Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar Rape-Murder: হাসপাতালে ১৪ লক্ষ টাকার সিসিটিভি আদৌ লাগাননি সন্দীপ! ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape-Murder: হাসপাতালে ১৪ লক্ষ টাকার সিসিটিভি আদৌ লাগাননি সন্দীপ! ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হাসপাতালে সিসিটিভি লাগানোর জন্য ১৪ লক্ষ টাকার অর্ডার দেওয়া হলেও সেই সিসিটিভি লাগানোই হয়নি। ঠিক এমনটাই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) অভিযোগ উঠেছে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার মামলায় প্রথম থেকেই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল এই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। তিনি তৃণমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে বেশ প্রভাবশালী ছিলেন। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এমনটাই অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ করেছে।

    ক্যামেরা থাকলে খোঁজ করা যেত (RG Kar Rape-Murder)

    চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে (Supreme Court) স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হয়েছে। আইনজীবী করুণা নন্দী অভিযোগ করে বলেন, “প্রাক্তন অধ্যক্ষ আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হাসপাতালে ১৪ লক্ষ টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা বসাননি। ক্যামেরা থাকলে ঘটনার বিবরণ সম্পর্কে খোঁজখবর করা সম্ভব হত। আমরা পাঁচ চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলকে সামনে এনেছি। তাঁরা সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য দেবেন। একই ভাবে খুন এবং ধর্ষণ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য দেবেন তাঁরা। এই সমস্ত ঘটনার পিছনে প্রাতিষ্ঠানিক সমঝোতা রয়েছে। রাজ্য সরকারের গঠিত সিটের তদন্তে নজর দেওয়া উচিত। কারণ এই সিট তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করছে।”

    আরও পড়ুনঃ অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করে মন জয়ের চেষ্টা

    অবিলম্বে বোর্ড থেকে সন্দীপ ঘোষের নাম মুছে দিতে হবে

    আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশ এখন উত্তাল। সমাজের সকল স্তরের প্রতিবাদীদের দাবি, অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই। এদিকে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ পড়াশুনা করেছিলেন বনগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্কুলে। সেখানে কৃতি ছাত্রদের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। এবার ওই স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা, প্রধান শিক্ষককে চিঠি লিখে বলেন, অবিলম্বে বোর্ড থেকে সন্দীপ ঘোষের নাম মুছে দিতে হবে। এক প্রাক্তনী সৌম্যদীপ সরকার বলেন,“সন্দীপ ঘোষ কোনও না কোনও ভাবে স্কুলের সঙ্গে যুক্ত। আজ তাঁকে রাজ্য পুলিশ ডাকছে, সিবিআই তলব করছে। সেই কারণে আমাদের আর্জি স্কুলের কাছে ওঁর নাম কৃতি ছাত্রদের বোর্ডে যেন না থাকে। বনগাঁ হাইস্কুলের গৌরব নষ্ট করেছেন তিনি।” অপর দিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কুণাল দে বলেছেন, “প্রাক্তন ছাত্ররা একটা আবেদন জমা দিয়েছে। সন্দীপ ঘোষ যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তখন স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্র ও স্কুল পরিচালন সমিতির সঙ্গে বৈঠক করার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী

    RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে এবার থেকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে শীর্ষ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরেই আরজি করে পৌঁছল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল দল। এবার থেকে হাসপাতালের নিরাপত্তার বিষয়টি তারা দেখভাল করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরজি করে থাকবে দুই কোম্পানি বাহিনী (RG Kar Incident)

    সিআইএসএফ জওয়ান সাধারণত মোতায়েন থাকে বিমানবন্দর, খনি এলাকা, বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। সরকারি হাসপাতালে (RG Kar Incident) সিআইএসএফ মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়ে সেখানকার নিরাপত্তার বিষয়টিকেও বিমানবন্দর বা খনি এলাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। জানা গিয়েছে, সাধারণত এক কোম্পানি বাহিনীতে ৮০ থেকে ১২০ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান থাকেন। আরজি করে থাকবে দুই কোম্পানি বাহিনী। অর্থাৎ, থাকবেন এক সুপারিন্টেন্ডেন্ট-সহ প্রায় ১৫১ জওয়ান। আধাসেনার ওই দলে রয়েছেন বহু মহিলা জওয়ানও।

