Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • OBC List in Bengal: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক মুসলিম শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ তকমা! সুপ্রিম কোর্টে ‘স্বীকার’ রাজ্যের

    OBC List in Bengal: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক মুসলিম শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ তকমা! সুপ্রিম কোর্টে ‘স্বীকার’ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্ট ২০১০ সালের পর থেকে পাওয়া রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC List in Bengal) বাতিল করে দিয়েছে। ঘটনাচক্রে, ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। ফলে আদালতের নির্দেশ মূলত কার্যকর হতে চলেছে তৃণমূল আমলে ইস্যু করা ওবিসি শংসাপত্রের উপরেই। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে গিয়েছে রাজ্য। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্য সরকার এ নিয়ে হলফনামা জমা দেয়। সেই হলফনামায় উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি মুসলিম জাতিকে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে! এমনকী, অনেককে তো আবেদনের আগেই অন্তর্ভুক্ত করেছে রাজ্য সরকার! অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসন যে ৭৭টি জাতিকে ওবিসি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এদের মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়।

    জটিল তিন-স্তরের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া 

    সরকার দাবি করেছে যে, ওবিসি তালিকা (OBC List in Bengal) সম্প্রসারণ একটি জটিল তিন-স্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছে, যার মধ্যে দুটি জরিপ এবং অনগ্রসর শ্রেণির কমিশনের একটি শুনানি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাধারণত, ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য প্রথম ধাপে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আবেদন করতে হয়।শ্রেণি, জনসংখ্যা, বসবাসের স্থান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক অবস্থার মতো বিভিন্ন তথ্য দিতে হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে। সেই আবেদনপত্র পাওয়ার পরে সমীক্ষা চালায় কমিশন। 

    জানা গিয়েছে, কিছু মুসলিম গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে, যা সরকারের জটিল কাজের প্রকৃতি বিবেচনায় কার্যত অসম্ভব। হাইকোর্ট জানিয়েছিল, ২০১০ সালের পরে যে সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে, তা যথাযথ আইন মেনে বানানো হয়নি। এর ফলে বাতিল হয়ে গিয়েছে পাঁচ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট, যার অধিকাংশই মুসলিম সম্প্রদায়ের।

    কবে থেকে শুরু

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিমদের ওবিসি সংরক্ষণের (OBC List in Bengal) আওতায় আনা হয়েছিল বামফ্রন্ট জমানায়। এরপর পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আদালত জানিয়েছে, মূলত ‘নির্বাচনি মুনাফার’ জন্য ওই ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি তালিকায় যোগ করা হয়েছিল। যা শুধুমাত্র সংবিধানের লঙ্ঘনই নয়, মুসলিমদের অবমাননাও। ২০০৯ সালের ১৩ নভেম্বর খোট্টা মুসলিম সম্প্রদায় আবেদন করে এবং সেদিনই তারা ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। একইভাবে, ২০২০ সালের ২১ এপ্রিল জমাদার মুসলিম গোষ্ঠী আবেদন করে এবং সেদিনই তাদের ওবিসি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া, গায়েন এবং ভাটিয়া মুসলিম গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও একইভাবে দ্রুত অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে, সাব-ক্যাটাগোরাইজেশন জরিপ এমন গোষ্ঠীগুলোর জন্যও সম্পন্ন হয়েছে, যারা এখনও কমিশনের কাছে আবেদনই করেনি। যেমন, কাজি, কোটাল, হাজারি, লায়েক, খাস এবং কিছু অন্যান্য মুসলিম গোষ্ঠীর জন্য জরিপ ২০১৫ সালের জুনে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তাদের আবেদন অনেক পরে জমা দেওয়া হয়।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    এই বছরের মে মাসে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দ্বারা ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ওবিসি শংসাপত্র (OBC List in Bengal) জারি করা ৭৭টি গোষ্ঠীর শংসাপত্র বাতিল করে। বিচারকরা লক্ষ্য করেন যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০০৬ সালের সাচার কমিটির রিপোর্ট “বিস্তৃতভাবে” ব্যবহার করেছে, যা মুসলিমদের পিছিয়ে থাকার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আদালত এই রিপোর্টের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, অনগ্রসর জাতির তালিকায় নতুন ভাবে কয়েকটি সম্প্রদায়কে অন্তুর্ভুক্ত করা এবং ওবিসি শংসাপত্র জারি করার ক্ষেত্রে অনগ্রসর জাতি সংরক্ষণ আইন মানা হয়নি। নিয়মমাফিক জাতিগত সমীক্ষা হয়নি, খসড়া তালিকা সামনে আসেনি, কোন রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সংরক্ষণ তাও জানানো হয়নি। কেন কয়েকটি শ্রেণিকে ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হল, সে বিষয়েও সঠিক তথ্য পেশ করতে পারেনি রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: ‘শান্তির সেতুবন্ধনই লক্ষ্য ভারতের’, কিয়েভে বার্তা মোদির, আজই জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক

