Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার! আজ শহর থেকে জেলা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার! আজ শহর থেকে জেলা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কোথাও কোথাও দু-চার ফোঁটা বৃষ্টিও পড়ছে। চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। শুক্রবার থেকে ৩ দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে বৃষ্টির পূ্র্বাভাস। কলকাতা-সহ উত্তর এবং দক্ষিণের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, এমনকী শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। আজ রাজ্যের সব জেলাতেই কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির জেরে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমতে পারে। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে থেকেই আকাশে ছিল বিদ্যুতের ঝলকানি। সঙ্গী ছিল হালকা বৃষ্টিও। কোনও কোনও জায়গায় অফিস ফিরতিদের ভিজতে হয়েছে অল্প বিস্তর। বৃহস্পতিবার রাতের বৃষ্টি তাপমাত্রা অনেকটাই কমিয়েছে। আজ, ভোর থেকে শিরশিরি বাতাস, মেঘলা আকাশে মনোরম পরিবেশ শহরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, একটি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত রয়েছে। যেটি বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে গেছে। এর প্রভাবেই আজ, শুক্রবার থেকে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বাঁকুড়ায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। উত্তরের জেলাগুলিতে ৪ এপ্রিল আর দক্ষিণের জেলাগুলিতে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    আরও পড়ুন: পাঁচটি জ্যোতির্লিঙ্গসহ ৮টি তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণের ব্যবস্থা করছে রেল মন্ত্রক! থাকছে ইএমআইয়ের সুবিধা, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    কবে থেকে আবহাওয়ার উন্নতি

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্র ও শনিবার আবহাওয়ায় তেমন কোনও হেরফের হবে না। তাপমাত্রাও প্রায় একই থাকবে। তার পরবর্তী দুই দিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। এরপর পার্বত্য এলাকা ছাড়া রাজ্যের বাকি অংশে ফের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    Ram Navami: রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা, ধুন্ধুমার হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে ধুন্ধুমার হাওড়ার (Howrah) কাজিপাড়ায়। শোভাযাত্রায় ছোড়া হল বোমা, পেট্রল বোমা। রাস্তার ধারের দোকান ভাঙচুর। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল ফুটপাতের কয়েকটি দোকানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ছিল রামনবমী। এদিন সন্ধ্যায় হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের কাছে শোভাযাত্রায় আয়োজন করেছিল অঞ্জনীপুত্র সেনা। শোভাযাত্রা যখন কাজিপাড়া এলাকায় আসে তখন আচমকাই হামলা চালানো হয়। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে ছোড়া হয় বোমা, পেট্রল বোমা। বিয়ারের বোতল, কাচের বোতলও ছোড়া হয়। জখম হন প্রায় ১৫ জন।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রাকে ঘিরে অশান্তি…

    ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা তল্লাট। আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অঞ্জনীপুত্র সেনারা। অভিযোগ, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আয়োজকদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রায় যারা হামলা চালাল, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

    অঞ্জনীপুত্র সেনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সুরেন্দ্র বাবা বলেন, প্রশাসনের সুবিধার্থে এদিন অঞ্জনীপুত্র সেনা, বিশ্বহিন্দু পরিষদ সহ ৪২টি সংগঠন এক সঙ্গে এই শোভাযাত্রা (Ram Navami) বের করে। পুলিশ প্রশাসনকে এই শান্তিপূর্ণ মিছিলের সুরক্ষার জন্য আগাম জানানো হয়েছিল। যদিও গত বছরের মতো এবারও সন্ধ্যা বাজার এলাকায় মিছিল প্রবেশের পরেই হামলা হয়। তাঁর প্রশ্ন, হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে কীসের সমস্যা আক্রমণকারীদের?

