Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) এবার তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের (CBI)। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিষেকের কলকাতার বাড়ি শান্তিনিকেতনে হাজির হন কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন সিবিআইয়ের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যান রুজিরা বাড়িতে। এই চারজনের মধ্যে দুজন মহিলা। এদিকে, এদিনই প্রচারের কাজে ত্রিপুরা গিয়েছেন অভিষেক।  

    কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন রুজিরাকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। তার মধ্যে ছিল কয়লা পাচারের টাকা কোন কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল? কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা এসেছিল? কারা লাভবান হয়েছেন?

    সম্প্রতি অভিষেক ও রুজিরাকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই। ওই চিঠিতে গোয়েন্দারা জানতে চান, তাঁরা কবে সিবিআইয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন? সেই চিঠির উত্তর পেয়েই এদিন সটান শান্তিনিকেতনে হাজির হয় সিবিআই।

    সিবিআইয়ের এদিনের জেরার আগে দিল্লিতে ইডি-র জেরার মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। সেবার তাঁকে মূলত কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকাপয়সার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    কয়লাপাচার কাণ্ডে জেরা করতে অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে তলব করেছিল সিবিআই।এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তিনি জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সন্তানদের ছেড়ে দিল্লিতে গিয়ে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব নয় রুজিরার পক্ষে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সেই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয়। এর পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে জেরা করা হোক কলকাতায়। সেই মতো এদিন তাঁর বাড়িতে হাজির হয় সিবিআই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিবিআই কর্তা বলেন, মামলার বিষয়ে আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি। তার জন্য ফের রুজিরার বক্তব্য রেকর্ড করার প্রয়োজন রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হল রুজিরাকে। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক-পত্নী।

     

     

  • Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কেলেঙ্কারিতে (SSC scam) ইডি’র (ED) হাতে গ্রেফতারির সময় অ্যারেস্ট মেমোয় (Arrest Memo) মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও মোবাইল নম্বর লিখে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। যা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরের রাজনীতি। শুধু নাম লেখাই নয়, গ্রেফতারির রাতে ২টো থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত চার বার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনও করেছিলেন পার্থবাবু। এখানেই শেষ নয়। পরের দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েও দেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।

    ইডির জেরার মুখে পার্থবাবু যে দিব্যি সচেতন রয়েছেন তা তদন্তকারী সংস্থা আদালতেই জানিয়েছে। তল্লাশি ও জেরা পর্বে পার্থবাবুর আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। ফলে অ্যারেস্ট মেমোয় মুখ্যমন্ত্রীর নাম জুড়ে দেওয়া নেহাৎই কাকতালীয় নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, স্ত্রী ও মা মারা যাওয়ার পর নাকতলার বাড়িতে একাই থাকতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর মেয়ে-জামাই বিদেশে থাকেন। ফলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তাঁর নিকটতম আর কেই বা আছেন? মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই তো তিনি চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি দলের মহাসচিব, ফলে দল এসএসসি কেলেঙ্কারির পর তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইলেও তিনি তো দল ছাড়তে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে তৃণমূলে তাঁর একমাত্র যোগসূত্র রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অ্যারেষ্ট মেমোয় তাঁর নাম সেই কারণেই দিয়েছেন বলে পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    অনেকে আবার এরমধ্যে রাজনীতিও খুঁজছেন। তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিক্ষক নিয়োগ (Teacher Recruitment) নিয়ে বিধায়কদের মধ্যে যে কোটা ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল তা এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। কয়েক জন বিধায়কের প্যাডে সই করা চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা আদালতে পর্যন্ত জমা পড়েছে। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে যা হয়েছে তা দলের সর্বোচ্চস্তরের সিদ্ধান্ত ছিল। গত নভেম্বরে যখন প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে তখনই পার্থবাবু অশণি সঙ্কেত দেখেছিলেন। দলও সেই সময় থেকে পার্থবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকে। এমনকি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও পার্থবাবুর ভূমিকা সেভাবে চোখে পড়েনি।

    তৃণমূলের দলীয় সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে পার্থবাবু দলের অন্দরে বার্তা দেন, যদি এসএসসি কেলেঙ্কারি নিয়ে দল তাঁর পাশে না দাঁড়ায় তা হলে তিনিও মুখ খুলতে বাধ্য হবেন। এর পর দলের তরফে আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হতে বলা হয়। ঘটনাচক্রে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের উপর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ গিয়ে বিচারপতি রণজিৎ বাগ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দেয়। সেই কমিটির সামনে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা সচিব জানিয়ে দেন, সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও সিবিআই তদন্ত বজায় রাখে।

