Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Balurghat: কাটমানি নিয়ে চেয়ারম্যানের মদতে চলছে জলাশয় ভরাট! এসডিও-র কাছে নালিশ বিজেপির

    Balurghat: কাটমানি নিয়ে চেয়ারম্যানের মদতে চলছে জলাশয় ভরাট! এসডিও-র কাছে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট পুরসভার খোদ চেয়ারম্যান অশোক মিত্রের ওয়ার্ডে চলছে জলাশয় ভরাট। নিজের ওয়ার্ডে ভরাট চললেও পুরকর্তৃপক্ষ নজর না দেওয়ায় উঠছে প্রশ্ন। সরব হয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’দিন আগেই সরকারি জায়গা দখল হওয়া নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। জলাশয় ভরাট না করার কথা বলেছেন বার বার। তারপরেও পুরসভা (Balurghat) পদক্ষেপ না নেওয়ায় এবার মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি।

    কীভাবে ভরাট হচ্ছে জলাশয়? (Balurghat)

    জানা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে কিংবা মাঝেমধ্যেই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওই জলাশয়ে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা ও নির্মাণ সামগ্রী ফেলা হচ্ছে। চেয়ারম্যানের (Balurghat) মদতেই এই ডোবা ভরাট হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। ওই ওয়ার্ডে রয়েছে একাধিক জলাভূমি ও ডোবা।  নানা সময়ে সেগুলি ভরাটের অভিযোগ আসে। এবার সন্তোষী মন্দিরের কাছে জলাশয় ভরাটের অভিযোগ। ওই জমির চরিত্র জলাভূমি রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। ফলে, সেটি কোনওভাবেই ভরাট করা যায় না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক সুব্রত কুমার বর্মনও। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই জয়দেব পাল জলাশয় ভরাটের কথা স্বীকার করেছেন। কারও কাছে অনুমতি নেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র আমাদের রাস্তা করার জন্য এ ভরাট করেছি। রাস্তা না হলে যাতায়াত করা মুশকিল হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    চেয়ারম্যান (Balurghat) অশোক মিত্র বলেন, বিজেপি নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতে পুরসভার বিরুদ্ধে কুৎসা, অপপ্রচার করে থাকে। আমার কাছে এখনও এই ধরনের অভিযোগ বা তথ্য আসেনি। বিজেপি যে জায়গার কথা বলছে, সেটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি। পারিবারিক সমস্যা রয়েছে। জলাশয় বলতে সেখানে কিছু নেই। আর জলাশয় ভরাট করা হলে পুরসভা বরদাস্ত করবে না। এর আগে আমার ওয়ার্ডে জলাশয় ভরাটের খবর এসেছিল। সেবার পুরসভা কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবারও অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সরব বিজেপি

    বিজেপির (BJP) বালুরঘাট টাউন মণ্ডলের সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত বলেন, চেয়ারম্যানের মদতেই তাঁর বাড়ির কাছে জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে। এর আগেও তাঁর বাড়ির কাছে আরেকটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছিল। সেবার আন্দোলন হওয়ায় ভরাট করতে পারেনি। আমাদের মনে হয়, কাটমানি নিয়েই এই ভরাট চলছে। আমরা এসডিও’র কাছেও অভিযোগ দায়ের করেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রোবট অনন্যার প্রেমে ভোজনরসিকরা এই রেস্তোরাঁয় কেন ভিড় জমাচ্ছেন জানেন?

    Nadia: রোবট অনন্যার প্রেমে ভোজনরসিকরা এই রেস্তোরাঁয় কেন ভিড় জমাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্যা নামে রোবটে মজেছে কৃষ্ণনগরের একটি নামজাদা রেস্টুরেন্টের ভোজনরসিকরা। কিচেন রুম থেকে খাবার বয়ে নিয়ে, সোজা খাবার টেবিলে পৌঁছে যাচ্ছে এই অনন্যা। ভিড়ভাট্টা দেখলেই থমকে যাচ্ছে অনন্যা এবং বলছে “আমি অনন্যা খাবার নিয়ে যাচ্ছি আমাকে রাস্তা দিন”। শুধু তাই নয় গ্রাহকের স্পেশাল দিনে খাবার বা কেক ডেলিভারি করে গাইছে গান। আর তাই দিনের পর দিন ভিড় বেড়েই চলেছে নদিয়া কৃষ্ণনগরের (Nadia) ওই রেস্তোরাঁয়।