    আরও পড়ুুন: স্ল্যাব ভেঙে ৫০ ফুট গভীর কুয়োয় পড়লেন পুণ্যার্থীরা, মধ্যপ্রদেশে মৃত ১৩

    প্রসঙ্গত, গত বছরও এই সন্ধ্যাবাজার এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় ইট ও কাচের বোতল ছোড়া হয়েছিল। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তৃণমূলের উসকানি আর পুলিশের অতিসক্রিতায় এই ঘটনা ঘটেছে। এদিন হাওড়া ময়দান ও শিবপুর সংলগ্ন এলাকায়ও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছে। বিরাট পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঘটনার জেরে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন উদ্যোক্তাদের একাংশ। রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। সবার নিজের নিজের ধর্মাচরণের অধিকার রয়েছে। কিন্তু মিছিলের নামে একটাও মুসলিম এলাকায় হামলা হলে ছেড়ে কথা বলব না। এদিকে, এদিন হাওড়ার রামরাজাতলা এলাকায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, উনিই (মুখ্যমন্ত্রী) অশান্তির কারণ। এদিন গুজরাটের ভাদোদরার ফতেপুরার একটি শোভাযাত্রায়ও পাথর ছোড়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hospital: সদ্যোজাতের মুখ দেখতে লাগে ৫০০ টাকা! হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে শুনলেন মহকুমা শাসক, কোথায় জানেন ?

    Hospital: সদ্যোজাতের মুখ দেখতে লাগে ৫০০ টাকা! হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে শুনলেন মহকুমা শাসক, কোথায় জানেন ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সদ্যোজাত শিশুর মুখ দেখতে পরিবারের লোকজনকে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। মহকুমা শাসকের কাছে এমনই অভিযোগ জানিয়েছেন প্রসূতিদের পরিবারের লোকজন। আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে (Hospital) এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রসূতিদের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ,  এমনিতেই আয়াদের প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে দিতে হয়। তারপরও সদ্যোজাতের মুখ দেখার জন্য অতিরিক্ত টাকা কেনো দিতে হবে? এই হাসপাতালের (Hospital)  চতুর্থ শ্রেণী কর্মী, সাফাই কর্মীকেও দিতে হয় টাকা। আবার চিকিৎসার সরঞ্জাম পরিষ্কার করার জন্যও আলাদা করে টাকা দিতে হয়। সমস্ত বিষয়টি তাঁরা মহকুমা শাসককে জানান।

    অভিযোগ পেয়ে কী করলেন মহকুমা শাসক? Hospital

    বুধবার আলিপুরদুয়ারের মহকুমা শাসক বিপ্লব সরকার আচমকাই হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন। হাসপাতালের (Hospital) বিভিন্ন ওয়ার্ড তিনি ঘুরে দেখেন। ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়ে রক্ত শূন্য দেখে নিজে রক্ত দিয়ে বাকীদের রক্ত দেওয়ার জন্য উত্সাহ দেন। এতক্ষণ সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু, তাল কাটল প্রসূতিদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে। এমনিতে সদ্যোজাতদের মুখ দেখার জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে টাকা নেওয়ার জুলুমবাজির জন্য প্রসূতির পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। মহকুমা শাসককে সামনে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। মহকুমা শাসক অভিযোগ শুনে ওই হাসপাতালের (Hospital) সকল আয়াকে ডেকে পাঠান। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে (Hospital) ১৪ জন আয়া কাজ করেন। সকলেই সেখানে হাজির হন। পাশাপাশি হাসপাতালের (Hospital) অন্যান্য কর্মীদের ডেকে পাঠানো হয়। মহকুমা শাসক আয়াদের ধমক দিয়ে প্রসূতির পরিবারের কাছে থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। মহকুমা শাসক হাসপাতাল (Hospital) পরিদর্শনের সময় একজন আয়া এক প্রসূতির পরিবারের লোকজনের কাছে থেকে ৫০০ টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা ওই আয়া সঙ্গে সঙ্গে ফেরত দিয়ে দেন। বাকীরাও মহকুমা শাসকের সামনে টাকা ফেরত দিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। মহকুমা শাসকের নির্দেশে হাসপাতালে (Hospital)  প্রসূতিদের পরিবারের লোকজনের কাছে টাকা নেওয়ার অভিযোগ যে সব আয়াদের বিরুদ্ধে উঠেছিল, তাদের বের করে দেওয়া হয়। পরে, মহকুমা শাসক বলেন, হাসপাতালের (Hospital) মধ্যে এসব কারবার চলতে দেওয়া হবে না। কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল চোপড়া। প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘাবানা এলাকায়। দলীয় কর্মীদের হামলায় (Attack) গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল দুজন তৃণমূল কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম ফয়জুল রহমান (৫৪) এবং হাসু মহম্মদ (৪৫)। ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়জুলের মৃত্যু হয়। হাসু মহম্মদকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এছাড়া বেশ কয়েকজন জখম হন। তাঁদের দলুয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চোপড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

