Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bengal Kumbha Mela 2025: ত্রিবেণীতেও কুম্ভমেলা, মুসলিম আক্রমণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ৭০০ বছর আগে

    Bengal Kumbha Mela 2025: ত্রিবেণীতেও কুম্ভমেলা, মুসলিম আক্রমণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ৭০০ বছর আগে

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ মানেই চোখের সামনে যে ছবিটা ভেসে ওঠে সেটা প্রয়াগের। তবে জানলে অবাক হবেন এই বাংলাতে এবারও কুম্ভ মেলার (Bengal Kumbha Mela 2025) আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, হারিয়ে যেতে বসা ‘ইতিহাস’কে ফের মানুষের সামনে ফিরিয়ে আনার সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মন কী বাতে খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলার এই কুম্ভ মেলার কথা উল্লেখ করেছিলেন। আর এই কুম্ভমেলার পুরানো ঐতিহ্য রয়েছে। বাংলায় মুসলিম আক্রমণের আগে এই মেলার বাংলার মানুষ তথা দেশের মানুষের কাছে আলাদা গুরত্ব ছিল। এই ত্রিবেণীর সঙ্গমে স্নান করার জন্য সাধু-সন্তদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়ত। প্রায় ৭০০ বছর পর আবার সেই ত্রিবেণীতে শুরু হয়েছে পুণ্যস্নান। 

    ত্রিবেণীর কুম্ভমেলা কে বন্ধ করেছিলেন? (Bengal Kumbha Mela 2025)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রাচীনকালে ঋষিরা আধ্যাত্মিক সাধনা ও মুক্তিলাভের জন্য ত্রিবেণীতে (Bengal Kumbha Mela 2025) আসতেন। ৭০৩ বছর পর গঙ্গার আরও উপনদী, যমুনা এবং সরস্বতী (কুন্তি) সঙ্গমে আবার কুম্ভমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। ৭০৩ বছর আগে জাফর খান গাজি ত্রিবেণীর (Tribeni) বিষ্ণু মন্দিরকে মসজিদে রূপান্তরিত করেন। সেই সময় থেকে ইসলামি আক্রমণের কারণে কুম্ভস্নান ও মেলা বন্ধ হয়ে যায়। ১৩১৯ সালের পর ২০২২ সালে ত্রিবেণীতে খুব আনন্দের সঙ্গে একটি কুম্ভস্নানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই ত্রিবেণী হল ‘মুক্ত বেণী’ (মুক্ত প্রবাহ) এবং প্রয়াগ হল ‘গুপ্ত বেণী’ (গোপন প্রবাহ)।

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    দক্ষিণে প্রয়াগ হল এই ত্রিবেণী!

    রঘুনন্দনের প্রায়শ্চিত্ত তত্ব গ্রন্থে ত্রিবেণীর (Bengal Kumbha Mela 2025) উল্লেখ পাওয়া যায়। ইতিহাসের বিভিন্ন দলিল থেকে জানা যায়, সপ্তগ্রাম ও ত্রিবেণী শিক্ষা ও সংস্কৃতির তীর্থভূমি ছিল। জানা যায়, উত্তরে প্রয়াগ রয়েছে এলাহাবাদে। দক্ষিণে প্রয়াগ রয়েছে এই ত্রিবেণীতে। বিভিন্ন সাধু- সন্তর কথায়, এটাই কুম্ভের উপযুক্ত স্থান। মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব সাহিত্য, শাক্ত সাহিত্য, সাধারণ বাংলা সাহিত্যেও এর উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সেই ঐতিহ্য হারিয়ে গিয়েছিল কালের গর্ভে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ দিনগুলিতে বহু মানুষ আসেন এই ত্রিবেণীঘাটে। বিভিন্ন গবেষণায় জানা যায় এই কুম্ভস্নান ও মেলার কথা। বাংলা সাহিত্য ও কাব্যের মধ্যে তো এর উল্লেখ আছেই। ১৯৭৯ সালে এক বিদেশিনী এলান মরিনিসের (Alan Morinis) অক্সফোর্ডে জমা দেওয়া এক তথ্য থেকে এই কুম্ভের কথা জানা যায়।

    সাধু-সন্তরা গঙ্গাসাগর মেলা শেষে পদব্রজে ত্রিবেণীতে আসতেন!

