Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত,  রাতেই  নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত, রাতেই নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সকালে গ্রেফতার। সন্ধ্যায় সিবিআই হেফাজত। আপাতত দশ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ অনুব্রত মণ্ডলকে। রাত পৌনে তিনটে নাগাদ অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই নিয়ে এল কলকাতায় নিজাম প্যালেসে। এই নিজাম প্যালেসেই বারবার তলব করা হয়েছিল বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে। কিন্তু ৯ বার এই ডাক এড়িয়ে যান তিনি। তাই বৃহষ্পতিবার সকালেই অনুব্রতর বাড়ি ঘিরে ফেলে সিবিআই। গেট বন্ধ থাকায় প্রায় আধ ঘণ্টার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গোয়েন্দাদের। তারপর গেট খুলিয়ে ঢুকতে হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। বিকেল পাঁচটায় হাজির করানো হয় আসানসোলের বিশেষ আদালতে। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শেষ হয় শুনানি। তারপর বিচারক জানান, ২০ আগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই সঙ্গেই আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য কোথাও নয়, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। 

    হাসপাতাল নয়, গেস্ট হাউসেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সোজা আসানসোলে (Asansol)। আসানসোলের কুলটিতে ECL-এর গেস্ট হাউসে থামে সিবিআইয়ের গাড়ি। সেখানেই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। শীতলপুর গেস্ট হাউসে অনুব্রতের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন স্থানীয় কোলিয়ারির সাঁকতরিয়া হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তাঁর রক্তচাপ মাপা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেওয়া হয় বলেও সূত্রের খবর। গেস্ট হাউসের বাইরে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। অক্সিজেন সিলিন্ডারও মোতায়েন রাখা হয়। বীরভূমের এই দাপুটে নেতার (Anubrata Mondal) শারীরিক যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করতে যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা প্রস্তুত তা এই আগাম প্রস্তুতি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

    ওই গেস্ট হাউসে অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরই তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। অনুব্রতর বিরুদ্ধে ৪১ পাতার চার্জশিট তৈরি করা হয়। তবে, হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে ECL-এর গেস্ট হাউসে কেন অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে ওই গেস্ট হাউসে মোতায়েন ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। কেন্দ্রীয় জওয়ানরা পুরো গেস্ট হাউস বাইরে থেকে ঘিরে রাখেন। গ্রেফতারি মেমোতে কেষ্টকে সই করিয়ে বৃহস্পতিবারই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলেন।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    অনুব্রতকে আটক করা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। তবে অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ বলেন, ‘‘অনুব্রতবাবুকে ৪১-এ ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। গ্রেফতার নয়। ওঁকে আটক করা হয়েছে। আমার মক্কেল তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাতে সিবিআই সন্তুষ্ট হবে আশা রাখি।’’

  • Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    Anubrata Mondal: ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত অনুব্রতের! জানেন কী বলল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) গ্রেফতার বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রায় শোনান বিচারক। এদিন আদালতে অনুব্রতর জামিনের আবেদনই করেননি তাঁরা আইনজীবী। সিবিআই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায়। সূত্রের খবর, আজ রাতেই অনুব্রতকে কলকাতায় নিয়ে আসতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতারির পর বীরভূমের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে বিকেল ৫টা নাগাদ আসানসোলে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে তোলা হয়। বিচারপতি রাজেশ চক্রবর্তী ধৃত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে পাঠান। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিচারপতি। আদালতের নির্দেশ, কোনও কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন পড়লে, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে দেখাতে হবে। ওই সময় তাঁর দু’জন আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি ধারা এবং আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের ৭,১০,১১ এবং ১২ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    অনুব্রতকে আদালতে নিয়ে পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়ায়। আদালত চত্বরে ‘চোর’, ‘গরুচোর’ বলে চিৎকার করে ওঠে উপস্থিত জনতা। অনেকে চটি হাতে তেড়ে যায়। বিক্ষোভ হয় আদালত ভবনের ভিতরেও। এর পর কোনওক্রমে অনুব্রতকে কোর্ট লকআপে ঢোকায় সিবিআই। অনুব্রতর আইনজীবী জানান, অনুব্রত অসুস্থ। তা সত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তখন অনুব্রতর কাছে তাঁর অসুস্থতার ব্যাপারে জানতে চান বিচারক। বিচারককে অনুব্রত বলেন, তাঁর শ্বাসকষ্ট রয়েছে। বুকে ব্লকেজ, ব্যথা রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ, ফিসচুলা, কিডনিক সমস্যা এবং পা ফুলে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি।

    পালটা সওয়ালে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তাঁদের কাছে একাধিক প্রমাণ রয়েছে। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে তাতে মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে। অনুব্রতকে জেরা করলে অনেক নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চায় সিবিআই। দুপক্ষের বক্তব্য শুনে অনুব্রত মণ্ডলকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আগামী ২০ অগাস্ট ফের তাঁকে আদালতে পেশ করতে হবে।

