Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dhupguri: মামলায় অহেতুক নাম জড়িয়ে টাকা চেয়ে পুলিশের লাগামছাড়া চাপ! মৃত্যু বিজেপি নেতার

    Dhupguri: মামলায় অহেতুক নাম জড়িয়ে টাকা চেয়ে পুলিশের লাগামছাড়া চাপ! মৃত্যু বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের লাগামছাড়া চাপ সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল এক বিজেপি (BJP) নেতার। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি (Dhupguri) এলাকায়। মৃত বিজেপি নেতার নাম দীপু রায়। তিনি ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং-২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য ও গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের প্রার্থী ছিলেন। বাড়ি জুড়াপানি এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dhupguri)

    কিছুদিন আগে হিন্দু মন্দির ভাঙা নিয়ে ধূপগুড়িতে (Dhupguri) একটি গন্ডগোল হয়েছিল। অভিযোগ, সেই গন্ডগোলে না থাকলেও পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা দায়ের করে। তাঁর নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর ওই মামলার আইও চার্জশিট থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে বলে দফায় দফায় তাঁর কাছে টাকা দাবি করতে থাকেন বলে অভিযোগ। লাগাতার চাপ সৃষ্টি করায় সহ্য করতে না পেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তড়িঘড়ি তাঁকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়িতে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতে জলপাইগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। শববাহী গাড়িতে মৃতদেহ নিয়ে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের সদস্য সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    বিজেপি কর্মীরা কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরা বলেন, “প্রায় তিন মাস আগের ধূপগুড়ির একটি ঘটনায় দীপু রায় যুক্ত না থাকলেও জোর করে তাঁর নাম চার্জশিটে ঢোকানো হয়। আর চার্জশিট থেকে নাম কাটানোর জন্য ধূপগুড়ি থানার এক পুলিশ অফিসার টাকার দাবি করেন। অনবরত দীপু রায়কে ফোন করে থানায় দেখা করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতের দাদা অপু রায় থানায় এসে পুলিশের সঙ্গে দেখাও করেন। আর গোটা বিষয়য়টি সোমবার দীপু রায়কে জানান তাঁর দাদা। ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন দীপু। এর পরেই অসুস্থ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। এরজন্য পুলিশই দায়ী।”

    পুলিশের সঙ্গে বচসা বিজেপি কর্মীদের

    ধূপগুড়ির থানা রোডে বিরাট পুলিশ বাহিনী মৃতদেহ সহ বিজেপি নেতা-কর্মীদের আটকে দেয়। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। দাবি তোলা হয় অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত এই থানা থেকে বদলি করতে হবে। যদি তাঁকে সরানো না হয় তবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে। ধূপগুড়ি (Dhupguri) থানার আইসি-র আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ ওঠে। পরে, রাতেই বিজেপি নেতার দেহ সৎকার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    RG Kar Protest: আরজি কর-কাণ্ডে মঙ্গলবারও কর্মবিরতি চলল রাজ্যের ২১টি হাসপাতালে, দুর্ভোগ চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে তোলপাড়় চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে (Agitation) সামিল হয়েছেন। জানা গিয়েছে, কর্মবিরতি পালনের ডাক দেয় ২১টি হাসপাতাল। এর মধ্যে কলকাতার সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল তো রয়েছে, পাশাপাশি জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতেও কর্মবিরতি পালন করেন চিকিৎসকেরা। অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে আউটডোর চিকিৎসা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে, কিছু কিছু হাসপাতালে রোগীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে কর্মবিরতিতে রাশ টানা হয়। এক ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করার পরে আবার স্বাভাবিক হয় পরিষেবা।

    জেলায় জেলায় কর্মবিরতি (RG Kar Protest)

    উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাটে স্বাস্থ্য জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মঙ্গলবার সকাল থেকে নার্স এবং চিকিৎসকদের কর্মবিরতি (RG Kar Protest) শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা  বলেছেন, “আমাদের এক সহকর্মীকে খুনের প্রতিবাদে আমরা ১ ঘণ্টার জন্য কর্মবিরতির ডাক দিতে বাধ্য হয়েছি।” এদিন বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালেও চিকিৎসকেরা এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে হাসপাতাল চত্বরে প্রতিবাদ জানান। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রেখে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন ডাক্তাররা। হাওড়ার মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথি কলেজে আন্দোলন অব্যাহত। হুগলি চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ওপিডি-তে কাজ করছেন না জুনিয়র চিকিৎসকরা। সিনিয়ররা পরিষেবা চালু রেখেছেন। মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে বারোটা পর্যন্ত ‘পেন ডাউন’ করেন হাসপাতালের সব চিকিৎসক। তাতে যোগ দেন নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। মঙ্গলবারও কালো ব্যাজ পরে হাতে পোস্টার নিয়ে স্লোগান দেন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি চলছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সকাল থেকে আউটডোর বিভাগে চিকিৎসার জন্য রোগীদের টিকিট দেওয়া শুরু হলেও পরে কয়েক জন জুনিয়র চিকিৎসক এসে কাউন্টার বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক পড়ুয়াদের আন্দোলন চতুর্থ দিনেও অব্যাহত।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে ডাক্তাররা

