Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Chopra: চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ! মহিলা নির্যাতনে নিন্দার জবাবেই কি পুলিশের পদক্ষেপ?

    Chopra: চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ! মহিলা নির্যাতনে নিন্দার জবাবেই কি পুলিশের পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার (Chopra) মহিলা নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। তার আঁচ গিয়ে পড়েছে দিল্লির সংসদ ভবনেও। বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করছেন। “রাজ্যে কি শরিয়তি আইন প্রয়োগ হয়েছে?”, মন্তব্য তাঁর। ইতিমধ্যে মূল অভিযুক্ত তাজমুলকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। এই সব কিছুর মধ্যে শোকজ করা হয়েছে চোপড়া থানার আইসিকে। কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে রাজ্য পুলিশ একথা জানিয়েছে।

    নিজে থেকেই মামলা রুজু করেছে পুলিশ (Chopra)  

    পুলিশ (Police) পোস্ট করে জানিয়েছে, “ঘটনার কথা জানতে পেরেই তারা সঙ্গে সঙ্গে মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের তরফে এরপর নিজে থেকেই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যে মহিলা এই ঘটনার শিকার হয়েছেন, তাঁকে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই ভাবে পুলিশ আরও জানিয়েছে, “ইসলামপুর পুলিশ জেলার চোপড়া (Chopra) থানা এলাকায় মহিলাকে জনসমক্ষে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে। সকলে এই বিষয়ে সাবধান থাকুন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘জেসিবি’র আরও কীর্তি! পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিছিলে গুলি চালিয়ে হয়েছিলেন গ্রেফতার!

    ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ (Chopra)  

    ধৃত তাজমুলের ওরফে জেসিবির (Chopra) বিরুদ্ধে ২টি জামিনঅযোগ্য এবং তিনটি জামিনযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যেবেলায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ জেসিবির ১০ দিনের হেফাজত দাবি করলে, বিচারক ৫ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। আবার সরকার পক্ষের আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল জানিয়েছেন, “ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। খুনের চেষ্টা, শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে জেসিবির বিরুদ্ধে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    Nadia: নদিয়াতেও বুলডোজার! উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি, হল প্রতিবাদ মিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরেও বুলডোজারের মাধ্যমে শুরু হয়েছে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার কাজ। এরই মধ্যে দোকান হারানো ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াল বিজেপি। সোমবার বিজেপির এক প্রতিনিধি দল কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগ শুনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। শুধু তাই নয় হকারদের পুনর্বাসনেরও দাবি তুলেছেন তারা।

    উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে বিজেপি নেত্রী রানিমা (Nadia)

    কৃষ্ণনগর (Nadia) লোকসভা কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি  (BJP) প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায়ের স্বামী শারীরিক অসুস্থতার জন্য রয়েছেন কৃষ্ণনগরের বাইরে। রাজ পরিবারের সদস্য তথা রানিমার স্বামী সৌমিশ চন্দ্র রায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই অবস্থার মধ্যে কৃষ্ণনগরের ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়াসহ হকারদের পুনর্বাসনের দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেন, বুলডোজার চালিয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা করছি। আগামীতে এই লড়াইয়ে আমরা সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছি।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    হকার উচ্ছেদে প্রতিবাদ মিছিল!

    বেআইনিভাবে হকার উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে জেলা হকার রক্ষা মঞ্চ এবং বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল করা হল নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। সোমবার কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড় থেকে  জেলাশাসকের দফতর পর্যন্ত মিছিল করা হয়। পরে, মহকুমা শাসকের কাছে একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়। উল্লেখ, দিন কয়েক আগে রাজ্য সরকারের নির্দেশে কোতোয়ালি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে কৃষ্ণনগরের বেশ কয়েকটি জায়গায় হকার উচ্ছেদ করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, যে সমস্ত হকারদের বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। কীভাবে নোটিশ না দিয়ে দোকান ভেঙে ফেলা হল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। তাদের দাবি, এরপর হকার উচ্ছেদ করতে গেলে বিভিন্ন হকারি যে সংগঠন রয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যে সংগঠন রয়েছে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra: ‘জেসিবি’র আরও কীর্তি! পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিছিলে গুলি চালিয়ে হয়েছিলেন গ্রেফতার!

