Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: রাতে শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: রাতে শেষ মেট্রোর সময়সীমা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মেট্রোর(Kolkata Metro) সময় বাড়ানো নিয়ে কলকাতা মেট্রো রেলকে বিবেচনা করতে বলল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। ‘শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হোক’-কদিন আগে এই আবেদন জানিয়েই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন আকাশ শর্মা নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি ছিল ডিভিশন বেঞ্চে। 

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ (Calcutta High Court) জানায়, অন্য শহরে রাত ১১টা পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যায়। বিশাল সংখ্যক মানুষ কলকাতায় কাজ করেন। কিন্তু অনেকে শহর থেকে অনেক দূরে থাকেন। তাঁদের কথা ভেবে শেষ মেট্রোর (Kolkata Metro) সময় বাড়ানো যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে হবে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নিলেন, তা জনস্বার্থ মামলাকারীকে চার সপ্তাহের মধ্যে জানিয়ে দিতে হবে বলেও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে।

    যাত্রীদের সমস্যা (Calcutta High Court)

    কলকাতা মেট্রোয়(Kolkata Metro) ব্লু লাইন অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত শেষ মেট্রো ছাড়া রাত্রি সাড়ে দশটা নাগাদ। তারপর আর আর কোনও মেট্রো না থাকায় কাজ সেরে বাড়ি ফিরতে বিকল্প পথ ধরতে হয় যাত্রীদের। ফলে ঘুর পথে বাড়ি ফিরতে কার্যত অসুবিধায় পড়ে যাত্রীরা। আসলে মেট্রোরেলে যে রাস্তা এক ঘণ্টায় যাতায়াত করা যায়, সেই রাস্তাই অন্য যানে যেতে অনেক বেশি সময় লাগে। তাই আরও একটু বেশি সময় মেট্রো রেলের পরিষেবা বাড়ানো গেলে অনেক যাত্রীই সুবিধ পাবেন, এই আবেদন রেখেই মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে।  

    আরও পড়ুন: এপ্রিলে রেকর্ড কালেকশন জিএসটির! সরকারি কোষাগারে ঢুকল ২ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা

    মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য 

    যদিও এ প্রসঙ্গে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই কারণেই শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হচ্ছে না। তবে আদালতের এই নির্দেশের (Calcutta High Court) পর মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ(Kolkata Metro) তাদের সিদ্ধান্ত বদলায় কিনা এখন সেটাই দেখার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় পুরুলিয়ার সাম্যপ্রিয় গুরু, বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়

    Purulia: মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় পুরুলিয়ার সাম্যপ্রিয় গুরু, বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা করে নিল পুরুলিয়া। পুরুলিয়ার (Purulia) সাম্যপ্রিয় গুরু এবার মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালেই টিভির পর্দায় নাম ঘোষণা হতেই সাম্যপ্রিয়র পরিবারের লোকজন উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।

    ক্রিকেট খেলা আর গান শোনা পছন্দ সাম্যপ্রিয়ের (Purulia)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্যপ্রিয় পুরুলিয়া (Purulia) জেলা স্কুলের ছাত্র ছিল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। তবে, পড়াশুনার পাশাপাশি সে ক্রিকেট খেলা করতে ভালবাসে। সুযোগ পেলে সে ক্রিকেট খেলা দেখত। আর গান তার খুব প্রিয়। সে গানের এতটাই ভক্ত যে সব সময় কানের এয়ারফোন নিয়ে থাকত। এরজন্য বাবা-মায়ের কাছে বকাও খেয়েছে। পরে, সেই নেশা কিছুটা কাটিয়েছে। এমনিতেই ছোট থেকে সে পড়াশুনায় ভাল ছিল। ফলে, স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে পরিবারের লোকজনদের সকলেরই এবার তার ওপর অনেকটাই আশা ছিল। তাই, মেধা তালিকায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় হওয়ায় এলাকার সকলেই খুশি। এদিন তার এই সাফল্যের পর পরই পাড়া প্রতিবেশীরা তাকে শুভেচ্ছা জানাতে তার বাড়িতে চলে আসে।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    সাম্যপ্রিয় চিকিৎসক হতে চায়

    নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সাম্যপ্রিয়র বক্তব্য,” পড়েছিলাম বলেই তো ভাল রেজাল্ট করতে পেরেছি। তবে, সব সময় পড়াশুনা করতাম এমন নয়। তবে, যতক্ষণ পড়তাম, মন দিয়ে পড়তাম। তবে, ভোরে উঠতে পারতাম না। তাই, অনেক রাত পর্যন্ত পড়তাম। আর ক্রিকেট আমার ভীষণ প্রিয়। তাই শেষের দিকেও বিকেল হলে ছাদে গিয়ে ক্রিকেট খেলতাম। আর সব সময়ের সঙ্গী ছিল গান। যদিও কানে ‘ইয়ারফোন’ গুঁজে পড়াশোনায় বাবার আপত্তি থাকায়, পরীক্ষার আগে এই অভ্যাস থেকে খানিক দূরেই ছিলম। আগামী পরিকল্পনা নিয়ে সে বলে, আমি চিকিৎসক হতে চাই। ঘটনাচক্রে মাধ্যমিকে প্রথম চন্দ্রচূড়ও চায় চিকিৎসক হতে।”

    মেধাতালিকার প্রথম দশে এবার রয়েছে ৫৭ জন

    পর্যদ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ ফেব্রুয়ারি নাগাদ। শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মোট ৯,১০,৫৯৮। এর মধ্যে ৪,০৩,৯০০ জন ছাত্র এবং ৫,০৮,৬৯৮ জন ছাত্রী। অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ২৫.৯ শতাংশ বেশি ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ৭,৬৫,২৫২ জন। মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধাতালিকার প্রথম দশে এ বার রয়েছে ৫৭ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বালি, কয়লা, গরু, বিদ্যা, রেশন চুরি করে না বিজেপি। বিজেপি (BJP) স্বচ্ছ পার্টি। বিপক্ষে একটা পার্টি আছে দুর্নীতি আর দুর্নীতি। ওরা বালি, কয়লা, গরু, রেশন, বিদ্যা চুরি করে।” পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) আউশগ্রামের অভিরামপুরে বোলপুর লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহার সমর্থনে জনসভায় এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। তিনি আরও বলেন, “আপনারা ভাবুন কাকে ভোট দেবেন। ওরা যা দিচ্ছে সব নিয়ে নিন। ওসব আপনাদেরই পয়সা। আপনারই পয়সা আপনাকে দিচ্ছে, আসলে ঘুরিয়ে নাক দেখাচ্ছে। কিন্তু ভোটটা বিজেপিকে দিন।”

    বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়

    বিজেপিকে মুসলিম বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অবস্থান স্পষ্ট করে মিঠুন বলেন, “বিজেপি মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয়। দাঙা করে না বিজেপি।আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি বলেছে আমরা মানুষের রাজনৈতিক সমর্থন (Lok Sabha Election 2024) নিয়ে জিতব। আমাদের এখানে কেউ স্ক্যাম করলে আমরা এক মিনিটও ভাবি না।”

    আরও খবর: “৪ জুনের পর পিসি ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    ইভিএম কারচুপি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া

    প্রসঙ্গত মালদা জেলার ফারাক্কার জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো ইভিএম কারচুপির সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি (Mithun Chakraborty) বলেন ১৫ লক্ষ ইভিএম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর কাছ নাকি খবর রয়েছে। মমতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “আগেই বলেছি। ওনার মাথার ঠিক নেই। যা ইচ্ছে বলুক, বলতে দিন।” অন্যদিকে আসানসোল বিক্ষোভ নিয়ে তিনি বলেন, “আমার দোষ, আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমার শরীর খারাপ। আমার পা কাঁপছে, পরে একদিন যাব।” এসএসসির চাকরিহারা নিয়ে প্রশ্ন করতেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, “আরও একটা বড় স্ক্যাম আছে। অদ্বিতীয়া বলে একটি মেয়ে আছে। ব্লগ করেছে, একটু খানি দেখে তারপরে বলবেন। আমি কিছু বলছি না।” ২০১৪ সালের চাকরি প্রার্থীদের প্যানেল বাতিল নিয়ে তিনি বলেন, “ভুল করে থাকলে তার সাজা পেতে হবে”।

