Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • WB Governor: বাংলার নতুন রাজ্যপাল হলেন সি ভি আনন্দ বোস

    WB Governor: বাংলার নতুন রাজ্যপাল হলেন সি ভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হলেন সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে ডক্টর সিভি আনন্দ বোসকে নিয়োগ করা হচ্ছে।” তবে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যপাল পদে যোগ দেননি তিনি। আনন্দ বোস রাজ্যপালের পদ গ্রহণ করলেই, অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে মণিপুরের রাজ্যপাল লা গণেশনের মেয়াদ শেষ হবে।     

     



     

    কে এই সিভি আনন্দ বোস? 

    ১৯৫১ সালে ২ জানুয়ারি কেরলের কোট্টায়ামে জন্মগ্রহণ করেন সিভি আনন্দ বোস। ১৯৭৭ সালে আইএএস হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ১৯৮৫ সালে কোল্লামের কালেক্টর থাকার সময় নির্মিতি কেন্দ্র গড়েন তিনি। এই প্রকল্পে কম টাকায় পরিবেশ বান্ধব বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয় জনগণকে। এই ভাবনা থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েই দেশের সকলকে পাকা বাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ম্যান অফ আইডিয়া’ হিসাবে পরিচিত তিনি। সরকারের বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্পে কাজে লাগানো হয়েছে আনন্দের ভাবনা। ১৯৮৬ সালে এই আমলাই জেলা পর্যটন উন্নয়ন পরিষদ গঠন করেন। দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন প্রশাসনিক পদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সচিব হিসাবেও কাজ করেছেন আনন্দ। এ ছাড়াও কেরল সরকারের বিভিন্ন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ, জেনেভা এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিউশন এনার্জি অর্গানাইজেশন ও ফ্রান্সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও অ্যাটমিক এনার্জি এডুকেশন সোসাইটির চেয়ারম্যান ছিলেন সিভি আনন্দ বোস। জাতিসংঘে তাঁর উদ্যোগ চারবার ‘গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিস’ হিসেবে মনোনীত হয়েছে। ভারত সরকার তাঁকে জাতীয় বাসস্থান পুরস্কারে ভূষিত করে।  তিনি ‘শ্রী পদ্মনাভস্বামী’ মন্দিরের কোষাগার সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটিরও প্রধান ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই- এর পর এবার অনুব্রতকে হেফাজতে নিল ইডি       

    সরকারি আমলা থেকে রাজনীতি, বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষকতা থেকে সরকারের উপদেষ্টা, বার বার নিজেকে ভেঙে গড়েছেন সিভি আনন্দ বোস। ইংরাজি, হিন্দি, মালয়ালি একাধিক ভাষার সাহিত্যে তাঁর অবদান রয়েছে। 

    কেরল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছিলেন আনন্দ বোস। নিজের শিক্ষাজীবনে ১৫টি স্বর্ণ পদক পেয়েছেন তিনি। সুবক্তা হিসাবেও খ্যাতি রয়েছে তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন পর পর তিন বছর সেরা ব্যক্তির স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তিনি। মুসৌরির লালবাহাদুর শাস্ত্রী আইএএস ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতেও বিতর্ক সভায় প্রথম হয়েছিলেন আনন্দ।    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

     

     

            

     
  • SSC Scam: সিটের দায়িত্ব নিচ্ছেন না অখিলেশ সিং, আদালতে জানাল সিবিআই

    SSC Scam: সিটের দায়িত্ব নিচ্ছেন না অখিলেশ সিং, আদালতে জানাল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদোন্নতি হয়েছে অখিলেশ সিংয়ের (Akhlesh Singh)। দিল্লি থেকে আসামে বদলি হয়েছেন তিনি। গত ১৫ নভেম্বর তাঁর বদলিতে অনুমোদন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর। তাই স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) তদন্তে আসতে পারবেন না সিবিআইয়ের (CBI) প্রাক্তন ডিআইজি। বৃহস্পতিবার আদালতে একথা জানিয়ে দিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। প্রসঙ্গত, বুধবারই সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিআইজি অখিলেশ সিংহকে বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) মাথায় বসানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhya)।

    সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতকে জানান…

    যেহেতু অখিলেশ আসতে পারছেন না, তাই সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতকে জানান, ডিআইজি পদমর্যাদার দক্ষ এক অফিসার রয়েছেন। তাঁকে নিয়ে এসে বসানো যেতে পারে সিটের মাথায়। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, একজন নয়, ডিআইজি পদমর্যাদার তিনজন অফিসারের নাম দিন। সেখান থেকে একজনকে বেছে নেবে আদালত। বিচারপতি জানান, শুক্রবার এই বিষয়ে শুনানি হবে। আগের দিনই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন সিটেও পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। নতুন করে ‘সিট’-এ নিয়োগ করা হয়েছে অংশুমান সাহা (ডেপুটি এসপি), বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (ইন্সপেক্টর), প্রদীপ ত্রিপাঠি (ইন্সপেক্টর), ওয়াসিম আকরাম খান (ইন্সপেক্টর)। ২ অফিসারকে বাদ দিয়েছেন তিনি। এঁরা হলেন কে সি ঋষিনামল ও ইমরান আশিক। আদালতের নির্দেশ, এঁরা কোনওভাবেই এই সংক্রান্ত তদন্ত করতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার কেসি ঋষিনামল। অন্যদিকে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার ইমরান আশিক। এঁরা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির

    এরই পাশাপাশি, সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিআইজি অখিলেশ সিং-কে ‘সিট’-এর প্রধান করা হয়েছে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, নিয়োগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই তদন্ত থেকে সরে যেতে পারবেন না। অন্য কোনও মামলায় তাঁকে যুক্তও করতে পারবে না সিবিআই। আদালতের অনুমতি ছাড়া বদলিও করা যাবে না। ৭ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল অখিলেশের। তার মধ্যেই বদলি হয়ে যাওয়ায় এদিন সিবিআই জানিয়ে দিল, অখিলেশ আসতে পারবেন না।

    সিবিআই সূত্রে খবর, সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিআইজি অখিলেশ সিং ২০২১ সালের ১৭ মে নারদকাণ্ডে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় (প্রয়াত) এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে গ্রেফতার করেছিলেন। বগটুইকাণ্ড, ভাদু শেখ খুন, হাঁসখালিতে গণধর্ষণ, ঝালদা সহ একাধিক মামলার তদন্তও করেছেন তিনি। কয়লা পাচারকাণ্ড থেকে গরু পাচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তও করেছিলেন অখিলেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য! অখিল গিরিকে হলফনামা জমা দিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য! অখিল গিরিকে হলফনামা জমা দিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য কেন করলেন অখিল গিরি(Akhil Giri)? তা জানাতে হবে হলফনামায়, বলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। গত সপ্তাহে দেশের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর রাজ্যের কারা দফতরের স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী অখিল গিরির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।  সেই মামলার শুনানিতে এদিন রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের নামই ভোটার লিস্টে রাখুন’’, বিতর্কে বিধায়ক

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাহ্যিক রূপ নিয়ে যে মন্তব্য অখিল করেছেন,তার বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত একটি মামলা করেন। শুক্রবার ছিল সেই মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেন, কেন এমন মন্তব্য? তা হলফনামার আকারে জমা দিতে হবে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অখিল গিরির বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ রাজ্য নিয়েছে কিনা তা রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। পাশাপাশি, এই মন্তব্য নিয়ে পুলিশের অনুসন্ধান রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। এই মামলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন অখিলের আইনজীবী। আদালত লিখিত আবেদনের অনুমতি দিয়েছে। আগামী ১২ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকই ‘কয়লা ভাইপো’? মেনে নিচ্ছে তৃণমূল?

