Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতার সরাসরি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পুরসভায় কর্মী নিয়োগে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে যে সব পুর প্রতিনিধিরা ছিলেন, তাঁরা কেউ নিজেদের পরিবারের লোকজনকে বা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই সব নিয়োগ হয়েছে। ফলে, এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনিতে কামারহাটি পুরসভা ইডি নজরে রয়েছে। বরানগর পুরসভায় যে ভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দলের অন্দরে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিতর্কিত প্যানেলে কত জন কর্মী নিয়োগ হয়? Anubrata Mondal

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলর বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূম জেলায়। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছে। ওই নেতা অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ করতে কেউ আপত্তি জানানোর সাহস দেখায়নি। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন পুরসভার চেয়ারপার্সন ? Anubrata Mondal

    বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে  পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    Fraud: ৫জি টাওয়ার বসানোর টোপ দিয়ে ১৭ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ৫ জি টাওয়ার বসানোর জন্য কারও কাছে মোবাইলে ফোন আসলে, ধরবেন না। কারণ, রাজ্য জুড়ে একটি প্রতারণাচক্র (Fraud) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তারা ফোন করে ৫  জি টাওয়ার বসানোর জন্য মোটা টাকার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই চক্র (Fraud) । বারাকপুর মহকুমায় নোয়াপাড়া থানা এলাকার এক ব্যক্তি এই প্রতারণা চক্রের খপ্পরে পড়ে কার্যত সর্বসান্ত হয়েছে। প্রতারকরা তার বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানোর লোভ দেখিয়ে কয়েক দফায় ১৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত হওয়ার পর তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পুলিশ এই চক্রে (Fraud)  জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সুদীপ বিশ্বাস, সুজন ঘোষ, সঞ্জয় বালা, তপন মণ্ডল এবং মহিতোষ কুণ্ডু। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।

     কীভাবে প্রতারণা করল অভিযুক্তরা? Fraud

     কয়েকদিন আগেই নোয়াপাড়ার ওই ব্যক্তির কাছে একজন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করেন। তাঁর বাড়িতে ৫ জি টাওয়ার বসানো হবে বলে টোপ দেওয়া হয়। শুধু বাড়ির ওই জায়গা দেওয়ার জন্য তাঁকে এককালীন ২৫ লক্ষ টাকা এবং প্রতিমাসে ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। তবে, বিষয়টি অন্য কাউকে না জানানোর কথা বলা হয়। পরে, তাঁর বাড়ির ছবি, দলিল সব কিছু চাওয়া হয়। পরে, ওই ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন এই সব কাজ করার পর ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে, ওই ব্যক্তির চাহিদা রয়েছে কি না দেখা হয়। মোটা টাকার হাতছাড়া হয়ে যাবে ভেবে ফের ওই ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। কিন্তু, তখনও কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলা হয়। এরকমভাবে আরও কিছুদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। এরপর আচমকা ফোন করে তাঁকে জানানো হয়, আপনার কাগজপত্র দেখে অফিস আপনার বাড়িতে টাওয়ার বসানোর আগ্রহ দেখিয়েছে।  এরপর শুরু হয় আসল খেলা। অফিসের অ্যাকাউন্টের নামে একটি ড্যামি অ্যাকাউন্ট পাঠানো হয়। সেই অ্যাকাউন্টে প্রথমে দেড় লক্ষ টাকা পাঠাতে বলা হয়। ২৫ লক্ষ টাকা হাতছাড়়া হয়ে যাবে ভেবে ওই ব্যক্তি এক কথায় দেড় লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দেন। পরে, প্রতারকদের (Fraud) কথার জালে ফেঁসে ওই ব্যক্তি কয়েক দফায় সব মিলিয়ে মোট ১৭ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন।  আর ড্যামি অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা উঠিয়ে নেওয়া হত। পরে, টাওয়ার না বসায় ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন প্রতারিত(Fraud)  হয়েছেন। এরপরই তিনি থানার দ্বারস্থ হন।