    আরও পড়ুন: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    পার্থবাবু ক্রমেই বুঝতে পারছিলেন চাকরি চুরির মামলায় তাঁর পরিণতি ভাল হবে না। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেও রেখেছিলেন, যদি দলের সমর্থন না থাকে, তা হলে মুখ খুলতে বাধ্য হব। তাঁর কাছেও যে নবান্ন (Nabanna) থেকে পাঠানো তালিকা রয়েছে সে কথাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অনেককেই। গ্রেফতারির পর অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম লিখে মহাসচিব শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে জড়িয়েই নেননি, উল্টে পাল্টা চাপও তৈরি করেছেন। যার মোদ্দা কথা হল, শিক্ষক নিয়োগের কোটা পদ্ধতিতে টাকা তোলার সিদ্ধান্ত ছিল দলগত, তাই গ্রেফতারির নথিতেও সেই দাগ যেন রেখে গেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, জেনে বুঝে কেউ ভুল করলে শাস্তি পেতে হবে। তবে অজান্তে ভুল করলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অ্যারেস্ট মেমোয় মমতা জেনেবুঝে ভুল, নাকি অজান্তে ভুল তা ইডি যখন তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে তখনই স্পষ্ট হবে।

  • Park Circus Firing: ভরদুপুরে পার্কসার্কাসে গুলি, মৃত ২, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্য সচিবকে তলব রাজ্যপালের

    Park Circus Firing: ভরদুপুরে পার্কসার্কাসে গুলি, মৃত ২, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্য সচিবকে তলব রাজ্যপালের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক : ভরদুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি। মৃত্যু এক মহিলার। আত্মহত্যা এক কনস্টেবলের।  আজ দুপুর ২টো নাগাদ পার্ক সার্কাস (Park Circus Firing) মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।  বাইকে চলন্ত অবস্থায় পিঠে গুলি লাগে ওই মহিলার। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। আহত হন ওই গাড়ির চালক। এরপর নিজের সার্ভিস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা (Suicide) করেন পুলিশ (Police) কর্মীটি। 

    জানা গেছে, ওই মৃত পুলিশ কর্মীর নাম টুডুপ লেপচা। তাঁর বাড়ি দার্জিলিং। পার্ক সার্কাসে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি যোগ দিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের পঞ্চম ব্য়াটেলিয়নে। তবে আপাতত ছিলেন ছুটিতে। শুক্রবার সকালেই কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন টুডুপ। আর তা থেকেই আচমকা এই গুলি বৃষ্টি। মোট দশ রাউন্ড গুলি চালিয়েছেন ওই পুলিশকর্মী। হাইকমিশের সামনে পুলিশ বুথেই কর্মরত ছিলেন তিনি। হঠাৎই নিজের ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালাতে শুরু করেন। রাস্তা দিয়ে তখন বাইকের পিছনে চেপে যাচ্ছিলেন ওই মহিলা। সোজা পিঠে গুলি লাগে তাঁর। উল্টে পড়ে যান তিনি। ছিটকে যায় তাঁর পায়ের চটি। আহত হন ওই বাইক চালকও। তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কড়েয়া থানার পুলিশ। 
     
    পরপর দু দিন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি এক চিঠি লিখে শুক্রবার রাত দশটার মধ্য়ে রাজ্যের মুখ্য সচিবকে তলব করেছেন। প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীরও হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন। আবেদন জানিয়েছেন শান্তির।   

    শান্তির আবেদন জানাচ্ছেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সকলেই। তবে শহরের বুকে দিনদুপুরে যেভাবে গুলি চলল, আর বেঘোরে প্রাণ গেল এক মহিলার, তা আমজনতার নিরাপত্তা নিয়েই গভীর প্রশ্ন তুলে দিল। 

     

  • CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার-কাণ্ডে (Cattle Smuggling) সোমবার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ফের তলব করল সিবিআই (CBI)।  বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতিকে সকাল ১১টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    এর আগে, গরুপাচার মামলায় ৬ বার সিবিআইয়ের তলব পেয়েও হাজিরা এড়ান অনুব্রত মণ্ডল। শেষে ১৯ মে প্রথমবার এই মামলায় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হন তিনি। সিবিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখা (Anti Corruption Branch) তাঁকে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। বুকে ব্যথা অনুভব করায় সেখান থেকে সরাসরি অনুব্রত চলে যান এসএসকেএম-এ (SSKM)। 

