Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    RG Kar: থিসিসে সই পেতে হলে দিতে হবে ‘বাড়তি’ মূল্য! রাজি ছিলেন না নির্যাতিতা, তাই কি ‘শাস্তি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাত দিন! কিন্তু একের পর এক প্রশ্ন উঠছেই! আর বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে‌ কলেজ কর্তৃপক্ষ! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক বার উঠে আসছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল, সেই প্রশ্ন! জুনিয়র চিকিৎসক, বিশেষত ইন্টার্ন এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের একাংশের অভিযোগ, নানান অবৈধ লেনদেনে অংশ নিতে না চাওয়ার জেরেই এই পরিণতি (Punishment) ঘটতে পারে! বিশেষত, হাউজস্টাফ এবং স্নাতকোত্তর ট্রেনিদের রেজাল্ট এবং সার্টিফিকেট দেওয়া নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে যে ধরনের দুর্নীতি হয়, তা নিয়ে নির্যাতিতা একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর নানান সময়ে বচসাও হয়েছিল। এমনটাই জানাচ্ছে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ।

    কী অভিযোগ আরজি কর হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের? (RG Kar)

    নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই একাধিক অভিযোগ নিয়ে সামনে এসেছে আরজি কর হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। ওই হাসপাতালের স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমডি কিংবা এমএস কোর্সে থিসিস খুব জরুরি। চিকিৎসক-পড়ুয়া পাশ করবেন‌ কিনা, তার অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর থিসিসের ওপরেই। আর এই থিসিস হাসপাতালে করতে হয়। দরকার হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সই।‌ বিভাগীয় প্রধান ও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাহায্য ছাড়া এই ধরনের থিসিসের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয় না। আর এখানেই চলে নানান দুর্নীতি। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের সদ্য প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ ও হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক কার্যত একটি চক্র চালাতেন। বাড়তি অর্থ দাবি করতেন। সেই অর্থ দিলে তবেই স্নাতকোত্তর পড়ুয়ার থিসিসে সই হবে। শুধু স্নাতকোত্তর পড়ুয়া নয়, হাউজস্টাফ এবং ইন্টার্নদের থেকেও অর্থ দাবি করা হত। দাবি মতো অর্থ না দিলে এমবিবিএস কোর্সের ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠছে।

    কেন সমস্যা হয়েছিল?

    জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্যাতিতা এই অসাধু লেনদেনে নারাজ ছিলেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলেজের (RG Kar) একাধিক বেআইনি কাজ নিয়ে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পাশপাশি, থিসিসে সই পেতে বাড়তি অর্থ দেওয়ায় তিনি অসম্মত হয়েছিলেন। এই নিয়ে বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গেও তাঁর মতান্তর হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের এই অনৈতিক লেনদেন তিনি মানতে নারাজ ছিলেন। আর তার জেরেই শাসক দলের একাংশের তাঁর প্রতি রাগ ছিল। এমনই অভিযোগ করছে ওই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে চিকিৎসক মহল? (RG Kar)

    রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে,‌ আরজি কর হাসপাতালের এই দুর্নীতি কোনও ব্যতিক্রম নয়। রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এই অসাধু চক্র চলছে। প্রশাসন সব কিছু জানার পরেও অধিকাংশ সময়েই কোনও পদক্ষেপ করে না। এমবিবিএস কোর্সে কে ইন্টার্ন হওয়ার সুযোগ পাবে, কোন‌ বিভাগে‌ কে হাউজস্টাফ হিসেবে কাজ করবে কিংবা স্নাতকোত্তর কোর্সে থিসিসে সই কিংবা নম্বর কতখানি‌ দেওয়া হবে, সব কিছু মেধার দ্বারা নির্ধারিত হচ্ছে না। বরং, এই সব কিছুর জন্য নির্দিষ্ট ‘দাম’ নির্ধারণ করা হচ্ছে। অভিযোগ জানানোর পরেও অনেক সময়েই কাজ হচ্ছে না। বরং যাঁরা অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রাপ্য হচ্ছে ‘শাস্তি’ (Punishment)। অনেক সময়েই রাজ্যের স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বহু পড়ুয়া মাঝপথেই পড়া ছেড়ে দিচ্ছেন। পাড়ি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন কবিগুরু, প্রকাশ্যে সেই পাণ্ডুলিপি

    Rabindranath Tagore: জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন কবিগুরু, প্রকাশ্যে সেই পাণ্ডুলিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন-গণ-মন’ ইংরেজিতেও লেখা হয়েছিল। আর সেটা লিখেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) স্বয়ং। এই তথ্য অনেকের কাছেই হয়তো অজানা। বৃহস্পতিবার ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সঙ্গীতের একটি পাণ্ডুলিপির ছবি পোস্ট করল নোবেল পুরস্কার কমিটি। পাণ্ডুলিপিটি ইংরেজি ভাষায়। শিরোনাম ‘দ্য মর্নিং সং অফ ইন্ডিয়া’। অর্থাৎ ‘ভারতের প্রভাতী’। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, ওই ইংরেজি পাণ্ডুলিপি আদতে ‘জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটিরই ইংরেজি তর্জমা।

