Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • West Bengal: উন্নয়নে ৮০% বরাদ্দ ছাঁটাই, রোজের খরচে কোপ ৫০%, নবান্নের হেঁসেল আর চলছে না

    West Bengal: উন্নয়নে ৮০% বরাদ্দ ছাঁটাই, রোজের খরচে কোপ ৫০%, নবান্নের হেঁসেল আর চলছে না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাগেরোয় নবান্ন (Nabanna)। সংসার চালানোর টাকা নেই। কারণ মেলা, খেলা, খয়রাতি এবং উৎসবের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। অথচ রোজগারের বালাই নেই। বাধ্য হয়ে অর্থ দফতর বেতন ছাড়া বাকি সব খরচ হ্যাচকা টান মেরে বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেটে বড় মুখ করে যে সব গালভরা কথা বলা হয়েছিল, অর্থ দফতর গত ১০ জুলাই নির্দেশিকা জারি করে বলে দিয়েছে, কেবলমাত্র বেতনের টাকাটুকুই পুরো খরচ করা যাবে, বাকি সব কিছুর উপরই সারা বছর কোপ পড়ছে। 

    নবান্ন সূত্রের খবর, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের চার মাস কেটে গিয়েছে। বছরের শুরুতে খরচের বহর বাড়াতে নিষেধ করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অনেকের আশা ছিল, প্রথম ত্রৈমাসিকের পর অন্তত খরচের রাশ আলগা হবে। তবে গত ১০ জুলাইয়ের নয়া নির্দেশেও বলে দেওয়া হয়েছে, সারা বছরই খরচে লাগাম থাকবে। কেবল বাজেটে বেতন-পেনশন খাতে যে টাকা ধরা আছে তা খরচ করা যাবে। প্রশাসনিক খরচ থেকে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের খরচও করা যাবে না। কারণ ভাঁড়ারে টাকা নেই।

    অর্থ কর্তারা জানাচ্ছেন, এবারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী ১ লক্ষ ২৬ হাজার কোটি টাকার স্টেট ডেভেলপমেন্ট স্কিম বা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু যা অবস্থা তাতে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ২০ শতাংশের বেশি টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। ফলে প্রতিটি দফতরকে বলে দেওয়া হয়েছে, বাজেটে যে পরিমাণ টাকা উন্নয়ন খাতে ধরা হয়েছে তার ২০ ভাগই কেবল খরচ করতে হবে। বেশি খরচ হলে তার দায় অর্থ দফতর নেবে না। শুধুমাত্র বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ক্ষেত্রে ছাড় থাকছে। 

    আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশ রাজনৈতিক না সরকারি অনুষ্ঠান? প্রশাসনিক ব্যস্ততা দেখে উঠছে প্রশ্ন

    একইভাবে কোপ পড়ছে সরকার চালানোর প্রশাসনিক খরচেও। বেতন এবং উন্নয়নের বাইরে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় এই প্রশাসনিক খরচে। সরকারি গাড়ি ঘোড়া, ইলেকট্রিক বিল, সরকারি অনুষ্ঠানসহ নানা খাতে ৫৮টি দফতরের প্রশাসনিক খরচ বাবদ বাজেটে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা ধরা আছে। অর্থ দফতরের নির্দেশ, বাজেট বরাদ্দের ৫০% টাকাতেই সারা বছরের সরকারের সংসার চালিয়ে নিতে হবে। এক দফতরের সচিবের আক্ষেপ, সংসার চালানোর খরচ যদি ৫০ ভাগ কমিয়ে দেওয়া হয় তা হলে কি সংসার চলে? এর চেয়ে খারাপ অবস্থা আর কী-ই বা হতে পারে।

    দফতরের নির্দেশ, কোনও একটি প্রকল্পের খরচ দেড় কোটি টাকার বেশি হলেই নবান্নে ফাইল পাঠিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। এক সরকারি কর্তার কথায়, মন্ত্রীমশাইয়ের বাথরুম সারাই করতেই তো অনেক সময় দেড় কোটি টাকার বেশি খরচ হয়, সেই ফাইল যদি নবান্ন পাঠিয়ে অনুমোদন নিয়ে আসতে হয় তা হলে সরকার কেমন চলছে বোঝাই যাচ্ছে।

    গত চার মাসে ২২টি দফতরের আরআইডিএফ প্রকল্পে ৫৩৪ কোটি টাকা দিতে পেরেছে নবান্ন। এর বাইরে হাপিত্যেশ করে বসে রয়েছে তৃণমূল সরকার। নরেন্দ্র মোদি (Modi) টাকা পাঠালে তবেই উন্নয়নের ঢাক বাজাতে পারবে তারা। রাজ্যের কঠিন আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank of India) ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে বাংলাকে। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদিও পাইয়ে দেওয়ার প্রকল্পের সর্বনাশা পরিস্থিতির কথা রাজ্যগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এরাজ্যে মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রী-সিরিজের প্রকল্পগুলির মাধ্যমে খয়রাতির ধাক্কায় এবার রাজ্য সরকারই না দেউলিয়া হয়ে যায়। অনেকের মতে, যে সরকার উন্নয়ন খাতে বাজেটের ৮০ ভাগ বরাদ্দ ছাঁটাই করে দেয় সেই সরকার কি আদৌ সুস্থির?

