Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    Kalighater Kaku: ভোর রাতে জেল থেকে হাসপাতাল হয়ে নিজাম প্যালেসে ‘কালীঘাটের কাকু’, এবার চলবে জেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হল কালীঘাটের কাকুকে। এবার জেরার জন্য প্রস্তুত সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হেলন এই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। তবে যেহেতু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তাই চিকিৎসকদের যাবতীয় পরামর্শ মেনেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন সুজয় (Kalighater Kaku)

    জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর রাতে নিয়মমতো খাবার এবং ওষুধ খেয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গায়ে কালো রঙের সাল চাপিয়ে হুইল চেয়ারে বসে নিজাম প্যালেসে ঢুকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Kalighater Kaku)। এদিন সকালে ফের একবার তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় নিয়ম মেনে। অপর দিকে কালীঘাটের কাকুকে জেরা করার জন্য নথিপত্র নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআইয়ের অফিসাররা। আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিআই (CBI) হেফাজতে থাকবেন সুজয়। যেহেতু হাতে সময় কম, তাই তড়িঘড়ি করে তদন্তে নেমে পড়েছে তদন্তকারী দল। শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন এবং তথ্য জানার ছিল। এখনও অনেক প্রশ্ন বাকি রয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই সেই প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    সিবিআই কী কী জিজ্ঞাসাবাদ করবে?

    সিবিআই (CBI) অফিসাররা যা জানতে চাইতে পারেন, তা হল, প্রাথমিক মামলায় যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ওই টাকা পৌঁছেছে? মোট কতজন এজেন্ট টাকা তুলেছেন? তাঁদের কারা নিয়োগ করেছেন। কোন কোন জায়গা থেকে টাকা তোলা হয়েছে? তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অযোগ্যদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন এজেন্টরা। আর সেই টাকা পৌঁছে দেওয়া হতো কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) কাছেই। তবে এখনও জানা যায়নি কালীঘাটের কাকুর কাছে যে টাকা আসত তা তিনি কোথায় দিতেন।

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকেই গ্রেফতার করা হয় কালীঘাটের কাকুকে। এরপর এই জেল থেকেই ভার্চুয়াল ভাবে আদলাতে পেশ করা হয়। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁকে জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tarapith Temple: মোবাইল নিয়ে আর তারাপীঠ মন্দিরে ঢোকা যাবে না, চালু একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

    Tarapith Temple: মোবাইল নিয়ে আর তারাপীঠ মন্দিরে ঢোকা যাবে না, চালু একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠ মন্দিরে (Tarapith Temple) মোবাইল নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ করল কর্তৃপক্ষ। এর আগে গর্ভগৃহে নিষিদ্ধ হয়েছিল আগেই। এবার আর তারাপীঠে মা তারার মন্দিরেও মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না দর্শনার্থীরা। মঙ্গলবার পৌষ মাসের প্রথম দিন থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    নতুন নিয়মে কী কী ঠিক হয়েছে? (Tarapith Temple)

    আগেই মন্দির চত্বরে মোবাইল (Tarapith Temple) নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার তা কার্যকর করা হল। সম্প্রতি তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সেবায়েতদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেন বীরভূমের জেলাশাসক। সেই বৈঠকে মন্দিরের ‘নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা বজায়’ রাখতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নয়া নির্দেশ অনুযায়ী, মন্দিরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মোবাইল গেটে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে জমা রেখে ঢুকতে হবে। মন্দির নির্দিষ্ট সময়ে খুলতে এবং বন্ধ করতে হবে। মন্দিরে নির্দিষ্ট সময়ে ভোগ নিবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুজোর জন্য মাত্র দু’টি লাইন রাখা হবে- একটি সাধারণ লাইন, অন্যটি বিশেষ লাইন। সাধারণ লাইন এক ঘণ্টা আগে খোলা হবে। তার পর বিশেষ লাইন চালু হবে। দুপুরে ভোগের জন্য বন্ধ থাকবে প্রায় ১ ঘণ্টার কাছাকাছি। মায়ের চরণ ছুঁয়ে ভক্তরা প্রণাম করতে পারলেও, জড়িয়ে ধরা যাবে না দেবীকে। এছাড়া, পুজোর জন্য যে সমস্ত উপাচার, তা সেবাইতরাই মায়ের পায়ে ছোঁয়াবেন। এ ছাড়াও নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মন্দিরের গর্ভগৃহে গোলাপজল, আলতা দেওয়া যাবে না। যদিও মন্দির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, নতুন নিয়ম কিছু না। যে সমস্ত নিয়ম ছিল, সেগুলি যাতে অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়, সেদিকে কড়া নজর থাকবে এ বার থেকে।

    মন্দির কমিটির সভাপতি কী বললেন?

