Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে ‘জাহা ইন্ডিয়া’ নামে (Jaha India) একটি সংগঠন। বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। মাসখানেক ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংগঠন। আর এই জেলায় সদ্য গজানো মৌলবাদী এই সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের মিলেছে। মূলত, ইউনূস সরকারের আমলে নতুন করে যে জঙ্গি কার্যকলাপ মাথা চাড়া দিয়েছে, সেই নিয়ে কোনও রকম দ্বিমত রাখছেন না বিশেষজ্ঞরা। পালাবদলের পর থেকে ভারতে নিজেদের জাল ছড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল এই সংগঠন। এখন কারা এই সংগঠনের সদস্য, কারা প্রশিক্ষণ পেয়েছে তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। এমনকী এই সংগঠন কীভাবে কাজ করে চলেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

    চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ জেএমবির! (Jaha India)

    বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের (Jaha India) প্রশিক্ষণ জেএমবি (JMB) নেতার। নতুন সংগঠনের সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে মাস কয়েক ধরে মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে তারা। আর ইউনূসের বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনকে মদত জোগাচ্ছে বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গি সংগঠন। সেদেশ থেকে চোরা পথ হয়ে ভারতে এসে ঝাড়খণ্ডের একটি গোপন ডেরায় দিন কয়েক আগেই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র সঙ্গে বৈঠক চালিয়েছে তারা। গত ৩ জানুয়ারি লালগোলায় এই প্রসঙ্গে জাহা ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক দফা বৈঠকও চলে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেএমবি-র সদস্যরাও। এরপরই প্রকাশ্যে আসে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, একা জেএমবি নয়। এই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র দোসর হয়েছে ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে বাংলাদেশের আরও একটি মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন। মূলত, ‘জাহা ইন্ডিয়া’র হাত ধরেই ভারতে নিজেদের জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চায় তারা। মূলত, ভারতে নিজেদের শাখা খুলতে চায় এই ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে মৌলবাদী সংগঠনটি। আর সেই কাজে ‘জাহা ইন্ডিয়া’কেই নিজেদের সঙ্গী হিসাবে চায় তারা। পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় কীভাবে সংগঠন গড়ে তোলা যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হবে জাল বিস্তার?

    জানা গিয়েছে, মোট পাঁচটি স্তরে ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের জাল বিস্তার করতে আগ্রহী এই জঙ্গি সংগঠনটি (Jaha India)। আর মুর্শিদাবাদ হবে সেই পরিকল্পনার এপিসেন্টার। ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একটি বৈঠক হয়েছে। জেএমবি-র নেতা বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে ভারতে প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের পাকুর থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় এই বৈঠক করেছে। দু’দিন ধরে চলেছে সেই বৈঠক। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ওই জঙ্গি নেতা ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনের ছ’জনকে ট্রেনিং দিয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিল মুর্শিদাবাদের পাঁচ ও উত্তর ২৪ পরগনার এক নেতা। এদের আবার একজন মিডিল ম্যানও রয়েছে। বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফের জিএমবি নেতা রুট বদলে আবার বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছে। আপাতত মুর্শিদাবাদে সক্রিয় এই সংগঠন, এমনই তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সেই কারণে, এখন বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেটে ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। সবমিলিয়ে কারা কারা প্রশিক্ষণ পেল তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা। আর এই সংগঠনের মধ্যে অন্য কোন কোন জেলার লোকজন জড়িত তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

    প্রাক্তন এনএসজি কর্তা কী বললেন?

    এ প্রসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত এক এনএসজি কর্তা বলেন, ‘‘এই খবর শুধু গোয়েন্দাদের কাছেই ছিল। ‘জাহা ইন্ডিয়ার’ নাম কেউ জানত না। বারবার আমি বলেছি, ভারত-বাংলাদেশ-মায়ানমারকে টার্গেট করে আল-কায়দা। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে যিনি নির্বাচিত হয়ে লোকসভায় গিয়েছেন, সেই নেত্রীর স্বামীকে দেশ-বিরোধী কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে এইগুলো হল জমি দখলের প্রক্রিয়া। এইভাবে বিনা রক্তপাতে ভারত দখল বা জমি দখল করে ওরা। তারপর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পুরো ভৌগলিক অবস্থান পরিবর্তন করে। তারপর সেখান থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। দেশের লোকসভা বা বিধানসভায় যায় তারা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টে সিবিআই, দায়ের মামলা, শুনানি সোমবার

    CBI: সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টে সিবিআই, দায়ের মামলা, শুনানি সোমবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছে শিয়ালদা আদালত। যদিও সেই রায়ে সন্তুষ্ট নয় সিবিআই। সূত্রের খবর, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। হাইকোর্টের সঞ্জয়ের ফাঁসির সাজার আবেদন জানিয়েছে তারা। শুক্রবার হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত শুনানির দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী সোমবার এই মামলাটি শুনানির দিনও এদিন জানিয়ে দেন।

    মামলার শুনানি সোমবার! (CBI)