    বিতর্কের পটভূমি

    ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে ২০১০ সালের বাম জমানায় সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। ওই বছর মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর জন্য তখন ক্ষমতায় থাকা বামপন্থীরা ‘ওবিসি-এ’ ক্যাটেগরি তৈরি করেছিল। সে সময় অনগ্রসর জাতি (OBC List in Bengal) কমিশনের তরফে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় ৪২টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ জানানো হয়। এর মধ্যে ৪১টি ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরর সরকার ক্ষমতায় এলে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি ক্যাটেগরি মিলিয়ে আরও ৩৭টি শ্রেণিকে ওই তালিকায় যোগ করে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় ২০১২ সালে। যার মধ্যে ৩৫টি মুসলিম জাতি-গোষ্ঠী। এরাই পরবর্তী সময়ে ভোট রাজনীতির কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন দন্ত চিকিৎসক! দক্ষিণ দিনাজপুরে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বা দু’দিন নয়। টানা ১০ বছর কাজ না করেই বেতন তুলছেন এক দন্ত চিকিৎসক। শুধু তাই নয়, তিনি এক জেলায় সরকারিভাবে নিযুক্ত থাকলেও বেতন তুলছেন অন্য জেলা থেকে। এই খবর জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) চিকিৎসক মহলে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) অধিকাংশ হাসপাতালই চিকিৎসক অভাবে ধুঁকছে। সামান্য কয়েকজন চিকিৎসক নিয়ে হাসপাতালগুলি কোনওরকমে চলছে। এই পরিস্থিতিতে ১০ বছর আগে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে ডিটেইলমেন্ট পোস্টিংয়ে মালদা (Malda) মেডিক্যালে চলে যাওয়া এক চিকিৎসকের কাজ জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টিং হয়েছিলেন মহিলা দন্ত বিশেষজ্ঞ সুস্মিতা মিত্র। কিন্তু, কোনও এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তাঁর ডিটেলমেন্ট পোস্টিং হয়ে যায় মালদা মেডিক্যালে। কুশমন্ডি হাসপাতালের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ হয়েও তিনি ওই পদ ফাঁকা রেখে মালদায় কাজে যোগ দেন। ফলে কুশমন্ডি এলাকার বাদিন্দারা সরকারি হাসপাতালে দাঁতের চিকিৎসা করাতে পারছেন না। পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে কুমারগঞ্জের একমাত্র দন্ত বিশেষজ্ঞ কুশমন্ডি হাসপাতালে সপ্তাহে তিনদিন করে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ কুশমন্ডির দন্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে বেতন তুলছেন মালদা মেডিক্যালে চলে যাওয়া ওই মহিলা চিকিৎসক। বছরের পর বছর তিনি মালদা মেডিক্যাল থেকেই ওয়ার্কিং রিপোর্ট দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অথচ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কাজ না করেই তিনি ১০ বছর ধরে বেতন তুলছেন। ওই চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দুর্ভাগ্যের বিষয়, এতদিনেও বিষয়টি নজরে আসেনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) স্বাস্থ্য দফতরের। তবে, ওই মহিলা চিকিৎসকের ফাঁকা পদে যেমন কাউকে নিয়োগ করা হয়নি, ঠিক তেমনই মালদা মেডিক্যালেও তাঁকে স্থায়ী পোস্টিং দেওয়া হয়নি। ডিটেলমেন্ট পোস্টিং-এর অর্থ বিশেষ প্রয়োজনে। গত দশ বছর ধরে ওইভাবে তিনি ডিউটি করে যাচ্ছেন। কুশমন্ডি বিএমওএইচ অমিত দাস এনিয়ে কিছু বলতে না চাননি। তবে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, আমি কিছুদিন আগেই দায়িত্ব নিয়েছি। আসার পরেই আমার নজরে বিষয়টি এসেছে। তবে এই মুহূর্তে কুমারগঞ্জ হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তার সপ্তাহে তিনদিন ওখানে বসছেন। তবে, আমরা কুশমন্ডি হাসপাতালে শূন্যপদ দেখিয়ে চিকিৎসক চেয়ে স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চাপ বাড়ল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh)। তাঁর আমলে আরজি করের (RG Kar Incident) যাবতীয় আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত ভার সিবিআইকে (CBI) দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। এবার ডেপুটি সুপার আখতার আলির মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে। শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যের তরফে গঠন করা বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর তদন্তের বিষয়টি খারিজ করে দেন (RG Kar-CBI Probe)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে নথি হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে সিটকে। তিন সপ্তাহ পরে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