    তিনজন মহিলা মিলে শুরু করেছিলেন (Nadia)

    ২০১৩ সালে তিনজন মহিলা নিয়ে কৃষ্ণনগরের (Nadia) জাতীয় সড়কের ধারে একটি পেট্রোল পাম্পের পিছনে শুরু হয়েছিল রেস্তোরাঁটি। গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে ১১ বছরে একটি অভিজাত রেস্তোরাঁর সমকক্ষে পরিণত হয়েছে আজ। কিন্তু কেন রোবটের নাম অনন্যা? সে এক অজানা কাহিনী। যখন প্রথম শুরু হয়েছিল, তখন তিনজন মহিলার মধ্যে একজনের নাম ছিল অনন্যা। তাঁর বাড়ি, নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়াতে। রেস্তোরাঁর তিন মহিলার মধ্যে দুজনেই কাজ ছেড়ে চলে যান কিন্তু থেকে যান অনন্যা। আর অনন্যার হাত ধরেই আজ এই রেস্তোরাঁ পূর্ণতা ও পরিচিতি লাভ করেছে। আর সেই কারণেই অনন্যাকে সম্মান জানাতেই অত্যাধুনিক রোবটের নাম অনন্যা রাখা হয়েছে।

    আকর্ষণের মূল কেন্দ্র রোবট

    এখনও পর্যন্ত মোট চারটি অনন্যা নামের রোবট সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রমাগত মানুষের কাছে খাবার পরিবেশন করে যাচ্ছে। রোবটের চলার পথে ভিড়ভাট্টা হলেই দাঁড়িয়ে পড়ছে এবং জায়গা দেওয়ার অনুরোধ করছে। রেস্তোরাঁতে খাবার খেতে আসা সকলেই একটু ফাঁক পেলেই অনন্যার সঙ্গে ছবি তুলে নিচ্ছে। শিশুরা রোবট অনন্যাকে নিয়ে মজাও করছে খুব। মহিলা পরিচালিত রেস্তোরার (Nadia) বর্তমান মূল আকর্ষণ অনন্যা নামের এই রোবট।

    আরও পড়ুনঃ অভাবকে জয় করেছে মেধা, আইআইটি খড়্গপুরে পড়ার সুযোগ পেলেন মালদার অভিজিৎ

    রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    তবে রেস্তোরাঁ (Nadia) কর্তৃপক্ষের তরফে শুভঙ্কর মন্ডল বলেছেন, “এই রোবট শুধু খাবার ডেলিভারি নয় পরবর্তীতে হাউসকিপিং, ক্লিনিং সমস্ত কাজই করে। একদম নিজস্ব টেকনিক্যাল টিমের তৈরি এই রোবট। পরবর্তীতে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও বিক্রয় করা হবে। তবে অনন্যার এই কাজ খুবই প্রশংসিত হয়েছে স্থানীয় ভোজন রসিক থেকে শুরু করে দেশের বাইরের ভোজন রসিকদেরও। রাজ্যের একমাত্র রেস্তোরাঁ, যেখানে এখন আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত রোবটিক্স টেকনোলজিতে চলছে খাবার পরিবেশন এবং ভোজন রসিক গ্রাহকদের মনোরঞ্জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: অভাবকে জয় করেছে মেধা, আইআইটি খড়্গপুরে পড়ার সুযোগ পেলেন  মালদার অভিজিৎ

    Malda: অভাবকে জয় করেছে মেধা, আইআইটি খড়্গপুরে পড়ার সুযোগ পেলেন মালদার অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা, মানসিক ভারসাম্যহীন, বাবা নিখোঁজ! পরিবারে আর্থিক অভাব। এই পরিস্থিতি থেকে অল ইন্ডিয়া জেইই-তে ১৯১০ র‍্যাঙ্ক (এসসি) করে সকলকে চমকে দিয়েছেন মালদা (Malda) শহরের বাসিন্দা অভিজিৎ রায়৷ কাউন্সেলিংয়ে সুযোগ মিলেছে আইআইটি খড়্গপুরে৷ এলাকায় ব্যাপক উচ্ছ্বাসের আবহ। কিন্তু আইআইটিতে সুযোগ পেলেও তাঁর জন্য প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারের আর্থিক অভাব৷ এই দরিদ্র মেধাবী ছাত্রের সঙ্গে দেখা করতে যান বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ ৷ তাঁকে সংবর্ধনা জানিয়ে সাধ্যমতো সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন এই বিজেপি নেতা।