    পুলিশের কাছেও রিপোর্ট তলব

    উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে এক প্রকাশ্য সভায় রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করায় অখিল গিরির নামে রাজ্যের একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এমনকী রাজধানী দিল্লিতেও অখিল গিরির নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে যেসব অভিযোগ দায়ের হয়েছে রাজ্য পুলিশ সেই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী কী তদন্ত করেছে তার রিপোর্ট আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: নিখোঁজ জেলবন্দি মানিকের স্ত্রী-পুত্র! তিনটি বাড়িতেই তালা, বন্ধ মোবাইল ফোনও

    Manik Bhattacharya: নিখোঁজ জেলবন্দি মানিকের স্ত্রী-পুত্র! তিনটি বাড়িতেই তালা, বন্ধ মোবাইল ফোনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় প্রাথমিক টেট দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) নিখোঁজ হওয়া নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য জুড়ে। আর এবারে নিখোঁজ মানিকের স্ত্রী-পুত্র! এমনটাই দাবি ইডির। ইডি সূত্রে খবর, তাঁদের যাদবপুরের দু’টি বাড়িতে তালা। নাকাশিপাড়ার বাড়িতেও মা-ছেলের কোনও খোঁজ নেই। জেলে যাওয়ার আগে হঠাৎ উধাও হয়েছিলেন মানিক, তবে পরে তিনি জানিয়েছিলেন যে, তিনি কলকাতাতেই আছেন। কিন্তু এবারে স্ত্রী-পুত্রের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। এমনকি স্ত্রী–পুত্রের মোবাইল ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কোথায় গেলেন মা-ছেলে?

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    মানিকের স্ত্রী-পুত্রকে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূলের বিধায়ক মানিক (Manik Bhattacharya) বর্তমানে জেলে রয়েছে। তাঁর বিষয়ে সব খুঁটিনাটি ও আরও তথ্য বিশদে জানতে মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে সৌভিককে খুঁজছে ইডির আধিকারিকরা। এছাড়াও তাঁর নামে যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে ও তাতে যে টাকা রয়েছে সেই টাকার উৎস কী, এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতেই তাঁদের তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা কোনও মতেই ইডির মুখোমুখি হচ্ছেন না। ইডি সূত্রে খবর, সৌভিককে তলব করা হলেও তা বারবার এড়িয়ে যাচ্ছেন ও তদন্তেও সহযোগিতা করছেন না। এরপর যখন ইডির আধিকারিকরা তাঁদের ফ্ল্যাট ও বাড়িতে গিয়ে পৌঁছেছেন, তখন দেখেছেন যে, দুই জায়গাতেই তালা মারা। তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন যে, মানিক পুত্রের পাশাপাশি স্ত্রী শতরূপাও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।

    একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশ

    এর আগেই মানিকের (Manik Bhattacharya) ছেলে সৌভিকের ২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের একটিতে ২ কোটি ৬৪ লক্ষ এবং অন্যটিতে ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকার বিষয়ে সৌভিককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। আবার মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা দেবীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও তিন কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। এখানেই শেষ নয়, মানিকবাবুর মেয়ে, জামাই এবং মেয়ের শ্বশুরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টেরও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। কারণ ইডি দাবি করেছে যে, এই বিধায়কের পরিবারের সদস্য–আত্মীয়দের সঙ্গে যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আর এইসব কারণেই সৌভিক ও শতরূপাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে ইডি আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইছে ও তাঁদের পলাতক বলে জানিয়ে গ্রেফতার করার জন্য আদালতে পরোয়ানা জারি করার আবেদন করতে চাইছে ইডি।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার সচিবের নিয়োগ ইচ্ছে করে করছে না রাজ্য সরকার, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার সচিবের নিয়োগ ইচ্ছে করে করছে না রাজ্য সরকার, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় প্রথমবার ঘটল এমন ঘটনা। আর যে ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে কী এমন ঘটল? জানা গিয়েছে, রাজ্য বিধানসভার এক অনুষ্ঠানে এই প্রথম কোনও বিরোধী দলনেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে এমনটাই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি তিনি আজ রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধানসভা সচিবের নিয়োগ নিয়েও। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিধানসভার সচিবের নিয়োগে বাধা দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