    ইডি তদন্তের আর্জি নিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ (CBI)

    আরজি করকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। বারবার সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল সরকারকে। এই সময়, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আরও একবার আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। টালা থানায় আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। দু’দিন আগে এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হন আখতার আলি। প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি মৃতদেহ এবং বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, তোলাবাজির অভিযোগ আনেন আখতার। সেই মামলারই শুনানি ছিল শুক্রবার। ইডি তদন্তের আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, একাধিক সংস্থা তদন্ত করলে বিষয়টি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তাই মূল ঘটনার সঙ্গে ওই হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআই (RG Kar-CBI Probe) করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির অভিযোগ, ইএনটি কর্মশালায় বেআইনিভাবে মৃতদেহের ব্যবহার করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। এছাড়াও বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, ল্যাব পরিকাঠামোয় আর্থিক দুর্নীতি, বাজারমূল্যের বেশি দামে অক্সিজেনযন্ত্র কেনার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে (RG Kar-CBI Probe)। কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, ইউজি-পিজি কাউন্সেলিংয়ে বেনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় সিট (SIT) গঠন করে তদন্তভার ন্যস্ত করেছিল রাজ্য। এই সিট নিয়ে বৃহস্পতিবারের শুনানিতেই প্রশ্ন ওঠে। আদালত (Kolkata High Court) জানতে চায়, কেন ১৬ অগাস্ট সিট গঠন হল? কেন ২০২৩ সালের অভিযোগের পরে তা গঠন হল না?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) ‘অভয়া’কে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে সিবিআই-এর হাতে এল চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ফুটেজ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল তার প্রমাণ মিলিছে। এমনকী, ‘অভয়া’র ওপর সে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল বলেও সিবিআই (CBI) কর্তাদের জেরার মুখে সে স্বীকার করেছে। তার আচরণ দেখে সিবিআই কর্তারা হতবাক হয়ে গিয়েছেন। ঘটনার দিন সে রাতে যৌনপল্লিতেও গিয়েছিল। মদও খেয়েছিল। এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী মিলল? (CBI)

    সিবিআই সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অপরাধের কয়েক ঘণ্টা আগে ‘অভয়া’র খুব কাছেই ছিল অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। অপরাধের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ৩৩ বছরের অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার, খুব কাছ থেকে নজর রাখছিল নির্যাতিতার ওপর। সিসিটিভি ফুটেজে ‘অভয়া’র দিকে ভয়ঙ্কর নজরে তাকিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তকে। হামলার আগে, ৮ অগাস্ট মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩১ বছর বয়সি ‘অভয়া’র ওপর শিকারী পশুর মতো নজর রেখেছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজে সিবিআইয়ের (CBI) কাছে তার এই দাবি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, ধৃতকে সে দিন রাতে ১১টা নাগাদ হাসপাতালে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা যায় ভোর ৪টে নাগাদ। হেডফোনের সূত্র ধরে এবং সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    সিবিআই কর্তারা কী বললেন?