    এ দিন সকালে মন্দির (Tarapith Temple) চত্বরে বিশাল বোর্ড দেখা গিয়েছে। তাতে লেখা, ‘মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষেধ’। রীতিমতো ব্যাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে এ দিন থেকে। এবার থেকে ভক্তদের মোবাইল ফোন গেটেই জমা রেখে প্রবেশ করতে হবে মন্দিরে। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই নিয়মগুলো আগে থেকেই ছিল। এ দিন থেকে নিয়মগুলি আরও ভালো ভাবে কার্যকরী করার ওপর নজর দেওয়া হবে। তারাপীঠে হাজার হাজার ভক্ত আসেন। তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেটাই দেখছি আমরা। আসলে আমাদের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ ছিল, দীর্ঘক্ষণ ধরে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাই পুজো পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। গর্ভগৃহে ঢুকে মায়ের চরণ স্পর্শ করতে পারবেন। তবে অন্যান্য যা থাকবে সেবাইতরা তা মায়ের চরণে দেবেন। ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই মোবাইল গর্ভগৃহে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ONGC: রাজ্যের অসহযোগিতা, থমকে রানাঘাটের ওএনজিসি-র খনন প্রকল্প, মমতাকে তোপ বিজেপির

    ONGC: রাজ্যের অসহযোগিতা, থমকে রানাঘাটের ওএনজিসি-র খনন প্রকল্প, মমতাকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটে মাটির নীচে রয়েছে জ্বালানির ভান্ডার। কয়েক বছর আগে ওএনজিসির (ONGC) অনুসন্ধানে মিলেছিল খনিজ তেলের এই সন্ধান। কিন্তু এখনও কেন কাজ শুরু হল না প্রশ্ন বিজেপি সাংসদের? রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে কাজ, এমনই দাবি সাংসদের। পাল্টা দাবি তৃণমূল বিধায়কেরও। রানাঘাটে বিপুল পরিমাণ খনিজ তেলের সন্ধান নিয়ে এখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (ONGC)

    গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান চালিয়ে রানাঘাটে খনিজ তেল ও গ্যাসের ভান্ডারের (ONGC) সন্ধান পায় ওএনজিসি। মূলত রানাঘাট এবং ধানতলা থানার অন্তর্গত চাপরা এলাকার একাধিক জমিতে ডেনামাইট ফাটিয়ে পরীক্ষা করতে থাকে প্রাকৃতিক গ্যাস কর্পোরেশন সংস্থার তরফে। যে যেসব জমিতে তারা এই পরীক্ষা চালায় সেই জমির এক মালিক সাধন বিশ্বাস বলেন, আমরা শুনেছি এই এলাকা থেকে অনুসন্ধান চালানোর পর এখানে খনিজ তেলের সন্ধান মিলেছে। আমরাও চাই যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে খনিজ তেল সংগ্রহের কাজ দ্রুত শুরু করুক। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টু রায় এবং নীরাঞ্জন মল্লিকরা বলেন, যদি ভারত সরকারের তরফে দ্রুত এই খনিজ তেল সংগ্রহের কাজ শুরু হয়, তাহলে আমরাও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হব এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

    আরও পড়ুন: মাওবাদী নির্মূল কবে? সময়সীমা বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী কী বললেন?

    সংসদে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত অনুসন্ধানের (ONGC) কাজ যতটা এগিয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ফেলেছে কেন্দ্র। পরিবেশগত এবং অন্যান্য ছাড়পত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। আর সেই ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে এই খনিজ তেল ও গ্যাস উৎপাদনের কাজ।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    অন্যদিকে, রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া সমর্থন করে বলেন, ‘‘আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই কাজ (ONGC) শুরু করার চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যেই সংসদে গোটা বিষয়টি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীকে জানিয়েছি। তিনি বলছেন কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে যথেষ্ট তৎপরতা মিলেছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। আসলে রাজ্যের এই সরকার চায় না দেশের উন্নয়ন হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না গোটা ভারতবর্ষ অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী হয়ে উঠুক। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ, রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রাজ্যের স্বার্থে এবং জেলার কর্মসংস্থানের স্বার্থে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।’’ তবে বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল। এ বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামীর দাবি, সাংসদ এবং বিজেপি যে অসহযোগিতার দাবি করছেন তা পুরোটাই ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শীতের ঝোড়ো ইনিংসের মধ্যে রাজ্যে বৃষ্টির ভ্রুকুটি, কুয়াশার দাপট কোথায় কোথায়?