    ইতিহাসবিদ অশোক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “ত্রিবেণী কুম্ভ মেলার (Bengal Kumbha Mela 2025) সঙ্গে গঙ্গাসাগর মেলার একটা যোগ ছিল। তৎকালীন সাধু-সন্তরা, গঙ্গাসাগর মেলা শেষ হওয়ার পর পদব্রজে ত্রিবেণীতে আসত। মাঘ সংক্রান্তির দিন তাঁরা এখানে স্নান করতেন। এই দিনটাকেই অনুকুম্ভ হিসেবে ধরা হত ত্রিবেণীতে। সপ্তগ্রাম ও ত্রিবেণী শিক্ষা ও সংস্কৃতির তীর্থভূমি ছিল। পরবর্তীকালে মুসলিম আক্রমণের ফলে এখানকার মন্দির এবং তীর্থস্থান নষ্ট হয়ে যায়। পন্ডিতরা এখান থেকে চলে যান। ত্রিবেণী যেহেতু গঙ্গার মুক্তবেণী, সেই কারণে এই জায়গাটার আলাদা গুরুত্ব ছিল।”

    কোথায় কবে হবে এই কুম্ভ স্নান?

    ২০২২ সালে এই কুম্ভস্নান (Bengal Kumbha Mela 2025) ফের শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে প্রতি বছর এই কুম্ভ স্নানের আয়োজন করা হচ্ছে। চলতি বছরের আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই বঙ্গীয় কুম্ভ স্নানের আয়োজন করা হবে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই কুম্ভ স্নান চলবে। হুগলি জেলার ত্রিবেণীর সপ্তর্ষি ঘাটে হবে এই কুম্ভ স্নান। আয়োজকদের দাবি, হাজার জনের বেশি সাধু আসবেন এবার। তার মধ্যে ২০০জনের বেশি নাগা। হুগলি জেলার ত্রিবেণীর সপ্তর্ষি ঘাটে হবে এই মহাকুম্ভ স্নান। ১৫ লাখের বেশি মানুষ বাংলার এই মহাকুম্ভে এবার স্নান করবেন বলে আশা আয়োজকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cable Bridge: হাওড়ায় ভারতের দ্বিতীয় অত্যাধুনিক ‘কেবল ব্রিজ’ তৈরি করছে পূর্ব রেল

    Cable Bridge: হাওড়ায় ভারতের দ্বিতীয় অত্যাধুনিক ‘কেবল ব্রিজ’ তৈরি করছে পূর্ব রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্বিতীয় অত্যাধুনিক কেবল ব্রিজ তৈরি হচ্ছে হাওড়ায়। নির্মাণ করছে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। জানা গিয়েছে, এই বছরই চালু করে দেওয়া হবে ব্রিজটি। এই ব্রিজটি হবে সিঙ্গল পাইলন কেবল সহ রোড ওভারব্রিজ।  জানা গিয়েছে, কয়েক দশকের পুরানো হাওড়া ব্রিজের উপর যানবাহণের চাপ কামাতে এই অভিনব ব্রিজের (Cable Bridge) ভাবনা। এই নয়া ব্রিজ হাওড়া স্টেশন থেকে জিটি রোডকে সংযুক্ত করবে। এই লোহার ডেক ব্রিজ ভারতে দ্বিতীয় সেতু। মুম্বইয়ে অটল সেতুর পর সলিড স্টল প্লেট ডেক ব্রিজ হাওড়ায় স্থাপন হবে। তাই এখন বাংলায় এই সেতু এক বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বলে মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আনুমানিক খরচ হবে ২০০ কোটি টাকা (Cable Bridge)

    হাওড়ায় এই অভিনব ব্রিজকে (Cable Bridge) অনেকে চাঁদমারি ব্রিজ বলেছেন। পূর্ব রেল (Eastern Railway) জানিয়েছে, মূলত কেবল টাইপের আকারে নির্মিত হবে এই সেতু। আনুমানিক খরচ হবে ২০০ কোটি টাকা। সেতুর দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার থেকে বেড়ে হচ্ছে ১৩৪ মিটার। পুরনো সেতুর জায়গায় তৈরি হচ্ছে চার লেনের কেবল টাইপ ব্রিজ। জানা গিয়েছে, তাইওয়ানের সংস্থা উইকন এই সেতুর নকশা তৈরি করেছে। আর নির্মাণের কাজ করছে এসপি সিংলা কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড। হাওড়া স্টেশন থেকে ২০০ মিটার দূরত্বে তৈরি হচ্ছে এই নয়া সেতু। 

    আরও পড়ুনঃ আরজি করকাণ্ডে দোষী সিভিক সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদা আদালতের

