Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে না পেয়ে তাঁর পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম গৌরহরি মাইতি। তাঁর বাড়ি ভূপতিনগর থানার অর্জুননগর অঞ্চলের ১৯৮ নম্বর বুথ ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের। তাঁর ছেলে শশাঙ্ক মাইতি স্থানীয় বিজেপি নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  বিজেপি কর্মী শশাঙ্কের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) করে তৃণমূল। ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল বোমা, বন্দুক নিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু, বাড়িতে শশাঙ্ককে না-পেয়ে তাঁর বাবা-মা এবং স্ত্রীকে মারধর করে। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে বেরিয়ে আসায় দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, গুরতর আহত অবস্থায় বিজেপি নেতার বাবাকে নিয়ে যাওয়া হয় মুগবেড়িয়া হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শশাঙ্কের স্ত্রী খুকুমণি মাইতি অভিযোগ করেন, ” আমাদের বাড়িতে তৃণমূলের বিরাট দলবল হামলা চালায়। আমরা বিজেপি করি বলে টার্গেট করেছিল। আগেও বেশ কয়েকবার ওরা হামলা চালিয়েছে। প্রায়ই শাসানি দিত ওরা। রাতে হামলাকারীরা বোমা ও বন্দুক নিয়ে এসেছিল। আমাদের মারধর করছিল দেখে শ্বশুর ছুটে এসেছিলেন। তিনিও হামলার শিকার হলেন।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতার বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “এ বারের নির্বাচনে কাঁথি লোকসভায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। সেই রাগেই ওরা দল বেঁধে এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে।” যদিও গোটা ঘটনা সাজানো বলে দাবি করেছেন অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান উত্তমকুমার মাইতি। তিনি বলেন, “গতকাল এমন কোনও হামলার খবর জানা ছিল না। বিজেপি নেতার বাবা রাতে খাওয়া-দাওয়া করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kanchanjunga Express: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    Kanchanjunga Express: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Kanchanjunga Express) দুর্ঘটনার জন্য দায়ী মালগাড়ির গতিবেগ, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে এমনই দাবি রেলের। এই দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য সুরক্ষা কমিশনার জনককুমার গর্গের নেতৃত্বে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তদন্তের কাজ। এদিনই কাটিহার ডিভিশনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ ব্যাখ্যা করে একটি তদন্ত রিপোর্ট চিফ সেফটি কমিশনারের কাছে জমা পড়ে। সেই রিপোর্টের এই দাবি করা হয়েছে। মালগাড়িটিকে দ্রুত গতিতে যেতে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রাঙাপানির গেটম্যান ‘সতর্ক’ করেছিলেন বলে বুধবার দাবি করেছেন কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার।

    কাঞ্চনজঙ্ঘা ২৮ মিনিট, মালগাড়ি নেয় ১৩ মিনিট

    রেল সূত্রে খবর, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Kanchanjunga Express) দুর্ঘটনার তদন্তে এদিন ডেকে পাঠানো হয় রাঙাপানির স্টেশন ম্যানেজার, রেল গেটের গার্ড, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চালকদের৷ শিলিগুড়ি এনজেপি স্টেশন সংলগ্ন এডিআরএম অফিসে হাজির হন সকলে। সেখানেই একটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। দুর্ঘটনার সময় কর্তব্যরত কর্মীরা কে, কী দায়িত্ব পালন করছিলেন, তা রয়েছে রিপোর্টে। প্রাথমিক তদন্তে যে তথ্য উঠে আসছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সোমবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস রাঙাপানি স্টেশনে ঢোকে। ছাড়ে ৮টা ২৭ মিনিট নাগাদ। দুর্ঘটনাটি ঘটে ৮টা ৫৫ মিনিটে। আর মালগাড়িটি ৮টা ৪২ মিনিটে রাঙাপানি স্টেশন ছাড়ে। রাঙাপানি স্টেশন থেকে দুর্ঘটনাস্থলের দূরত্ব আড়াই কিলোমিটারের কাছাকাছি। হিসেব করে দেখা যাচ্ছে, ওই পথ অতিক্রম করতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস সময় নেয় প্রায় ২৮ মিনিট। অন্য দিকে, মালগাড়ির সময় লাগে ১৩ মিনিট।

