Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • ED: রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়ছে! কলকাতায় নয়া দফতর নিচ্ছে ইডি

    ED: রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়ছে! কলকাতায় নয়া দফতর নিচ্ছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মামলার চাপ। বাড়ছে কর্মীর সংখ্যাও। তাই এবার সল্টলেকের ডিএফ ব্লকে সিজিও কমপ্লেক্সেই (CGO Complex) নতুন অফিস নিচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। আগামী দিনে এ রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়তে পারে। তাই কলকাতায় নয়া দফতর চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইডি।

    নয়া দফতর

    সূত্রের খবর, কলকাতায় বিভিন্ন মামলায় ইডির তদন্তের অগ্রগতি এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য শহরে পা দিয়েছেন ইডি অধিকর্তা সঞ্জয় মিশ্র। তাঁর উপস্থিতিতেই নতুন অফিসের হস্তান্তর হবে। সিজিও কমপ্লেক্সে তৃতীয় এমএসও বিল্ডিংয়ের সাত তলায় নতুন অফিস খুলছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই ভবনের সাত তলার একটি উইংজুড়ে রয়েছে ইডির অফিস।

    জায়গার অভাব

    ২০১৯ সালে তদন্ত এবং বাকি কাজ মসৃণ করতে কলকাতার দফতরকে দুটি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের নেতৃত্বে একজন যুগ্ম অধিকর্তা পদমর্যাদার আধিকারিক। তাদের মাথায় গোটা কলকাতা দফতরের কাজ দেখার জন্য রয়েছেন স্পেশ্যাল ডিরেক্টর। দুটি জোন ভাগ করার পর ধাপে ধাপে তদন্তকারীআধিকারিকদের সংখ্যা বেড়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বিভিন্ন পদে অধস্তন কর্মীদের সংখ্যাও। কিন্তু বাড়েনি অফিসের জায়গা। এর ফলে বিভিন্ন সময়ে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন আধিকারিকরা। এক সঙ্গে বেশি অভিযুক্তদের রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যাবস্থাও নেই বর্তমান অফিসে। সম্প্রতি মামলার চাপ বাড়তে থাকায় তদন্ত সংক্রান্ত বিপুল নথি রাখা নিয়েও সমস্যায় পড়ছেন আধিকারিকরা। তাই নতুন অফিস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    কড়া নিরাপত্তা

    নয়া দফতরের সঙ্গে সঙ্গেই পুরনো অফিসে নজরদারিও বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইতিমধ্যেই বর্তমানে দুটি অফিস সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। মোট ৪৪ টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিটি ক্যামেরার নাইট ভিশন রয়েছে। ১০ মিটার পর্যন্ত স্পষ্ট ছবি তুলতে পারে এই ক্যামেরাগুলো। দুঘণ্টার পাওয়ার ব্যাক আপ সহ ৩২ চ্যানেলের নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার কেনা হয়েছে। ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য উন্নত মানের সিসি ক্যামেরাগুলি ১৮ মাস পর্যন্ত সমস্ত তথ্য মজুত করে রাখাতে পারবে। ইডি সূত্রের খবর, তৃতীয় অফিসও সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হবে। অভিযুক্তদের রাখতে তৈরি করা হবে নতুন লকআপও, যাতে একসঙ্গে একাধিক হাই প্রোফাইল অফিযুক্তকে রাখতে কোনও সমস্যা না হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI ED: কলকাতায় ইডি এবং সিবিআইয়ের দুই শীর্ষ কর্তা, বড় কিছু ঘটতে চলেছে কি?