    Weather Update: শীতের ঝোড়ো ইনিংসের মধ্যে রাজ্যে বৃষ্টির ভ্রুকুটি, কুয়াশার দাপট কোথায় কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত। গত কয়েকদিনে হু হু করে নেমেছিল রাজ্যের তাপমাত্রা। বলা যেতে পারে, একধাক্কায় প্রায় ৫ ডিগ্রির মতো পারদ পতন হয়েছে। শীতের (Winter) ঝোড়ো ইনিংসের মধ্যে রাজ্যে বৃষ্টি নিয়ে বড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। জানা যাচ্ছে, নিম্নচাপের প্রভাবে ফের রাজ্যের তাপমাত্রা বাড়তে চলেছে। আর বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়।

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? (Weather Update)

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে রূপান্তরিত হতে চলেছে। সেই নিম্নচাপ তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগোতে চলেছে। এর জেরে আগামী দু’দিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতে বাড়বে তাপমাত্রা। ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। বুধবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ এবং শনিবার পর্যন্ত তাপমাত্রার পরিবর্তন না-হওয়ার সম্ভাবনা। শুক্র ও শনিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। উত্তরবঙ্গেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা সপ্তাহের শেষে। শুধুমাত্র দার্জিলিং ও কালিম্পং পার্বত্য এলাকাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: মাওবাদী নির্মূল কবে? সময়সীমা বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    কোথায় কোথায় কুয়াশা?

    মঙ্গলবার দিনের আকাশ ভোরে কুয়াশাচ্ছন্ন, বেলায় রৌদ্রোজ্জ্বল থাকার সম্ভাবনা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের (Weather Update) প্রায় সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। এদিকে গতকাল শহর কলকাতার (Weather Update) তাপমাত্রা রবিবারের চেয়ে একটু বৃদ্ধি পেয়েছে। রবিবার মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার যা খানিক বেড়ে দাঁড়ায় ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার থেকে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঘনকুয়াশার সতর্কতা থাকবে বেশ কিছু জেলাতে। আজ ঘনকুয়াশা থাকবে পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলাতে। বুধবার ঘনকুয়াশা সতর্কবার্তা রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে। উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা রয়ছে। মঙ্গলবার ঘনকুয়াশা থাকবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে। বুধবার ঘনকুয়াশার সতর্কবার্তা রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: বিপদ বাড়ল ‘কালীঘাটের কাকু’র! সিবিআই মামলায় আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    CBI: বিপদ বাড়ল ‘কালীঘাটের কাকু’র! সিবিআই মামলায় আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকুর’ আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সম্প্রতি ইডির মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ। এরই মধ্যে সিবিআই (CBI) তাঁকে হেফাজতে নিতে চাইছে। এই অবস্থায় নতুন করে গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান সুজয়কৃষ্ণ। সোমবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের বিচারক জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ।

    সিবিআইয়ের আইনজীবী কী বললেন?(CBI)

    নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ইডি এবং সিবিআই (CBI) উভয় কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছে। প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় ইডিই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। সোমবার নিম্ন আদালতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি হয়েছে। সিবিআইয়ের মামলায় আগে অসুস্থতার কারণে সুজয়কৃষ্ণ আদালতে উপস্থিত না থাকলেও, ইডির মামলায় ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন। জেল হাসপাতালের বিছানা থেকে লাল কম্বল গায়ে, মাথায় মাফলার জড়িয়ে ভার্চুয়াল হাজিরা দেন তিনি। সিবিআইয়ের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে নিম্ন আদালত থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে। যার অর্থ, তাঁকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে তাঁকে যে কোনও মুহূর্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

    কেন সুজয়কৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়া হয়নি? প্রশ্ন বিচারপতির