    কী বলছেন ডিআরএম

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, মালগাড়ির চালক এবং সহকারী চালক তিরিশ ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়ার পরে ট্রেনে চেপেছিলেন। ফলে টানা ডিউটির জেরে চালকেরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, সেই যুক্তি এক্ষেত্রে খাটছে না। দুর্ঘটনাস্থল নির্মলজোত এলাকায় বজ্রপাতের ফলে সোমবার সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে অটোমেটিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা বিকল হয়ে পড়ে। এর পরে নিউ জলপাইগুড়ি-আলুয়াবাড়ি মেইন রুটের ডাউন লাইন দিয়ে মালগাড়ির আগে মোট সাতটি ট্রেন যায়। চালকেরা সকলেই ম্যানুয়াল মেমো সিস্টেমে গাড়ি নিয়ে এগিয়ে যান। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসও (Kanchanjunga Express) সেই নিয়ম মেনেই এগোচ্ছিল। প্রাথমিক তদন্তে দাবি, ভুল ছিল মালগাড়ির চালকরেই। তবে ডিআরএম বলেন, ‘‘এখনই কোনও তথ্যে সিলমোহর বসাচ্ছে না রেল। সবটাই প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অনুমান।”

    তদন্ত  শেষ হতে কতদিন

    তদন্ত (Kanchanjunga Derailed) শেষ হতে কত দিন লাগবে, তা নিয়ে ডিআরএম বলেন, ‘‘আদৌ কত দিন সময় লাগবে, তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। তবে যে সমস্ত প্রশ্ন উঠে আসছে প্রশিক্ষণ না-দেওয়া বা মালগাড়ির চালকের পর পর তিন দিন নাইট ডিউটি দেওয়া নিয়ে, তা সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণই দেওয়া হয়। যখনই কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, তখনই প্রশিক্ষণের কথা উঠে আসে। শুধুমাত্র বয়ান নয়, স্পিডোমিটারে মালগাড়ির গতিবেগ কত ছিল, সেটাও দেখা হবে। অন্য দিকে, মালগাড়ির যে ইঞ্জিন রয়েছে, সেটাতেও টেকনিক্যাল ফরেনসিক তদন্ত হবে।’’ 

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    ১০ জনের বয়ান লিপিবদ্ধ 

    উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বলেন, “দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Derailed) সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় দশ জন কর্মীর বয়ান এদিন রেকর্ড করা হয়েছে। তার মধ্যে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চালক রাজু বাল্মিকী, সহকারী চালক শৈলেন্দ্র কুমার, রাঙাপানি স্টেশনের কর্মী, গেটম্যান, লাইনম্যানের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১০ জনের বয়ান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অন্তত ৩০ জনকে তলব করা হয়েছে। তাঁদেরও বয়ান লিপিবদ্ধ করা হবে এবং একের সঙ্গে অন্যের বয়ান মিলিয়ে দেখা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের সুবিধার্থে বেশ কয়েকদিন ধরে রাত ১১:০০ টা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগামী সোমবার থেকে আর রাত এগারোটা পর্যন্ত (Last Metro) মেট্রো পাওয়া যাবে না। ২৪ শে জুন থেকে রাত ১১:০০ টার বদলে (Metro Time Change) ১০:৪০-এ ছাড়বে শেষ মেট্রো। ফলে রাতের দিকে যাতায়াতে মেট্রোর সুবিধা থেকে বঞ্চির হতে পারেন বেশ যাত্রীরা।  

    যাত্রী কম, খরচ প্রচুর 

    সূত্রের খবর দমদম এবং কবি সুভাষ এর মধ্যে রাত ১১:০০ টার (Last Metro) ট্রেনে যাতায়াতকারী যাত্রী সংখ্যা মাত্র ৩০০র কাছাকাছি ছিল। এদিকে ট্রেন চালানোর খরচ হিসেবে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আবার অনেক স্টেশনের কাউন্টার খোলা রেখে হাতেগোনা কয়টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। রাতে যারা যাতায়াত করছেন তাঁরা বেশিরভাগ মেট্রো কার্ড ব্যবহার করছেন। টোকেন বিক্রির হার যথেষ্ট কম। ফলে কাউন্টারে খোলা রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাতেরপরিষেবায় কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীরা ইউপিআই পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো মেশিন থেকে টোকেন নিতে পারবেন। আর যাদের কাছে মেট্রোর কার্ড আছে তাঁরাও ব্যবহার করতে পারবেন।

