Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালা বদলের পর হিন্দুদের ওপর অকথ্য অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ব দরবারে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এপার বাংলায় প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর থানার হাতিনগর এলাকার একটি স্কুলের গেটে এই পোস্টার দেখতে পাওয়া যায়। এরকম ২টি পোস্টার পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহর জুড়ে। কে বা কারা এই ধরণের পোস্টার সাঁটল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    উদ্ধার হওয়া একটি পোস্টারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পোস্টারের ওপরে লেখা ‘পাকিস্তান (Pakistan) জিন্দাবাদ’। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়। ওদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন মহিলারা। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টার লাগিয়েছে কেউ বা কারা। তবে, কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারেনি কেউ। তদন্তে নেমে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। রাজ্য সরকারের ওপর ভরসা নেই। তাই মুর্শিদাবাদকে (Murshidabad) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক বা বিএসএফ অথবা কেন্দ্রীয় কোনও বাহিনীর ওপর নিরাপত্তার ভার দেওয়া হোক। তবে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিধায়ক বিজেপির গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, “এই ধরনের কাজ যাঁরা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত। রাজ্যজুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন চুপ করে রয়েছে। এখানে আইনের শাসন নেই।” প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “কিছু শক্তি মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ঘটনার পর এর প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বাংলাদেশে অনেক ভারত বিরোধী শক্তি, সাম্প্রদায়িক শক্তি, মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। সেখানে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে।” এই নিয়ে বহরমপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “এই ঘটনা কোনওভাবেই অভিপ্রেত নয়। আমরা জেলা পুলিশকে জানিয়েছি। দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ‘‘টাকা নয়, বিচার চাই’’, মমতা সরকারের আর্থিক সাহায্য ফিরিয়ে দিলেন নির্যাতিতার বাবা

    RG Kar Case: ‘‘টাকা নয়, বিচার চাই’’, মমতা সরকারের আর্থিক সাহায্য ফিরিয়ে দিলেন নির্যাতিতার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতার (RG Kar Case) পরিবারকে ইতিমধ্যে আর্থিক সাহায্য দিতে চেয়েছিল মমতা সরকার। সরকারের সেই সাহায্য ফিরিয়ে দিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘আগে মেয়ের বিচার চাই। মেয়ের জীবনের বিনিময়ে টাকা নিলে মেয়েটা খুবই দুঃখ পাবে। মুখ্যমন্ত্রীকে (West Bengal Government) বলেছি, বিচার পেলে তখন নিশ্চয়ই নবান্নে গিয়ে টাকা নিয়ে আসব।’’

    পরিবারের বয়ান রেকর্ড করল সিবিআই (RG Kar Case)

    আরজি কর (RG Kar Case) কাণ্ডে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই আবহে তদন্তকারী অফিসাররা নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথাও বলেছেন। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার টানা বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে নিহত চিকিৎসকের পরিবারের বয়ান রেকর্ড করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। লিখিতভাবেও তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তবে সিবিআইয়ের সঙ্গে তাঁদের কী কথা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও কিছু বলতে চাননি মৃতা চিকিৎসকের বাবা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘এটা আইনত উচিত নয়, সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে কী কথা হয়েছে তা প্রকাশ্যে আনা। এই মামলার সঙ্গে জড়িত কোনও প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দিতে পারব না।’’

    সিবিআইয়ের আশ্বাস  

    সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের (RG Kar Case) তরফ থেকে নিহত চিকিৎসকের পরিবারকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে ঘটনায় যুক্ত অপরাধীদের কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ঘটনার পরে ময়নাতদন্ত ছাড়া ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে যে তত্ত্ব প্রচার করা হয়েছিল, তাও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের কাছে জানিয়েছে ওই পরিবার। প্রসঙ্গত, নির্যাতিতার বাবা-মা প্রথম থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কারণ তাঁদের আশঙ্কা ছিল, পুলিশি তদন্ত (West Bengal Government) ঠিকভাবে এগোচ্ছে না। তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে।