    আরও পড়ুন: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

  • Hooch tragedy: দাম কম হলেও চোলাইয়ের ‘টেম্পারে’ ফেল ২৮ টাকার ‘বাংলা’, বিষমদে মৃত্যু সেই কারণে?

    Hooch tragedy: দাম কম হলেও চোলাইয়ের ‘টেম্পারে’ ফেল ২৮ টাকার ‘বাংলা’, বিষমদে মৃত্যু সেই কারণে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বর্ধমানের পর ফের হাওড়া। চোলাই বা বিষমদ খেয়ে আবারও মৃত্যুর ঘটনা। এক মাসের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের মারা যাওয়ার ঘটনায় ফের চর্চা শুরু হয়েছে। বছর খানেক আগে আবগারি দফতর ২৮ টাকার ‘বাংলা’ মদ চালু করেছিল। লক্ষ্য ছিল চোলাইয়ের দামে সরকারি মদ বিক্রি শুরু হলে দমানো যাবে বিষমদের কারবার। ২৮ টাকার বাংলায় মেশানো হয়েছিল মহুয়ার গন্ধও। বাজারও পেয়েছে সেই সস্তার সরকারি মদ। তারপরেও কেন এক মাসে বর্ধমান এবং হাওড়াতে বিষমদে লোকজন মারা যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: বর্ধমানের পর এবার হাওড়া, ফের বিষমদের বলি ৭, চোলাইয়ের ঠেকে ভাঙচুর

    আবগারি কর্তারা জানাচ্ছেন, ২৮ টাকার সরকারি মদ কার্যত চোলাইয়ের থেকেও সস্তা। ২৮ টাকায় মহুয়ার গন্ধ মিশিয়ে ৩০০ মিলিলিটার বাংলা বাজারে ছাড়া হয়েছে। চোলাই যেখানে ৬০-৬৫ টাকায় ৬০০ এমএল পাওয়া যায়। ৩০০ মিলিলিটার চোলাইয়ের দাম ৩৫ টাকা। দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও কেন তা হলে লোকে চোলাই ছাড়তে চাইছে না। আবগারি দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন, সরকারের সঙ্গে দামে প্রতিযোগিতায় না পেরে চোলাইয়ে কারবারিরা নেশার ‘গুণে’ নেশাড়ুদের টেনে নিচ্ছে। সরকারি মদ ৭০ডিগ্রি আপে ভিত্তিতে তৈরি। অর্থাৎ স্পিরিটের শুদ্ধতা এমন করা হয়েছে যাতে কম দামে খুব বেশি নেশাও না হয়। সরকারের এই প্রবণতাকেই চোলাই কারবারিরা হাতিয়ার করেছে। ফলে তারা এখন চোলাইয়ের ‘’টেম্পার’ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই টেম্পারের কারণেই বার বার মদে বিষক্রিয়া হচ্ছে। মানুষ মারা যাচ্ছে। আবগারি কর্তারা জানাচ্ছেন, চোলাইয়ের কারবারিরা সরকারি বাংলা মদের চেয়েও অতিরিক্ত নেশার মদ তৈরি করতে নানা রাসায়নিক মেশাচ্ছে। ফলে এক বোতল মদে ৫-১০ টাকা বেশি দিয়েও অনেকে ২৮ টাকার বাংলা পান করছেন না, টেম্পার থাকা চোলাই বেশি পছন্দ করছে। ফলে সরকারি মদ সস্তা হওয়ার পরেও চোলাই তার বাজার ধরে রেখেছে। কর্তারা জানাচ্ছেন, হাতুড়ে পদ্ধতিতে টেম্পার বাড়াতে গিয়েই মদে বিষক্রিয়া হয়ে যাচ্ছে। প্রাণ যাচ্ছে লোকের। 

