Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ( (Cyclone Sitrang)। আন্দামানে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর সেই নিম্নচাপই বঙ্গোপসাগরের উপরে পৌঁছেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে। কালীপুজোর দিনই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ পরিণত হতে পারে এই নিম্নচাপ। মঙ্গলবারই তা আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গেও প্রভাব দেখাতে পারে সিত্রাং। বাংলাদেশেও আছড়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্র প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।  

    দুর্গাপুজোর আনন্দে জল ঢেলেছিল বৃষ্টি। ফের কালীপুজোতেও একই আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরেই দীপাবলি থেকে ভাইফোঁটা অবধি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ধ্র উপকূল ধরে ঘূর্ণিঝড়টি পশিচিমবঙ্গের উপকূলের কাছ ঘেষে বাংলাদেশের উপরে আছড়ে পড়তে পারে। যদি এই পথেই এগোয় ঘূর্ণিঝড়টি, তবে রাজ্যে দুর্যোগের আশঙ্কা কম। তবে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তু প্রশাসন। দক্ষিণবঙ্গের জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব। ধান তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদ্যুত্‍ দফতর। জরুরি পরিষেবায় যুক্ত সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে (Weather Update)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতের! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    বিশেষ করে সাবধান করা হয়েছে উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একদিকে যেখানে নিম্নচাপের জেরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অমাবস্যায় ভরা কোটালেরও সম্ভবনা রয়েছে। এই কারণেই আগামী ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর অবধি মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূল এলাকায় যাদের বাড়ি তাদের সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। 

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বদিকে পৌঁছে যাবে নিম্নচাপটি। আগামিকাল তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবরের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছে যাবে। ঘূর্ণিঝড়টি ল্য়ান্ডফল বা স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। রবিবার থেকেই রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে আকাশের মুখ ভার হতে শুরু করবে৷ তিন জেলারই উপকূল লাগোয়া এলাকায় শুরু হবে হাল্কা বৃষ্টি৷

    সোমবার থেকেই অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন চোখে পড়বে৷ শুরু হবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া৷ উপকূলের জেলাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ মঙ্গলবার উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে৷ এর পাশাপাশি উপকূলের তিন জেলা দুই চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে৷ দমকা হাওয়ার গতিবেগ পৌঁছতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

              

        
  • TET Agitation: হাইকোর্টের ১৪৪ ধারা রায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা চাকরিপ্রার্থীদের

    TET Agitation: হাইকোর্টের ১৪৪ ধারা রায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা চাকরিপ্রার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ ২০১৪ সালের উত্তীর্ন টেট প্রার্থীরা (TET Agitation)। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের ১৪৪ ধারার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দারস্থ চাকরি প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার রাতে করুণাময়ী থেকে আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের জোর খাটিয়ে তুলে দেয় পুলিশ। একেবারে চ্যাং ধোলা করে মধ্যরাতে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় অনশনকারী চাকরি প্রার্থীদের। 

    আর এই ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে সঙ্গে যোগাযোগ করেন টেট আন্দোলনকারীরা। রাতেই কোর্ট বসিয়ে জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়। আদালত এই বিষয়ে মামলা করার অনুমতি দেয়। অমিত মজুমদার, শুভঙ্কর ঘোষ এবং শান্তনু দেবনাথ নামের তিন প্রার্থী মামলা করেছেন। যেখানে আবেদনকারীদের দাবি, পুলিশ জোরে করে তাঁদের তুলে দেয়। এমনকি তাঁদের বক্তব্য না শুনেই আদালত রায় দিয়েছে বলে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন আবেদনকারীদের। মনে করা হচ্ছে, আগামী শুক্রবার ওই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে।

    গতকালই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ হাইকোর্টে মামলা করে আর্জি জানায়, সল্টলেক করুণাময়ীর যে চত্বরে টেট-প্রার্থীরা আন্দোলন করছেন, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা রয়েছে। ফলে অবস্থান-জমায়েত তুলে দেওয়া হোক। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পর্ষদের সামনে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে তা বজায় রাখতে প্রশাসন ধর্না তুলে দিতে পারে। সে জন্য যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নিতে পারে প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা সায়গলের, দিল্লিতে জেরা করার অনুমতি পেল ইডি