    CBI ED: কলকাতায় ইডি এবং সিবিআইয়ের দুই শীর্ষ কর্তা, বড় কিছু ঘটতে চলেছে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ইডি এবং সিবিআইয়ের (CBI ED) দুই শীর্ষ কর্তা। শুক্রবার শহরে এসেছেন ইডির ডিরেক্টর সঞ্জয় মিশ্র এবং সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তা একই সঙ্গে শহরে হাজির হওয়ায় ছড়িয়েছে নানা জল্পনা।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় তদন্ত করছে ইডি এবং সিবিআই। ওই দুর্নীতির নাটের গুরুকে খুঁজতে তদন্তে নামেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তদন্তে এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের জেরা করে জানা গিয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও। বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর নামও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল, নীলাদ্রি ঘোষকে। সম্প্রতি উঠে এসেছে রহস্যময়ী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম। তিনি গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বারংবার হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়েছে ইডি এবং সিবিআই (CBI ED)। কখনও বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কখনও আবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নিশানা হয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চন্দন মণ্ডল গ্রেফতারির পর কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ওঠে বাগদার রঞ্জনের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ। তখনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাগদার রঞ্জন গ্রেফতার হয়ে আর কী হবে? কিছুই হবে না। কিছুদিন আগেই আদালত সিবিআইকে প্রশ্ন করে, নিয়োগ দুর্নীতিতে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? নবম-দশমে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি বসু বলেন, বারবার আদালতকে বলে দিতে হচ্ছে, সিবিআই এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন কীভাবে কাজ করবে। তার পরেই বিচারপতি সিবিআইকে নির্দেশ দেন, তদন্ত তাড়াতাড়ি শেষ করুন। মামলা ঝুলে থাকলে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে না। শূন্যপদ থেকে যাবে।

    আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI ED) বলেন, রামকৃষ্ণের কথা শুনেছেন? ভক্ত এবং ভগবানের মাঝে কে থাকেন, জানেন ? গুরু থাকেন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এ সবের জেরেই কলকাতায় এসেছেন দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুই শীর্ষ আধিকারিক। সূত্রের খবর, তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলবেন সঞ্জয় ও অজয়। ধৃতদের জেরায় কোন কোন প্রভাবশালীর নাম উঠে এসেছে, তা নিয়েও কথা বলতে পারেন দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Recruitment Scam: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    Recruitment Scam: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত সময় যাচ্ছে, ততই প্রকাশ্যে আসছে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (Recruitment Scam) নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনের বিভিন্ন টুকরো। 

    বৃহস্পতিবার কুন্তল দাবি করেন, গোপাল দলপতির স্ত্রী হলেন হৈমন্তী। পেশায় মডেল। হুগলির যুব তৃণমূল নেতার দাবি, সব টাকা নাকি আছে হৈমন্তীর কাছে। শুক্রবার জানা যায়, হৈমন্তীর বাড়ি হাওড়ায়। বাকসাড়া রোডের সেই বাড়ির সামনে শুক্রবার সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য। জানা গিয়েছে, এখান থেকে মডেল-অভিনেত্রী হিসেবে হৈমন্তীর উত্থান প্রায় উল্কার গতিতে। তাই সকাল থেকে সকলের নজরে তাঁর এই বাড়িই। সকলেরই মনে কৌতূহল, কী করতেন হৈমন্তী? 

    জানা গিয়েছে, মডেলিংয়ে হাতেখড়ি হওয়ার পর হৈমন্তী অভিনেত্রী হিসেবে টলিউডে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টায় ছিলেন। বছর আটেক আগে গোপাল দলপতির সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। তারপর ঘনিষ্ঠতা, সেখান থেকে প্রেম, বিয়ে। হৈমন্তীর বাপের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, গোপাল দলপতির সঙ্গে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন হৈমন্তী। কিন্তু পরে ডিভোর্স হয়ে যায়। এমনটাই জানিয়েছে তাঁর পরিবার।  তবে সিবিআই সূত্রে খবর, গোপালের সঙ্গে লিভ-ইন করতেন হৈমন্তী। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    হৈমন্তীর টলিপাড়ায় যোগ