    সিবিআই-এর (CBI) জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছে ধৃত অভিযুক্ত। অভিযুক্তের মানসিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্তর মানসিক বিকৃতি রয়েছে, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’ রয়েছে। সে গভীর ভাবে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। সিবিআইয়ের দাবি, সে শুধু পর্নোগ্রাফি নয়, ‘বিকৃত’ পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। তার মানসিক বিকৃতিও রয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। সে যে সমস্ত ভিডিও দেখত, তাতে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক মিলনের চেয়ে বিকৃতি প্রাধান্য পেত। ওই ধরনের ভিডিও দেখতেই সে অভ্যস্ত ছিল। এক সিবিআই কর্তার কথায়, ‘‘লোকটির কোনও অনুতাপ নেই। গোটা ঘটনার কথা প্রতি মুহূর্তের বর্ণনা সে আমাদের জানিয়েছে। ওর কোনও অনুতাপ রয়েছে বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে যে অভিযুক্ত উপস্থিত ছিল, তার একাধিক প্রমাণ মিলেছে।’’ তবে ধৃতের সঙ্গে আরও কেউ সেখানে ছিলেন কি না, গণধর্ষণ হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে খোলসা করেননি ওই কর্তা। অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনার পরীক্ষা করা হয়েছে। তার রিপোর্ট প্রসঙ্গেও উত্তর মেলেনি।

    কর্মবিরতি চলবে

    মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবারও চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে ইতি টেনে কাজে ফেরার আবেদন করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত আরও আশ্বাস দিয়েছে, আন্দোলন করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিকূল ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই আবেদনের পর, দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর ডাক্তাররা তাদের ১১ দিনের ধর্মঘট শেষ করেছেন এবং আবার কাজ শুরু করেছেন। রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আদালতের আশ্বাসে তারা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, কর্মবিরতির পথ থেকে এখনই সরছে না পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠন, জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। তারা জানিয়েছে, তদন্তের (CBI) গতিপ্রকৃতি ইতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি জারি থাকবে তাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    Malda: আরজি করের ‘আবর্জনা’ মালদা হাসপাতালে ফেলা যাবে না, হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এবার মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়ারা নতুন করে আন্দোলনে নামতে চলেছেন। আরজি কর থেকে ট্রান্সফার হওয়া চিকিৎসককে মালদা হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ার দাবিতে সকলে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    মালদা মেডিক্যাল আবর্জনার স্তূপ নয় (Malda)

    জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের পরই তড়িঘড়ি বদল করা হয় আরজি করে (RG Kar Incident) সদ্য দায়িত্ব নেওয়া নয়া প্রিন্সিপ্যাল সহ চার শীর্ষ আধিকারিককে। বদলি করা হয় চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান অরুনাভ দত্ত চৌধুরীকে। তাঁকে বদলি করা হয়েছে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজে। সেই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর থেকেই মালদা মেডিক্যালে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনরত চিকিৎসক পড়ুয়ারা সাফ জানাচ্ছেন, অরুনাভ দত্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসার কারণেই ওনাকে মালদা মেডিক্যালে ট্রান্সফার করা হয়েছে। বিষয়টি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আন্দোলনরত এক চিকিৎসক পড়ুয়া রবি মীনা বলেন, ‘‘আমরা ওনাকে এখানে আসতে দেব না। প্রয়োজনে তালা মেরে দেওয়া হবে। কারণ, মালদা মেডিক্যাল কোনও আবর্জনার স্তূপ নয়। আরজি কর থেকে আবর্জনা তুলে এখানে ফেলে দেওয়া হবে, সেটা আমরা মেনে নেব না।’’ এক মহিলা পড়ুয়া চিকিৎসক সুহানি সাহিল বলেন, ‘‘আরজি করের পরিত্যক্ত অধ্যাপকদের এখানে ফেলে দেওয়া হোক এটা আমরা মানতে পারব না। মালদা মেডিক্যালের পরিবেশ খারাপ হোক আমরা তা চাই না। উনি এখানে এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’ জুনিয়র চিকিৎসক রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, সোহানি সাইতি বলেন, ‘‘ওনার যদি কোনও গাফিলতি না থাকত, তবে ওনাকে ট্রান্সফার করা হত না। বিষয়টিকে ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মালদায় এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।’’