    নিরাপত্তার দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবস্থান-বিক্ষোভ (RG Kar Protest) শুরু করেন পুরুলিয়া গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তারি পড়ুয়ারা। মেডিক্যাল কলেজের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। বন্ধ থাকে আউটডোর পরিষেবা, বন্ধ ডাক্তারি পঠনপাঠন।  অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও চলছে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। আউট ডোরের সামনে বিক্ষোভ-অবস্থান করেন জুনিয়র ডাক্তার-সহ ছাত্র-ছাত্রীরা। চিকিৎসক না আসায় বালুরঘাট হাসপাতালে মৃত্যু হয় এক বালকের। সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করানো হলেও সকাল ৭টা পর্যন্ত কোনও চিকিৎসক দেখতে আসেননি। তবে এর সঙ্গে চিকিৎসকদের কর্মবিরতির সম্পর্ক নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বারাসতে নেই কর্মবিরতি

    রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে যখন টালমাটাল পরিস্থিতি, এমার্জেন্সি-নন এমার্জেন্সিতে কর্মবিরতি চলছে, সেইসময় বারাসত মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতিবাদ তারা জানাচ্ছে। তবে কর্মবিরতির পথে হাঁটছে না। বারাসত মেডিক্যাল কলেজের সুপার সুব্রত মণ্ডল বলেন, আমরা রোগী ফেরাচ্ছি না। আসলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন রোগীরা। তাঁরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাবেন, এটা সম্ভব নয়। আর বিভিন্ন হাসপাতালে এখন যেহেতু কর্মবিরতির কারণে পরিষেবা সমস্যায় পড়ছে, তাই চেষ্টা করছি রোগীকে অন্যত্র ট্রান্সফার না করে যথাসাধ্য এখানেই চিকিৎসা দিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Doctor Rape Murder) পরতে পরতে রহস্য। ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই দাবি করছেন, এই ঘটনায় একাধিক জন জড়িত থাকতে পারে। কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Incident) এক ৩২ বছর বয়সি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (ফোর্ডা) জানিয়েছে, সারা দেশে হাসপাতালের নির্বাচনী সেবা বন্ধ থাকবে। সব মেডিক্যাল কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তারও দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

    চিকিৎসকদের দাবি

    আর জি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) ঘোষণা করেছে যে, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিবাদ বন্ধ করবে না। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানান, “আমরা চারটি দাবি তুলেছি: বিচার বিভাগীয় তদন্ত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা, মহিলার পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, পুলিশকে তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে।” কলকাতার ২৬ একর জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি। এখানে এরকম ঘটনায় বাকরুদ্ধ বাংলা তথা দেশ।

    সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব

    আন্দোলনকারীরা  জানিয়েছেন যে, হাসপাতালের সংবেদনশীল স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব রয়েছে। ডাক্তারদের জন্য আলাদা শৌচালয় নেই। যে কোনও লোক রাতে হাসপাতালে প্রবেশ করে যান। যা রাতের হাসপাতালকে বিপজ্জনক করে তোলে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, যে সেমিনার রুমে চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল সেখানে কোনও সিসিটিভি নেই। ফ্লোর ওয়ার্ড বা করিডরেও কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অপরাধী অপরাধ করার আগে ভাবত। এনআরএস হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় আগে আরজি কর-এ (RG Kar Incident) কর্মরত ছিলেন। তাঁর কথায়, “শুধুমাত্র ভবনের মূল ফটকে সিসিটিভি আছে। আপনি যে বেশিরভাগ সিসিটিভি দেখেন তা কাজ করে না।”

    বিশ্রাম কক্ষ নেই

    আরজি করের (RG Kar Incident) জুনিয়র ডাক্তারদের মতে, মহিলা ডাক্তারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় নির্যাতিতা সেমিনার রুমে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেমিনার রুমে কোনও ওয়াশরুম নেই। রাতের ডিউটিতে বেশিরভাগ সময় চিকিৎসকরা সেমিনার রুম বা সোনোগ্রাফি রুম ব্যবহার করেন। 

    বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে প্রবেশ

    একজন চিকিৎসকের মতে আরজি করের (RG Kar Incident) “সবচেয়ে বড় সমস্যা” হল বিনা অনুমতিতে মাঝে মাঝেই লোক হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “প্রায়শই একজন রোগী ১১-১২ জন আত্মীয়ের সঙ্গে আসে। শুধুমাত্র আইডি কার্ডধারীদেরই ওয়ার্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত। এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড দেখুন, যেখানে ভিআইপি ও রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে।” এছাড়াও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাতে হাসপাতালের বাইরে কোনও নিরাপত্তা নেই। একজন মহিলা সাফাইকর্মী জানান, “একজন রোগীর সঙ্গে ১৫-২০ জন পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ঢুকে পড়ে। আমরা জরুরি বিভাগে মাতাল লোকদেরও দেখতে পাই।”

    আরও পড়ুন: একজনের কাজ নয়, দাবি চিকিৎসকদের! আরজি কর কাণ্ডে কাকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে?

    পর্যাপ্ত পুলিশের অভাব

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে (RG Kar Incident) পর্যাপ্ত পুলিশ থাকা উচিত। তাঁদের মতে, রাতে ফ্লোরে কোনও নিরাপত্তাই থাকে না। এই হাসপাতালটিতে আঘাতজনিত রোগীর প্রচুর ভিড় হয়। ডাক্তার-রোগীর অনুপাত খুব কম। যদি কেউ চিকিৎসককে অপমান করে, তবে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না। হাসপাতালের নিজস্ব প্রাইভেট সিকিউরিটি রয়েছে ঠিকই তবে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করেছেন যে, রাত ৯টার পর প্রাইভেট সিকিউরিটি গায়েব হয়ে যায়। রাতে হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক বা নার্স এমনকী ছেলেরাও অন্ধকার, নির্জন জায়গা দিয়ে হাঁটতে ভয় পান। কারণ হাসপাতাল চত্বরে নানা ধরনের বেআইনি কাজ হয়।  অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে অনেক সময়ই মত্ত যুবকদের উৎপাত লক্ষ্য করা যায় হাসপাতাল চত্বরে। করিডর থেকে শুরু করে সিঁড়ি, রোগীদের ওয়ার্ড সর্বত্রই ঢিলেঢালা নিরাপত্তা। তাই সবসময়ই নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। অনেকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তারই মূল্য চোকাতে হল নির্যাতিতাকে (Doctor Rape Murder)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: চার বার নিহতের নাম নিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ! পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মহিলা কমিশনের