    Chopra: ‘জেসিবি’র আরও কীর্তি! পঞ্চায়েত নির্বাচনে মিছিলে গুলি চালিয়ে হয়েছিলেন গ্রেফতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জেসিবি’ (JCB) আসল নাম তাজমুল হক। এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী বলেই পরিচিত তিনি। যদিও তৃণমূলের কোনও পদে নেই বলেই বর্তমানে দাবি করছেন স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমান ও জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। এর আগেও একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষের দিন চোপড়ার (Chopra) সিপিএম কর্মী মনসুর আলিকে গুলি করে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এই তাজমুল ওরফে জেসিবি।

    পুলিশ প্রশাসনও ভয় পায় (Chopra)!

    তাঁর কর্মকাণ্ডে সমাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। ‘ইনসাফ’ সভার নামে এক তরুণ-তরুণীকে প্রকাশ্য রাস্তায় মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করেছেন। তরুণের শরীরে ছিলা না জামা, তরুণীর পরনে ছিল নাইটি। হাত পিছনে বেঁধে ঘোরান হচ্ছিল। কার্যত তালিবানি কায়দায় অত্যাচার করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন জেসিবি। তাঁর বাড়ি চোপড়ার (Chopra) লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কোর কমিটির চেয়ারম্যান তিনি। পুলিশ প্রশাসন তাঁর দাপটে ভয় পায়। এলাকার কোনও মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে চান না। কার্যত এই এলাকা ছিল তাঁর স্বাধীন সাম্রাজ্য।

    খুনের মামলায় অভিযুক্ত জেসিবি

    শুধুমাত্র শাসকদলের নেতা হওয়ায় পুলিশের কাছে প্রতিবার ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন তাজমুল (JCB)। সমাজ বিরোধী কাজ হিসেবে লুটপাট, খুন এবং তোলাবাজি সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গুলি করে হত্যা করেছিলেন সিপিএম কর্মীকে। এই বিষয়ে সিপিএমের দাবি, “পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের মিছিলে গুলি করেছিলেন এই অভিযুক্ত তাজমুল। প্রথমে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করলেও ১৫ দিন পর ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন।” আবার উত্তর দিনাজপুরের (Chopra) কংগ্রেস ব্লক সভাপতি মাসিরুদ্দিন বলেছেন, “আমাদের জোটের মিছিলে গুলি করেছিলেন তাজমুল। এক সিপিএম নেতা মারা গিয়েছিলেন। অনেকে জখম হয়েছিলেন। এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতী জেসিবি।”

    জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের(Chopra)

    রবিবার জেসিবিকে চোপড়া থেকে (Chopra) গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ স্বতঃপ্রণেদিত ভাবে মামলা দায়ের করেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং বলপ্রয়োগ করার অভিযোগও দায়ের করছে পুলিশ। পুলিশ ৩২৩, ৩২৫, ৩৫৪, ৩০৭ ও ৩৪ আইপিসি ধারায় মামলা দায়ের করেছে এবং তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুনঃ চন্দ্রকোনায় সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

    মুসলিম রাষ্ট্রে সামজিক আচার বিচার

    চোপড়ার (Chopra) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ব্যাখ্যা আরও ভয়ানক। তিনি বলেছেন, “মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার বিচার হয়েই থাকে। সমাজকে খারাপ করছিল। তাই গ্রামে সালিশি বসানো হয়েছিল। তাই শাসন করতে গিয়েছিল। কিন্তু যেটা করেছে, একটু বেশি বেশি করে দিয়েছে। তার জন্য আমরাও দুঃখিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের পার্টি অফিসে হাজিরা দেননি বিজেপি কর্মীরা, বন্ধ করা হল রেশন, আরামবাগে শোরগোল

    Arambagh: তৃণমূলের পার্টি অফিসে হাজিরা দেননি বিজেপি কর্মীরা, বন্ধ করা হল রেশন, আরামবাগে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই বিজেপি করার অপরাধে বেশ কয়েকজন কর্মীর রেশন বন্ধ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায়। ইতিমধ্যে বঞ্চিত বিজেপি কর্মীরা মহকুমা শাসকের কাছে দরবার করেছেন।

    কেন বন্ধ করা হল রেশন? (Arambagh)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই এলাকার তৃণমূলের নেতারা দাদাগিরি ফলাচ্ছেন। বিজেপি কর্মী পলাশ ঘোষ, রেনুপদ ধক ও ধীরেন ধককে তৃণমূলের দলীয় অফিসে ডাকা হয়। তাঁরা সেখানে না যাওয়ায় তাঁদের রেশন একেবারেই বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও অভিযোগ, বাড়ির মহিলারা রেশন আনতে গেলে তাঁদেরকে লাইন থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ওই পরিবারগুলি। বাড়ির বাইরে গেলে তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আরামবাগ মহকুমা (Arambagh) শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই। তিনি ওই ব্যক্তিদের বাড়িতে তাঁদের রেশন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানান।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    রেশন ডিলার কী বললেন?

