Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • ED: আরজি করকাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য সরকারি অনুমোদন পেল ইডি

    ED: আরজি করকাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য সরকারি অনুমোদন পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (RG Kar Case) আর্থিক দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বড় অগ্রগতি হল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শেষমেশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পেল ইডি (ED)। বুধবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে তারা জানায়, রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৭ জুলাই।

    মিলল সরকারের অনুমোদন 

    এর আগে ইডি এই মামলায় সন্দীপকে গ্রেফতার করেছিল। প্রথম চার্জশিটে তাঁকে অভিযুক্ত হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে তিনি সরকারি দায়িত্বে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুমোদন বাধ্যতামূলক ছিল। সেই কারণে এত দিন বিচারপ্রক্রিয়া এগোতে পারেনি। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন হাতে আসায় এবার মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পথ হল চওড়া।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া চার্জশিটে সন্দীপ ছাড়াও দুই ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরার নাম রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অভিযোগ, এই দুই ব্যবসায়ী হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় এটিই ইডির (ED) প্রথম চার্জশিট। এর আগে এই একই মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই-ও।

    প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ!

    ইডির অভিযোগ, হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের কাছে পাঠানো বিপুল অঙ্কের অর্থ পরিকল্পিতভাবে অন্যত্র সরিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে চেক ইস্যু করা হয়েছিল। সেই অর্থ নগদে তোলা বা বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর করে পরে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। ইডির বক্তব্য, এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের প্রকৃত উৎস এবং সেই অর্থ কোথায় গিয়েছে, তা আড়াল করার চেষ্টাও করা হয়েছিল। এই আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সন্দীপের বড় ভূমিকা রয়েছে (RG Kar Case) বলে দাবি ইডির। সরকারি অনুমোদন মেলায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া আরও (ED) দ্রুত গতিতে এগোবে বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের।

     

  • West Bengal Police: টেকনোলজি থেকে এআই, হাইটেক হচ্ছে বাংলা পুলিশ! রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মেগা চুক্তি

    West Bengal Police: টেকনোলজি থেকে এআই, হাইটেক হচ্ছে বাংলা পুলিশ! রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মেগা চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তি থেকে দক্ষতা- সবদিক দিয়ে রাজ্যের পুলিশকে (West Bengal Police) আরও আধুনিক করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। এবার রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Rashtriya Raksha University – RRU)সঙ্গে মউ (MoU) স্বাক্ষর করল রাজ্য পুলিশ। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উপস্থিতিতে সেই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। রাজ্য পুলিশের (State Police) সার্বিক উন্নয়নের জন্যই এই চুক্তি বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে জানান তিনি। বুধবার নবান্নে এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তাঁর সরকার পশ্চিমবঙ্গে ‘শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন’ প্রতিষ্ঠা করতে দায়বদ্ধ।

    তৃণমূল সরকারের দীর্ঘদিনের ‘উদাসীনতা’কে কটাক্ষ

    এদিন পুলিশ বাহিনীর আধুনিকীকরণে বিগত তৃণমূল সরকারের দীর্ঘদিনের ‘উদাসীনতা’ ও খামতিকে তীব্র নিশানা করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী জানান, রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই আধুনিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব প্রথম এসেছিল ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। কিন্তু তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি এবং ফাইল আটকে রেখেছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনার পর দ্রুত এই চুক্তি সম্পন্ন করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “অতীতে কলকাতা পুলিশের তুলনা করা হত স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গে। কিন্তু আগের সরকার পুলিশকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত জনবল না দেওয়ায় সেই গৌরব হারিয়েছিল। আমরা সেই হারানো সম্মান ফিরিয়ে আনব।”