    RG Kar Hospital: চার বার নিহতের নাম নিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ! পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (RG Kar Hospital) পরিদর্শনে যান জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। হাসপাতালের পরিকাঠামোর অবস্থা খতিয়ে দেখে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে কার্যত তুলোধনা করেন তাঁরা। নিহত চিকিৎসের নাম নেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

    ঠিক কী বলেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা? (RG Kar Hospital)

    শহরে (Kolkata) আসার পরে প্রথমেই জাতীয় মহিলা কমিশনের দুই প্রতিনিধি সোজা যান লালবাজারে। সেখানে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। লালবাজারের (Kolkata) পরে  নিহত মহিলা চিকিৎসকের সোদপুরের বাড়িতেও যান তাঁরা। কমিশনের অন্যতম সদস্য ডেলিনা খনডুপ বলেন, ‘‘প্রাক্তন প্রিন্সিপাল (RG Kar Hospital) সন্দীপ ঘোষ নিহত তরুণীর প্রতি যথেষ্ট অসংবেদনশীল মন্তব্য করেছেন। এমনকী, মেয়েটির নামও নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    মঙ্গলবার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিকে নোটিশ দিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন৷ আগামী দু’সপ্তাহের মধ্য়ে এই নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে ওই নোটিশে৷ স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই এই পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন৷ কমিশনের সদস্য বলেন, ‘‘আমরা এই নৃশংস ঘটনার তদন্তের গতিপ্রকৃতি ভাল করে খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি রাজ্যের গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে কমিশনকে জানাব। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে আমরা জাতীয় মহিলা কমিশনে জমা দেব। আসল অপরাধীকে আড়াল করছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, প্রয়োজন হলে আরও অতিরিক্ত দিন থেকে গোটা ঘটনার সবদিক থেকে খতিয়ে দেখব।’’

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    নিহত চিকিৎসকের চারবার নাম নেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ!

    আরজি করের (RG Kar Hospital) জুনিয়র ডাক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় উঠেছে খুন ও ধর্ষণের অভিযোগ। সোমবার সেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর সন্দীপ ঘোষ সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কমপক্ষে চার বার নাম উল্লেখ করেছেন মৃত চিকিৎসকের। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ‘এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

    নির্যাতিতার নাম প্রকাশ হলে কী শাস্তির বিধান আছে?

    ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার মতো ঘটনায় নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ্যে এসে গেলে প্রভাব পড়তে পারে বিচার ও তদন্তের ক্ষেত্রে। তাই নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা যায় না। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ আছে। পাশাপাশি, ভারতীয় আইনেও বাধ্যবাধকতা আছে। নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যে সব নথিতে নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আসতে পারে, সেগুলি মুখবন্ধ খামেই আদান-প্রদান করতে হয় পুলিশকে। নাম গোপন রাখতে হয় আদালত ও তদন্তকারী সংস্থাকেও। নির্যাতিতার (RG Kar Hospital) মৃত্যু হলে বা অচৈতন্য থাকলে, তাঁর আত্মীয় যদি নাম প্রকাশ করতে চান, তাহলে শুধুমাত্র সেশন কোর্টেই আবেদন জানাতে পারেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনে আছে, নির্যাতিতা অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে, তার পরিচয় যদি প্রকাশ করার প্রয়োজন পড়ে, সে ক্ষেত্রে বিশেষ আদালত অনুমোদন দিতে পারে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কী বলা আছে?

    আগে, ভারতীয় দণ্ডবিধি বা ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ (IPC)- এর ২২৮এ ধারায় ছিল এই সম্পর্কিত বিধান আছে। সেই ধারা অনুযায়ী, ধর্ষিতা বা যৌন হেনস্থার শিকার নির্যাতিতার নাম, পরিচয় প্রকাশ্যে আনলে ২ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। ধার্য করা হতে পারে জরিমানাও। বর্তমানে ভারতীয় দণ্ডবিধির বদলে আনা হয়েছে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’। সেখানেও এই সম্পর্কিত শাস্তির কথা বলা আছে। ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’র ৭২ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনেন, তাহলে জেল হতে পারে। জেলের মেয়াদ হতে পারে ২ বছর পর্যন্ত। এছাড়া ধার্য করা হতে পারে জরিমানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (High Court)। ইতিমধ্যে পুলিশের ভূমিকায় চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। মামলার কেস ডায়েরি খতিয়ে বলেন, “রাজ্যের হাতে থাকা সব তথ্য এবং নথি সিবিআইকে দিতে হবে। সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ অবিলম্বে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং সেই দিন তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা করতে হবে।” এদিকে আদালতের নির্দেশের পরই তদন্তভার নিতে সিবিআই পৌঁছে যায় টালা থানায়। বুধবার সকালে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। ফলে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল (RG Kar Rape-Murder)?