    রেশন ডিলার গোপাল কোলের অবশ্য দাবি, “তৃণমূলের (Trinamool Congress) নির্দেশে ২০-২৩ জনের রেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের আবার রেশন দেওয়া হয়। কিন্তু কোনওভাবে এই তিনজন রেশন থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছে। তাঁরা দোকানে এলেই তাঁদের রেশন দিয়ে দেওয়া হবে।” যদিও এই ঘটনার পর থেকে ওই রেশন ডিলারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। তাঁকে নাকি গ্রাম ছাড়া করা হবে বলেই নিদান দেন তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী। এই ঘটনায় ওই রেশন ডিলার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।

    তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    গৌরহাটি-১ নম্বর পঞ্চায়েত প্রধান (Trinamool Congress) জ্যোৎস্নারা খাতুনও  বলেন, “রেশন বন্ধের বিষয়ে আমার কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। ঘটনাটা যদি সত্যি হয় আমি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। রাজ্য সরকারের প্রকল্পের দল দেখে দেওয়া হয় না। এই সুবিধা সকলের প্রাপ্য।” তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী দলীয়ভাবে রেশন বন্ধের বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। কোচবিহারের ঘটনায় বিধানসভায় (West Bengal Assembly) বিক্ষোভ অবস্থানের কথা আগেই জানানো হয়েছিল বিজেপির তরফে। আর এবার তার সঙ্গেই জুড়ে গিয়েছে চোপড়ার ঘটনাও। কোচবিহার এবং চোপড়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবার বিধানসভার সামনে ধর্নায় বসলেন বিজেপির মহিলা বিধায়করা (BJP MLAs Protest)। বিজেপি বিধায়িকা তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে চলছে ধর্না কর্মসূচি। অন্য দিকে, চোপড়ার ঘটনায় রাজ্যের পরিস্থিতিতে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রের খবর, এই ঘটনায় নবান্নের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    বিজেপির দাবি (BJP MLAs Protest)

    সোমবার সকালে বিধানসভার (West Bengal Assembly) গাড়ি বারান্দার সামনে বিক্ষোভে অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গে বসেন শিখা চট্টোপাধ্যায়, চন্দনা বাউড়িরা। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে শুরু হয় অবস্থান কর্মসূচি। প্ল্যাকার্ডে কোচবিহারের ঘটনার উল্লেখ করে নারী নির্যাতনকারীদের শাস্তির দাবি করেছেন তাঁরা। সেইসঙ্গে ২০১১-র পর থেকে কতজন নারী নির্যাতনকারীর শাস্তি হয়েছে, তার জবাবও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চেয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, শাসকদলের নেতৃত্বে রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে। অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে বিজেপি (BJP MLAs Protest)। 

    কেন এই বিক্ষোভ? (West Bengal Assembly) 

    কোচবিহারের ঘটনা নিয়ে সোমবারই বিধানসভায় সরব হবে বিজেপি তা আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো বিধানসভায় ধর্না দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন বিজেপির মহিলা বিধায়কেরা। তবে সেই অনুমতি না মেলায় সোমবার সকালে বিধানসভার গাড়িবারান্দার সামনে বিক্ষোভে বসেন অগ্নিমিত্রা। এ প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোচবিহারে বিজেপির প্রতিনিধিদল যাওয়ার পর পুলিশ নির্যাতিতার বয়ান নিল। আর সেই ঘটনার পরেই আমরা দেখলাম চোপড়ায় তৃণমূল নেতা এক জন মহিলার উপর প্রকাশ্যে অত্যাচার করছেন। আমরা রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ধর্না (BJP MLAs Protest) অবস্থান করছি।”