    হাসপাতালের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মালদা (Malda) মেডিক্যালে অরুনাভবাবুকে রুখতে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তাও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এই বিষয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওয়েবসাইটে আমরা দেখেছি। তবে এখনও অর্ডার কপি হাতে পাইনি।’’ এর আগে, সন্দীপ ঘোষকে নিয়েও এক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। রাতারাতি ‘পুরস্কার বদলি’ করে ন্যাশনাল মেডিক্যালে পাঠানো হয় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ  সন্দীপ ঘোষকে। এর পরই, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়। চিকিৎসক-পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছিলেন, সন্দীপকে তাঁরা সেখানে ঢুকতে দেবেন না। এমনকী, অধ্যক্ষের ঘরে তালাও লাগিয়ে দিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি ছিল, ন্যাশনাল মেডিক্যালের পরিবেশ দূষিত হোক, তাঁরা চান না। এবার মালদা মেডিক্যালেও দেখা গেল একই চিত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে পুলিশি বাধা, আজ রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও করবে বিজেপি

    BJP: স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে পুলিশি বাধা, আজ রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করা হয় তাদের নেতা-কর্মীদের। এরই প্রতিবাদে আজ শুক্রবার দুপুর ৩টে থেকে রাজ্য জুড়ে সমস্ত থানার সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। গতকালই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছিলেন, রাজ্য জুড়ে সমস্ত থানার সামনে আন্দোলনের কর্মসূচির কথা। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ‘‘পুলিশের মনে হয়েছিল পরিস্থিতি অশান্ত হবে। আমাদের কর্মীরা ভ‍্যান ভাঙবে, জ্বালাবে। সেই জন‍্য ৩০ মিনিট বসিয়ে রেখেছিল। ওদের পরিকল্পনা সফল হয়নি।’’ প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য ভবন অভিযান শুরু হতেই আটক করা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। সন্ধ্যার আগে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বিরোধী দলনেতার সঙ্গে ছিলেন ৪৫ জন কর্মী। বৃহস্পতিবার থানা থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, পুলিশ বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানায় বিক্ষোভ দেখাবে বিজেপি (BJP)।

    নবান্ন অভিযান রুখতে আদালতে রাজ্য, মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন দাবি শুভেন্দুর (BJP) 

    অন্যদিকে, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের তরফ থেকে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্য় সরকার এই অভিযান রুখতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য সরকারের আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তই বুঝিয়ে দিচ্ছে আরজি কর ইস্যুতে (RG kar Incident) ঠিক কতটা চাপে রয়েছে তারা। এ প্রসঙ্গে মমতা সরকারকে চরম কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বৃহস্পতিবারই  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই আদালতে দ্বারস্থ হয়েছেন। আমাদের ক্লিয়ার স্ট্যান্ড, পতাকা ছাড়া যারা এই ইস্যুতে (RG kar Incident) যে কোনও আন্দোলনে নামবেন তাদের পাশে বিজেপি আছে।’’

    ‘নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলাম, আবার হারাব

    বিগত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি (BJP) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমি দলের কাছে আবেদন করব আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন আমাকে যেন সেই কেন্দ্রেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হয়। নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলাম। আবার হারাব।’’
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম অনুরোধেও অটল, কর্মবিরতি চলবে, জানিয়ে দিলেন চিকিৎসকরা

    RG Kar Incident: সুপ্রিম অনুরোধেও অটল, কর্মবিরতি চলবে, জানিয়ে দিলেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন চিকিৎসকরা যেন কাজে ফেরেন। সেইমতো কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক চিকিৎসক সংগঠন। তবে কর্মবিরতির পথ থেকে সরছে না জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। বাংলার এই চিকিৎসক সংগঠন তদন্তের অগ্রগতি জানা না পর্যন্ত ‘সিজওয়ার্ক’-জারি থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার, সিবিআই দফতরে গিয়ে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইবেন চিকিৎসকরা। এরপরই কর্মবিরতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা

    বাংলার জুনিয়র ডাক্তাররা নিজেদের অবস্থানে অনড়। এখনই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না তাঁরা। বৃহস্পতিবার রাতে জেনারেল বডি বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালেই কর্মবিরতি চলবে। আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) ৩১ বছর বয়সি তরুণী ট্রেনি চিকিৎসকের খুনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করলে তবেই কর্মবিরতি উঠবে। তাঁদের কথায়, সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি এখন‌ও স্পষ্ট নয়। জিজ্ঞাসাবাদের তালিকা দীর্ঘ হলেও নতুন করে কোন‌ও গ্রেফতার নেই। সন্দীপ ঘোষের ভূমিকাও স্পষ্ট নেই। তদন্তের গতিপ্রকৃতি ইতিবাচক না হ‌ওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি জারি থাকবে। তদন্তের গতিধারা নিয়ে কথা বলতেই শুক্রবার সিবিআই দফতরে যাবেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: বিমানে নয়, ১০-ঘণ্টা ট্রেনে চেপে ইউক্রেন যাচ্ছেন মোদি, জানেন এর বিশেষত্ব?