    এদিন দুপুরে আরজি করের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন তাঁরা। পরে, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর কার কোথায় ডিউটি, তা জানিয়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আরজি করের মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য সিআইএসএফ মোতায়েনের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তার পরেই বুধবার সকালে আরজি করে যান সিআইএসএফ-এর কর্তারা। নেতৃত্বে ছিলেন বাহিনীর ডিআইজি কে প্রতাপ সিং। এরপর আরজি কর থেকে লালবাজারে যান তাঁরা। বুধবার রাতে ফের আরজি কর হাসপাতালে গিয়েছিলেন সিআইএসএফ-এর কর্তারা। তখনও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক দফা আলোচনা করেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    প্রসঙ্গত, আরজি করে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। হাসপাতালের মধ্যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিক্ষোভ শুরু হয়েছে দেশের অন্য হাসপাতালগুলিতেও। এর মাঝেই গত ১৪ অগাস্ট রাতে আরজি করে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ভাঙচুর করা হয় জরুরি বিভাগে। ফলে, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা। এর পরেই হাসপাতালে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্টও বাতিল করে দিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার

    Sheikh Hasina: শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্টও বাতিল করে দিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) সমেত তাঁর মন্ত্রিসভার সব সদস্য ও প্রাক্তন সাংসদদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করল অন্তর্বর্তী সরকার। নয়াদিল্লি-ঢাকার সন্ধি অনুযায়ী হাসিনা এবং দেশত্যাগী অন্য আওয়ামি লিগ নেতাদের ভারতে থাকা নিয়ে কি এবার তবে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে? এমন প্রশ্নও উঠছে ইউনূস সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে।

    কূটনৈতিক বা সরকারি পাসপোর্ট থাকলে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক অন্তত ৪৫ দিন কোনও ভিসা ছাড়াই ভারতে থাকতে পারেন 

    প্রসঙ্গত, অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh) গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বোন রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন হাসিনা। উত্তরপ্রদেশের হিন্দন বায়ুসেনার ঘাঁটিতে অবতরণ করে তাঁর বিমান। সেই থেকেই তিনি ভারতে রয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হাসিনার (Sheikh Hasina) কাছে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছিল। প্রসঙ্গত, ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী কূটনৈতিক বা সরকারি পাসপোর্ট থাকলে বাংলাদেশের কোনও নাগরিক অন্তত ৪৫ দিন কোনও ভিসা ছাড়াই ভারতে থাকতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করল। এরফলে পরিস্থিতি কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    হাসিনার (Sheikh Hasina) বোন রেহানা হলেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী

    তবে হাসিনার (Sheikh Hasina) বোন রেহানা হলেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী। এর ফলে ভারতের মাটিতে পা রাখার পর ব্রিটিশ নাগরিকদের যে ভিসা দেওয়া হয়, সেই নিয়মই লাগু হবে রেহানার ক্ষেত্রে। আপাতত তাই যত দিন খুশি, ভারতে থাকতে পারেন রেহানা। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে বিচারের জন্য বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরত পাঠাতে ইতিমধ্যেই ভারতকে হুমকি দিয়েছে খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। নয়া দিল্লি অবশ্য গুরুত্বই দেয়নি এই ঘটনাকে। এবার তবে কি অন্যভাবে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এমন সিদ্ধান্ত নিল অর্ন্তবর্তী সরকার? এমন প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। দেশের স্বরাষ্ট্র ও আইন—এই দুই মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, তাঁকে এখন দেশে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Civic Volunteer: অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করে মন জয়ের চেষ্টা

    Civic Volunteer: অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করে মন জয়ের চেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্য সরকারের মুখ পুড়েছে। নিহত চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteer)। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনা ছাড়াও রাজ্যে একাধিক জেলায় সিভিকদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, শ্লীলতাহানিসহ নানা কুকর্ম করার অভিযোগ ওঠে। ফলে, সিভিকদের ভাবমূর্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহে সিভিকদের বোনাস (Bonus) বৃদ্ধির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মূলত, অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সঙ্গে সিভিকদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

    ক্ষতে প্রলেপ দিতেই বোনাস বৃদ্ধি! (Civic Volunteer)

    প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডে জড়িত থাকার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেফতারের উদ্যোগ না নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দিল সরকার। বিরোধীদের বক্তব্য, সন্দীপকে নিয়ে গোটা দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। আর তাঁকে আড়াল করতেই মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল! ঠিক একইভাবে বোনাস বৃদ্ধি করে সিভিকদের (Civic Volunteer) মন জয় করার মরিয়া চেষ্টা তৃণমূল সরকারের। জানা গিয়েছে, গত বার প্রথম যে নির্দেশিকা জারি হয়েছিল, তাতে কলকাতার সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস ৫ হাজার ৩০০ টাকা থাকলেও জেলার সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রে ছিল ২ হাজার টাকা। এ বার কলকাতার সঙ্গে জেলার সিভিক ভলান্টিয়ার কিংবা গ্রামীণ এলাকার ভিলেজ পুলিশের বোনাসের অঙ্কের কোনও ফারাক রইল না। নবান্নের নির্দেশিকা অনুযায়ী ৫ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস করা হচ্ছে ৬ হাজার টাকা।