    সূত্রের খবর, নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবারই কলকাতার হাইকোর্টে পিটিশন ফাইল করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়ে মামলা করার ক্ষেত্রে বুধবার সিবিআইয়ের তৎপরতা চোখে পড়েছিল। সে দিনও তারা আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার নতুন করে তা নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। বিচারপতিরা জানান, আগামী সোমবার, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি রাজ্যের আবেদনের সঙ্গে সিবিআইয়ের মামলাটিও শোনা হবে। প্রসঙ্গত, আরজি কর মামলায় সিবিআই যেভাবে তদন্ত করেছে, তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভয়ার বাবা-মা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর কাণ্ডের তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। কিন্তু, সঞ্জয়কে ধরেছে কলকাতা পুলিশ। তারপর এই মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ সিবিআই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে না পারায় জামিন পেয়ে যান তাঁরা। এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভয়ার বাবা-মা ও আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। এবার সঞ্জয়েরও মৃত্যুদণ্ড না হওয়ায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে শিয়ালদা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, দিল্লির সদর দফতরের সিদ্ধান্ত মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক আইন’, ২৬ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ডে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী কী পরিবর্তন?

    রাজ্যের মামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিবিআই

    রাজ্য যে উচ্চ আদালতে গেল, তা তারা আদৌ করতে পারে কি না, তা নিয়ে আদালতেই প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই (CBI)। আইনজীবীদের একাংশের মতে, নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের যে আবেদন জমা পড়েছে হাইকোর্টে, তাতে সিবিআই-ই প্রথম পক্ষ হতে চাইছে বলেই এই পদক্ষেপ। জানা গিয়েছে, বুধবার তার শুনানিতেই সিবিআই জানায়, দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে রাজ্য কী ভাবে আবেদন করতে পারে। ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল (সিবিআইয়ের আইনজীবী) রাজদীপ মজুমদারের বক্তব্য, সিবিআইও এই মামলায় দোষী সঞ্জয়ের সর্বোচ্চ শাস্তিই চেয়েছিল। এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই। সে ক্ষেত্রে নির্যাতিতার পরিবার, সিবিআই কিংবা দোষী হাইকোর্টের দ্বারস্থ না হলে, রাজ্য কী ভাবে এই আবেদন করতে পারে? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল। সিবিআইয়ের আইনজীবীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত এবং সরকারি আইনজীবী (পিপি) দেবাশিস রায়। তার কয়েক ঘণ্টা পরে সিবিআই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    সঞ্জয়ের শাস্তি ঘোষণাতে এই মামলা শেষ হয়ে যায়নি

    আরজি করের ঘটনায় কেন সঞ্জয়কে মৃত্যুদণ্ড দিল না শিয়ালদা আদালত? বিচারক অনির্বাণ দাস শাস্তি ঘোষণা করতে গিয়ে জানিয়েছিলেন, এটি বিরলের মধ্যে বিরলতম বলে তিনি মনে করছেন না। ভারতী ন্যায় সংহিতার ৬৪, ৬৬ এবং ১০৩ (১) তিনটি ধারাতেই সঞ্জয়ের অপরাধ প্রমাণিত। তাই তাঁকে আমৃত্যু কারাবাস করতে হবে। এই ঘটনাতেই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। কিন্তু সময়ে চার্জশিট দিতে না-পারায় তাঁরা জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সন্দীপ অবশ্য আরজি কর সংক্রান্ত অন্য মামলায় বন্দি। ধর্ষণ-খুন মামলাতেও পরবর্তী চার্জশিট জমা দিতে হবে সিবিআইকে (CBI)। ফলে, সঞ্জয়ের শাস্তি ঘোষণাতে এই মামলা শেষ হয়ে যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Mamata Banerjee: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পথে প্রধান কাঁটা হতে পারে বেকারত্ব। রাজ্যে শিল্প নেই। জটিলতার কারণে বন্ধ শিক্ষক নিয়োগও। সরকারি চাকরির (Govt Employee) দশাও তথৈবচ। এমতাবস্থায় এবার বেকার ছেলেমেয়েদের চায়ের দোকান খোলার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার মালদহের সভামঞ্চ থেকে চাকরিপ্রার্থীদের এমন পরামর্শই দেন তিনি।

    সরকারি টাকায় মোচ্ছব! (Mamata Banerjee)

    ফি বছর শিল্প সম্মেলনের নামে সরকারি টাকায় মোচ্ছব হয় বলে অভিযোগ। দু’দিন-তিনদিন ধরে খাওয়া-দাওয়ার এলাহি আয়োজন হয়। ব্যস, সম্মেলন শেষে হাতে থাকে শুধুই পেন্সিল, শিল্প আর হয় না! রাজ্যের হা-শিল্প দশা দেখে এর আগে কর্মপ্রার্থীদের ‘চপ শিল্প’ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মমতা। তাতে কতজন বেকারের আর্থিক অবস্থার হাল ফিরেছিল, তা গবেষণার বিষয় হতে পারে। তবে চপ শিল্পের কল্যাণে যে রাজ্যের হাল ফেরেনি, তা মালুম হল মঙ্গলবারের বারবেলায় মুখ্যমন্ত্রী ফের চা শিল্পের পরামর্শ দেওয়ায়।