    খোশমেজাজে মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন চাঁদিফাটা গরমেও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) মঞ্চে বেশ খোশমেজাজে ছিলেন।  এক ভক্ত তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, চশমা পরে থাকেন কেন? তিনি তৎক্ষনাৎ চশমা খুলে দিয়ে হেয়ালির ছলে বলেন, “আমার চোখগুলো খুব সুন্দর।” এরপর মিঠুন নিজের কয়েকটি সিনেমার ডায়লগ বলার পাশাপাশি নিজের লেখা গানও গেয়ে শোনান (Lok Sabha Election 2024)। হেলিকপ্টারে ওঠার কুনাল ঘোষের পদ কেড়ে নেওয়া প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghsoh) দলের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “নর্দমা। ওকে নিয়ে কিছু বলব না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: “৪ জুনের পর পিসি-ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে, আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “৪ জুনের পর পিসি-ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে, আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের হাওয়া। ইতিমধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোট সমাপ্ত হয়েছে। সামনেই তৃতীয় দফার ভোট। আর তারপর চতুর্থ দফায় ভোট রয়েছে বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে। আর সেই কেন্দ্রের ভোট প্রচারে রোজকার মত বৃহস্পতিবার সকালেও প্রাত:ভ্রমণ ও জনসংযোগ সারেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন কালনা গেট ও নারীকলোনি এলাকায় প্রাত:ভ্রমণ সারেন তিনি। এরপর চা চক্রে মিলিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপ। আর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই একাধিক প্রসঙ্গে ফের মমতা-অভিষেককে আক্রমণ করেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। 

    দিলীপ ঘোষের মন্তব্য (Dilip Ghosh)

    এদিন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বর্ধমানে কর্মী বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”এই রোদ্দুরে ওনারা বেরাতে পারবেন না, ইণ্ডোরে মিটিং ই করতে হবে। দেখছেন না আমরা যেখানে রোড শো করছি সেখানে গো ব্যাক, কালো পতাকা দেখানো হচ্ছে। টিএমসি (TMC) বুঝে গেছে এখানে কোন চান্স নেই। পার্টি অফিসে ঢুকে গেছে।” 
    এর পাশাপাশি মমতার ইভিএম প্রসঙ্গ তুলে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”উনি (Mamata Banerjee) সবসময় মিথ্যা কথা বলে মিডিয়ার লোককে ব্যস্ত রাখেন। ওনার কথায় পাবলিক ততটা আজকাল গুরুত্ব দেয় না। তিনি রোজ মাথা খাটিয়ে একটা মিথ্যা কথা বলেন। এটা তার উপদেষ্টারা যুক্তি দেন। উনি কত টাকা লুঠ করেছেন, চাকরি থেকে কত টাকা লুঠ হয়েছে এটা কখনো বলেন না। উনি মাঝেমধ্যেই বলেন ভুল হয়ে গেছে। আয়লার টাকা ভুল করে তার দলের নেতার অ্যাকাউন্টে চলে গেছে। মাষ্টারির চাকরির ক্ষেত্রেও একই কথা বলেন।” 
    অন্যদিকে আবার কদিন আগেই দিলীপ ঘোষের প্রতিপক্ষ কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেছিলেন দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি করছেন চিকিৎসার জন্য। নাহলে তৃণমূল কর্মীরা চাঁদা তুলে তার চিকিৎসা করাবে। এদিন কীর্তি আজাদের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী। তিনি তৃণমূল প্রার্থীর উদ্দেশ্যে  বলেন,”কে কার চাঁদা তুলবে? উনি আগে ১৩ তারিখ পর্যন্ত থাকুন। ওনার পার্টির লোকেরাই ওনাকে ছেড়ে দিয়েছে। উনি তো আগে বিজেপিতে ছিলেন। কেন ওনাকে তাড়িয়ে দিয়েছে সেটা আগে বলুন।” 
    অন্যদিকে আবার অধীর রঞ্জন বলেছেন, টিএমসিকে ভোট দেওয়ার থেকে বিজেপিকে ভোট দেওয়া ভাল। সে প্রসঙ্গে এবার দিলিপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বললেন,”গোটা রাজ্যে অরাজকতা চলছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য সব জায়গায় লুঠপাট চলছে, দুর্নীতি চলছে। মহিলাদের সম্মানহানি হচ্ছে। তাই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন যে কোন মানুষ এটা বলবে। অধীরদা বুঝেছে তার দল ওদের হারাতে পারবে না, সিপিএম পারবে না, তৃণমূলকে হারাতে একমাত্র বিজেপিই পারবে।” 
    প্রসঙ্গত, ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশ। তৃণমূলের দাবী ৪ জুনের পর দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) তৃণমূলে যোগদান করতে হবে। এ কথার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”ওনাদের খোকাবাবু রোজ বলছেন দরজা খুললে লোকে ভড়ে যাবেন। কিন্তু উনি ভয়ে দরজা খুলছেন না। দরজা খুললে লোকে পালিয়ে যাবে। ৪ জুনের পর পিসি ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে আর কেউ থাকবে না।” 
    সম্প্রতি কুনালকে পদ থেকে সরিয়েছে তৃণমূল। সে প্রসঙ্গেই তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”ওকে কখনো গালিগালাজ করে, কখনো পদ থেকে সরিয়ে দেয়। কখনো জেলে পাঠায়। উনি ভাবুন কেমন দলে আছেন।” একই সঙ্গে চাকরি দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “কুনাল ঘোষ তো অনেকদিন পার্টিতে আছেন। উনি কেন তথ্য দিচ্ছেন না সিবিআই, ইডিকে। আমাদের কাছে সব তথ্য আছে কে কত টাকা নিয়েছে চাকরির জন্য। এখানকার বিধায়কও টাকা নিয়েছে, সেই তথ্যও আছে। দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করার জন্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।”