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    শুভেন্দুর চাপও আছে

    সিভিকদের বোনাস বৈষম্য নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, “কলকাতার সিভিক ভলান্টিয়ারেরা ৫ হাজার ৩০০ টাকা পান তাতে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু, জেলার সিভিক ভলান্টিয়ারেরা (Civic Volunteer) কেন বঞ্চিত হবেন? কেন তাঁদের কম অর্থ দেওয়া হবে। জেলার প্রতি বিমাতৃসুলভ মনোভাব দেখাচ্ছে রাজ্য।” সিভিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। যদিও তার পরে ক্ষতি প্রলেপ দিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বাস দিয়েছিলেন, কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের মতোই রাজ্যের অন্য জেলায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়াররাও সমান অঙ্কের পুজোর বোনাস পাবেন। অবশেষে সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeep Ghosh: মরদেহ লোপাট থেকে অবৈধ নিয়োগ! আর কী কী অভিযোগ সন্দীপের বিরুদ্ধে?

    Sandeep Ghosh: মরদেহ লোপাট থেকে অবৈধ নিয়োগ! আর কী কী অভিযোগ সন্দীপের বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Issue) মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পর থেকেই সন্দীপ ঘোষের (Sandeep Ghosh) ভূমিকা আতস কাচের তলায়। প্রভাবশালী সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই তাঁকে ডেকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সিবিআই। সন্দীপের বিরুদ্ধে উঠেছে হাসপাতালের মৃতদেহ লোপাট করার মতো মারাত্মক অভিযোগও। মর্গের রেজিস্টার গুম করে দিয়েছেন তিনি, ভেঙেছেন সরকারি নিয়ম, এক বছর আগে এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে নিয়ে এসেছিলেন আরজি কর হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক। পেশাগত অনিয়মের কারণে বরাবরই বিতর্কের মধ্যে থেকেছেন সন্দীপ। অধ্যক্ষ হওয়ার পরে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের গায়ে লাথি মেরে চেম্বারে প্রবেশ করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    স্বজনপোষণ ছাড়াও সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ 

    অধ্যক্ষ থাকাকালীন সন্দীপ ঘোষের (Sandeep Ghosh) বিরুদ্ধে স্বজনপোষণ ছাড়াও সরকারি অর্থ নয়ছয়েরও একাধিক অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, কোভিডের সময় অত্যাধুনিক যন্ত্র কিনেছিল আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হিসেব দেখানো হয়েছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। পরে জানা যায়, ওই যন্ত্রের তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অভিযোগ ওঠে সন্দীপ ঘোষ নাকি টেন্ডারের ক্ষেত্রেও নিজের প্রভাব খাটিয়েছিলেন।

    প্রভাবশালী সন্দীপ (Sandeep Ghosh) করতেন অবৈধ নিয়োগ

    হাসপাতালে ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগের ক্ষেত্রেও সন্দীপের বিরুদ্ধে উঠেছে স্বজনপোষণের অভিযোগ। অবৈধ ভাবে ইন্টার্ন নিয়োগের অভিযোগও শাসক দল ঘনিষ্ঠ এই প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। তবে প্রভাশালী সন্দীপ বদলি হলেও বারবার ফিরে আসেন আরজি করে। অনেকে বলেন, স্বাস্থ্য ভবন তো আসলে সন্দীপেরই সাম্রাজ্য। একবার আরজি কর হাসপাতাল থেকে সরিয়ে তাঁকে পাঠানো হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে, জাদুবলে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি ফের ফিরে আসেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আবার বদলি হন উলুবেড়িয়াতে। সে বার ফিরতে সময় নিয়েছিলেন ২১ দিন। আরজি করে ডাক্তার ছাত্রীর খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় একাধিক অভিযোগ তো উঠেছে সন্দীপের বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের কর্তব্যে গাফিলতি এবং তা আড়াল করার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে প্রভাশালী সন্দীপের বিরুদ্ধে।

    ২০২১ সালেই তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে নোটিশ পাঠায় ক্যাগ