    প্রতিবাদে ভরসা পাচ্ছেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    নৃশংসভাবে এমন ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে যেভাবে সারাদেশ এবং বিদেশের মানুষও রাস্তায় নেমেছেন, তাতে ভরসা পাচ্ছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। এই ব্যাপারে নিহত ছাত্রীর বাবা-মা বলেন, ‘‘এত লক্ষ লক্ষ ভারতবাসী, এমনকী বিদেশেও মানুষ যেভাবে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন, তাতে তাঁদেরকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা। সবাইকে আমার নিজের ছেলেমেয়ের মতো মনে করছি। ভরসাও পাচ্ছি এভাবে পাশে থাকার জন্য।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা হলে ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআর! নির্দেশ কেন্দ্রের

    RG Kar Incident: কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা হলে ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআর! নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তাল গোটা দেশ। এরই মধ্যে এবার চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার হিংসার ঘটনা ঘটলে ছয় ঘণ্টার মধ্যে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Health Ministry)।

    কী জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক? (RG Kar Incident) 

    ১৬ অগাস্ট শুক্রবার, দেশের সবকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে একটি মেমো পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Health Ministry)। চিকিৎসক কিংবা কোনও স্বাস্থ্য কর্মীর ওপর হামলা কিংবা হিংসার খবর পাওয়া গেলে ছয় ঘণ্টার মধ্যে তা নিয়ে এফআইআর দায়ের করতে হবে কর্তপক্ষকে। এমনটাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়, “সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে কর্তব্যরত থাকাকালীন হেনস্থা বা মারধরের শিকার হয়েছেন। অনেক সময় গালিগালাজ বা মৌখিক হেনস্থার মুখেও পড়তে হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ঘটনায় জড়িত থাকে রোগী বা রোগীর পরিবার।” তাই এবার থেকে এমন কোনও ঘটনা ঘটলে অভিযোগ জানানোর দায়িত্ব নিতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই। 

    আগে কী ঘটেছিল? (RG Kar Incident) 

    আরজি করের চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ১৪ অগাস্ট রাতে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচি পালনের সময় আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতী। তছনছ করা হয় হাসপাতালের একাধিক বিভাগ। আক্রান্ত হন হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী। এই ঘটনার পরই এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    নিরাপত্তার দাবিতে পথে নেমেছে ডাক্তাররা

    অন্যদিকে, আরজি করের ঘটনার (RG Kar Incident) পর স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিরাপত্তার দাবিতে এবার পথে নেমেছে ডাক্তাররা। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য কড়া পদক্ষেপের দাবি উঠছে বারবার। দিল্লি এইমস, সফদরজং হাসপাতাল, রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। প্রতিবাদে যোগ দিয়েছে চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)। আইএমএ জানিয়েছে, শনিবার ১৭ অগাস্ট সকাল ৬টা থেকে রবিবার ১৮ অগাস্ট সকাল ৬টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। এই ২৪ ঘণ্টা দেশের চিকিৎসকেরা, শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পরিষেবা ছাড়া আর কোনও পরিষেবা দেবেন না। বিবৃতিতে চিকিৎসক সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, ‘সমস্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে।’ অর্থাৎ আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া এই ২৪ ঘণ্টায় সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিৎসকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    CBI: তলবেও মেলেনি সাড়া! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে রাস্তা থেকে তুলল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের মূল পাণ্ডা নাকি প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ! তাঁর শাস্তির দাবিতে বার বার সরব হয়েছেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায়নি। আদালতের নির্দেশে এই মামলায় তদন্ত শুরু করে সিবিআই। তলব করার পরও সিবিআইয়ের (CBI) ডাকে সাড়া দেননি আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। শাসক দলের ওপরতলার হাত মাথায় রয়েছে ভেবে সব কিছুকেই তিনি ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে চাইছিলেন। আশা করেছিলেন সিবিআই তার টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারবে না। তাঁর সব আশাতে জল ঢেলে দিল সিবিআই। শুক্রবার দুপুরে রাস্তা থেকে প্রাক্তন অধ্যক্ষকে তুলে নিয়ে গেল সিবিআই। বিষয়টি প্রকাশ্যে সিবিআইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (CBI)