    যতদূর জানা যাচ্ছে, পেশায় হৈমন্তী একজন মডেল। মডেলিং সহ দু’একটি অনামি সিনেমাতেও অভিনয় করেন হৈমন্তী। হৈমন্তীর টলিউড যোগ নিয়েও তথ্য মিলেছে। মডেলিং ছাড়াও বেশ কিছু ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন গোপাল ওরফে আরমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে ‘জাল’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, দোলন রায় দের সঙ্গে ও অভিনয় জীবনে কাজ করেন হৈমন্তী। এই সিনেমায় সমীর কুমার পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। হাওড়ার লোহার ব্যবসায়ী এই ব্যক্তি আবার হৈমন্তীরই পরিচিত বলে জানা যাচ্ছে।

    এছাড়া, শোনা যায়, বাংলা ছবি ‘অচেনা উত্তম’-এ অভিনয় করেছিলেন হৈমন্তী। নার্সের চরিত্রের জন্য তাঁকে ভাবা হয়েছিল এই সিনেমায়। কিন্তু পরে এই সিনেমা নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হওয়ায় তা আর হয়ে ওঠেনি। বাড়ির পাশের ডাস্টবিন থেকে নাকি একটি চিত্রনাট্যও (Script) পাওয়া গিয়েছে, যেখানে হৈমন্তীর চরিত্র সম্পর্কে লেখা। হৈমন্তী অভিনীত আরও একটি ছবি ‘আনটোল্ড লাভ’, একটি ছোট চরিত্রে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায় সেখানে।

    হৈমন্তীর টাকার উৎস কী?

    এদিকে, হৈমন্তী সম্প্রতি বেহালায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। মুম্বইয়ে কাজ খুঁজছিলেন। তবে সামান্য কাজ করে কীভাবে বেহালার মতো জায়গায় ফ্ল্যাট কিনলেন তিনি, টাকার উৎস কী, সেসব প্রশ্ন উঠছেই। কুন্তলের দাবি অনুযায়ী, গোপাল দলপতির কাছে নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা গিয়েছে। সেই টাকা মুম্বাইয়ে গোপাল দলপতির স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের কোম্পানির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে।

    এখন হৈমন্তী কোথায়, কেউ জানেন না। তাঁর খোঁজ চলছে। তাঁকে পাওয়া গেলে অনেক রহস্যের জট কাটবে বলে আশা করছেন তদন্তকারীরা। 

  • Sukanta Majumdar: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু তার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস! আজ ছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন। এদিন ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শেষের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষার প্রশ্ন ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ট্যুইট করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই প্রশ্নপত্রের ছবি। পরীক্ষা শেষের আগেই কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই প্রশ্ন এল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। এ বিষয় খতিয়ে দেখার কথাও বলেছেন তিনি। শুক্রবার সকাল থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    শুক্রবার মাধ্যমিকের দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা চলাকালীনই ট্যুইটারে ‘ইংরেজি প্রশ্নপত্রের’ ৩টি পাতার ছবি পোস্ট করেন তিনি। সুকান্তের পোস্ট করা প্রশ্নপত্রের ছবি দেখে পরীক্ষা দিয়ে বেরোনোর পর কয়েক জন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী জানিয়েছে, এটি এ বারের ১৬ পাতার ইংরেজি প্রশ্নপত্রেরই ৩টি পাতা। পরীক্ষা চলাকালীন দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে ট্যুইটারে সুকান্ত লেখেন, ‘‘আজ মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষা। সকল পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাই। যদিও আজ সকাল থেকেই এ বারের মাধ্যমিক পরিক্ষার ইংরেজি প্রশ্নপত্র বলে এই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিছু সময়ের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কি না তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।”

    সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমে বলেন, “আমার কাছে ১২টা ৪৮ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপে এই প্রশ্নপত্র এসে যায়। ফলে এটি যে প্রশ্নপত্র ফাঁস, তা নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই।” এর পরেই তাঁর মন্তব্য,  “যদি বলা হয়ে থাকে, কোনও পরীক্ষার্থী ভিতর থেকে ছবি তুলে বার করেছে তবে তা তো মধ্যশিক্ষা পর্ষদেরই দেখা উচিত। কী করে সেটা সম্ভব হল? মাধ্যমিক পরীক্ষার হলে তো মোবাইল নিয়ে ঢোকার নিয়ম নেই।” অনেকে আবার সুকান্তের ট্যুইট করায় এতে বিধিভঙ্গ হয়েছে বলে অভিযোগ করলে তিনি দাবি করেন ১২টা ৪৮-এ প্রশ্নপত্র পেলেও দেড়টার পরে যেহেতু পরীক্ষার্থীরা বাইরে আসতে পারেন, তাই সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করে তিনি ট্যুইট করেছেন।

    ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস’ কাণ্ড ঘিরে একাধিক প্রশ্ন

    প্রশ্ন উঠছে, পরীক্ষার শেষেও পরীক্ষার্থীদের এই প্রশ্নপত্র বাইরে আনার নিয়ম নেই। প্রশ্নপত্রেই উত্তর লিখতে হয়। ফলে সুকান্ত কী ভাবে ‘প্রশ্নপত্র’ পেলেন? আবার সুকান্তর পোস্ট করার ‘প্রশ্নপত্রের’ পাতার ছবিতে একটি হাতের ছবি দেখা যাচ্ছে। যা দেখে মনে করা হচ্ছে, কোনও পরীক্ষার্থী গোপনে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রের নজরদারি এড়িয়ে কী ভাবে ওই পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের ছবি তুলল এবং পাঠাল— তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।

  • Rajnath Singh: ‘‘তৃতীয় বা দ্বিতীয় নয়, ২০৪৭ সালে ‘টপ ইকোনমি’ হবে ভারত’’, বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে রাজনাথ

    Rajnath Singh: ‘‘তৃতীয় বা দ্বিতীয় নয়, ২০৪৭ সালে ‘টপ ইকোনমি’ হবে ভারত’’, বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমার মনে হয় ২০৪৭ সালের মধ্যে আমাদের দেশ তৃতীয় বা দ্বিতীয় নয়, টপ ইকোনমি হবে ভারত (India)। শুক্রবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তন (Viswa Bharati Convocation) অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। বর্তমানে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হল ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ব্রিটেন। সম্প্রতি ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে জায়গাটি দখল করে মোদির ভারত। দেশের অর্থনীতি যে ক্রমেই ফুলে ফেঁপে উঠছে, এদিন সেকথাই প্রকাশ পেয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায়।

    রাজনাথ বলেন…

    এদিনের অনুষ্ঠানে রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, বিশ্বভারতী এমন শব্দ, যেখানে বিশ্বও আছে, ভারতীও আছে। তিনি বলেন, বিশ্বভারতী তীর্থের থেকে কোনও অংশে কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের একটা ধর্মীয় তীর্থস্থান যদি গঙ্গাসাগর হয়, তবে শিক্ষার তীর্থস্থান এই শান্তিনিকেতন। তফাত এটুকুই, গঙ্গাসাগরে দূর থেকে গঙ্গা এসে সাগরে বিলীন হয়। আর শান্তিনিকেতন থেকে পড়ুয়াদের রূপে বের হওয়া জ্ঞান গঙ্গা দূরে দূরে যায়, নিজেদের জ্ঞানে অনেক ক্ষেত্রকে সিঞ্চিত করে। তিনি বলেন, বিশ্বভারতী শিক্ষার মন্দির। গুরুদেবের জ্ঞানের মূর্ত স্বরূপ।  

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সাধারণত এই ধরনের অনুষ্ঠানে আমি একদিনেই ফিরে যাই। কিন্তু বিশ্বভারতী ও গুরুদেবকে জানব বলে আমি একদিন অতিরিক্ত রেখেছি। তবে এটাও ঠিক, এক-দু দিনে বিশ্বভারতী বা গুরুদেবকে জানা সম্ভব নয়। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জীবনে যে কাজই করবেন, সেরাটা দিন। চেষ্টার কোনও শেষ হয় না। লক্ষ্যে পৌঁছতে সব সময় চেষ্টা করে যেতে হয়। কখনও নিরাশ হবেন না।