    আরও পড়ুন: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    আবগারি কর্তাদের একাংশের আরও দাবি, ২৮ টাকার বাংলা রাজ্যের সর্বত্র ব্যাপকভাবে ছাড়া হয়নি। তা হলে সাধারণ বাংলা মদ আর বিক্রি হবে না। সেই কারণে যে সব এলাকায় চোলাইয়ের কারবার ব্যাপকভাবে চলত সেখানেই ২৮ টাকার বাংলা বিক্রি করা হত। ফলও তাতে মিলেছে, চোলাইয়ের দাপট কমেছে। কিন্তু চোলাইওয়ালারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র ব্যাবসা ছড়িয়ে দিয়েছে। আবগারি দফতরের দাবি, বর্ধমান এবং হাওড়া দুটি স্থানেই ২৮ টাকার বাংলা বিক্রির অনুমোদন ছিল না। ফলে সেখানে হাই টেম্পারের চোলাই বা বিষমদই ছিল সুপারহিট। এখন উপায়? এক মাসে ১৪ জন মারা যাওয়ার পর এবার ২৮ টাকার বাংলা রাজ্যের সর্বত্র বিক্রির ব্যবস্থা করা হতে পারে। সস্তা দামের সঙ্গে নেশার গুণমানও(টেম্পার) কি বাড়ানো হবে? নিরুত্তর আবগারি কর্তারা। 

     

  • TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখা হয়েছে, ধর্মতলায় রেলিং উপড়ে ফেলা, গাছ কাটা, আলো লাগানো, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, এলাকায় জীবাণু নাশক ছড়ানো সবই হয়েছে। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার প্রায় সবই স্কুলই আগামীকাল ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে। 

    এর পর শেষ দফায় অন্য দফতরগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে থেমে থাকল না বিদ্যৎ দফতরও। ২১ জুলাই রাজ্যের কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির সমস্ত সার্কেল অফিস পর্যন্ত এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও লিখিত নির্দেশ নয়, বিদ্যুৎ ভবন থেকে কর্তারা ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নীচ পর্যন্ত একথা জানিয়ে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশ রাজনৈতিক না সরকারি অনুষ্ঠান? প্রশাসনিক ব্যস্ততা দেখে উঠছে প্রশ্ন

    বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার কর্মীদের একাংশের মতে, কখনও কখনও লোড বণ্টন, রুটিন মেরামত, লাইনের ধারে গাছ কাটা, বিদ্যুৎ লাইনে গোলমাল ধরা পড়লে লোডশেডিং করতে হয়। গ্রামেগঞ্জে রোজই কোথাও না কোথাও আধ-এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়। সাধারণত মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ঈদের সময় ‘নো শাটডাউন’ অর্ডার করা হয়। এই প্রথম শাসক দলের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য এমন আপৎকালীন নির্দেশ জারি করা হল।

    কর্তাদের কেউ কেউ মশকরা করে বলেছেন, আসলে ২১ জুলাইকে কেন্দ্র করে যা কিছু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার অধিকাংশই কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম করেছেন। বাকি স্বাস্থ্য বা পুলিশ দফতরের মন্ত্রী তো মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রয়েছেন। ফলে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের কাজ দেখানো এবং নম্বর তোলার সুযোগ ছিল না। শেষ লগ্নে এসে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা তাই ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে রাজ্যে কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    যখন মমতার ভক্তকুল সকলেই প্রায় কলকাতামুখী সেখানে গ্রামে কোথায় লোডশেডিং হল তাতে কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হবে? এক কর্তার জবাব, এত প্রশ্ন করছেন কেন, স্বাস্থ্য দফতর সারা রাজ্যে সমস্ত হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখার লিখিত নির্দেশ দিয়েছে, আর বিদ্যুৎ দফতর লোডশেডিংয়ে না করাতে ভুলটা কি করেছে?   

  • TMC Shahid Dibas: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    TMC Shahid Dibas: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পালন হবে শহিদ দিবস (shahid dibas)। অথচ হাসপাতালগুলিকে (Hospitals) পরিকাঠামো প্রস্তুত করে রাখতে বলা হয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, তৃণমূলের একুশে জুলাই শহিদ সমাবেশে কী এমন ঘটবে, যে সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে হবে? ব্লাড ব্যাংকে (Blood Bank) মজুত রাখতে হবে রক্ত? 

    ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিল যুব কংগ্রেস (Yuba Congress)। অভিযান হয়েছিল তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) নেতৃত্বে। তখন বাম আমল। অভিযান রুখতে গুলি চালায় পুলিশ। খুন হন ১৩ জন। তাঁদের শহিদ আখ্যা দেয় কংগ্রেস। তার পর থেকে প্রতি বছর ওই দিনে শহিদ দিবস পালন করে কংগ্রেস। কংগ্রেস ভেঙে মমতা যখন তৃণমূল প্রতিষ্ঠা করেন, তখন থেকে ফি বছর ২১ জুলাই ঘটা করে দিনটি পালন করেন তৃণমূল নেত্রী। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান পরিণত হয়েছে তৃণমূলের প্রচারের হাতিয়ারে। ইদানিং শহিদরা চলে গিয়েছেন পিছনের সারিতে। সামনে চলে এসেছেন তৃণমূলের তারকারা। প্রতিবার যাদের দেখিয়ে ভোট কুড়োয় ঘাসফুল শিবির। 

    আরও পড়ুন : দলীয় কোন্দলের জের, আরামবাগে যুবর মারে জখম তৃণমূল নেতা

    এবারও ২১ জুলাই পালিত হবে শহিদ দিবস। সেই উপলক্ষে সরকারের তরফে হাসপাতালগুলিকে দেওয়া হয়েছে চিঠি। তাতেই সভা চত্বরের বিভিন্ন রাস্তায় থাকা হাসপাতালগুলিকে পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। মজুত রাখতে বলা হয়েছে প্রচুর রক্ত। যা দেখে বিরোধীদের প্রশ্ন, তাহলে কি এবারের শহিদ দিবসে রক্ত ঝরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী? রাজ্য প্রশাসনের জোড়া চিঠিকে হাতিয়ার করে শাসক দলের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ২১ জুলাই দিনটিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে “জেহাদি” দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, কেন শহিদ মিছিলের রাস্তায় থাকা হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত থাকতে করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? তাঁর আরও প্রশ্ন, এটা দলের কর্মকাণ্ড না সরকারের? তাঁর মতে, এভাবে ক্ষমতায় থেকে জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামোর চরম অপব্যবহার করছে তৃণমূল। 

    [tw]


    [/tw]

    গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে দলীয় কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে সব দলেরই। তবে সেই কর্মসূচিকে ঘিরে যেভাবে রক্ত ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে আতঙ্কিত বিরোধীরা। 

  • Birbhum Bombs recovered: বারুদের স্তূপ বীরভূম! এবার ডোবা থেকে উদ্ধার ট্রাঙ্ক-ভর্তি বোমা

    Birbhum Bombs recovered: বারুদের স্তূপ বীরভূম! এবার ডোবা থেকে উদ্ধার ট্রাঙ্ক-ভর্তি বোমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুই ঘটনার পর কেটে গেছে ৬৭ দিন। এখনও বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হচ্ছে বোমা বারুদ অস্ত্র। এবার ডোবা থেকে এক ট্রাঙ্ক ভর্তি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। আবার কেন্দ্রস্থল সেই মাড়গ্রাম, যেখান থেকে গত ২ মাসে অন্তত ৪ বার বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। 

    ২১ মার্চের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল যাবতীয় বোমা অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তারপর থেকে উদ্ধার হয়েই যাচ্ছে। বগটুই গ্রাম থেকে খুব বেশি দূরে নয় মাড়গ্রাম। গত ২ মাসে এই এলাকার নাম বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে। 

    কখনও ড্রামের মধ্যে, নদীর পাড়ে, কখনও পরিত্যক্ত শৌচাগারের চেম্বার, কখনও আবার ঝোপ। সাম্প্রতিককালে, বীরভূম জেলার একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে চারশোরও বেশি তাজা বোমা। 

    এর আগে গত ২৫ মার্চ, মাড়গ্রাম থানার অন্তর্গত ছোট ডাঙাল গ্রামেও থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর তাজা বোমা। প্রায় ২০০ বোমা উদ্ধার হয়। খালের পাশে ৬ টি ব্যারেলের মধ্যে বোমাগুলি রাখা ছিল। খবর পেয়ে সেগুলি উদ্ধার করে পুলিশ। 

    একদিন পরই, মাড়গ্রামে রামপুরহাট-বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়কের ধারে নির্মীয়মাণ বাড়ির পিছনের চৌবাচ্চায় ৪ বালতি-ভর্তি বোমা মিলেছিল। বালতিগুলি খড় দিয়ে চাপা দেওয়া ছিল। স্থানীয় মানুষ খবর দেয় পুলিশকে। অন্তত ৪০টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। 

    ফের একবার বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শিরোনামে মাড়গ্রাম। এবার মাড়গ্রাম থানার মাহিপাড়া থেকে উদ্ধার করা হল ট্রাঙ্কভর্তি বোমা। আর শুধু মাড়গ্রাম নয়, গোটা বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গত ২ মাসে বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধার হয়েছে। রামপুরহাট থেকে দুবরাজপুর  বা  নানুর থেকে লাভপুর– বারবার বোমা উদ্ধার হয়েছে এই জলা থেকে। 