    আরও পড়ুন: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে হিট স্ট্রোক থেকে মৃত্যুর সংখ্যা! চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল গবেষণায়

    আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সভা 

    উল্লেখ্য, আগামীকাল সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এদিন জানান,প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবাংলায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, কারণ বাংলাতেই বিজেপির সিট বেশি বাড়বে। ৩৭০ টার্গেট দিয়েছে মোদিজি। সেজন্য দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য ও তাদের পাশে থাকার জন্য বার বার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এবার শুধু মোদিজি (PM Narendra Modi) নয় রাষ্ট্রীয় সভাপতি, যোগিজি সহ অনেকেই আসছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “দেশ বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেবেন না”, কৃষ্ণনগরে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “দেশ বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেবেন না”, কৃষ্ণনগরে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল শৌচালায়, আবাসের বাড়ি, চাকরি চুরি,  গরু পাচার, কয়লা বালি পাচার, ১০০ দিনের কাজের টাকা চুরি করে। এই তৃণমূলকে হারাতেই হবে।” বুধবার রাতে নদিয়ার বেথুয়াডহরি দেশবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের মাঠে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে এই ভাষাতে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    তৃণমূল কোনও দল নয়, একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এখানকার সাংসদের পদ চুরির দায়ে চলে গিয়েছে, দেশ বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দেবেন না। মোদিজির উন্নয়নকে বহাল রাখতে অমৃতা রায়কে ভোট দেবেন। একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ির রাজবধূ অমৃতা রায় সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। এরপরে মঞ্চে দাঁড়িয়ে মাইক হাতে নিয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের শাসক দলের প্রতি একরাশ ক্ষোভ উপড়ে দেন। জনসভার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণালকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এটা পিসি ভাইপোর কোম্পানির ভিতরের ব্যাপার। কোন কর্মচারীকে রাখবে আর কোন কর্মচারীকে রাখবে না সবটাই তাদের উপর নির্ভর করে। তৃণমূল কোনও রাজনৈতিক দল নয়, একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এখানে বিভিন্ন স্তরের কর্মচারী আছে। সারা দেশে কোন ভেদাভেদ নেই, আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে বিভাজনের রাজনীতি করেন।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    এলাকায় উন্নয়ন হয়নি