    প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর কেন গুলি চলল? Attack

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে এদিন দিঘাবানা এলাকায় বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে কে এবার প্রার্থী হবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। প্রার্থী ঠিক করার জন্য কোর কমিটির সদস্যরা আসেন। বহু আলোচনার পর দুজনের নাম ঠিক হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নাসিরের এক অনুগামীকে প্রার্থী হিসেবে ঠিক করা হয়। আর শামসুল রহমান নামে অন্য এক তৃণমূল কর্মীর নাম ঠিক হয়। মৃত তৃণমূল কর্মী ফয়জুলের ভাই শামসুল। কিন্তু, বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত নাসির ও তাঁর অনুগামীদের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সকলেই বেরিয়ে আসেন। শামসুলের অনুগামীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। যেটা নাসির ও তাঁর অনুগামীরা সহ্য করতে পারেনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর ভাই মহম্মদ আব্বাস বলেন, নাসিররা একজনের নাম পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু, বৈঠকে কোর কমিটির নেতারা দুটি নাম নিয়ে যান। সেটা নাসির ও তার দলবলের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষে সকলেই বাড়ি ফিরছিলাম। সবাই আনন্দে ছিলাম। আচমকা রাস্তায় উঠতেই নাসির ও তার লোকজন হামলা (Attack)  চালায়। আমাদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালানো শুরু করে। সূত্রের খবর, বুথ কমিটির বৈঠকে পঞ্চায়েতের প্রার্থী নিয়ে দুই শিবিরের বচসা হয়। তখনকার মতো মিটেও যায়। কিন্তু, বাড়ি ফেরার সময় বাইরের কিছু দুষ্কৃতী এসে ফয়জুল ও হাসু মহম্মদকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেখানেই দুজনেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। গুলি লাগে আরও কয়েকজনের। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এগুলি সবই ছড়রা গুলি।

    কী বললেন মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে? Attack

    মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে কাদের রহমান বলেন, বুথের মিটিং দেখতে এসেছিল বাবা। এবার পঞ্চায়েতে যে প্রার্থী হবে তার দিকে বাবার সমর্থন রয়েছে। এটাই অপরাধ। এরজন্যই বাবাকে ওরা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে দিল। আরও অনেকের গুলি লেগেছে। বাবা মাটিতে পড়ে যেতেই আমরা ছুটে যাই। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই বাবার মৃত্যু হয়। যাদের গুলিতে আমার বাবার প্রাণ গেল, তারা সবাই তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর মদতপুষ্ট। এলাকায় তৃণমূল এখন দুটি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? Attack

    গোষ্ঠীকোন্দলকে কেন্দ্র করে শাসক দলের মুখ পুড়েছে। দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মৃত পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ঘটনার খবর পেয়েছি। কি কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিজেপির সহ সভাপতির কী বক্তব্য? Attack

    বিজেপির সহ সভাপতি সুরজিত্ সেন বলেন, প্রার্থী নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। দলীয় কর্মী খুন হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোট আসার আগে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আর পঞ্চায়েত ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shatarup Ghosh: ২২ লাখি গাড়ি কিনে দলেই সমালোচনার মুখে সর্বহারার নেতা শতরূপ