  • Anubrata Mandal: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    Anubrata Mandal: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোলপুরে (Bolpur) ফের সিবিআই (CBI) হানা। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুই আধিকারিক হানা দিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) ঘনিষ্ঠ জনৈক বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বাড়িতে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি। তার পরেই বোলপুর পুরসভার এই সাফাই কর্মীর বাড়ি থেকে চলে যান সিবিআই আধিকারিকরা।

    গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তার পরেই পর্দা ফাঁস হচ্ছে একের পর এক রহস্যের। অনুব্রতর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির নাগাল পাওয়ার পর এবার তাঁর ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে হানা দেন সিবিআইয়ের দুই আধিকারিক। রবিবার ভরদুপুরে বিদ্যুৎবরণের কালিকাপুরের দোতলা বাড়িতে তল্লাশি চালান তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জেনেছেন, একাধিক কোম্পানিতে লগ্নি রয়েছে অনুব্রতর। সেই কোম্পানিগুলিতে অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের সঙ্গে যুগ্ম ডিরেক্টর রয়েছেন এই বিদ্যুৎবরণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হওয়ার পর থেকেই ডালপালা মেলে বিদ্যুৎবরণের সম্পত্তি। পুরসভার এক সাফাইকর্মীর এত সম্পত্তির উৎস কী, মূলত তা জানতেই এদিন বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয় বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। যদিও সিবিআই হানা দেওয়ার সময় বাড়িতে ছিলেন না বোলপুর পুরসভার ওই সাফাই কর্মী।

    আরও পড়ুন : ‘‘অনুব্রত ওয়েব সিরিজের সবে প্রথম ও দ্বিতীয় এপিসোড বেরিয়েছে…’’, খোঁচা সুকান্তর

    দিন কয়েক আগে বোলপুরেরই বোম ভোলে চালকলে হানা দেয় সিবিআই। সেই চালকলের ভিতরে থাকা গ্যারেজগুলিতে হদিশ মেলে পাঁচটি দামি গাড়ির। সেই গাড়িগুলিতে সাঁটানো ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার লেখা স্টিকার। উদ্ধার হয় একটি পাইলট কারও। গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর গ্রেফতারির আগে থেকেই নানা সময়ে তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। নানুরের বাসাপাড়ার তৃণমূল নেতা করিম খানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। তল্লাশি চালানো হয়েছে সিউড়ির পাথর ব্যবসায়ী জনৈক টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও। পরে তল্লাশি চালানো হয় খোদ অনুব্রতর বাড়িতে। রবিবার হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে। এর পর কার পালা, আপাতত সেই প্রশ্নেই বুঁদ বীরভূম।

    এদিকে, অনুব্রতর শারীরিক অসুস্থতার যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত ফের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার পরেই আসানসোল থেকে তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

  • Bratya on Sukanya Job: বিনা টেটে সুকন্যার মাস্টারি কাঠগড়ায় তুলল ব্রাত্যকে!

    Bratya on Sukanya Job: বিনা টেটে সুকন্যার মাস্টারি কাঠগড়ায় তুলল ব্রাত্যকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট (Primary TET) পাশ না করেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা (Sukanya Mondal) যে প্রাথমিক শিক্ষিকার চাকরি (Primary Teachers Job) পেয়েছিলেন, এমন অভিযোগ কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) তোলা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতির নির্দেশে আজ, বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে টেট শংসাপত্র সহ সশরীরে হাজির হতে হবে কেষ্ট-কন্যাকে। আদালতে দায়ের হওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরেই কালিকাপুর প্রাইমারি বিদ্যালয়। সেখানেই শিক্ষকতার চাকরি করতেন অনুব্রত কন্যা। যদিও যোগদানের পর থেকে আর বিদ্যালয়ে যাননি তিনি। বাড়িতেই পাঠিয়ে দেওয়া হত রেজিস্টার। তার প্রেক্ষিতেই অনুব্রত-কন্যাকে হাইকোর্টে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    তবে, চমকের এটাই শেষ নয়। জানা গিয়েছে যে, ২০১২ সালে টেটের ভিত্তিতেই চাকরিতে যোগদান করেছিলেন সুকন্যা। অর্থাৎ, ২০১২ সালের টেট পরীক্ষা হয়। সুকন্যার নিয়োগ হয় ২০১৩ সালে। সময়টা গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, সেই সময় শিক্ষামন্ত্রীর গদিতে ছিলেন ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। রাজ্যে পালাবদলের পর, ২০১১ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সময় মমতা মন্ত্রিসভার প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ব্রাত্য। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। অর্থাৎ কিনা, সুকন্যার নিয়োগ প্রক্রিয়া যে সময় ঘটেছে, তখন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য তাঁর মধ্যগগনে। 