    সুপ্রিম-আর্জি

    সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে চিকিৎসকদের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল যাতে কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হয়। এই আবহে দিল্লির এইমস-এ চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাকি দেশেও আন্দোলনরত চিকিৎসকরা (RG Kar Incident) সেই পথেই হাঁটছেন। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) অনুরোধে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় ফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। দেশের সব হাসপাতালের রেসিডেন্স ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন বা আরডিএ-ও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিন আরডিএ জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, তাদের উপর ভরসা রাখতে, কাজে ফিরতে। সেই ভরসাতেই কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের টানা ৩৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে এদিন শীর্ষ আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। চিকিৎসকদের উপযুক্ত নিরাপত্তা প্রদানের কথাও বলা হয়। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আহ্বান জানায়, চিকিৎসক সংগঠনগুলি যেন তাদের কর্মবিরতি তুলে নেয়। চিকিৎসায় ফেরে। সেই ডাকেই সারা দিয়েছে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে একাধিক সংগঠন। ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র চিকিৎসক সংগঠন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    RG Kar: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। তাঁর ভূমিকা আতসকাচের তলায়। আদৌ সন্দীপ সিবিআইকে সত্যি কথা বলছেন তো? নাকি সুকৌশেলে তাদের বিভ্রান্ত করছেন একদা আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ? এসব জানতেই এবার সন্দীপের পলিগ্রাফ টেস্ট হবে। এমনই অনুমতি দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। তবে সন্দীপের (Sandip Ghosh) পাশাপাশি ঘটনার রাতে নির্যাতিতার সঙ্গে যে চার চিকিৎসক ডিনার করেছিলেন সেমিনার রুমে (RG Kar), তাঁদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। জানা গিয়েছে, আজ, শুক্রবার তাঁদের পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে।

    বৃহস্পতিবার শিয়ালদা আদালতে নিয়ে আসে সিবিআই 

    বৃহস্পতিবারই আরজি করের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ও চার চিকিৎসককে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআইয়ের অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ থেকে শিয়ালদা আদালতে নিয়ে আসে সিবিআই। রুদ্ধদ্বার আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে মুখোমুখি বসানো হয় ওই পাঁচজনকে। এরপরেই সিবিআই-এর তরফে তাঁদের পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়। সন্ধ্যায় সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় একমাত্র ধৃত সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি আগেই পেয়েছে সিবিআই। তবে অভিযুক্তের টেস্ট এখনও করাতে পারেনি সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষ এবং আরজি করের চার চিকিৎসক পড়ুয়ারও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    এই পলিগ্রাফ টেস্ট আসলে (RG Kar) কী?

    পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায় কোনও ব্যক্তি মিথ্যা বলছেন কি না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারও পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি, নাড়ির স্পন্দন তথা গতি, রক্ত চাপ, শরীর থেকে কতটা ঘাম-ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সাধারণভাবে কেউ মিথ্যা কথা বললে তাঁর হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটে। প্রসঙ্গত, আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় অধ্যক্ষর (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার অভিযোগ আগেই এনেছিলেন চিকিৎসক মহলের বড় অংশ এবং নির্যাতিতার পরিবার (RG Kar)। সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে এ ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার তদন্তের আরও অগ্রগতির প্রয়োজনেই পলিগ্রাফ টেস্ট হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মুসলিমদের ওবিসি সংরক্ষণ, শীর্ষ আদালতে রাজ্যের হলফনামা, একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ল