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ হবে কাজ

    হাওড়া রেল স্টেশনের (Eastern Railway) ওল্ড কমপ্লেক্সে কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম আরও লম্বা করা হবে। ফলে দূরপাল্লার ট্রেনগুলি এই প্ল্যাটফর্মের পাশ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। স্টেশনের ১, ৭, ১০, ১১, ১২, ১৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যও বাড়ানো হবে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ১৫ এবং ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করে যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। একই ভাবে ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেম তৈরিও করা হবে। ফলে নব নির্মীয়মাণ ব্রিজ বিশেষ ভাবে উপকারী হবে জনসাধারণের জন্য।  

    জানা গিয়েছে, ৬০ মিটার চাঁদমারি ব্রিজ ১৯৩৩ সালে তৈরি করা হয়েছিল। একে ‘বাংলাবাবু ব্রিজ’-ও বলা হয়। এই সেতুই (Cable Bridge) এখন ১৩৪ মিটার দীর্ঘ সেতুতে পরিণত করা হবে। এই ব্রিজের নিচ দিয়ে রেলের মোট ১২টি লাইন যাবে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jal Jeevan Mission: কল আছে, জল নেই, ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পে পিছনের সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    Jal Jeevan Mission: কল আছে, জল নেই, ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পে পিছনের সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের সমস্ত বাড়ি বাড়ি নলবাহিত বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’- এর সূচনা করেছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে এই প্রকল্প কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’-এ (Jal Jeevan Mission) সব থেকে পিছিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের এক রিপোর্টেই এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

    প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এখনও বাকি! (Jal Jeevan Mission)

    এই প্রকল্পে (Jal Jeevan Mission) পশ্চিমবঙ্গের পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে রাজ্যের গাফিলতিকে দায়ী করছে জলশক্তি মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের অর্ধেক বাড়িতে এখনও পৌঁছায়নি নলবাহিত পানীয় জল। এখানেই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে কবে পশ্চিমবঙ্গবাসী এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হিসেবে বাড়ি বাড়ি জল পাবে? জল জীবন মিশন ড্যাশবোর্ডে এক নজরে দেখা যায় যে পশ্চিমবঙ্গ এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের রাজ্যের মাত্র ৫৪ শতাংশ কভার করেছে। আর বাস্তবে যেখানে পাইপ লাইন বসানো হয়েছে, সেখানে জল পর্যন্ত পড়ছে না। কোথাও আবার সেই পাইপ লাইন পর্যন্ত খুলে নেওয়া হয়েছে। যেমন, হুগলির বেরাবেড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গোরডিহি গ্রামের বাসিন্দা বেদানা ধাড়া। তাঁর বয়স ৬৪ বছর। তাঁর বাড়ির কাছে একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে একটি জং ধরা পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন বছর আগে জাতীয় ‘জল জীবন মিশন’-এর অধীনে ভারতজুড়ে পরিবারগুলিতে নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য এই পাইপ বসানো হয়েছিল। পাইপটি এখন অকেজো।

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    ২০১৯-এর ১৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘জল জীবন মিশন প্রকল্প’ ঘোষণা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের (Jal Jeevan Mission) তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের হাত ধরে সমগ্র দেশের প্রায় ১৩ কোটি গ্রামীণ পরিবারের কাছে এই নলবাহিত বিশুদ্ধ পানীয় জলের পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান বেশ খারাপ। বলা যেতে পারে, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পিছনের সারিতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এই প্রকল্পে বাস্তবায়িত করতে পশ্চিমবঙ্গের চাহিদা মতোই অর্থ জোগানো হচ্ছে। কিন্তু, কাজের গতির নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা’’! আরজি কর মামলার রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    RG Kar: ‘‘ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা’’! আরজি কর মামলার রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) অপরাধী সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাবাসের সাজা হওয়াকে ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা বলে মন্তব্য করল বিজেপি (Bjp)। এদিনই দলের আইটি সেলের প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী নেতা অমিত মালব্য শিয়ালদা আদালতের সাজা ঘোষণার পরেই এক এক্স মাধ্যমে এমন মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে এই বিজেপি নেতা তদন্তকারী সংস্থার কাছে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত দাবি করেন।

    কী লিখলেন অমিত মালব্য?