    আরও পড়ুন: টেট পাশ না করেই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি? এবার কাঠগড়ায় কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে গেল, তখন নিয়োগের দায় অস্বীকার করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সাফাই দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ওটা যাদের সময়ে হয়েছে, তাদেরকেই দায় নিতে হবে। তারাই উত্তর দিতে পারবে। কিন্তু, সুকন্যার নিয়োগের বিষয়ে কী বলবেন ব্রাত্য? তথ্য তো বলছে, কেষ্ট-কন্যার নিয়োগ প্রক্রিয়া তাঁর আমলে হয়েছে। যদিও, এখন সুকন্যার মাস্টারি নিয়ে প্রশ্ন শুনে আকাশ থেকে পড়ছেন ব্রাত্য। বুধবার তাঁকে এই মর্মে প্রশ্ন করা হলে ব্রাত্য জানান, তিনি নাকি জানেনই না, কেষ্ট-কন্যা রাজ্য সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন! বলেন, ‘‘উনি কবে চাকরি পেয়েছেন? উনি যে স্কুলে পড়ান তাই জানতাম না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখব।’’ 

    এখানে বলে রাখা দরকার যে, কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে ব্রাত্যর দিকেও শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ওই ভিডিওতে বলতে শোনা গিয়েছিল ব্রাত্য বসু ঘনিষ্ঠ দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজু সেন শর্মাকে। ভিডিওতে রাজুকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘দাদা প্রাইমারিতে আমাদের ছেলেদের চাকরি দিয়েছে এবং আমরা যা বলেছিলাম তার কয়েক গুণ বেশি দিয়েছে।’’ আবার অন্য একটি ভিডিয়োতে ব্রাত্য বসুর গলায় শোনা যাচ্ছে, ‘‘চাকরি তো তৃণমূলের ছেলেরাই পাবে, কখন পাবে কীভাবে সেটা বলব না।’’ যদিও ওই ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    আরও পড়ুন: স্কুলে চাকরি করেই কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি সুকন্যার! কী করে? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    পার্থর ঘটনার প্রেক্ষিতে ঘটা করে সাংবাদিক সম্মেলন করে পার্থ-ববিরা বলেছিলেন, ‘‘পার্থ যা করেছেন, তাতে আমরা লজ্জিত। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে, তৃণমূলের সবাই চোর।’’ এখন সুকন্যা-ইস্যুতে কি বলবেন ব্রাত্য? তাঁর কি লজ্জা হচ্ছে? সময়ই দেবে এর উত্তর।

  • Anubrata Mondal: স্কুলে চাকরি করেই কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি সুকন্যার! কী করে? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    Anubrata Mondal: স্কুলে চাকরি করেই কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি সুকন্যার! কী করে? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় স্কুল-শিক্ষিকা। তাতেই কেষ্ট-কন্যার অর্জিত সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক’শ কোটি টাকারও বেশি! কী করে? গরুপাচার মামলার (Cattle smuggling case) তদন্তে এই প্রশ্নের উত্তরই এখন হন্যে হয়ে খুঁজে চলেছে সিবিআই (CBI)। যে কারণে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের পাখির চোখ ফের একবার বোলপুরের (Bolpur) নিচুপট্টিতে অনুব্রতর বাড়ি। এবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) স্কুল শিক্ষিকা মেয়ে সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সিবিআই।

    এদিন সকালে, নিচুপট্টির বাড়িতে সুকন্যাকে জেরা করতে পৌঁছ গিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু, আইনজীবী মারফৎ সুকন্যার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, মা বেঁচে নেই, বাবা হেফাজতে। তিনি বাড়িতে একা রয়েছেন। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাই এমতাবস্থায় তিনি কথা বলতে চান না। তবে, সিবিআই যে এত সহজে ছেড়ে দেবে, তা হয় না।

    গরুপাচার মামলার তদন্তে সিবিআই যে আঁটঘাঁট বেঁধেই নেমেছে, তা বলাই বাহুল্য। সুকন্যার পাশাপাশি, বুধবার পূর্ব পল্লিতে সিবিআই-এর শিবিরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অনুব্রতর অ্যাকাউন্ট্যান্ট মণীশ কোঠারিকে। প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে সিবিআই-এর হাতে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: কয়লা-গরু পাচারে সন্ধান ‘সেটিং গুরু’ দয়িতাপতির, খোঁজ নিচ্ছে ইডি-সিবিআই

    সূত্রের খবর, অনুব্রতর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সিবিআই দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি দল যায় আদালতে। সেখানে সার্চ ওয়ারেন্ট বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অন্য একটি দল সেই সময় পৌঁছয় স্থানীয় ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া শাখায়। সেখানে মণীশ কোঠারিকে জেরা করে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখেন গোয়েন্দারা। ডিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ব্যাংকের আধিকারিকদেরও।

    কেন সিবিআইয়ের নজরে সুকন্যা?