    অভিজিৎ-এর বক্তব্য (Malda) 

    অভিজিৎ বলেছেন, “অ্যাডভান্স জেইইতে পরীক্ষা দিয়ে এসসিতে ১৯১০ র‍্যাংক করেছি৷ আইআইটি খড়্গপুরে ম্যানুফ্যাকচারিং বিভাগে সুযোগ পেয়েছি৷ আর্থিক অভাবে ভর্তি নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল৷ মালদার (Malda) একটি ক্লাব সিট রিজার্ভের ব্যবস্থা করেছে৷ আজ দিলীপবাবু এসেছিলেন৷ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন৷ খুব ভালো লাগছে৷”

    দাদু টোটো চালিয়ে নাতিকে পড়াশুনা করান

    ইংরেজবাজার (Malda) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রিনপার্ক এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ রায়৷ বাবা মদন রায় ১৫ বছর আগে পরিবারকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন৷ মা অষ্টমী রায়, কন্যসন্তান মধুমিতা রায়কে জন্ম দেওয়ার পর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন৷ এই পরিস্থিতিতে দাদু রতন হালদার টোটো চালিয়ে নাতি-নাতনিকে বড়ো করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন৷ মালদা টাউন হাইস্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পর অল ইন্ডিয়া জেইই-র প্রস্তুতি শুরু করেন অভিজিৎ৷ প্রথম বছর তেমন সাফল্য না মিললেও হাল ছাড়েননি তিনি৷ স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতায় প্রস্তুতি চালিয়ে যান৷ অবশেষে গত ৯ জুন ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় সর্বভারতীয় স্তরে এসসি তালিকায় বিরাট সাফল্য এসেছে। 

    আরও পড়ুনঃ টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক!

    দিলীপের সাহায্যের আশ্বাস

    মেধবী ছাত্র অভিজিতের বাড়িতে (Malda) দেখা করতে যান প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ৷ নিজের আর্থিক সমস্যার কথা দিলীপবাবুকে জানান অভিজিৎ৷ সাধ্যমতো সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি৷ দিলীপবাবু বলেছেন, “বাবা নিরুদ্দেশ, মা মানসিক রোগী৷ সেই বাড়ি থেকে লড়াই চালিয়ে আইআইটিতে সুযোগ পেয়েছে অভিজিৎ৷ আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি৷ তাঁর জন্য ব্যাগ ও বইয়ের ব্যবস্থা করেছেন আমাদের জেলা সভাপতি৷ অভিজিৎ কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন ৷ আমরা চেষ্টা করছি৷ তাঁকে নিজের ফোন নম্বরও দিয়েছি ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা টাকা বেতন পাওয়ার পরও স্কুলের মতো কলেজের অধ্যাপকরা টিউশনের লোভ সামলাতে পারেন না। তাই, স্রেফ টিউশন পড়তে না আসায় ১১ জন পড়ুয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কাটোয়া (Katwa) কলেজের জুলজি বিভাগের অধ্যাপক কৌশিক সরকার এবং দুই অধ্যাপিকা সুলগ্না মুখোপাধ্যায় ও চন্দ্রাণী দাসের বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগ পড়ুয়াদের। আর এই ঘটনায় কলেজ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তিন অধ্যাপকের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানালেন পড়ুয়ারা (Katwa)