    আরও পড়ুুন: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    দেশের প্রগতি যে ক্রমেই উন্নত হচ্ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, এখন দেশ প্রগতির পথে এগোচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বের দরবারে নিজের ছাপ রাখছে। মেক ইন ইন্ডিয়া থেকে মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডের দিকে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, এটা গুরুদেবের লক্ষ্যের পথে এগোনো। এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এভাবে এগোতে থাকলে সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আমাদের দেশের অর্থনীতি অন্যতম দেশ হিসেবে শীর্ষে পৌঁছে যাবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে আমাদের দেশ তৃতীয় বা দ্বিতীয় নয়, টপ ইকোনমি হবে ভারত। তিনি বলেন, কোনও কাজ করতে চাইলে বড় মনে কাজ করুন। কোনও ইগো রাখবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Panchayat: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    Panchayat: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ৫৮ লক্ষ ভোটার বাড়ল। ২০১৮ সালের তুলনায় এ বছর রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ। নবান্ন সূত্রে খবর মার্চ মাসে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা মিটলেই পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election 2023) বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সমন্বয় করে বিভিন্ন নির্দেশিকা পাঠাতে শুরু করেছে জেলায় জেলায়।

    ভোটার সংখ্যা

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও তার আগে ভোটার সংখ্যা নিয়ে তথ্য জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। গতবার সংখ্যাটি ছিল ৫ কোটি ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ২জন। এবারে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫ কোটি ৬৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ১১৯জন। কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এ বছর রাজ্যে ৬৩ হাজার ২২৯টি আসনে পঞ্চায়েত ভোট হবে। পঞ্চায়েত সমিতিতে আসন সংখ্যা ৯ হাজার ৭৩০। জেলা পরিষদে আসন সংখ্যা ৯২৮। বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর পর রয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষা পর্ব মিটলেই পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে মনে করা হচ্ছে।

    ব্যালট বক্সে কিউআর কোড

    কমিশন সূত্রে খবর, ব্যালট বক্সে এবার আলাদা আলাদা কিউআর কোড রাখছে নির্বাচন কমিশন। জেলা ধরে, ব্লক ওয়াড়ি ট্র্যাকিং সিস্টেমকে আরও দৃঢ় করতেই এই কোড ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কমিশন দফতরে ব্যালট বাক্সে সেই কিউ আর কোড লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। ভোটের সময় কোন বুথে কোন ব্যালট বাক্স পাঠানো হচ্ছে, সেই গতিবিধি জানতেই এই ব্যবস্থা। এতে স্বচ্ছতাও বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    তিন দফায় ভোট!

    নির্বাচনের একাধিক বিষয় নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা একটি মামলা আদালতে ঝুলে রয়েছে। সেই মামলার অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। তবে নবান্ন ও কমিশন কর্তাদের আশা, উচ্চমাধ্যমিক শেষ হওয়ার আগেই ওই মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। বিজ্ঞপ্তি জারির অন্তত ২৪ দিন পর পঞ্চায়েত ভোট করতে হবে। সেই অনুযায়ী, এপ্রিলের একেবারে শেষে বা মে মাসের গোড়ায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে পারে। কমিশন ৩ দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে চাইছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্য একটি দফা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির জন্য ২টি দফায় ভোট করাতে চাইছে কমিশন। যদিও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে রাজ্য সরকার চাইছে এক দফায় ভোট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Calcutta High Court: আদালত অবমাননার জের! প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিচারপতি মান্থার