    অমিত মালব্য লিখেছেন, ‘‘আরজি করের (RG Kar) হাসপাতালের ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আদালত যাবজ্জীবন কারাবাস ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এটা ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা।’’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধীদের আড়াল করা বন্ধ করুন। এজেন্সির প্রয়োজন পুলিশ কমিশনার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের তদন্ত করা। বিচার শুধু করলেই হয় না, বিচার হয়েছে সেটা দেখতে পেতে দিতেও হয়।’’

    ‘একাধিক’ দোষী থাকার তত্ত্বে (RG Kar) জোর দিয়েছে গেরুয়া শিবির

    অন্যদিকে, এই ঘটনায় ‘একাধিক’ দোষী থাকার তত্ত্বে (RG Kar) জোর দিয়েছে গেরুয়া শিবির। সোমবার সঞ্জয়ের সাজা ঘোষণার পর বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘সারা দেশবাসীর মনে যেটা আছে, যে একা সঞ্জয় রায় দোষী নয়, সেই ধারণা হয়তো বিচারকের মনেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সঞ্জয়ের সাজা হয়েছে, কিন্তু যারা প্রমাণ লোপাট করল, তারা কোথায়? কারা সঞ্জয়কে ওই নির্দিষ্ট ঘরে পাঠিয়ে ছিল?…তাঁদের কী হল? এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক খুন। যাঁরা তদন্ত করছেন, তাঁরা বুঝবেন সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কী আসবে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: চেয়েছিলেন ফাঁসি, হল আমৃত্যু কারাবাস! উচ্চ আদালতের পথে কি তিলোত্তমার বাবা-মা?

    RG Kar: চেয়েছিলেন ফাঁসি, হল আমৃত্যু কারাবাস! উচ্চ আদালতের পথে কি তিলোত্তমার বাবা-মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলোত্তমার ধর্ষক-খুনির আমৃত্যু কারাবাস হল। হয়নি ফাঁসির সাজা। সাজা ঘোষণার সময় চুপচাপ বসে থাকতে দেখা যায় তিলোত্তমার বাবা-মাকে। প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে দোষী সঞ্জয়ের ফাঁসিই চেয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। একইসঙ্গে তাঁদের আরও দাবি ছিল, সঞ্জয়ের সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের ধরতে হবে। সে কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সোমবার ফাঁসির সাজা হয়নি। বিচারক সঞ্জয়কে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই শাস্তি শোনার পরেই কার্যত স্তব্ধ হয়ে যান নির্যাতিতার বাবা, মা। এই রায়ে যে তাঁরা খুশি নন, তাও ব্যক্ত করলেন। সেইসঙ্গে, ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন উচ্চ আদালতে যাওয়ার বিষয়েও।

    ক্ষতিপূরণ নিতে অস্বীকার (RG Kar)

    শাস্তি ঘোষণার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। সেই সময় নির্যাতিতার বাবা বিচারককে জানান, তাঁরা কোনওভাবেই ক্ষতিপূরণ চান না (RG Kar case)। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘ক্ষতিপূরণ চাই না। আমি মেয়ের জন্য বিচার চাইছি।’’ জবাবে বিচারক অনির্বাণ দাস বলেন, ‘‘আমিও মনে করি না, টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ (RG Kar) হয়। আপনি মনে করবেন না যে, টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাকে এমনি বলা হলে আমি দিতাম না। আপনি যে নিতে চান না, সেটাও লিখেছি। এটা নিয়ম।’’

    সিবিআই ফাঁসি চেয়েছিল (RG Kar)

    চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ আখ্যা দিয়ে দোষী সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এদিন বলে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা আছে। কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। মানুষকে পরিষেবা প্রদানের জন্যই ছত্রিশ ঘণ্টা ধরে ডিউটিতে ছিলেন। মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তাঁর মৃত্যু শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের ক্ষতি নয়, সমাজেরও ক্ষতি।” সিবিআই বলে, “বহু মেয়ে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য লড়ে যাচ্ছে। সেখানে যদি সুরক্ষা না থাকে, তবে সমাজ ব্যবস্থা ব্যর্থ বলে পরিগণিত হবে। সমাজ তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে চাইছে। সুরক্ষা চাইছে।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা এও বলে (RG Kar Case), “কর্মস্থলেই সেবার কাজে ব্রতী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন, বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ। সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সমাজের আস্থা থাকে।” কিন্তু শাস্তি ঘোষণার সময় বিচারক এদিন জানিয়ে দেন সঞ্জয়ের অপরাধ ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ নয়। এর পরেই বিচারক অনির্বাণ দাস সঞ্জয়ের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।’’