    জানা গিয়েছে, জুলজি বিভাগের (Katwa) তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কলেজ অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ১১জন পড়ুয়া। পড়ুয়ারা বলেন, “পঞ্চম সেমেস্টারের পরীক্ষার আগে থেকেই আমাদের ওপর রুষ্ট ছিলেন ওই তিনজন অধ্যাপক। তার পরিণতি এরকম হবে, তা কল্পনাও করতে পারিনি আমরা। শুধু তাই নয়,  ডিউটি না থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার দিন হলে এসে ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলানো থেকে শুরু করে ইন্টারনাল ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলেছেন তাঁরা। পরীক্ষা খারাপ হলে আমাদের কিছু বলার ছিল না। আমরা ওই অধ্যাপকের কাছে পড়িনি, এটাই আমাদের অপরাধ। তার খেসারত এভাবে দিতে হবে তা মেনে নিতে পারছি না। আমরা এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত দাবি করছি। আর সুবিচারের আশায় আমরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই আমরা দেখব। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কারণ, এই অন্যায়ের শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে আগামীদিনে এই অধ্যাপকরা শুধু অর্থের লোভে অন্য পড়ুয়াদের জীবন নষ্ট করে দেবে। সেটা হতে পারে না। ওই তিন অধ্যাপকের মুখোশ আমরা সকলের সামনে খুলে দেব।” যদিও অভিযুক্ত ওই তিনজন অধ্যাপকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    কলেজ (College) অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকার বলেন, “এই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে, যদি কলেজের কোনও অধ্যাপক, কলেজ আওয়ার্সে টিউশনি পড়ান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, কোন পড়ুয়া কার কাছে টিউশনি পড়বেন এটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারি না। আমরা সমস্ত ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: গাড়ি ব্যবহারে অনিয়ম! সরকারি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী, সরব বিজেপি

    Malda: গাড়ি ব্যবহারে অনিয়ম! সরকারি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি ব্যবহারে অনিয়ম ও সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মালদার (Malda) মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিঙ্কি মণ্ডলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই সরব হয়েছে বিজেপি। এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল পরিচালিত মানিকচক (Malda) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিঙ্কি মণ্ডল নিজের গাড়িকে সরকারি কাগজে দেখিয়েছেন ভাড়া গাড়ি হিসাবে। এই কায়দাতেই প্রতি মাসে সরকারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর এভাবেই মাসের পর মাস সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এদিকে সরকারি নির্দেশ বলছে, যে কোনও ভাড়া গাড়ি নেওয়ার ক্ষেত্রে আগে সরকারি টেন্ডার ডাকতে হয়। সরকারি নিয়ম মেনে সব কাজ করার পর বরাত দিতে হয়। এমনকী এই গাড়ি যিনি ব্যবহার করবেন তা তাঁর পরিবারের কেউ বা কোনও আত্মীয় স্বজন দিতে পারবেন না।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মানিকচক (Malda) মণ্ডলের আহ্বায়ক সুভাষ যাদব বলেন, “পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির জন্য যে গাড়ি বরাদ্দ করা হয়েছে তা আদপে তাঁর স্বামী অপু মণ্ডলের। সেই গাড়ির মাসিক ভাড়া বাবদ একটা মোটা অঙ্কের টাকা তাঁর স্বামীকে পাইয়ে দিচ্ছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। জনগণের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য তৈরি করা সরকারি তহবিল থেকেই দেওয়া হচ্ছে সেই টাকা। সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এতদিন নিজের স্বামীর গাড়িকে ভাড়া গাড়ি হিসাবে দেখিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। বিজেপির আরও অভিযোগ, পিঙ্কি মণ্ডল মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদে তো রয়েছেন, তার সঙ্গেই একটি হাইস্কুলের গার্লস হস্টেলেও পদ নিয়েছেন। সেখান থেকেও মাসে মাসে টাকা নিচ্ছেন। গোটা ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি করেছি আমরা।”

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির কী বক্তব্য?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পিঙ্কি মণ্ডল বলেন,  “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। বিডিও সাহেব সব খতিয়ে দেখবেন। তখনই সব প্রমাণ হয়ে যাবে। বিজেপি (BJP)অকারণে রাজনীতি করার জন্য এসব অভিযোগ করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    Hooghly: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাসনের বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করল হুগলির (Hooghly) উত্তরপাড়া পুরসভা। হাইকোর্টের নির্দেশে তৃণমূল পুরবোর্ড এই পদক্ষেপ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, একটি মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা ২৭ জুনের মধ্যে এই আবাসনের বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপরই পুরসভার ঘুম ভাঙে। আর এতেই আবাসনের আবাসিকদের ঘুম উড়ে গিয়েছে। পুরসভার মিউটেশন থেকে শুরু করে সমস্ত কাগজ থাকার পরও কেন এরকম হল সেই প্রশ্ন করছেন আবাসিকরা। তৃণমূল পুর বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    উদ্বেগে আবাসিকরা (Hooghly)