    সিবিআই সূত্রে দাবি, কয়েক বছর আগে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি পাওয়া সুকন্যার আয়ের সঙ্গে তাঁর নামে থাকা সম্পত্তি সঙ্গতিহীন।  তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুকন্যার নামে বোলপুরে কেনা হয়েছে জমি, চালকল-সহ একাধিক সম্পত্তি। সূত্রে খবর, অনুব্রত-কন্যার  নামে এখনও পর্যন্ত বোলপুরেই দশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। এর প্রায় প্রতিটিই ২০১৪ থেকে ২০১৬-র মধ্যে কেনা হয়েছে। 

    এ ছাড়াও, সুকন্যার নামে দ্বিতীয় কোম্পানির হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে দাবি। নীড় ডেভেলপার প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই রিয়েল এস্টেট কোম্পানি তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে, যার শেয়ার ক্যাপিটাল ছিল দেড় কোটি টাকা। এএনএম অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডের ঠিকানাতেই তৈরি হয় এই রিয়েল এস্টেট কোম্পানি।

    আরও পড়ুন: যৌথ ব্যবসার সত্যতা স্বীকার অর্পিতার! জেলে গিয়ে পার্থকে দেড় ঘণ্টা জেরা ইডি-র

    আবার বোলপুরের কালিকাপুরের হারাধন মণ্ডল রোডে এই একই ঠিকানায় কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ভোলে ব্যোম রাইস মিলেরও। অর্থাৎ একই ঠিকানায় রয়েছে তিন-তিনটি কোম্পানি। সিবিআই সূত্রের দাবি, বেনামেও সুকন্যার মালিকানায় কোম্পানিও খোলা হয়েছে, যার শেয়ার ভ্যালু কোটি টাকা। পেশায় স্কুলশিক্ষিকা অনুব্রত-কন্যার নামে এত সম্পত্তি কীভাবে হল, সেটাই জানতে চান সিবিআই আধিকারিকরা। 

  • Mamata Banerjee Profile Pic: মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

    Mamata Banerjee Profile Pic: মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার বদল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপলক্ষ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবিতে সাজানো সেই প্রোফাইল ছবি। নীচে ট্রাই কালার রিবন। ৭৫তম বার্ষিকী লেখা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ফেসবুকের প্রোফাইল ছবিতে কোথাও জওহরলাল নেহরু নেই!

    গান্ধী আছেন, অথচ নেহরু নেই। ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান অব ইন্ডিয়া’ দাদাভাই নৌরজি আছেন, কিন্তু স্বাধীনতা সময়ে কংগ্রেসের নেতা জওহরলাল নেহরু নেই। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নেই অথচ আছেন দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। আছেন, বাল গঙ্গাধর তিলক-বিপিনচন্দ্র পাল-লালা লাজপত রাই। আছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রাসবিহারী বসু, কিন্তু কোথাও জওহরলাল নেহরু নেই। কেন নেই? জানেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ব্যাপারটা এমন নয় যে যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর প্রোফাইল পিকচার বানিয়েছেন, তাঁদের কাছে নেহরুর ছবি নেই। বরং গত ৭৫ বছর ধরে যে দুজনের মুখের সঙ্গে দেশবাসী সবচেয়ে বেশি পরিচিত তাঁরা হলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী এবং জওহরলাল নেহরু। তাহলে কি শিল্পীর কাছে নির্দেশ ছিল ওই নির্দিষ্ট একজনের ছবি দেওয়া যাবে না। নইলে তিনি সেই ছবি ব্যবহার করলেন না কেন? কারণ এমন অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীর ছবি আছে, যাদের ছবি বিরল। তাহলে কি জওহরলালের ছবি না রাখার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? তাহলে কি সচেতন বর্জন নেহরুকে? রাজনীতির মানুষ আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। পিছনেও নিশ্চিত থাকবে সেই রাজনীতির ভাবনাই। কি সেই রাজনীতি…?

    কি সেই রাজনৈতিক কারণ?  
    বিশ্লেষকরা বলছেন, “সচেতন ভাবেই নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের পিকচারে জওহরলাল নেহরুর ছবি রাখতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোই এর পিছনের কারণ হতে পারে।”

    কেন মনে হচ্ছে এমন কথা? কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর পিছনের যুক্তি কি? 
    রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বক্তব্য, “অন্যান্য ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যাবে পিছনের যুক্তি। আসলে কখনও কখনও ছবিও কথা বলে।”
    তাহলে চলুন দেখি কি কথা বলল নতুন ছবি। ছবির দিকে তাকিয়ে দেখুন। কারা আছেন ছবিতে?
     