    আর এরপরেই আন্দোলনকারীদের সরাতে প্রচুর পুলিশ জমায়েত হতে থাকে করুণাময়ী চত্বরে। এরপর আন্দোলনকারীদের জমায়েতকে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয় প্রথমে। তারপর তাঁদের সরে যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয় দুই মিনিট। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি ও আন্দোলনে অনড় থাকে। ফলে আন্দোলনকারীরা না সরলে কার্যত তাঁদের জোর করে টেনে-হিঁচড়ে জায়গা থেকে সরানো হয়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবার ২০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় নিউটাউন থানায়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে বহু মহিলাও ছিলেন৷ তাই তাঁদের সরানোর জন্য মহিলা পুলিশও নিয়ে আসা হয়েছিল৷ কান্নায় ভেঙে পড়েন আন্দোলনকারীরা। তিন দিন ধরে অনশনে থাকা চাকরিপ্রার্থীরা এই ধস্তাধস্তির মধ্যে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ কেউ কেউ সংজ্ঞা হারান৷ 

    জানা গিয়েছে, ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণরা প্রায় ৯০ঘণ্টা ধরে আমরণ অনশন ও আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। ফলে তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত-অবসন্ন ছিলনে। সেসময় হঠাৎ করে পুলিশ এসে ১৪৪ ধারার কথা জানালে তাঁরা আন্দোলনে অনড় থাকে। কিন্তু তাঁদের আন্দোলন থেকে সরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। এর ফলে প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁদের ওপর জোর খাটিয়ে কাউকে চ্যাংদোলা করে, কাউকে টানতে টানতেই প্রিজন ভ্যানে তুললেন। এরপরে মধ্যরাতে ২০১৭-র চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভও তুলে দেয় পুলিশ। প্রথমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের আলোচনা চলে কয়েক মিনিট। তার পরে সেখানেও গায়ের জোর প্রয়োগ করেই তোলা হয় সবাইকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    Cyclone Sitrang: একদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, অন্যদিকে অমাবস্যার ভরা কোটাল! উপকূলে জারি বিশেষ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang), অন্যদিকে অমাবস্যার ভরাকোটাল আর চন্দ্রগ্রহণ। তিন দশায় সমুদ্র আরও উত্তাল হবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলে। এদিন দিঘা উপকূলেও আগাম সতর্কবার্তা জারি করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবরেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড়। আর তার ফলে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঘূর্ণিঝড় ও ভরা কোটালের ফলে জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এর ফলে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য উপকূলবর্তী অঞ্চল জুড়ে সতর্ক করছে পুলিশ-প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মাইকিং। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হচ্ছে অবিলম্বে সমুদ্র থেকে ফিরে আসার জন্য। আগামী ২২ অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার থেকে ২৪ অক্টোবর, সোমবার পর্যন্ত দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার থেকেই এব্যাপারে প্রশাসনের তরফে দিঘা সৈকতে মাইকিং শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    আবার বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে সুন্দরবন উপকূলেও। নামখানা, সাগরদ্বীপে তাণ্ডব চালাতে পারে সিত্রাং সেকারণে সকাল থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মাইকে করে সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় মাইকিং শুরু হয়েছে। কাকদ্বীপ মহকুমায় পাঁচটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মূল কন্ট্রোল রুমটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের অফিসে। বাকি চারটি খোলা হয়েছে কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা ও পাথরপ্রতিমা ব্লকে। ফ্লাড শেল্টারগুলিকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এছাড়াও কাকদ্বীপ মহকুমায় ৬৪টি মাল্টিপারপাস সাইক্লোন শেল্টার এবং ১১৭টি স্কুলবাড়িকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ফ্লাড শেল্টারগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

    আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে সে। প্রতিমুহূর্তে নজর রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের দিকে। প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে সিত্রাং। সূত্র অনুযায়ী, ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে সিত্রাং।

    নবান্নের তরফে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণের বন্দোবস্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্লক অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসে ত্রিপল ও শুকনো খাবার মজুত রাখা হচ্ছে। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফের দলকেও উপকূল এলাকায় মোতায়েন রাখা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

  • Panchayat Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Panchayat Election: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Bengal Panchayat Polls) হোক কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) উপস্থিতিতে। রাজ্য পুলিশ (West Bengal Police) দিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা হলে আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও  বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) গলাতেও। সম্ভবত আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতিও। তার আগেই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলল পদ্ম শিবির।

    আরও পড়ুন: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চার্জশিট সিবিআইয়ের! জানেন তালিকায় রয়েছেন কারা?