    জানা গিয়েছে, বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই মতো উত্তরপাড়া পুরসভার ৭ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দু’টি ফ্ল্যাটের অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়। ৫৬ নম্বর অমরেন্দ্র সরণিতে গঙ্গার পারে এই অবৈধ ফ্ল্যাটে মিউটেশন করে ট্যাক্স দিয়ে বসবাস করছিলেন অনেকেই। আবাসিকরা বলেন, ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছিলাম। পুরসভা সমস্ত মিউটেশনের কাজও করে দেয়। ট্যাক্সও দিতে হয় নিয়ম মেনে। অথচ এখন জানতে পারছি, এই ফ্ল্যাটেরই একটা অংশ বেআইনি। আগে জানলে এমন ফ্ল্যাট কিনতাম না। শ্যামলী ঘোষ নামে এক আবাসিক বলেন, “দুবছর ধরে এই ফ্ল্যাটে থাকছি। কোনও সমস্যা নেই। হঠাৎ করে এসে যদি এরকম বলা হয় আমরা কোথায় যাব। ট্যাক্স, মিউটেশন হয়েছে। কী করে এটা অবৈধ হয়, আর রাতারাতি কী করে ভাঙা হয় জানি না। পুরসভা তো অনুমতি দিয়েছিল। পুরসভার ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার। এখন পুলিশ এসে বলছে এটা বেআইনি, ভাঙতে হবে। আর এভাবে হঠাৎ করে কিছু হয় না।”

    পুরসভার চেয়ারম্যানের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) পরিচালিত উত্তরপাড়া (Hooghly) পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ যাদব বলেন, কোর্ট নির্দেশ দিলে আমাদের তা মানতেই হয়। সেই নির্দেশ মানতে গিয়েই উত্তরপাড়া ও ভদ্রকালী এলাকায় ১৭ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড দু’টি বেআইনি অংশ ভাঙতে হয়। যাঁরা নির্মাণ করেন, তাঁরা অনেক সময় নিয়ম মানেন না। আদালত যখন নির্দেশ দেয় তখন সময় বেঁধে দেয়। পুরসভার ইঞ্জিনিয়ররা এদিন শুধু নির্দেশ পালন করতে গিয়েছেন। কোনও সম্পত্তি কেনার আগে পুরসভায় খোঁজ নেওয়ার জন্য বলি। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে, এই আবাসনের বাসিন্দারা বলছেন, পুরসভা থেকে ট্যাক্স, মিউটেশনের কাজ করিয়েছেন। তাহলে পুরসভা সে কাজ কীভাবে করল? এই নিয়ে চেয়ারম্যান কোনও মন্তব্য করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নিম্নচাপ, সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নিম্নচাপ, সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু অংশ বাদে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা (Weather Update)। জেলায় জেলায় বৃষ্টিতে ফিরেছে স্বস্তি। বৃহস্পতিবার কলকাতা সমেত একাধিক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। এই আবহে সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল হাওয়া অফিস। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে সপ্তাহ শেষে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এর ফলে সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, জানাল হাওয়া অফিস

    অন্যদিকে শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। এর পাশাপাশি শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই জেলাগুলি হল- দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর। এর পাশাপাশি শনিবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে এখনও বর্ষা প্রবেশ করেনি

    দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে এখনও বর্ষা প্রবেশ করেনি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ওই বাকি অংশেও প্রবেশ করবে মৌসুমি বায়ু। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট, চলতি বছরে বর্ষায় বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ৭২ শতাংশ (Weather Update)। অর্থাৎ, স্বাভাবিকের চেয়ে ৭২ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে চলতি মরসুমে। তবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিতে কোনও খামতি নেই বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সেখানে বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। উত্তরবঙ্গে একইভাবে সপ্তাহান্তেও বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আর পড়ুন: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: নদীর চর চুরি করে বিক্রি! কাঠা পিছু দাম ৩ লক্ষ, দলকেই কাঠগড়ায় তুললেন তৃণমূল নেতা

