Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • MGNREGA: চুরির টাকা উদ্ধার হলে তবেই বরাদ্দ ১০০ দিনের কাজে, কেন্দ্রের ফরমানে ফাঁপরে রাজ্য

    MGNREGA: চুরির টাকা উদ্ধার হলে তবেই বরাদ্দ ১০০ দিনের কাজে, কেন্দ্রের ফরমানে ফাঁপরে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনিয়ম ধরা পড়েছে। জবকার্ডধারীদের টাকা আত্মসাতও হয়েছে। সেই টাকা উদ্ধার করে সরকারি তহবিলে জমা করার নিদান দিয়েছিলেন দিল্লি থেকে আসা জাতীয় স্তরের মনিটরেরাও। কিন্তু গত তিন বছরে তা করে উঠতে পারেনি রাজ্য। ফলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক নবান্নকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১০০ দিনের কাজের টাকায় চুরির টাকা উদ্ধার না হলে এক পয়সাও দেওয়া হবে না। 

    রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি লিখে সে কথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তিরা ১০০ দিনের টাকা চুরি করেছেন, তাঁদের থেকে সে সব উদ্ধার করে ব্যবস্থা না নিলে আপাতত কোনও বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রের খবর।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের নাম বদলে বাংলা আবাস যোজনা করেছিল রাজ্য। ফলে টাকা বরাদ্দও বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। সম্প্রতি গ্রামে গ্রামে সেই ‘বাংলা’ নাম মুছে এখন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লেখা আবার শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, ১০০ দিনের চুরির টাকা উদ্ধারেও রাজ্য নাকি পদক্ষেপ করবে। এক কর্তার কথায়, উপায় নেই কিছু লোকের থেকে টাকা উদ্ধার করে এফআইআর না করলে এক টাকাও দেবে না কেন্দ্র।

    রাজ্যে ১০০ দিনের কাজে কী কী গরমিল ধরা পড়েছে?

    গত চার বছরে তিনবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল এসে সরেজমিনে ১০০ দিনের কাজ কেমন চলছে তা ঘুরে দেখেছে। প্রতিবারই যা যা অনিয়িম, দুর্নীতি ধরা পড়েছে তা রাজ্যকে জানিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছে দিল্লি। ব্যবস্থাগ্রহণের রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। তারপরেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি দিল্লি। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক চেয়েছিল, যাঁরা গরমিল করেছেন, দুর্নীতি করেছেন তাঁদের থেকে টাকা উদ্ধার করা হোক। 

    আরও পড়ুন: বাংলা আবাস যোজনা নাম মুছলে তবেই মিলবে টাকা, রাজ্যকে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

    তিন বছর ধরে রাজ্য বার বার চাইলেও সেই কাজ করেনি নবান্ন। টাকা বন্ধ হওয়ার পরে অন্য তহবিলের টাকা ১০০ দিনের কাজে জমা করে দিয়ে টাকা উদ্ধারের দাবি করেছে তারা। কেন্দ্র এতেও ক্ষুব্ধ। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সাফ কথা, আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে টাকা উদ্ধার করে ১০০ দিনের কাজের তহবিলে জমা করতে হবে। তবেই নতুন করে বরাদ্দ মিলবে।

    মন্ত্রকের কর্তারা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে কাজ ১০০ দিনের প্রকল্পে করা যায় না সেই কাজ হয়েছে। গ্রামে প্রভাবশালীদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের রাস্তাও ১০০ দিনের টাকায় কংক্রিট করা হয়েছে। এই টাকাতে নেতাদের বাড়ির বাগানে বাহারি গাছ লাগানো হয়েছে, তাও ধরা পড়েছে। কাজ না করেই টাকা তোলা হয়েছে, এক জায়গায় কাজ হয়েছে কিন্তু প্রকল্পটির বরাদ্দ টাকা রয়েছে অন্যত্র। একই কাজ ভেঙে ভেঙে অনেক কাজ দেখানো হয়েছে। ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি, যে পরিমাণ কাজ হয়েছে তার চেয়ে বেশি টাকার সরঞ্জামের খরচ ও মজুরি দেখানো হয়েছে। কেন্দ্র চুরির জন্য পুলিশে অভিযোগ জানাতে বললেও রাজ্য গা করছে না। ফলে টাকা না দিয়ে উপায় নেই।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘হিসাব’ রাখা আইনজীবীর বাড়িতে আয়কর হানা কেন? কী পাওয়া গেল জানেন?

    রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের এক কর্তা জানান, ১০০ দিনের কাজে চুরির টাকা উদ্ধার করতে হলে গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের নেতাদের গায়ে হাত দিতে হবে। হাত পড়বে নীচের স্তরের অফিসার-কর্মীদের গায়েও। এটা হলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হবে। ফলে ৩ বছর ধরে কিছুই করা হয়নি। এখন টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দিল্লিকে দেখানোর জন্য অন্তত কিছু নেতা-অফিসারের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করতেই হবে। বছরে ৬০০০ কোটি টাকা পেতে হলে অন্তত ৬০০ জনের নামে দুর্নীতির মামলা করা ছাড়া উপায় নেই। তবে নবান্ন কিছুই জানাচ্ছে না।  

  • Sukanta Majumdar: গরিব হিন্দুদের ধর্ম বদলের চাপ খোদ কালিয়াচক থানার আইসি-র!

    Sukanta Majumdar: গরিব হিন্দুদের ধর্ম বদলের চাপ খোদ কালিয়াচক থানার আইসি-র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরিব হিন্দুদের ধর্মান্তরণে চাপ দিচ্ছেন থানার আইসি! এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন তিনি। এরাজ্যে সাধারণ মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতাটুকুও রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন এই অধ্যাপক-রাজনীতিবিদ।

    মালদার (Malda) কালিয়াচকে গরিব হিন্দু পরিবারকে জোর পূর্বক ধর্ম পরিবর্তনের জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এরই প্রতিবাদে ধর্নায় বসেন ওই হিন্দু পরিবারগুলির মহিলা ও শিশুরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, কালিয়াচক থানার আইসি-ই (kaliachalk police station) তাঁদের চাপ দিচ্ছেন। ওই হিন্দু (Hindu) পরিবারগুলির অভিযোগ, তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেফতার করে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ওই এলাকায় আগেও দুই হিন্দু পরিবারকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয় বলে সুকান্তের অভিযোগ।

     

    একজন সরকারি আধিকারিকের এহেন আচরণে যারপরনাই বিস্মিত বিজেপি নেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত লিখেছেন, গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষ সংবিধান অনুসারে চলে। সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদ ভারতের প্রত্যেকটি নাগরিককে তাঁর ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের অর্থাৎ ক্ষমতায় বসে থাকা সরকারের। সেখানে একজন সরকারি পুলিশ অফিসার যিনি থানার ইন্সপেক্টর তিনি কীভাবে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য কোনও মানুষকে চাপ দিতে পারেন? এটা পুরোপুরি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    পশ্চিম বাংলায় ধর্মীয় স্বাধীনতাও বিপন্ন হওয়ায় ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি লিখেছেন,  পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে চাকরি নেই, শিল্প নেই, সুশাসন নেই, বাক্ স্বাধীনতাও নেই। এছাড়াও নানা সমস্যা রয়েছে। এর পরেই তাঁর প্রশ্ন, তাই বলে সাধারণ মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতাটুকুও থাকবে না? তাঁর আশঙ্কা, তৃতীয়বার ক্ষমতালাভের পর কিছু নিষিদ্ধ গোষ্ঠী ক্ষমতার অলিন্দে থেকে মুখোশের আড়ালে তাদের স্বার্থ কায়েম করতে চাইছে না তো?

    আরও পড়ুন : ‘১০০ দিনের কাজের টাকা গিয়েছে তৃণমূল নেতাদের পকেটে’, তোপ সুকান্তর

    হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষাও দাবি করেছেন সুকান্ত। তিনি লিখেছেন, সরকারকে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। এই পরিবারগুলোর অভিযোগ প্রশাসনকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে। তার পরেও সরকার কোনও পদক্ষেপ না করলে ভবিষ্যতে পথে নেমে এর প্রতিবাদ করবে বিজেপি।

     

  • SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    SSC recruitment scam: হাসপাতাল-বর্মে রক্ষা অনুব্রতর, পার্থর কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই(cbi) এড়াতে এসএসকেএমে(sskm) গিয়ে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mondal)। অন্ততঃ বিরোধীদের অভিযোগ এমনই। অনুব্রত পারলেও, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chaterjee) পারবেন না। কারণ বাধা হয়ে দাঁড়াবে (calcutta high court) হাইকোর্টের রায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সাফ জানায়, নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হবে পার্থকে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যান পার্থ। চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ জারি করে ডিভিশন বেঞ্চ। 

    গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই তলব করে অনুব্রতকে। পরপর পাঁচবার ডেকে পাঠানো হয়  বীরভূমের এই দাপুটে তৃণমূল নেতাকে। প্রতিবারই নানা অজুহাতে সিবিআই এড়ান তিনি। শেষবারের বেলায় অনুব্রত সটান গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমে। সিবিআই এড়াতেই অনুব্রত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেন বিরোধীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও হাসির রোল ওঠে।

    নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় নাম জড়ায় এসএসসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্তার। ওই ঘটনায় পার্থকে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। মামলাকারী আব্দুল গনি আনসারির দায়ের করা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেয়, এদিনই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে হবে পার্থকে। তবে সিবিআই এড়াতে কোনওভাবেই তিনি এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হতে পারবেন না।

    কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন পার্থ। শেষমেশ এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই চার সপ্তাহ কোনও তদন্ত করতে পারবে না সিবিআই। তার পরেই স্বস্তির শ্বাস ফেলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    হাইকোর্টের রায় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও, বিরোধীদের দাবি, সিবিআই এড়াতে রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতাই গিয়ে ভর্তি হয়ে যান এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। যার প্রমাণ মিলল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে।  সিবিআই এড়াতে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতারা যে গিয়ে তড়িঘড়ি এসএসকেএমে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন, তার হাতে গরম উদাহরণ রয়েছে আরও। তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও সিবিআই এড়াতে হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। 

     

  • Calcutta High Court: “সাপের লেজ দিয়ে…”, মাদ্রাসা-দুর্নীতি মামলায় হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: “সাপের লেজ দিয়ে…”, মাদ্রাসা-দুর্নীতি মামলায় হুঁশিয়ারি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ঝুলি থেকে ফের বেরল বেড়াল! আবারও উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission) নিয়োগে দুর্নীতি, টেটে (TET) অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল আগেই। এবার একই অভিযোগ উঠল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনেও (Madrasa Service Commission)।

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি ১৫ দিনের মধ্যে মাদ্রাসা সার্ভিক কমিশনকে ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দেন, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুনানি চলাকালীন কমিশনকে ভর্ৎসনাও করেন বিচারপতি। বলেন, “সাপের লেজ দিয়ে কান চুলকোবেন না।”

    আরও পড়ুন : এসএসসির দুর্নীতির টাকায় স্ত্রীর নামে ঝাঁ চকচকে স্কুল করেছেন পার্থ! দাবি শুভেন্দুর

    স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল বিস্তর। এবার অনিয়মের অভিযোগ উঠল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধেও। অভিযোগ, তারা অপেক্ষাকৃত কম মেধার ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ দিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করেছে। মাদ্রাসা কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই ওই নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ।

    মাদ্রাসায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জনৈক আকমল হোসেন সহ সাত জন। আদালতে তাঁরা জানিয়েছিলেন, ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। তার প্রেক্ষিতে যে নিয়োগ হয়েছিল, তাতে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এর জবাবেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, এই সাতজনকে জরিমানার অর্থ বাবদ ১০ হাজার টাকা করে দিতে হবে কমিশনকে।

    আরও পড়ুন : বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    গত কয়েক মাস ধরে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা হয়েছে একাধিক। সেই সব মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন ও বর্তমান মন্ত্রীদের নামও জড়িয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের পর্যবেক্ষণ কমিটির বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছে মামলা। এই পরিস্থিতিতে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় আদালত তাদের সতর্ক করে দেয়।

    এদিনের শুনানিতে বিচারপতি বলেন, এর আগে তাঁর এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলা দুবার এসেছে। তৃতীয়বার এই রকম অভিযোগ হলে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সাপের লেজের প্রসঙ্গ টানেন বিচারপতি। তাঁর নির্দেশ, ২০১০ সালের মাদ্রাসা কমিশনের রুল অনুযায়ী বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ভবিষ্যতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের সুযোগ দিতে হবে। কমিশনকে দিতে হবে ৭০ হাজার টাকা জরিমানাও।

     

  • Monsoon in Bengal: দক্ষিণবঙ্গে কবে থেকে বর্ষা? খুশির খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর

    Monsoon in Bengal: দক্ষিণবঙ্গে কবে থেকে বর্ষা? খুশির খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। ভিজতে চলেছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ (Gangetic West Bengal)। শুক্রবারই রাজ্যে ঢুকছে বর্ষা (Monsoon)। এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস (Weather Department)। আজ প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি চলবে একাধিক জেলায়। নামবে তাপমাত্রার (Weather Forecast) পারদ।  

    এদিকে, আজ সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ১-২ ঘণ্টার মধ্যে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও দুই ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বর্ষা এলেও আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম দক্ষিণবঙ্গে।  

    আরও পড়ুন: ‘আয়লা’ থেকে ‘অশনি’ বা ‘আমফান’ থেকে ‘ফণী’ – কীভাবে হয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ?