    বিচারপতি বাগচি জানান, সিবিআই (CBI) গ্রেফতার করলে অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করতে হবে। তা কেন সম্ভব হয়নি, জানতে চান বিচারপতি। গ্রেফতারের জন্য যে আইনি কাজগুলি করা দরকার, সেগুলি করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন তিনি। সিবিআইয়ের আইনজীবীকে বিচারপতির প্রশ্ন, কেন অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়নি। বিচারপতি বাগচির মন্তব্য, যদি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়, তবে জামিন পাওয়ার অধিকার থাকবে। সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, সুজয়কৃষ্ণ হাসপাতালে ছিলেন বলে তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। জেল সুপার তাঁদের জানিয়েছিলেন, অভিযুক্ত সেই অবস্থায় নেই। বর্তমানে যেহেতু প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়ে গিয়েছে এবং অভিযুক্তকে যে কোনও মুহূর্তে হেফাজতে নেওয়া যায়, তাই আগাম জামিনের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। সে ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে জামিনের আবেদন করা প্রয়োজন বলে মত তাঁর।

    সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী কী বললেন?

    সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায় জানান, ওই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট এখনও কার্যকর হয়নি। তাই আগাম জামিনের আবেদন করা যেতেই পারে। হেফাজতে নেওয়ার জন্য শুধু নোটিশ জারি করা হয়েছে। তবে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানান আইনজীবী। তবে শেষ পর্যন্ত ওই আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vijay Diwas 2024: ‘‘পড়শিকে উপেক্ষা করতে পারি না’’, একাত্তরের যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য, মত মুক্তিযোদ্ধাদের

    Vijay Diwas 2024: ‘‘পড়শিকে উপেক্ষা করতে পারি না’’, একাত্তরের যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য, মত মুক্তিযোদ্ধাদের

    সুশান্ত দাস, মাধ্যম: ‘‘পরিবার বদলাতে পারি। ইতিহাস বদলাতে পারি। কিন্তু, পড়শিকে (রাষ্ট্র) উপেক্ষা করতে পারি না। একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান উপেক্ষা করা যায় না। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ভারতীয় সেনা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিল, তা অনস্বীকার্য৷’’ (Vijay Diwas 2024) বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৩তম বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সেনার বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এপার বাংলায় এসে ঠিক এভাবেই দু’দেশের সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কের হয়ে সওয়াল করলেন ওপার বাংলা থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধারা (Bangladeshi Muktijoddhas)। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের গলায় ধরা পড়ল ‘আক্ষেপের সুর’। কারও কারও মতে, বোধ হয় পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষাদানে তাঁদের কোনও খামতি থেকে গিয়েছিল। তাই হয়ত, এই পরিস্থিতির সম্মুখীন বাংলাদেশ। যদিও, এর সঙ্গেই তাঁদের সংযোজন, ‘বাংলাদেশ ভালো আছে।’

    ভারতের জয়ে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ

    প্রতি বারের মতো এ বছরও বিজয় দিবস (Vijay Diwas 2024) পালন করল ভারতীয় সেনা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ভারতীয় সেনার (1971 War Heroes) কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল প্রায় ৯৩ হাজার পাক সেনা। আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল একে নিয়াজি। আত্মসমর্পণের নথিতে স্বাক্ষর করার সময়, নিজের রিভলভারটি ভারতীয় সেনার তৎকালীন পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার হাতে তুলে দেন নিয়াজি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতের এই জয়ের ফলে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ।

    মুক্তিযোদ্ধাদের আসা নিয়ে ছিল সংশয়

    ভারতের সেই ঐতিহাসিক জয় উদযাপন (Vijay Diwas 2024) করতে সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের সদর ফোর্ট উইলিয়ামে (Fort William) বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রতি বছর, এই অনুষ্ঠানে নিয়ম করে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধা (Bangladeshi Muktijoddhas) ও সামরিক অফিসারদের প্রতিনিধিদল কলকাতায় আসেন। তবে, বর্তমানে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের আমলে যে হারে সে দেশে সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে নির্যাতন, নিপীড়ন ও অত্যাচার শুরু হয়েছে, তার বিরূপ প্রভাব পড়েছে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। 

    বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির কূটনীতির জোর!

