌঁছে গেছে। তিহার জেলে তিন ভাই এক সঙ্গে থাকবে। তাদের দেখা হবে। ভারত মেলাও হবে তাদের। বহু দিন তারা আলাদা ছিল, এখন গরু দিয়ে কলা দিয়ে একই সূত্রে বাঁধা হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা শহিদ মিনারের নীচে যে অনশন, অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, সে প্রসঙ্গে এদিন সব চেয়ে বেশি সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা ডিএ দিতে পারব বলছি তো। আমাদের পাঁচ-দশ বছর সময় দিলে আমরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেব। আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকে ডিএ দিতে পারব না বলে উনি অপদার্থতার নজির সৃষ্টি করেছন। সুকান্ত বলেন, সেই অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ছয় দিনে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত! আর কী কী তথ্য ইডির হাতে?

    Anubrata Mondal: ছয় দিনে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত! আর কী কী তথ্য ইডির হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ছয় দিনে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন বলে দাবি ইডির।  শুধু তাই নয়, বীরভূমের (Birbhum News) তৃণমূল (TMC) সভাপতি অনুব্রত, এই পুরো লেনদেনই নগদে সারেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। গরু পাচার মামলায় (cattle Smuggling Case) আপাতত দিল্লিতে অনুব্রত (Anubrata Mondal)।

    এত টাকার উৎস কোথায়

    ইডি সূত্রে খবর , গরুপাচার করে যে টাকা উঠেছে, সেই টাকা কার কার, কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে গিয়েছে সেই প্রশ্নের সামনে পড়তে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। এছাড়াও ২০১৪ ও ২০১৬-তে পরিবার ও নিজের সম্পত্তি বৃদ্ধিতে টাকার উৎস নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সালের ১০ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে, ছয় দিনে সাড়ে ৬ কোটির সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত। সেই লেনদেনের বেশ কিছু নথিও ইডির হাতে এসেছে। ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, বোলপুরের কালিকাপুর মৌজায় কেনা হয়েছিল ওই সমস্ত জমি। কিন্তু নগদে এত টাকা কোথা থেকে এল, প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ইডি-ও। তদন্তকারীদের দাবি, ভোলে ব্যোম চালকলকে সামনে রেখে স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে ওই সমস্ত জমি কেনেন অনুব্রত। নিজের নামেও কেনেন জমি। 

    আরও পড়ুন: প্রশ্নবাণে চোখ ছলছল! ইডির জেরায় ভেঙে পড়লেন কেষ্ট মণ্ডল

    গরুপাচারের থেকে পাওয়া টাকাতেই অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং পরিবারের সম্পত্তি বৃদ্ধি বলে দাবি করে আসছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পরে সেইসব অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও ইডির আরও অভিযোগ ডিডে বাজার মূল্যের থেকে এইসব জমির কম মূল্য দেখানো হয়েছে। ২৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তিকে ৮ লক্ষ টাকা দেখানো হয়েছে বলে দাবি ইডির। সূত্রের খবর, অনুব্রতর কাছ থেকে মূলত টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইছে ইডি। কয়েক বছরের মধ্যে কী ভাবে রকেটের গতিতে অনুব্রতর(Anubrata Mondal) সম্পত্তি বেড়েছে, টাকা কোথা থেকে এসেছে, রাজনৈতিক নেতা অনুব্রতর রোজগারই বা কী, এসবই জানতে চাইছেন ইডি-র তদন্তকারীরা।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী অনুব্রত মণ্ডল নাকি জানিয়েছেন, তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না। এব্যাপারে ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না অনুব্রত মণ্ডল। বিষয়টি আদালতেও জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: অ্যাডিনো আতঙ্কের মধ্যেই ফের ৩ শিশুর মৃত্যু, বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগ

    Adenovirus: অ্যাডিনো আতঙ্কের মধ্যেই ফের ৩ শিশুর মৃত্যু, বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adenovirus) ফলে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। রাজ্যে ফের তিন শিশুর মৃত্যু হল। এর মধ্যে কলকাতার বিসি রায় হাসপাতালে ভর্তি ছিল দুই শিশু। বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর। অন্য শিশুটি মারা যায় সকালে। শিশু দু’টির মৃত্যুর শংসাপত্রে কারণ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে নিউমোনিয়ার। শিশু দু’টি অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল কিনা, এখনও তা জানা যায়নি। কারণ এখনও পর্যন্ত অ্যাডিনো রিপোর্ট আসেনি। আর এক জন মারা গিয়েছে কলকাতা মেডিক্যালে। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই শিশুরও মৃত্যুর কারণ জানতে নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    মেডিক্যাল কলেজ ও বিসি রায় হাসপাতালে শিশুমৃত্যু

    মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর, বুধবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ যে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে, তার বয়স এক বছর দু’মাস। বাড়ি ফুলিয়ায়। কৃষ্ণনগর থেকে তাকে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। শিশুটির নিউমোনিয়া এবং শ্বাসকষ্টের উপসর্গ ছিল (Adenovirus)।

    আরও পড়ুন: ক্রিকেটীয় পিচে কূটনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    অন্য দিকে, বিসি রায় হাসপাতালের শিশুটির বয়স ছিল ৯ মাস। তারও জ্বর-সর্দিকাশি ছিল। রাজারহাটের বাসিন্দা এই শিশুটির মৃত্যুর কারণও অ্যাডিনোভাইরাস সংক্রমণ কি না জানা যায়নি। আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত রবিবার এই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফুলবাগান এলাকার বাসিন্দা সে। বয়স ছিল মাত্র ন’মাস। শিশুটির জ্বর এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চলছিল চিকিৎসা। তার ফুসফুসের অবস্থা খারাপ ছিল। ছিল নিউমোনিয়াও। এখনও অ্যাডিনো পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ মারা যায় শিশুটি (Adenovirus)।

    বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই নিয়ে দু’মাসে রাজ্যে মৃত্যু হল ১২৯ জন শিশুর। অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adenovirus) আতঙ্কের মধ্যেই হাওড়ার শ্যামপুরের একটি পরিবারের অভিযোগ, ১০ ঘণ্টা কার্যত বিনা চিকিৎসায় পড়েছিল তাদের চার বছরের শিশু। প্রথমে আইসিইউ নেই বলে বন্ডে সই করানো হয়। অভিযোগ, এরপর শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভর্তি করা হয় আইসিইউ-তে। তাঁরা প্রশ্ন করেন, আইসিইউ খালি থাকা সত্ত্বেও প্রথমে বন্ড সই করানো হল কেন? একইসঙ্গে শিশুর পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের তরফে থার্মোমিটারও কিনে আনতে বলা হয়। বিসি রায় হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শিশুর পরিবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    DA: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ ধর্মঘটে সরকারি কর্মীরা, সেদিনই মাধ্যমিকের উত্তরপত্র বিলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ফেব্রুয়ারি মাসে দু দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারিরা। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তার জেরে ১০ মার্চ রাজ্য জুড়ে ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩৬টি সরকারি কর্মচারি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ। প্রস্তাবিত এই ধর্মঘট (Strike) নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনার পারদ।

    ধর্মঘটের দাবিতে অনড়…

    বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মচারিরা। পৃথা বিশ্বাস নামে এক শিক্ষিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, আমি চাই আগামী ১০ই মার্চ ধর্মঘট করার জন্য সরকার বাহাদুর থুড়ি বাহাদুরানি আমার এক দিনের বেতন কাটুন, চাকরি জীবনের একটি দিন কাটুন। কারণ আমি চাই আমার সার্ভিস বুকে লেখা থাকুক দেশজুড়ে ধর্মীয় বিভাজনকেই রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছি, যোগ্যতা রাস্তায় ধর্না দিচ্ছে, আর বুক ফুলিয়ে টাকার বিনিময়ে চাকরি কেনাবেচা চলছে। এই বেনিয়মকে আমি ধিক্কার জানিয়েছি…।

    ধর্মঘট বানচাল করার ছক?