    উত্তরবঙ্গে আগামী চার-পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টি চলবে বলে আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। 

    সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হবে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি এবং অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা রয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়েই। নদীতে জল স্তর বাড়বে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। পাহাড়ি এলাকায় দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমবে। দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ ধ্বস নামার আশঙ্কা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: “পথে হল দেরি”, ১৬জুন বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে

    কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আদ্রতা জনিত অস্বস্তি কিছুটা হলেও কমবে। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই কম-বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজ্যের দিকে এগোচ্ছে। শুক্রবার তা রাজ্যে প্রবেশ করবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। 

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এমনকি কলকাতাতেও আজ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রী সেলসিয়াসের কাছাকাছি। 

    গত ২৪ ঘণ্টায় পুরুলিয়ায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাছাড়া রাজ্যজুড়ে বৃহস্পতিবার কোথাও বৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতাসহ আশেপাশের কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুতসহ বৃষ্টির পুর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।  

      

  • Partha-Arpita: পুর-ভোটে অর্পিতাকে প্রার্থী করতে মরিয়া ছিলেন পার্থ? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Partha-Arpita: পুর-ভোটে অর্পিতাকে প্রার্থী করতে মরিয়া ছিলেন পার্থ? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Recruitment Scam) অভিযুক্ত হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukhopadhyay)। তদন্তে পার্থ-অর্পিতার বিশাল বেআইনি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। ফলে বর্তমানে দুজনেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল হেফাজতে রয়েছেন। একথা এখন সবারই জানা। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে যে, অর্পিতা পার্থর কতটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন? আর তারই এক প্রমাণ হিসিবে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য এবারে উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, অপার শুধুমাত্র বিশাল সম্পত্তিই ছিল না, পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতাকে পুরসভা নির্বাচনে (Municipal Election) তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর পরিকল্পনা সফল হয়নি।

    আরও পড়ুন: রাজসাক্ষী হচ্ছেন অর্পিতা! চার্জশিটে কী বলল ইডি?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, অর্পিতা, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এতটাই কাছের ছিলেন যে, অর্পিতাকে পুরসভা নির্বাচনে কামারহাটি পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, অর্পিতা মুখোপাধ‌্যায় কে? দলের সঙ্গে কী সম্পর্ক তাঁর? যাঁকে কেউ চেনেনই না তাঁকে প্রার্থী করা হবে কেন? এতসব‌ প্রশ্ন করেছিলেন তৃণমূলের নেতারা। বিশেষ করে বিধায়ক মদন মিত্র এবং গোপাল সাহার আপত্তিতেই পার্থর এই ইচ্ছাটি পূরণ হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

    আরও জানা গিয়েছে, অর্পিতা ও পার্থর সাক্ষাৎ নাকতলা উদয়ন সংঘের পুজোতে হয়নি। এরও আগে তাঁদের আলাপ হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এক বস্ত্রবিপণিতে সেলস গার্লের কাজ করতেন অর্পিতা। সেখানেই পার্থ তাঁকে দেখেছিলেন। এরপর পার্থর তাঁকে পছন্দ হওয়ায় তাঁর নাম জিজ্ঞাসা করা থেকে শুরু করে ফোন নম্বরও শেয়ার করে। তারপরই দুর্গাপুজোয় পার্থ আমন্ত্রণ করেন অর্পিতাকে। এছাড়াও নিউ ব্যারাকপুরের একটি রেস্তোরাঁয় নিয়মিত যেতেন অপা, এমনটাই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dilip Ghosh: “খালি মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন…মানুষ কি বুঝতে পারে না!”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “খালি মোদিজীর টাকায় ফুটানি মারবেন…মানুষ কি বুঝতে পারে না!”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কেন্দ্রের (central government) কাছে বিপুল বকেয়া টাকার (pending dues) হিসেব নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন (Nabanna) সভাঘর থেকে কেন্দ্রের এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Modi) বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। এমনকী, রাজ্যের চিঠিতে কেন্দ্র  জবাব দিচ্ছে না অভিযোগ তুলে মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। এবার এই ইস্যুতেই তৃণমূল সুপ্রিমোকে পাল্টা বিঁধলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতার তোলা অভিযোগের একের পর এক জবাব দিলেন বিজেপি সাংসদ। বললেন, ‘‌রাজ্যের বকেয়া রয়েছে নাকি। দিল্লির কাছে আমিও জানতে চাইছি ৯৭ হাজার কোটি টাকার হিসেব এল কোথা থেকে? ৪৩ হাজার কোটি টাকা আমফান–সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য তা বোঝা গেল৷ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে চড়ে যে খরচ করেছেন সেই খরচ দাবি করছেন। 