    ১১:০০টার বদল ১০:৪০ এ শেষ মেট্রো (Last Metro)

    মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মতে রাত ১১:০০টা পর্যন্ত মেট্রো চালিয়ে যত যাত্রী আশা করা হচ্ছিল, আসলে তত যাত্রীর মেট্রোতে উঠছেন না। ফাঁকা মেট্রো চালাতে হচ্ছে। ফলে ক্ষতি হচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের। রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, “রাতে মেট্রো চললে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন এবং তাঁদের চাহিদা পূরণ করা হবে এটা ভাবা হয়েছিল। এই কারণেই রাতের পরিষেবা শুরু করা হয়েছিল। তবে দেখা যাচ্ছে রাতের এই পরীক্ষামূলক (Last Metro) পরিষেবায় মেট্রোয় বেশি যাত্রী হচ্ছে না। অন্যদিকে এই পরিষেবা চালু রাখার জন্য মেট্রোর প্রচুর খরচ হচ্ছে। তাই সোমবার থেকে রাতের মেট্রোর সময় কমিয়ে আনা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ূন: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত ২৪ জুন থেকে মেট্রো পরীক্ষামূলক এই পরিষেবা কবি সুভাষ থেকে এবং দমদম স্টেশন থেকে ১০:৪০ শেষ (Last Metro) মেট্রো ছাড়বে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে মেট্রো ট্রেন থামবে। শহর কলকাতায় যাত্রার ক্ষেত্রে যাত্রীরা মেট্রো খুবই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিষেবা মেলে খুব অল্প দামে। অবশ্য করোনা অতিমারির আগে শেষ মেট্রো ছাড়ত রাত ০৯:৫৫ মিনিটে।

     

     

     

  • Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। ঠিক এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইতিমধ্যেই থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও চেয়েছেন বিচারপতি। বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ওপর তাদের ভরসা নেই। সিবিআই তদন্তে করলে ন্যায় বিচার পাবে পরিবার।

    কী বললেন বিচারপতি? (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিজেপি কর্মীর মৃত্যু মামলায় নির্দেশে বলেছেন, “মৃতের স্ত্রী এবং তাঁর কোনও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এসএসকেএমে দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া হবে। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করতে হবে। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court)

    গত ৪ জুন মেদিনীপুরের ডেবরার ভরতপুর অঞ্চলে পুরুষোত্তম নগরে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কিছু লোকজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৪২ বছরের বিজেপি কর্মী সঞ্জয়। কিন্তু জেলে মাথা ফেটে যায় তাঁর। এরপর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু জেলে কীভাবে মাথা ফাটল এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের তরফে মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Calcutta High Court) করলে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মৃত বিজেপি কর্মী সঞ্জয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তৃণমূলের নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। সঞ্জয়ের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে সামজিক মাধ্যমে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতার পুলিশের বর্বরতায় হেফাজতে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সিবিআই তদন্ত বা বিচার বিভাগীয় (Calcutta High Court) তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে (Abhijit Das Suspend)। এই বারের লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছিল তাঁকে। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ভূমিপুত্রকে দাঁড় করিয়ে চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তাঁকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও ববির বক্তব্য, তিনি কোনও চিঠি পাননি।

    কেন বরখাস্ত (Abhijit Das Suspend)?

    মঙ্গলবার বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করতে গিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, মারধরের একাধিক অভিযোগের ঘটনা সমানে উঠে এসেছে। এমনকী, বেশ কিছু গ্রামের মানুষ বিজেপি করায় আক্রমণ করে বহু পরিবারের মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে। তৃণমূলের অত্যাচারে গ্রামগুলি জনশূন্য হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই এলাকা পরিদর্শন করতে আসা কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের গাড়ি আটকে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপিরই একাংশ। এই বিশৃঙ্খলার সময় ববি (Abhijit Das Suspend) উপস্থিত থাকলেও কার্যত নিস্ক্রিয় ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেখানে ভোট-পরবর্তী হিংসার তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছেন, তাঁদের সমানে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল? এটাই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে প্রশ্ন। তাই আগামী সাত দিনের জন্য তাঁকে দলের তরফ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আক্রান্ত কর্মীদের নিয়ে বৈঠক ছিল