    সামরিক বাহিনীর মতো শক্তিশালী হবে পুলিশ

    শুভেন্দু বলেন, “আমরা সরকারে আসার পরে এই মউ স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিই। তদন্তের স্বার্থে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার পাশপাশি আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে। এই কোর্স করার জন্য পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর থেকে শুরু করে আইপিএস পদমর্যাদার অফিসারেরা এবং যাঁরা সন্ত্রাস-বিরোধিতায় কাজ করতে চান, তাঁরা এই কোর্স করতে পারবেন। এতে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের তদন্ত, সাইবার অপরাধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনে সাহায্য করবে।” শুভেন্দু এদিন উল্লেখ করেন, আগে এ রাজ‍্যের পুলিশের বিশেষ সুনাম ছিল গোটা বিশ্বে। কিন্তু গত কয়েক বছরে পুলিশি ব্যবস্থাই তলানিতে চলে গিয়েছে। পুলিশকে সামরিক বাহিনীর মতো শক্তিশালী করা হবে বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কী কী আধুনিক প্রশিক্ষণ পাবে পুলিশ?

    এই চুক্তির আওতায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে সাব-ইন্সপেক্টর, ইন্সপেক্টর, ডব্লিউবিপিএস এবং আইপিএস অফিসাররা বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ পাবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: সাইবার অপরাধ তদন্ত ও ডিজিটাল ফরেনসিক। ডার্ক ওয়েব নজরদারি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পুলিশিং। সন্ত্রাস দমন, সীমান্ত গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং উপকূলীয় নিরাপত্তা। মানবপাচার বিরোধী অভিযান, ড্রোন পুলিসিং এবং কে-নাইন ডগ স্কোয়াড প্রশিক্ষণ।

    পুলিশে আরও নিয়োগ

    এদিন পুলিশে আরও নিয়োগ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১৬ হাজার কনস্টেবল ট্রেনিং নিয়ে বসে আছেন। তাঁদের জন্য নিয়োগ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন এদিন। মেয়েদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তিনি। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, রাজ্যের প্রতিটি থানাকে ধাপে ধাপে ‘১১২’ জরুরি পরিষেবার আওতায় আনা হবে এবং তৈরি করা হবে কুইক রেসপন্স টিম। রাজ্যপাল স্বয়ং এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে এনেছিলেন বলে জানান তিনি।

    পুলিশেরও রক্ত ঝড়বে না!

    রাজ্যের মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “জনগণের নিরাপত্তার পাশাপাশি আমাদের পুলিশ কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব। নতুন পরিকাঠামোয় আমাদের পুলিশ কর্মীদের আর অন্যায়ভাবে রক্ত ঝরবে না, হাসপাতালে যেতে হবে না। পুলিশ কর্মীদের অন ডিউটি নিরাপত্তা ও সম্মান সুনিশ্চিত রাখাটাই আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য।” রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন যে, রাজ্যে অপরাধ দমন ও পুলিশি ব্যবস্থার ভোলবদল করাই তাঁর উদ্দেশ্য। ফলতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রতিককালে ডিউটিরত পুলিশ কর্মীদের ওপর হওয়া হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই মউ-এর সুফল

    মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, উত্তরপ্রদেশ, অসম, হরিয়ানা-সহ দেশের বেশিরভাগ রাজ্যই ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর করে ফেলেছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশ প্রশাসনে অত্যাধুনিক ও উন্নতমানের বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণের যে বিপুল প্রয়োজন রয়েছে, এই মউ-এর মাধ্যমে তা এবার এ রাজ্যে অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব হবে। এই চুক্তির ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশ – দুই বাহিনীই প্রভূতভাবে উপকৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari on Pink Card: ‘যে মহিলারা ফ্রি টিকিট চান না তাঁদের কুর্ণিশ’, বাকিদের জন্য পিঙ্ক কার্ড, জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari on Pink Card: ‘যে মহিলারা ফ্রি টিকিট চান না তাঁদের কুর্ণিশ’, বাকিদের জন্য পিঙ্ক কার্ড, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি বাসে মহিলা যাত্রীদের বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার (Suvendu Adhikari on Pink Card) ৷ কিন্তু এই পরিষেবাকে স্বাগত জানিয়েও অনেক মহিলাই এই পরিষেবা নিতে চান না বলে সমাজমাধ্যমে মত দিয়েছেন৷ কারণ অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী অনেক মহিলাই যুক্তি দিয়েছেন, বাস ভাড়া দিতে তাঁদের কোনও সমস্যা নেই৷ মহিলাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বুধবার নেতাজি ইন্ডোরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, যে মহিলা যাত্রীরা চাইবেন, ভবিষ্যতে তাঁরাই বিনামূল্যে বাসে যাতায়াতের সুবিধা পাবেন৷ সেই উদ্দেশ্যেই মহিলা বাস যাত্রীদের জন্য চালু হচ্ছে পিঙ্ক কার্ড৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যে মহিলারা বিনামূল্যে বাস যাত্রার সুবিধা নিতে চান, তাঁরাই এই পিঙ্ক কার্ড সংগ্রহ করবেন৷