    এই পরিস্থিতিতে, এ বছর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধিদল ভারতে আসবে কি না, তা নিয়ে ছিল জোর সংশয়। কিন্তু, অবশেষে ওপার বাংলা থেকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ৮ মুক্তিযোদ্ধা সহ ৯ জনের প্রতিনিধিদল। পাশাপাশি, প্রথা মেনে বাংলাদেশেও গিয়েছে ভারতের প্রতিনিধিদলও। অনেকে বলছেন, ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির কূটনীতির জোরেই এটা সম্ভব হয়েছে। ভারতের দৌত্যের জন্যই এদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের (Bangladeshi Muktijoddhas) পাঠাতে এবং বিজয় দিবসের পরম্পরা বজায় রাখতে বাধ্য হয়েছে মহম্মদ ইউনূস প্রশাসন। এদিন, বিজয় স্মারকে (Vijay Diwas 2024) পুষ্পস্তবক দান থেকে শুরু করে সামরিক ট্যাটু— সব অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সেদেশের সেনা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ আমিনুর রহমান। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের পক্ষে শহিদ স্মৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ আমিনুর রহমান।

    ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য

    সেনাবাহিনীর মাঠে আয়োজিত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ-সম্পর্কিত একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। সেদিনকার স্মৃতিবিজড়িত দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন (Vijay Diwas 2024)। পরে ভারতীয় গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন তাঁরা। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ আমিনুর রহমান বলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ভারতীয় সেনা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিল, তা অনস্বীকার্য৷ সেই সময় থেকে ভারতের সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, তা আজীবন থাকবে৷ পৃথিবী যতদিন থাকবে, ততদিন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকবে৷’’

    পড়শিকে উপেক্ষা করতে পারি না…

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর (Bangladeshi Muktijoddhas) কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) কাজী সাজ্জাদ আলি জাহির বলেন, ‘‘ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কে চিড় ধরার কোনও জায়গা নেই৷ কারণ, আমরা পরিবার বদলাতে পারি। ইতিহাস বদলাতে পারি। কিন্তু, পড়শিকে উপেক্ষা করতে পারি না৷ এটাই দুই বাংলার বৈশিষ্ট্য৷ একাত্তরে ভারতীয় সেনার (1971 War Heroes) ভূমিকা কোনওভাবেই ভোলার নয়৷ আমরা সেটা সবসময় স্বীকার করি৷’’ সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে কাজী সাজ্জাদ আলি বলেন, ‘‘ইতিহাসের অনেক পর্যায় রয়েছে। সম্পর্কের উত্থান-পতন দুটোই ঘটে। পঁচাত্তরের নির্মম গণহত্যার পর একটি সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। কিন্তু আমরা তা অতিক্রম করতে পেরেছি। বাংলাদেশে অনেক সমস্যা হয়েছে, ভারতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু তারপরেও আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছি। বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক স্থায়ী এবং ইতিহাসের ভিত্তিতেই তা টিকে থাকবে।’’

    কোনও খামতি থেকে গিয়েছিল…

    আগত মুক্তিযোদ্ধাদের (Bangladeshi Muktijoddhas) অনেকেই যেমন মনে করেন, দু-একজনের মন্তব্য সত্ত্বেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অটুট রয়েছে৷ বর্তমান পরিস্থিতিতেও সম্পর্কে চিড় ধরেনি৷ কাজী সাজ্জাদ আলি বলেন, ‘‘গণতান্ত্রিক দেশে অনেকেই অনেক কিছু বলে। কোনও মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের মাপকাঠি ঠিক করে দেয় না৷’’ তবে, আগত মুক্তিযোদ্ধাদের (Vijay Diwas 2024) কয়েকজনের মুখে ধরা পড়েছে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আক্ষেপের সুর। তাঁদের মতে, বোধ হয় পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষাদানে তাঁদের কোনও খামতি থেকে গিয়েছিল। তাই হয়ত, এই পরিস্থিতির সম্মুখীন বাংলাদেশ। তাঁদের আরও দাবি, হয়তো সঠিক পথে নিজের সন্তানদের পরিচালনা করলে আজ এই দশা দেখতে হত না পদ্মাপাড়ের মানুষকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা (Temperature) বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। কমতে পারে শীতের পারদ। বেশ কিছু জেলায় মেঘলা আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে উত্তরবঙ্গের হাড় কাঁপানো শীতকে (Weather Update) হার মানাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) বেশ কিছু জেলা। এই বছর শীত যে ব্যাপক ভাবে পড়েছে, তা জেলাবাসীরা স্বীকার করে নিয়েছেন। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডার বিরাট প্রকোপ। রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যায় ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৬ ডিগ্রি কম। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।

    তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে

    এদিকে সাগরে নতুন নিম্নচাপ (Weather Update) সৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। আগামী ২৪ ঘন্টায় এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। যদিও এই নিম্নচাপের অভিমুখ থাকছে মূলত তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে। সোম এবং মঙ্গলবার তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পাহাড়ে। এটা হলে আগামী বুধবার থেকে ফের কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা (Temperature) সামান্য বাড়তে শুরু করবে। বঙ্গে এই মুহূর্তে তেমন ভাবে কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর যেন জনসমুদ্র! হিন্দুত্ববোধে জাগরিত বাংলা

    মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বেশকিছু জেলায় চলবে শৈত্য প্রবাহ (Weather Update)

    অপর দিকে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পুরুলিয়ায় (South Bengal) শৈত্যপ্রবাহের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিক বা তার নিচে তাপমাত্রা (Temperature) থাকবে। দুই থেকে অন্তত পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনাও রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বেশকিছু জেলায় শৈত্যপ্রবাহ চলবে। তবে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় শীত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তরে তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হলেও বাংলায় বৃষ্টিপাত তেমন হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhagavad Gita: শিলিগুড়িতে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর যেন জনসমুদ্র! হিন্দুত্ববোধে জাগরিত বাংলা

    Bhagavad Gita: শিলিগুড়িতে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর যেন জনসমুদ্র! হিন্দুত্ববোধে জাগরিত বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকারের আমলে অশান্ত বাংলাদেশ। দিনের পর দিন হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। জোর করে হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করা চলছে। এই আবহের মাঝে রবিবার শিলিগুড়িতে বসল গীতা (Bhagavad Gita) পাঠের আসর। এক বছর আগে ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের পর কওয়াখালি ময়দানে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করল সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।

    কারা অংশ নিলেন গীতা পাঠে? (Bhagavad Gita)

    রবিবার বেলা বারোটায় কাওয়াখালির কুরুক্ষেত্র ময়দানে শুরু হয় লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ। সনাতনী সংস্কৃতি সংসদের আয়োজনে এই গীতা পাঠে (Bhagavad Gita) লক্ষ নয়, তারও বেশি কণ্ঠ সামিল হয়। কাওয়াখালির মাঠ থেকে এশিয়ান হাইওয়েতে মানুষের ঢল নামে সকাল থেকে। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত চলে এই গীতা পাঠ। হাজির হয়ে গীতা পাঠ করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত রায়, রাজু বিস্তা সহ একাধিক বিজেপি বিধায়ক। ছিলেন বহু সাধারণ ও অরাজনৈতিক মানুষ। এই জনসমুদ্রে আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ ছিলেন। উত্তরবঙ্গ বিজেপির গড়। সম্প্রতি সেখানে তৃণমূল দাগ কাটতে শুরু করলেও এখনও শক্তি বেশি বিজেপির। সেই কারণেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন শিলিগুড়িকে (Siliguri)  বেছে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “বৈচিত্র্যের ভারতে বিভেদের বিষ ছড়াচ্ছে কেউ কেউ”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “গীতার বাণী (Bhagavad Gita) একমাত্র সারা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা আনতে পারে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, পথ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, লক্ষ্য সবার এক। সেই লক্ষ্যে সবার চলা উচিত। বিশ্বে শান্তি আসা উচিত। এটা ভাবা উচিত নয়, আমরা এখন ৩৩ শতাংশ রয়েছি, ৬৩ শতাংশ করে সব দখল নেব। হিন্দুদের মন্দির পোড়াব। মূর্তি ভাঙব। এটা ঠিক নয়।” এরপর তিনি আরও বলেন, “একদিকে ফিরহাদ হাকিম হুংকার দিচ্ছেন, তারা ৩৩ শতাংশ হয়ে গিয়েছেন। এরপর সংখ্যাগুরু হবেন। আর মুখে বলেননি, যে তারপর তারা ছালে-চামড়া ছাড়াবেন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর হুংকার দিচ্ছেন তিনি বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন। ওই মুর্শিদাবাদে আমরা তার দ্বিগুণ আকৃতির রাম মন্দির তৈরি করব। হিন্দু সমাজকে গীতার বাণীকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। ভয় ত্যাগ করে যুদ্ধ জয়ের জন্য লড়াই করতে হবে। কুরুক্ষেত্র যেভাবে পান্ডবরা লড়াই করেছিল, সেভাবে হিন্দুদের লড়াই করতে হবে। কেননা এই মুহূর্তে বাংলাদেশ তো বটেই বাংলারও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।”