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সাম্প্রতিককালে বীরভূম থেকে বোমা-আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনাবলি-

    ২৫ মার্চ – বোমা উদ্ধার মাড়গ্রামে
    ২৬ মার্চ – বোমা উদ্ধার মাড়গ্রামে
    ৪ এপ্রিল – লোকপুরে তাজা বোমা উদ্ধার
    ৯ এপ্রিল – নানুরে ৫ টি আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার ৫ জন।
    ১৬ এপ্রিল – বোমা উদ্ধার মাড়গ্রামে
    ৩ মে – রামপুরহাটে তাজা বোমা উদ্ধার
    ১০ মে – বোমা উদ্ধার পাইকরে
    ১১ মে – পিস্তল উদ্ধার রামপুরহাটে
    ১৬ মে – আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার রামপুরহাটে
    ১৯ মে – আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার রামপুরহাটে
    ২৪ মে – আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার রামপুরহাটে
    ২৫ মে  – আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার রামপুরহাটে
    ২৫ মে – আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার লাভপুরে
    ২৭ মে – বোমা উদ্ধার মাড়গ্রামে

    এপ্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “প্রতিদিন বোমা উদ্ধারের পরও কিভাবে এলাকায় এত বোমা পাওয়া যাচ্ছে? কাদের মদতে এলাকায় বোমা বারুদের শিল্প তৈরি হচ্ছে?” বিরোধীদের কটাক্ষ, বারুদের স্তূপের উপর বসে আছে গোটা জেলা। এই জেলায় যত বোমা এবং বারুদ মজুত আছে তাতে শুধু বীরভূম কেন, একটা দেশ উড়ে যেতে পারে! 

     

  • Jagdeep Dhankhar: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    Jagdeep Dhankhar: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বিচারবিভাগকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের জের। তৃণমূল (TMC) সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তিনি মুখ্যসচিবকে কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন ৬ জুনের মধ্যে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে।

    রাজ্যপাল জানান, ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) সাংসদ বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে যে সমস্ত কথা বলেছেন, তা ছোট করে দেখার বা এড়িয়ে যাওয়ার মতো বিষয় নয়। রাজ্যপাল এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে এব্যাপারে একটি চিঠিও দেন। টুইটে সেই চিঠিও রাজ্যপাল অ্যাটাচ করে দিয়েছেন।

    ট্যুইটে জগদীপ ধনকড় লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বিচারবিভাগের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। এরমধ্যে আছে কুখ্যাত এসএসসি কেলেঙ্কারিও (SSC Recruitment scam), যাকে কোনওভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। আপনি যেই হোন, আইন সবার থেকে বড়। এই সাংবিধানিক ধারণার সঙ্গে ওঁর মনোভাব খাপ খায় না।’

    গত শনিবার হলদিয়ার একটি জনসভা থেকে বিচারপতিদের একাংশকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমার বলতেও লজ্জা লাগে, বিচারব্যবস্থা একজন–দু’‌জন আছেন যাঁরা ষড়যন্ত্র করে কাজ করছেন। তল্পিবাহক হিসাবে কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই করে দিচ্ছেন। খুনের মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে দিচ্ছেন।’

    রবিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যপাল বলেছিলেন, ‘‌এসএসসি মামলায় সিবিআই নির্দেশ দিয়েছেন যে বিচারপতি তাঁকে আক্রমণ করা অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। একজন সাংসদ যাবতীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বেনজিরভাবে আক্রমণ করছেন। মুখ্যসচিবকে বলছি, অবিলম্বে পদক্ষেপ করুন।’‌ 

    তার জবাবে অভিষেকও ট্যুইটও করেন। বলেন, তিনি এক শতাংশ বিচারপতির কথা বলেছিলেন। কারা লাল রেখা অতিক্রম করছেন সেটা সবাই দেখছেন। এরপর সোমবার দার্জিলিং থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

     

     

  • Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাই (Dubai) গেলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। চোখের চিকিৎসার জন্য মানবিক কারণে তাঁকে এই সফরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। কিন্তু, পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। মধ্য প্রাচ্যে গিয়ে কোন হোটেলে উঠবেন, সেখানকার ফোন নম্বর থেকে শুরু করে বিমানের টিকিট, সবকিছুই জানাতে হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (Enforcement Directorate)।
       