    সূত্রের খবর, সন্দীপ ঘোষ এদিন দুপুরে স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিলেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে ছিলেন বলে খবর। সেখান থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই (CBI)। এর আগে কলকাতা পুলিশ, সিবিআই উভয়ই ডেকেছিল। কারও ডাকেই সাড়া দেননি। উল্টে বলেন, নিরাপত্তার কারণে তিনি যেতে পারেননি। এরপর থেকে সন্দীপের বাড়ির সামনে সাদা উর্দিধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। এবার সিবিআই তাঁকে নিয়ে গেল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সিবিআই আরজি করের প্রাক্তন সুপারসহ তিনজন চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে। টালা থানার ওসির কাছে থেকে নথি সংগ্রহ করে সিবিআই। এবার প্রাক্তন অধ্যক্ষকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই।

    কেন মাঝরাস্তা থেকে পাকড়াও সন্দীপ ঘোষ?

    প্রসঙ্গত, সন্দীপ সেই ব্যক্তি, যাঁর বিরুদ্ধে মৃতদেহ লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে নিয়ে এসেছিলেন আরজিকর হাসপাতালেরই এক চিকিৎসক। সন্দীপ ঘোষ এদিনই হাইকোর্টে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়িতে বিক্ষোভ চলছে। তাই সিবিআইয়ের সমন পেয়েও হাজিরা দিতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে খবর, এরপরই সিবিআই আধিকারিকরা সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সল্টলেকের একটি জায়গা থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিয়ে সিবিআই দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে, এভাবে মাঝরাস্তা থেকে সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে যাওয়া হল কেন? তাহলে কি সিবিআই কোনওভাবে মনে করছে, এই মামলায় আরজি করের  (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষের বয়ান তাৎপর্যপূর্ণ?

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

    শুক্রবারই সন্দীপ পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। উচ্চ আদালতের কাছে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে আদালত জানিয়ে দেয় সোমবার আবার আবেদন করতে। জানা গিয়েছে, আরজি করে চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পর পরই অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সন্দীপ। তবে তার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করা হয়। যদিও সেখানে বিক্ষোভ শুরু হয় সন্দীপের বিরুদ্ধে। তিনি ওই হাসপাতালে যাওয়ার আগে অধ্যক্ষের ঘরে তালা দেন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়ারা। ঘটনাক্রমে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে চলে যান সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: বিজেপির ধর্নায় উত্তেজনা, মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ! আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দলের

    RG Kar Incident: বিজেপির ধর্নায় উত্তেজনা, মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ! আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী ডাক্তার খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে বিজেপির ধর্না কর্মসূচি ঘিরে তুমুল উত্তেজনা শ্যামবাজারে। ১৪ আগস্ট রাতে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন-প্রতিবাদের মাঝেই হামলা চলে আরজি করে। ভাঙচুর চলে হাসপাতালের একাধিক জায়গায়। সেই হামলার প্রতিবাদে এবং আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় (RG Kar Incident) বিচার চেয়ে ধর্না কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। এদিন শ্যামবাজারে ধর্নায় বসার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের নেতা-নেত্রীদের। কিন্তু শুক্রবার সকাল হতেই অভিযোগ ওঠে অবস্থান মঞ্চ ভেঙে দেওয়ার। পরে একে একে বিজেপির নেতা-নেত্রীরা হাজির হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করতেই নতুন করে বাড়ে উত্তেজনা। পুলিশ আটকাতে গেলে, রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP Workers) 