    অন্যদিকে, আরজি কর হাসপাতালে ওষুধ ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও গরমিল ধরা পড়ে। এই অভিযোগে ২০২১ সালেই তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে (Sandeep Ghosh) নোটিশ পাঠায় ক্যাগ। কিন্তু কোনওবারই জবাব দেননি সন্দীপ, এমনটাই অভিযোগ। প্রসঙ্গত, ওষুধ ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে রাজ্যের জিএসটির নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ ছিল ক্যাগের। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে আরজি করে (RG Kar Issue) আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে সন্দীপের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ইডি তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হাসপাতালেরই এক প্রাক্তন পদাধিকারী। বুধবার আবেদন মঞ্জুর করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar) ন্যায় বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য। আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন রাজ্যবাসী। কোনও রকম দলীয় পতাকা বা প্রতীক ছাড়া ‘পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজ’-এর নামে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ‘ব্যক্তিগত’ ভাবে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে মঙ্গলবার শ্যামবাজার মোড়ে বিজেপি পাঁচদিনের জন্য ধর্না-বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে। একই ভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নেমেছিলেন। কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সামাজিক সংগঠনও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছে।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু(RG Kar)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একজন মহিলা চিকিৎসককে (RG Kar) ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে বলেন, “সব পরিবারের পক্ষ থেকে একজন করে এই আন্দোলনে যোগদান করুন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেখানে যাব। তবে এটা কোনও দলের আহ্বান নয়। সকলেই বুঝে গিয়েছেন, সব সমস্যার মাথা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলব, ২৬ তারিখের মধ্যে পদত্যাগ করুন, যাতে ২৭ তারিখে কোনও গুলি চালাতে না হয়।”

    আরও পড়ুনঃ টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    বিক্ষোভ-প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য

    আরজি করের (RG Kar) ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোমবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিল আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার আগেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছিল। এরপর এবিভিপি এবং পুলিশের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে, উভয় পক্ষের মধ্যে চলে সংঘর্ষ। ছাত্রদের দাবি, পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে। এরপর ২০ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই ভাবে মহিলা ডাক্তার খুনের ঘটনায় পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলেজ স্ট্রিটে আন্দোলন হয়েছিল। অপর দিকে গড়িয়াহাটে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল এবং যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-র নেতৃত্বে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ সভা করেছিলেন। ঠিক একই সময়ে আবার হাওড়া ব্রিজে বিজেপির পক্ষ থেকে পথ অবরোধ করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাতে পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এইভাবে দিকে দিকে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে রাজ্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের জঙ্গি আন্দোলনের জের। কার্যত বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইমেল মারফত আচার্য তথা রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর তৃণমূল সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে আর চাকরি করতে চান না তিনি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, রাজ্য ছেড়েই তিনি চলে যাচ্ছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Asansol)

    বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ-এর অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে। ব্যয় হওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কখন, কোথায়, কী কারণে খরচ করা হয়েছে, তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টিএমসিপির জঙ্গি আন্দোলন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করছিলেন উপাচার্য দেবাশিসবাবু। এ নিয়ে তিনি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপালকে। গত ১৬ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, ফের আন্দোলনের মুখে পড়েন। দেবাশিসবাবুর অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতেই সেদিন কয়েক জন বহিরাগত ঢুকে শাসিয়েছিল, আরজি কর বানিয়ে দেব!” ওই বিষয়ে নিয়ে থানায় অভিযোগও করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পদত্যাগ প্রসঙ্গে টিএমসিপি-র পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “উনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, লক্ষ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে তাঁর আমলে। সেই হিসেব না দিয়ে আন্দোলন এড়াতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেলেন!”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    কী বললেন পদত্যাগী উপাচার্য?

    দেবাশিসবাবু বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছিল। তাই ইস্তফাই দিলাম। রাজ্যপাল পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” এই রাজ্যে আর থাকতে চান না বলে জানান পদত্যাগী উপাচার্য। তিনি বলেন, “ভিনরাজ্যে একটি ‘ভালো অফার’ পেয়েছি। সেখানে চলে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: এবার একেবারে স্বাস্থ্য ভবনে, এক রাতের ব্যবধানে আবার বড় আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে!