    চায়ের দোকান খোলার পরামর্শ

    এদিন মালদার ডিএসের মাঠে তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, পলিটেকনিক, আইটিআই বাংলায় ৫০০টা আছে। সেখান থেকে ট্রেনিং নেবেন স্কিলড ট্রেনিং। পড়াশোনার সুযোগ, ট্রেনিংয়ের সুযোগ, সব সুযোগ আছে। আমি তো বলব, দু’তিন লাখ অ্যাপয়েন্টমেন্ট হতেই পারে ইমিডিয়েট। যদি ওবিসি রিজার্ভেশনটা ক্লিয়ার হয়ে যায়। সরকারি চাকরি করতে গেলে কতকগুলো সিস্টেম আছে। ইন্টারভিউ কল করে। আপনাদের পরীক্ষা দিতে হয়। ইন্টারভিউ দিতে হয়।” এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভাইয়েরা আমার, চিন্তা করার বা হতাশাগ্রস্ত হওয়ার কারণ নেই। একটা চায়ের দোকানে চা বিক্রি করলেও, চা-বিস্কুট-ঘুগনি, ইনকাম খারাপ হয় না। সরকারি চাকরির থেকে বেশি রোজগার হয়।”

    ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা!

    তাঁর এই কথা হাসির খোরাক হতে পারে ভেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেউ চাকরির সুযোগ পেলে চাকরি করবেন। পলিটেকনিকের ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করবেন, আমরা ১০ লাখ ছেলেমেয়েকে পলিটেকনিকের ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করে দিয়েছি। আরও কয়েক লাখ চাকরি হবে খুব শিগগিরই।” তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, বাণিজ্যে বসতি লক্ষ্মী। কেউ চাকরির সুযোগ পেলে চাকরি করবেন। পলিটেকনিক ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করবেন। ১০ লাখ ছেলেমেয়েকে পলিটেকনিক ট্রেনিং দিয়ে আমরা তাদের চাকরি করে দিয়েছি।”

    প্রচারের ঢক্কানিনাদ

    কর্মপ্রার্থীদের চায়ের দোকান (Mamata Banerjee) খোলার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী কৌশলে ভোট প্রচারের কাজটিও সেরে রাখলেন। তাঁর জমানায় রাজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, “নারায়ণপুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, কালিয়াচকে সিল্ক পার্ক, ইংরেজবাজারে ফুড পার্ক, মালদা আইআইটি পার্ক গড়ে উঠেছে। ৫৭ হাজারের বেশি ক্ষুদ্রশিল্পে এক লাখ মানুষ কাজ করছেন। ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট যাঁরা আছেন, অনেক কিছু হতে পারে আপনাদের এখানে। একটু মাথা খাটান। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও বাংলাদেশের বর্ডার মালদা।”

    আরও পড়ুন: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চকাণ্ডে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র যোগ, জানেন কীভাবে?

    শিল্পনগরী তৈরি করেছি

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা এখানে বিজনেস করলে সারা উত্তরবঙ্গ তার সুফল পাবে। আপনাদের কথা শুনে ইন্ডাস্ট্রির কথা শুনে আমরা শিল্পনগরী তৈরি করেছি। আরও ঢেলে সাজান।” তিনি বলেন, “যখন বিজনেস করবেন, মনে রাখবেন, একটা প্রজেক্ট নেবেন, আমার বিজনেস দিয়ে আমি ১০টা পরিবারকে সাহায্য করব। ১০টা গবির মানুষের ঘর করে দিন না। বেশি টাকা লাগে না। ১০টা গরিব মানুষের ঘর করতে বড়জোর ১৫ লাখ টাকা লাগবে (Mamata Banerjee)।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি সিএসআরের মাধ্যমে আপনারা ডিএমকে জিজ্ঞেস করুন। ডিএম আপনাদের তালিকা দিয়ে দেবেন, যাঁরা সত্যিকারের গরিব, তাঁদের। এটা আমাদের তালিকার মধ্যে নয়। এটা আমি এক্সট্রা করতে বলছি।”

    খয়রাতির রাজনীতির বিষময় ফল!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে রাজ্যের কোষাগার। বিভিন্ন ‘শ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো আদতে ভোট কেনার রাজনীতি করেছেন। তার জেরে শূন্য হয়েছে রাজকোষাগার। বেকারত্ব এবং রাজ্যের অন্যান্য জ্বলন্ত সমস্যা থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে মেলা-খেলার আয়োজনও করা হয়। তার পরেও মাঝেমধ্যে চাগাড় দিয়ে ওঠে বেকারত্বের ভূত। সেই ভূত তাড়াতেই কখনও (ঢপের?) চপ শিল্প, কখনও আবার চা শিল্পের পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    জনতা (Govt Employee) জনার্দন এতে ভোলে কিনা, এখন তাই দেখার (Mamata Banerjee)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Rape and Murder Case) নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের লড়াই করার মানসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে বিরলতম অ্যাখ্যা দিলেন তিনি। অন্যদিকে, আজ, বুধবার চিকিৎসক পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের মামলা শুনবে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই ঘটনায় দোষী সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত শাস্তি দেওয়ার পর এই প্রথম  সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা শুভেন্দুর

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) শাস্তি ঘোষণার পরের দিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা তাঁর উপরে ভরসা রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ওঁদের লড়াইয়ের মানসিকতাকে কুর্নিশ। ওঁদের একটি পিটিশনের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সামগ্রিক ভাবে ওঁরা বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘আমি নিজেকে তাঁদের পরিবারের এক জন বলে মনে করি। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। যে ভাবে ওঁরা সহযোগিতা চাইবেন, সে ভাবে আমার সাধ্যমতো ওঁদের সাহায্য করব।’’

    আরও পড়ুন: বয়স ৩৫-এর কোঠায় পৌঁছনোর আগেই দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার! কীভাবে দ্বিগুণ হচ্ছে ঝুঁকি?