    আছেন সরোজিনী নাইডু, মাতঙ্গিনী হাজরা, প্রীতিলতা ওয়াদেদার। আছেন, বীণা দাস, যিনি জ্যাকসনকে গুলি করেছিলেন। আছেন কল্পনা দত্ত যিনি পরে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা পিসি যোশীকে বিয়ে করে কল্পনা যোশী হয়েছিলেন। আছেন চন্দ্রশেখর আজাদ, ভগত সিং, বটুকেশ্বর দত্ত যাঁরা স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়েই সাম্যবাদী ভাবধারায় পথ খুঁজছিলেন স্বাধীনতার। রাজনৈতিক ভাবে বামেদের শেষ করেই এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছেন মমতা। সেই সিপিএমের আইকনিক স্বাধীনতার শহিদদের হঠাৎ এত গুরুত্ব কেন?  

    তাহলে কি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বামেদের সমর্থনের জমিতে হাত বাড়াতে চাইছেন মমতা? নাকি সহিংস আন্দোলনের নেতাদের সামনে রেখেই চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনী সাম্পানে উঠতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। যেখানে কংগ্রেসের নেতৃত্বকে অস্বীকার করেই নিজেই নেতা হতে চান মমতা? সেই কারণে কি, কংগ্রেসের অতীত নেতাকে অস্বীকার করে, স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেসের ভূমিকাকেই ছোট করে দেখানোর চেষ্টা। কারণ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধী জোটের যে স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখছেন সেই তরী তীরে নিয়ে যেতে হলে দেশের সব রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা কংগ্রেসকে বড়দাদা হিসেবে মেনে চলতে হবে। কংগ্রেসকে নেতা মানতে আপত্তি একাধিকবার জানিয়েছেন মমতা। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বেচারি জওহরলাল নেহরুও কি মমতার “কংগ্রেস রোষে”র শিকার হলেন? 

    আরও একটা যুক্তি তাহলে পাশাপাশি এসে যাচ্ছে। সেটা হল, জওহরলাল নেহরু নেই। কিন্তু স্পষ্ট ভাবে সেন্টার স্টেজে আছেন লৌহমানব বল্লভভাই প্যাটেল। নীচ থেকে দ্বিতীয় সারিতেই। যাতে প্রথমেই চোখ যায়। আর আছেন ঋষি অরবিন্দ ঘোষ, একেবারে উপরে দ্বিতীয় সারিতে। তাহলে নীচ থেকে দ্বিতীয় সারিতে বল্লভভাই প্যাটেল আর ওপর থেকে দ্বিতীয় সারিতে ঋষি অরবিন্দ! দুজনের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ছবিতে। কোণাকুনি ডাইগোন্যাল। কেন? বিখ্যাত অঙ্কনশিল্পী জানাচ্ছেন, “অঙ্কন শৈলীর দিক থেকেও অরবিন্দ ও বল্লভভাই প্যাটেলের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ দেখার সময়, ওপরের বাঁদিক থেকে নীচের ডানদিকে দৃষ্টি চালায়। আমি আপনি সবাই তাই করি। সুতরাং অবস্থানগত ভাবেও ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ও বল্লভভাই প্যাটেলের ছবিকেও গুরুত্ব দেওয়া। চোখে পড়ার কারণেই। 

    প্রশ্ন হল বিজেপির আইকনিক দুই স্বাধীনতা যোদ্ধা বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দের ছবিকে এতটা গুরুত্ব দিয়ে সামনে আনা কেন? বিজেপিকে তো রাজনৈতিক শত্রু মনে করেন মমতা। তাঁর কেন এলেন প্রোফাইলে?

    বিশ্লেষকরা বলছেন, “বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দের ছবির ব্যবহারও সচেতন ভাবেই করা হয়েছে। এটা বোঝাতে মমতা হিন্দু নেশনের রাজনৈতিক ধারণায় বিশ্বাসী। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে এখনও সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী মমতা নিজেই। তাঁর আপত্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহে। যাঁরা বারবার রাজ্য সরকারকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষক নিয়োগ থেকে কয়লা-বালি-গরু পাচার অবৈধ খাদান নিয়ে দুর্নীতির কথা। স্মরণ করাচ্ছেন মেলা উৎসবের নামে সরকারি অর্থের নয়ছয় না করে সময়োপযোগী উন্নয়নের পথে হাঁটতে। ফলে, মমতা বোঝাতে চাইছেন, ‘বিজেপি ভাল। এখনকার নেতারা খারাপ।’ উদ্দেশ্য হিন্দু ভোটের অংশ যাতে হাতছাড়া না হয়। বল্লভভাই প্যাটেল ও ঋষি অরবিন্দর ছবির ব্যবহার যদি ‘ভাল বিজেপি’কে প্রথম মেসেজ হয়, তাহলে দ্বিতীয় মেসেজ, অবশ্যই; দেখুন নেহরুতে আপনাদের মতই আমারও আপত্তি।”