    বিশেষ ‘পিঙ্ক কার্ড’

    বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে তিনি জানান, মহিলাদের জন্য খুব শীঘ্রই চালু করা হবে বিশেষ ‘পিঙ্ক কার্ড’। এই কার্ডের মাধ্যমেই সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা পাবেন রাজ্যের মহিলারা। একইসঙ্গে যাঁরা নিজের খরচে বাসভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে চান, তাঁদের প্রতিও বিশেষ সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি বাসে ইতিমধ্যেই ‘শূন্য মূল্যের টিকিট’ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। তাঁর দাবি, অনেক মহিলা এই সুবিধা নিতে চান না। কারণ তাঁরা নিজের উপার্জনে যাতায়াত করতে স্বচ্ছন্দ। সেই সমস্ত মহিলাদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা বলছেন তাঁরা পর্যাপ্ত বেতন পান এবং বিনামূল্যের টিকিট নিতে চান না, তাঁদের আমি নতমস্তকে প্রণাম জানাই।”

    সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প কার্যকর করতে সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ হবে। যদিও রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এর আগেই মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সময় এই খাতে সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও জানানো হয়। বর্তমানে রাজ্যের একাধিক সরকারি পরিবহণ সংস্থার বাসে মহিলারা বিনামূল্যে যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছেন। ডব্লিউবিটিসি, এসবিএসটিসি এবং এনবিএসটিসি-র বাসে এই পরিষেবা চালু রয়েছে। শুধু সাধারণ বাস নয়, সরকারি এসি বাস, দূরপাল্লার বাস, এমনকি ভলভো ও দ্রুতগামী বাসেও এই সুবিধা মিলছে। তবে নতুন করে ‘পিঙ্ক কার্ড’ চালু হওয়ার ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এই কার্ড পাওয়া যাবে? কারা আবেদন করতে পারবেন? প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই কার্ডের জন্য মহিলাদের নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন বিডিও অফিস, এসডিও অফিস এবং পুরসভাগুলির মাধ্যমে এই কার্ড বিলির সম্ভাবনা রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, প্রসূতি মায়েদের জন্য ১০২ নম্বর যুক্ত ২০০টি অ্যাম্বুল্যান্সের আজ উদ্বোধন হয়েছে৷ স্বাস্থ্য দফতর থেকে এই অ্যাম্বুল্যান্সগুলি সমস্ত জেলার হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে পাঠানো হবে৷

  • Annapurna Yojana: চালু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনা, ৩০০০ টাকা করে পড়ল মহিলাদের অ্যাকাউন্টে, কতজন পেলেন?

    Annapurna Yojana: চালু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনা, ৩০০০ টাকা করে পড়ল মহিলাদের অ্যাকাউন্টে, কতজন পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) আর্থিক সহায়তা দেওয়া। কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতি রাভা রায়। অনুষ্ঠানে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতার উপভোক্তারাও যোগ দেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মহিলা আবেদন করেছেন। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৮ জনের আধার সংযুক্ত থাকায় তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই সরাসরি অর্থ পাঠানো হয়।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Annapurna Yojana)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘না জাগিলে ললনা, এ বিশ্ব জাগে না। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠিত হলে অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করা হবে। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে আমরা বড় পদক্ষেপ করলাম। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’’ আবেদন যাচাইয়ের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‘প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। প্রতিটি আবেদনপত্র নিয়ম মেনে খতিয়ে দেখা হয়েছে, যাতে অযোগ্য কেউ সরকারি সুবিধা না পান (Annapurna Yojana)। সরকারি অর্থ শুধুমাত্র প্রকৃত প্রাপকদের কাছেই পৌঁছানো হবে। এটি কারও ব্যক্তিগত অর্থ নয়। আমরা সব মহিলা বিধায়ককে ডেকেছি, কোনও রাজনৈতিক বিভাজন করিনি। ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে, কারণ সরকারি সুবিধা শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকরাই পাবেন।’’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘আমাদের সরকার মাত্র দেড় মাসের পুরানো। এই সময়ের মধ্যেই ১ কোটি ৬০ লাখ আবেদন পত্রের মধ্যে প্রায় ২৬ লাখ বাতিল করা হয়েছে। বাকি সমস্ত যোগ্য উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হচ্ছে। কোনও প্রকৃত উপভোক্তাকে বঞ্চিত করা হবে না। এটি তাঁদের অধিকার।’’