    Supreme Court: মুসলিমদের ওবিসি সংরক্ষণ, শীর্ষ আদালতে রাজ্যের হলফনামা, একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে অধিকাংশ মুসলিম সম্প্রদায়কে ওবিসি কোটায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল মমতা সরকার। তবে এক্ষেত্রে শুধু মমতা সরকারকে দোষ দিলেও ভুল হবে, তার পূর্ববর্তী বামপন্থী সরকারও একই পথে হেঁটেছিল এবং তাদের নীতিকে বহাল রাখার সঙ্গে আরও অনেক নতুন কিছু যোগ করে মমতা সরকার। ৭৭টি জাতিকে ওবিসি কোটায় আনেন মুখ্যমন্ত্রী, ক্ষমতায় আসার পরপরই যার মধ্যে ৭৫টি জাতিই ছিল মুসলিম সম্প্রদায়। ২০১০ সালের ৫ মে থেকে ২০১২ সালের ১১ মে পর্যন্ত এই ৭৭ সম্প্রদায়কে ওবিসি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, রাজ্য সরকারের জমা দেওয়া হলফনামায়। শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) গত ৫ অগাস্ট দেওয়া নির্দেশ মতো মমতা সরকার যে হলফনামা জমা দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেক জাতি ওবিসি কোটার জন্য আবেদন না করলেও তাদের সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া না মেনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক মুসলিম জাতিকে (West Bengal) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ওবিসি কোটায়।

    ধর্মই একমাত্র মাপকাঠি বলে মনে হচ্ছে জানিয়েছিল হাইকোর্ট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রদায়িক তোষণের কারণেই (West Bengal) মমতার এমন সিদ্ধান্ত। অত্যন্ত সুকৌশলে ৭৭টি সম্প্রদায়ের মধ্যে মাত্র ২টি সম্প্রদায়কেই হিন্দু রাখা হয়, যাতে বিতর্ক না ওঠে যে শুধুমাত্র ধর্মীয় মাপকাঠিতেই মুসলিমদের ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু ঝুলি থেকে বিড়াল বের হয়ে পড়ে, চলতি বছরের ২২ মে। ঐদিন কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর থেকে অর্থাৎ তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে, সংখ্যায় গুণতে গেলে যা প্রায় ৫ লাখ। কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের পরিষেবা এবং পদগুলিতে এই ধরনের সংরক্ষণকে বেআইনি বলে জানায়। হাইকোর্ট সেসময় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে। ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘এই সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষেত্রে ধর্মই একমাত্র মাপকাঠি বলে মনে হচ্ছে ।’’

    সুপ্রিম নির্দেশ (Supreme Court)

    হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন করে। তারই শুনানিতে গত ৫ অগাস্ট প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ বলে, এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আদালতের সামনে একটি হলফনামা দাখিল করবে, যাতে ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওবিসি হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ কোন পদ্ধতিতে করা হয়েছে তার ব্যাখা থাকবে। এখানেই ধরা পড়ল অনিয়ম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ

  • BJP: বিজেপি’র স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে তুলকালাম সল্টলেকে, ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেন কর্মীরা

    BJP: বিজেপি’র স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে তুলকালাম সল্টলেকে, ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেন কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান কর্মসূচিতে বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল সল্টলেকে (Salt Lake)। বৃহস্পতিবার দুপুরে হিডকো থেকে বিজেপির (BJP) মিছিল শুরু হয়। গন্তব্য ছিল স্বাস্থ্য ভবন। মিছিলে পা মেলান সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, অগ্নিমিত্রা পল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, দেবশ্রী চৌধুরী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়রা। মিছিল কিছুটা এগোতেই স্বাস্থ্য ভবনের ৪ কিলোমিটার আগেই বিজেপি কর্মীদের পুলিশ বাধা দেয়। ফলে, পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। এরই মাঝে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে একটি প্রিজন ভ্যানে পুলিশ তুলে নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। ওই ভ্যানও আটকে দেন ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, মিছিল নিয়ে এগতে থাকলে অর্জুন সিং সহ বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ কর্মীদের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি হয়। এদিন বিজেপি কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের সামনে পুলিশকে অনেক সময়ই অসহায় মনে হয়েছে। তারা লাঠি উঁচিয়ে বার বার তেড়ে গেলেও একরোখা বিজেপি কর্মীদের মনোবলে এতটুকু চিড় ধরাতে পারেনি।

    শুভেন্দুকে আটক করতেই প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ (BJP)