    মঙ্গলবারের শুনানিতে মৃতার পরিবারের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের কাছে প্রথমে কেউ ফোন করে বলেছিল আপনার মেয়ে অসুস্থ। তারপর আবার আরেকজন ফোন করে বলে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পাল্টা সরকারি আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের বক্তব্য সঠিক। দু’বার ফোন করা হয়েছিল। তবে হাসপাতালের সহকারী সুপারই ফোনে সংবাদ দিয়েছিলেন। তবে কেউ অভিযোগ না করায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর (RG Kar Rape-Murder) মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “এটা আশা করা যায় না। মৃতদেহ কি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয়েছে? কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল। হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষ রয়েছেন। প্রিন্সিপালকে পুরস্কৃত করলেন। কেন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হল না? এই যুক্তি একদম দেখানো উচিত নয়।” উল্লেখ্য মামলাকারীদের অবশ্য দাবি ছিল রাজ্যের প্রভাব থাকবে না এমন কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। হাসপাতালের প্রত্যকে তলার প্রবেশ পথে যেন সিসিটিভি লাগানো হয় সেই দাবিও তোলা হয়।

    কোর্টের গুঁতো

    আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে অন্য কোনও মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাক্ষের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। আজ হাইকোর্টের (High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সন্দীপের ভূমিকায় আদালত ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। কটাক্ষ করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “সারানোর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পুরস্কৃত করা হল অধ্যক্ষকে। পুরস্কৃত অধ্যক্ষকে ছুটিতে যেতে বলুন। তা না হলে আমরা নির্দেশ দেব।” কিন্তু আদালতের নির্দেশের কিছু সময়ের পর জানা যায় সন্দীপ ছুটির আর্জি করেছেন। ঘটনা ঘটার পর কেন হাসপাতালের সুপার এবং অধ্যক্ষ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেননি, এই প্রশ্ন উঠেছে আদালতে। সন্দীপ ছুটির আর্জি করলে নাকচ করে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    চাপে রাজ্য সরকার

    সন্দীপের সময়কালে কেন একজন মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের শিকার হয়ে খুন (RG Kar Rape-Murder) হতে হল, এই নিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। আন্দোলনের চাপে পড়ে রাজ্য সরকার সোমবার অধ্যক্ষ পদ থেকে সরালেও আবার সঙ্গে বদলি করা হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করে। এরপর সেখানেও বিক্ষোভ শুরু হয়। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন সেখানকার পড়ুয়ারা। অবশেষে লাগাতার আন্দোলনের চাপে কলেজের দায়িত্ব সন্দীপকে না দিয়ে অজয় রায়ের হাতেই রেখেছে রাজ্য সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    RG Kar Rape-Murder: ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে লম্বা ছুটিতে যাওয়া নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। শুধু তাই নয় সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্য সরকারকে বলেন, ‘‘বিকেল ৩টে পর্যন্ত সময় দিলাম। এর মধ্যে অধ্যক্ষকে স্বেচ্ছায় ছুটিতে চলে যেতে বলুন। না হলে আমরা নির্দেশ দিতে বাধ্য হব।’’

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে আরজি করের চিকিৎসক খুনের ঘটনার একাধিক জনস্বার্থ মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। সেখানেই এক মামলাকারীর আইনজীবী বলেন, ‘‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সোমবার সকালে বলেছিলেন সরকারি চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। বিকেলে তাঁকেই কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হয়।’’ এনিয়ে প্রধান বিচারপতি বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ‘‘১২ ঘণ্টার মধ্যে পুরস্কৃত হয়ে গেলেন?’’ উত্তরে সন্দীপের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘‘ইস্তফা দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রহণ করা হয়েছে কিনা জানা নেই।’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘অধ্যক্ষ ইস্তফা দেওয়ার পরেও কীভাবে পুরস্কৃত হলেন?’’ বিস্মিত প্রধান বিচারপতি এদিন আরও মন্তব্য করেন, ‘‘সন্দীপ ঘোষ এত পাওয়ারফুল লোক!’’

    এজলাসে হাজির মৃত চিকিৎসকের বাবা

    অন্যদিকে, এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হাজির হন নিহত মহিলা চিকিৎসকের বাবা। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে সোজা চলে যান তিনি। সেখানেই আরজিকর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ডে দায়ের হওয়া একাধিক জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলছিল। নিহত চিকিৎসকের বাবা আদালতের হস্তক্ষেপে এই খুনের ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। নিহত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারকে মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

    বিস্মিত প্রধান বিচারপতি জানতে চান, কে বলেছিলেন ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন? 

    প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ড নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এই জনস্বার্থ মামলাগুলির শুনানি এদিনই ছিল প্রধান বিচারপতির এজলাসে। সেখানেই মামলার তদন্ত ও গতিপ্রকৃতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন ওঠে। বাড়ির লোককে প্রথমে ফোন করে কেন বলা হয় যে তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে? সে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবীরা। এনিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, কে বলেছিলেন ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন?

    প্রসঙ্গত, যে জনস্বার্থ মামলাগুলি দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে সেখানে তিনটি আবেদন করা হয়। তার মধ্যে প্রধান হল, নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Rape-Murder) তদন্ত করানো। মামলাকারীদের দাবি, এমন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে, যার ওপর রাজ্যের কোনও প্রভাব নেই। এছাড়াও এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, অবিলম্বে তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনারও দাবি জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে সিসি ক্যামেরা লাগানোর দাবিও জানানো হয়েছে।

    শুনানি চলার সময়ই উঠে আসে কামদুনি প্রসঙ্গ

    আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) কাণ্ডের শুনানি চলার সময়ই উঠে আসে কামদুনি প্রসঙ্গ। হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী, আদালতে সওয়াল করেন, কামদুনিতে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা যেভাবে সাজানো হয়েছিল, সেই একই কায়দায় আরজি করের মামলা সাজানো হচ্ছে। এমন যাবতীয় অভিযোগ পাওয়ার পরে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানিয়েছেন, আগামিকাল, অর্থাৎ বুধবার সকাল দশটার মধ্যে তাঁরা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