    পূর্ববর্তী সরকারের একাধিক অনিয়ম

    তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘আগের প্রকল্পগুলিতে মৃত ব্যক্তি, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ব্যক্তি, এমনকি ভারতীয় নন, এমন অনেকের নামও ছিল। সেগুলি চিহ্নিত করে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে যাঁরা সিএএর জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের সামাজিক ভাতা চালু থাকবে।’’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘‘৩ জুন আমরা ঘোষণা করেছিলাম যে টাকা দেওয়া শুরু হবে। জুলাই ও অগাস্ট মাসেও আবেদন করার সুযোগ থাকবে। সরকারি সুবিধা শুধুমাত্র যোগ্যদেরই দেওয়া হবে। আগামী দিনে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য গোলাপি কার্ড চালু করা হবে। অনেক মহিলা কর্মী নিজে টিকিট কেটে যাতায়াত করতে চান, তাঁদের আমি (Suvendu Adhikari) সম্মান জানাই। এই পরিষেবার জন্য সরকারকে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে (Annapurna Yojana)।’’

     

  • Doctors Day 2026: জ্যোতি বসুর কথায় বিধানচন্দ্র রায়ের কাজ স্মরণ মুখ্যমন্ত্রীর! ‘ডক্টর ডে’-র মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Doctors Day 2026: জ্যোতি বসুর কথায় বিধানচন্দ্র রায়ের কাজ স্মরণ মুখ্যমন্ত্রীর! ‘ডক্টর ডে’-র মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় চিকিৎসক দিবস-এ রাজ্যের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে দুষলেন বিগত তৃণমূল সরকারকে। একই সঙ্গে ভোল বদলের আশ্বাস দিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। আজ ১লা জুলাই ২০২৬, প্রখ্যাত চিকিৎসক তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস’ (National Doctor’s Day)। এই বিশেষ দিনে সল্টলেকের এক অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    বিধানচন্দ্র রায় -এর নামে হাসপাতাল

    সল্টলেকের বিধাননগর সাব-ডিভিশনাল হাসপাতালের ভোলবদল ও নতুন নামকরণের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালটির নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল’। ডক্টর ডে-র মূল মঞ্চ থেকে আজ এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বেশ কিছু অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবারও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।একই সঙ্গে চিকিৎসা ক্ষেত্রে একাধিক নতুন পরিষেবার সূচনা করার পাশাপাশি পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় নিশানা করেন তিনি।

    বিধানচন্দ্র রায়ের কাজ শিক্ষনীয়, জ্যোতি বসুকে স্মরণ

    রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের কাজকে শিক্ষনীয় করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর একাধিক বক্তব্যকে নিজের ভিতরে আত্মস্থ করেছেন তিনি। বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিধান রায়ের ভূমিকার কথাও এদিন স্মরণ করা হয়। সেই কথা নিজেই এদিন জানিয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রসঙ্গও। চিকিৎসক দিবসে শুভেন্দু অধিকারীর তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য, “জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন যেখানেই আমি হাত দিচ্ছি, দেখছি বিধানচন্দ্র রায় তা শুরু করে দিয়ে গিয়েছেন। আর আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যেখানেই হাত দিচ্ছি, দেখছি বিগত সরকারের ধ্বংসলীলা।”

    বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা

    রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৃণমূল সরকারের আমলে ভেঙে পড়েছে, লাগামছাড়া দুর্নীতিও হয়েছে, সেই অভিযোগ উঠেছে। এদিন সেই বিগত সরকারের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও তুলোধনা করেছেন তিনি। বিজেপি আমলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে উন্নত করার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। “আমরা-ওরা থাকতে পারে না।” সেই কথাও শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। বাংলা থেকে বহু রোগী ভিনরাজ্যে চিকিৎসার জন্য যান। এই রাজ্যে চিকিৎসা দেওয়া যায় না? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যে হাসপাতালগুলোর বেহাল অবস্থা। কুকুর বেড়াল শুয়ে থাকত হাসপাতালের ভিতর। সেই প্রসঙ্গও তুলেছেন তিনি। “এই ধ্বংসলীলা থেকে বাংলাকে বার করতে হবে।” এদিন এই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঙালি চিকিৎসকদের ইউরোপ-সহ অন্যান্য দেশে দেখা যায়। সেই কথাও মুখ্যমন্ত্রী জানান। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর হাল ফেরাতে জোর দিয়েছেন তিনি।

  • Kolkata Police: ধর্মতলা চত্বরে মিছিল-ধর্না নয়! ব্যস্ত রাস্তায় জমায়েত বন্ধে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা পুলিশের

    Kolkata Police: ধর্মতলা চত্বরে মিছিল-ধর্না নয়! ব্যস্ত রাস্তায় জমায়েত বন্ধে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের ঐতিহ্যবাহী ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের অনুমতি স্পষ্ট ভাষায় খারিজ করে দিল লালবাজার। এমনকী, ধর্মতলা চত্বরে আগামী ৬০ দিনের জন্য কড়া নিষেধাজ্ঞা (Ban At Dharmatala) জারি করল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। সম্ভাব্য বিক্ষোভ, অশান্তি এবং জনশৃঙ্খলা ভাঙনের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার আওতায় এই নির্দেশ জারি করেছেন।

    পুলিশের নির্দেশে কী বলা হল

    পুলিশের (Kolkata Police) নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত ধর্মতলার একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় পাঁচ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে মিছিল, সভা, ধর্না, বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রে এমন তথ্য মিলেছে যে, ওই এলাকায় হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে। তার জেরে জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। সেই কারণেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে বউবাজার থানা, হেয়ার স্ট্রিট থানা এবং সদর ট্র্যাফিক গার্ডের অন্তর্গত নির্দিষ্ট অংশ। কেসি দাস মোড় থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস তথা সিইএসসি দফতর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় এই নির্দেশ কার্যকর হবে। তবে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। লাঠি, আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য কোনও বিপজ্জনক অস্ত্র বহনেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এমন কোনও কাজ করা যাবে না, যাতে শান্তিভঙ্গ, জনদুর্ভোগ বা যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    প্রশাসনের বক্তব্য, ধর্মতলা (Gathering in Dharmatala) কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ওই পথ ব্যবহার করেন। সেখানে রাজনৈতিক জমায়েত বা বিক্ষোভ থেকে বড়সড় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বৃহত্তর জনস্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এত সংখ্যক মানুষের কাছে আলাদা করে নোটিস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার উপধারা অনুযায়ী একতরফা ভাবে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম, কলকাতা পুলিশ গেজেট এবং বিভিন্ন থানার নোটিস বোর্ডের মাধ্যমে এই নির্দেশ প্রকাশ করা হবে।

  • TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাই ধর্মতলায় ‘শহিদ দিবস’ উপলক্ষে রাজনৈতিক সমাবেশের (TMC July 21 Rally) অনুমতি দেওয়া হবে না বলে কালীঘাট এবং ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল (Dharmatala) কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের বক্তব্য, ধর্মতলার মতো অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকায় রাস্তা অবরুদ্ধ করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    ধর্মতলায় সভা নয় (TMC July 21 Rally)

    এ বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য পুলিশের কাছে আলাদা করে আবেদন জানিয়েছিল দুই পক্ষই। অনুমতির সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই রবিবার সেখানে ফিতে দিয়ে জায়গা মাপতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্ক। পরে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে মাপজোক করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কলকাতা পুলিশ। তার পরের দিনই ধর্মতলায় সভার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়।