    ইডির (ED) আশঙ্কা, দুবাই গিয়ে কয়লা পাচার (Coal smuggling case) চক্রের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের (Vinay Mishra) সঙ্গে দেখা করতে পারেন অভিষেক। তাই এই সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তারা। যদিও শর্তসাপেক্ষে তাতে ছাড়পত্র দিয়েছে উচ্চ আদালত।

    আরও পড়ুন: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের

    ১ জুনই দুবাই যাওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। সস্ত্রীক যাওয়ার জন্য বিমানের দুটি টিকিটও কাটা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাতে আপত্তি জানায় ইডি। তাদের আশঙ্কা ছিল, দেশ থেকে গা ঢাকা দেওয়ার মতলবেই দুবাই যেতে চাইছেন তৃণমূল সাংসদ। তাই সেই সফরে নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়। বেআইনি কয়লা পাচার মামলার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের যুক্তি ছিল, কেলেঙ্কারির মূল পাণ্ডা বিনয় মিশ্র যেভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সেভাবেই গা ঢাকা দিতে পারেন সস্ত্রীক অভিষেক। 

    এব্যাপারে ২০২০ সালের কথা আদালতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ইডি। সেবছর ২০ নভেম্বর জেরার জন্য বিনয় মিশ্রকে ডেকে পাঠিয়ে ছিল ইডি। কিন্তু তার আগের দিন ১৯ নভেম্বর দুবাই পালায় বেআইনি কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বিনয়। ইডির আশঙ্কা, এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। কারণ, সূত্র অনুযায়ী তাদের কাছে খবর আছে যে, বিনয় মিশ্র এখন দুবাইয়ে আছে। তার সঙ্গে দেখা করে কয়লা পাচার মামলার সমস্ত নথি নষ্ট করতে পারেন অভিষেক। আর সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্টের জন্যই এই সফর। 

    আরও পড়ুন: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    ইডির যুক্তি, চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ের খুব একটা সুনাম নেই। এমন জায়গায় চক্ষু পরীক্ষা করাতে যাওয়ার পিছনে আসলে কোন মতলব আছে। ইডির তরফে জানানো হয়, ভারতেই চোখের বহু নামকরা হাসপাতাল আছে। চক্ষু বিশেষজ্ঞরাও আছেন। কিন্তু অভিষেক হঠাৎ দুবাই ছুটছেন কেন? তিনি ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারও দাখিল করেননি। তাই এর পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি কাজ করছে বলে মনে করছে ইডি। 

    যদিও অভিষেকের তরফে আইজীবীরা আদালতে জানান, দুবাইয়ে মুরফিল্ডস আই হসপিটালে (Moorfields Eye Hospital) চিকিৎসা করাবেন তৃণমূল সাংসদ। ২৬ মে তিনি জানতে পারেন, ৩ জুন চেক আপ আছে। তাই ১ জুন বিমানের টিকিট কাটেন। ফেরার টিকিট কাটা হয় ১০ জুন। এনিয়েও অবশ্য বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। ১০ দিন ধরে দুবাইয়ে চিকিত্সা, নাকি নেপথ্যে অন্য কিছু, তা নিয়েই চলছে জল্পনা। 

  • Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহভাগ টাকা খরচ করেছে রেল (railways)। অথচ হুগলির (Hooghly) কামারকুণ্ডুর ফ্লাইওভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তি। রেলের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই এদিন সিঙ্গুর (singur) থেকে ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। একাধিক ট্যুইট করে মমতাকে (Mamata) আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী।

    কামারকুণ্ডুর এই ফ্লাইওভারটির দাবি দীর্ঘদিনের। ফ্লাইওভার চালু হয়ে গেলে কমবেশি উপকৃত হবেন গোটা হুগলি জেলার মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পবিত্র তীর্থ তারকেশ্বর যাওয়াও হবে সুগম। শুক্রবার দূরনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে এই প্রকল্পেরই উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    এদিন ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু (suvendu) বলেন, এই বিজ্ঞাপনে যে ফ্লাইওভারটি দেখতে পাচ্ছেন, তা মোটা টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। খরচের পরিমাণ ৪৪.৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রেল দিয়েছে ১৩.৩৫ কোটি টাকা। সম পরিমাণ টাকা দিয়েছে ভারত (India) সরকারের সংস্থা ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডও। আর রাজ্য দিয়েছে ১৮.১৬ কোটি টাকা। সিংহভাগ টাকা খরচ করেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তিকে।

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দু বলেন, “আজ সিঙ্গুর থেকে একতরফা ও অনৈতিকভাবে সেতুর উদ্বোধন করছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একা লাইমলাইট হগ করার লোভে তিনি সুবিধাজনকভাবে ফেডেরাল কাঠামো উপেক্ষা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মাননীয় রেলমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্যটুকুও দেখাননি মমতা। আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য কোনও প্রতিনিধিকেও।”