    প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

    সোমবার আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Kar Rape and Murder Case) ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমরণ কারাবাসের শাস্তি দেয় শিয়ালদা আদালত। বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁর নির্দেশে জানান, বিরলের মধ্যে বিরলতম নয় এই ঘটনা। এ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমার মতে ঘটনাটি (আরজি কর-কাণ্ড) বিরলতমই। জাজমেন্টে (বিচারে) অনেকগুলো বিন্দু আছে। অনেকগুলো ভাল কথা বলেছেন বিচারক। কলকাতা পুলিশ, হাসপাতাল থেকে সিবিআই নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটির কথা বলেছেন। তবে বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই বলছি, সরকারি কর্মক্ষেত্রে এক জন মহিলা চিকিৎসককে যে ভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত মত, এটা বিরলতম ঘটনা। অনেক বড় লড়াই হবে। পরিবার তার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ 

    সুপ্রিম দুয়ারে পরিবার

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। দু’টি মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই শুনবে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শনিবার শিয়ালদা আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার তাঁর আজীবন জেলের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, একা সঞ্জয় নন, অপরাধের জড়িত রয়েছেন আরও ব্যক্তি। শিয়ালদা আদালত রায় ঘোষণার আগেই চলতি মাসের গোড়ায় ‘আরও তদন্ত চেয়ে’ শীর্ষ আদালতে আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টে সিবিআই, দায়ের মামলা, শুনানি সোমবার

    CBI: সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টে সিবিআই, দায়ের মামলা, শুনানি সোমবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছে শিয়ালদা আদালত। যদিও সেই রায়ে সন্তুষ্ট নয় সিবিআই। সূত্রের খবর, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। হাইকোর্টের সঞ্জয়ের ফাঁসির সাজার আবেদন জানিয়েছে তারা। শুক্রবার হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত শুনানির দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী সোমবার এই মামলাটি শুনানির দিনও এদিন জানিয়ে দেন।

    মামলার শুনানি সোমবার! (CBI)

    সূত্রের খবর, নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবারই কলকাতার হাইকোর্টে পিটিশন ফাইল করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়ে মামলা করার ক্ষেত্রে বুধবার সিবিআইয়ের তৎপরতা চোখে পড়েছিল। সে দিনও তারা আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার নতুন করে তা নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। বিচারপতিরা জানান, আগামী সোমবার, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি রাজ্যের আবেদনের সঙ্গে সিবিআইয়ের মামলাটিও শোনা হবে। প্রসঙ্গত, আরজি কর মামলায় সিবিআই যেভাবে তদন্ত করেছে, তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভয়ার বাবা-মা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর কাণ্ডের তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। কিন্তু, সঞ্জয়কে ধরেছে কলকাতা পুলিশ। তারপর এই মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ সিবিআই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে না পারায় জামিন পেয়ে যান তাঁরা। এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভয়ার বাবা-মা ও আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। এবার সঞ্জয়েরও মৃত্যুদণ্ড না হওয়ায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে শিয়ালদা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, দিল্লির সদর দফতরের সিদ্ধান্ত মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক আইন’, ২৬ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ডে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, কী কী পরিবর্তন?

    রাজ্যের মামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিবিআই

    রাজ্য যে উচ্চ আদালতে গেল, তা তারা আদৌ করতে পারে কি না, তা নিয়ে আদালতেই প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই (CBI)। আইনজীবীদের একাংশের মতে, নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের যে আবেদন জমা পড়েছে হাইকোর্টে, তাতে সিবিআই-ই প্রথম পক্ষ হতে চাইছে বলেই এই পদক্ষেপ। জানা গিয়েছে, বুধবার তার শুনানিতেই সিবিআই জানায়, দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে রাজ্য কী ভাবে আবেদন করতে পারে। ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল (সিবিআইয়ের আইনজীবী) রাজদীপ মজুমদারের বক্তব্য, সিবিআইও এই মামলায় দোষী সঞ্জয়ের সর্বোচ্চ শাস্তিই চেয়েছিল। এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই। সে ক্ষেত্রে নির্যাতিতার পরিবার, সিবিআই কিংবা দোষী হাইকোর্টের দ্বারস্থ না হলে, রাজ্য কী ভাবে এই আবেদন করতে পারে? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল। সিবিআইয়ের আইনজীবীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত এবং সরকারি আইনজীবী (পিপি) দেবাশিস রায়। তার কয়েক ঘণ্টা পরে সিবিআই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    সঞ্জয়ের শাস্তি ঘোষণাতে এই মামলা শেষ হয়ে যায়নি