    এদিকে, ১০ মার্চ প্রশাসনিক ধর্মঘটের দিন থেকেই শুরু হচ্ছে উত্তরপত্র বিলি। সেই পরিস্থিতিতে নির্ঝঞ্জাটভাবে উত্তরপত্র বিলি করার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হল। বুধবার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ১০, ১১, ১৩, ১৪ ও ১৯ মার্চ উত্তর পত্র বিলি করা হবে। পড়ুয়া ও সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজকর্ম যে জরুরি এবং বাধ্যতামূলক, তা পর্ষদের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।মূল পরীক্ষকদের উদ্দেশে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, তাতে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে পড়ুয়া ও বৃহত্তর সমাজের স্বার্থে মাধ্যমিক পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও কাজ অত্যন্ত জরুরি এবং বাধ্যতামূলক।

    বিধানসভা অভিযানের ডাক…

    এদিকে, এদিনই বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছে এসএফআইয়ের পশ্চিমবঙ্গ শাখা। ছাত্র ফেরাও, স্কুল বাঁচাও, ছাত্রভোট ফেরাও, কলেজ বিশ্ববিদ্যায় বাঁচাও এই স্লোগান সামনে রেখে এদিন বিধানসভা অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের তরফে সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, ১০ মার্চ বেলা ১২টার সময় শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ছাত্র মিছিল রাজ্যের বিধানসভা অভিমুখে যাবে। আমরা রাজ্যের ছাত্র সমাজকে আগামী ১০ মার্চ বিধানসভা অভিযানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি

    Santanu Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের শান্তনুকে তলব করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের  হুগলির যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার শান্তনুকে (Santanu Banerjee) তলব করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির আরও এক তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর বেশ কয়েকবার শান্তনুকে জেরা করেছে ইডি। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে শান্তনুকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। শান্তনুর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নথিও চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, শুক্রবার সেই বিষয় জিজ্ঞেস করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা।  

    গত জানুয়ারি মাসে শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ইডির তরফে জানা গিয়েছে, শান্তনুর বাড়ি থেকে ৩০০ প্রার্থীর তালিকা পাওয়া গিয়েছে, সেই বিষয়ে তাঁকে আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। শুক্রবার আবার এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইডি-র আধিকারিকেরা। শান্তনু (Santanu Banerjee) ছাড়াও একই দিনে কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ইডি এবং সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষের নিউটাউনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায়। কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না তা জানতে চাইছে ইডি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলব করল ইডি  

    হুগলির বলাগড়ের অন্য এক যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পরেই শান্তনুর (Santanu Banerjee) নাম প্রকাশ্যে আসে। যদিও কুন্তল আধিকারিকদের জানিয়েছেন তিনি শান্তনুকে চেনেন না। তবে ইডি গোয়েন্দাদের সন্দেহ, ২০১৪ সাল থেকেই নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত রয়েছেন কুন্তল এবং শান্তনু। শর্ট ফিল্ম বানানোর একটি সংস্থায় কুন্তল এবং শান্তনুর স্ত্রীর অংশীদারিত্ব ছিল বলে ইডি সূত্রে খবর।

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডি-র নজরে ৭৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ইডি-র দাবি, যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই সমস্ত অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে। ২০১৭-র শেষ থেকে ২০১৯, নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সরাতে এই ৭৫টি অ্যাকাউন্টকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছে ইডি (Santanu Banerjee)। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোথায় কোথায় টাকা গিয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এর মধ্যে কুন্তলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫০ লক্ষের বেশি টাকা গিয়েছিল বান্ধবী সোমা চক্রবর্তীর অ্যাকাউন্টে। ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদে কুন্তলের থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন সোমা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব আমরা’, নদিয়ায় আশ্বাস সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেয়ারটা ছেড়ে দিন, আমরা এসে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) মিটিয়ে দেব। বুধবার নদিয়ায় এসে এ কথা বললেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন হোলি উপলক্ষে মায়াপুরে ইস্কন মন্দিরে এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানেই ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন বিজেপির অধ্যাপক নেতা। সুকান্ত বলেন, মুণ্ড কাটার প্রয়োজন নেই, চেয়ারটা ছেড়ে দিন, আমরা এসে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মিটিয়ে দেব। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অপদার্থ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    অনুব্রত প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল প্রসঙ্গেও তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন সুকান্ত। তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন। যদি তিনি মুখ খোলেন তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসে ভূমিকম্প হবে। ধপাস করে দলটাই পড়ে যাবে। আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির প্রসঙ্গেও রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, তাঁকে (নওশাদ সিদ্দিকি) পুলিশ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে সেই ভুল বুঝতে পেরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে তৃণমূল সরকার।