    অন্যদিকে, সভা মঞ্চ থেকে অমৃতা রায় কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, এখনও পর্যন্ত যেসব এলাকায় নির্বাচনী ভোট প্রচারে আমি গিয়েছি, সেই এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি, পরিস্থিতি খুব খারাপ। মানুষ আমাকে অভাব অভিযোগের কথা বলছেন। কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বেশিরভাগ জায়গায় মহুয়া মৈত্র সাংসদ থাকা সত্ত্বেও কোনও কাজ করেননি। মোদিজি আমাকে পরিষ্কার বলে দিয়েছেন যে ১০০ টি প্রকল্পের কাজ হওয়ার কথা, সেগুলি খুবই দ্রুত শুরু হবে। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত যে কাজ গুলি হয়নি সেই কাজগুলি সবার আগে করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: মাধ্যমিকে রাজ্যের প্রথম কোচবিহারের চন্দ্রচূড় সেনের স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার

    Cooch Behar: মাধ্যমিকে রাজ্যের প্রথম কোচবিহারের চন্দ্রচূড় সেনের স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাধ্যমিকে বাজমাত করল উত্তরবঙ্গ। মাধ্যমিকে রাজ্যের মধ্যে প্রথম হয়েছে কোচবিহারের (Cooch Behar) রামভোলা হাই স্কুলের ছাত্র চন্দ্রচূড় সেন। বৃহস্পতিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম স্থানাধিকারী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কোচ বিহারের সেন পরিবার। পাড়া প্রতিবেশীর সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকরাও তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

    সত্যজিৎ রায়ের লেখা বই পড়তে ভালোবাসে চন্দ্রচূড় (Cooch Behar)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে চন্দ্রচূড় রামভোলা স্কুলে (Cooch Behar) পড়ে। স্কুলে বরাবরই ও ভাল ফল করত। এছাড়া ছোট থেকেই আবৃত্তি, গল্পের বই পড়া, তাৎক্ষণিক বক্তৃতার সঙ্গেই চলত পড়াশোনা। আর সে মাধ্যমিকে ৭০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৬৯৩। চন্দ্রচূড়ের মা মৌসুমী সেন ছেলের এই রেজাল্ট শুনে আনন্দে আত্মহারা। তিনি বলেন, “ছেলের ৯ জন গৃহ শিক্ষক ছিলেন। তবে,  ওর বাঁধাধরা সময় ছিল না পড়াশোনার। যখন ভাল লাগত তখন ও পড়ত। আমরা পড়াশুনার জন্য বলতাম না। তবে, ও প্রতিটি ক্লাসে পরীক্ষার দেওয়ার পর যে নম্বর পাওয়ার কথা বলত, সেই নম্বরই ও পেত। এবার ও রাজ্যের মধ্যে স্থান করার কথা বলেছিল। আমরাও আশা রেখেছিলাম। তবে, রাজ্যের মধ্যে ছেলে প্রথম হওয়ায় খুব ভাল লাগছে। ছেলে ক্রিকেট খেলা ভালোবাসে। বিরাট কোহলি প্রিয় খেলোয়াড়। সত্যজিৎ রায়ের লেখা বই ছেলে খুব পছন্দ করে।” রামভোলা স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, “ছোট থেকেই ও পড়াশুনায় ভাল। ফলে, ও যে ভাল রেজাল্ট করবে তা আমাদের আশা ছিল। ও শুধু নিজের পরিবারকে নয় আমাদের রামভোলা স্কুলকে এবং সমগ্র কোচবিহারবাসীকে গর্বিত করেছে। তাই, টিভিতে ওর খবর শুনেই বাড়িতে আমি ওকে শুভেচ্ছা জানাতে চলে আসি।”

    ভবিষ্যতে নিট ইউজি-তে উত্তীর্ণ হয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে চন্দ্রচূড়