    আমতলার পার্টি অফিসে গতকাল মঙ্গলবার বিজেপির বৈঠক ছিল। তবে এই বৈঠকে ববি (Abhijit Das Suspend) এবং তাঁর অনুগামীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এখানে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবার কথা ছিল বিজেপির তথ্যানুসন্ধানকারী দলের। তবে এই বৈঠকে হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু সবটাই ববি পরিকল্পনা করে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের শৃঙ্খলা কমিটি থেকে বলা হয়, আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে হবে ববিকে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বললেন ববি?

    তবে ববির (Abhijit Das Suspend) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি এখনও কোনও এমন নির্দেশ পাইনি। ইমেইল বা ফোনে কোনও বার্তা পাইনি। পার্টির গোপনীয় চিঠি সংবাদ মাধ্যমের হাতে দিয়ে দলকে বদনাম করছে কিছু মানুষ। দলে থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যের হাত শক্ত করছেন অনেকে। আমি এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছন অভিনেত্রী। যদিও ঋতুপর্ণা সিজিওতে (CGO Complex) পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছন তাঁর হিসাবরক্ষক। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে দফতরে পৌঁছছেন তিনি। এদিকে, এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর আইনজীবীরাও। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ যেখানে করা হবে সেখানে আপাতত আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেই ইডি সূত্রে খবর।  

    কী কারণে তলব অভিনেত্রীকে? (Rituparna Sengupta)

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণার (Rituparna Sengupta) হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সমস্ত হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। অভিনেত্রীও পরে সিজিওতে (CGO Complex) আসবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হিসাবরক্ষক। সেই মতো কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিনেত্রী এসে পৌঁছন সিজিওতে।

    আরও পড়ুন: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলাতেও তলব করেছিল ইডি

    গত ৫ জুন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, অভিনেত্রী (Rituparna Sengupta) সেই সময়ে বিদেশে ছিলেন। তাই মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এখন সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে ফিরে এলে যোগাযোগ করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো এবার হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী। তবে উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময়ও ইডি-র দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গায়ের জোরে ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। এবার ২০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবে সেই অফিস। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একই ভাবে ঠিক কোন নেতার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছিল, তাঁর নামও জানাতে বলেছেন তৃণমূলের আইনজীবীকে। এই নির্দেশ ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    অভিযোগকারিণীর বক্তব্য (Calcutta High Court)

    নদিয়ার পলাশিপাড়া থানার বাসিন্দা অনুশ্রী ঘোষ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, “দোকান করার জন্য পলাশিপাড়া বাজারে জমিটি কিনেছিলাম আমি। সেই জমি দখল করে কার্যত পাকা পোক্ত করে একটি তৃণমূলের পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলা হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা এই কাজ করেছে। জমি ফেরত চেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে গেলে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এরপর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি আমি। কিন্তু পুলিশ জমি উদ্ধার করা বিষয়ে কোনও রকম পদক্ষেপ করেনি। অবশেষে বেগতিক বুঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করতে বাধ্য হই।”

    হিলি-তুরা করিডোরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    আইনজীবীর বক্তব্য