    আরজি করের ঘটনায় কেন সঞ্জয়কে মৃত্যুদণ্ড দিল না শিয়ালদা আদালত? বিচারক অনির্বাণ দাস শাস্তি ঘোষণা করতে গিয়ে জানিয়েছিলেন, এটি বিরলের মধ্যে বিরলতম বলে তিনি মনে করছেন না। ভারতী ন্যায় সংহিতার ৬৪, ৬৬ এবং ১০৩ (১) তিনটি ধারাতেই সঞ্জয়ের অপরাধ প্রমাণিত। তাই তাঁকে আমৃত্যু কারাবাস করতে হবে। এই ঘটনাতেই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। কিন্তু সময়ে চার্জশিট দিতে না-পারায় তাঁরা জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সন্দীপ অবশ্য আরজি কর সংক্রান্ত অন্য মামলায় বন্দি। ধর্ষণ-খুন মামলাতেও পরবর্তী চার্জশিট জমা দিতে হবে সিবিআইকে (CBI)। ফলে, সঞ্জয়ের শাস্তি ঘোষণাতে এই মামলা শেষ হয়ে যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: আরজি করকাণ্ডে দোষী সিভিক সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদা আদালতের

    RG Kar Case: আরজি করকাণ্ডে দোষী সিভিক সঞ্জয়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ শিয়ালদা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মামলায় (RG Kar Case) মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দোষী সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে (Sanjoy Roy) আমৃত্যু কারাদণ্ড দিল শিয়ালদা আদালত। সোমবার বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁকে এই সাজা দেন। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণও দিতে হবে সঞ্জয়কে। জরিমানার অর্থ দিতে না পারলে অতিরিক্ত চার মাস জেল খাটতে হবে। 

    বিচার চাই (RG Kar Case)

    এদিকে, নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও রাজ্য সরকারকে দিয়েছে আদালত। ধর্ষণের জন্য ৭ লাখ এবং হত্যার জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিচারক বলেন, ‘‘রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্যাতিতার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।’’ প্রসঙ্গত, শনিবার সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। তবে যেহেতু মামলাটি বিরলের মধ্যে বিরলতম নয়, তাই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে সঞ্জয়কে। সাজা ঘোষণার পরেই নির্যাতিতার মা-বাবা এজলাসে দাঁড়িয়ে বলেন, “আমরা ক্ষতিপূরণ চাই না, বিচার চাই।” বিচারক বলেন, “আমি জানি, আপনারা ক্ষতিপূরণ চান না। তবে আইনের বিধান অনুযায়ী এই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছি। এরপর এই টাকা নিয়ে কী করবেন, তা আপনাদের বিষয়।”

    সঞ্জয়ের ফাঁসির পক্ষেই সওয়াল

    এদিন ফের একবার সঞ্জয়ের ফাঁসির পক্ষেই সওয়াল করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা বলে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা আছে। কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। মানুষকে পরিষেবা প্রদানের জন্যই ছত্রিশ ঘণ্টা ধরে ডিউটিতে ছিলেন। মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তাঁর মৃত্যু শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের ক্ষতি নয়, সমাজেরও ক্ষতি।” সিবিআই বলে, “বহু মেয়ে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য লড়ে যাচ্ছে। সেখানে যদি সুরক্ষা না থাকে, তবে সমাজ ব্যবস্থা ব্যর্থ বলে পরিগণিত হবে। সমাজ তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে চাইছে। সুরক্ষা চাইছে।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা এও বলে (RG Kar Case), “কর্মস্থলেই সেবার কাজে ব্রতী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন, বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ। সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সমাজের আস্থা থাকে।”   

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে চাইছে আইএসআই এবং হামাস!

    এর আগেও সিবিআই দাবি করেছিল, আরজি করকাণ্ডের ঘটনাটি বিরলের মধ্যে বিরলতম। তাই সঞ্জয়ের মৃত্যুদণ্ডের সাজা দাবি করেছিল সিবিআই। মৃত্যুদণ্ডের সাজা দাবি করেছিলেন নির্যাতিতার আইনজীবীও। কিন্তু এদিন বিচারক সাফ জানিয়ে দিলেন, যেহেতু মামলাটি বিরলের মধ্যে বিরলতম নয়, তাই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে সঞ্জয়কে। আর যেহেতু কর্মস্থলে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে, তাই (Sanjoy Roy) রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত (RG Kar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Mamata Banerjee: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পথে প্রধান কাঁটা হতে পারে বেকারত্ব। রাজ্যে শিল্প নেই। জটিলতার কারণে বন্ধ শিক্ষক নিয়োগও। সরকারি চাকরির (Govt Employee) দশাও তথৈবচ। এমতাবস্থায় এবার বেকার ছেলেমেয়েদের চায়ের দোকান খোলার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার মালদহের সভামঞ্চ থেকে চাকরিপ্রার্থীদের এমন পরামর্শই দেন তিনি।

    সরকারি টাকায় মোচ্ছব! (Mamata Banerjee)