    সনাতনি ধর্মের আবহে উৎসবের আমেজ

    লক্ষাধিক কণ্ঠে  গীতা (Bhagavad Gita) শ্লোক, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। তৈরি হয় এক পবিত্র আবেগঘন সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতির বাতাবরণ। এদিন সকাল থেকে পাহাড়-সমতল, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মানুষ ভিড় করেন এই কাওয়াখালির মাঠে। চড়া রোদকে উপেক্ষা করে মানুষের শৃঙ্খলাবদ্ধ উপস্থিতি হিন্দুত্ববোধে জাগরিত হয়। চারদিক উৎসবময় হয়ে ওঠে।

    শিলিগুড়িতে কেন এই গীতা পাঠ

    কাওয়াখালির ময়দান ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। বাংলাদেশে হিন্দু ও হিন্দুত্বের ওপর আক্রমণ চলছে। কাওয়াখালি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা সীমান্ত। এদিনের গীতা পাঠ (Bhagavad Gita) সীমান্ত পেরিয়ে ওপারেও ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশকে বার্তা দিতে ও ওপার বাংলার হিন্দুদের মনোবল বাড়াতে এই গীতা পাঠ। উদ্যোক্তাদের তরফে স্বামী নির্গুনানন্দ বলেন, “এদিন সীমান্তের কাছে লক্ষাধিক মানুষ হিন্দু ঐক্য ও শক্তির দৃষ্টান্ত রাখল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধুরা আজ জমায়েত হলেন। এরপরেও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না হলে কোটি কোটি সাধু সীমান্তে জমায়েত করব।”

    বনগাঁয় কেন গীতা পাঠ?

    শিলিগুড়ির পাশাপাশি বনগাঁয় গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়। মূলত, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অবগত সকলেই। সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্বিচারে অত্যাচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। আর বনগাঁ হল বাংলাদেশের পার্শ্বস্ত একটি শহর। সেখানে এই গীতাপাঠ (Bhagavad Gita) ওপারের সংখ্যালঘু হিন্দুদের মনে যে মনোবল বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: ইউপিএসসি’তে শীর্ষে দুই কৃতী বঙ্গসন্তান, সিঞ্চন ও বিল্টুর সাফল্যে গর্বিত গোটা বাংলা

    UPSC: ইউপিএসসি’তে শীর্ষে দুই কৃতী বঙ্গসন্তান, সিঞ্চন ও বিল্টুর সাফল্যে গর্বিত গোটা বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসি (UPSC) ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন আসানসোলের সিঞ্চনস্নিগ্ধ অধিকারী (Sinchan-Biltu)। দ্বিতীয় হয়েছেন আউশগ্রামের বিল্টু মাজি। সকল বাধা এবং প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে সর্বভারতীয়স্তরের পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বাংলার এই দুই সন্তান। পরিবার এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাসের আবহ। বিল্টু বলেন, “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত হাল ছেড় না। স্বামীজির সেই বাণী আমাকে প্রেরণা জুগিয়েছে। অবশেষে সাফল্য পেয়েছি।”

    লক্ষ্যে অবিচল থেকে সাফল্য (UPSC)

    ইউপিএসসি (UPSC) ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল সার্ভিস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে শুক্রবার। সিঞ্চনস্নিগ্ধ অধিকারী এবং বিল্টু মাজি (Sinchan-Biltu) দুজনের মধ্যে একজন রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী। অপর জনের জীবনের আদর্শ হলেন স্বামী বিবেকানন্দ। তবে উভয়েই খুব সামান্য পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। জীবনের লক্ষ্যে অবিচল থেকে সাফল্যকে অর্জন করেছেন। উভয়ের পরিবারের লোকজন ভীষণ খুশি।

    খুব বেশি বেতনে কাজ করতেন না বাবা

    জানা গিয়েছে, সিঞ্চনের বাড়ি আসানসোলে ইসমাইল মাদার টেরিজা সরণিতে। বাবা প্রদীপ অধিকারী আসানসোল মাইনস বোর্ড অফ হেলথের কর্মী। তবে খুব বেশি বেতনে কাজ করতেন না, কোনও রকম নিজেদের সংসার চালান। তবে রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে সিঞ্চন ছোট থেকে খুব মেধাবী ছাত্র ছিলেন। মেডিক্যাল পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক হয়েছিল ১৬৮। ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় সপ্তম হয়েছিলেন। তবে তাঁর পছন্দের বিষয় ছিল স্ট্যাটিস্টিক্‌স। কঠিন পরিশ্রম করে পরীক্ষায় (UPSC) সাফল্য লাভ করেন।