    অনুব্রত মণ্ডলের আয়করের নথি, সম্পত্তির খতিয়ান ও ব্যাংকের নথি চেয়ে পাঠায় তদন্তকারী সংস্থা। তা আইনজীবি মারফত জমাও দেন তিনি। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল যে নথি জমা দেন, তা খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতরের কাছেও নথি চেয়ে পাঠায় তারা। গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত কেষ্টর দীর্ঘদিনের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, তাঁর কাছ থেকেই সিবিআই জানতে পারে কেরিম খান ও টুডু মণ্ডলের নাম। তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে, সায়গলের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন কেরিম।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    এই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার কয়লা ও গরুপাচার কাণ্ডে বুধবার বীরভূমের একাধিক জায়গা তল্লাশি চালায় সিবিআই ও ইডি-র যৌথ দল। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান, কেরিম খানের ছেলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জিয়াউল হক এবং কেষ্টর কাছের এক পাথর ব্যবসায়ী টুডু মণ্ডলের (Stone trader Tudu Mondal) বাড়িতে সকাল সকাল হানা দেয় সিবিআই। 

    পাশাপাশি, তল্লাশি চালানো হয় কেরিম খানের ডান হাত হিসাবে পরিচিত তৃণমূল নেতা তথা নানুরের আটকুলা গ্রামে চালের আড়তের মালিক মুক্তার শেখের বাড়িতেও। সূত্রের খবর, তল্লাশিতে কয়েক লক্ষ টাকা সহ একাধিক নথি পান তদন্তকারীরা। এমনকি প্রচুর নথি পেয়েছেন তাঁরা। আর এরপরেই সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। আর সেই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অনুব্রত মন্ডলকে সিবিআই জেরা করতে চায় বলে জানা যাচ্ছে।

    এদিকে, আবারও জামিন নাকচ হল সায়গল হোসেনের। শুক্রবার শুনানির শেষে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সায়গলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ১৮ অগাস্ট আবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীকে। গত ৯ জুন তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। অভিযোগ, গরু পাচারের টাকা লগ্নির ক্ষেত্রে সায়গল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

  • Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    Howrah Violence: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) মন্তব্যের জেরে হাওড়ার অগ্নিগর্ভ (Howrah violence) পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মমতা (Mamata) প্রশাসনের দিকে উঠতে শুরু করেছে অভিযোগের আঙুল। এই পরিস্থিতিতে, শনিবার বিকেলে নবান্নতে (Nabanna) উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নেওয়া হয় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত। রাজ্য প্রশাসনের হেডকোয়ার্টার থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে, হাওড়া শহর (Howrah City) ও হাওড়া গ্রামীণ (Howrah Rural)— এই দুই এলাকার শীর্ষ পুলিশকর্তাকে সরানো হচ্ছে।

    প্রথমদিকে হয়ত মনে হয়েছিল, হয়ত প্রশাসন কড়া হাতে বিষয়টিকে দমন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু, ভুল ভাঙে কিছুক্ষণের মধ্যেই। কারণ, দুই এলাকার পুলিশকর্তাকে সরিয়ে যে নতুন পদে বসানো হয়েছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। সাধারণত, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রুখতে ব্যর্থ পুলিশকর্তাদের ‘পানিশমেন্ট পোস্টিং’ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ, আগের থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে অথবা কম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে, ঘটনা ঠিক উল্টো।

    হাওড়ায় (Howrah) ব্যর্থ দুই পুলিশ কর্তাকেই আখেরে বদলি করে কলকাতায় এনে যাকে বলে রীতিমতো ‘প্রাইজ পোষ্টিং’ দেওয়া হয়েছে। যেমন, হাওড়ায় ‘ফেল’ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (শহর) পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে (C Sudhakar) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে। যে পদে আসার জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। অন্যদিকে, হাওড়ায় আরেক ব্যর্থ পুলিশকর্তা তথা হাওড়া (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সৌম্য রায়কে (Saumya Roy) আনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের সাউথ ওয়েস্টের ডেপুটি কমিশনার পদে আনা হয়েছে।

    ব্যর্থতার জন্য তো শাস্তি হয় বলেই শোনা যায়। আইনকানুন সামলাতে না পারলে, পানিশমেন্ট পোস্টিং হয় বলেই এতদিন সকলেই জানেন। কিন্তু, ব্যর্থ হওয়ার জন্য ‘পানিশমেন্ট পদোন্নতি’ বা ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দেওয়া হল— এমন কাণ্ড একমাত্র মমতা প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব। আর এখান থেকেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রথমত, তাহলে কি পুলিশ কর্তাদের আদৌ কোন দোষ ছিল না? তাঁরা সেটাই করেছেন, যা তাঁদের করতে বলা হয়েছিল? তাই যদি না হবে, তাহলে কেন বদলি করা হল অধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে? 