    Shatarup Ghosh: ২২ লাখি গাড়ি কিনে দলেই সমালোচনার মুখে সর্বহারার নেতা শতরূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সর্বহারার নেতা। তিনি কিনেছেন ২২ লাখি বিলাসবহুল গাড়ি (Luxury Car)। তিনি শতরূপ ঘোষ (Shatarup Ghosh)। যাঁর গাড়ি নিয়ে আপাতত সরগরম রাজ্যরাজনীতি। বাম কর্মী ও তাঁদের পরিবারের দ্বারা সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ট্রোলড হচ্ছেন শতরূপ। কেবল তাই নয়, তৃণমূলের তরফেও নিশানা করা হয়েছে বামপন্থী নেতা শতরূপকে। বৃহস্পতিবার তারই জবার দিলেন শতরূপ। আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূলের প্রশ্নের জবাব দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন গাড়ি কেনার টাকার উৎসও।

    শতরূপ ঘোষ (Shatarup Ghosh)…

    মঙ্গলবার সকালে তৃণমূল (TMC) মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ট্যুইট-বাণে বিদ্ধ করেন শতরূপকে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, শতরূপ সম্প্রতি ২২ লাখ টাকা দামের একটি গাড়ি কিনেছেন। সিপিএমের সর্বক্ষণের কর্মী হয়েও কীভাবে এত দামি গাড়ি তিনি কিনলেন, প্রশ্ন কুণালের। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া শতরূপের সম্পত্তির হিসাবও প্রকাশ্যে এনে দেখিয়েছেন কুণাল।

    তৃণমূল মুখপাত্রের জবাব দিতে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের পার্টি অফিসকেই বেছে নেন শতরূপ (Shatarup Ghosh)। তিনি জানান, গাড়ি কেনা হয়েছে তাঁর নামে। তবে গাড়ির টাকা দিয়েছেন তাঁর বাবা শিবনাথ ঘোষ। সিংহভাগ খরচই করা হয়েছে চেকের মাধ্যমে। কিছু টাকা নগদেও দেওয়া হয়েছে। খরচের রশিদ দেখিয়ে হিসেব প্রকাশ্যে এনেছেন শতরূপ। কবে, কোন ব্যাঙ্ক থেকে কত টাকা খরচ করা হয়েছে, তাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বাবার ফিক্সড ডিপোজিটে কত টাকা রয়েছে, তাও জানান এই সিপিএম নেতা। শতরূপ বলেন, এর পরেও গাড়ির খরচের বিষয়ে কোনও অনিয়ম চোখে পড়লে শাসকদল আইনি পদক্ষেপ করতেই পারে। তিনি বলেন, আমি কার টাকায় গাড়ি কিনব, তা তৃণমূল ঠিক করে দিতে পারে না।

    আরও পড়ুুন: অয়নকে টাকা না দেওয়ায় চাকরি গিয়েছে বৈধ চাকরিপ্রার্থীদের?

    তৃণমূল মুখপাত্র তাঁর ট্যুইটে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে শতরূপকে (Shatarup Ghosh) কটাক্ষ করেছিলেন। নথি প্রকাশ করে তিনি দেখিয়েছিলেন, হলফনামা অনুযায়ী ওই নির্বাচনে কসবার সিপিএম প্রার্থী শতরূপের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ টাকার কিছু বেশি। সেই সম্পত্তি নিয়ে কীভাবে সিপিএমের একজন হোলটাইমার গাড়ি কিনতে এত টাকা খরচ করলেন, সেই প্রশ্ন তোলেন কুণাল। এদিন তারই জবাব দেন এই সিপিএম নেতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • CBI: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের মামলা নিয়ে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে কী বলল সিবিআই?