    আদলাতে অনুশ্রীদেবীর আইনজীবী বলেন, “ক্ষমতায় থাকার সুবিধার অপব্যবহার করে কার্যত নিজেদের গায়ের জোরে জমি দখল করেছে তৃণমূলের নেতারা। জমির কোনও বৈধ কাগজ নেই এই তৃণমূলের নেতাদের কাছে।” আদলাতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চান, কার নির্দেশে এই জমি দখল করা হয়েছে। উত্তরে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, “জমি ফাঁকা ছিল তাই, পার্টি অফিস বানানো হয়েছে।” এরপর ব্লক ভূমি এবং ভূমি রাজস্ব আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেন বিচারপতি। আগামী ২০ দিনের মধ্যে ওই জমির মালিককে জমি বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে পরবর্তী শুনানিতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম কোর্টে জানাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। ঘটনায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তৃণমূল ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    Sukanta Majumdar: হিলি-তুরা করিডরে কি মিলবে সবুজ সংকেত? সুকান্ত মন্ত্রী হতেই আশাবাদী জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের ছেলে মন্ত্রী হতেই আশায় বুকবাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কেন্দ্রের জোড়া মন্ত্রক পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিজেপির এই রাজ্য সভাপতিকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা একটি প্রান্তিক জেলা। এই জেলাতে তেমন নেই কোনও শিক্ষা ব্যবস্থা, তেমন নেই কোনও চিকিৎসা ব্যবস্থা। এই জেলার মানুষ সবদিক থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করে থাকেন। জেলাতে থমকে রয়েছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের কাজ। জেলাতে নেই কোনও স্থায়ী বিশ্ববিদ্যালয়। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে তৈরী হয়েছে বিমান বন্দর কিন্তু সেখানে চলাচল করেনা বিমান। জেলাবাসী আশা করছেন, সুকান্ত সমস্ত থমকে যাওয়া কাজগুলি চালু করবেন। এই আশাতে বুক বাঁধছেন বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    জেলায় শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়ন করবেন (Sukanta Majumdar)

    প্রসঙ্গত, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবারে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় বারের বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ হলেন। প্রথমবার সাংসদ হয়ে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন আর এবারে সাংসদ হয়ে তিনি জেলাবাসীকে চমক দিয়ে দিলেন। ঘরের ছেলে হলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ঘরেই উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নেই। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় পেলেও তার হাল বেহাল। স্থায়ী ভবন নেই। নেই স্থায়ী পরিকাঠামো, অধ্যাপক সহ অনেক কিছুই। এমন পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থার জেলা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন জেলাবাসী। সুকান্তের হাত ধরে কি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি হবে? এমন চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে।

    হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলেও, এখনও তৈরি হয়নি স্থায়ী ভবন। বালুরঘাট তথা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনা করা হোক। আবার হিলি থেকে মেঘালয় বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে মাত্র একশো কিলোমিটার একটা করিডর হলে একেবারে আমুল বদলে দিতে পারে পূর্ব ভারতের সাথে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা কমে যাবে। সেই কারণেই জেলাবাসী হিলি-তুরা ভায়া বাংলাদেশ করিডোরের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। নানা আন্দোলন করেও এতদিনে এই করিডোর বাস্তবায়নের পথ মিলছিল না। তবে এবারে ঘরের ছেলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হতেই জেলাবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান জেলার মানুষ। এই বিষয়ে বালুরঘাটবাসী তুহিনশুভ্র মন্ডল বলেছেন, “আমাদের ঘরের ছেলে সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) মন্ত্রী হয়েছেন। তাও আবার দুটি মন্ত্রকের। আমরা তাঁর কাছে আশা রাখছি আমাদের জেলার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের প্রগতি হোক। হিলি-তুরা করিডর দ্রুত এইবার বাস্তবায়ন হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “হিলি-তুরা করিডোর নিয়ে আগেই নানা চিঠি মন্ত্রকে দিয়েছিলাম। করিডরটি চালু হলে শুধু জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গে নয় সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নতি ঘটবে। তাই এই করিডোর বাস্তবায়ন করতে যা যা পদক্ষেপ করতে হবে, করব। এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্র সরকার কী কী করতে পারে, এ বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে চাই। রাজ্য সরকার যদি সহযোগিতা করে, তাহলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ অর্থ সহায়তা দিতে কোনও অসুবিধা হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Express: কীভাবে দুর্ঘটনার কবলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস? তদন্তে সিট গঠন জিআরপির

    Kanchanjunga Express: কীভাবে দুর্ঘটনার কবলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস? তদন্তে সিট গঠন জিআরপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express) ট্রেন দুর্ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু করল কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি। রেলের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে জিআরপি-ও। ঘটনার তদন্তে সাত সদস্যের সিট (Suo Moto Case) গঠন করেছে জিআরপি। ডিএসপি বিনোদ ছেত্রীর নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। সিটে ডিএসপি বিনোদ ছেত্রী ছাড়াও রয়েছেন একজন ইনস্পেক্টর, তিনজন সাব ইনস্পেক্টর ও দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার অফিসার।