    অন্যদিকে, যে জনস্বার্থ মামলাগুলি দায়ের হয় তার মধ্যে একটি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘‘৩০ মিনিটের মধ্যে এক জনের পক্ষে ওই ঘটনা সম্ভব নয়। এই কোর্টের নির্দেশে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে নির্দেশিকা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত দেখা হবে বলা হচ্ছে। তার পরে সিবিআইকে তদন্তভার (RG Kar Rape-Murder) দেওয়া হবে। কিন্তু, প্রতি মুহূর্তে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’’ মামলাকারীর দাবি, অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। এও জানিয়ে দেওয়া হয়, মামলার তদন্তভার নিতে প্রস্তুত রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rash Behari Bose: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর গ্রামের জমিও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! হতবাক বাসিন্দারা

    Rash Behari Bose: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর গ্রামের জমিও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! হতবাক বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের জমানায় রাজ্যের ভূমি দফতরের দুর্নীতি ঘুঘুর বাসায় পরিণত হয়েছে। রাজ্যজুড়ে জমি হাঙরদের চক্র জালিয়াতি করে অন্যের জমি হাতিয়ে নিচ্ছে। বিরোধীরা বার বার এই অভিযোগ করেন। এবার বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর (Rash Behari Bose) জমিও অন্যের নামে রেকর্ড করার অভিযোগ উঠেছে। দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে একই সারিতে উচ্চারিত হয় রাসবিহারী বসুর নাম। তাঁর সম্পত্তি সুরক্ষিত না থাকায় গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। তাঁরা বলছেন, কীভাবে এমনটা হল তা প্রকাশ্যে আনা হোক। ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র।

    জমির রেকর্ড বদল! (Rash Behari Bose)

    বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর (Rash Behari Bose) জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের বড়বৈনান পঞ্চায়েতের সুবলদহ গ্রাম। এই গ্রামে ছেলেবেলার বেশিরভাগ সময়টাই কাটিয়েছেন তিনি। আলিপুর বোমা বিস্ফোরণ মামলায় তিনি অভিযুক্ত হন। তাঁর পরিকল্পনায় লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা ছোড়া হয়েছিল। ব্রিটিশ বাহিনীর রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন তিনি। ছদ্মবেশে তিনি জাপানে চলে গিয়েছিলেন। গড়ে তুলেছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। পরে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ওপর তার দায়িত্বভার দেন তিনি। তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের জন্য গর্বিত দেশবাসী। সেই স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামে থাকা জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। সে কারণে তাঁর জমিতে স্মৃতি ধরে রাখার মতো কিছু করা যাচ্ছে না। গ্রামবাসীরাও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। গ্রামবাসীরা ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের দাবি, সুবলদহ মৌজায় রাসবিহারী বসু, বিজনবিহারী বসু এবং বিপিনবিহারী বসুর নামে জমির রেকর্ড ছিল। সেটির জেএল নম্বর ১৯৪। আরএস, সিএস দাগ নম্বর ৩১৫৭। সম্প্রতি ওই জমি সম্পর্কে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, বর্তমানে এলআর রেকর্ড অনুসারে সেই জমি অন্য দু’জনের নামে রেকর্ড হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ‘‘রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose) শুধু আমাদের গ্রাম নয়, সারা দেশের গর্ব। তাঁদের নামে ১০ শতক জায়গা ছিল। তাঁর জমির রেকর্ড কীভাবে বদল হল তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। দেশের জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। অথচ আমরা তাঁকে সম্মান দিতে পারছি না। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখার জন্য গ্রামে কিছু করা দরকার ছিল। সেসব কিছুই হয়নি। জমির রেকর্ড বদল হওয়ার জন্য তাঁর জমিতে আমরাও কিছু করতে পারছি না।’’

    প্রশাসনের কর্মকর্তারা কী বলছেন?

    পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) জেলাশাসক কে রাধিকা আয়ার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। নিয়ম মেনে রেকর্ড বদল না হলে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। স্বাধীনতা সংগ্রামীর গ্রাম যাতে মডেল গ্রাম হয়ে ওঠে তার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু (Rash Behari Bose) আমাদের জেলার গর্ব। সুবলদহ গ্রামে কী কী কাজ করা যেতে পারে তা দেখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: একজনের কাজ নয়, দাবি চিকিৎসকদের! আরজি কর কাণ্ডে কাকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে?

    RG Kar Incident: একজনের কাজ নয়, দাবি চিকিৎসকদের! আরজি কর কাণ্ডে কাকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যেরকম এবং যে পরিমাণের ইনজুরি বা আঘাতের উল্লেখ রয়েছে, তাতে তা একজনের কাজ নয়, কমপক্ষে ২ বা তিনজন রয়েছে, আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) এমনই দাবি চিকিৎসকদের। আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Rape and Murder) প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশের একাংশের তরফে দাবি করা হয়েছে, ধৃত সঞ্জয় রায় একাই পুরো ঘটনাটি ঘটিয়েছে ৷ তবে, চিকিৎসক মহলের একাংশ সেই দাবি নস্যাৎ করেছে ৷ পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ এবং নিহত চিকিৎসকের পড়ুয়ার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সহমত নন চিকিৎসকদের একাংশ৷