    প্রতারকদের কোন এলাকা থেকে ধরল পুলিশ? Fraud

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়েই প্রতারকদের (Fraud)  জাল ছড়িয়ে রয়েছে। বাগদা থেকে বিষয়টি অপারেট হচ্ছে। আর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় তাদের এজেন্ট রয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের তদন্তে নেমে প্রথমে জগদ্দল থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, বারাসত, বাগদা এবং গাইঘাটা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও পর্যন্ত যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সঞ্জয় বালা এই অপরাধের মাস্টার মাইন্ড।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    Suvendu Adhikari: ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, বাম আমলে স্বজনপোষণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মহার্ঘ ভাতা ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৪২ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। ৪৭ লক্ষ ৫৮ হাজার কর্মী এবং ৬৯ লক্ষ ৭৬ হাজার পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। এটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির ক্যারিশমা। এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বৈষম্য আরও বাড়ল। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, কেন্দ্রীয় সরকার যেখানে বাড়িয়ে ৪২ শতাংশ করেছে, সেখানে দেউলিয়া পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতারণা করে ৬ শতাংশ বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে ফারাক ৩৬ শতাংশ। ট্যুইট-বার্তায় অন্য রাজ্যের ডিএর হারও তুলে ধরেন তিনি।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    এদিকে, বাম জমানায় নিয়োগে স্বজন-পোষণ নিয়েও মুখ খুললেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, বাম আমলে (DA) আমিও রাজনীতি করেছি। কিন্তু শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতি হয়নি। সেই সময় প্রাথমিকে আর শিক্ষাকর্মী পদে ব্যাপক নিয়োগ হয়েছিল। বামেরা টাকা নিয়ে চাকরি দেয়নি। শুধু দলের ক্যাডারদের চাকরি দিয়েছে। তিনি বলেন, সেই সময় নিয়োগের দায়িত্বে থাকত স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি। সেই সুযোগই নিয়েছিল বামেরা। তাঁর দাবি, কলেজে চাকরির ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিল। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীর চাকরিতে অনিয়ম হয়ে থাকলেও, যা যে প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাও জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। হাতে লেখা চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে চাকরির দুর্নীতি যে প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘পছন্দের প্রার্থীদের তালিকা পাঠাব! ছাড়পত্র না মিললে…’ মুখ্যমন্ত্রীকে হঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

    শুভেন্দুর দাবি, সিপিএম হোলটাইমারদের আত্মীয়দের চাকরির ব্যবস্থা করে দিত। যাতে তারা দলকে আরও বেশি সময় দিতে পারে। শুভেন্দুর বক্তব্যের সারমর্ম হল, বাম জমানায় টাকা নিয়ে চাকরি হয়নি। তবে স্বজনপোষণ হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বাম আমলে স্বজনপোষণ যে হয়েছিল তার বড় প্রমাণ জলপাইগুড়িতে বাম আমলে (DA) প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরির প্যানেল বাতিলের ঘটনা। সেই সময় জেলা বামফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বের একের পর এক আত্মীয়ের চাকরির বিষয়টি সামনে আসে। তার সঙ্গেই সামনে এসেছিল একাধিক বাম নেতার আত্মীয়-স্বজনদের ঘুরপথে চাকরি দেওয়ার বিষয়টিও।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
     
  • DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শোকজ লেটার নিয়ে গর্বিত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি, নিজেদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে (DA Protest) তাঁরা শিরদাঁড়া সোজা রেখেছেন। নিজেদের বিক্রি করেননি। প্রাপ্য ডিএ-র দাবিতে গত ১০ মার্চ যাঁরা কাজে যোগ দেননি, তাঁদের শোকজ করেছিল সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, যাঁদের শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়, তাঁদের মার্চ মাসের স্যালারি থেকে একদিনের বেতন কাটা যাবে। এমন একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।

    সরকারকে সতর্কবার্তা

    রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের (Govt Employees Agitation) যৌথ মঞ্চের ডাকে গত ১০ মার্চ বকেয়া মহার্ঘভাতার (DA Protest) দাবিতে ধর্মঘটের (DA Strike) ডাক দেওয়া হয়েছিল। পাল্টা রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি করে অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ১০ মার্চ ব্যতিক্রমী কারণ ছাড়া অফিসে হাজিরা না দিলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারের হুঁশিয়ারির তোয়াক্কা না করেই, ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন বহু সরকারি কর্মচারী। সরকারি নোটিশের তোয়াক্কা না করে অনেক ধর্মঘটীদের জবাব, ‘ঠিক করেছি।’