    মমতার প্রোফাইল ঘিরে এত প্রশ্ন কেন উঠল সেটা বলি। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রোফাইল পিকচার বদলেছিলেন। তখন যেটা ব্যবহার করেছিলেন, যেটা প্রশান্ত কিশোরের টিমই বানিয়ে দিয়েছিল। বর্তমান প্রোফাইল ছবিও যদিও পিকে-র টিমেরই বানানো। পুরানোতে এই নেতারা কেউই ছিলেন না। যেখানে ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা ছিল। কারণ সামনে নির্বাচন বাংলায়। অতএব, পুরানো প্রোফাইলে, বাংলার বাইরের মাত্র তিন জন ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী, ভগত সিং আর বি আর অম্বেডকর। তফশিলি জাতি উপজাতি আর পঞ্জাবি ভোট টানতেই মমতার প্রোফাইলের ছবির সজ্জা। সঙ্গে বাঙালি আবেগ, রবীন্দ্র-নজরুল-নেতাজি। আর স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকীর প্রোফাইলে বাংলা তো বটেই ভিনরাজ্যের একাধিক স্বাধীনতার লড়াইয়ের নেতার ছবি। তবে, বাদ গেছেন জওহরলাল নেহরু। বাদ গেছেন আরও এক জন। তিনি, বি আর অম্বেডকর।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দাবি, অম্বেডকরের ছবি বাদ যাওয়াটা ‘মিসটেক’ হতেই পারে। কিন্তু নেহরুকে ‘সচেতন বর্জন’ করে দুই মেসেজ দিলেন মমতা। ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে। এক কংগ্রেসকে পাত্তা দিচ্ছি না। বিজেপিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

  • TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার (Arrest) করেছে সিবিআই (CBI)। সহযোগী সায়গল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গরুপাচার এবং বালিপাচার মামলায় উঠে এসেছে এই তৃণমূল নেতার নাম। এরপরে একাধিকবার সিবিআই তাঁকে তলব করলেও, হাজিরা দেননি অনুব্রত। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছেন না, এই অভিযোগেই অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। 

    প্রথমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), এ বার অনুব্রত মণ্ডল, একের পর এক হেভি ওয়েট নেতার গ্রেফতারিতে বেশ অস্বস্থিতে রাজ্যের শাসক দল। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ছোট থেকে বড় সব তৃণমূল নেতাই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে অস্বীকার করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো এ ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে, “বিষয়টির ওপর নজর রাখছে দল৷ সঠিক সময়েই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    আরও পড়ুন: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর

    এর মাঝেই মুখ খুললেন তৃণমূলের প্রথম সারির কিছু নেতা। আর বিপদ বুঝে তৃণমূল যে অনুব্রতকে ইতিমধ্যেই ঝেড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে, নেতাদের প্রতিক্রিয়াতে তা স্পষ্ট। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় (Sovandeb Chatterjee) অনুব্রত প্রসঙ্গে বলেন, “অন্যায় করলে গ্রেফতার করা হবে। যদি বলেন অন্যায় করেননি, তাহলে তাঁকেই তা প্রমাণ করতে হবে।”      

    তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy) বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিষয়ে যেমন আমরা লজ্জিত। অনুব্রতর বিষয়ে আমরা সেটা এখনই কিছু বলতে রাজি নই। এই বিষয়ে আরও তথ্য সামনে এলে বোঝা যাবে।” 

    এ দিকে, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপি ত্যাগী ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh) জানিয়েছেন, একটা জায়গা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস আগেই তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কোনও দুর্নীতি বা অস্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত কোনও নেতার পাশে দাঁড়াবে না দল। অনুব্রত মণ্ডল যদি দোষী হন আইন আইনের পথে চলবে। দল তাতে হস্তক্ষেপ করবে না।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু  

    এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ শান্তনু সেন (Santanu Sen) বলেন, “কোনও ধরনের দুর্নীতি, কোনও ধরনের অন্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল আপোষ করে না। দল সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।”  

    প্রসঙ্গত সম্প্রতি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কারের পর নতুন করে জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গরুপাচার মামলায় নাম জড়ানোর পরেও জেলা সভাপতিদের তালিকা থেকে সরানো হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। তাই অনুব্রতর গ্রেফতারিতে যে যথেষ্ট অস্বস্থিতে দল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অনুব্রতর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য। 

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে এসপি সিন‍্‍হা, অশোক সাহা

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে এসপি সিন‍্‍হা, অশোক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন‍্‍হা (Shantiprasad Sinha) ও অশোক সাহাকে (Ashok Saha) ৭ দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা তথা তৎকালীন সচিবকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    বুধবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং তৎকালীন সচিব অশোক সাহা। বৃহস্পতিবার তাঁদের সিবিআই হেফাজতে পাঠাল আলিপুর আদালত (Alipore Court)। সূত্রের খবর, এদিনের শুনানিতে সিবিআই আইনজীবীরা সওয়ালে বলেন, এসএসসি দুর্নীতি বৃহত্তর এক ষড়যন্ত্র। অনেক প্রভাবশালী এর সঙ্গে জড়িত।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