    CBI: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের মামলা নিয়ে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে কী বলল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। মূলত, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনার তদন্তে সহযোগিতা করছে না রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসন। এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ সিবিআই (CBI) । যদিও এর আগেই কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনার পর পরই পুলিশ মামলা রুজু করে। জানা গিয়েছে, পুলিশের দায়ের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় নাম রয়েছে কোচবিহারের জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিজেপি সহ সভাপতি, দিনহাটা ব্লকের বিজেপি সভাপতি-সহ মোট ২৮ জনের। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়। বেছে বেছে ইচ্ছাকৃতভাবে বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের। এফআইআরে নাম থাকা বিজেপি কর্মীদের ইতিমধ্যেই রক্ষাকবচ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সিবিআইকে (CBI)  নথি হস্তান্তর নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    আদালতে কী জানাল সিবিআই? CBI

    ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। কিছুদিন আগেই এই হামলার ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের ওপর দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। যদিও এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। তবে, সুপ্রিম কোর্ট এখনও এই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়নি। পাশাপাশি কনভয় হামলার ঘটনা নিয়ে সিবিআইয়ের (CBI) অভিযোগ, এই ঘটনায় তদন্তে কোনও সহযোগিতা করছে না সরকারের পুলিশ। এমনকী মামলার নথিও হস্তান্তর করছে না বলেও অভিযোগ। সিবিআই (CBI) বৃহস্পতিবার আদালতে জানায়, সব ক্ষেত্রে অসহযোগিতা কাম্য নয়। এই মামলায় প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “যেহেতু এখনও সিবিআই (CBI) তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের কোনও স্থগিতাদেশ নেই, তাই এই আদালত চায় যে তার নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া হোক।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: কেন রাম নবমী পালন করা হয় জানেন?

    Ram Navami: কেন রাম নবমী পালন করা হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ চৈত্র নবমী রাম নবমী (Ram Navami) নামেও পরিচিত। সনাতন ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই দিনটি ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার ভগবান শ্রী রামের জন্মদিন হিসেবেও পালিত হয়। পুরুষোত্তম প্রভু শ্রী রাম অযোধ্যায় রঘুকুলের রাজা দশরথ ও রানি কৌশল্যার ঘরে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন। এই পবিত্র দিন চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবম দিনে পড়ে। চৈত্র মাসে বাসন্তী পুজো হয়। বাসন্তী পুজোর নবমীতে উদযাপিত হয় রাম নবমী। সনাতন বিশ্বাস অনুসারে, রাম নবমীর দিন শ্রী রামের জন্ম হয়েছিল। রাম নবমী (Ram Navami) শ্রী রামের জন্মবার্ষিকী। তাই, এর বিশেষ ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। ওই দিন ভক্তরা শ্রীরামের পুজো দেন। আজ, বৃহস্পতিবার সেই শুভদিন। সারা দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করবেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, “ভগবান শ্রী রাম হলেন ভারতীয় সংস্কৃতির মূর্ত প্রতীক। তিনি আদর্শ রাজা, পুত্র, ভাই, স্বামী এবং বন্ধু। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, আমরা ভারতে তাঁকে একজন মানুষ আকাঙ্ক্ষা করতে পারে, এমন সব উৎকৃষ্ট গুণাবলীর প্রতিমূর্তি হিসেবে শ্রদ্ধা করে এসেছি। ভগবান শ্রী রাম সহস্র বছর ধরে ভারতীয় মূল্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। এই কারণেই মহাত্মা গান্ধী সুশাসন এবং ন্যায়পরায়ণ সমাজের ধারণা বর্ণনা করতে রাম রাজ্যকে রূপক ব্যবহার করেছিলেন।”

    রাম নবমী নিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী ? Ram Navami

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার রাম নবমী (Ram Navami)  উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে ভগবান রামের জীবন প্রতিটি যুগে মানবতার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “রাম নবমীর (Ram Navami) শুভ উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।” তিনি আরও বলেন, ত্যাগ, তপস্যা, সংযম ও সংকল্পের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা পুরুষোত্তম ভগবান রামচন্দ্রের জীবন প্রতিটি যুগে মানবতার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: অয়নকে টাকা না দেওয়ায় চাকরি গিয়েছে বৈধ চাকরিপ্রার্থীদের?