    এদিন ১১টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত পথ অবরোধের পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। স্থির হয়েছিল আরজি কর হাসপাতালের অদূরে শ্যামবাজার ১ নম্বর মেট্রো স্টেশনের কাছে ধর্নামঞ্চ বেঁধে প্রতিবাদ চলবে। মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে গতকালই মঞ্চ বেঁধেছিল গেরুয়া শিবির। শুক্রবার ওই ধর্নামঞ্চে অবস্থানে বসার কথা ছিল রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। মঞ্চ বাঁধার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তবে বিজেপি যুব মোর্চার দাবি, ভোর পাঁচটাতেও ধর্নামঞ্চে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, সকাল ১০টা নাগাদ তাঁরা গিয়ে দেখেন ধর্নামঞ্চ উধাও। এ ঘটনায় গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পুলিশই মঞ্চ খুলে নিয়ে গিয়েছে। যদিও পুলিশের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। 

    বিজেপি নেতা-নেত্রীকে চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    এই ঘটনার পরে ওই জায়গাতেই ফের মঞ্চ বাঁধার তোড়জোড় শুরু করে বিজেপি। জানা গিয়েছে, সেই সময়ই বিজেপি নেতা-কর্মীদের (BJP Workers) বাধা দেয় পুলিশ। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। পরে হাজির হন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও। পুলিশ তাদের আটকাতে গেলে, রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি নেতা উমেশ রায় সহ একাধিক নেতা-নেত্রীকে কার্যত চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় র‌্যাফ। কাঁদানে গ্যাস নিয়েও হাজির হয় পুলিশ। ফলে সব মিলিয়ে তৈরি হয় চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। 

    আরও পড়ুন: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার (RG Kar Incident) 

    এ ঘটনা প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পল সহ বিজেপি নেতা-কর্মীদের (BJP Workers) অভিযোগ, রাজ্য সরকার আরজি কর-কাণ্ডে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে, আর যাঁরা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের গায়ের জোরে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর পরেই অগ্নিমিত্রা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘বুধবার রাতে আরজি করে হামলার ঘটনায় পুলিশের কোনও ভূমিকা দেখা যায়নি, অথচ বিজেপির ধর্নায় কেন এত তৎপর পুলিশ?’’ একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্রভাবশালীর আত্মীয় আরজি করের ঘটনায় যুক্ত। কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ প্রশাসন কারও ওপর আমাদের ভরসা নেই।” এরপরেই পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, ‘‘আমরা আদালতে যাচ্ছি..।’’
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    RG Kar Incident: পোস্ট ডিলিটের ‘হুমকি’! নেটিজেনদের নোটিশ পাঠাল কলকাতা পুলিশ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) রাজ্যজুড়ে আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। বুধবার রাতে রাস্তায় নেমেছিলেন মহিলারা। শনিবার দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে আইএমএ। আর লাগাতার এই আন্দোলনে চরম ব্যাকফুটে শাসকদল তৃণমূল। আন্দোলনেও সামিল হয়েছে নেটিজেনরা। সমাজ মাধ্যমে আরজি করকে সামনে রেখে একের পর এক জ্বালাময়ী পোস্ট তৃণমূলের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে। তাই, নেটিজেনদের মুখ বন্ধ করতে আসরে নেমেছে মমতার পুলিশ (Kolkata Police)। এমনিতেই রাজধানীর বুকে ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনার পর থেকে তথ্য লোপাট করতেই ব্যস্ত ছিল পুলিশ। যতদিন পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে ছিল মূল অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্টে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে করা পোস্ট ডিলিট করতে তারা বাড়ি বাড়ি ছুটছে। এমনই অভিযোগ নেটিজেনদের। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

    লেখক শেফালি বৈদ্যকে হুমকি চিঠি পুলিশের! 

    বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) সাইবার ক্রাইম বিভাগের তরফে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘পোস্ট ডিলিট করে দিন। আর ভবিষ্যতে এরকম কাজ থেকে বিরত থাকবেন। সেটা মেনে না চললে আইনের নির্দিষ্ট ধারার আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে (RG Kar Incident)। এমন কয়েকজনকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যাঁরা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছিলেন। লেখক শেফালি বৈদ্য অভিযোগ করেন, ‘‘আমার বাকস্বাধীনতার অধিকার প্রয়োগ করে স্রেফ কয়েকটি প্রশ্ন করার জন্য কলকাতা পুলিশের থেকে হুমকি (Kolkata Police) দেওয়া চিঠি পেলাম। কলকাতা পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর যে দমিয়ে দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, সেটার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এটা।’’

    দুষ্কর্মের টাকার যেত তৃণমূল নেতাদের পকেটে!

    সেইসঙ্গে তিনি জানান, পুলিশের নির্দেশে ‘ভয়’ পেয়ে পোস্ট মুছে দিচ্ছেন না। বরং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) এবং হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে যা হয়েছে, তারপর নিজের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পোস্ট মুছে দিচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি। দেবায়ন সেন নামে এক ব্যক্তিকে নোটিশ পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ। যে পোস্টটি ডিলিট করতে বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাতে দেবায়নবাবু লিখেছেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়নি, নিহত চিকিৎসক আরজি কর মেডিক্যালে ড্রাগ, যৌন, ওষুধ ও অঙ্গ পাচার চক্রের ব্যাপারে জেনে ফেলেছিলেন। যাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ সমর্থন ছিল। এই সব দুষ্কর্মের টাকার একাংশ তৃণমূল নেতাদের পকেটে যেত। এখন সঞ্জয় রায়কে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    কী বললেন সুকান্ত?

    সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট (RG Kar Incident) ডিলিট করতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) নির্দেশ নিয়ে সরব হয়েছেন নোটিশ প্রাপকরা। শুক্রবার এক পোস্টে সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘‘নোটিশ পাঠিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে তৃণমূলের পুলিশ। যারা সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন তাঁদের প্রতি: আমরা তৃণমূলের পুলিশের হুমকিতে ভয় পাই না। আমরা লক্ষ্যে অবিচল অটল দৃঢ়তায় ন্যায়ের লক্ষ্যে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। বাক স্বাধীনতা হরণ করতে কলকাতা পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে যাক।’’ সুকান্তবাবু তাঁর পোস্টে ৩ জনকে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার পাঠানো নোটিশ প্রকাশ করেছেন। সাইবার ক্রাইম থানার ডেপুটি কমিশনারের তরফে নোটিশগুলি প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্ট ডিলিট না করলে তা ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ গণ্য হবে বলে পুলিশের তরফে হুমকি দেওয়া হয়েছে (RG Kar Incident)।

    To everyone demanding justice for #BengalDoctor :

    We will not be intimidated by TMC police. Our resolve remains unshaken. We will continue to fight for justice with unwavering determination.

    Let TMC police issue notices in an attempt to stifle free speech. pic.twitter.com/6MgYO1YiGx

    আক্রমণ শানিয়েছেন অমিত মালব্য

    এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন, ‘‘সাধারণ নাগরিকদের ভয় দেখানোর পরিবর্তে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্তে (RG Kar Incident) যদি মনোনিবেশ করত কলকাতা পুলিশ, তাহলে কাজে দিত। কলকাতা পুলিশ এবং তাদের মধ্যরাতের ছলচাতুরি কোনওদিন শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে না। রাত ১ টা ৩৭ মিনিটে লোকজনকে পোস্ট ডিলিট করতে বলছে। হাস্যকর।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে হামলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ, সন্দীপকে কড়া ধমক হাইকোর্টের

    RG Kar Incident: আরজি করে হামলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ, সন্দীপকে কড়া ধমক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Incident) নিরাপদ নয়, এটা বন্ধ করে রোগীদের অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া ভালো, এমনই অভিমত হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল রাজ্য পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দিলেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম৷ পরবর্তী শুনানিতে হলফনামা দিয়ে তাদের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে বলেছেন তিনি৷ আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি৷

    পুলিশকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় যখন ফুঁসছে গোটা দেশ, তারই মধ্যে বুধবার রাতে হামলা। ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে আরজি করের ইমার্জেন্সি বিভাগ। ভেঙে দেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের মঞ্চ। পুলিশ কার্যত দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেই অভিযোগ। সেই ঘটনার পর এবার কড়া পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের। এই ঘটনায় শুক্রবার একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময়, রাজ্য তথা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কার্যত বিরক্ত প্রকাশ করলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা কোথায়?

    এদিন শুনানির শুরু থেকেই প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা কোথায়? এভাবে কি আদৌ হাসপাতাল চালানো সম্ভব। এদিন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলে দেন, আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিন্দনীয়। তিনি বলেন, “হাসপাতাল বন্ধ করে দিন, আমরা রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করতে বলছি৷” এদিন  আদালত প্রশ্ন তুলেছে, ১০০ জন লোক জড় হলেও পুলিশের কাছে খবর থাকা জরুরি, তাহলে ৭০০০ লোকের উপস্থিতি কেন বোঝা গেল না? পুলিশের ইনটেলিজেন্সের কাছে কোনও খবর ছিল না ? এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দু-সুকান্তর, চিঠি গেল শাহ-মন্ত্রকে

    সন্দীপ ঘোষকে ধমক

    শুক্রবার পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এদিনই দ্রুত শুনানি চেয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) আবেদনও জানান সন্দীপবাবু। সেই শুনানি চলাকালীন অধ্যক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “সবটাই আমাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ। আপনি চিন্তা করবেন না। আপনি খুবই ক্ষমতাশালী। আপনি আমাদের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করছেন। বাড়িতে শান্তিতে থাকুন। না হলে বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেব।”

    “রাজ্যের গালে থাপ্পড়”

    বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ এই পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে বলেন, “আদালত জানে যে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতাল বন্ধ করা যাবে না, কিন্তু পরিস্থিতি বিচার করেই এ কথা বলেছেন প্রধান বিচারপতি। এটা রাজ্যের গালে থাপ্পড় বলতে পারেন। আমরা রাজ্যের কাছে আর কিছু আশা করছি না। মানুষ এবার এই সরকার পরিবর্তন করুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দু-সুকান্তর, চিঠি গেল শাহ-মন্ত্রকে

    RG Kar Incident: আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দু-সুকান্তর, চিঠি গেল শাহ-মন্ত্রকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত আরজিকর (RG Kar Incident)। পড়ুয়া চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল বাংলা। বিচারের দাবিতে সরব আমজনতা। চিকিৎসকদের আন্দোলনের অভিমুখ ঘোরাতে তৎপর রাজ্য সরকার। চলছে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা, এমনই দাবি বিরোধীদের। বুধবার মধ্যরাতে একদল দুষ্কৃতীর তাণ্ডবের শিকার হয়েছেন আরজি করের আন্দোলনকারী ডাক্তারি পড়ুয়া এবং জুনিয়র চিকিৎসকরা। ওই ঘটনায় এবার আরজিকরের সামনে অবিলম্বে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ।

    চিঠিতে কী বলেছেন শুভেন্দু

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, আরজি করে (RG Kar Incident) ডাক্তারি ছাত্রীকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার বাকি তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে বুধবার মধ্যরাতে হামলার ঘটনা ঘটে। এই মর্মেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিবকে আরজি কর-এ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখলেন শুভেন্দু। পাশাপাশি ফের যাতে নথি নষ্ট না করা হয় সে ব্যাপারে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকেও চিঠি লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট করে শুভেন্দু নিজেই এখবর জানান। টুইটে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘পুলিশ এবং তৃণমূলের মদতেই আরজি করে অপরাধীদের বাড়বাড়ন্ত। ডাক্তারি ছাত্রীকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশ আগেই তথ্যপ্রমাণ লোপাটে উঠে পড়ে লেগেছিল। যেটকু তথ্যপ্রমাণ অবশিষ্ট ছিল, তা নষ্ট করতে বুধবার রাতে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা হয়েছে।’’