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    স্থানীয় জনগণের দাবির প্রতি রেল যে উদাসীন নয়, তাও জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পূর্ব রেল ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনসাধারণের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাঁদের সুবিধার জন্য একই জায়গায় একটি সাবওয়ে নির্মাণ করছে। এই সাবওয়েটি মানুষের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং কামারকুন্ডু স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশাধিকারও দেবে।”

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় বলেন, “যিনি সর্বদা আপনার চেয়ে পবিত্র দেখানোর চেষ্টা করেন এবং দেশের ‘ফেডেরাল স্ট্রাকচার’ সমুন্নত রাখার বিষয়ে প্রচার করেন, তিনি সেই একই ব্যক্তি যিনি ফেডারেল কো-অপারেটিভনেসকে শ্বাসরোধ করতে পিছপা হন না, যখন এটি তাঁর উপকারে আসে।আপনাকে ধিক! আপনি সিএম-চিফ ম্যানিপুলেটর।”

    [tw]


    [/tw]

    রেলকে বাদ দিয়ে রেলের প্রকল্পের উদ্বোধনের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়। অধীর চৌধুরী যখন রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তখনও একবার আগেভাগে মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে ফের রেলের সেই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অধীর।

     

  • ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    ISIS Terrorist Musa: আইএস জঙ্গি মুসাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা এনআইএ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত আইএস (ISIS) জঙ্গি আবু মুসাকে (Abu Musa) গ্রেফতারের ছ’বছর পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Imprisonment) সাজা শোনালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) বিশেষ আদালত। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে সিআইডির (CID) হাতে গ্রেফতার হয়েছিল বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Burdwan blast case) অভিযুক্ত মহম্মদ মসিউদ্দিন ওরফে মুসা। দেশদ্রোহিতা (Treason) ও সন্ত্রাসবাদের (Terrorism) একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  

    ২০১৩ সালের অক্টোবরে বর্ধমানের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের (Khagragarh blast) সঙ্গে যুক্ত ছিল এই জঙ্গি। ২০১৩ সাল থেকেই তাকে ধরতে ওৎ পেতে ছিল তদন্তকারী সংস্থা। অবশেষে ২০১৬ সালে হাওড়া-বিশ্বভারতী প্যাসেঞ্জার ট্রেন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং ধারালো অস্ত্র। পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে বীরভূমে নাশকতার ছক কষেছিল সে।  

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বসেই ভাইবোনদের প্রতিমাসে ১০ লক্ষ টাকা পাঠায় দাউদ! দাবি ইডি-র

    ২০১৪ সালে এই জঙ্গি আইএসের খাতায় নাম লেখায়। আইএসের এক জঙ্গির সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ হয় তার। সেও বেশ কয়েকজনকে ওই জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত করে। পরবর্তীতে ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় এনআইএ।

    তদন্ত এগোলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল মুসার। দেশদ্রোহিতা ও  সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয় মুসা। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১(এ), ১২২, ১২৩ ধারায়, ইউএপিএ আইনের ১৮, ২০ ও ৩৮ ধারায় এবং অস্ত্র আইনের মামলা চলে। তার জেরেই শুক্রবার কলকাতায় এনআইএ-র বিশেষ আদালতে মুসার সাজা ঘোষণা করা হল।    

    আরও পড়ুন: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    এই প্রথম এই রাজ্যে কোনও আইএস জঙ্গির সাজা ঘোষণা করা হল। গ্রেফতার হওয়ার ছ’বছর পর যাবজ্জীবনের সাজা দেওয়া হল মুসাকে। জেলবন্দি এই ছ’বছরেও একটুও বদলায়নি মুসা। ভাটা পড়েনি তেজে। জেলেও একাধিকবার  খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে এই জঙ্গির বিরুদ্ধে। এমনকি ২০১৮ সালে শুনানি চলাকালীন আদালত কক্ষের মধ্যে ক্ষেপে ওঠে মুসা। বিচারক প্রসেনজিৎ বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়ে সে। যদিও লক্ষ্য ব্যর্থ হয় এবং তা এক আইনজীবীর গা ঘেঁষে চলে যায়। এই ঘটনার জেরে ভিডিও কনফারেন্সে তার শুনানির আবেদন জানানো হয়।   