    RG Kar Incident: এবার একেবারে স্বাস্থ্য ভবনে, এক রাতের ব্যবধানে আবার বড় আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে! আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব দেয় সরকার। তাঁকে কাজে যোগ দিতে বাধা দেন সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা। হাইকোর্ট সন্দীপকে ছুটিতে যেতে নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টেও সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য। চিকিৎসকদের চাপের মুখে পডে ফের সন্দীপকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি বুধবার প্রকাশ করে স্বাস্থ্যভবন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালেই পট পরিবর্তন। মাত্র এক রাতের ব্যবধানে আবার আশ্রয় সন্দীপ ঘোষকে। এবার স্বাস্থ্য ভবনে ‘অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি’ পদ পেলেন তিনি। সেই বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ হয়েছে ইতিমধ্যেই।

    কাদের সরানো হল?

    ছাত্রছাত্রীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরানো হল আরজি করে (RG Kar Incident) সদ্য অধ্যক্ষ পদে আসা সুহৃতা পালকে। সুহৃতার জায়গায় আরজি করের নতুন অধ্যক্ষ হচ্ছেন মানস কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন সুপার হচ্ছেন সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। সুহৃতাকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ করা হয়েছে। আরজি করের এম‌এসভিপি এবং ডিন অব স্টুডেন্টসের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বুলবুল মুখোপাধ্যায়কে। তাঁকে শুধু আরজি করের ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে হিসেবে রাখা হল। এদিকে, চেস্ট মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে বদলি করে পাঠানো হল উত্তরবঙ্গে। মালদা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। এই চেস্ট মেডিসিন বিভাগেরই চিকিৎসক তথা ছাত্রী ছিলেন নির্যাতিতা।

    কেন সরানো হল?

    বুধবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান চালান জুনিয়র ডাক্তাররা। রাস্তায় নামেন হাজারো চিকিৎসক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হেঁটে পৌঁছে যান কয়েক হাজার জুনিয়র ডাক্তার। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। আন্দোলনকারীরা বলেন, যে ১০ দফা দাবি শুরু থেকে জানানো হচ্ছে, তা মেনে নেওয়ার জন্য ১ ঘণ্টা সময় দেওয়া হল। তার মধ্যে সব মেনে নিতে হবে। সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) সহ যাঁরা ঘটনার সময় আরজি করের বিভিন্ন পদে ছিলেন, তাঁদের অপসারণ সহ একগুচ্ছ দাবি জানানো হয়। দিনভর বিক্ষোভের পর অবশেষে রাতে আন্দোলকারীদের দাবি মেনে বদলি করা হয় আরজি করের চার আধিকারিককে। 

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    সন্দীপকে কেন আশ্রয়?

    রাজ্য সরকার আরজি করের (RG Kar Incident) চার আধিকারিককে সরালেও এখনই কর্মবিরতি তোলা হবে না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকেও সরাতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে, উনি যাতে ভবিষ্যতে কোনও প্রশাসনিক কাজে যোগ দিতে না পারেন। এটা যত ক্ষণ না হচ্ছে,কর্মবিরতি চলবে। তবে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের সার্কুলার প্রত্যাহার করা হলেও তাঁকে স্বাস্থ্যভবনে পদ দিল সরকার। কেন বারবার যাঁর আমলে আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে, তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করে তাঁকে উল্টে ‘পুরস্কৃত’ করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসক থেকে গোটা রাজ্য। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল কলকাতা থেকে কাকদ্বীপ, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু। মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী। তখন এই ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বলে বিপাকে পড়েছিলেন বাংলার আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সমাজ মাধ্যমে ট্রোলের শিকার হন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। ওঠে দাদাগিরি বয়কটের ডাক-ও। তারপরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে নিজের ইমেজ বাঁচাতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন সৌরভ। সোশ্যাল সাইটে ডিপি কালো করা থেকে শুরু এবার স্ত্রী ডোনার নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরীর প্রতিবাদ মিছিলেও সামিল সৌরভ। যদিও বৃষ্টির কারণে নাকি মিছিলে হাঁটেননি মহারাজ। মিছিলের পরে কন্যা সানার সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন তিনি।

    প্রতিবাদ মিছিল ডোনার (RG Kar Incident) 

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে বিচার চেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় পথে নামলেন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারের দাবিতে পা মেলালেন কন্যা সানা গঙ্গোপাধ্যায়ও। বুধবার দীক্ষা মঞ্জরীর পদযাত্রায় না থাকলেও মিছিলের পরে সকলের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন সৌরভও (Sourav Ganguly)। নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরী থেকে ছাত্রীদের নিয়ে বেহালা ব্লাইন্ড স্কুল পর্যন্ত পদযাত্রা করেন ডোনা। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই হয় পদযাত্রা। ডোনা বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিবাদ ধর্ষণের বিরুদ্ধে। আমাদের নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’’ সানা বলেন, ‘‘আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে বিচারের দাবিতে। দোষীদের এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে, আর কেউ এ রকম করার কথা ভাবতেও না পারে।’’