    Malda: নদীর চর চুরি করে বিক্রি! কাঠা পিছু দাম ৩ লক্ষ, দলকেই কাঠগড়ায় তুললেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীর চর চুরি করে বিক্রি করে দিচ্ছে তৃণমূল। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে মালদার (Malda) ইংরেজবাজার এলাকায়। তবে, বিরোধীরা এই অভিযোগ করছে এমন নয়, শাসক দলের মালদা জেলার সহ সভাপতি দুলাল সরকারই খোদ এই অভিযোগে সরব হয়েছেন।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি?(Malda)

    তৃণমূলের মালদা (Malda) জেলার সহ সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, “কিছু অসাধু মানুষ এখানে ঢুকে আমাদের নদীর চরগুলিকে দখল করছে। সেখানে বাড়ি করছে। আমাদের দলের কাউন্সিলরদের লোকেরাও এরমধ্যে জড়িত আছে। পয়সা নিচ্ছে কি না, সেটা আমার জানা নেই। কিন্তু, নদীর চরগুলিতে এসে সবাই বসবাস করছে। নদীর মূলস্রোত নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসন থেকে কিছু বলা হয় না। পুলিশের উচিত এদের উঠিয়ে দেওয়া। যারা কিনেছে, তাদের কাছে দলিল আছে কি? যাদের নামে কিনেছে, যারা টাকা দিয়ে বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর হওয়া উচিত। সে তৃণমূল হোক, কংগ্রেস হোক। আমার পার্টির ছেলেরা হলে, তাদেরও গ্রেফতার করা উচিত।”

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    নদীর চরে বসবাসকারীরা কী বললেন?

    নদীর চরে বসবাসকারীরা বলেন, কাঠা পিছু ৭০ হাজার টাকায় আমরা জমি কিনেছিলেন। সেই দাম এখন উঠেছে কাঠা পিছু ৩ লাখ টাকা বা তারও বেশি। এই নদীর জমি খাস জায়গা বলেই আমাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। আমরা পুরসভাকে কর দিই, বিদ্যুতের বিলও দিই। বেআইনি জেনেও আমরা কিনেছি। শাসক দলের (Trinamool Congress) লোক সাহায্য করেছে। ফলে, কোনও সমস্যা হয়নি।

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    ইংরেজবাজার (Malda) পুরসভার চেয়ারম্যয়ান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, নদীর চরে বাড়ি বানিয়ে থাকা মানুষজনদের থেকে কোনও কর নিচ্ছে না পুরসভা। আমাদের কাছে কোনও অভিযোগ গেলে এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    সরব সেচ দফতরও

    সেচ দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘বিষয়টি যে আমাদের নজরে আসেনি, তা নয়। সেচ দফতরের তরফে আমরা দেখেছি, নদীর পাড়ে পিলার দিয়ে অনেকে পাকা বাড়ি বানিয়েছেন। নদী চর খাস জায়গা নয়। সেচ দফতরের তরফে এই নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা চলছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birati Station: শিশু চুরির ঘটনা গুজব! অভিযুক্ত মহিলাই বাচ্চার মা, রহস্যভেদ করল জিআরপি

    Birati Station: শিশু চুরির ঘটনা গুজব! অভিযুক্ত মহিলাই বাচ্চার মা, রহস্যভেদ করল জিআরপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে ধরা সন্দেহে গত কয়েকদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, অশোকনগর, বারাকপুরে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। পরে, তদন্তে নেমে ছেলে ধরার কোনও তথ্যই পুলিশ পায়নি। নিছক গুজব থেকেই জেলা জুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছিল। এসবের মাঝে ব্যাগের মধ্যে শিশু চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বুধবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিরাটি স্টেশন (Birati Station)। পাচারকারী সন্দেহে এক মহিলাকে ট্রেনের কামরার মধ্যেই গণপিটুনি দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতার থেকে জিআরপি উদ্ধার করে শিশু ও পাচারকারী সন্দেহে ওই মহিলাকে। এরপর জিআরপি তদন্তে নামে। আর রাতেই জানা যায়, সমস্ত ঘটনাটি গুজব। পাচারকারী মহিলাই আদতে ওই শিশুর মা।

    কীভাবে জানা গেল? (Birati Station)