    পূর্ব ঘোষণা মতো বৃহস্পতিবার দুপুর সওয়া ২টো নাগাদ রাজ্য বিজেপি নেতারা মিছিল নিয়ে রওনা দেন স্বাস্থ্য ভবনের উদ্দেশে। কিন্তু,অনেক আগেই রাস্তার ওপরে ব্যারিকেড তৈরি করে রেখেছিল পুলিশ। উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই বিশাল পুলিশবাহিনীও মোতায়েন ছিল স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার পথে। স্বাস্থ্য ভবন থেকে চার কিলোমিটার দূরেই বিজেপির মিছিল আটকে দিতে চেয়েছিল পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতেই পুলিশ আটকে দেয় করুণাময়ীর আগে ইন্দিরা ভবনের সামনে। কিন্তু একটার পর একটা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় মিছিল। পুলিশের ব্যারিকেড টপকে অনেক বিজেপি কর্মী স্বাস্থ্য ভবনের দিকে যেতে শুরু করেন। পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, বিজেপি কর্মীদের বাধার কাছে পুলিশ পিছু হঠতে বাধ্য হয়।  মিছিল এগিয়ে যেতে থাকে। রাস্তার ওপরে আরও ব্যারিকেড ছিল। সেই সময়েই শুভেন্দু রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রিজন ভ্যানের দিকে এগিয়ে যান। পুলিশ তাঁকে টেনে গাড়িতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ। তাঁকে গাড়িতে তোলার পরেও মিছিল এগোতে থাকে। এর পরে বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে পুলিশ আটক করে। তবে সুকান্ত পতাকা নিয়ে এগিয়ে যান। সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শমীককে তোলার সময়ে সুকান্তকেও গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ। তবে, সেই সময় কর্মীরা ছিনিয়ে নেন সুকান্তকে। ঘটনার পর পরই সুকান্ত বলেন, “বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার একমাত্র সমাধান মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা। আর পুলিশ কমিশনারকে বরখাস্ত করতে হবে। সেই দাবিতেই এই অভিযান। বিচার না-পাওয়া পর্যন্ত পথেই থাকবে বিজেপি।”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    পুলিশকে ধাওয়া

    এদিন মিছিলে রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি হাঁটেন প্রাক্তন সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অর্জুন সিংহেরা। মিছিলে আরজি কর-কাণ্ডে বিচারের দাবিতে বিজেপি কর্মীরা প্রতীকী হাতকড়া, ফাঁসির দড়ি নিয়ে হাঁটেন। পুলিশের গাড়িতে বিরোধী দলনেতা-সহ কয়েক জন উঠে যাওয়ার পরেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অনেক বিজেপি কর্মী পুলিশের ভ্যানের সামনে রাস্তায় বসে পড়েন। তবে খুব কম সময়ের মধ্যে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। এর পরে অর্জুনকে প্রিজন ভ্যানে তুলতে গেলেও পুলিশকে ধাওয়া করে একদল বিজেপি কর্মী।  একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপির মিছিল।

    শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানায় বিক্ষোভ

    মিছিলের সামনে থাকেন সুকান্ত, দিলীপের সঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। ব্যারিকেড ভেঙে স্বাস্থ্য ভবনের দিকে যেতে চাওয়া অনেক কর্মীকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্য দিকে, মিছিল এগোতে থাকে। পুলিশের গাড়িতে উঠেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রেফতার হওয়া কর্মীরা। অনেক বিজেপি কর্মী পুলিশের গাড়ির উপরে উঠেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তবে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিশাল পুলিশবাহিনী থাকায় বিজেপি কর্মীরা ভিতরে ঢুকতে পারেননি। এর পরে সুকান্ত, দিলীপরাও স্বাস্থ্য ভবন থেকে ২০০ মিটার দূরে রাস্তার ওপরে বসে পড়েন। পরে সেখানেই ছোট একটি সভা হয় বিজেপির। বক্তব্য রাখেন দিলীপ ও সুকান্ত। সুকান্ত বলেন, “পুলিশ অনেক বাধা দিলেও স্বাস্থ্য ভবনের প্রবেশ দ্বারে পৌঁছে গিয়ে সফল হয়েছে দলের অভিযান। রাজ্য সরকার এখনও আগুন নিয়ে খেলছে। কিন্তু এটা করে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আন্দোলন আরও তীব্র আকার নেবে। শুক্রবার রাজ্যের সর্বত্র সব থানায় বিক্ষোভ দেখাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share