    শুভেন্দু বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট যদি রাজ্য পুলিশ দিয়ে করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে আমরা তার প্রতিবাদ করব। আদালতে দ্বারস্থও হব। বিগত পুর নির্বাচনগুলোতে রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করিয়ে কী হয়েছে তা সবাই দেখেছে। বিষয়টি আদালতেরও নজরে রয়েছে। পুরসভার ভোটে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ভোট লুঠ করে ক্ষমতায় এসেছে। তাই আমাদের দাবি,কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানেই শান্তিপূর্ণ ও অবাধ পঞ্চায়েত ভোট করা হোক।” এর আগে একই দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “সব বুথে লড়াই হবে। আদালতে লড়াই হবে। রাজনীতির ময়দানেও লড়াই হবে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার যা পরিস্থিতি তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় কোনও ভোট হওয়াই উচিৎ নয়। ফলাফল ফ্যাক্টর নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অশান্তি ও  হিংসা আটকানোর লক্ষ্যেই পঞ্চায়েত ভোটে সেন্ট্রাল ফোর্সের প্রয়োজন রয়েছে।”

    আরও পড়ুন:উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    সুকান্ত ও শুভেন্দুর সঙ্গে সহমত জানিয়ে  বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষও বলেন, “এ রাজ্যে কোনও নির্বাচনই অবাধ ও  শান্তিপূর্ণ  করতে দেয় না শাসকদল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অবাধ নির্বাচন হলে তৃণমূল জিততে পারবে না। তাই আমাদের দাবি, আগামী পঞ্চায়েত ভোট রাজ্য পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই করানোর ব্যবস্থা করা হোক।” বেশ কিছু ক্ষেত্রে মতের অমিল থাকলেও এ বিষয়ে একমত রাজ্য বিজেপির অন্যতম তিন নেতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    Manik Bhattacharya: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়  ফের মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল ইডি। মৃত এক ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীর। সেই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকাও। এমনটাই দাবি করল ইডির আইনজীবী। এর আগে মানিকের ছেলে শৌভিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা হদিশের পর এবারে মানিকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্টেরও খোঁজ পেল ইডি। এই অ্যাকাউন্টেও রয়েছে কোটি কোটি টাকা। মঙ্গলবার ইডির আইনজীবী ব্যাঙ্কশাল কোর্টে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

    ঠিক কী তথ্য পেশ করেছে ইডি? এদিন ইডির আইনজীবী আদালতকে তথ্য দিয়ে বলেন, ২০১৬ সালে মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) স্ত্রীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তবে কে এই মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী? কেন তাঁর সঙ্গে মানিকের স্ত্রী-এর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট?  প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। ইডি আদালতকে আরও জানিয়েছে, ৬ বছর আগে মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ২০১৬ সালেই মারা গিয়েছেন। অথচ এখনও অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর নাম সরানো হয়নি। বরং ওই অ্যাকা‍উন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকাও।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির দোসর! টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে দীর্ঘ জেরা ইডির, কী বললেন তিনি?

    ‌গতকাল, মঙ্গলবার টেট দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানে মানিকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে ইডির দেওয়া তথ্য শোনার পর আপাতত রায় স্থগিত রেখেছে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। এর আগেই মানিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত ও মঙ্গলবার পর্যন্ত ইডি হেফাজতেই ছিল। এরপর ফের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠাল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। 

    উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে (Manik Bhattacharya) আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই গ্রেফতারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে যান মানিক। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট গত বৃহস্পতিবার মানিকের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই রায়ের পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই ছিলেন মানিক। এবারে ফের মানিকের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ও তদন্তের স্বার্থেই ইডি মানিককে আবারও জেল হেফাজতে রাখতে চেয়েছে।

  • Raju Bista: তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট, বৈঠক প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা

    Raju Bista: তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট, বৈঠক প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যর (Ashok Bhattacharya) বাড়িতে সোমবার কালীপুজোর সন্ধ্যায় যান বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista) ও বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেই সাক্ষাতের একটি ছবি সামনে এনে তৃণমূল তাদের মুখপত্রে দাবি করা হয়েছে, অশোক ভট্টাচার্যকে বাড়িতে গিয়ে বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক বলে এসেছেন, “সরকার ফেলে দেব। সঙ্গে থাকুন।” এই চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। যদিও এই দাবিকে ‘ঠুনকো’ বলে অভিহিত করেছেন অশোক ভট্টাচার্য।   

    এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। একটি প্রেস রিলিজে তিনি বলেন, “তৃণমূলের জমানায় যেখানে সাধারণ সৌজন্য বিরল, সেখানে তৃণমূলের কর্মীরা সিপিআইএমের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। শিলিগুড়ির বিধায়ক, প্রাক্তন মেয়র, প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে গতকাল আমার দীপাবলির শুভেচ্ছে বিনিময় হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে আমাদের এই বৈঠককে ‘নতুন সেট আপ’ প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা করা হচ্ছে। এ থেকেই তৃণমূলের হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট। তৃণমূল হয়তো ভুলে গিয়েছে প্রবীণদের সম্মান করা এবং উত্সবের সময় তাদের আশীর্বাদ চাওয়া আমাদের সমাজ এবং সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ।” 

    আরও পড়ুন: দৈনিক ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোচ্ছেন? নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো! 
     
    তিনি আরও বলেন, “যখন আমাদের দেশ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষরা দীপাবলি এবং কালীপুজো উদযাপন করছে, তখন অনেক তৃণমূল নেতা জেল খাটতে বাধ্য হয়েছেন। আরও অনেকেই সেই পথেই হাঁটছেন। কেউ শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি মামলায়, কেউ গরু চোরাচালান মামলায়, কেউ কয়লাপাচার মামলায়, কেউ ধর্ষণ ও কেউ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার কারণে জেলে রয়েছেন। তৃণমূল নেতা- কর্মীদের ব্যাপক দুর্নীতি, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে সন্ত্রাস ছড়ানোর মধ্যে দিয়েই তৃণমূল দলটির নীতি ও আদর্শ প্রতিফলিত হয়। আর এই কারণেই তৃণমূল নেতাদের একমাত্র উদ্দেশ্য সর্বদা ক্ষমতায় থাকা এবং জনসাধারণের তহবিল লুটপাট করা। আজ ওরা নিজের ছায়াকেও ভয় পাচ্ছেন। এমনকি তাঁরা জানে, তাদের দুর্নীতি এবং অত্যাচারী শাসনের অবসান হতে চলেছে। জনসাধারণের তহবিল লুটপাট এবং নিরপরাধদের  হত্যা করে গড়া তাসের ঘরটি ভেঙে চুরমার হতে চলেছে। আর সেই কারণে তারা সবকিছুকে রাজনৈতিক রঙে রাঙিয়ে  দিতে মরিয়া। সবকিছুতে রাজনীতি না দেখে, কেন এমন শুভ উৎসবের সময়ও কেউ তাদের নেতাদের ডাকেনি সে সম্পর্কে তাদের ভাবা উচিৎ।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ গারদে, কালীপুজোয় নেই জাঁকজমক, কমল প্রতিমার গয়নাও!

    Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ গারদে, কালীপুজোয় নেই জাঁকজমক, কমল প্রতিমার গয়নাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্ট (Anubrata Mondal) রয়েছে গারদে। দুর্গাপুজো কেটেছে আসালসোলের সংশোধনাগারে। আর এবার কালীপুজোও কাটছে সেখানেই। প্রতিবছর বোলপুর তৃণমূল কার্যালয়ে যে কালীপুজোর আয়োজন করা হয় তা কেষ্টর কালীপুজো নামে পরিচিত এলাকায়। কোনও বছরেই সেই পুজোয় এতটুকু কমতি হয়নি। প্রত্যেক বছর জাঁকজমকভাবে সেই পুজো করা হত। আর মায়ের গায়েও থাকত ভরি ভরি গয়না। কিন্তু এবছর গরুপাচারে কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) হাজতবাস করছেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ৷ তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে জৌলুস হারাল তাঁর কালী পুজো, আর কমল প্রতিমার গয়নার পরিমাণও।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, যে প্রতিমা গতবছর সেজে উঠেছিল ৫৭০ ভরি সোনার গয়নায়, এবার সেজেছে মাত্র ৪০ ভরিতে। ২০১৮ সালে কালী প্রতিমা সাজানো হয়েছিল ১৮০ ভরি সোনার গয়নায়। ২০১৯ সালে গয়নার পরিমাণ বেড়ে হয়েছিল ২৬০ ভরি। ২০২০ সালে সেই প্রতিমা সাজানো হয়েছিল প্রায় ৩০০ ভরি গয়না দিয়ে। আর ২০২১-এ তার পরিমাণ বেড়ে হয়েছিল ৫৭০ ভরি। মাথায় ছিল সোনার মুকুট। এছাড়াও ছিল সীতাহার, চেন, গলার চিক, চূড়, রতনচূড়, মান্তাসা, বাজুবন্ধ, টায়রা-টিকলিও ইত্যাদি। কিন্তু এবছর এর একেবারে বিপরীত দৃশ্য। মাথায় সোনার মুকুট নেই, কানের দু পাশে কান বালা উধাও, বাজুবন্ধ মানতাসা কিছু পড়ানো হয়নি মাকে। কিছু সীতাহার, সোনার চেন, চারহাতে চারটি বালা, টিকলি,টায়রা পড়িয়ে পুজো করা হল কেষ্টর কালীকে।