    ফি বছর শিল্প সম্মেলনের নামে সরকারি টাকায় মোচ্ছব হয় বলে অভিযোগ। দু’দিন-তিনদিন ধরে খাওয়া-দাওয়ার এলাহি আয়োজন হয়। ব্যস, সম্মেলন শেষে হাতে থাকে শুধুই পেন্সিল, শিল্প আর হয় না! রাজ্যের হা-শিল্প দশা দেখে এর আগে কর্মপ্রার্থীদের ‘চপ শিল্প’ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মমতা। তাতে কতজন বেকারের আর্থিক অবস্থার হাল ফিরেছিল, তা গবেষণার বিষয় হতে পারে। তবে চপ শিল্পের কল্যাণে যে রাজ্যের হাল ফেরেনি, তা মালুম হল মঙ্গলবারের বারবেলায় মুখ্যমন্ত্রী ফের চা শিল্পের পরামর্শ দেওয়ায়।

    চায়ের দোকান খোলার পরামর্শ

    এদিন মালদার ডিএসের মাঠে তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, পলিটেকনিক, আইটিআই বাংলায় ৫০০টা আছে। সেখান থেকে ট্রেনিং নেবেন স্কিলড ট্রেনিং। পড়াশোনার সুযোগ, ট্রেনিংয়ের সুযোগ, সব সুযোগ আছে। আমি তো বলব, দু’তিন লাখ অ্যাপয়েন্টমেন্ট হতেই পারে ইমিডিয়েট। যদি ওবিসি রিজার্ভেশনটা ক্লিয়ার হয়ে যায়। সরকারি চাকরি করতে গেলে কতকগুলো সিস্টেম আছে। ইন্টারভিউ কল করে। আপনাদের পরীক্ষা দিতে হয়। ইন্টারভিউ দিতে হয়।” এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভাইয়েরা আমার, চিন্তা করার বা হতাশাগ্রস্ত হওয়ার কারণ নেই। একটা চায়ের দোকানে চা বিক্রি করলেও, চা-বিস্কুট-ঘুগনি, ইনকাম খারাপ হয় না। সরকারি চাকরির থেকে বেশি রোজগার হয়।”

    ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা!

    তাঁর এই কথা হাসির খোরাক হতে পারে ভেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেউ চাকরির সুযোগ পেলে চাকরি করবেন। পলিটেকনিকের ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করবেন, আমরা ১০ লাখ ছেলেমেয়েকে পলিটেকনিকের ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করে দিয়েছি। আরও কয়েক লাখ চাকরি হবে খুব শিগগিরই।” তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, বাণিজ্যে বসতি লক্ষ্মী। কেউ চাকরির সুযোগ পেলে চাকরি করবেন। পলিটেকনিক ট্রেনিং নিয়ে চাকরি করবেন। ১০ লাখ ছেলেমেয়েকে পলিটেকনিক ট্রেনিং দিয়ে আমরা তাদের চাকরি করে দিয়েছি।”

    প্রচারের ঢক্কানিনাদ

    কর্মপ্রার্থীদের চায়ের দোকান (Mamata Banerjee) খোলার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী কৌশলে ভোট প্রচারের কাজটিও সেরে রাখলেন। তাঁর জমানায় রাজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, “নারায়ণপুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, কালিয়াচকে সিল্ক পার্ক, ইংরেজবাজারে ফুড পার্ক, মালদা আইআইটি পার্ক গড়ে উঠেছে। ৫৭ হাজারের বেশি ক্ষুদ্রশিল্পে এক লাখ মানুষ কাজ করছেন। ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট যাঁরা আছেন, অনেক কিছু হতে পারে আপনাদের এখানে। একটু মাথা খাটান। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও বাংলাদেশের বর্ডার মালদা।”

    আরও পড়ুন: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চকাণ্ডে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র যোগ, জানেন কীভাবে?

    শিল্পনগরী তৈরি করেছি

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা এখানে বিজনেস করলে সারা উত্তরবঙ্গ তার সুফল পাবে। আপনাদের কথা শুনে ইন্ডাস্ট্রির কথা শুনে আমরা শিল্পনগরী তৈরি করেছি। আরও ঢেলে সাজান।” তিনি বলেন, “যখন বিজনেস করবেন, মনে রাখবেন, একটা প্রজেক্ট নেবেন, আমার বিজনেস দিয়ে আমি ১০টা পরিবারকে সাহায্য করব। ১০টা গবির মানুষের ঘর করে দিন না। বেশি টাকা লাগে না। ১০টা গরিব মানুষের ঘর করতে বড়জোর ১৫ লাখ টাকা লাগবে (Mamata Banerjee)।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি সিএসআরের মাধ্যমে আপনারা ডিএমকে জিজ্ঞেস করুন। ডিএম আপনাদের তালিকা দিয়ে দেবেন, যাঁরা সত্যিকারের গরিব, তাঁদের। এটা আমাদের তালিকার মধ্যে নয়। এটা আমি এক্সট্রা করতে বলছি।”

    খয়রাতির রাজনীতির বিষময় ফল!