    রায় শোনার পর আদালতেই কেঁদে ফেলেন তিলোত্তমার বাবা-মা। পরে, আদালতের বাইরে নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘আমরা ক্ষতিপূরণ নেব না। আমরা তো এ ভাবে আমাদের মেয়েকে বিক্রি করতে পারব না। তাই টাকা নিতেই পারব না। আমরা এখনও বিচার পাইনি। বিচারের প্রথম ধাপ পার করলাম মাত্র। বিচার পাওয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিলেন বিচারক। উনি যা ভাল মনে করেছেন, তা-ই করেছেন। প্রকৃত অপরাধী শাস্তি পেলে মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।’’ তাঁদের কথাতেই ইঙ্গিত, হয়ত উচ্চতর আদালতে আবেদন করতে পারেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BSF: সীমান্ত টপকে লুট! বাঁশপেটা করে বাংলাদেশিদের তাড়াল ভারতীয়রা, সেল ফাটাল বিএসএফ

    BSF: সীমান্ত টপকে লুট! বাঁশপেটা করে বাংলাদেশিদের তাড়াল ভারতীয়রা, সেল ফাটাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তের ফাঁকা জমিতে কাঁটাতারের বেড়ার লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএসএফ (BSF)। কোথাও আবার কাঁটাতারের মধ্যে কাচের বোতল লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আবহে এবার মালদার শুকদেবপুর সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিল। জানা গিয়েছে, শনিবার বৈষ্ণবনগরের শুকদেবপুরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফসল লুট করাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএসএফের ১১৯ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানদের ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়। কিন্তু, কর্তব্যরত জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছোড়ে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। তাতেই দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন। সেই সময় মালদার শুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দারা হাতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে বাংলাদেশিদের ধাওয়া করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকার একাধিকবার চেষ্টা হয়েছে। এর আগেও ভারতীয় সীমান্তের বাসিন্দাদের তাড়া খেয়ে পালিয়েছিল বাংলাদেশি নাগরিকরা। শনিবারও শুকদেবপুরে ঢোকার চেষ্টা করে ওপারের বাসিন্দারা। শুকদেবপুর সীমান্তে দেড় কিলোমিটার কাঁটাতার নেই। বিএসএফ যখনই কাঁটাতার লাগানোর চেষ্টা করেছে, তখনই বিজিবি বাধা দিয়েছে। মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গও বানাতে দেখা গিয়েছে ওপার থেকে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ওপারের সীমান্তের বাংলাদেশিরা এপারের সীমান্তে ঢুকে কৃষকদের ফসল লুট করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি সীমান্তের আম গাছও কেটে ফেলে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। তারপরই বাধা দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাতেই উত্তেজনা ছড়ায়। বিএসএফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। তাড়া খেয়ে পালায় ওপারের বাসিন্দারা। এর আগে সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে বারবার বাধা দিয়েছে বিজিবি। কেন তারা বাধা দিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে একাধিকবার সীমান্তে (BSF) উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের জন্য বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক ধরা পড়েছেন।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?

    সোশ্যাল মিডিয়াতেও ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সীমানা টপকে আচমকাই কিছু বাংলাদেশি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকার বাসিন্দারাও ছুটে আসেন। এর পর বিএসএফ-এর (BSF) সঙ্গে মিলে স্থানীয়রাও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়া করেন। ভিডিও-য় দেখা গিয়েছে, মাঠের ওপর প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়। চিৎকার-চেঁচামেচি চলছে। সামনের দিকে কয়েক জন দৌড়চ্ছেন। পিছু পিছু ছুটছেন আরও কয়েক জন। উর্দি পরিহিত বিএসএফকেও দেখা যায় ভিডিও-তে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার শাসনের অবসান ঘটার পর থেকেই পড়শি দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে সীমান্ত সংঘাতও। মালদার শুকদেবপুরের প্রায় এক কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার নেই। সেখানে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া বসাতে গেলে বাধা দেয় বিজিবি। ওপারের সাধারণ নাগরিকরাও সীমান্তে এসে কাজে বাধা দেন। এপারের মানুষজনও জড়ো হন সীমান্তে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পর বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্য দফায় দফায় ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। বিজেবি দাবি করে, যে জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া তুলছে বিএসএফ, তা বিতর্কিত এলাকা। অন্য দিকে, বিএসএফ জানায়, নিজেদের ভূখণ্ডেই কাঁটাতারের বেড়া তোলা হচ্ছে। কিন্তু এসবের মধ্যে কাজ ভণ্ডুল হয়ে যায়। আর সেই আবহেই ফের তপ্ত হয়ে উঠল এলাকায়। একেবারে দিনের বেলা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ল বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। এর নেপথ্যে বিজেবি-র উস্কানি থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্থানীয়দের অনেকে।

    পঞ্চায়েত সদস্যের কী বক্তব্য?