    সম্প্রতি ভাঙড়ের পর নদিয়ার কালীগঞ্জে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, এখন দুয়ারে বোমা, দুয়ারে গুলি প্রকল্প চলছে রাজ্যের শাসক দলে। যা তৃণমূলেরই সংস্কৃতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, শাসক দলের হার্মাদ বাহিনী ও নেতানেত্রীরা তৎকালীন রাজ্যের শাসক দল সিপিএম নেতাদের ছাত্র ছিল। তিনি বলেন, সিপিএম নেতাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েই অনুব্রত মণ্ডলদের মতো অন্য তৃণমূল নেতারা বোমা মারব, গুলি মার বলে মানুষকে হুমকি দেয়। সিপিএম স্কুল থেকেই পাশ করে আজকের তৃণমূল নেতা তৈরি হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: প্রশ্নবাণে চোখ ছলছল! ইডির জেরায় ভেঙে পড়লেন কেষ্ট মণ্ডল

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা শহিদ মিনারের নীচে যে অনশন, অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, সে প্রসঙ্গে এদিন সব চেয়ে বেশি সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা ডিএ দিতে পারব বলছি তো। আমাদের পাঁচ-দশ বছর সময় দিলে আমরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেব। আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকে ডিএ দিতে পারব না বলে উনি অপদার্থতার নজির সৃষ্টি করেছন। সুকান্ত বলেন, সেই অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে শাসকদলকে তোপ সুকান্তর…

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, আপনি লক্ষ্মীর ঝাঁপি খুলে চাকরির ঝাঁপি বন্ধ করে দেবেন, এটা হতে পারে না। আমরা আগেই বলেছি ত্রাণ নয়, পরিত্রাণ চাই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কার্যত ত্রাণ দেওয়ায় পরিণত হয়েছে। এই ত্রাণ দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। একমাত্র চাকরিই স্থায়ী সমাধান হতে পারে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যখন মানুষের বাড়ি বাড়ি যাবেন তখন মানুষই যেন সেই তাঁদের জিজ্ঞেস করেন যে, তাঁরা ক’টা চাকরির টাকা খেয়েছেন। কারণ এটা সাধারণ মানুষের জানা দরকার, যে নেতা তাঁর বাড়ি গিয়েছেন তিনি কতগুলো চাকরি বিক্রি করতে পেরেছিলেন৷

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Bonny Sengupta: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলবের একদিন আগেই ইডি দফতরে হাজিরা

    Bonny Sengupta: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলবের একদিন আগেই ইডি দফতরে হাজিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়ে পড়ল টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের (Bonny Sengupta) নাম। চলতি সপ্তাহেই তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তলবের একদিন আগেই হাজিরা দিলেন তিনি। তলব করা হয়েছিল শুক্রবার। তার একদিন আগেই ইডির দফতরে হাজির হলেন বাংলা সিনেমার অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। তলবে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরেই তিনি পৌঁছলেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে।

    ইডি সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের দেওয়া নথিতে বনি সেনগুপ্তের (Bonny Sengupta) নামও রয়েছে। সে বিষয় নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করতে বনিকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বনির কয়েকজন এজেন্টকেও তলব করা হয়েছে বলে খবর। 

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা তুলেছেন তিনি, এই অভিযোগে কুন্তলকে গ্রেফতার করে ইডি। যদিও তিনি বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তিনি কোনও টাকা নেননি। তাঁকে ফাঁসিয়েছেন তাপস মণ্ডল। কুন্তলের বিরুদ্ধে স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আর এক অভিযুক্ত তাপস মণ্ডল। তারপরই কুন্তলের বিরুদ্ধে তৎপর হয় সিবিআই-ইডি। 

    আরও পড়ুন: চলে গেলেন ‘ক্যালেন্ডার’! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেতা সতীশ কৌশিক

    নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে তদন্তকারীদের আতশকাচের নীচে রয়েছেন এক অভিনেত্রীও (Bonny Sengupta)। চলতি সপ্তাহে কুন্তলের কয়েকজন এজেন্টকেও তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

    এদিকে একই মামলায় হুগলির যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর একাধিক বার শান্তনুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে জেরা করা হয়েছিল তাঁকে। তাঁর কাছ থেকে সম্পত্তির নথিও চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কুন্তলের সঙ্গে শান্তনুর টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, শুক্রবার সেই বিষয়েও ইডির আধিকারিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন হুগলির যুবনেতাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

LinkedIn
Share