    কেন আবেদন

    আরজি করে (RG Kar Incident) মধ্যরাতে হামলার ঘটনায় বাংলায় সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। সুকান্ত বলেন, ‘‘রাজ্য পুলিশ যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে তাহলে সেনাকে ডাকতে হবে!’’ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, হামলার সময় পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে টয়লেটে লুকিয়ে ছিল! দুষ্কৃতীরা ফের হামলার হুমকি দিয়ে গিয়েছে। তাই আরজি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IMA: আরজি কর কাণ্ডের জের, শনিবার দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিল আইএমএ

    IMA: আরজি কর কাণ্ডের জের, শনিবার দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিল আইএমএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনায় লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। হাসপাতালে কর্মবিরতিও চলছে। বুধবার রাতে রাজ্যের মহিলারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সরব হয়েছেন চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ। এবার এই প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিল ডাক্তারদের সর্বভারতীয় সংগঠন, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ (IMA) । ২৪ ঘণ্টার জন্য ধর্মঘটের ডাক দিল তারা।

    কী জানাল আইএমএ? (IMA)

    বুধবার আরজি করের নিহত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি থেকে বাংলায় আসেন কেন্দ্রীয় চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ-র (IMA) সভাপতি আর ভি অশোকান এবং সর্বভারতীয় সম্পাদক। বুধবার রাতে আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আপৎকালীন বৈঠকে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। এক বিবৃতিতে ডাক্তারদের সংগঠনটি বলেছে, ‘‘শনিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশজুড়ে কর্মবিরতি ঘোষণা করল আইএমএ। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া ওই ২৪ ঘণ্টা অন্য সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিৎসকরা। সমস্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে। হতাহতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু ওপিডি-র নিয়মিত কাজকর্ম হবে না এবং ইলেকটিভ সার্জারি (যেগুলি পরে করলেও অসুবিধা নেই) করা হবে না। যেখানে যেখানে আধুনিক মেডিসিনের ডাক্তাররা পরিষেবা দেন, সেই সকল সেক্টরে পরিষেবা প্রত্যাহার করা হবে।’’ ডাক্তারদের ন্যায়সঙ্গত কারণের সঙ্গে গোটা দেশের সহানুভূতি চাইছে আইএমএ।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    দেশজুড়ে কর্মবিরতি

    বুধবার রাতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মধ্যে লুকিয়েই একদল দুষ্কৃতী আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, ‘ফেডারেশন অব রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন’ বা ‘ফোরডা’ও বৃহস্পতিবার থেকে ফের ধর্মঘট শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে, ১৩ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পরে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ডাক্তারদের এই সংগঠন। এদিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ফোরডা বলেছে, ‘‘এরপর থেকে যে যে ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে বুধবার রাতের হিংসা, তা আমাদের সবাইকে হতবাক ও ব্যথিত করেছে। এটা আমাদের পেশার এক অন্ধকার অধ্যায়। একটি সমিতি হিসেবে, আমরা আমাদের সহকর্মী আবাসিক চিকিৎসকদের সঙ্গে আমাদের পূর্ণ সংহতি জানাচ্ছি।’’ খুনের ঘটনায় ফের দেশজুড়ে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত রেসিডেন্ট ডাক্তারদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানায় আবাসিক চিকিৎসকদের সর্বভারতীয় সংগঠন ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (ফোরডা)। এবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিল দেশের মধ্যে চিকিৎসকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) (IMA)।