    মমতা শিবিরের বক্তব্য

    মমতা শিবিরের তরফে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “এখনও পুলিশের তরফে কোনও চিঠি আমরা পাইনি। তাই এখনই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।” ঋতব্রত শিবিরের পরিষদীয় দলের মুখ্যসচেতক তথা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান জানান, “আমরা আমাদের শহিদ দিবস পালন করবই। তবে তা কখনও মানুষের কোনও অসুবিধা করে হবে না। আমরা সবাই মিলে বসে এই কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

    তৃণমূলে মুষল পর্ব 

    প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে যাওয়ার পরেই মুষল পর্ব শুরু হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূলে। এক শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আর অন্য গোষ্ঠীর নেতা মমতা স্বয়ং। দলের অন্দরে এই বিভাজনের জেরে এ বছর ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মমতা জানিয়েছিলেন, ধর্মতলায়ই শহিদ দিবস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তর কলকাতার এক কর্মসূচিতে কুণালের মোবাইল ফোন থেকে (TMC July 21 Rally) তাঁর বার্তাও শোনানো হয়। সেখানে মমতা বলেন, “২১ জুলাই আশা করি অনুমতি পাব। আমরা একটা দিনই মিটিং করি। সে দিন বিস্তারিত বলব। পাঁচ জন কর্মী থাকলেও সেই মিটিংয়ে থাকব। আপনারা ওই দিন সমবেত হোন।” এরপরই দুই শিবির পৃথকভাবে একই জায়গায় সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে।

    ২১ জুলাই

    ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য। ২০১১ সালে কর্মসূচি পালিত হয়েছিল ব্রিগেড ময়দানে। ২০১৩ এবং অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে ধর্মতলায় সভা হয়নি। বাকি প্রায় প্রত্যেক বছরই এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে ধর্মতলায়ই। ২১ জুলাইয়ের এই কর্মসূচির সূচনা ১৯৯৩ সালের ঘটনাকে ঘিরে। সেই সময় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন মমতা। সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। মিছিল মহাকরণের দিকে এগোতে শুরু করলে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ব্যারিকেড করে তা রুখে দেয়। এরপর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ইট-পাথর বর্ষণ, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো এবং উত্তেজনার মধ্যে গুলিচালনার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয় (Dharmatala), জখম হয়েছিলেন বহু কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক। এই দিনটিকেই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল (TMC July 21 Rally)।

     

  • Jahangir Khan: জাহাঙ্গির-রেজিনার নামে ৬০টিরও বেশি সম্পত্তির হদিশ, মালিকানার উৎস খতিয়ে দেখছে সিট

    Jahangir Khan: জাহাঙ্গির-রেজিনার নামে ৬০টিরও বেশি সম্পত্তির হদিশ, মালিকানার উৎস খতিয়ে দেখছে সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফলতার একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) এবং তাঁর স্ত্রী রেজিনা বিবি ওরফে সারিকা বিবির নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল, সংক্ষেপে সিট। তদন্তকারী দল সূত্রে খবর, এ পর্যন্ত অন্তত ৬০টি সম্পত্তির দলিল (Property Deeds) উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে জমি, ফ্ল্যাট এবং আবাসন-সহ একাধিক স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এই সম্পত্তিগুলি কীভাবে জাহাঙ্গির ও তাঁর স্ত্রীর নামে হয়েছে এবং কেনাবেচার ক্ষেত্রে অর্থের উৎস কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রতিটি সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়মূল্য, পূর্ববর্তী মালিক এবং লেনদেন সংক্রান্ত নথি যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আর্থিক লেনদেনের সম্পূর্ণ তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। তদন্তকারীদের মতে, উদ্ধার হওয়া দলিলগুলি মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Jahangir Khan)