    Calcutta High Court: আদালত অবমাননার জের! প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিচারপতি মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে আদালতের নির্দেশ অবমাননার অভিযোগে জরিমানা করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চ স্কুল প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। শুধু তাই নয়, সাতদিনের মধ্যে জরিমানার টাকা না দিলে বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার নির্দেশও দিল আদালত।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে হাতকৃতি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ বছর ধরে কর্মরত শিক্ষিকা হামিদা খাতুন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরা হকরন গোকর্ণে। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বদলির আবেদন জানান প্রধান শিক্ষিকার কাছে। অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা তাতে কর্ণপাত করেননি। অবশেষে হামিদা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপর ২০২২ সালের ১ অগাস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে অবিলম্বে বদলির জন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু তাতেও প্রধান শিক্ষিকা কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। ফলে হামিদা আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। এর পর এদিন হাইকোর্টে মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রশ্ন করেন, ‘আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গতবছরের অগাস্ট মাস থেকে এই বছরের ফেব্রুয়ারি? এত দেরি কেন?’

    এর উত্তরে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক জানান, প্রধান শিক্ষিকার কাছ থেকে সম্প্রতি তাঁরা নথিপত্র পেয়েছেন। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা স্বাস্থ্যের কারণে বদলির আবেদন করলে, জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক একটি টিম গঠন করে তার গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে। দরকার পড়লে আবেদনকারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হয়। তারপর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে রিপোর্ট দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ডিআই অফিস বদলির নির্দেশ জারি করে। ডিআই জানান, সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

    এর পরেই বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, আদালতের নির্দেশের অবমাননা করেছেন প্রধান শিক্ষিকা। এমন অবস্থায়, প্রধান শিক্ষিকাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। এমনকী সাত দিনের মধ্যেই ওই অর্থ দিতে হবে হামিদা খাতুনকে। এর অন্যথা হলে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ওই অর্থ বেতন থেকে কেটে হামিদাকে প্রদান করবে।

  • TET Scam: ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি, স্বীকারোক্তি ইন্টারভিউয়ারদের, প্রকাশ্যে এল বয়ানের নথি

    TET Scam: ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি, স্বীকারোক্তি ইন্টারভিউয়ারদের, প্রকাশ্যে এল বয়ানের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিন আগেই এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় খোদ পরীক্ষকদেরই। বন্ধ ঘরে ইন্টারভিউয়ারদের গোপন বয়ান নিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রার্থীরা আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়া হয়নি, পদ্ধতি মেনে করা হয়নি। আর এই অভিযোগই এবারে মেনে নিলেন ইন্টারভিউয়াররা। হাইকোর্টে রুদ্ধদ্বার শুনানির সময় তাঁরা স্বীকার করে নিলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টেট)-র অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট ‘সঠিক পদ্ধতি’ মেনে হয়নি। সেই মর্মে নথিতেও সই করেছেন তাঁরা। সেই নথি প্রকাশ করলেন মামলাকারী প্রার্থীদের আইনজীবী।

    বয়ানে কী কী জানিয়েছেন ইন্টারভিউয়াররা?

    অভিযোগের ভিত্তিতেই তিন জেলার ৩০ জন ইন্টারভিউয়ারকে ডেকে গত বুধবার রুদ্ধদ্বার শুনানি করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানেই ২৫ জন ইন্টারভিউয়ার স্বীকার করেন, ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। অনেক প্রার্থীর কোনও অ্যাপ্টিটিউড টেস্টই নেওয়া হয়নি। আর এই বয়ানে নিজেরাই সই করেছেন ও সেই নথি প্রকাশ্যে এনেছেন মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। সেই নথিতে দেখা গিয়েছে, এক পরীক্ষককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কে তাঁকে ইন্টারভিউ নিতে বলেছিলেন। সেই প্রশ্নের উত্তরে ইন্টারভিউয়ার জানান, কাউন্সিল অফিসের একজন তাঁর স্কুলে এসেছিলেন ও স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে বলা হয়েছিল ইন্টারভিউ নিতে। তিনি অ্যাপ্টিটিউড টেস্টের জন্য কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলেন কিনা তা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এমন কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি ওই টেস্ট নেওয়ার জন্য।