    গানটির ইংরেজিতে অনুবাদ হয় অন্ধ্রপ্রদেশে (Rabindranath Tagore)

    রবীন্দ্র গবেষকেরাই জানাচ্ছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মদনপল্লিতে বিশ্বকবির বন্ধু আইরিশ ভাষার কবি জেমস এইচ কাজিন্স থাকতেন। তিনি ছিলেন সেখানকার বেসান্ত থিওজফিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ। তাঁর আমন্ত্রণে কবি সেখানে গিয়েছিলেন। কবিগুরু (Rabindranath Tagore) তাঁকে গানটি বাংলায় গেয়ে শোনান। পরে, তাঁর অতিথি হয়ে থাকাকালীনই গানটির ইংরেজি অনুবাদও করেন। কবিগুরুর হস্তাক্ষরে সেই অনুবাদ এখনও ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখা আছে মদনপল্লির ওই কলেজের গ্রন্থাগারে। নোবেল কমিটি ভারতের স্বাধীনতা দিবসে তারই ছবি প্রকাশ করেছে। তারা লিখেছে, “জনগণমন হল ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। যা প্রথমে বাংলায় লিখেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যাঁকে ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল।”

     

    style=”text-align: justify;”> 

    ‘জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটি প্রথম কবে গাওয়া হয়?

    জানা গিয়েছে,’জন-গণ-মন অধিনায়ক’ গানটি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয় ১৯৫০ সালে। রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) মৃত্যুর ন’বছর পরে। তবে, গানটি প্রথম গাওয়া হয় ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর। কলকাতায় জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম বার্ষিক অধিবেশনে। সমবেত কণ্ঠে গাওয়া ওই গানটির পরিচালনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের বড় দাদার পৌত্র দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার পরের দিন ‘দ্য বেঙ্গলি’ পত্রিকায় ওই অধিবেশনের খবরের পাশাপাশি গানটির ইংরেজি অনুবাদও প্রকাশিত হয়।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    নেটিজেনরা কী বললেন?

    ইংরেজিতে লেখা এই কপি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন- আমরা সবাই ছোটবেলায় জাতীয় সঙ্গীত মুখস্ত করে রেখেছিলাম এবং আজ পর্যন্ত আমরা তা ভুলতে পারিনি, এটা গুরুদেবের (Rabindranath Tagore) লেখার জাদু মাত্র। তৃতীয় ব্যবহারকারী লিখেছেন, যে আমি একজন ভারতীয় এবং আমি গর্বিত যে আমি সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো একজন মহান ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    RG Kar Incident: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে ঠিক এক সপ্তাহ আগে জানা গিয়েছিল অসহনীয় নির্যাতনের কথা। অকালে ঝড়ে গিয়েছিল একটি ফুল। খোদ কলকাতার বুকে এক সরকারি হসাপাতালে লালসার শিকার হয়েছিলেন এক চিকিৎসক ছাত্রী। এরপর থেকেই উত্তপ্ত আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Incident)। আন্দোলন-বিক্ষোভে অশান্ত হাসপাতাল চত্বর। তবে, স্বাধীনতা দিবসের রাতে আরজি করে হামলার ঘটনা আরও কিছু প্রশ্ন তুলে দিল। হাজার হাজার লোক ব্যারিকেড উল্টে ঢুকে পড়ল হাসপাতালে। আতঙ্কে দৌড়ে প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসক, কর্মী, পুলিশ থেকে সাংবাদিকরা। কোথায় নিরাপত্তা, কোথায় প্রশাসন? পুলিশ নিজেই লুকোল রোগীর চাদরের তলায়। নার্স বাঁচল বাথরুমে ঢুকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হামলার জন্য আন্দোলকারীদের দিকে আঙুল তুলছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যে আন্দোলনে নিজের ইচ্ছায় পথে নেমেছিল বঙ্গবাসী, সেই আন্দোলনকে কেন কালিমালিপ্ত করবেন প্রতিবাদীরা? 

    কেন হামলা

    মেয়েদের চিৎকার করার আহ্বান জানিয়ে ওই রাতে পথে নামে নামে লক্ষ মহিলা। যে বিক্ষোভ শহর-রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মোবাইলে টর্চ জ্বালিয়ে, কোথাও মোমবাতি জ্বালিয়ে আবার কোথাও মশাল জ্বালিয়ে বিচারের দাবি জানান মহিলারা। সেই মিছিলে ছিল না রাজনৈতিক পতাকা। ছিল স্বতঃস্ফূর্ত জনজোয়ার। রাত ১২টা বাজতেই স্বাধীনতা দিবসে সমবেতভাবে জাতীয় সঙ্গীতে গলা মেলান প্রতিবাদী মহিলারা। তারই মধ্যে আন্দোলনের অভিমুখ ঘোরাতে হামলা আরজি করে (RG Kar Incident)। হঠাতই অহিংস প্রতিবাদকারীরা কেন হিংসা ছড়াবেন? কেন ভাঙবেন আন্দোলন মঞ্চ? আসল উদ্দেশ্য অন্য? শাসক দলের একাংশের মদতেই কি এই হামলা? এমনই প্রশ্ন ঘুরছে রাজ্যের সর্বত্র। চিকিৎসকদের আন্দোলনকে ধামাচাপা দিতে, বিচারের দাবিতে পথে নামা মানুষদের কলুষিত করতেই এই হামলা, অভিমত রাজ্যবাসীর।