    বিধানসভা সচিব নিয়োগের দাবিতে সরব হলেন শুভেন্দু

    আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাংবাদিক বৈঠক করে ফের রাজ্য সরকারকে একহাত নিলেন। আগেও একাধিক বিষয়ে শাসকদলের বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। আর এবার তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিধানসভা সচিব পদে স্থায়ী নিয়োগ করছে না রাজ্য সরকার। এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চাইলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি বিরোধীদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে এমন করছে রাজ্য সরকার।

    তিনি সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, রাজ্য বিধানসভার সচিব পদে নিয়োগ করে হাইকোর্ট। সেই পদে ২ মাস আগে ভাস্কর ভট্টাচার্যের নাম সুপারিশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তর। কিন্তু আজও ভাস্করবাবুকে নিয়োগ দেয়নি রাজ্য। তিনি আরও বলেন, বিধানসভায় কোনও পক্ষপাতিত্ব হলেই বিরোধীরা অভিযোগ জানাতে পারে সচিবের কাছে। কিন্তু এই সচিবের পদেই নিয়োগ করা হচ্ছে না। তাই তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আবেদন করবেন (Suvendu Adhikari)।

    বিধানসভার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বিরোধী দলনেতাকে…

    আবার আজ তিনি বিধানসভার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ার জন্য তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন (Suvendu Adhikari)। বিধানসভার চত্বরে আগামী শুক্রবার একটি নতুন ভবনের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। সেটি উদ্বোধন করবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার ওই নতুন ভবনে থাকবে মিউজিয়াম ও লাইব্রেরি। ভবনটির নাম মিলেনিয়াম বিল্ডিং। শুক্রবার দুপুর দেড়টা নাগাদ ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রয়েছে। আর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই ডাকা হয়নি রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। রাজ্য বিধানসভার সব অনুষ্ঠানেই কার্ডে বিরোধী দলনেতার নাম থাকার রীতি রয়েছে, তবে এবারে এই তৃণমূল সরকার সেই রীতি লঙ্ঘন করায় ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তিনি দাবি করেন, বিধানসভায় এই ঘটনা প্রথমবার ঘটল।

    অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্রে যে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নাম নেই, সেই বিষয়ে প্রথমে জানায় বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যরা। প্রথমত তাঁরাই দাবি করেন, ওই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে নাম নেই শুভেন্দুর। তারপর এই বিষয়ে শুভেন্দুকে জানানো হলে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন। আবার এদিন বিজেপি বিধায়করা জানিয়েছেন, আমন্ত্রণপত্রে শুভেন্দুর নাম না থাকায় ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না তাঁদের দাবি, রীতি অনুযায়ী বিধানসভার কোনও অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে নাম থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, পরিষদীয় মন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার। এ ক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রে শুধু মাত্র নাম রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ও স্পিকারের।

  • Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যেতে মরিয়া ইডি। গরুপাচার মামলার তদন্তে রাজধানীতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কেষ্টর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে, গত সপ্তাহে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারই পাল্টা হিসেবে গরুপাচার মামলায় এবার ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল। ইডির আবেদন খারিজের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    অনুব্রতের হয়ে কপিল সিব্বল

    বাংলার মামলায় দিল্লিতে এনে কেন জেরা করতে হবে? এই প্রশ্ন তুলে অনুব্রতর পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অনুব্রতের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে দিল্লি যাত্রা এড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবার মামলার শুনানি। ফলে এখনই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি (Enforcement Directorate)।  মঙ্গলবার আদালতে অনুব্রতের হয়ে সিব্বল জানান যে,পশ্চিমবঙ্গে এই মামলায় অধিকাংশ অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাংলাতেই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। সিব্বলের এই যুক্তির বিরোধিতা করে অনুব্রতের দেহরক্ষী তথা গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে বলা হয়,সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    ইডির মামলা