    অন্য রাজ্যের উদাহরণ দিয়ে বিজেপি নেতার  আরও কটাক্ষ, ‘পার্টির লোককে সরকারি পয়সায় পুষবেন আর সেই টাকা দিল্লি দেবে? অন্য রাজ্য কান্নাকাটি করে না। কেন টাকা নেই টাকা নেই বলে দাবি? খালি মোদিজির টাকায় ফুটানি মারবেন। আর দিল্লির প্রকল্প নিজের নামে চালাবেন। বাংলার মানুষ কি বুঝতে পারে না?’

     

     

     

  • Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা,  এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে বোমা, এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনআইএ-র (NIA) হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের(Arjun singh) বাড়ির সামনে বোমা রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ব্যারাকপুরের বিজেপি (BJP) সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে থেকে ৪৫টি বোমা উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় তৃণমূল নেতা সুনীল সিংয়ের (Sunil singh) ছেলেকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন অর্জুন সিং। তার পর থেকে তাঁকে নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকবার তাঁর ওপর হামলাও করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মতান্তরের জেরে দল ছাড়েন অর্জুন। তাঁর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দল তৃণমূল সঙ্গ ত্যাগ করেন সুনীলও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় ৭৭টি আসন পায় বিজেপি। রাজ্যের ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এর পরেই বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে ফের তৃণমূলে যোগ দেন সুনীল। পুরভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে কাউন্সিলরও হন তিনি।   

    বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে অর্জুনকে শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লাগে রাজ্যের শাসক দল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে চরমে ওঠে রাজ্যের শাসক দলের অত্যাচার। অর্জুনের বাড়ির সামনে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করেও একবার বোমা ছোড়া হয়। তার পরেও তৃণমূলে ফেরানো যায়নি অর্জুনকে।

    সম্প্রতি অর্জুনের বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার হয় ৪৫টি বোমা। এক সঙ্গে এতগুলি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জঙ্গি যোগের গন্ধ পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত শুরু হতেই উঠে আসে সুনীলের ছেলের নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ছেড়ে শাসক দলে যোগ দিতেই সুনীলকে শায়েস্তা করতে লেগেছে কেন্দ্র। তাই গ্রেফতার করা হয়েছে সুনীলের ছেলেকে। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির পাল্টা দাবি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউই নন।

    আরও পড়ুন : মুম্বইজুড়ে দাউদ-সঙ্গীদের খোঁজে হানা এনআইএ-র, গ্রেফতার ছোটা শাকিলের ভগ্নিপতি

     

     

     

  • Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক মহড়া চাক্ষুষ করলেন উত্তরবঙ্গের (North Bengal) আমজনতা। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাছে তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে (Teesta field firing range) সম্প্রতি হয়ে গেল ওই মহড়া। ভারতীয় সেনার (Indian Army) ত্রিশক্তি কোরের (Trishakti corps) সঙ্গে ওই মহড়ায় যৌথভাবে অংশ নেয় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)। সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি ও সক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই বিশেষ মহড়ার। যার পোশাকি নাম “কৃপাণ শক্তি” (EX KRIPAN SHAKTI)।