    পুলিশের দাবিকে মান্যতা নয়

    গত শুক্রবার আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে উদ্ধার হয় মহিলা চিকিৎসকের দেহ। আর সেই মৃত্যুই কার্যত নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। দেহ উদ্ধার হওয়ার দিন রাতেই একজনকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্ত একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ। এ প্রসঙ্গে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাক্তার শংকর নাথ ঝা সংবাদমাধ্যমেকে বলেন, “আমি পুলিশের এই অনুমানকে একেবারে নস্যাৎ করছি৷ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি৷ ওই চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ যে অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল এবং তাঁর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আমি বলতে পারি, যে এই ঘটনা একার পক্ষে ঘটানো সম্ভব নয়৷ এই ঘটনায় কমপক্ষে দু-তিনজন যুক্ত রয়েছে ৷ কারণ, মেয়েটির চোখ, নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে ৷ তাঁর গলার হাড় ভেঙে রয়েছে৷ গোপনাঙ্গে গভীর ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে ৷ তা একার পক্ষে ঘটানো সম্ভব নয় ৷”

    ধর্ষণ করেই খুন

    পুলিশের একটি অংশের তরফে বলা হচ্ছে, ওই পড়ুয়াকে আগে খুন এবং তারপর তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে ৷ এই বিষয়টিকেও সরাসরি নস্যাৎ করেন চিকিৎসক শংকর নাথ ঝা৷ তিনি বলেন, “পুলিশের এই ধারণা পুরোপুরি ভ্রান্ত ৷ যখন মৃতদেহের ধর্ষণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ওই মেয়েটির শরীরে যে ক্ষতের চিহ্ন আছে, তা আসবে না৷ এছাড়াও তাঁর শরীরে বিশেষ বিশেষ কয়েকটি জায়গার হাড় ভাঙা অবস্থায় রয়েছে৷ মৃত একজনের সঙ্গে ধর্ষণ করলে যতটা রক্তক্ষরণ হয় এবং জীবিত একজনের সঙ্গে বলপূর্বক ধর্ষণ করলে, যে পরিমাণ রক্ত বার হয়, তা সমান নয়৷ মৃত্যুর আগের ইনজুরি এবং মৃত্যুর পরের ইনজুরি পুরোপুরি আলাদা৷ এটা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা দেখছেন ৷ এটি অবশ্যই ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা৷”

    একাধিক ব্যক্তি যুক্ত, দাবি বাবার

    ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃতার দেহ থেকে ১৫০ গ্রাম রক্ত মিশ্রিত সেমেনিক ফ্লুইড স্যাম্পেল পাওয়া গিয়েছে। ফলে, স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, একাধিক ব্যক্তি ওই মহিলা চিকিৎসককে যৌন নিগ্রহ করেছে, এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, যাঁরাই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখছেন, সবাই একই কথা বলছেন। ডাক্তার ফোরাম থেকে শুরু করে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, সবাই বলছেন, ‘এটা একজনের কাজ নয়, একার পক্ষে এরকম ঘটনা সম্ভব নয়।’ পুলিশের ওপর আস্থা রাখলেও তিলোত্তমার বাবা বলেন, “আরজি কর হাসপাতালে চেস্ট মেডিসিন বিভাগে যারা আছে, তাদের সবাইকেই সন্দেহের তালিকায় রেখেছি।”

    অপরকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ

    চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, “যারা এই প্রকারের ঘটনা ঘটায়, তাদের আমরা ডাক্তারি ভাষায় বলি সাইকোপ্যাথ ৷ এরা সাধারণ মানুষ নয় ৷ এরা অপরকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায় ৷ আমাদের সব থেকে বড় ভয় হল, এরা যে ধরনের মানুষ, আগেও একাধিকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে এবং পরবর্তীকালেও এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে৷ এরা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকে ৷ এরা সাধারণ মানুষের মতো নয় ৷ এরা সাধারণ সমাজে বাস করার যোগ্য নয়৷ এদেরকে চিহ্নিত করে, অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি৷ সে বা তারা যত বড়ই প্রভাবশালী হোক বা চিকিৎসক ফেটারনিটির কেউ হন, সে ক্ষেত্রেও তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত।”

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    কেন আড়ালের চেষ্টা

    আরজি কর (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষের থেকে কিছু আশা করা যায় না। তারা প্রকৃত ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করছে এমনই দাবি, আরজি করে পড়ুয়াদের একাংশের। এক ছাত্রের কথায়, “যেখানে অভিযুক্ত লুকিয়ে রয়েছে, সেখানে আমাদের থেকে কিছু আশা করো না। বাইরের সকলকে অনুরোধ, আপনারা নিজেদের মতো আন্দোলন করে যান। যেখানে জেনারেল বডির বৈঠকে কিছু সুরাহা করা হচ্ছে না। যেখানে জেনারেল বডির বৈঠক নিয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে। আবার প্রিন্সিপাল এসে বলছেন, কেন রাতে ওখানে ঘুমাবে? সেমিনার রুম কি ঘুমানোর জায়গা। যেখানে সিসিটিভি ফুটেজ লোপাট হয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুলিশ এসে প্রথমে বলছে আত্মহত্যা। যেখানে কাউন্সেলিং কমিটিতে সাইকিয়াট্রিক ডিপার্টমেন্টের প্রধানকে রাখা হয়েছে, এটা প্রমাণ করতে যে মৃত চিকিৎসক (RG Kar Rape and Murder) মনোরোগী ছিল। সেখানে সত্য আড়াল করার ঘটনা স্পষ্ট।” আর এক পড়ুয়ার কথায়, “এটা একটা চক্রান্ত। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এক ইন্টার্ন। সেই ইন্টার্নের যথেষ্ট রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও যথেষ্ট উচ্চপদস্থ। তাঁকে নিরাপত্তা দিতেই এতগুলো গেম খেলা হচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandip Ghosh: ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ হচ্ছেন ‘প্রভাবশালী’ সন্দীপ, ঘরে তালা ঝোলালেন পড়ুয়ারা