    আরও পড়ুন: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    এবছর কেষ্ট (Anubrata Mondal) জেলে থাকায় কেষ্টর কালীপুজো কে করবে? কে পরাবে প্রতিমার অলঙ্কার? জাঁকজমকেরই বা কী হবে? প্রশ্ন ছিল একাধিক। শেষে জানা গিয়েছে, কালী মূর্তিকে সোনার গয়নায় সাজালেন পুরোহিত রেবতীরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহকারী। অফিসের দোতলায় কালী মন্দিরে বিকেলেই মাকে সাজানো হল। একে একে হাজির হলেন কর্মীরা। গেটের বাইরে এলইডি আলোর গেট।

    এবারে অতিথিদের খাবারেও কাটছাঁট করা হয়েছে। অতিথিদের খাওয়ার জন্য রাত্রে প্রসাদ হিসাবে খিচুড়ি, পাঁঠার মাংস, ভাজা, তরকারি, চাটনি, পাঁপড় মিষ্টি রয়েছে। তবে বেশ কিছু পদ কমেছে। আবার ভয়ে অনেক নেতা-নেত্রীদের নিমন্ত্রনও করা হয়নি। আবার আসতে চায়নি অনেকে।  অন্যদিকে দলীয় স্তরে জেলা কমিটির সদস্যদের এক হাজার টাকা করে চাঁদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু তাকে সামনে রেখে বেশ কিছু নেতা ও অন্যান্যদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে জেলা নেতাদের কাছে।

  • TET Scam: দুর্নীতির দোসর! টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে দীর্ঘ জেরা ইডির, কী বললেন তিনি?

    TET Scam: দুর্নীতির দোসর! টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে দীর্ঘ জেরা ইডির, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিসে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় (TET Scam), মানিক ভট্টচার্য (Manik Bhattacharya) ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে (Tapas Mandal) দীর্ঘ জেরা করল ইডি (ED)। ম্য়ারাথন জেরায় তাপসের দেওয়া যাবতীয় তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের দাবি, জেরায় তাপস জানিয়েছেন, করোনার সময় বিএড পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করতে অনলাইনে ক্লাস করানো হয়েছিল। মাথাপিছু নেওয়া হয়েছিল ৫০০ টাকা। তাঁর সঙ্গে অন্য কোনও বেসরকারি সংস্থার চুক্তি নেই বলেও জেরায় দাবি করেছেন তাপস। ইডির সন্দেহ এই তাপস মণ্ডলের সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের সংস্থার চুক্তি থাকতে পারে।

    আরও পড়ুন: কামদুনির মৌসুমীও কাজ করতেন তাপসের সংস্থায়! মহিষবাথানের অফিস নিয়ে কী জানালেন তিনি?