    অন্য একজন বলেন, বোর্ডের তরফ থেকেও আলাদা করে অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়ার জন্য বলা হয়নি। ফলে তাঁরা এই টেস্টে কত নম্বর রয়েছে, তাও জানতেন না। তাঁদের শুধুমাত্র ইন্টারভিউ নিতে বলা হয়েছিল। এক ইন্টারভিউয়ার জানিয়েছেন, অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আলাদা কোনও জায়গা তাঁদের দেওয়া হয়নি। যে জায়গায় ইন্টারভিউ হয়েছিল, সেখানে কোনও চক বা ব্ল্যাকবোর্ড ছিল না। ফলে সে দিন বিচারপতিকে ঠিক কী জানিয়েছিলেন ইন্টারভিউয়াররা, সেই বয়ানের নথিই এবারে সামনে এল।

    মামলাকারীর আইনজীবী কী জানিয়েছেন?

    মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনরকম অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। ২০১৪ থেকে প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৬ তে ৪২ হাজার ৫০০ নিয়োগ হয়েছিল। তার মধ্যে ৩২ হাজারের বেশি নন-ট্রেনড প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল তাঁদের অ্যাকাডেমিকস, টেট স্কোর, ভাইভা ও অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট-এর ভিত্তিতে। প্রায় পঁচিশ হাজার জন চাকরি পেয়েছিলেন, যাদের অ্যাকাডেমিক স্কোর ১৪ বা তার নিচে কিন্তু তাঁদের ভাইভা ও অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে ৭ থেকে ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছিল। আবার ৫২১৬ জনের অ্যাকাডেমিক স্কোর ১৩-এর থেকেও কম, তাঁরা আবার অ্যাপ্টিটিউডে বিশাল নম্বর পেয়েছেন। পুরো রাজ্যে ৮২৪ জন আছেন যাঁদের সব মিলিয়ে স্কোর ১৩ থেকেও কম।

    ফলে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশ্ন, “যেই পরীক্ষাটা হয়নি সেই পরীক্ষায় কেউ তিন থেকে পাঁচ কিভাবে পায়? সবার তো একই নম্বর পাওয়ার কথা ছিল যখন পরীক্ষা হয়নি। কোন অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে এই নম্বর দেওয়া হয়েছিল?” তাঁর আরও অভিযোগ, কোনরকম রিজার্ভেশন রোস্টার মানা হয়নি এই প্রক্রিয়াতে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমস্ত কিছু প্রকাশ্যে আনতেই কিছু ইন্টারভিউয়ারের বয়ান সামনে এনেছেন। তিনি আরও বলেছেন, “সবে মাত্র একটা দিকের কথা বললাম বাকি দিকগুলো আস্তে আস্তে জানাবো।”

    [fb]https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=pfbid0m3Cm7Jduzt6tgcYZEAfq3h33Tdx9SvMsH9xRxUTUuPnF5LLxUmSVRMK7ZCcuMe1Fl&id=100052069800604&sfnsn=wiwspwa&mibextid=RUbZ1f[/fb]

  • Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির (Scam) কারণেই কমেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। অন্তত এমনই দাবি করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার হুগলিতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি বলেন, অভিভাবকরা ভয় পেয়েছেন। রাজ্য সরকারি স্কুল ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ওপর তাঁদের আর কোনও আস্থা নেই। সেই কারণেই ছেলেমেয়েদের অন্যান্য বোর্ড এবং বেসরকারি স্কুলে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সবই রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতির ফল।