    বর্তমানে জাহাঙ্গির এবং তাঁর স্ত্রী রেজিনা দু’জনেই পৃথক মামলায় গ্রেফতার। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, ভয় দেখানো-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আর, স্বামীকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে থানায় অশান্তি করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রেজিনা। জাহাঙ্গির বর্তমানে রয়েছেন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে, তাঁর স্ত্রী পুলিশি হেফাজতে। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তোলা এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা বিধান পাড়ুই। একই অভিযোগ পুলিশ সুপার এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই জাহাঙ্গির এবং তাঁর পরিবারের সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার উৎস নিয়ে উঠেছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Jahangir Khan)।

    জাহাঙ্গিরের উত্থানের শুরু

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে জাহাঙ্গিরের উত্থানের শুরু ২০১৩ সালে। ওই বছর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি বেলসিংহা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। পরে হন ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ২০২৩ সালের পর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণও বেড়েছে রকেটের মতো গতিতে।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী করেছিল জাহাঙ্গিরকে। নির্বাচনের দিন অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে পুনর্নির্বাচনের আগে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর একাধিক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হন। গ্রেফতারি এড়াতে নেপালের দিকে পালিচ্ছিলেন। যদিও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উদ্ধার হওয়া সমস্ত নথি (Property Deeds) খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য, মালিকানা এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ (Jahangir Khan)।

     

  • Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অন্য (Academic Environment) রাজ্যের পাশাপাশি চলে যাচ্ছে বিদেশেও। এই প্রবণতা রুখতে রাজ্যে (Student Exodus) এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে পড়ুয়ারা এখানেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয়। রবিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের এক অনুষ্ঠানে এই বার্তা দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী (Academic Environment)

    অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, বর্তমানে রাজ্যের বহু কলেজে আসন খালি পড়ে থাকছে। এই পরিস্থিতি থেকেই স্পষ্ট, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। শুধু রাজ্যে থেকে যাওয়ার আহ্বান জানালেই সমস্যার সমাধান হবে না। এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা পড়ুয়াদের রাজ্যেই ভবিষ্যৎ গড়ার আস্থা দেবে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটেও এই বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যন্ত্রনির্ভর শিক্ষণ-সহ আধুনিক বিষয় পড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকদের এমন এক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গেই উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী হয়।” তাঁর মতে, বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে না পারলে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নতি সম্ভব নয়।

    মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাব

    তাঁর দাবি, এক সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গে পড়তে আসত, পাঠ দান করতেন খ্যাতনামা শিক্ষকরা। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। তাঁর কথায়, “মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাবেই বাইরের রাজ্যের পড়ুয়ারা আর পশ্চিমবঙ্গকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছে না।” তিনি এও জানান, রাজ্য সরকার কলেজগুলিকে উন্নয়নের জন্য আর্থিক সাহায্য দিতে প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছ থেকেও অতিরিক্ত অনুদান আনার চেষ্টা করা হবে। তবে সেই আর্থিক সাহায্য পেতে হলে কমিশনের নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং জবাবদিহির সংস্কৃতিও গ্রহণ করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে পড়ুয়াদের অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে মডার্ন হাইস্কুল ফর গার্লসের তৎকালীন অধ্যক্ষা দময়ন্তী মুখোপাধ্যায়ও এই একই বিষয় তুলে ধরে বলেছিলেন, স্কুল থেকে পাশ করার পর বহু মেধাবী পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য রাজ্য বা বিদেশে চলে যাচ্ছে (Academic Environment)।

    প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের বক্তব্য

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষও জানান, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বিপুল সংখ্যক স্নাতক স্তরের আসন খালি থেকে যাওয়া এই সমস্যারই প্রমাণ। তাঁর অভিযোগ, অনেক কলেজে নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় ভর্তি হওয়ার পরেও বহু ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে বা অনুপস্থিত থাকছে। অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের সম্পাদক পঙ্কজ রায় বলেন, “শিক্ষকদের আরও আধুনিক এবং আকর্ষণীয় পাঠদানের পদ্ধতি গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আনা যায়।” অনুষ্ঠানে (Academic Environment) অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জুলাই মাসে কলকাতায় পণ্য ও পরিষেবা কর পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিসেবে এই সর্বভারতীয় বৈঠকের আয়োজক হতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নতুন ভাবমূর্তি দেশের সামনে তুলে ধরা যাবে (Student Exodus)। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

LinkedIn
Share