    Sandip Ghosh: ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ হচ্ছেন ‘প্রভাবশালী’ সন্দীপ, ঘরে তালা ঝোলালেন পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই পদত্যাগ করেন আরজি করের (RG Kar Medical) অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য সরকারের নয়া নির্দেশিকা সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যালের (National Medical College) অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি হয়েছেন তিনি। এরপরে ন্যাশনাল মেডিক্যালের পড়ুয়ারা বিক্ষোভ আন্দোলনে নামেন, তাঁরা তালা লাগিয়ে দেন অধ্যক্ষের জন্য নির্ধারিত ঘরে। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের একটাই দাবি, কোনও অবস্থাতেই তাঁরা সন্দীপ ঘোষকে অধ্যক্ষ হিসেবে মানবেন না।

    প্রসঙ্গত, জুনিয়র চিকিৎসকদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সন্দীপ ঘোষ। তবে সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর বিবৃতি, চাপে নয়! স্বেচ্ছায় এমন পদত্যাগ। সকালে পদত্যাগ বিকালে আবার নতুন করে নিয়োগের ঘোষণা। বোঝাই যাচ্ছে, কতটা প্রভাবশালী সন্দীপ ঘোষ। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ থাকা অজয় কুমার রায়কে নিমেষের মধ্যে বদলি করা হয় স্বাস্থ্য ভবনে। কারণ সন্দীপ ঘোষকে অধ্যক্ষ হতে হবে। কোনও কোনও মহল বলছে, ‘‘এখানেই বোঝা যাচ্ছে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ঠিক কতটা প্রভাবশালী! তাঁর জন্য বর্তমান অধ্যক্ষকেও বদলি করা হয়।’’

    বদলির ২১ দিনের মাথায় ফের আরজি করে (RG Kar Medical)

    তবে এই প্রথম নয়। সন্দীপ (Sandip Ghosh) ঠিক কতটা প্রভাবশালী, তা বোঝা যায় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনায়। সে সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পেন ও দুবাই সফরে গিয়েছিলেন। তার আগে, সন্দীপ ঘোষকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে অস্থি বিভাগে বদলি করা হয়। ২১ দিনের মাথায় কোনও এক জাদুবলে তিনি ফের ফিরে আসেন আরজি করে (RG Kar Medical)। এমন বদলি কার্যত নজিরবিহীন। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায় না। প্রসঙ্গত আরজি করে নৃশংস কাণ্ড ঘটার পর থেকেই আন্দোলনকারীরা নিশানা করছেন সন্দীপ ঘোষকে। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠছে যে হাসপাতালে নানা দুষ্কর্মের মদত দেন তিনি। বেআইনি নিয়োগও করান। তবে প্রভাবশালী হওয়ায় সন্দীপের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারেন না। 

    উনি ইস্তফার নাটক করছেন! ফৌজদারি তদন্তের দাবি সন্দীপের বিরুদ্ধে

    আরজি কর (RG Kar Medical) কাণ্ড সামনে আসতেই নানা অভিযোগ ওঠে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এমনকি ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন বলে, বাড়িতে ফোন করে বলার নেপথ্যেও সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) রয়েছেন বলে দাবি করে আন্দোলনকারীরা। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এমন ক্ষোভ অবশ্য শুধুমাত্র জুনিয়র ডাক্তারদেরই নয়, বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠনেরও রয়েছে। তাঁরা বলছেন, ‘‘উনি ইস্তফার নাটক করছেন! তার নাকি খুব দুঃখ হয়েছে, ওঁকে কোথাও বদলি নয়, ওঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারী তদন্ত করতে হবে। উনি ঘটনার তথ্য প্রমাণ নষ্ট করছেন।’’

    স্বাস্থ্য ভবনে নিজের সাম্রাজ্য বানিয়ে ফেলেছিলেন

    প্রভাবশালী সন্দীপ (Sandip Ghosh) স্বাস্থ্য ভবনে নিজের সাম্রাজ্য বানিয়ে ফেলেছিলেন বলে দাবি করেন অনেকে। সন্দীপের দাপট-প্রভাবের সামনে টিকতে পারে না কেউই। কোনও ডাক্তারি পড়ুয়া তাঁর অপছন্দের হলে তাঁকে ফেল করিয়ে দিতেন নাকি সন্দীপ, এমন অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। আবার আরজি কর (RG Kar Medical) হাসপাতালে দুর্নীতি, অনিয়ম, বেনিয়ম যে রয়েছে তার পিছনে থাকতেন সন্দীপ, এমনটাই অভিযোগ। একাধিক বার তাঁকে বদলি করা হয়। কিন্তু প্রভাবশালী সন্দীপ বরাবরই ফিরে আসেন আরজি করের অধ্যক্ষ হয়ে। সমালোচকরা বলছেন, ‘‘আরজি করে কী আছে! সেটা হয়তো সন্দীপই বলতে পারবেন, এই হাসপাতালের প্রতি কেন সন্দীপের এত মোহ!’’