    উল্লেখ্য, ডিএ ধর্মঘটে (DA Protest) অংশ নিয়ে যে সরকারি কর্মীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে অফিস থেকে অনুপস্থিত ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সেই পদক্ষেপের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সার্ভিস রুলেই বলা আছে, তাঁদের ‘রাইট টু স্ট্রাইক’ বা ‘ধর্মঘটের অধিকার’ আছে।

    ভয় পেয়েছে সরকার

    রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রতিহিংসা হিসেবেই ব্যাখ্যা করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলছেন, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীরা অতীতেও ধর্মঘট করে শাস্তিমূলক অবস্থার মধ্যে পড়েছি, মাইনে কাটা গিয়েছে। কিন্তু এই আন্দোলন অত্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের প্রতিবাদের মুখ খুলে গিয়েছে। সরকারী কর্মচারীরা সব জেনেই এতে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু তাঁরা এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ডাক থেকে তাঁরা দূরে থাকতে চাননি। এতে কর্মচারীরা আরও উজ্জীবিত হচ্ছেন।’

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    সরকারের পদক্ষেপে ভয় পাওয়ার পরিবর্তে – ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কর্মচারীরা। অনেকের কথায়, ‘জীবনে প্রথম বার শোকজ নোটিস হাতে পেয়ে গর্বিত বোধ করছি। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে পেয়ে এতটা গর্ব হয়নি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যে এতটা আনন্দ আগে বুঝতে পারিনি।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন,‘আমার স্কুলের একুশ জন শিক্ষিকার মধ্যে আমি একাই ছিলাম ধর্মঘটে (DA Protest) অংশগ্রহণকারী। তাই এই সার্টিফিকেট একাই পেলাম। সুস্থ-সবল শিরদাঁড়ার সার্টিফিকেট।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    DA: তোলা হল অনশন, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে চলবে আন্দোলন, সাফ জানাল মঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৪ দিনের মাথায় উঠল অনশন। বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে ওই অনশন (Fasting) করছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের (Songrami Joutho Moncho) সদস্যরা। তবে অনশন প্রত্যাহৃত হলেও, আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রতিবাদীরা। অনশন তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে কর্মীদের অসুস্থতার কথা জানান আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে তাপস চক্রবর্তী বলেন, দীর্ঘ অনশন আন্দোলনে অনেক কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কারও কিডনিতে সমস্যা হচ্ছিল, কেউ কেউ গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগছিলেন। তাই কর্মীদের কথা মাথায় রেখেই আপাতত ডিএর দাবিতে অনশন স্থগিত রাখা হল। তিনি জানান, বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্যের নানা প্রান্তে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলবে।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ বলেন, প্রয়োজন পড়লে ফের আন্দোলনে বসব। আমার সঙ্গে আরও এক অনশনকারী রয়েছেন তাপস সিংহ। তিনিও অনশন আপাতত স্থগিত রেখেছেন। আমাদের শারীরিক পরীক্ষা হবে। তিনি বলেন, অনেকেই অনশন শুরু করলেও, শেষ পর্যন্ত দু জন ছিলেন। ভাস্কর বলেন, আমরা শুধুমাত্র আন্দোলনের (DA) অভিমুখ ঘোরাচ্ছি। ২৯ তারিখ গণ-অনশন হবে। তবে ওই দিন বার্গার-প্যাটিস খেয়ে ফের অনশন হবে। এতদিন আমরা না খেয়ে অনশন করেছি। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে গুচ্ছ কর্মসূচি পালন করা হবে। বকেয়া ডিএর দাবিতে ৩০ মার্চ হবে সরকারি কর্মীদের মহা সমাবেশ হবে। ওই দিন গণছুটি নিয়ে শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে মহা মিছিল হবে। সেই মিছিলে হেঁটে আন্দোলনকারীরা যোগ দেবেন শহিদ মিনারের ধর্নামঞ্চে। ১০ ও ১১ এপ্রিল দিল্লির যন্তরমন্তরে দু দিনের অবস্থান বিক্ষোভে বসবেন ডিএ আন্দোলনকারীরা।