    প্রতিবাদে যাদবপুরের অধ্যাপকরা

    অন্যদিকে, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে এবার পথে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা। শুক্রবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা কর্মবিরতির ডাক দিলেন। দুপুর একটা থেকে তিনটে অরবিন্দ ভবনে অবস্থান- বিক্ষোভ। আর পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাত দিন! কিন্তু একের পর এক প্রশ্ন উঠছেই! আর বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে‌ কলেজ কর্তৃপক্ষ! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক বার উঠে আসছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল, সেই প্রশ্ন! জুনিয়র চিকিৎসক, বিশেষত ইন্টার্ন এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের একাংশের অভিযোগ, নানান অবৈধ লেনদেনে অংশ নিতে না চাওয়ার জেরেই এই পরিণতি (Punishment) ঘটতে পারে! বিশেষত, হাউজস্টাফ এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের রেজাল্ট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে যে ধরনের দুর্নীতি হয়, তা নিয়ে নির্যাতিতা একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর নানান সময়ে বচসাও হয়েছিল। এমনটাই জানাচ্ছে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ।

    কী অভিযোগ আরজি কর হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের? (RG Kar)

    নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই একাধিক অভিযোগ নিয়ে সামনে এসেছে আরজি কর হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। ওই হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি কিংবা এমএস কোর্সে থিসিস খুব জরুরি। চিকিৎসক-পড়ুয়া পাশ করবেন‌ কিনা, তার অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর থিসিসের ওপরেই। আর এই থিসিস হাসপাতালে করতে হয়। দরকার হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সই।‌ বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাহায্য ছাড়া এই ধরনের থিসিসের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয় না। আর এখানেই চলে নানান দুর্নীতি। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ ও হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক কার্যত একটি চক্র চালাতেন। বাড়তি অর্থ দাবি করতেন। সেই অর্থ দিলে তবেই স্নাতকোত্তর পড়ুয়ার থিসিসে সই হবে। শুধু স্নাতকোত্তর পড়ুয়া নয়, হাউজস্টাফ এবং ইন্টার্নদের থেকেও অর্থ দাবি করা হত। দাবি মতো অর্থ না দিলে এমবিবিএস কোর্সের ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠছে।

    কেন সমস্যা হয়েছিল?

    জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্যাতিতা এই অসাধু লেনদেনে নারাজ ছিলেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলেজের (RG Kar) একাধিক বেআইনি কাজ নিয়ে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পাশপাশি, থিসিসে সই পেতে বাড়তি অর্থ দেওয়ায় তিনি অসম্মত হয়েছিলেন। এই নিয়ে বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গেও তাঁর মতান্তর হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের এই অনৈতিক লেনদেন তিনি মানতে নারাজ ছিলেন। আর তার জেরেই শাসক দলের একাংশের তাঁর প্রতি রাগ ছিল। এমনই অভিযোগ করছে ওই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে চিকিৎসক মহল? (RG Kar)

    রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে,‌ আরজি কর হাসপাতালের এই দুর্নীতি কোনও ব্যতিক্রম নয়। রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এই অসাধু চক্র চলছে। প্রশাসন সব কিছু জানার পরেও অধিকাংশ সময়েই কোনও পদক্ষেপ করে না। এমবিবিএস কোর্সে কে ইন্টার্ন হওয়ার সুযোগ পাবে, কোন‌ বিভাগে‌ কে হাউজস্টাফ হিসেবে কাজ করবে কিংবা স্নাতকোত্তর কোর্সে থিসিসে সই কিংবা নম্বর কতখানি‌ দেওয়া হবে, সব কিছু মেধার দ্বারা নির্ধারিত হচ্ছে না। বরং, এই সব কিছুর জন্য নির্দিষ্ট ‘দাম’ নির্ধারণ করা হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর পরেও অনেক সময়েই কাজ হচ্ছে না। বরং যাঁরা অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রাপ্য হচ্ছে ‘শাস্তি’ (Punishment)। অনেক সময়েই রাজ্যের স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বহু পড়ুয়া মাঝপথেই পড়া ছেড়ে দিচ্ছেন। পাড়ি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share