    যেমন ধরা যাক, হাওড়া গ্রামীণ ক্ষেত্রটি। গত তিনদিন ধরে ডোমজুড়, পাঁচলা ও সলপে একাধিক হিংসা ঘটেছে। এসবকটি এলাকা হাওড়া গ্রামীণ এলাকার আওতাধীন। সেখানকার পুলিশ সুপার ছিলেন সৌম্য রায়। যিনি কিনা আবার সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রর স্বামী। অতীতে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় লাভলির প্রার্থিপদ ঘোষণার পরেই বিতর্কে জড়ান এই আইপিএস অফিসার। বিরোধীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্ত্রী লাভলি ভোটে প্রার্থী হওয়ায় সৌম্যকে পুলিশের উচ্চপদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    সাম্প্রতিক অতীতে, হাওড়ার আমতার বাসিন্দা ছাত্রনেতা আনিস খানের (Anees Khan) অস্বাভাবিক মৃত্যুর সময়ই এই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ অভিযোগ ওঠে। অনেকেই দাবি করেছিলেন, আনিসের মৃত্যুর ঘটনা ‘ধামাচাপা’ দিতে চাইছেন সৌম্য। সেই সময়ও, সৌম্যর বদলির জোরালো দাবি উঠেছিল। কিন্তু, তাঁকে সরানো হয়নি। 

    বিরোধীদের মতে, এই বদলি আখেরে স্রেফ একটা ‘আইওয়াশ’ ছাড়া কিছুই নয়। পুলিশকর্তা বদলের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তাহলে কি লোক দেখানোর প্রক্রিয়া মাত্র? প্রশাসনের দাবি, এটা নাকি রুটিল বদলি! কাকতালীয়ভাবে, রুটিন বদলিতে এমন দুজনকে সরানো হল, যেখানে এখন গত তিনদিন ধরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সৌম্যকে ‘আড়ালে রাখতেই’ তাঁকে হাওড়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশে নিয়ে আসা হল।

  • Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    Howrah Violence: অগ্নিগর্ভ হাওড়া, রাজ্যপালকে চিঠি শুভেন্দুর, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নূপুর শর্মা (Nupur Sharma) বিতর্কে অগ্নিগর্ভ হাওড়া (Howrah)। সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়ে রাজ্যপালকে মেল করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। শুভেন্দুর সেই চিঠি ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)।

    হজরত (Prophet) মহম্মদকে নিয়ে দিনকয়েক আগে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা। ঘটনার পরে পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে দল। কেড়ে নেওয়া হয় প্রাথমিক সদস্যপদও। তার পরেও শান্ত হয়নি বাংলার হাওড়া (Howrah)। জেলার উলুবেড়িয়া, ধুলোগড়, ডোমজুড়, শলপ সহ বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের গাড়ি, কিয়স্কে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। হাওড়ার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। শলপে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। রেল লাইনে অবরোধের জেরে হাওড়া দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির প্রতিবাদে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে উলুবেড়িয়ার নিমদিঘি থেকে পাঁচলা পর্যন্ত কয়েকশো গাড়ি ভাঙা হচ্ছে, পোড়ানো হচ্ছে। তাতে নিরপরাধ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আছেন। গোটা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে সকাল থেকে রাজ্যপালকে একাধিক ভিডিও, ট্যুইট করেছি। মেলেও সেনা নামিয়ে মানুষের জীবন সম্পত্তি রক্ষার আবেদন জানিয়েছি রাজ্যপালকে।

    [tw]


    [/tw]

    তাঁকে লেখা চিঠির কপি ট্যুইট করেছেন রাজ্যপাল। সেই সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে (Chief Secretary) তিনি লেখেন, পূর্ব নির্ধারিত আলোচনার সময় সশস্ত্র বাহিনী বা আধা সেনা মোতায়েনের বিষয়ে যেন রাজ্য সরকারের অবস্থান তাঁর কাছে স্পষ্ট করা হয়। রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, পুলিশ ওই এলাকায় আগে থেকেই সক্রিয়। প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা (Internet cut off)।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    এদিকে, রাজ্যের অশান্তির এই খণ্ডচিত্রের ছবি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। রাজ্যের পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

  • CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) নয়া মোড়। এবার সিবিআই (CBI)- তলব (Summons) করল বীরভূমের (Birbhum) চার রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক আধিকারিককে (Banker)। আজই কলকাতা এসে পৌঁছেছেন তাঁরা। নিজাম প্যালেসে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে তাঁদের। এই আধকারিকদের নিজের সঙ্গে এই মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হতে বলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অবুব্রত ঘনিষ্ঠদের ১৭ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের নথি সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। এছাড়া কেষ্ট (Anubrata Mondal) আত্মীয়দের একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে অনুমান করছে গোয়েন্দারা। আর এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিতেই চার ব্যাংক আধিকারিককে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত, তাঁর ঘনিষ্ঠদের নথিভুক্ত সম্পত্তি ঠিক কত? জানলে চোখ কপালে উঠবে

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। ফের ১৮ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। ১৫ সেপ্টেম্বর সিবিআই- এর বিশেষ আদালতে তোলা হবে। 

    সম্প্রতি গরুপাচার মামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন, কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ। তিনি বলেন, বীরভূমের পর মুর্শিদাবাদ, নদিয়া সব পেরিয়ে গরু পাচার হয় বিভিন্ন জায়গায়, সেই সব জেলার প্রশাসন-পুলিশ, সমস্ত রাজনৈতিক নেতা সমস্ত ব্যাপারগুলো হয়েই তো এগুলো হয়।” যখন গরুপাচার মামলা নিয়ে উত্তাল গোটা রাজ্য, তখনই এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পর্যন্ত তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র কেতুগ্রামের তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেই অনুব্রতকে নিয়েই মুখ খুলেছেন শেখ শাহনওয়াজ।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের টাকার খোঁজ পেতে সায়গলকে হেফাজতে নিতে চায় ইডি!

    অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানতে চায় সিবিআই। দুর্নীতির গভীরতা ঠিক কতটা মূলত তা জানাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। আর তা জানতেই একের পর এক তল্ব করছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মীদের বেশ কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন করবেন সিবিআই গোয়েন্দারা। অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে চাইতে পারেন, ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা আসত কোথা থেকে, এবং যেত কোথায় তার বিস্তারিত নথি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের জেরে ফের নয়া নির্দেশিকা জারি এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) কর্তৃপক্ষের। স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) পতাকা উন্মোচনের (Flag Unfurled) কথা বলা হয়েছিল পুরানো নির্দেশিকায়। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কারণ প্রথা মেনে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন (Flag Hoist) করতে হয়। বিতর্কের জেরে জারি হয় নয়া নির্দেশিকা। সেখানেই বলা হয়েছে পতাকা উত্তোলনের কথা।  

    রীতি অনুযায়ী, যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এদিন একটি দণ্ডের নীচে জাতীয় পতাকা বাঁধা থাকে। পরে তা দণ্ডের শীর্ষে উত্তোলন করা হয়। যা আসলে স্বাধীনতা অর্জনের দ্যোতক হিসাবে ধরা হয়। অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উন্মোচিত করা হয়। সেদিন দণ্ডের শীর্ষেই গোটানো থাকে জাতীয় পতাকা। সেটি উন্মোচন করা হয় মাত্র। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় দেশে রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি নন। ১৯৫০-এ ২৬ জানুয়ারি শপথ নেন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তাই সেদিন পতাকা উন্মোচন করেন তিনি।

    রাজ্যের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। পালিত হচ্ছে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিও। ফি বারের মতো এবারও দেশের সর্বত্র মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস। সেই উপলক্ষে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপে যে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন সেখানে ১৫ অগাস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁদের সমবেত হতে বলা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় পতাকা উত্তোলনের(flag hoisting) কথা বলা হয়নি। বরং পতাকা উন্মোচিত(flag unfurled) হবে বলে জানানো হয়েছিল। এর পরেই শুরু হয় বিতর্ক। শেষমেশ একপ্রকার বাধ্য হয়েই নয়া নির্দেশিকা জারি করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়। তার পরেই ইতি পড়ে বিতর্কে। একটি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই ‘ভুল’ করলেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।  

     

  • West Midnapore: উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়ল বিশ্ববিদ্যালয় ভবন! কাঠগড়ায় পূর্ত দফতর