    হুমকির পর হুমকি

    বৃহস্পতিবার, রাতে হামলা নিয়ে ভয়াবহ অভিযোগ আনলেন আরজি করের এসএনসিইউ বিভাগের এক নার্স। ওই নার্স জানান, প্রায় শ’দুয়েক লোক এসে হামলা করেছিল। সকলেই প্রায় মাস্ক পরা। তারা বলে, ‘‘আজকে দেখে গেলাম, কাল ধর্ষণ করে যাব। মা-বোন-বাচ্চা কাউকে ছাড়ব না।’’ এই ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আরজি করের নার্সরা। তাঁদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে। হাসপাতালের ওই নার্স স্বাধীনতা দিবসের রাতে আরজি করে ডিউটিতে ছিলেন। ওই নার্স বলেন, ‘‘এখনও আমরা পরিষেবা চালিয়ে যাচ্ছি, কর্তপক্ষকে সময় দিচ্ছি, নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। সেই ভরসা লিখিতভাবে পেলে তবেই নাইট ডিউটিতে আসার কথা ভাবব। এই হুমকির মুখে কাজ করা সম্ভব নয়। কালকে পুলিশের যে রূপ দেখেছি, আমরা একেবারেই ভরসা পাচ্ছি না কাজ করার। ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ে ছিলাম আমি। আমাকে ও আমাদের অনেক কর্মীকে হুমকি দেওয়া হয়।’’

    নিরাপদ নয় আরজি কর

    ভাঙচুর নিয়ে ওই নার্স বলেন, ‘‘আমরা নিজেরা চোখে দেখেছি, এমার্জেন্সি পুরো ভেঙেচুরে শেষ করে দিয়েছে। তার পরে ওপরে উঠছিল ওরা, ইএনটি বিভাগ পর্যন্ত উঠতে পারে, সেখানেও ভাঙচুর করে। চেস্ট ডিপার্টমেন্ট অবধি যাওয়ার চেষ্টা করছিল, পারেনি। ওদের যারা আটকেছিল তারা কেউ পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী নয়। ডাক্তার, ছাত্ররাই আটকেছিল।’’ বাড়ি ফিরে গিয়েছেন আরজি করের নার্সিংয়ের এক ছাত্রী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের বাসিন্দা ওই নার্সিং পড়ুয়া বুধবার রাতের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি ফিরে যান বৃহস্পতিবার সকালেই। সন্ধ্যায় দাসপুরে একটি প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয়ে ওই নার্সিং ছাত্রী বলেন, ‘‘আরজি করের এমনই অবস্থা যে নিরাপদ বোধ করতে পারছিলাম না ওখানে। ওপেন থ্রেট দেওয়া হচ্ছে। তারপর আর কীভাবে থাকব।’’

    আরও পড়ুন: সিবিআই দফতরে আরজি করের প্রাক্তন সুপার, নথি নিয়ে হাজির টালা থানার ওসিও

    অসহায় পুলিশ

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় রাজ্য তথা কলকাতা পুলিশকে (Mob Attack in RG Kar) কোন জায়গায় নামিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তারও প্রমাণ মিলল এই রাতে। সম্মানের উর্দি পরেও চরম অপমানের শিকার পুলিশ। নিরাপত্তা দেওয়া তো দূর ভয়ে পালিয়ে গেল মমতার পুলিশ। ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন ওই নার্সিং ছাত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘পুলিশ নিরাপত্তা দেবে কী! ওরা নিজেদের বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। পুলিশ পেশেন্টের চাদরের ভিতরে লুকিয়ে ছিল। সকালে আবার ৫০০ টাকা দিয়েও গিয়েছে পেশেন্ট পার্টিকে।’’ কীভাবে প্রাণে বাঁচলেন, সে কথা বলতে গিয়ে ওই ছাত্রী বলেন, ‘‘বাথরুমের মধ্যে লুকিয়ে ছিলাম আমরা। আমাদের দরজা ধাক্কা দিয়ে দুষ্কৃতীরা হুমকি দিতে থাকে। আমাদের কোনও নিরাপত্তা ছিল না।’’ গতকাল রাতে শুধু হাসপাতালের ভিতরে নয়, বাইরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। একাধিক পুলিশের গাড়িতে, হাসপাতালের বাইরের পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা করা হয়। একাধিকজন পুলিশ কর্মীও এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে খবর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। নামানো হয় ব়্যাফও।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সিবিআই দফতরে আরজি করের প্রাক্তন সুপার, নথি নিয়ে হাজির টালা থানার ওসিও

    CBI: সিবিআই দফতরে আরজি করের প্রাক্তন সুপার, নথি নিয়ে হাজির টালা থানার ওসিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে (CBI) দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার আগে তদন্ত করছিল পুলিশ। এরপরই আদালতের নির্দেশ পেতেই তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নামল সিবিআই। তিনজনকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের একটি দল নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

    কাদের তলব করা হল (CBI)

    আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের পদত্যাগী এমএসভিপি সঞ্জয় বশিষ্ঠকে তলব করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, সঞ্জয় বশিষ্ঠ ছাড়াও তালিকায় রয়েছেন দুজন চিকিৎসক। তাঁরা হলেন চেস্ট বিভাগের প্রধান অরুণাভ দত্ত চৌধুরী ও ফরেন্সিক বিভাগের চিকিৎসক এবং ময়নাতদন্তের সঙ্গে যুক্ত মলি বন্দ্যোপাধ্যায়। সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনজনেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছেন। সিবিআই দফতরে পৌঁছেছেন টালা থানার অফিসার ইন-চার্জ। তদন্তের কিছু নথি কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দিতে গিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালের বেশ কয়েক জন আধিকারিককে বৃহস্পতিবার তলব করেছিল সিবিআই। ডাকা হয়েছিল কয়েক জন চিকিৎসক-পড়ুয়াকেও। তলব অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁরা হাজির হয়েছেন। সূত্রের খবর, মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সম্বন্ধে তাঁরা কে কী জানেন, কী ভাবে ঘটনার খবর পেলেন, ঘটনার দিন কে কোথায় ছিলেন, সেই সংক্রান্ত বয়ান রেকর্ড করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ফরেন্সিক বিভাগের অধ্যাপক সিবিআই তলব প্রসঙ্গে বলেন, আমাকে ডাকা হয়েছিল। তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। যা যা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: একটানা ৯৮ মিনিট! স্বাধীনতা দিবসের দীর্ঘতম ভাষণ দিয়ে রেকর্ড গড়লেন মোদি

    ২০ সদস্যের সিবিআই টিম

    গত মঙ্গলবারই টালা থানা থেকে ঘটনার এফআইআরের সার্টিফায়েড কপি নেন সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকেরা। এরপর রাতেই দায়ের হয় এফআইআর। বুধবার সকালেই দিল্লি থেকে কলকাতায় চলে আসে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল। সঙ্গে মেডিক্যাল ও ফরেন্সিক টিম। সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রাইকে। তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হয়। জানা গিয়েছে, আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে ২০ সদস্যের একটি সিবিআই দল কাজ করবে। জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছে এই টিমে। রয়েছেন ডিআইজি পদ মর্যাদার অফিসারও।

    সিবিআই প্রসঙ্গে নিহত পরিবারের সদস্য কী বললেন?

    নিহত চিকিৎসকের পরিবারের এক সদস্য বলেন, সিবিআই আধিকারিকরা আমাদের যা জিজ্ঞাসা করেছেন, তা আমরা জানিয়েছি। এই তদন্তের ভার সিবিআই নেওয়ায় আমরা খুশি। আমরা চাই, দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    প্রসঙ্গত, সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘তিলোত্তমা’ কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে খবর, দিল্লি এসি (AC-1) শাখায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ‘তিলোত্তমাকে’ ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে একটি দল গঠন করে সিবিআই। সেখানে রয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ, ডাক্তার ও তদন্তকারী আধিকারিকরা। তদন্তের মূল দায়িত্বে রয়েছেন দিল্লির অফিসাররা। সাহায্য করবে কলকাতার স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এবার এক মহিলা অফিসারকে তদন্তকারী অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছে সিবিআই। তিনি একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার অফিসার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Protest Rally: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবারের কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    BJP Protest Rally: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবারের কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি তুলল বিজেপি (BJP Protest Rally)। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করলেন। কলকাতায় বিজেপির রাজ্যস্তরের নেতাদের উপস্থিতিতে হবে প্রতিবাদ কর্মসূচি। আরজি কর হাসপাতালের কাছাকাছি কোনও স্থানে মঞ্চ বেঁধে শুরু হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফার দাবিতে লাগাতার অবস্থান-বিক্ষোভ। বিজেপি সূত্রের খবর, সুকান্তর পাশাপাশি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হাজির থাকবেন। স্বাভাবিকভাবে আরজি কর ইস্যুতে এই আন্দোলন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা (BJP Protest Rally)

    বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে এই কর্মসূচির কথা জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে একেবারে ব্যর্থ। আমরা তাঁর পদত্যাগ চাই। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে কলকাতা এবং জেলায় জেলায় আন্দোলন (BJP Protest Rally) কর্মসূচি শুরু হবে। সাধারণ মানুষের কাছে শুক্রবার দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত দোকানপাট এবং সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ রেখে প্রতিবাদে সামিল হওয়ার জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি। দুপুর ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি জেলায় পথ অবরোধ করবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তবে, এই প্রতিবাদ হবে প্রতীকী। শুক্রবারই বিজেপির মহিলা মোর্চা হাজরা মোড় থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ি পর্যন্ত মোমবাতি এবং মশাল মিছিল করবে। সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী ভনতি শ্রীনিবাসন ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন।’’ 

     

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    আন্দোলনে সরগরম হবে কলকাতার রাজপথ!