    ইডির আবেদনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলা হওয়ায় অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ইডির করা মামলার শুনানি মঙ্গলবার হয়নি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে।  গত শুক্রবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তৃণমূল নেতার নামে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি করার আবেদন করেন ইডির আইনজীবীরা। সেই আবেদন গ্রহণ করেও কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। এদিন ছিল শুনানি। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। ইডির যুক্তি ইতিমধ্যেই এই মামলায় দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সূত্রের খবর, সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে আরও বিশদে জেরা করতে চায় ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Partha Chatterjee: জল তুলে এনে স্নান করিয়ে দিতে হবে! জেলে নতুন বায়না পার্থর

    Partha Chatterjee: জল তুলে এনে স্নান করিয়ে দিতে হবে! জেলে নতুন বায়না পার্থর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। আর জেলে আসা থেকেই হরেক রকম বায়না জুড়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁকে সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে জেল কর্তৃপক্ষ। প্রায় রোজই নতুন নতুন বায়না জুড়ে বিপদে ফেলেন তাদের। 

    প্রেসিডেন্সি জেলে খাদ্য তালিকা ঠিক করাই রয়েছে। আর সেই নিয়ম মেনেই খাবার দেওয়া হয় বন্দিদের। নিয়ম মেনে বন্দিদের সপ্তাহে তিন দিন দুপুরে আমিষ পদ দেওয়া হয়। মাছ হলে প্রত্যেক বন্দি পান দু টুকরো এবং মাংস হলে চার টুকরো। এ নিয়মের অন্যথা হয় না। কিন্তু সম্প্রতি জেল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাঁকে চার টুকরো মাছ এবং মাংস হলে ছ টুকরো দিতে হবে বলে জেদ করছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, অন্য বন্দিদের থেকে তাঁকে সব সময় বেশি দিতে হবে।  

    এখানেই থেমে যান নি পার্থ বাবু। খাবার নিয়ে বায়না ছিল শুরু থেকেই। এবার এক নয়া বায়না জুড়েছেন তিনি। তাঁর নতুন দাবি, স্নানের সময় ড্রাম থেকে মগ দিয়ে জল তুলে তাঁর গায়ে ঢেলে দেওয়ারও লোক চাই। নিরাপত্তার কারণে ‘পহেলা বাইশ’ ওয়ার্ডে পার্থের দু নম্বর সেলের সামনে বড় প্লাস্টিকের ড্রামে জল রাখা থাকে। এত দিন তিনি নিজেই মগ দিয়ে সেই ড্রামের জল তুলে স্নান করতেন। কিন্তু এখন আর তাতে রাজি নন প্রাক্তন মন্ত্রী। জেল-কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এটা সম্ভব নয়। কারণ, এই ধরনের কোনও আইন বা বিধি নেই। পার্থ অসুস্থ নন। শারীরিক ভাবে তিনি সক্ষম। সে-ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। কিন্তু তা মানতে নারাজ পার্থ।

    আরও পড়ুন: ‘রোজগার মেলা’য় ফের ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    এখানেও বায়না থেমে থাকলে তাও হত। কারারক্ষীদের আরও অভিযোগ, তাঁর ফোনের সময় কোনও রক্ষী আশেপাশে থাকা চলবে না। তাঁর সেলের সামনে সর্বক্ষণ রক্ষী রাখা যাবে না, অনুমতি নিয়ে সেলের সামনে আসতে হবে বলে দাবি করেছেন পার্থ। এ দাবিও মানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কারারক্ষীরা। উল্লেখ্য, জেলের ফোন থেকে প্রত্যেক বন্দি যে-কোনও তিনটি নম্বরে দশ মিনিট কথা বলতে পারেন। পার্থ দু’টি নম্বর জেল-কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন। একটি তাঁর আইনজীবীর, অন্যটি তাঁর এক আত্মীয়ের। 