    বৈষ্ণবনগর থানার (BSF) বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের শুকদেবপুর এলাকার  পঞ্চায়েত সদস্য বিনয় মণ্ডল বলেন, “এদিন শতাধিক বাংলাদেশিরা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে গ্রামের দুই বাসিন্দা গোপাল মণ্ডল ও তপন ঘোষের জমির ফসল লুট করেছিল। শুধু তাই নয়, ওরা আমার বাগানের পনেরোটা আম গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। তখনই সীমান্তে বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কর্তব্যরত জওয়ানেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বাধা দেয়। কিন্তু, সেই সময় বিএসএফকে লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছোঁড়া হয়। তাতে দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন।” এই ঘটনায় সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দিনের আলোয় যদি বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশ ঘটানো হয় ওপার থেকে, তাহলে রাতের অন্ধকারে কী হতে পারে, ভেবে আতঙ্কিত অনেকেই। সীমান্তের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণে কড়া পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মত তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব! রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপট, তাপমাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা

    Weather Update: নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব! রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপট, তাপমাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব পড়তে চলেছে রাজ্যে। ফলে, আগামী সপ্তাহেও জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন রাতের তাপমাত্রায় খুব একটা হেরফের হবে না। শীতের আমেজ থাকবে জেলায় জেলায়। তবে জাঁকিয়ে শীত পড়বে না। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর বলছে, শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী চার থেকে পাঁচদিন এই ছবিই দেখা যাবে বলে জানাচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। একই ছবি দেখা যাবে উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও।

    কুয়াশার দাপট কোথায়? (Weather Update)

    বৃষ্টি না হলেও কুয়াশার দাপট জারি থাকবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া(Weather Update) অফিস। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দেখা মিলবে। মূলত, দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে। তবে, উত্তরবঙ্গের জন্য থাকছে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। এর জেরে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ২০০ মিটারের নীচে। সবথেকে বেশি কুয়াশার সম্ভাবনা থাকছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলাতে। তবে এই জেলাগুলিতে রবি-সোমবার থেকে কুয়াশার দাপট কিছুটা কমতে পারে। আবহাওয়া দফতর বলছে, পরপর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কতটা সিকিমের ওপর পড়ে তার ওপর নির্ভর করছে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি। অন্যদিকে, হাওয়া অফিস বলছে শুধু রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আশপাশের জেলাগুলিতে সামান্য পারদ পতন হতে পারে। তবে যা বড় মাত্রায় নয়। তার ফলে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা এখনই থাকছে না। উল্টে ২৪ ঘণ্টা পর থেকে কিছুটা হলেও চড়তে পারে পারদ। তবে এই একই রকমের ওঠানামা চলবে আগামী ৪ থেকে ৫ দিন।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    তাপমাত্রা বাড়বে!

    শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি বেশি। গত এক সপ্তাহে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নামেনি। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। ফলে তাপমাত্রা নতুন করে বাড়তে পারে। জাঁকিয়ে শীত না-পড়লেও শীতের আমেজ রয়েছে কলকাতা এবং জেলাগুলিতে। সর্বত্রই থাকবে শুকনো আবহাওয়া। তবে কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে বেশ কিছু জেলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা, দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন সুকান্ত?

    RG Kar Case: আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা, দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়, কী প্রতিক্রিয়া দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার আরজি কর মামলায় (RG Kar Case) রায় ঘোষণা হল শিয়ালদা আদালতে (Sealdah Court)। এই মামলায় বিচারক অনির্বাণ দাস দোষী সাব্যস্ত করেন অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সাজা ঘোষণা করা হবে। যদিও এদিন আদালত কক্ষে ফের একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে সঞ্জয়। দোষী সঞ্জয়ের বক্তব্য, এই কাজ একার পক্ষে করার সম্ভব নয়। কিন্তু বিচারক জানিয়েছেন, সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সব অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে। রায় ঘোষণা হতেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রতিক্রিয়া দেন, ‘‘প্রথম থেকেই বলেছি ৫ দিন কলকাতা পুলিশের হাতে তদন্তভার ছিল সেই সময় কী কী তথ্য-প্রমাণ কোথায় গিয়েছে তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে। ফলে আপাতত সঞ্জয় রায় ধরা পড়েছে। কিন্তু সঠিক তথ্য-প্রমাণ হাতে থাকলে কী হত সেটা বোঝা যেত। কিন্তু, এই মুহূর্তে তো সেই পরিস্থিতি নেই। তবে সঞ্জয় (RG Kar Case) যদি দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে ওর সর্বোচ্চ সাজা হোক আমরা চাইব।’’