    পর্ষদের ব্যাখ্যা…

    বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গিয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯২৮ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাসের কারণ হিসেবে পর্ষদের ব্যাখ্যা, করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে হয়তো পড়ুয়াদের একাংশ পরীক্ষায় বসছে না। অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে যে গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, সেই গ্যাপের কারণেই এটি হতে পারে বলে ব্যাখ্যা ছিল পর্ষদের। পর্ষদের এও ব্যাখ্যা, ২০১৭ সালের অ্যাডমিশন রুলসে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল। সেই বছর তিনটি বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল ২০১৭ সালের ভর্তির জন্য। ২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তিতে ফ্লেক্সিবিলিটির জায়গাটি বাদ গিয়েছিল। যার ফলে একটি বড় সংখ্যক পড়ুয়া অ্যাডমিশন নিতে পারেনি। সেটিও একটি কারণ হতে পারে। কারণ ২০১৭ সালে যারা ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছিল, তারাই এবার দিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পর্ষদ কোভিডের ঘাড়ে বন্দুক রাখতে চাইছে। আমি তো আগেই বলেছি, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর একটি বড় হাত হল অজুহাত। তিনি বলেন, অন্যান্য রাজ্যে কিন্তু করোনার পর কমেনি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, শিক্ষা দুর্নীতির জেরে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, গত ১১-১২ বছরে সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো তলানিতে এসে ঠেকেছে। ফুলে ফেঁপে উঠছে বেসরকারি স্কুলগুলির ব্যবসা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, পরিকল্পনা মাফিক সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। যাতে বেসরকারি স্কুলের মালিকরা আরও বেশি করে মুনাফা লুঠতে পারেন। এটি একটি বিরাট চক্রান্ত, বলছেন সুকান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

        

     

  • SSC Scam: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    SSC Scam: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামকৃষ্ণের কথা শুনেছেন? ভক্ত এবং ভগবানের মাঝে কে থাকেন, জানেন ? গুরু থাকেন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই। গুরু কে, আপনারা জানেন? বৃহস্পতিবার সিবিআইকে (CBI) একথা বললেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ধৃত তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ এবং নীলাদ্রি ঘোষকে অর্পণ চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে হাজির করে সিবিআই। তখনই বিচারক রামকৃষ্ণ প্রসঙ্গ টানেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের কেউ এজেন্ট, কেউ আবার মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেছেন বলে অভিয়োগ। কিন্তু শেষমেশ টাকাটা কার হাতে যেত, চাকরিই বা দিতেন কে, সেটার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছে আদালত। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে নাটের গুরুকে খোঁজার চেষ্টা করছে সিবিআই। এদিন সিবিআইয়ের তরফে বলা হয়, সেটাই খোঁজার চেষ্টা করছে তারা। বিচারক তখনই বলেন, চেনটা সম্পূর্ণ করুন।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC Scam) শুনানিতে এর আগে বিচারক সিবিআইকে বলেছিলেন, আপনারা পনির বাটার মশালা রাঁধতে চাইছেন, অথচ পনির নেই। তখনও মূল অভিযুক্তদের দিকেই ইঙ্গিত করেছিলেন বিচারক। এদিনও সেই প্রসঙ্গ টেনে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরাই বলুক পনির কোথায়? এ কথার রেশ ধরে কুন্তলের আইনজীবী শেখ মেহেদি নওয়াজ বিচারককে বলেন, আপনারা পনিরের কথা বলছেন। আসলে তো আগুনটাই নেই! তার মানে সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনিও।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    এদিন ধৃতদের জামিনের বিরোধিতা করেন সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তিন অভিযুক্তকে মুখোমুখি বসানো হয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ নাম উঠে এসেছে। অনেক প্রভাবশালীর নামও জানা গিয়েছে। এখন ধৃতদের জামিন দিলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। এর পরেই তাপস, কুন্তল ও নীলাদ্রিকে ৯ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠান বিচারক। তাপসের শারীরিক পরিস্থিতিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে বলেন তিনি।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ধৃত তাপস সবার আগে কুন্তলের নাম ফাঁস করেছিলেন। সেই সূত্রে গ্রেফতার করা হয় কুন্তলকে। এদিন কুন্তল নাম নেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। গোপাল দলপতি আবার কালীঘাটের কাকু সুজয় ভদ্রের নাম নিয়েছেন। সুজয় আবার বলেছেন তাঁর সাহেব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায় আদালত ধরে আনতে বলছে গুরুকে। সেই নাটের গুরুর খোঁজই করছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share