    অন্যদিকে এদিনের নির্দিষ্ট কর্মসূচির আগেই বরানগরের জয়ী প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় আর ভগবানগোলার জয়ী প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকাররা বিধানসভায় (West Bengal Assembly) আম্বেদকর মূর্তির নীচে এসে ধর্নায় বসে যান। 
    এরপরেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার কাণ্ডে বিজেপি বিধায়কদের ধর্না প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, “অনুমতি ছাড়া বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs Protest) বিক্ষোভ করছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক আগে আবেদন করেছিলেন তাই ওদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি ওদের (বিজেপি) অনুমতি দিইনি। কেন বসেছে জানি না। ব্যবস্থা নেওয়া যায় কী ভাবে, দেখছি। মার্শালকে বলব বিষয়টি দেখতে। আজ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন। আজকের দিনে মাল্যদান অনুষ্ঠানে না এসে ওনারা ধর্না করছেন।”

    আরও পড়ুন: লোনাভালার জলপ্রপাতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের ৭ জন! প্রকাশ্যে ভিডিয়ো

    আগে কী ঘটেছিল?  

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। এ বার সেই সঙ্গে জুড়ল চোপড়ার ঘটনা। রবিবার দুপুরেই তৃণমূলের চোপড়ার (Chopra) নেতা তাজম্মুল ওরফে ‘জেসিবি’র একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োয় দেখা যায় এক তরুণীকে রাস্তার মধ্যে ফেলে এক ছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন জেসিবি। মার খেতে খেতে গুটিয়ে যাওয়া মেয়েটিকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা হচ্ছে। তার পরে আবার শুরু হচ্ছে মার। একই সঙ্গে এক তরুণকেও একই ভাবে মারতে দেখা যায়। ওই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Land Encroachment: চন্দ্রকোনায় সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

    Land Encroachment: চন্দ্রকোনায় সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমি দখল (Land Encroachment) করার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক বৈঠক করে দিয়েছিলেন উচ্ছেদের নির্দেশ। অথচ শাসক দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করার ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। এই আবহের মধ্যে মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় সরকারি খাস জমি-সহ একটি কবরস্থান দখলের অভিযোগ উঠেছে জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধেই। ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ (Land Encroachment)

    গত শুক্রবার কবরস্থান দখলের অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়। এরপর এলাকার মানুষ জমিতে বেড়া দিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁদের অভিযোগ, ওই জমি সরকারি খাতায় করবস্থান বলে পরিচিত। কিন্তু এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার মদতে এই জমি রায়তি বলে রেকর্ড করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। জমি কেলেঙ্কারির (Land Encroachment) অভিযোগে অভিযুক্ত এই নেতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জমির শ্রেণী পরিবর্তন করায় ভূমি দফতরের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক বলেছেন, “কবরস্থানটি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।” আবার চন্দ্রকোনা (Chandrakona) পুরসভার চেয়ারম্যান প্রতিমা পাত্রের বক্তব্য, “অভিযোগ পেয়েছি। পুরসভা কড়া পদক্ষেপ করবে। দখল করা সরকারি জমি (Land Encroachment) পুনরুদ্ধার করা হবে।”

    কবর স্থানের মোট জমি ৩৬ শতক (Land Encroachment)

    চন্দ্রকোনা (Chandrakona) পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নরহরিহরি মৌজায় নির্দিষ্ট একটি দাগের ৩৬ শতক জমি কবরস্থান বলে উল্লেখ করা ছিল। সেটি বহু আগে থেকেই এলাকায় কবরস্থান নামে পরিচিত। কিন্তু মাত্র একবছর আগে এই জমি দখল (Land Encroachment) হয়ে যায়। একই ভাবে চন্দ্রকোনা শহরের বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া নির্দিষ্ট একটি দাগের মোট ২৮৪ শতক জমি ঘেরা হয়েছিল। এর মধ্যে একটা বড় অংশ রায়ত জমি এবং তার সঙ্গে সরকারি জমিও রয়েছে। রাতারাতি রায়তের ৩৬ শতক কবরস্থান, ডাঙা বাঁশ বাগান হিসাবে দখল করে নিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ জঙ্গি-যোগে চেন্নাইয়ে এসটিএফের জালে মঙ্গলকোটের আনোয়ার!