    আরও পড়ুুন: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএর (DA) দাবিতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ধর্মতলার শহিদ মিনার ময়দানে রিলে অনশন শুরু করেছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় ধারাবাহিক অনশন। দাবি পূরণ না হওয়া অবধি আন্দোলনকারীরা উঠবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ওই দাবিতে একদিনের কর্মবিরতিও পালন করেন সরকারি কর্মীরা। করেন ধর্মঘটও। কর্মবিরতি ও ধর্মঘটে শামিল হওয়া কর্মীদের শোকজ করে অনুপস্থিতির কারণ জানতে চায় রাজ্য সরকার। তার পরেও অবশ্য আন্দোলন জারি রেখেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    Recruitment Scam: একাধিক ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অয়নের স্ত্রীকে ডাকতে পারে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীলকে এবার ডাকতে চলেছে ইডি। ইডি (ED) সূত্রে খবর,অয়নের নামে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক লকারের সন্ধান মিলেছে। সেই লকারে কী আছে তা খতিয়ে দেখতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, এই লকারের বেশ কয়েকটি আছে অয়ন ও তাঁর স্ত্রী কাকলি শীলের (Kakali Shil) নামে। সেই সূত্রে এবার কাকলিকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। 

    কাকলির সঙ্গে যোগাযোগ

    ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা দু’বার কাকলির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন বলে খবর। অয়নের মূল যে সংস্থা সেই এবিএস ইনফোজোনের ডিরেক্টর পদে রয়েছেন কাকলি। ইডি আদালতে জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে অয়ন বিপুল জমি কিনেছিলেন। লকডাউনের মধ্যেও হুগলির গুড়াপে ছেলে অভিষেক শীলের নামে কোটি টাকার  সম্পত্তি কেনেন অয়ন। যার রেজিস্ট্রি খরচই লেগেছিল ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ভাঙড়ে একই দিনে তিনটি জমি কিনেছিলেন অয়ন। কাকলির নামেও বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। ইডির অনুমান, এই সব হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকায়।

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ

    রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে শুরু করে সিনেমা প্রযোজনা সব জায়গাতেই নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) টাকা লাগিয়েছিলেন অয়ন। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে পুরসভায় নিয়োগ সব জায়গাতেই  বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি ইডির। এবার এনফোর্সমেন্টের ডিরেক্টরেটের আতস কাচের নিচে অয়নের ব্যাঙ্ক লকার। এই সম্পর্কে জানতে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন ইডি আধিকারিকেরা। অয়ন গ্রেফতারের পর তাঁর সেই লকার ব্যবহার হয়েছে কি না, তা জানতে তৎপর ইডি। ব্যাঙ্ক লকারে কী এমন আছে? সেখান থেকে কোনও সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই লকার সম্পর্কিত তথ্য চেয়েই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ইডির আধিকারিকরা। এই পরিস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে অয়নের স্ত্রী কাকলিকেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ফের সিবিআই হেফাজতে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা

    SSC Scam: ফের সিবিআই হেফাজতে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ-দুর্নীতিতে জেলবন্দি এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে ফের নিজেদের হেফাজতে পেল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালত এই আবেদন মঞ্জুর  করে। ২৭ মার্চ পর্যন্ত শান্তিপ্রসাদের ঠাঁই হল সিবিআই হেফাজত।

    সুপারিশপত্রে হাতের লেখা শান্তিপ্রসাদের  

    এর আগে ধৃত এজেন্ট আব্দুল খালেকের কাছে একটি সুপারিশপত্র পাওয়া গিয়েছিল। সিবিআইয়ের দাবি, সেই হাতের লেখা শান্তিপ্রসাদের। কিন্তু কেন তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না, এই প্রশ্ন গত শুনানিতে সিবিআইকে করে আদালত। তার পরেই হাতের লেখা মিলিয়ে দেখা এবং তদন্তে আরও কিছু সূত্র বেরিয়ে আসার যুক্তিতে শান্তিপ্রসাদকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেন তদন্তকারীরা।

    কী বলছেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে গত ১৭ এবং ১৯ মার্চ প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জেরাও করেছেন তদন্তকারীরা। এর আগে দু’বার শান্তিপ্রসাদকে নিজেদের হেফাজতে পেয়েছে সিবিআই। আর কত বার?’ যদিও সিবিআই কৌঁসুলি দাবি করেন, ‘এই মামলায় অনেকগুলি নতুন সূত্র সামনে এসেছে। যে কারণে হেফাজতে রেখে জেরা করা দরকার।