    প্রথম স্থানাধিকারী চন্দ্রচূড় জানায়, ” ভীষণ ভালো লাগছে সকলের প্রত্যাশার রাখতে পেরেছি। তবে, আরও অনেক পরীক্ষা আগামীদিনে বাকী রয়েছে। ইতিমধ্যেই পড়াশুনো শুরু হয়ে গিয়েছে। আমি যা চাই তাতেই সহযোগিতা করবেন বাবা মা। তাঁরা অত্যন্ত খুশি। আমি বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চাই। আমার মা-বাবাও চান আমি চিকিৎসক হই। সেইস্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগোব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: লক্ষ্মীবারেও বইছে গরম হাওয়া, সপ্তাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: লক্ষ্মীবারেও বইছে গরম হাওয়া, সপ্তাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারেও খর-তাপে জ্বলছে বাংলা। জেলায় জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ। তবে এরই মধ্যে স্বস্তির খবর শোনাল হাওয়া অফিস। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের জলীয়বাষ্প ঢুকল বাংলায়। আজ বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে কিছু জেলার তাপমাত্রা (Weather Update) নামবে। আগামী ৭২ ঘন্টায় গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলা এবং উপকূলের জেলার তাপমাত্রা গড়ে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি নামতে পারে। শনিবার বিকেলের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গে হাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতার তাপমাত্রা

    বুধবার কলকাতা এবং তৎপার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪২ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬.৬ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৯ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৭৬ শতাংশ। সর্বনিম্ন ২৩ শতাংশ। আজ, বৃহস্পতিবার দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। তবে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে দুপুরে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি এবং ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে ।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানাচ্ছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে শুক্রবার। ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ এবং অসম, তামিলনাড়ু ও আরব সাগর সংলগ্ন এলাকায়। বিহার থেকে মণিপুর অবধি তৈরি হয়েছে অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখা বাংলাদেশ ও অসমের উপর দিয়ে গেছে। এরই জেরে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের জলীয়বাষ্প বাংলায় ঢোকার ফলে রাশ পড়বে পারদের ঊর্ধ্বগতিতে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শনিবার অবধি একটু কষ্ট করতে হবে। আপাতত অতি তীব্র তাপপ্রবাহের মাত্রা কমবে। পারদ আর চড়ার সম্ভাবনা নেই ৷ শনিবার থেকে উপকূলে বৃষ্টি শুরু হবে। রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, তবুও গরম থেকে রেহাই মিলবে না।  দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়াই থাকবে। সোম এবং মঙ্গলবার ৬ ও ৭ মে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে (Heat Wave) জেরবার শহরবাসী। সকাল ৭টা থেকেই গনগনে রোদ। বৃহস্পতিবারেও অস্বস্তিকর (Weather Updat) গরম অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের ১৩টি জায়গায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। সেই তালিকায় আছে কলকাতাও। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। তবে বেলা বাড়লে শুষ্ক গরমের মুখোমুখি হতে হবে। 