    জিআরপি (Birati Station) সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুটি ওই মহিলারই সন্তান। শিশুটি মোটেও ব্যাগে ছিল না। মহিলার কোলেই ছিল। মহিলার কিছু মানসিক সমস্যা রয়েছে, জিআরপি-র তরফ থেকে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, বুধবার সন্ধ্যার দিকে মহিলার বলা ঠিকানা গিয়েও বাড়ির খোঁজ মেলেনি। ফলে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রহস্য ছিল। তবে, বুধবার গভীর রাতে রামেশ্বর পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তি জিআরপিতে ফোন করেন। তিনি জানান, তাঁর বাড়ি বিহারে। তাঁর স্ত্রীর নাম বাসন্তী দেবী। তাঁর বাড়ি ওড়িশা। শিশুটি তাঁদেরই। স্ত্রীর কিছুটা মানসিক সমস্যা রয়েছে। আর ভাষাগত সমস্যার জন্য জটিলতা তৈরি হয়েছে। এরপরই রামেশ্বর পাণ্ডে জিআরপি অফিসে যান। তিনি জানান, গত কয়েক মাসে তাঁরা উত্তর ২৪ পরগনার বামনগাছিতে এসে থাকছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে রামেশ্বর পাণ্ডের সঙ্গে বামনগাছিতে তাঁর ভাড়া বাড়িতে পৌঁছয় রেল পুলিশ। পাণ্ডের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয় জিআরপি। পাশাপাশি যথাযথ নথিপত্র খতিয়ে দেখে তারা। পরে, জিআরপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাণ্ডে দম্পতিই ওই শিশুর বাবা-মা। সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে শেষ পর্যন্ত পাণ্ডে দম্পতির হাতেই ওই শিশুকে তুলে দেয় জিআরপি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    নিত্যযাত্রীরা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, বুধবার ডাউন দত্তপুকুর লোকালে শিশু চুরিকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। পাচারকারী সন্দেহে মহিলাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। বিরাটি স্টেশন (Birati Station) অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা। পরে, জিআরপি গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, এদিন শিশু চুরির ঘটনা গুজব জেনে ট্রেনের নিত্যযাত্রীরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। তবে, মহিলাকে মারধর করার ঘটনাকে সকলেই নিন্দা করেন। নিত্যযাত্রীরা বলেন, আসল সত্যি না জেনে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। যারা এই কাজ করেছে, তাদের শাস্তি হওয়া দরকার। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: মোদির কুশপুত্তলিকায় জুতোপেটা তৃণমূলের, আন্দোলনে বিজেপি, অভিযোগ থানায়

    Balurghat: মোদির কুশপুত্তলিকায় জুতোপেটা তৃণমূলের, আন্দোলনে বিজেপি, অভিযোগ থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনের নামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকায় জুতোপেটা ও লাথি মারায় অভিযোগ উঠল তৃণমূলের শিক্ষা সেলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। বাদ যাননি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে অপমান করার প্রতিবাদে এবারে বালুরঘাট (Balurghat) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কমিটি। প্রত্যেককে গ্রেফতারের দাবিতে জেলাজুড়ে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি।

    রাস্তায় নেমে আন্দোলনে বিজেপি (Balurghat)

    বৃহস্পতিবার বালুরঘাট জেলাশাসকের অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতা-কর্মীরা। এদিকে এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়াতেও নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী ও বালুরঘাটের সাংসদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে যা করেছে তৃণমূল তা নিম্ন রুচির পরিচয়। এমনই মনে করছেন নেটিজেনরা। জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে হওয়া নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে বুধবার বালুরঘাটের (Balurghat) রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন ও বিক্ষোভ সভা করে তৃণমূলের রাজ্য শিক্ষা সেল। আন্দোলনে সামিল হয়েছিল, ওয়েবকুপা, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ও পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। মিছিল চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করার পাশাপাশি সেগুলিতে জুতোপেটা, লাথি মারা হয়। এমনকী থুথু ছেটান বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দার ঝড় বইতে শুরু করে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

    বিজেপির জেলা সভাপতি কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ‘আন্দোলনের নামে অসভ্যতা করেছে তৃণমূল। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম, প্রশাসন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু, নেয়নি। তাই আমরা বালুরঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করতে চলেছি। যাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে জুতোপেটা করেছিলেন তাঁরা শিক্ষক নন। শিক্ষক সমাজের কলঙ্ক, অসভ্য বর্বর, নিম্ন প্রজাতির কীট। তাই তাঁদের গ্রেফতারের দাবিতে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share