    Recruitment Scam: অয়নকে টাকা না দেওয়ায় চাকরি গিয়েছে বৈধ চাকরিপ্রার্থীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা নিয়ে চাকরি (Recruitment Scam) দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল আগেই। এবার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের (Ayan Shil) বিরুদ্ধে নয়া অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, যাঁরা বৈধভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের কাছ থেকেও টাকা চেয়েছিলেন তিনি। যাঁরা টাকা দেননি, তাঁদের চাকরি থেকে করতে দেওয়া হয়নি।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam)…

    এই যেমন চুঁচুড়া ষণ্ডেশ্বরতলার চয়নিকা আঢ্য। চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন টিটাগড় পুরসভায়। অভিযোগ, অয়নকে টাকা না দেওয়ায় চাকরি করতে পারেননি তিনি। অথচ খেলোয়াড় কোটায় ওই চাকরি পেয়েছিলেন চয়নিকা। তাঁর দাবি, ইন্টারভিউয়ের পর চাকরিও হয়ে যায়। ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর তাঁকে জয়েনিং লেটার দেওয়া হয়। চয়নিকা বলেন, একদিন এক পুলিশ কর্মী (Recruitment Scam) বাড়িতে এসে বলেন অয়ন শীলের অফিসে গিয়ে দেখা করতে হবে। চয়নিকা তাঁর বাবাকে নিয়ে জগুদাসপাড়ায় অয়নের অফিসে যান। অয়ন তাঁদের বলেন, চাকরির জন্য পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে।

    চয়নিকা তাঁকে জানান, নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন। তাছাড়া অত টাকা তাঁর কাছে নেই। চয়নিকা বলেন, সেদিন ফিরে আসার পর ফের অয়নের লোক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। সল্টলেকের অফিসে যেতে বলে। সেখানেও বাবাকে নিয়ে গিয়েছিলাম। বেশ কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও দেখা না পেয়ে ফিরে আসি। তিনি বলেন, পরে জানতে পারি প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে অয়নের বিরুদ্ধে। এর পর চয়নিকা কথা বলেন পুরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে। তাঁকে কাজে যোগ দিতে বলা হয়। একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে খোলা হয় স্যালারি অ্যাকাউন্টও। পুরসভায় ছ দিন কাজও করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু, কী আর্জি জানালেন?

    চয়নিকার অভিযোগ, এরপর আচমকাই তাঁকে পুরসভা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, নিয়োগ তালিকায় আমার নাম ছিল ২২০ নম্বরে। রাতারাতি সেই তালিকা পরিবর্তন করে যাঁদের নাম ছিল না, তাঁদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল অয়নের সংস্থা (Recruitment Scam)। তাঁর অফিসে হানা দিয়ে বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগের পরীক্ষার উত্তরপত্র উদ্ধার করেছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির অভিযোগ, অয়ন স্কুল, পুরসভা সহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন। বহু মানুষকে প্রতারিতও করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fly: মাছির উপদ্রবে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা! একাধিক শিশু অসুস্থ, কোথায় জানেন?