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে ইডি তাপসের সঙ্গে সম্পর্কিত ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলিতে কত টাকার লেনদেন হয়েছে এবং কাদের সঙ্গে হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখতে চাইছেন ইডির আধিকারিকরা। তাপসের সংস্থা চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগপত্র পাইয়ে দেওয়ার পিছনে রয়েছে বলে মনে করছে ইডি। এই সূত্রেই মানিকের সঙ্গে তাপসের ‘ঘনিষ্ঠতা’র বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবারই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন তাপস। প্রথমে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজির হতে পারবেন না বলে ইডিকে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁকে অতিরিক্ত সময় না দেওয়ায় অগত্যা বৃহস্পতিবারই তাঁকে হাজিরা দিতে হয়।

    আরও পড়ুন: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    ইডি সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তাপস স্বীকার করেছেন, মানিকের ছেলের সংস্থাকে কনসালটেন্সি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। তবে করোনা ও লকডাউনের জন্য সেই কাজ হয়নি। সেইসঙ্গেই তাপস জানান, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে মানিকের ছেলের সংস্থাকে অনলাইন ক্লাস করানোর জন্য ৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য ছাত্রপিছু ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় বলে জানান তাপস। ইডি সূত্রে খবর, তাপসের বয়ান নিয়ে ফের মানিককে জেরা করা হবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Chintan Shivir: সুরজকুণ্ডে অমিত শাহের ডাকে চিন্তন বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা, কেন?

    Chintan Shivir: সুরজকুণ্ডে অমিত শাহের ডাকে চিন্তন বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুরজকুণ্ডের ‘শাহী’-বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    আগামীকাল থেকে দুদিন ব্যাপী অর্থাৎ ২৭ এবং ২৮ অক্টোবর হরিয়ানার (Haryana) সুরজকুণ্ডে (Surajkund Chintan Shivir) দেশের সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শীর্ষ পুলিশ কর্তা এবং সচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশেষ বৈঠক, যার প্রধান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Union Home Minister Amit Shah)। সেই বৈঠকেই এবার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে, যিনি এরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বটে। মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেই চিঠি লিখে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু, নবান্ন সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    নবান্নর (Nabanna) খবর, গত ৩০ সেপ্টেম্বর নর্থ ব্লকের চিঠি এসে পৌঁছয় নবান্নে। তাতে বলা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) দেশের সমস্ত রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীদের নিয়ে একটি চিন্তন শিবিরের (Chintan Shivir) ডাক দিয়েছেন। হরিয়ানার ফরিদাবাদের সুরজকুণ্ডে আগামী ২৭-২৮ অক্টোবর এই শিবির বসবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীরা ছাড়াও প্রতিটি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও চিন্তন শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

    চিন্তন শিবির হবে কী নিয়ে?

    স্বরাষ্ট্র কর্তারা জানাচ্ছেন, অগ্নি নির্বাপন থেকে হোমগার্ড, পুলিশ বাহিনীর আধুনিকীকরণ থেকে এনিমি প্রপার্টি, জেলখানা থেকে বিএডিপি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থেকে মাদক চক্র সমস্ত বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা কথা বলার সুযোগ পাবেন দেশের সবকটি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সুযোগ থাকবে একান্তে কথা বলারও। অমিত শাহ রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীদের সঙ্গে নিবিড় বন্ধুত্ব করার জন্যই দু’রাত একসঙ্গে থাকবেন। 

    দুদিনে মোট সাতটি পর্বে চিন্তন শিবির (Chintan Shivir) চলবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) উদ্বোধনী এবং সমাপ্তি অনুষ্ঠানে নিজের মতামত রাখবেন। দুদিনের সাতটি আলোচনা চক্রেই তিনি পৌরহিত্য করবেন। প্রতিটি চক্রে আবার তাঁর সঙ্গে সভাপতিত্বের আসনে বসবেন চারটি করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মোট আটটি রাজ্য দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সুযোগ পাবে।

    কেন যাচ্ছেন না মমতা? 

    চিন্তন শিবিরে মমতা যোগ দিলে তাঁকেও অন্তত একটি আলোচনায় অমিত শাহের সঙ্গে মঞ্চে বসতে দেখা যেত। তবে, যে আটটি রাজ্যকে প্রেজেন্টেশনেকর সুযোগ দেওয়া হবে, সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ আছে কি না তা স্পষ্ট নয়। সেই কারণে হয়ত, মমতা যাচ্ছেন না। আরেকটি কারণ হতে পারে, আগামী মাসের গোড়ায় এরাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক এবার এ রাজ্যেই হচ্ছে।সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। আগামী ৫ নভেম্বর বৈঠকের সভাপতিত্ব করতে কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