    আরও পড়ুনঃ বিরাট সাফল্য! ২০২৪ বর্ষে চতুর্থ জাতীয় লোক আদালতে ১.৪৫ কোটি মামলার নিস্পত্তিকরণ

    গ্রামীণ ডাকঘরে শাখা পোস্টমাস্টার হিসেবে কাজ করতেন বিল্টু

    অপর দিকে বিল্টু (Sinchan-Biltu) আউসগ্রামের এক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছেন। বাবা পেশায় কৃষক, দুই বিঘা জমি তাঁদের ভরসা। সংসার তাতেই চলে। বাবা জয়দেব মাজিকে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সময় দেনা করতে হয়েছিল। ঋণের জন্য আর্থিক সঙ্গতি আরও খারাপ হয়। বিএসসি পাশের পর থেকে গ্রামীণ ডাকঘরে শাখা পোস্টমাস্টার হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। এখন তিনি বীরভূমের রূপপুরে কাজ করছেন। এই বিভাগে কাজ করতে করতে ইউপিএসসির প্রস্তুতি এবং পরীক্ষায় বসেন। কয়েকবার ধাক্কা খাওয়ার পর ২০২১ সালের ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় বসেছিলেন। তিন নম্বরের জন্য আটকে যান প্রিলিমিনারি পরীক্ষায়। তার পর আর ডব্লিউবিসিএসের জন্য চেষ্টা করেননি। ২০২২ সালে আইএএস পরীক্ষায় বসেন। প্রিলিমিলারিতে পাশ করলেও, মৌখিক পরীক্ষায় আটকে যান। ১৬ নম্বর কম পান তিনি। এর পর ২০২৩ সালে আবারও ওই পরীক্ষায় বসেন। সেই বারও দু’নম্বর কম পান। এরপর ইউপিএসসি (UPSC) ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল সার্ভিস স্ট্যাটিস্টিক্‌স পরীক্ষায় সফল হন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। বহু হিন্দু দেশ ছেড়ে সীমান্তে পেরিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। এই আবহের মাঝে ভারতে মুসলিমকে সংখ্যাগুরু করার ডাক দিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। একটি অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্য ও দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের শতাংশের হিসেব তুলে ধরেন। একইসঙ্গে বলেন, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন সংখ্যাগুরু হবেন সংখ্যালঘুরা। যদিও তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিজেপি (BJP)।

    ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?(Firhad Hakim)

    শনিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ‘ফিরহাদ ৩০’ নামে একটি অনুষ্ঠানে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) বলেন, “বাংলায় আমরা ৩৩ শতাংশ। কিন্তু, দেশে আমরা ১৭ শতাংশ। আমাদের সংখ্যালঘু বলা হয়। কিন্তু, আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু বলে মনে করি না। আমরা মনে করি, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরুর চেয়েও সংখ্যাগুরু হতে পারি। ওপরওয়ালার আশীর্বাদে এটা আমরা হাসিল করব।”

    সরব বিজেপি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যের নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক কারা, এটা আর বলতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গ যাতে পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে।”

    বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট!

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদারও তীব্র নিন্দা করেছেন ফিরহাদের এই মন্তব্যের। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “এটা শুধু ঘৃণা ভাষণ নয়, ভারতে বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট। ইন্ডি জোটের শরিকরা কেন চুপ? ফিরহাদের (Firhad Hakim) এই মন্তব্য নিয়ে তাঁদের মতামত জানানোর চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি।”

    পরিস্থিতি উদ্বেগজনক!

    ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক বললেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য অনুপ্রবেশে উৎসাহ দেবে।”

    নিন্দা করেছে অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য নিয়ে মেরুকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুললেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। কলকাতার মেয়র তথা পুরমন্ত্রীর মন্তব্যের নিন্দা করেছেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির প্রদেশ অধ্যক্ষ পরমাত্মানন্দজী। তিনি বলেন, “কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য। এরকম একটা পদে থেকে এরকম মন্তব্য করা অনুচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share