    শান্তিপ্রসাদের অনুযোগ 

    এ দিকে সিবিআই সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদ এ দিন এক তদন্তকারীর কাছে অনুযোগ করেন যে তাঁর সঙ্গে কুভাষা ব্যবহার করেন তদন্তকারীরা।’ সিবিআইয়ের সেই অফিসার শান্তিপ্রসাদকে আশ্বস্ত করেন, এমনটা আর হবে না। একই সঙ্গে খানিকটা হাল্কা চালে বলেন, ক্যান্টিনের ভালো খাবার, পানমশলা দেওয়া হবে। তা শুনে হেসে ফেলেন শান্তিপ্রসাদ।

    গ্রেফতার ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থার আধিকারিক

    এদিকে, ওএমআর শিট প্রস্তুতকারক সংস্থার সিইও নীলাদ্রি দাসকে গ্রেফতার করল সিবিআই। শুক্রবার টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর গাজিয়াবাদের নাইসা সংস্থার ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়। সিবিআইয়ের সূত্রে দাবি, গ্রুপ-সির ৩৪৮১ টি, গ্রুপ-ডির ২৮২৩ টি, নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯৫২টি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯০৭টি ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Bogtui: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    Bogtui: শুভেন্দুর তোপ, মমতার আক্ষেপ! বগটুই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের বগটুইয়ের (Bogtui) ঘটনা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বগটুইয়ে নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়ে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘শাসক দল খুন করল, আবার তারাই শহিদদের স্মরণ করল। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বগটুইয়ের (Bogtui) নিহত সংখ্যালঘুদের নিয়ে নীরব থাকলেন।’’ বিরোধী দলনেতার এই বক্তব্যের পরই আক্ষেপ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কী করিনি ওদের জন্য। চাকরি দিয়েছি, ক্ষতিপূরণ দিয়েছি, সমাজিক প্রকল্পের সুযোগ দিয়েছি। তারপরেও ওরা অন্য দলের সংস্পর্শে যাচ্ছে।”

    শুভেন্দুর দাবি

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের বগটুইয়ে (Bogtui) গত বছরের ২১ মার্চ আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় ১০ জনের। ঘটনায় বিতর্কের ঝড় ওঠে রাজ্য রাজনীতিতে। তার এক বছর পার। নিহতদের স্মরণ করতেও রাজনৈতিক টানাপোড়েন। প্রথমে শহিদ বেদি তৈরি করে বিজেপি। তার কাছেই আবার রাতারাতি শহিদ বেদি তৈরি করে তৃণমূলও। পরে সেখানে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘‘আমি রাজনীতি করতে এখানে আসিনি। বগটুইয়ে (Bogtui) আমরা বিগত নির্বাচনে মাত্র ১৭টি ভোট পেয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি যে আগামী দিনেও নিঃস্বার্থভাবে আপনাদের পাশে থাকব। আপনাদের পরিবারের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার দায়িত্ব আমার।’’ সেদিনই বগটুই গ্রামের শহিদ বেদি সংলগ্ন মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা যায় অন্যান্য শহিদ পরিবারের সদস্যদেরও। এমনকী নিহতদের পরিবারের সদস্য মিহিলাল শেখকেও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিজেপির মঞ্চে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    মমতার আক্ষেপ

    বীরভূম নিয়ে শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল নেতা জানান বগটুই (Bogtui) নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মমতা। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বগটুইয়ের বাসিন্দারা এখন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাগের কারণ। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে যদি পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় তাহলে বীরভূমের বাসিন্দারা এখনই জবাব দিয়ে দেবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Scam: দমকল বিভাগের নিয়োগেও দুর্নীতি? অভিযুক্ত তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস

    TMC Scam: দমকল বিভাগের নিয়োগেও দুর্নীতি? অভিযুক্ত তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি, পৌরসভার পরে কী এবার দমকল বিভাগের নিয়োগে কী দুর্নীতি? রাজ্যজুড়ে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। দমকল বিভাগের দুর্নীতিতে নাম জড়াল তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার। ঘটনার সূত্রপাত বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্ট ঘিরে। সেখানে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেন তরুণবাবু (যদিও ওই অডিও’‌র সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’)। সেখানে এক ব্যক্তি অপর একজনের সঙ্গে দমকল বিভাগের নিয়োগ ও টাকা লেনদেন নিয়ে আলোচনা করছেন।  তাপস সাহার বিরুদ্ধে দমকল বিভাগের নিয়োগ দুর্নীতিতে (TMC Scam) জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছেন। তবে তৃণমূল (TMC Scam) বিধায়ক তাপস সাহা ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ঠিক কী শোনা গিয়েছে অডিও ক্লিপে