    মূলত পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে। আন্তঃ রাজ্য সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হবে এই বৈঠকে। এ রাজ্যের পাশাপাশি বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, সিকিমের মতো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ওই বৈঠকের সময় মমতা-শাহ পৃথক একান্ত বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই, সুরজকুণ্ডের বৈঠকে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal NCC: ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগছে, রাজ্যে এনসিসি বন্ধ করে দিল মমতা প্রশাসন

    West Bengal NCC: ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগছে, রাজ্যে এনসিসি বন্ধ করে দিল মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এনসিসি (NCC West Bengal) বন্ধ হলো এরাজ্যে। গত ৬ অক্টোবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে পাঠানো রাজ্যের এনসিসি-র এডিজি মেজর জেনারেল সেনগুপ্তর চিঠি সামনে আসতেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়। ওই চিঠিতে ষ্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এরাজ্যে এনসিসিতে নতুন করে কোনও নাম নথিভুক্ত করা যাবে না। কারণ হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে রাজ্য সরকারের এই খাতে বাজেট বরাদ্দ না করার বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নাম নথিভুক্ত রয়েছে এমন এনসিসি ক্যাডারের সংখ্যা এরাজ্যে ৯৫ হাজার ১২০, যাদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৩২৪ জন জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছে। 

    ফলে প্রশ্ন উঠছে, যেখানে ক্লাবগুলোকে দুর্গাপুজোর নামে বিপুল পরিমাণ টাকা দেওয়া হচ্ছে, লক্ষ্মীভাণ্ডার প্রকল্পে মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হচ্ছে, সেখানে এনসিসির খাতে বরাদ্দ কেন নেই? ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, এখানে অন্য কারণ থাকতে পারে। স্কুল কলেজে অসংখ্য পড়ুয়া এনসিসিতে ভর্তি হয়। দেশাত্মবোধক গান, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগে। তাই এই কারণেই হয়তো এনসিসিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল। 

    ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) মতো প্রকল্পে শাসক দলের ভোট ব্যাংক তৈরী হয়। কিন্তু জাতীয়তাবোধ জাগলে সেটাকে শাসক দলের বিপক্ষ ভোট ব্যাংক বলেই মনে করে মমতা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পুলওয়ামা হামলার বদলা হিসেবে এয়ার স্ট্রাইকের দ্বারা জঙ্গি নিকেশ করে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সারাদেশের মতো তখন পশ্চিমবঙ্গেও বিজয় দিবস পালিত হয়েছিল। রাস্তায় নেমে জাতীয় পতাকা হাতে বহু সাধারণ মানুষ, দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে দিয়ে দেশের সেনাবাহিনীকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছিল। তখন একাধিক জায়গায় মমতা প্রশাসনের বিপক্ষে অভিযোগ ওঠে এই প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়ার। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী (Mamata) সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দেন – ‘‘জাতীয় পতাকা হাতে, সন্ধ্যা হলেই রাস্তায় নামছে। ওরা কারা?’’ তাই অনেকেই মনে করছেন, জাতীয়তাবোধ জাগে বলেই এনসিসি বন্ধের এই সিদ্ধান্ত। 

    গরুপাচার, শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে ইতিমধ্যে নাজেহাল শাসক দল, তার মধ্যে এনসিসি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি মমতা প্রশাসনের অস্বস্তির মাত্রা বাড়াল বলেই মনে করছে অনেকে। এনসিসি শুধুমাত্র যে একটি প্রশিক্ষণ তাই নয়, এই ট্রেনিং এর দ্বারা সরাসরি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। সেদিক থেকে দেখলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দপ্তরে চাকরি করার সুযোগটাও চলে গেল অসংখ্য কলেজ পড়ুয়ার।

    দুর্নীতি, স্বজনপোষণে এবং একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ‌‌। এখন শিক্ষক নিয়োগ বা অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষা এরাজ্যে প্রায় বন্ধ বললেই চলে‌। অসংখ্য তরুণ-তরুণী এনসিসির মারফত ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সরাসরি ভর্তি হতে পারতেন। এনসিসির ‘বি’ এবং ‘সি’ সার্টিফিকেটের পরীক্ষায় যাঁরা ভাল নম্বর নিয়ে পাশ করতেন এবং স্নাতক স্তরে যাদের ৫৫% শতাংশ নম্বর থাকত, তাঁদের ‘কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস’ এর লিখিত পরীক্ষায় বসতে হতো না‌। সরাসরি তাঁরা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেতেন। এবার সে সুযোগ থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share