    প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) দোষীদের শাস্তির দাবিতে বুধবার মধ্যরাতে রাজ্যের সমস্ত প্রান্তের মহিলারা রাস্তায় নেমে সরব হয়েছিলেন। বিজেপিও এই ইস্যুকে সামনে রেখে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে আন্দোলন (BJP Protest Rally) সংগঠিত করতে চলেছে। ফলে, শুক্রবার আরজি কর ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে সরগরম হবে কলকাতার রাজপথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এক মেয়ে হারিয়েছেন। কিন্তু, পাশে পেয়ে গিয়েছেন কোটি কোটি মেয়েকে। আন্দোলনকারীদের এভাবেই সমর্থন জানালেন নিহত ডাক্তার তরুণীর বাবা। 

    স্বাধীনতার মধ্যরাতে ‘রাত দখলে মেয়েরা’ নেমে এসেছিলেন রাস্তায়। আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে কলকাতা শহরের দিকে দিকে তো বটেই, জেলা এমনকী অন্য রাজ্যতেও রাতের রাস্তায় ঢল নামে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের। বাংলার অন্যান্য প্রান্তের মতো আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষিতা, নিহত চিকিৎসকের বাড়ির এলাকাতেও মধ্যরাতে নাগরিক জমায়েতে কার্যত জনজোয়ার তৈরি হয়েছিল। যার জেরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল বিটি রোড। সোদপুরে লোকসংস্কৃতি মঞ্চের সামনের জনপ্লাবন থেকে ওঠে রাজনৈতিক স্লোগানও। যদিও তাতে জমায়েতে কোনও ভাটা পড়েনি।

     মধ্যরাতে সোদপুর ট্রাফিক মোড় জনপ্লাবন (RG Kar)

    নিহত চিকিৎসকের (RG Kar) বাড়ি সোদপুরে। বুধবার রাত ৯টায় সোদপুরের নাটাগড় কদমতলা এলাকার দুর্গা মণ্ডপের চাতালে জমায়েত হয়েছিলেন একেবারে পাড়ার লোকেরা। সেই জমায়েতই ছিল কয়েকশো মানুষের। রাত বাড়তেই সেই জমায়েত এইচবি টাউন মোড়, সোদপুর উড়ালপুল হয়ে এগিয়ে যেতে থাকে বিটি রোডের দিকে। অমরাবতী, ঘোলা, মহিষপোতা, কর্ণমাধবপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শয়ে শয়ে মানুষের মিছিল এগোতে থাকে বিটি রোডের দিকে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় সোদপুর-মধ্যগ্রাম রোডেও। রাত ১১টা নাগাদ বিটি রোডের সোদপুর ট্রাফিক মোড় মিনি-ব্রিগেড হয়ে ওঠে। নাটাগড়ের বাসিন্দা স্বাতী সরকার ভৌমিক বলেন, ‘‘এটা একটা রাজনৈতিক হত্যা। রাজনৈতিক অপদার্থতার কারণেই আমাদের পাড়ার মেয়েকে অকালে চলে যেতে হয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধিক্কার জানিয়ে স্লোগান দিয়েছি।’’ ঘোলার বাসিন্দা অম্লান দত্তের কথায়, ‘‘এত মানুষ রাস্তায় নামবেন ভাবতেও পারিনি। এমন হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রণ করেছেন যাঁদের হয়তো এটাই জীবনের প্রথম মিছিল।’’  

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    ‘‘কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি’’

    রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন (Agitation) নিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন,  ‘‘ সবাইকে একটাই কথা বলতে চাই, একটা মেয়েকে (RG Kar) হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি। এই কোটি কোটি মেয়ে, আজ বলে নয়, আমার তো মনে হচ্ছে, ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমার পাশে থাকবেন। এঁরা সবাই আমার মেয়ের মতো। যে পুরুষরা রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁরা আমার ছেলের মতো। এঁদের ধন্যবাদ দিলে খুব অন্যায় করব আমি। কারণ আমার মেয়েকে তো কখনও ধন্যবাদ দিইনি! এঁদের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন আছে আমার। আমার মেয়েকে আগলে রাখতে পারিনি, আশা করি এঁদের আগলে রাখতে পারব, যদি এভাবেই এঁরা আমার পাশে থাকেন।’’

    দুষ্কৃতী তাণ্ডব

    প্রসঙ্গত, মধ্যরাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় আর জি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। পুলিশের সামনেই ব্যারিকেড ভেঙে ভাঙচুর চালানো হয় হাসপাতালে। তাই প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবাদ থেকে নজর ঘোরাতেই কি ময়দানে নামানো হল দুষ্কৃতীদের? শুরুতেই কেন ভাঙচুর আটকাল না পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) উত্তাল রাজ্য। বুধবার রাতে কলকাতার রাজপথ সহ রাজ্যের অধিকাংশ শহরের রাস্তায় বেরিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন মহিলারা। এই আবহের মধ্যে বুধবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস। কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবস নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে ছাত্রীরা। তাদের প্রশ্ন, যে রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত নয়, সেখানে কন্যাশ্রী নিয়ে কী হবে? আর পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা স্কুলের ছাত্রীরা প্রকাশ্যে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে তাদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে। ফলে, স্কুলের ছাত্রীরাও এই ঘটনায় রীতিমতো রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

    কন্যাশ্রী দিবস বয়কট! (Kanyashree)

    পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার কন্যাশ্রী দিবস (Kanyashree) বয়কট করে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ জানাল ছাত্রীরা। নিরাপত্তা ও সুরক্ষার দাবিতে এদিন সরব হল তারা। এই ঘটনা কার্যত সরকারের কাছে চূড়ান্ত বার্তা পৌঁছে দিল বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল। পরে অবশ্য শিক্ষকদের অনুরোধে কন্যাশ্রী ক্লাবের মেয়েরা এই অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বিরত হয়। জানা গিয়েছে, মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীরা বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মেয়েদের ওপর অত্যাচারের কথা হাতে লেখা বিভিন্ন পোস্টার নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালির আয়োজন করে। পরে বিদ্যালয়ের গেটে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়ে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে। এই বিষয়ে কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে যেভাবে অত্যাচার করে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে তাতে দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিতকরণ করতে হবে। পাশাপাশি, কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আজ পরিস্থিতি এমনই যে দেশের সঙ্গে এই রাজ্যেও মেয়েরা আজ নিরাপদে নেই। মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যেখানে মেয়েদেরই নিরাপত্তা নেই, সেখানে কন্যাশ্রী অনুষ্ঠান করার কোনও মানে হয় না। তাই আমরা মেয়েদের ওপর এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ করে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    এত আয়োজন, কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়?

    রাজ্যের কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবসের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনধান্যে স্টেডিয়ামে এসেছিল স্কুল ছাত্রীরা। সেখানেই আরজি কর কাণ্ড নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করতে দেখা গেল তাঁদের। ছাত্রীরা বলেছে, ‘‘রাজ্যে কন্যাশ্রীদের জন্য এত এত আয়োজন। কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়? নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়েছে কি? প্রশাসনের গোটা ঘটনা খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এখানে কন্যাশ্রী দিবসের অনুষ্ঠান হচ্ছে আবার রাজ্যে এরকম একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। কোনওটাই মেনে নেওয়া যায় না। মা-বাবারাও চিন্তায় রয়েছেন।’’  আর এক ছাত্রী বলে, ‘‘সমাজে একজন ডাক্তার নিরাপদ নয়। এটা কী করে সম্ভব? আবার এই ঘটনা ঘটেছে আরজি করের (RG Kar Incident) মতো জায়গায়। একই সুর আরও এক ছাত্রীর গলাতেও। ক্ষোভের সঙ্গেই তাকে বলতে শোনা গেল, ‘‘আমরা কোনও জায়গাতেই সেফ নই। কাজের জায়গাতেও নিরাপদ নই।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?’’ মমতাকে খোঁচা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?’’ মমতাকে খোঁচা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। শহরের বুকে একজন ডাক্তারকে অন ডিউটি থাকাকালীন (গণ)ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে, এরকম ঘটনা গত ১০-১৫ বছরের মধ্যে আর আছে? প্রশ্ন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের। এখানে আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের এক সাংসদও জড়িত রয়েছে বলে তিনি সরব হন। একই সঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

    হাসপাতালে মাদক-যৌন চক্র! (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “আরজি কর হাসপাতালের মধ্যে মাদক চক্র, যৌন চক্র চলত। ডাক্তার টিমে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই জাতীয় অনেক বিষয় উঠে এসেছে, এর কিছু স্ক্রিনশটও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। একজন তৃণমূল সাংসদ এবং তাঁর ভাইপোর নাম বারবার উঠে আসছে, আমি জানি না কী হয়েছে, তবে যেটাই হোক সেটা ভুল হয়েছে। তৃণমূলে এত মহিলা সাংসদ থাকা সত্ত্বেও একজন মহিলা সাংসদও এই বিষয়ে তেমন কিছু বলেননি। এমনকী, তৃণমূলের ১ জন সাংসদ, ৩ জন বিধায়ক, ২ জন একই মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু তাঁদের মুখেও সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি কয়েকজন হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন যে মৃত স্নাতকোত্তর চিকিৎসকের ময়নাতদন্ত রাতে বেআইনিভাবে করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার মানুষ

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রতিবাদের রূপ একেক রকম হয়। যে যেভাবে প্রতিবাদ করবে। সেটা মোমবাতিও হতে পারে, মশালও হতে পারে। তবে, প্রতিবাদ হওয়াটা জরুরি। আমরা দেখেছি মা সীতাকে অপমান করার জন্য লঙ্কা আগুনে পুড়ে ছাড়খার হয়েছিল। সেইরকম এই সরকারও মানুষের ক্রোধাগ্নিতে পুড়ে যাবে। যখন দেখেছে বাংলার মহিলারা জেগে উঠেছে, এর প্রতিবাদ করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূলের নেতারা এখন গ্যালারি শো করতে নেমেছেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার মানুষ।”

    নাটক করতেই পদত্যাগ!

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সম্পর্কে বলেন, “অধ্যক্ষ এই ঘটনায় ১০০ শতাংশ যুক্ত। পুলিশকেও ইনস্ট্রাকশন দেওয়া ছিল ঘটনাটাকে ধামাচাপা দেওয়ার। কিন্তু যখন ধামাচাপা দেওয়া যায়নি তখন মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্যরা বিষয়টিতে মুখ খুলেছে। তার আগে পর্যন্ত সবটাতেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অধ্যক্ষকে দিয়ে পদত্যাগের নাটক করানো হয়।”

    কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?

    বুধবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস, ওইদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “কন্যাশ্রীর টাকা দিচ্ছেন ভালো কথা, কিন্তু তার আগে বলব কন্যাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করুন। আমার ঘরের কন্যাই যদি না বাঁচে তাহলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন? আজ যে মহিলা নিজের একমাত্র মেয়েকে মেডিক্যাল কলেজে এমডি পড়াতে গিয়ে হারালেন তাঁকে যদি মাসে মাসে কন্যাশ্রীও দেন, সেই মায়ের কোলে কি মেয়ে ফেরত আসবে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: রাতের রাজপথে জনজাগরণ, তৃণমূলের বুকে ধরল কাঁপন

    RG Kar Hospital: রাতের রাজপথে জনজাগরণ, তৃণমূলের বুকে ধরল কাঁপন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার মধ্যরাতে রাজপথের দখল নিলেন প্রমীলারা (Meyera Raat Dokhol Koro)। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই শুরু হল মিছিল (RG Kar Hospital)। সেই কালো মাথার মিছিল থেকে আওয়াজ উঠল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট মধ্য রাতে গর্জে উঠেছিল স্বাধীন ভারত। আর এদিন মধ্যরাতে কলকাতার রাজপথ চলে গেলে শুধুই ‘অর্ধেক আকাশ’দের দখলে।

    নিয়ন আলোয় হাঁটছেন প্রমীলারা (RG Kar Hospital)

    উত্তরে আরজি কর তো বটেই, দক্ষিণে যাদবপুর, মধ্য কলকাতায় অ্যাকাডেমি, কলেজস্ট্রিট সর্বত্রই কেবল মিছিল আর মিছিল। হাইমাস্টের নিয়ন আলোয় নির্ভয়ে হেঁটে চলেছেন প্রমীলারা। রাতের নির্জনতা ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ধ্বনিতে। কলকাতার রাজপথের পাশাপাশি এদিন মহিলারা রাত জেগেছেন দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরুতেও। স্ত্রী-শক্তির এই আন্দোলনে শামিল হয়েছে সাগরপারের এডিনবরা (ব্রিটেন) শহরও।  বাংলার বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জেও রাত জেগেছে প্রমীলা বাহিনী। আরজি করের নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের দাবিতে গর্জে উঠেছে নারী শক্তি।

    মশাল হাতে নারী শক্তি

    শহরে যখন পথবাতির আলোয় হয়েছে মিছিল, তখন গাঁ-গঞ্জে প্রমীলারা পথে নেমেছেন মশাল হাতে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো প্রত্যন্ত জেলায়ও রাত জেগেছে স্ত্রী শক্তি। শহর থেকে গ্রাম – অনেক মাকেও হাঁটতে দেখা গিয়েছে শিশু কোলে। রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তনী রিমঝিম সিন‍্‍হা। তার পর লোকমুখে ছড়িয়েছে সেই ডাক। বুধবার আক্ষরিক অর্থেই রাত দখল করল অর্ধেক আকাশ। সফল হল নারীর নৈশ অভিযান। ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে যে অভিযানে শামিল হলেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের স্বাধীনতাকামী নারীরা। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ছাঁদের ইংরেজি স্লোগানও যেমন ছিল, তেমনি ছিল শঙ্খ বাজানোর সনাতনী রীতিও। যা থেকে প্রমাণ হয়, অতি আধুনিকার পাশাপাশি এদিন রাত জেগেছেন সনাতনী আদর্শের নারীরাও। মিছিল থেকেই আরজি করকাণ্ডে দোষীর ফাঁসির দাবিও উঠেছে।

    ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’

    এবং এই আওয়াজ যেমন শোনা গিয়েছে বেহালা, গড়িয়া, দমদম, নিউটাউনে, তেমনি শোনা গিয়েছে হাওড়া, লিলুয়া কিংবা বাগনান, কোলাঘাটেও। কল্যাণী থেকে বনগাঁ, জলপাইগুড়ি থেকে শিলিগুড়ি – সর্বত্রই এক আওয়াজ ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। এর পাশাপাশি এদিন কলকাতায় আরও একটি আওয়াজ তুলেছেন জনা কয়েক প্রতিবাদী। তাঁরা ফাঁসি চেয়ে বসেছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অল্প কয়েকজনকে এই আওয়াজ তুলতে দেখা গেলেও, এর তাৎপর্য কম নয়। কারণ যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন নারী, সেখানেই নিত্য হয় নারী নির্যাতন। কেবল (RG Kar Hospital) বদলে যায় দৃশ্যপট। সে পটে কখনও ভেসে ওঠে কামদুনির নির্জন রাস্তা, কখনও আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোনও কক্ষ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নির্যাতনের শিকার সেই নারী। সেই নারী নির্যাতনের প্রতিবাদেই এদিন মধ্যরাতে গর্জে উঠল তামাম বাংলা।