    স্কুল সার্ভিস নিয়োগে(School Service Recruitment) দুর্নীতি মামলায় সিবিআই যে এফআইআর দায়ের করেছিল তাতে প্রথম নাম ছিল শান্তিপ্রসাদের। চার নম্বরে নাম ছিল অশোক সাহার। মঙ্গলবার সকাল থেকে এই দুজনকে জেরা করছিল সিবিআই। সন্ধের মুখে দুজনকে গ্রেফতার করার কথা ঘোষণা করা হয় সিবিআইয়ের তরফে। প্রসঙ্গত, এই প্রথম এসএসসি মামলায় কাউকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, মানিক ভট্টাচার্যদের বহুবার জেরা করেছে সিবিআই।

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরার সময়ে বিভ্রান্ত করছিলেন শান্তিপ্রসাদ এবং অশোক। তাঁদের কাছে জানতে যাওয়া হয়েছিল, উপদেষ্টা কমিটিকে কারা নিয়ন্ত্রণ করত। কীভাবে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া চলেছিল? কারা কারা তাঁদের নির্দেশ দিতেন? এ হেন প্রশ্নে এক-একবার একএক রকম জবাব দিচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে নিজাম প্যালেস সূত্রে। এরপরই দুজনকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: পার্থ-অনুব্রত কাণ্ডের জের! “সবাই চোর নয়”, সাফাই আতঙ্কিত তৃণমূলের

    এর আগে সিবিআই নিজাম প্যালেসে জেরা করার পাশাপাশি শান্তিপ্রসাদের রিজেন্ট পার্কের বাড়িতে গিয়েও তল্লাশি চালিয়েছিল। শুধু তাই নয়। এসএসসি-র অন্য কর্তাদের দুয়ারেও হানা দিয়েছিল তদন্ত এজেন্সি। সিবিআই সূত্রে খবর, দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ৷ মূলত তাঁদের ঘর থেকে একাধিক পেনড্রাইভ, সিডি-সহ যে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেগুলি দেখিয়ে জেরা করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

  • Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাত সকালে সিবিআই (CBI) জালে অনুব্রত মণ্ডল ( Anubrata Mondal)। এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল ঘিরে ফেলে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তার পরেই অনুব্রত ও তাঁর দল তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)।

    গরু পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে অনুব্রতর। তদন্তে নেমে বার দশেক তাঁকে তলব করে সিবিআই। এর মধ্যে মাত্র একবারই নিজাম প্যালেসে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হন বীরভূমের এই দাপুটে নেতা। নানা অছিলায় বাকি সময় তিনি এড়িয়েছেন সিবিআইয়ের জেরা। যদিও গরু পাচার মামলায় তাঁকেই জেরা করে সত্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া সিবিআই। বারবার সিবিআই নাগাল এড়ানোয় এদিন তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সম্প্রতি সিবিআই এবং ইডি যৌথভাবে তল্লাশিতে নামে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায়। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা কেরিম শেখ ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করেন প্রচুর নথি। তা থেকেই সিবিআইয়ের ধারণা, অনুব্রতকে জেরা করলেই খুলে যাবে পাচার-রহস্যের দ্বার। এটাও অনুব্রতকে গ্রেফতার করার অন্যতম একটি কারণ।   

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ায় তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরাসরি দায়ী করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় অনুব্রতকে সরাসরি দুষ্কৃতী বলেও তোপ দাগেন তিনি। তিনি লিখেছেন, অনুব্রত মণ্ডলের মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের নিরাপত্তা দেন, যাঁরা অপরাধ করে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় হোন বা অনুব্রত মণ্ডল এর দায় বর্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতার প্রশ্ন, বীরভূমের স্থানীয় গুন্ডা অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বার্তা দেন? তিনি বলেন, এই অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই চলত আনারুল হোসেনরা, রামপুরহাট গণহত্যাকাণ্ডে যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। অমিত বলেন, এই ছবিই প্রমাণ করে বাংলার রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের সূত্রপাত একেবারে মাথা থেকে।

     

  • Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঘন ঘন দুবাই (Dubai) যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal scam) ইডি-র (ED) প্রশ্নবাণের মুখে পড়ার দুবাই যাওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। গত সাত মাসে তিন বার তিনি মরু দেশে গিয়েছেন। এখনও রয়েছেন দুবাইয়ে। কেন?  এই প্রশ্নেই তোলপাড় তৃণমূলের (TMC) অন্দরমহল। চলছে ফিসফিসানি।