    যৌথবাহিনীর ওই মহড়ায় প্রথমে সক্ষমতা প্রদর্শন করে ত্রিশক্তি কোরের সদস্যরা। লক্ষ্যবস্তুতে তাঁরা কত দ্রুত আঘাত হানতে পারেন, তারই প্রমাণ দেন এই সেনা জওয়ানরা। লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষিপ্র গতিতে আঘাত হানতে পারার কারণেই এই বাহিনীর এত নামডাক। এদিন এই বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্নরকমের সামরিক হাতিয়ার ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে দেখান। বন্দুক, মর্টার, ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিক্যালস, হেলিকপ্টার সহ বিভিন্ন সেনা-সরঞ্জাম। কেবল শব্দ শুনেই কীভাবে লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে হয় (sensor to shooter), এদিন মহড়া হয়েছে তারও।

    এদিনের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Central Armed Police Forces) জওয়ানরাও। দক্ষতার প্রমাণ দেন এই জওয়ানরাও। বিপদ ঘনালে এই দুই বাহিনী যে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, এদিন মূলত মহড়া হয়ে গেল তারই।

    মহড়া শেষে আয়োজন করা হয়েছিল অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শনের। আমজনতাও তিস্তা রেঞ্জে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন হাতিয়ার চাক্ষুষ করেন। মহড়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সেনা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তরুণ কুমার আইচ, ত্রিশক্তি কোরের জেনারেল কমান্ডিং অফিসার সহ দস্থ সেনাকর্তারা। কর্তাদের পাশাপাশি মহড়া চাক্ষুষ করেছেন বিএসএফ (BSF), সশস্ত্র সীমা বল (SSB), স্থানীয় সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের লোকজন। উপস্থিত ছিলেন স্কুল-কলেজের এনসিসি (NCC) ক্যাডেটরাও।

    সেনার এক মুখপাত্র জানান, মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের জওয়ানদের মনোবল বাড়ানো। বিদেশি যে কোনও শক্তির মোকাবিলা করতে আমাদের সেনা যে প্রস্তুত, সেই বার্তাও দেওয়া হয়।

     

  • Summer Vacation: কেন্দ্রের টাকা মারতেই কি স্কুলে গরমের ছুটিবৃদ্ধি? তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Summer Vacation: কেন্দ্রের টাকা মারতেই কি স্কুলে গরমের ছুটিবৃদ্ধি? তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতে এবার ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা মমতা প্রশাসনের। রাজ্যে স্কুলের ছুটির মেয়াদ আরও ১১ দিন বাড়াল স্কুল শিক্ষা দফতর (West Bengal School Department)। স্কুল ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৫ জুন।  কিন্তু এখন স্কুলে গরমের ছুটির মেয়াদ আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি গরম ও আর্দ্রতার কারণে রাজ্যে একাধিক মৃত্যু। পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের। পড়ুয়াদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত বলে জানাল সরকার। অসহনীয় গরমে পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে এর আগে গ্রীষ্মের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। ১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত গরমের ছুটি দেওয়া হয়েছিল। নবান্নর (Nabanna) এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। 

    আরও পড়ুন: হয় ছুটি নয় অনলাইন, রাজ্যের চাপ বেসরকারি স্কুলগুলিকে, কটাক্ষ বিজেপির

    সেই ‘সমালোচনা’র রেশ কাটতে না কাটতেই ফের স্কুলে গরমের ছুটি নিয়ে দ্বিমত তৈরি হল। গরমের ছুটি বাড়ানো নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে শিক্ষা দফতরের ভূমিকা। সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনায় সরব হয়েছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত একেবারে ‘অযৌক্তিক’।

    শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার বলেন, ‘এই তো বর্ষা এসে যাবে। দু’একদিনের মধ্যে বর্ষা এসে যাবে। এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অতিমারী গেল, স্কুল এতদিন বন্ধ। অন্তত সপ্তাহে চারদিন খোলা থাক। নয়তো সপ্তাহে অন্তত তিনদিন খোলা থাক।’ একইভাবে, শিক্ষাবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি বলেন, এটা নিয়ে ভাববার সময় এসেছে। তাঁর মতে, করোনা কালে দুবছর পড়াশোনা হয়নি, তারপর আগেই গরমের ছুটি বেড়েছে। এরপর ছুটি বাড়ানো হলে পড়াশোনার অভ্যাসটাই চলে যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: পঁচিশে পাশ, পঁয়ত্রিশে বিজ্ঞানের পাঠ

    তবে, রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অন্য সমীকরণ দেখছে বিজেপি (BJP)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Leader of Opposition) শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারীর দাবি, কেন্দ্রের টাকা মারতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল সরকারের। তিনি জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা মারতেই মমতার সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

LinkedIn
Share