    হেফাজতে পার্থ 

    উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২৩ জুলাই নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ইডি (ED)। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তারপর একে একে গ্রেফতার হন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়রা। আপাতত প্রত্যেকেই জেলে রয়েছেন। বেশ কয়েকবার জামিনের আবেদন করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী। কিন্তু আদালত সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পার্থ-অর্পিতাদের জেল হেফাজতেই থাকতে হবে। ইতিমধ্যেই ইডি জানিয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অঙ্ক ১৫০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • CV Ananda Bose: বুধে শপথ, কলকাতায় এলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বুধে শপথ, কলকাতায় এলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্যের স্থায়ী রাজ্যপাল (Governor) হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। তার একদিন আগে মঙ্গলবার কলকাতায় পৌঁছলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং রাজ্যের ডিজিপি ও পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। বিমানবন্দরেই নয়া রাজ্যপালকে দেওয়া হয় গার্ড অফ অনারও।

    দিন কয়েক আগে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল সি ভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে লেখা ছিল, সি ভি আনন্দ বোসকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হল। তিনি যে দিন থেকে দায়িত্ব নেবেন, সেই দিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রাজ্যপালের বিমান অবতরণ করে। গার্ড অফ অনার সহ স্বাগত পর্ব শেষ হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে রওনা দেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল।

    সি ভি আনন্দ বোস…

    পদবি বোস হলেও বাংলার নয়া রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাঙালি নন। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নেতাজির প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধার কারণে বোস পদবি ব্যবহার করেন তিনি ও তাঁর পরিবার। বাংলার রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে মেঘালয় সরকারের উপদেষ্টা পদে ছিলেন প্রাক্তন এই আইএএস। তারও আগে ছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সচিব। কেরল সরকারের বিভিন্ন দফতরের প্রধান সচিব হিসেবেও পালন করেছেন নানা দায়িত্ব। বাংলার নয়া রাজ্যপাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে মোট পুরস্কার পেয়েছেন ২৯টি। বিভিন্ন ভাষায় লিখেছেন ৪০টি বই। এর মধ্যে কয়েকটি তো আবার বেস্টসেলারও। সুবক্তা হিসেবে পরিচিতিও রয়েছে বাংলার নয়া রাজ্যপালের।

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ, শহরে মিঠুন

    বাংলার নয়া রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে (CV Ananda Bose) স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে আমাদের অনেক আশা।ওঁর সম্পর্কে যা শুনেছি, তাতে মনে হয়, উনি দারুণ কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলার অস্থায়ী রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলেছিলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল লা গণেশন। এবার ফের স্থায়ী রাজ্যপাল পাচ্ছে বাংলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে খুব শীঘ্রই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতন হবে। রাজ্যে সরকার ‘আর টিকবে না’ বলে আবারও হুমকি দিলেন বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়,’দেখতে থাকুন, মহারাষ্ট্রের পর ঝাড়খণ্ড, ঝাড়খণ্ডের পর পশ্চিমবঙ্গ। দেখতে থাকুন।’ ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের উপরই জোড় দিলেন বিজেপি নেতা। শিক্ষক নিয়োগ, কর্মী নিয়োগ থেকে শুরু করে কয়লা পাচার, গরু পাচার হরেক দুর্নীতিতে জর্জরিত তৃণমূল সরকার। তাই এই সরকারের আয়ু আর বেশি দিন নেই বলেই অভিমত, শুভেন্দুর।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! আদালতে ফের সরব শুভেন্দু

    কী বললেন শুভেন্দু

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে তৃণমূলের মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য, নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও পাচার কাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার ডাকে সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল হয়। পরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলের সভায় শুভেন্দু বলেন, “মানুষ সব দেখছে। এই সরকার আর টিকবে না। মহারাষ্ট্র,ঝাড়খণ্ডের পরই পশ্চিমবঙ্গ। আপনারা শুধু অপেক্ষা করুন আর দেখতে থাকুন।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সরাসরি না করে তাঁর দাবি, “শুধু ভাতিজা (ভাইপো) নয়, বুয়াকেও (পিসি) ভেতরে (জেলে) যেতে হবে।” শুভেন্দুর আরও দাবি, “রাজ্যের একাধিক শিল্পপতি, সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুণ্ডুরা কেন বাংলার লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির ছবি কিনেছে সব সামনে আসবে। অপেক্ষা করুন।” 