    আরও পড়ুন: RG Kar Incident: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    মত পাল্টালেন সৌরভ (Sourav Ganguly)

    অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পারলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। চাপে পড়ে আরজি কর হাসপাতালের মর্মান্তিক কাণ্ডে নিজের মত পাল্টালেন সৌরভ। আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ওপর হওয়া নৃশংসতাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে ব্যাখ্যা করলেও ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন বলতেই সৌরভের উপর মেজাজ হারায় তাঁর ভক্তরা। সমাজ মাধ্যমে ঝড় ওঠে। অনেকে সৌরভের জনপ্রিয় টিভি শো ‘দাদাগিরি’ বয়কটেরও ডাক দেন। তার পরই নিজের মত থেকে সরে গিয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেন মহারাজ। কিন্তু প্রশ্ন নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়েই কি এখন বাধ্য হয়ে প্রতিবাদের ঝান্ডা ধরছেন সৌরভ? নিজের ভাবমূর্তি ঠিক করতেই এক প্রকার বাধ্য হয়ে সামিল হলেন প্রতিবাদ-কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bjp: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে বিজেপি, আজ স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও

    Bjp: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে বিজেপি, আজ স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে বুধবার থেকেই শ্যামবাজারে বিজেপির (Bjp) পাঁচদিনের টানা ধর্না কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ বহস্পতিবার রয়েছে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান। জানা গিয়েছে, অভিযানের উদ্দেশে কর্মীদের জমায়েত হতে বলা হয়েছে দুপুর একটা নাগাদ উল্টোডাঙা হাডকো মোড়ে। স্বাস্থ্য ভবন অভিযানকে ঘিরে যে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটতে চলছে, তার আভাস সুকান্ত মজুমদার আগেই তাঁর বিবৃতিতে দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপির এই অভিযানে বৃহস্পতিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিতে চলেছে সল্টলেক, এমনটাই মনে করছেন কেউ কেউ। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা বিধায়ক দীপক বর্মন মাধ্যমকে ফোনে বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য ভবন হল যাবতীয় দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা। হতে পারে নিহত চিকিৎসক জেনে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য ভবনের (RG Kar Incident) দুর্নীতির কথা, তাই প্রমাণ লোপাটের জন্য তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।’’ দীপকবাবু আরও জানিয়েছেন, কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেই মূলত কর্মীরা আসবেন এই অভিযানে।

    কী বলছেন বিজেপি (Bjp) বিধায়ক অনুপ সাহা?

    অন্যদিকে দুবরাজপুরের বিজেপি (Bjp) বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, ‘‘আরজি কর-কাণ্ডের তথ্য-প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রথমে তারা খুনের ঘটনাকেও অস্বীকার করে। এই কারণে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হয়েছে সারা রাজ্য জুড়ে। আমাদের একটাই দাবি। সেটা হল মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। তিনি পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীও বটে। এই দাবিতে আমরা লাগাতার আন্দোলন করছি। তারই অংশ হল স্বাস্থ্য ভবন অভিযান।’’ এই অভিযানে শুধু বিজেপি কর্মীরাই নন, অনেক সাধারণ মানুষও অংশ অংশগ্রহণ করবেন বলে দাবি অনুপ সাহার।

    আজ দ্বিতীয় দিনে বিজেপির (Bjp) ধর্না কর্মসূচি

    কয়েকদিন আগেই শ্যামবাজারে যেখানে বুধবার থেকে অবস্থান শুরু হচ্ছে সেখানে মঞ্চ বাঁধা হলে পুলিশ তা ভেঙে দেয়। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করেই বিজেপি তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ায় অনড় থাকলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকজনকে পুলিশের পক্ষ থেকে আটক করা হয়েছিল। ‌এরপরই বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকে শ্যামবাজারে‌ ধর্না অবস্থান করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে আদালত মঙ্গলবার শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়। শ্যামবাজার এক নম্বর মেট্রো স্টেশন গেটের সামনে রাজ্য বিজেপির (Bjp) এই ধর্না অবস্থান প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানের সময় ধর্না মঞ্চে কারা থাকবেন? এনিয়ে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন জানান, বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী, প্রতাপ ব্যানার্জীর মতো দলের সিনিয়র নেতারা স্বাস্থ্যভবন অভিযানের সময় ধর্না মঞ্চ সামলাবেন।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share