    শাসকের বুকে কাঁপন

    এই গর্জনই কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে শাসকের বুকে। আগেভাগেই যার আঁচ পেয়ে অশ্লীল রসিকতা করেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে আসা উদয়ন গুহ। ফেসবুক পোস্টে উদয়ন লিখেছিলেন, “দিনহাটার কেউ কেউ কাল (বুধবার) রাতের দখল নিতে চাইছেন। আমার সমর্থন থাকল। তবে, স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে রাতে ফোন করবেন না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, রাত দখলের কর্মসূচিকে ঘিরে শাসক যে ভয় পেয়েছে, দলবদলু উদয়নের বক্তব্যেই তা স্পষ্ট। বুধবার রাত যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে রাত দখল করো আন্দোলনের ঝাঁঝ। এবং সেই আন্দোলন থেকেই যখন রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর ফাঁসির আওয়াজ ওঠে, তখন আরও বিপন্ন বোধ করে শাসক। যদিও ঘটনার পরে পরেই দোষীর ফাঁসির সাজা দাবি করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে তাতে যে (Meyera Raat Dokhol Koro) ভবি ভোলেনি, খোদ মুখ্যমন্ত্রীরই ফাঁসির দাবি ওঠায় তা স্পষ্ট।

    আরও পড়ুন: আরজি করে তাণ্ডব, মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু, কী বললেন সুকান্ত?

    নৈশ-মিছিল থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে কাঁচা চিত্রনাট্য!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রমীলাদের এই আন্দোলন কৌশলে দমাতে চেয়েছে তৃণমূল। নৈশ-মিছিল শুরু হতেই কারা যেন গিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। ভাঙচুর করা হয় আসবাবপত্র। পুশিলের আধপোড়া উর্দিও মিলেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, পুরোটাই একটা সাজানো নাটক (RG Kar Hospital)। এই নাটকের চিত্রনাট্যকার যিনি, তিনি আন্দোলন থেকে বঙ্গবাসীর দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাংলার গৃহবাসীকে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন, আন্দোলনের নামে কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে প্রমীলা বাহিনী। পুলিশের আধ পোড়া উর্দি দেখিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন পুলিশ পিটিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তবে চিত্রনাট্যটা বড়ই কাঁচা। এবং এই চিত্রনাট্যের পর্দা ফাঁস করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, প্রতিবাদী সেজেই গুন্ডারা ঢুকে পড়েছিল আরজি করে। তাদের সেখানে ঢোকার সুযোগ করে দেয় পুলিশই। আরজি করকাণ্ডে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। শুভেন্দুর অভিযোগ, সেই কারণেই হামলা চালিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে (RG Kar Hospital)।

    চিত্রনাট্য ফাঁস (Meyera Raat Dokhol Koro)! অতএব, সাধু সাবধান!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Hospital: আরজি করে তাণ্ডব, মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু, কী বললেন সুকান্ত?

    RG Kar Hospital: আরজি করে তাণ্ডব, মমতাকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু, কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত মেয়েদের ‘রাত দখলে’র কর্মসূচি থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে তাণ্ডব হাসপাতালের (RG Kar Hospital) জরুরি বিভাগে। দুষ্কৃতীরা সেখানে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। একতলায় জরুরি বিভাগের সর্বত্র স্পষ্ট দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবের ছাপ।

    নিন্দা করলেন শুভেন্দু (RG Kar Hospital) 

    ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, প্রতিবাদী সেজেই গুন্ডারা ঢুকে পড়েছিল আরজি করে। তাদের সেখানে ঢোকার সুযোগ করে দেয় পুলিশই। আরজি করকাণ্ডে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। শুভেন্দুর অভিযোগ, সেই কারণেই হামলা চালিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, যাঁরা প্রতিবাদ জানাতে আসবেন, তাঁরা কেন এভাবে ভাঙচুর করবেন এই ঘটনায় রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শুভেন্দু। সিবিআইয়ের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    কাঠগড়ায় মমতা

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কাছে অরাজনৈতিক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে চালাক বলে মনে করেন। তিনি ভেবেছেন, জনতার মাঝে দুষ্কৃতীদের প্রতিবাদী সেজে মিশে যাওয়ার বিষয়টা কেউ ধরতে পারবেন না।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, ওই দুষ্কৃতীরাই হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে। তাদের সেফ প্যাসেজ করে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তাও দেখিয়েছে পুলিশ। এটা করতে গিয়ে পুলিশ নিজেরাই সরে গিয়েছিল কিংবা অন্য দিকে তাকিয়ে ছিল যাতে লুম্পেনরা হাসপাতালে ঢুকে হামলা চালিয়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করে দিতে পারে (RG Kar Hospital)।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    শুভেন্দু লিখেছেন, “তৃণমূলের নির্বোধ দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা সফলভাবে রূপায়ণ করতে পারেনি। তাই তারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করে রেসিডেন্ট ডাক্তার, পিজিটি ও ইনটার্নদের ধরনা মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে। যদি কেউ প্রতিবাদকে সমর্থন করতেই আসবেন, তাহলে মূল ঘটনার কেন্দ্রস্থলে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালাবেন কেন? তাঁর প্রশ্ন, যেখানে গোটা রাজ্যে প্রতিবাদ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে, সেখানে আরজি করেই কেন ঘটল হিংসাত্মক ঘটনা?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) যখন রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন, তখন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করছেন মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “এ কোন বিভীষিকাময় রাজ্যে বাস করছি আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করুন (RG Kar Hospital) মুখ্যমন্ত্রী।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share