    ৫ মাস ৯ দিন পরে সম্পন্ন হল রায়দান (RG Kar Case)

    শনিবার শিয়ালদা আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় রায়কে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণের পর মৃত্যু) এবং ১০৩ (১) (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিবিআই প্রথম থেকেই অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের ফাঁসির আবেদন করেছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটেও সঞ্জয়কে একা দোষী হিসেবে দাবি করেছিল। গত বছরের ৯ অগাস্ট কলকাতার আরজি কর (RG kar Case) হাসপাতালে এমন নারকীয় ঘটনাটি সামনে আসে। শনিবার সেই মামলারই রায় ঘোষণা করল শিয়ালদা আদালত। মূল ঘটনার ৫ মাস ৯ দিন পরে সম্পন্ন হল রায়দান।  

    বায়োলজিক্যাল প্রমাণের উপরে নির্ভর করেছে সিবিআই

    শিয়ালদা আদালতে ‘ইন-ক্যামেরা ট্রায়াল’-এর সময় (রুদ্ধদ্বার বিচারপ্রক্রিয়া) বায়োলজিক্যাল প্রমাণের উপরে নির্ভর করে সিবিআই। ডিএনএ নমুনা, ভিসেরা রিপোর্ট, টক্সিলজি রিপোর্ট, লেয়ারড ভয়েস অ্যানালিসিসের মতো বিভিন্ন প্রমাণ আদালতের সামনে পেশ করে সিবিআই। এই প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই সঞ্জয়কে মূল অভিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বইমেলায় স্টল দেওয়া হল না কেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে! গিল্ডকে তীব্র ভৎর্সনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বইমেলায় স্টল দেওয়া হল না কেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে! গিল্ডকে তীব্র ভৎর্সনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা বইমেলায় স্টল দেওয়া হচ্ছে না বিশ্বহিন্দু পরিষদকে (Vishwa Hindu Parishad)। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা তীব্র ভৎর্সনা করলেন আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডকে। রাজ্য প্রশাসন এবং আয়োজকদের উদ্দেশে বিচারপতি বললেন, “আগের বছর মনে হয়নি স্পর্শকাতর, তাই অনুমতি দিয়েছিলেন, এইবারে বিতর্কিত মনে হয়েছে? কিন্তু কেন?”

    মামলা যায় বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে (Calcutta High Court)

    হাতে মাত্র আর কটাদিন বাকি, সামনেই কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলায়। বই মেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড বুক স্টল দেয়নি হিন্দু সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে (Vishwa Hindu Parishad)। তাই অভিযোগ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এই হিন্দু সংগঠন। এরপর মামলা যায় বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে। শুনানিতে বিশ্বহিন্দু পরিষদের (Vishwa Hindu Parishad) আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “গিল্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। বিভিন্ন শর্ত মেনে ৬০০ স্কোয়ার ফুট জায়গার কথা বলে সংগঠনের তরফে আবেদন করা হয়েছে। এরপর ১০ জানুয়ারি ইমেল করে জানতে চাওয়া হয় কিন্তু গিল্ডের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি। আর সেই জন্য তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    অপর দিকে গিল্ডের আইনজীবী বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদের লেখা ভীষণ ভাবে স্পর্শকাতর।” এটা শুনে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি সিন্‌হা। রাজ্যের যুক্তির প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা (Calcutta High Court) তখন রাজ্যকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, “এত বছর ধরে স্টলের অনুমতি দিয়ে আসা হচ্ছে। তাহলে তখন এই সংগঠনের (Vishwa Hindu Parishad) লেখা স্পর্শকাতর মনে হয়নি কেন? তখন তাহলে কেন অনুমতি দেওয়া হয়েছিল? আর সেক্ষেত্রে এবছরই বা কেন অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না?” 