    এছাড়াও জেলের ভিতরে অন্য বন্দিদের আক্রমণ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে মুসার বিরুদ্ধে। জানুয়ারিতে মুসা পিভিসি পাইপ নিয়ে আক্রমণ করেছিল হেড ওয়ার্ডেন অমল কর্মকারকে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন ওয়ার্ডেন। ২০১৭ সালে গ্রেফতার হওয়ার পরেও মুসা আলিপুর সংশোধনাগারের এক ওয়ার্ডেনকে আক্রমণ করেছিল। 

    আন্তর্জাতি জঙ্গিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত মুসা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, হায়দ্রাবাদ, এমনকি জম্মু-কাশ্মীরের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুসার৷ খাগড়াগড় বিস্ফোরণে ধৃত বীরভূমের আবদুল্লার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার ৷ মুসা ও আবদুল্লা একসঙ্গে তামিলনাড়ুতে থাকত বলে পরবর্তীতে জানতে পারেন গোয়েন্দারা৷ গোটা দেশের আইএস জঙ্গিদের লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করত সে।

    মুসাকে জেরা করে আইএস সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য আদায় করেন গোয়েন্দারা। যেমন মুসা জানিয়েছিল আইএস মডিউলে সবাইকে কোড নামে ডাকা হয়৷ জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার পর মুসার নাম হয়েছিল আবু আল মুসা আল বাঙালি৷ সিরিয়া ও আফগানিস্তান থেকে নিয়মিত ফোন আসত মুসার কাছে। নাশকতা নিয়ে চলত দীর্ঘ শলা পরামর্শ। ২০১৫ সালে বেশ কয়েক মাস দিল্লি ও কাশ্মীরে কাটিয়েছিল মুসা৷ এহেন জঙ্গিকে এদিন সাজা দিল আদালত। 

     

     

     

     

  • Rajnath Singh: এধরনের যুদ্ধজাহাজ আত্মনির্ভরতার প্রতীক, স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধনে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: এধরনের যুদ্ধজাহাজ আত্মনির্ভরতার প্রতীক, স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধনে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ হোক বা আন্তর্জাতিক— ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে দেশের নৌসেনাকে। শুক্রবার কলকাতায় যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধনে এসে এমনটাই জানালেন রাজনাথ সিং। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বললেন, গোটা মহাসাগরীয় অঞ্চলে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। 

    গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স নির্মিত ভারতীয় নৌসেনার অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস দুনাগিরি’-র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ। তিনি বলেন, বিশ্বের পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। সেই অনুযায়ী, ভারতের পরিকাঠামো উন্নত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমাগত প্রবর্তিত হচ্ছে। ভারত মহাসাগরীয় ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান, দেশের জলসীমান্তকে সুরক্ষিত ও সংরক্ষিত রাখতে নৌসেনা, উপকূলরক্ষী বাহিনী সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও পরিকাঠামো উন্নত থেকে উন্নততর করা হোক।

    আরও পড়ুন: শুক্রবার কলকাতার গার্ডেনরিচে অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধন, থাকবেন রাজনাথ, নৌসেনা প্রধান

    রাজনাথ বলেন, এধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ভারতের আত্মনির্ভরতার প্রতীক। এই জাহাজ ভারতের সক্ষমতা প্রমাণ করে। নৌসেনার শক্তি প্রদর্শন করে। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার সংকল্প নিয়েছেন, তা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর ফলে, দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন আসবে।  

    এদিন যে জাহাজের উদ্বোধন হল, তা প্রোজেক্ট ১৭-আলফা (Project 17-Alpha)-র অন্তর্গত। প্রথম স্টেলথ ফ্রিগেটের নাম ‘আইএনএস নিলগিরি’। পি ১৭-এ (P-17A) ফ্রিগেট ঘরানার এটি হতে চলেছে চতুর্থ জাহাজ। এই প্রকল্পের আওকায় মোট সাতটি জাহাজ তৈরি হচ্ছে। জাহাজগুলি নির্মাণ করছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডক লিমিটেডে (MDL) ও কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স (GRSE)। এর আগে, ২০২০ সালে প্রথম জাহাজ গার্ডেনরিচে তৈরি হওয়া এই প্রকল্পের দ্বিতীয় জাহাজ ‘আইএনএস হিমগিরি’ (INS Himgiri) স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধন হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মার্কিন এফ-১৮ না ফরাসি রাফাল! শীঘ্রই সিদ্ধান্ত ভারতীয় নৌবাহিনীর

    রাজনাথের পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। তিনি বলেন, ভারতীয় জলসীমা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি ভারতীয় নৌসেনার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হল দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করা। তিনি মনে করিয়ে দেন, এই যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৩ হাজার স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

LinkedIn
Share