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে রাজ্যের কোষাগার। বিভিন্ন ‘শ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো আদতে ভোট কেনার রাজনীতি করেছেন। তার জেরে শূন্য হয়েছে রাজকোষাগার। বেকারত্ব এবং রাজ্যের অন্যান্য জ্বলন্ত সমস্যা থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে মেলা-খেলার আয়োজনও করা হয়। তার পরেও মাঝেমধ্যে চাগাড় দিয়ে ওঠে বেকারত্বের ভূত। সেই ভূত তাড়াতেই কখনও (ঢপের?) চপ শিল্প, কখনও আবার চা শিল্পের পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    জনতা (Govt Employee) জনার্দন এতে ভোলে কিনা, এখন তাই দেখার (Mamata Banerjee)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Rape and Murder Case) নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের লড়াই করার মানসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে বিরলতম অ্যাখ্যা দিলেন তিনি। অন্যদিকে, আজ, বুধবার চিকিৎসক পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের মামলা শুনবে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই ঘটনায় দোষী সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত শাস্তি দেওয়ার পর এই প্রথম  সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা শুভেন্দুর

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) শাস্তি ঘোষণার পরের দিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা তাঁর উপরে ভরসা রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ওঁদের লড়াইয়ের মানসিকতাকে কুর্নিশ। ওঁদের একটি পিটিশনের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সামগ্রিক ভাবে ওঁরা বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘আমি নিজেকে তাঁদের পরিবারের এক জন বলে মনে করি। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। যে ভাবে ওঁরা সহযোগিতা চাইবেন, সে ভাবে আমার সাধ্যমতো ওঁদের সাহায্য করব।’’

    আরও পড়ুন: বয়স ৩৫-এর কোঠায় পৌঁছনোর আগেই দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার! কীভাবে দ্বিগুণ হচ্ছে ঝুঁকি?

    প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

    সোমবার আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Kar Rape and Murder Case) ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমরণ কারাবাসের শাস্তি দেয় শিয়ালদা আদালত। বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁর নির্দেশে জানান, বিরলের মধ্যে বিরলতম নয় এই ঘটনা। এ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমার মতে ঘটনাটি (আরজি কর-কাণ্ড) বিরলতমই। জাজমেন্টে (বিচারে) অনেকগুলো বিন্দু আছে। অনেকগুলো ভাল কথা বলেছেন বিচারক। কলকাতা পুলিশ, হাসপাতাল থেকে সিবিআই নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটির কথা বলেছেন। তবে বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই বলছি, সরকারি কর্মক্ষেত্রে এক জন মহিলা চিকিৎসককে যে ভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত মত, এটা বিরলতম ঘটনা। অনেক বড় লড়াই হবে। পরিবার তার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ 

    সুপ্রিম দুয়ারে পরিবার

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। দু’টি মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই শুনবে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শনিবার শিয়ালদা আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার তাঁর আজীবন জেলের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, একা সঞ্জয় নন, অপরাধের জড়িত রয়েছেন আরও ব্যক্তি। শিয়ালদা আদালত রায় ঘোষণার আগেই চলতি মাসের গোড়ায় ‘আরও তদন্ত চেয়ে’ শীর্ষ আদালতে আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপট, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই

    Weather Update: রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপট, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই শীতের কাঁটা। দক্ষিণ পূর্ব বাতাস বা পুবালী হাওয়ায় জলীয় বাষ্প ঢুকবে রাজ্যে। সপ্তাহের শেষে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পুবালী হাওয়ার সংঘাতে রাজ্যে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। সকালের দিকে ধীরে ধীরে ফিকে হচ্ছে শীতের আমেজ। সামান্য তাপমাত্রা কমেছে রাজ্যে। ফলে, বেড়েছে শীতের আমেজ। আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, আমেজটুকু বজায় থাকছে শুধুমাত্র সন্ধ্যায় ও রাতে। দিনের বেলায় তেমন কিছু বোঝা যাচ্ছে না। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আগামী ২ দিন একই রকম থাকবে।

    কোথায় কোথায় কুয়াশা? (Weather Update)

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ২২ জানুয়ারি নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে ফলে জাঁকিয়ে শীতের তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই রাজ্যে। ফলে, বুধবার পর থেকে ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সেক্ষেত্রে ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি কম। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫.৬ ডিগ্রির বেশি ওঠেনি। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকলেও তিন জেলায় কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    দীর্ঘ দিন পরে কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নামল। তবে তা সামান্যই। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি কম। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৬ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪৪ থেকে ৮৭ শতাংশ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের সামান্য নীচে থাকবে। সকাল ও সন্ধেতে শীতের আমেজ বজায় থাকবে। আগামী ৫ দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকালে হালকা কুয়াশা হতে পারে।

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে (Weather Update) সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। দৃশ্যমানতা নামতে পারে ২০০ মিটারের নীচে। উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী দু’দিন রাতের তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না। তার পরের তিন দিনে তাপমাত্রা দু’ডিগ্রি বাড়তে পারে। এদিকে দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় ২৪ জানুয়ারি, শুক্রবার হালকা বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাপমাত্রায় হেরফের হবে না খুব বেশি। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামিকাল থেকেই কুয়াশায় ঢাকবে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি এলাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: থার্মাল ক্যামেরা থেকে বায়োমেট্রিক যাচাই, বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    BSF: থার্মাল ক্যামেরা থেকে বায়োমেট্রিক যাচাই, বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজর বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত হয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই আবহের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে বিএসএফ-এর সংঘাতের খবর সামনে আসছে বারবার। এমনকী কাঁটাতার দিতে গিয়ে একাধিক অরক্ষিত সীমান্তে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিএসএফকে (BSF)। এই আবহে সীমান্ত দিয়ে বার বার অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশিরা। বিষয়টি যে যথেষ্ট অস্বস্তির, তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা। যদিও তা প্রতিহত করতে সদা তৎপর বিএসএফ। নিত্যনতুন কৌশলে সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে তারা। জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের ধরার জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এখন বিএসএফের ১০২ ব্যাটালিয়নের হাতে। বসিরহাটে মোট ৩৩ কিমি দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Border) সীমান্তের মাত্র ১২ কিলোমিটার কাঁটাতার করা হয়েছে। বাকি অংশ এখন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এই এলাকা দিয়ে যাতে অনায়াসে বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশ করতে না পারে, তারজন্য উদ্যোগী হয়েছে বিএসএফ (BSF)। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র ২৪ ঘণ্টা টহল নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ওপর নজরদারি চালাতে বাহিনীর হাতে হাতে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তর