    রেলের দুটি ধারায় মামলা রুজু

    দুঃস্বপ্নের কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের (Kanchanjunga Express) আতঙ্ক এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে আহত যাত্রীদের।  দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছিলেন, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা অনুসন্ধান করে রিপোর্ট দেবেন কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি। এবার গতকালের দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল রাজ্যের জিআরপি। ডিএসপি বিনোদ ছেত্রীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের ওই সিট রেল দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখবে। শিলিগুড়ি জিআরপি-র পুলিশ সুপার এস মরুগান বলেন,”নিউ জলপাইগুড়ি জিআরপি থানায় আগরতলা থেকে শিয়ালদাগামী ডাউন ১৩১৭৪ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পর মামলা রুজু করা হয়েছে।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় এবং৩ পিপিডি অ্যাক্ট ও ভারতীয় রেলের দুটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। জিআরপি-র তরফেও আলাদাভাবে ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্ত চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    পরিষেবা স্বাভাবিক করল রেল

    কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express) দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক করেছে রেল কর্তৃপক্ষ ৷ দুর্ঘটনা কবলিত লাইন সংস্কার করে আপ ও ডাউন লাইনে ইতিমধ্যে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে ৷ উত্তর-পূর্ব রেলের সেফটি কমিশনার জনককুমার গর্গ  ‘‘তদন্ত শুরু হয়েছে। সিগন্যাল এবং গতিতে কোথায় কী সমস্যা রয়েছে তা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বলেন, ‘‘অটো সিগন্যাল বিকল হলে, কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। তা সত্ত্বেও কেন মালগাড়িটি এত জোরে চলল, তা খতিয়ে দেখতে হবে। তদন্ত হলে সবটাই পরিষ্কার হবে।’’রেল সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার জেরে, এলাকার ২০০ মিটার মতো লাইনের ক্ষতি হয়েছে। এ দিন সে অংশটি মেরামত করা হয়েছে। পরে, মেশিন দিয়ে কয়েক ধাপে পরীক্ষাও করা হয়। বৈদ্যুতিক লাইন ও পাটাতনের সংস্কারও চলেছে সমান তালে। এ দিন প্রথমে আপ লাইনে আওধ-অসম এক্সপ্রেস চলেছে। দু’টি মালবাহী ট্রেনও চলেছিল ক্ষতিগ্রস্ত লাইন সংস্কারের সময়। বৈদ্যুতিক লাইন কিছুটা দেরিতে ঠিক হওয়ার পরে ডাউন লাইনে ডিব্রুগড়-চণ্ডীগড় এক্সপ্রেস চলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। আর তারপর থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। বহু কর্মী ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে, হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আরামবাগের সালোপুর-২ পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় ফের এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মেরেছে তৃণমূল।

     ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    আরামবাগের ডোঙ্গলে মাঠে কাজ করার সময় একা পেয়ে এক বিজেপি কর্মীকে লাঠি ও বাঁশপেটার অভিযোগ উঠল স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান এবং তাঁর এক সঙ্গীর বিরুদ্ধে। প্রহৃত শঙ্কর রায় নামে বিজেপি কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় আরামবাগ থানায় উপপ্রধান উত্তম বেরা এবং তাঁর সঙ্গী প্রসেনজিৎ আদকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশে খেতে বাদাম তোলার কাজ করছিলেন শঙ্কর। সেই সময়েই তাঁর ওপরে হামলা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় বলেন, “লোকসভায় এই পঞ্চায়েতে প্রায় ১ হাজার ভোটে বিজেপি এগিয়ে ছিল। এটাই আমাদের অপরাধ। ফল প্রকাশের পর থেকেই উপপ্রধান হুমকি দিচ্ছিলেন। বাবাকে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।” উপপ্রধানের দাবি, “গ্রামে ওদের পরিবারগুলি নিজেদের মধ্যে মারপিট করেছে। মিথ্যা আমাদের জড়ানো হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাসাপাতালে আহতকে দেখতে যান বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধায়ক মধুসূদন বাগ। বিমান বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি শম্ভুনাথ বেরা বলেন, “ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। শুনেছি পাড়াগত ঝগড়া থেকে এই ঘটনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share