    এই ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘ফায়ার ব্রিগেডে তোর ওই ছেলেটার তো কাজ হয়েছে। এই মাসের ২৫ তারিখের পর বলে দেব, কোন ডেটে কলকাতায় যাবে। বাকি টাকাকড়ি রেডি করতে বল। ৫০ দেওয়া আছে আরও সাড়ে চার পাব।’ এই কণ্ঠস্বর তাপসবাবুর বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি তাপসবাবুর গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন। 

    তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন কিছু নয়

     নদিয়ার এই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Scam) বিধায়কের বিরুদ্ধে সরকারি দফতর এবং স্কুলে চাকরি পাইয়ে দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ আগেই উঠেছিল। যার জেরে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখা তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এমনকী প্রবীর কয়াল নামে তাপসের এক ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

    বিধায়ক কী বলছেন

    তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার অবশ্য দাবি, ওই কণ্ঠস্বর মোটেই তাঁর নয়। তিনি বলেন, ‘‌জেলা পরিষদ সদস্যা টিনা ভৌমিক সাহা তরুণজ্যোতি তিওয়ারির সঙ্গে যোগসাজশ করে আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন। টিনা ভৌমিক সাহা টেটে পাশ না করেও স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। ওই গলা আমার নয়। এরকম কোনও কথাও হয়নি। বিজেপি এবং তৃণমূলেরই নদিয়া জেলা পরিষদ সদস্য টিনা ভৌমিক সাহা চক্রান্ত করে এই সব কাজ করেছে।’‌

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Civic Volunteers: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    Civic Volunteers: দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না! নয়া নির্দেশিকা রাজ্য পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশে এবার রাজ্য পুলিশের তরফে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়ে সার্কুলার জারি করা হল। এই সার্কুলারে পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না (West Bengal Police)। ২৯ মার্চের মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।  সেই মতো শুক্রবার সার্কুলার জারি করে রাজ্য পুলিশ। তাতে হাইকোর্টের নির্দেশ মাফিক কোন কোন কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) ব্যবহার করা যাবে, সেই সম্পর্কিত তথ্য স্পষ্টভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে। 

    কেন নির্দেশিকা

    সম্প্রতি জেলায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) দিয়ে স্কুলে পড়ানোর বিষয়টি সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়। শিক্ষক হিসেবে সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। আবার তাঁদের কাজ কী? সেই প্রশ্নও ওঠে। এরপরই আদালত নির্দেশ দেয় সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী, নয়া গাইডলাইন তৈরি করা হল।

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

    ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা (Civic Volunteers)। পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসবে ভিড় সামলাতে, বেআইনি পার্কিং রুখতে এবং মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশকে সাহায্যকারীর ভূমিকায় থাকবেন সিভিক ভলান্টিয়াররা। তবে নির্দেশিকায় যে বিষয়টি সবচেয়ে নজর কেড়েছে, তা হল, আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও দায়িত্বপূর্ণ কাজ সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়া যাবে না। একেবারে স্পষ্ট ভাষায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা কেন্দ্রের! আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    রাজ্য পুলিশে বর্তমানে ১ লক্ষ ৭ হাজার ১৫ জন সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteers) রয়েছেন। কলকাতা পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ৬ হাজার ৯৩২ জন। ২০১২ সালে চুক্তিভিত্তিক এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ন্যূনতম শিক্ষা যোগ্যতা আগে ছিল মাধ্যমিক উত্তীর্ণ। পরে তা আরও কমিয়ে অষ্টম শ্রেণি করা হয়। সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগে নেওয়া হয় না কোনও পরীক্ষাও। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতন ৯ হাজার টাকা। আর কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান আছে এমন সিভিক ভলান্টিয়াররা থানায় ডেটা এন্ট্রির কাজ করেন। আবার রাস্তায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, লাইন সামলানো এবং যান নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন সিভিক ভলান্টিয়ারা। থানাতেও মোতায়েন রাখা থাকে। তাঁরা পুলিশ অফিসারদের সহযোগিতা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাছে কোনও অস্ত্র থাকে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share