    নজরদারির জন্য কী কী পদক্ষেপ? (BSF)

    এমনিতেই কয়েকদিন আগে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে কাঁটাতারে লাগানো হল কাচের বোতল। ফুলকাডা বুড়ি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কিছুদিন আগেই লাগানো হয় কাঁটাতার। বিএসএফের সাহায্যে সেখানে কাচের বোতল লাগিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দুষ্কৃতীরা ওই তার কেটে নিলে সশব্দে ভাঙবে কাচের বোতল। তাতে সতর্ক হবে বিএসএফ (BSF), দাবি স্থানীয়দের। কোচবিহার ছাড়াও মালদা, নদিয়া সহ সীমান্ত এলাকায় এখনও অনেক ফাঁকা জমি রয়েছে। সেই জমিতে কাঁটাতার দিতে বাধা দিচ্ছে বাংলাদেশিরা। তাতে মদত দিচ্ছে বিজিবি। মূলত, অনুপ্রবেশে মদত রয়েছে ইউনূস প্রশাসনের। ফলে, অনুপ্রবেশ রুখতে অন্য কৌশল নিয়েছে বিএসএফ। জানা গিয়েছে, হ্যান্ড-হেল্ড থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম হল সেনাদের কাছে নজরদারির অন্যতম হাতিয়ার। এতে জড় বস্তু এবং শত্রু বাহিনীর মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য ধরা পড়ে। সীমান্ত দিয়ে কেউ পারাপার করার চেষ্টা করলে তা এই ক্যামেরায় ধরা পড়়বে। বিএসএফের (BSF) সূত্র জানায়, ক্যামেরাগুলো বিশেষ করে ঘন কুয়াশার সময় এবং রাতের টহল দেওয়ার জন্য কাজে লাগে। সীমান্তে নজরদারি রাখতে ক্যামেরা ছাড়াও নাইট ভিশন ডিভাইসও ব্যবহার করছে বাহিনী। আংশিক কাঁটাতার দেওয়া সীমানার পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেই দেখতে পাওয়া যায় একটি বিশেষ জাল যা লাগানো হয়েছে। একজন সিনিয়র বিএসএফ আধিকারিক বলেন, এমনিতেই সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ রুখতে জওয়ানরা সবমসয় টহল দেন। তারপরও রাতের অন্ধকারে কাঁটাতার দিয়ে কোনও কিছু ফেলতে না পারে, তার জন্য জাল লাগানো হয়েছে। তাতে অনেকটাই কাজ হচ্ছে।

    চাষিদের বায়োমেট্রিক!

    বিএসএফ (BSF) দ্বারা নেওয়া আরেকটি পদক্ষেপ হল কাঁটাতারের এলাকার বাইরে জমি রয়েছে, সেই জমিতে যাওয়ার জন্য চাষিদের বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ শুরু করা। গ্রামবাসীরা যারা কৃষিকাজের জন্য তাদের জমিতে যেতে চান তাদের এখন তাদের বায়োমেট্রিক বিবরণ প্রদান করতে হবে, যা তাদের পাস করার অনুমতি দেওয়ার আগে রেকর্ডের সঙ্গে মিলে যায়। কৈজুরির স্থানীয় গ্রামবাসী নিমাই দাস বলেন,  “প্রতিদিন বিএসএফ আমার বুড়ো আঙুলের ছাপ মিলিয়ে দেখার পর আমার জন্য গেট খুলে দেয়। উত্তেজনা সত্ত্বেও, অফিসার এবং জওয়ানরা সবসময় আমাদের সাহায্য করে।’’ আরা যাদের জমি নেই, অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করতে যান, তাঁদের আধার কার্ড জমা নেওয়া হয়। পরে, কাজ শেষ হলে তা ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।

    সীমান্তে টহলরত কুকুর

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু জওয়ানরাই নয়, টহলরত কুকুররাও নজরদারিতে তাদের ভূমিকা পালন করছে। জার্মান ম্যালিনোইস জাতের ম্যাক্স নামে প্রশিক্ষিত কুকুর রয়েছে। যার বয়স আড়াই বছর। তার একজন মাস্টার হ্যান্ডলার রয়েছে, সীমান্তের ওপার থেকে সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে জওয়ানদের সতর্ক করে। জানা গিয়েছে, এই কুকুরটি বেশ কয়েকটি আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে। ফলে, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এই কুকুরকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share