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের জের, প্রতিবাদে পথে জনজাতি সমাজ

    সুকান্তর নিশানা

    এদিন মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, মোর্চার সভানেত্রী তনুজা চক্রবর্তী প্রমুখ। লকেটের অভিযোগ, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে প্রতিদিন রাজ্যে নারী নির্যাতন বাড়ছে। নারীরা সুরক্ষিত নন।” অখিলের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সুকান্ত বলেন, “ডিসেম্বরে যত ঠান্ডা পড়বে ততই কাঁপুনি বাড়বে তৃণমূলের। গোটা মন্ত্রিসভা জেলের ভেতরে থাকবে।” বেশ কয়েক মাস ধরেই বারবার ডিসেম্বর-ডেডলাইনের কথা শোনা যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের গলায়! গত  অগাস্ট মাসেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন,’ছ’মাস তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে না৷ তার আগেই ডিসেম্বরের মধ্যে ঝাপ গুটিয়ে যাবে তৃণমূলের’। গত সেপ্টেম্বরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষও বলেন, ‘ভোট এখন নেই, হয়তো ডিসেম্বরের বিধানসভা ভোটটা  হয়ে যেতে পারে’। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal Weather: কলকাতা সহ রাজ্যে আবহাওয়া কেমন থাকবে? কী বলছেন আবহবিদরা?

    West Bengal Weather: কলকাতা সহ রাজ্যে আবহাওয়া কেমন থাকবে? কী বলছেন আবহবিদরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতাসে শীতের আমেজ, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া ক্রমাগত শীতল হয়েই চলেছে। আজও তাপমাত্রা ১৭-এর ঘরেই। তবে কলকাতায় কি আদেও শীত পড়েছে, কী বলছেন আবহবিদরা (West Bengal Weather)?

    কলকাতার আবহাওয়া

    কলকাতায় গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর আজকের তাপমাত্রা ১৭.৬। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। ফলে গতকালের থেকে সামান্য তাপমাত্রা বাড়লেও আগামী কয়েক দিন এমনই তাপমাত্রা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ। বুধবার দিনের বেলা আকাশ রৌদ্রজ্জ্বল থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ও ১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে (West Bengal Weather)।

    আরও পড়ুন:সকাল-সন্ধে বাতাসে হিমেল ভাব, নভেম্বরেই কি শীতের প্রবেশ রাজ্যে?

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    এই মুহূর্তে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আগামী চার থেকে পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে ও বেলা বাড়তেই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চলে আসবে। ফলে কলকাতায় শীত আসতে এখনও মাসখানেক রয়েছে বলে মনে করেছেন আবহবিদরা। সাধারণত তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামলে এবং তা কয়েক দিন স্থায়ী হলেই শীত পড়েছে বলা হয়। বিভিন্ন জেলায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও অর্থাৎ অনেক জেলাতেই তাপমাত্রা ১৫-এর নীচে নেমেছে, ফলে সেই জায়গায় শীত পড়েছে বলে মনে করা হয়। তবে কলকাতার ক্ষেত্রে তা হয়নি। আবহবিদরা জানিয়েছেন, রাতের তাপমাত্রা অন্যান্য বছরে এই সময় যা থাকে তার থেকে ৪ ডিগ্রি কম রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে (West Bengal Weather)।

    আবহাওয়া অফিসের আবহবিদ সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এই মুহূর্তে ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপের কোনও ইঙ্গিত না থাকায় আগামী পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকবে। তবে ১৮ থেকে ২০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত আকাশ মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই (West Bengal Weather)।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের মত উত্তরবঙ্গেও আগামী চার থেকে পাঁচ দিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে (West Bengal Weather)। বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে উপরের জেলাগুলোর মধ্যে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিম সংলগ্ন উঁচু এলাকায় সামান্য তুষারপাতও হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের আর বাকি জেলায় কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রায় কোনও পরিবর্তন হবে না।      

LinkedIn
Share