    জেলা ভূমি দফতরের বক্তব্য

    জেলা ভূমি দফতরের একপদস্থ আধিকারিক বলেছেন, “অভিযোগ ইতিমধ্যেই আমরা পেয়েছি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বলা যাবে কতটা জমি দখল (Land Encroachment) হয়েছে। সবটা উদ্ধার করা হবে। জমি পরিবর্তনের বিষয়টিও আমরা খতিয়ে দেখব।” আবার তৃণমূল নেতা হীরালাল ঘোষ বলেছেন, “এই জমি দখলের খবর রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় ভাবে তদন্ত করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    Malda: লাঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী-বিডিওকে তাড়া করলেন মহিলারা, মালদায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল সরকারের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল  হোসেন। লাঠি উঁচিয়ে তাঁকে তাড়া করলেন গ্রামের মহিলারা। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের রশিদপুর গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ত্রাণ নেই, ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা (Malda)

    ভাঙন-কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও (Malda) তাপসকুমার পালসহ অন্য প্রশাসনিক কর্তারা। মন্ত্রীসহ প্রশাসনিক কর্তাদের ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাঁদের বক্তব্য, ফুলহার নদীতে গত কয়েকদিনে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। যার ফলে এলাকা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে গ্রামের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ভেসে গিয়েছে। কিন্তু, সরকারের কোনও হেলদোল নেই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের কেউই গ্রামে আসেননি। ত্রাণেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। এই অভিযোগ তুলেই মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। রীতিমতো লাঠি নিয়ে মন্ত্রী ও বিডিওকে তাড়া করতে দেখা যায়। নিজেকে বাঁচাতে নৌকায় উঠে পড়তে হয় মন্ত্রীকে। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় রশিদপুরে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    মন্ত্রী তাজমুল হোসেন (Trinamool Congress) বলেন, ‘রশিদপুর গ্রামের খুবই খারাপ অবস্থা। সেচ দফতর কিছু কাজ করেছে। কিন্তু, আরও কাজ বাকি আছে। সেচ দফতরকে বলব, বাকি কাজ শেষ করতে। আমি নিজেও সেচমন্ত্রীকে যা বলার বলব।’ গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিডিও তাপসকুমার পালও। তিনি বলেন, ‘গ্রামবাসীদের ক্ষোভের কথা শুনলাম। কী করা যায়, তা ওপর মহলের সঙ্গে কথা বলে করতে হবে।’এ-বিষয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন আরও বলেন, “এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন খগেন মুর্মু। এই বিক্ষোভ তাঁকে ঘিরে দেখানো উচিত। ভাঙন রোধের কাজে কেন্দ্র ও তাদের জনপ্রতিনিধি জেলার জন্য, মানুষের জন্য কিছুই করেন না। রাজ্য যেটুকু পারছে, সাধারণ মানুষের জন্য করছে।”

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    মন্ত্রীকে (Trinamool Congress) পালটা কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা আমি করেছি। ভাঙন রোধের অর্থ চেয়ে রাজ্য সরকার চিঠি দিক। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্যই সাহায্য করবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist: জঙ্গি-যোগে চেন্নাইয়ে এসটিএফের জালে মঙ্গলকোটের আনোয়ার!

    Terrorist: জঙ্গি-যোগে চেন্নাইয়ে এসটিএফের জালে মঙ্গলকোটের আনোয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে সেইবার তথ্য প্রমাণ না মেলায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত শুক্রবার মঙ্গলকোটের কুলসোনা গ্রামের অভিযুক্ত আনোয়ার শেখকে চেন্নাই থেকে জঙ্গি-যোগে (Terrorist) আরেক বার গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হল, বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের শাখা ‘শাহদাত’-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। চেন্নাইতে একটি লন্ড্রিতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। শনিবার তাকে দুর্গাপুর আদালতে তোলা হলে, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্রের দাবি (Terrorist)

    মঙ্গলকোটের (Mangalkot) কুলসোনা গ্রামে আগেই জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে আনয়ারের বিরুদ্ধে। শিমুলিয়া মাদ্রাসার নাম উঠে আসে গোয়েন্দাদের হাতে। তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে খবর, এই মাদ্রাসায় যাতায়েত ছিল কালাম শেখের। তবে কালাম তখন পালাতক ছিল। কালামের খোঁজ পেতে আনোয়ারকে প্রথমে আটক করা হয়েছিল। পরে আনোয়ারকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে খাগড়াগড়কাণ্ডে অভিযুক্ত কালামের খোঁজ পেতে তিন লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল এনআইএ। পরবর্তী সময়ে তাকে কেরল থেকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে দোষী প্রমাণিত হয়ে জেলে বন্দি কালাম। এবার একই গ্রামের যুবক আনোয়ারকে আবার গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, খাগড়াগড়কাণ্ডের (Mangalkot) সঙ্গে যোগ থাকা এক জঙ্গি (Terrorist) চাঁইয়ের সঙ্গে আনোয়ারের যোগ ছিল বলে সন্দেহ করেছিলেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুনঃ চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    পরিবারের বক্তব্য