    Fly: মাছির উপদ্রবে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা! একাধিক শিশু অসুস্থ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ লোকালয়ে হাতি ঢুকে তান্ডব চালাচ্ছে এমন নয়। বাঘের হামলার ঘটনাও ঘটেনি। সামান্য মাছির (Fly) দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা থানার সারাহাটি গ্রামের বাসিন্দারা। অনেকে পেটের অসুখে ভুগছেন। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ, একাধিক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকে আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবে গ্রামবাসীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ না করায় তাঁরা বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। কবে, এই মাছির (Fly) উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে সেই অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? Fly

    পঞ্চায়েতের থেকে কোনও অনুমতি না নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা গ্রামেই জৈব সারের কারখানা তৈরি করেন। আর কারখানা চালু হওয়ার পর থেকেই গ্রামে এই সমস্যা দেখা দেয়। অসীমা মণ্ডল নামে এক বাসিন্দা বলেন, আমি অসুস্থ। চিকিত্সা চলছে। এখন মাছির (Fly) উপদ্রবে বাড়িতে রান্না করা দায় হয়ে গিয়েছে। ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করতে পারছি না। মঞ্জু খাঁ বলেন, সারের কারখানার জেরে গ্রামে দুর্গন্ধে টিকতে পারছি না। গ্রামের অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমার তিনমাসের সন্তানকে মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। অনেকেই বাড়িতে থাকতে পারছেন না। মাছির (Fly) আতঙ্কে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাছি (Fly) দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেউ খেতে পর্যন্ত পারছেন না। আমাদের দাবি, পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। না হলে এই মাছির আতঙ্কে এলাকায় আর কেউ থাকতে চাইবেন না।

    কী বললেন জৈব সার কারখানার মালিক? Fly

    মাসখানেক ধরে সারের কারখানা চালু করা হয়েছে। তারপর থেকে মাছির (Fly) উপদ্রব বলে এলাকাবাসীর দাবি। তবে, এই অভিযোগ মানতে নারাজ জৈব সার কারখানার মালিক মৃন্ময় বিশ্বাস বলেন, বসন্তকালে মাছির (Fly) উপদ্রব সব জায়গায় থাকে। এটা কোনও কারণ নয়। আসলে আমার জমি এতদিন ফাঁকা পড়েছিল। সেটা গ্রামের লোকজন ব্যবহার করত। সেই জমিতে কারখানা করেছি বলে এলাকাবাসী এসব অভিযোগ করছেন। কৃষি দফতরের আধিকারিকদের জানিয়ে আমি কারখানা করেছি।

    কী বললেন পঞ্চায়েত প্রধান? Fly

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সৌমেন ঘোষ বলেন, সার কারখানার মালিক আমাদের থেকে কোনও অনুমতি নেয়নি। গ্রামে গিয়ে দেখেছি, খুবই সমস্যার বিষয়। অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু, কী আর্জি জানালেন?

    Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু, কী আর্জি জানালেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Polls) নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট। এ ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা নেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    সুপ্রিম কোর্ট…

    ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকছে সুপ্রিম কোর্ট। তাই কলকাতা হাইকোর্টে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণায় স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোয় শুনানি হতে পারে মামলাটি। এর আগে শুভেন্দুর মামলা প্রসঙ্গে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, বিরোধী দলনেতার মামলার সারবত্তা থাকলেও, এই অবস্থায় হাইকোর্ট কমিশনের ওপরই বিষয়টি ছেড়ে দিচ্ছে। এর পরেও শুভেন্দুর কোনও বক্তব্য থাকলে তিনি তা জানাতে পারেন নির্বাচন কমিশনে। তা খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

    আরও পড়ুুন: সাংসদ পদ ফিরে পেলেন এনসিপি সাংসদ, আশার আলো দেখছে কংগ্রেস

    এর পরেই ফের আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। আগামী সাতদিন যেন নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা না হয়, সেই আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে দুটি বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। একটি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর আর্জি জানিয়ে, অন্যটি ওবিসি সম্প্রদায়ের গণনা সংক্রান্ত বিষয়ে। দ্বিতীয় বিষয়ে রায় দিলেও, প্রথমটি নিয়ে কোনও রায় দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। এ নিয়ে ফের শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে আদালতে।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালে তফশিলি জাতি ও উপজাতির গণনা করা হলেও, ওবিসি সম্প্রদায়কে গণনা করা হয়নি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই গণনা করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share