    যদিও তৃণমূলের সর্বেসর্বার আশপাশের ব্যক্তিরা দলের নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়ে জানাচ্ছেন, চোখের চিকিৎসা করাতেই বার বার অভিষেককে দুবাই যেতে হচ্ছে। তা অবশ্য তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata) শিবিরে থাকা নেতা-মন্ত্রীদের বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। তাঁরা অভিষেকের দুবাই যাত্রা নিয়ে সান্ধ্য আড্ডায় এমন চর্চাও করছেন যা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিতব্য নয়। তদন্তকারীরা অবশ্য জানেন কয়লা পাচার মামলায় ‘ভাগোড়া’ বিনয় মিশ্র বছর দুই আগে দুবাইয়ে কোনও সম্পত্তি কিনতে তৎপর হয়েছিলেন। সেই সম্পত্তির বিস্তারিত অবশ্য ইডি-সিবিআইয়ের (CBI) হাতে রয়েছে। বিনয় অবশ্য ফেরার, একটি ছোট দেশের নাগরিকত্বও নিয়ে নিয়েছেন। তবে মাঝে মধ্যেই তিনি দুবাই আসেন বলেও শোনা যায়।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    তৃণমূল সূত্রের দাবি, সম্প্রতি ১৪ অগাস্ট রাতের বিমানে দুবাই গিয়েছেন অভিষেক। সেদিন জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণও ছিল। কিন্তু যে সময় তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয় সে সময় তিনি বিমানে ছিলেন। ফলে দলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশের বাইরে যাচ্ছেন তা ধামাচাপা দিতেই কি জাতির উদ্দেশে ভাষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দলে অভিষেকের ঘনিষ্ঠরা এনিয়ে কোনও অন্যায় দেখেন না। দেখার কথাও নয়। কারণ, কোনও নাগরিক বিদেশ গেলে প্রশ্ন করার মানে হয় না। তার পরেও তৃণমূলে মমতাপন্থীরা প্রশ্ন তুলতে ছাড়ছেন না। গত সাত মাসে কতবার অভিষেক দুবাই গিয়েছেন সেই তালিকা তাঁরাই সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছেন। অভিষেকের মতো ভিভিআইপির মুভমেন্ট এ ভাবে প্রকাশ্যে এনে দেওয়ার পিছনে দলের একাংশ যে সক্রিয় তা নাকি সর্বেসর্বাও জানেন।

    সূত্রের দাবি, এর আগে ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন অভিষেক, ফিরেছিলেন ১০ জুন। আট দিন ছিলেন দুবাইয়ে। তার আগে আরও একবার দুবাই গিয়েছিলেন ২৫ ফেব্রুয়ারি। ফিরেছিলেন ৪ মার্চ। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকে অগাষ্ট পর্যন্ত সাত মাসে তিনবার দুবাই যাত্রা করেছেন তিনি। এবারও আট-দশ দিন পর ফিরবেন বলে শোনা যাচ্ছে। যার মানে, গত সাত মাসে গড়পরতা একমাস দুবাইতে কাটাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা।

    আরও পড়ুন: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?

    গত ২১ মার্চ দিল্লিতে ইডি অভিষেককে কয়লা পাচার কাণ্ডে জেরা করেছিল। এরপর ২৭ মার্চ তাঁর পুরো পরিবার দুবাইয়ের টিকিট কেটেছিল। কিন্তু ইডির লুক আউট সার্কুলার থাকায় সে দিন তাঁর পরিবারের সদস্যরা দুবাই যেতে পারেননি। যদিও এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া সেদিন দেশ ছেড়েছিলেন। এর পর চোখের চিকিৎসা করাতে দুবাই যেতে হবে বলে অভিষেক কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে এবং তিনি ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন। আবার ইডি জেরার আগেও ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দুবাইয়ে ছিলেন। আদালতে জমা পড়ার আবেদনের ভিত্তিতে চিকিৎসা করাতেই তিনি বার বার দুবাই যাচ্ছেন। যা খুবই স্বাভাবিক। দলের অভিষেক বিরোধী লবি সে সব অবশ্য মানতে চাইছে না। দলের সর্বেসর্বার চিকিৎসা নিয়েও তাঁরা সন্দিহান হয়ে যাচ্ছেন।

    তাঁরাই জানাচ্ছেন, আগে নিয়মিত সিঙ্গাপুর, ব্যাঙ্কক যেতেন অভিষেক। এখন যাচ্ছেন দুবাই। ২০২১ সালে ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর মালদ্বীপে ছিলেন তিনি। ওই সময় কলকাতায় দুর্গাপুজো চলছিল। ২০২০ সালেও ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর সময় দুবাইয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সে বছর ১৫ থেকে ২৪ জানুয়ারিও অবশ্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন অভিষেক। এবারও কি পুজোয় কলকাতার বাইরেই থাকবেন তিনি? ফিসফিসানি, চর্চা, আলোচনা চলছে দলের অন্দরেই।

LinkedIn
Share