    আনোয়ারের স্ত্রী রেজিনা বিবি বলেন, ‘‘আমার স্বামী জঙ্গি (Terrorist) সংগঠনের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত থাকতে পারে না। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ ফোন করে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে। গ্রামে কাজ ছিল না বলে আমার স্বামী মাস ছয়েক আগে চেন্নাইয়ে কাজে গিয়েছিল। ওকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: হুগলিতে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Hooghly: হুগলিতে বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বিজেপি কর্মীকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) ধনেখালিতে। পুলিশ জানিয়েছে, জখম বিজেপি কর্মীর নাম সমীরণ মুর্মু। তাঁকে চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন হামলা? (Hooghly)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটে এলাকায় দলের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বিজেপির এস টি মোর্চার কর্মী সমীরণ মুর্মু। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের লোকজন তাঁকে হুমকি দিত বলে অভিযোগ। রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ধনেখালির (Hooghly) কানা নদী এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। রাস্তায় ফেলে লাঠি, লোহার রড, বাঁশ দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আক্রান্তের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। দলীয় কর্মীরা খবর পেয়েই ওই বিজেপি কর্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে একটি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান। খবর দেওয়া হয় ধনেখালি থানায়। বিজেপি কর্মীর মা সরমা মুর্মুর বলেন, “আমার ছেলে বিজেপি করে বলেই মারধর করেছে তৃণমূলের লোকজন। ওর সঙ্গে ব্যক্তিগত কারও কোনও শত্রুতা নেই। আমাকে তো সব কথা বলে না। তবে, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে ওকে আতঙ্কে থাকতে দেখেছি। এভাবে ছেলেকে তৃণমূলের লোকজন মারবে ভাবতে পারিনি। ওদের শাস্তি চাই।” ঘটনার পর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আক্রান্তের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ আধিকারিকরা। এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে চুঁচুড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে গণপিটুনি, মৃত্যু আরও ১ যুবকের! রাজ্যে ৩ দিনে মৃত ৫

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতারা বলেন, সমীরণ বিজেপির সক্রিয় কর্মী। যারজন্য তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। দলের তরফ থেকে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল নেতারা বলেন, “পাড়ার সমস্যা। এর মধ্যে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ! কী বলল হাওয়া অফিস?

    Weather Update: ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ! কী বলল হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এসেছে। গত সপ্তাহ থেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হয়েছে শহরে (Rainfall in Kolkata)। নেমেছে তাপমাত্রার পারদও। আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি যদিও রয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, আগামী ৪ দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আগামী সাতদিন টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে তাই বাংলার উপকূলে মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    হাওয়া অফিসের সতর্কতা

    বঙ্গোপসাগরে এই মুহূর্তে একটি নিম্নচাপ রয়েছে। তার ফলে সোমবার থেকে সমুদ্রে উত্তাল হতে পারে। আবহবিদেরা (Weather Update) জানিয়েছেন, সোমবার এবং মঙ্গলবার মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে যেতে পারবেন না। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার থেকে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে।  আগামী দু’দিন নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রে ঝোড়ো আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে। সোমবার এবং মঙ্গলবার উপকূলে ঢেউয়ের উচ্চতাও বেশি হতে পারে।

    ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    বুধবার দক্ষিণবঙ্গের তিনটি জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বুধবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায়। বেশি বৃষ্টি হবে কলকাতাতেও (Rainfall in Kolkata)। সোমবার সকাল থেকে শহরের আকাশ মেঘলা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি। বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তিও থাকবে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার কিছুটা বেশি বৃষ্টি কলকাতায়। এদিন রাতের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি থেকে বেড়ে ২৭.৯ ডিগ্রি। রবিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি থেকে কমে ৩০.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৮৮ থেকে ৯৬ শতাংশ। সামান্য বৃষ্টি হয়েছে গত ২৪ ঘন্টায়। 

    আরও পড়ুন: বার্বাডোজে ‘বন্দি’ রোহিতরা! বন্ধ বিমানবন্দর,কী ভাবে ফিরবেন দেশে?

    উত্তরে বৃষ্টি চলছেই

    উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই সপ্তাহভর বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে সোমবার এবং বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share