    সন্দীপের (Sandip Ghosh) দাবি

    একবার সন্দীপ ঘোষের বদলে উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সনৎ ঘোষকে আরজি করে আনা হয়েছিল। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে অল্প সময়ের মধ্যে ফের সন্দীপ আবার ফিরে আসেন আরজি করে (RG Kar Medical)। আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা তাঁকে ‘কুকর্মের মাস্টারমাইন্ড’ বলছেন। তবে সন্দীপ দাবি করেন, তিনি দুষ্কর্ম রুখে দিয়েছেন! আরজি করে তিনি কেমন দুষ্কর্ম রুখেছেন তা সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সামনে আসার পরই বোঝা যাচ্ছে, নতুন করে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সন্দীপ দাবি করেন, আরজি কর ছিল ঘুঘুর বাসা, তোলাবাজি চলত দেদার এবং তাতে নাকি নেতাদের মদতও ছিল। তিনি এসে সবকিছু বন্ধ করেছেন। এখন নাকি আরজি করে তোলাবাজি হয় না, ঘুষ দিতে হয় না এবং রোগীরদের পরিষেবা যথেষ্ট! সন্দীপ আরজি কর কেমন নিজের হাতে সাজিয়েছেন? জুনিয়র চিকিৎসরা বলছেন, আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের গায়ে লাথি মেরে অধ্যক্ষের রুমে ঢোকেন তিনি।

    সন্দীপের বিরুদ্ধে অনেকের ক্ষোভ, বলছেন তৃণমূল বিধায়কই 

    সন্দীপ (Sandip Ghosh) যে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ, একথা সকলেই জানেন। শাসক দলের বদান্যতায় তাঁর এত প্রভাব-প্রতিপত্তি। কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হলেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক স্বর্ণ কমল সাহা। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে দেখা গেল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যানকে। জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষ আগে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের এমএসভিপির দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময়ে চিকিৎসক থেকে অনেক মহলই তাঁর ওপরে ক্ষুব্ধ থাকত বলে দাবি স্বর্ণকমলের। কারণ তিনি নিজের মতো করে চলেন, সহজে যে কোনও চিকিৎসক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারতেন না। অ্যাপয়েন্টমেন্ট না নিয়ে কেউ দেখা করতে এলে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে বাইরে বসিয়ে রাখা হত। এরকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলতে চলতে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। সন্দীপকে (Sandip Ghosh) ন্যাশনালে বদলির বিষয়ে স্বর্ণ কমল সাহা রীতিমতো বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন সাংবাদিকদের সামনেই। তাঁর মতে, ন্যাশনালের নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে আরজি করের (RG Kar Medical) মতো দুর্ঘটনা এখানে না ঘটে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: আরজি কর হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামল কলকাতা। সোমবার কলেজ স্কোয়্যার থেকে একটি মিছিল করে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Incident) উদ্দেশে হাঁটলেন কলকাতার বিশিষ্ট নাগরিক থেকে শুরু সাধারণ মানুষ। আজ, মঙ্গলবার বিকেল ৪টে থেকে শুরু হবে ‘ধিক্কার পদযাত্রা’। প্রতিবাদ মিছিলে (Protest Rally) হাঁটার কথা রয়েছে অপর্ণা সেন, সোহিনী সেনগুপ্ত, পল্লব কীর্তনীয়া, মীরাতুন নাহার, সুজাত ভদ্র-সহ শহরের বিশিষ্টজনদের। সময় গড়াচ্ছে যত, ততই তীব্র হচ্ছে আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলন। ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন এবার ছড়িয়ে পড়ল স্কুলের চৌহদ্দিতেও।

    আজ কোথা থেকে মিছিল

    মঙ্গলবার, শ্যামবাজার নেতাজি মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হবে মিছিল। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেটের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হওয়ার কথা। আরজি করের আন্দোলনকারী (RG Kar Incident) চিকিৎসকরা সন্দেহ করছেন, এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের সেই সন্দেহের কথা উড়িয়ে দেননি পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলও। পুলিশের তরফে একটি হেল্পলাইন নম্বরের কথা জানিয়েছেন তিনি। আন্দোলনকারীদের কাছে তিনি অনুরোধ করেছেন, যদি তাঁদের কারও উপর সন্দেহ থাকে, সেটা যেন পুলিশকে জানানো হয়। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মেডিক্যাল পড়ুয়ারা তো বটেই আন্দোলনে সামিল হন অন্য কলেজের পড়ুয়ারাও। এমনকী, দেখা যায় দিদিমণিদের পাশে নিয়ে মিছিলে হাঁটছে স্কুলের পড়ুয়ারাও। বাগবাজার থেকে স্কুল পড়ুয়াদের মিছিলও পৌঁছে গেল আরজি কর হাসপাতালে। 

    আরও পড়ুন: আরজি করের অধ্যক্ষ কার নয়নের মণি? অভিযোগের পাহাড় নিয়েও টিকে গেলেন কীভাবে?

    ঘরে-বাইরে চাপ

    মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে প্রতিবাদ, আন্দোলনের ঝাঁজ ক্রমেই বাংলার সীমানা ছাপিয়ে অন্য রাজ্যগুলিতেও পৌঁছে গিয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, লখনউ, কর্নাটক-সহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দিল্লি এইমসের সামনেও পোস্টার হাতে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে শামিল হতে দেখা গিয়েছে চিকিৎসকদের। সোমবার আরজি করের (RG Kar Incident) সামনে নাগরিক মিছিল (Protest Rally) আটকে দেয় পুলিশ। কলকাতার রাস্তায় ইতিমধ্যেই প্রতিবাদে শামিল হতে দেখা গিয়েছে কৌশিক সেন, ঋদ্ধি সেন, চৈতি ঘোষাল, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়দের। আন্দোলনকারীদের সুরেই মিছিলে যোগ দেওয়া সমাজকর্মীরা দাবি তোলেন, অবিলম্বে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে হবে। যাঁরা এর জন্য দায়ী, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে হবে। পরিবেশ উত্তপ্ত বুঝেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রবিবারের মধ্যে তদন্তের কিনারা না হলে সিবিআই-এর হাতে তদন্তভার তুলে দেবেন তিনি। কিন্তু এতদিন আরজি করে যে অরাজকতা চলছিল সে বিষয়ে নীরবই থেকেছেন মমতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share