    তখন গিল্ডের আইনজীবী বলেন, “বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নামে আবেদন করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishwa Hindu Parishad) কোনও পাবলিশার্স নয়, কোনও বুকসেলার্সও নয়। এদের পত্রিকা রয়েছে। যার নাম হল বিশ্ব হিন্দু বার্তা।” তখন (Calcutta High Court) বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘‘আপনারা কি জানতেন যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নিজস্ব পাবলিকেশন হাউস আছে?’’ এর পর আপাতত মৌখিক ভাবে স্টলের জায়গা দেওয়ার কথা বলেন বিচারপতি। পরবর্তী মামলার শুনানি ২০ জানুয়ারি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারে কাচের বোতল লাগাল বিএসএফ

    BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারে কাচের বোতল লাগাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশের আবহে সীমান্ত পেরিয়ে লাগাতার ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশিরা। এই আবহে সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের (BSF)। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার নতুন কৌশল নিল ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। কাঁটাতারের বেড়ায় লাগানো হল কাচের বোতল।। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে কাঁটাতারে লাগানো হল কাচের বোতল। ফুলকাডা বুড়ি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কিছুদিন আগেই লাগানো হয় কাঁটাতার। বিএসএফ-এর সাহায্যে সেখানে কাচের বোতল লাগালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুষ্কৃতীরা ওই তার কেটে নিলে সশব্দে ভাঙবে কাচের বোতল। তাতে সতর্ক হবে বিএসএফ, দাবি স্থানীয়দের।

    কেন এমন ব্যবস্থা? (BSF)

    জানা গিয়েছে, কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা (BSF) এপারে ঢুকতে গেলেই বিএসএফের লাগানো সেই বোতলে ধাক্কা লেগে আওয়াজ হবে। আর সেই শব্দই ‘বিপদ ঘণ্টা’ বা ‘ওয়ার্নিং অ্যালার্ম’-এর মতো কাজ করবে। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে যাবে বিএসএফ। তথ্য বলছে, শীতের এই সময়টায় কোচবিহারের এই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রাত নামতে না নামতেই জমাট কুয়াশায় কার্যত ঢাকা পড়ে যায়। এমনকী, দু’হাত দূরের জিনিসও ঠিক মতো দেখা যায় না। দৃশ্যমানতা এই মারাত্মক হারে কমে যাওয়ায় সীমান্ত পাহারা দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন বিএসএফ জওয়ানরা। সেই কারণেই কাঁটাতারের বেড়ায় কোথাও কাচের বোতল, আবার কোথাও টিনের কৌটো বেঁধে রেখেছেন তাঁরা। যাতে সামান্য এদিক-ওদিক কিছু হলেই বিপদের শব্দ সঙ্কেত পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভ নাকি অন্ধবিশ্বাস! মেলা প্রাঙ্গণে হিন্দু-বিরোধী পোস্টার ছিঁড়ে জ্বালিয়ে দিলেন নাগা সাধুরা

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের (BSF) বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা ওই গোটা এলাকা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে ফেলার দাবি করেছিলেন। শেষমেশ গত ১০ জানুয়ারি, ভারতের দিকে থাকা গ্রামের বাসিন্দারাই জিরো পয়েন্ট ঘেঁষে লোহার খুঁটি পুঁতে দেন। তারপর সেই খুঁটির সঙ্গে কাঁটাতার লাগিয়ে বেড়া দেন তাঁরা। সেই সময় তেড়ে আসে বিজিবি। এমনকী, সীমান্ত (India Bangladesh Border) লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা, সাধারণ বাংলাদেশিরাও কাঁটাতারের বেড়া দিতে আপত্তি করেন। পরবর্তীতে সেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এই এলাকার প্রায় আড়াই কিলোমিটার অংশে কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হলেও বাকি প্রায় ৩ কিলোমিটার সীমান্ত এখনও উন্মুক্তই রয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই সীমান্ত এলাকার যেটুকু অংশে অস্থায়ী কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে, সেই অংশটুকুর সুরক্ষা আরও কিছুটা বাড়াতে কাঁটাতারের মধ্যেই কাচের বোতল ও টিনের কৌটো লাগিয়ে দিয়েছে বিএসএফ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সীমান্তে (BSF) কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় সবথেকে বেশি আতঙ্কে থাকি। কারণ, বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে তাঁদের গবাদি পশু, ক্ষেতের ফসল চুরি করে নিয়ে যায়। শীতের সময় এইসব অত্যাচার আরও বাড়ে। তাই, বিএসএফের এই পদক্ষেপে আমরা খুশি। উল্লেখ্য, গত রবিবার, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইউনূস সরকার। তারই পাল্টা, দিল্লিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া বার্তা দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে খবর, কাঁটাতারের ইস্যু-সহ নিরাপত্তাজনিত দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে, সেই প্রোটোকল মেনে চলছে ভারত সরকার। এদিন এই বিষয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share