    West Midnapore: উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়ল বিশ্ববিদ্যালয় ভবন! কাঠগড়ায় পূর্ত দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধনের আগেই ফাটল! হেলে পড়ল বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের একাংশ! এমন ঘটনাই ঘটেছে মেদিনীপুরে (West Midnapore) বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) পণ্ডিত রবিশঙ্কর ভবনে। আর তাই ফের প্রশ্নের মুখে পূর্ত দফতরের ভূমিকা। 

    ভবনটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও উদ্বোধন হয়নি ভবনটির। তবে তারই আগে বিল্ডিং জুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় ফাটল। বিল্ডিংয়ের একাংশ হেলে গিয়েছে বলেও দাবি করছেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠছে পূর্ত দফতরের ভূমিকা নিয়েই।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের টাকা মারতেই কি স্কুলে গরমের ছুটিবৃদ্ধি? তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    ২০১৪ সালে উচ্চশিক্ষা দফতর ভবনটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করে প্রায় তিন কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা। ২০১৭ ফলে টেন্ডার করে ভবনটি তৈরির কাজ শুরু করে পূর্ত দফতরের সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। ২০১৯ সালে পূর্ত দফতরের তরফে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয় ভবনটি।

    এখানে আর্ট অ্যান্ড মিউজিক বিভাগের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি ভবনটির। তবে এরই মধ্যে দেখা গিয়েছে বড় বড় ফাটল। ভবনের বাইরের অংশে যেমন ফাটল দেখা দিয়েছে, তেমনই চিড় ধরেছে ভেতরের দেওয়ালেও। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    ভবনটি এই মুহূর্তে ব্যবহার করা যথেষ্ট বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পূর্ত দফতরের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টি। পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের দাবি, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। 

    গত মাসেই জেলা সফরে এসে পূর্ত দফতরের বিভিন্ন কাজ নিয়ে একরাশ অসন্তোষ প্রকাশ করেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার একই সুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গলাতেও। বারবার কেন পূর্ত দফতরের কাজ প্রশ্নের মুখে পড়ছে! প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। সবমিলিয়ে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালের পণ্ডিত রবিশঙ্কর ভবনটি কতদিনে ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে সেটাই প্রশ্ন।

  • Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ সাত বিজেপি (BJP) বিধায়কের (MLA)। সাসপেনশন (Suspension) প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছিল বিজেপি। এদিন সাসপেনশন তুলে নেওয়া হতেই উঠে যায় ধর্নাও। সাসপেনশন উঠে যাওয়ায় এবার বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন ওই সাত বিধায়ক।  

    বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার অভিযোগে গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। সাসপেনশন জারি ছিল এই অধিবেশনেও। সাসেপনশন প্রত্যাহারের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপির সাসপেন্ডেড বিধায়করা। সাসেপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্নায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও প্রত্যাহার করা হয়নি সাসপেনশন।

    আরও পড়ুন : সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    এর আগে একবার সাসেপনশন তোলার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার জানিয়েছিলেন, বিজেপির আনা প্রস্তাবে ভুল ছিল। যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাল্টা দাবি, প্রস্তাবে কোনও ভুল ছিল না।

    এদিন শুভেন্দুদের নয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় অধিবেশনে। শুভেন্দুদের সাসপেনশন প্রত্যাহারের প্রস্তাবে সায় দেয় তৃণমূলও। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সহ সাত বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন। শুভেন্দু ছাড়াও যাঁদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে তাঁরা হলেন, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মণ, মনোজ টিগ্গা, নরহরি মহাতো, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামী।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, এদিন বিএ কমিটির বৈঠকে হাজির ছিলেন না বিজেপির কোনও প্রতিনিধিই। তবে শাসকদলের বাকি সদস্যরা সম্মতি দিয়েছিলেন সাসপেনশন প্রত্যাহারের পক্ষে। তার পরেই সাসপেনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন স্পিকার।

    গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। এর মধ্যে আবার অসংসদীয় আচরণের জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিলেন স্পিকার। বিধানসভায় তাঁর অফিসে বসার ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। এনিয়ে আদালতে যান শুভেন্দু। আদালত বিষয়টি মীমাংসার পরামর্শ দেয়। তার পর সোমবার পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা বলে বিজেপি বিধায়কদের প্রথম আবেদনপত্রটি খারিজ করে দেন স্পিকার। আদালতের নির্দেশে এদিন ফের একবার আবেদন করেন শুভেন্দুরা।

     

LinkedIn
Share