    তাপপ্রবাহ জেলায় জেলায়

    বুধবারও তাপমাত্রায় (Weather Updat) রাজ্যের বাকি সব এলাকাকে টেক্কা দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা। সেখানেসর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যে সেটিই সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে মালদহ, বালুরঘাট, উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, ক্যানিং, হলদিয়া, মগরা, পানাগড়, আসানসোল এবং ঝাড়গ্রামে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার কৃষ্ণনগর, বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, বহরমপুর, সল্টলেক, কাঁথি, বর্ধমান, ব্যারাকপুর, বসিরহাট এবং দমদমে তাপপ্রবাহ হয়েছে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    বুধবার রাজ্যের ২৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি ছিল। দমদমে পারদ উঠেছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া, বসিরহাটে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডায়মন্ড হারবারে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুরে ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কৃষ্ণনগরে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুরে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেক ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হলদিয়ায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মগরায় ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোল ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুরে ৪৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Updat) অনুসারে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে শনিবারই উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় মিলতে পারে কালবৈশাখীর স্বস্তি। বুধবার কালবৈশাখীর বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছিল ওড়িশা উপকূলে। ক্রমশ তা পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দিঘা, মন্দারমণি, হলদিয়া, নামখানা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে দিঘা ও নামখানায় সন্ধ্যের দিকে স্বস্তির বৃষ্টি নামে। কলকাতার আাকাশেও মেঘের ঝলকানি চোখে পড়ে। গায়ে পড়ে দু-এক ফোঁটা বৃষ্টি। যদিও তাতে গা ভেজেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের এসএসসির পর প্রকাশ্যে তৃণমূল জমানার আরও এক কেলেঙ্কারি! ২০১৪ সালের টেট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই রিপোর্টে ব্যাপক অনিয়মের ইঙ্গিত। সিবিআইয়ের তদন্তে প্রকাশ (Calcutta High Court), নকল ওয়েবসাইট বানিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ করে ফেল করাদের পাশ দেখিয়ে নিয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছে সিবিআই। ওই টেটে কীভাবে জালিয়াতি হয়েছে সবিস্তারে তার তথ্য সিবিআইয়ের তরফে তুলে দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মান্থার এজলাসে।

    চার দফায় নিয়োগ (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের (Calcutta High Court) টেট পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ২০১৬, ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে। মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে এর ওপর ভিত্তি করে হওয়া সব নিয়োগ মামলা অস্তিত্ব হারাবে। আইনজীবীদের আশঙ্কা, গত চার দফায় যে প্রায় ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আট সপ্তাহ পরে। তার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি?

    ২০১৪ সালের টেটে কারচুপির অভিযোগে জনৈক রাহুল চক্রবর্তী-সহ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ ছিল, সিবিআইকে ওএমআর শিটের আসল তথ্য খুঁজতে হবে, নচেৎ বাতিল করে দেওয়া হবে ২০১৪ সালের টেট। এই মামলায় সিবিআই আগেই জানিয়েছিল, ৩০৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। তখনই আদালত জানিয়েছিল, তথ্যের খোঁজে প্রয়োজনে সিবিআই ফের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে গিয়ে তল্লাশি চালাতে পারবে।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    এদিন বিচারপতি মান্থার কড়া নির্দেশ, সিবিআইকে ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করতে হবে। ডিজিটাল ডেটা বের করার নির্দেশও দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে। ডিজিটাল ডেটা ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য সিবিআইকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে যাওয়ার ছাড়পত্রও দেন বিচারপতি মান্থা। সিবিআই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজে আনতে পারে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, এই মামলায়ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছিল, ওএমআর শিটের হার্ড কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। তবে ডিজিটাল ভার্সান সংরক্ষিত রয়েছে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। মহিলাদের ভয় দেখাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা।” বুধবার নওদায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দিয়ে একথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাজ্যে ৫০ লক্ষ চাষির অ্যাকাউন্টে কিষান সন্মান নিধির কিস্তির টাকা ঢুকেছে। রাজ্যের কোনও বিজেপি নেতা বলেছেন, ভোট না দিলে এই প্রকল্পের টাকা বন্ধ হয়ে যাবে। এটা তৃণমূলই বলতে পারে।

    তৃণমূল শাহজাহান তৈরি করে (Suvendu Adhikari)

    এদিন মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে আপনার মূল্যবান ভোটটি নষ্ট করা। তৃণমূল কংগ্রেসকে এখন লোকে চোর বলে, এই দলটি আপাদমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। তিনি বলেন, প্রচুর সংখ্যালঘু মানুষ এখানে আমার কথা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনছেন। আপনারা মমতার কাছে হচ্ছেন, তেজপাতা যেটা তরকারিতে লাগে, কিন্তু খাওয়া যায় না। ভারতীয় জনতা পার্টি শুধু হিন্দুদের পার্টি নয়। ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতীয়দের পার্টি। যারা বন্দে মাতরম বলেন, জাতীয় সংগীত গান, ২৬ শে জানুয়ারি ১৫ ই আগস্ট দেশের পতাকা তোলেন তাদের পার্টি। গরিবের মাথায় ছাদ, পেটে ভাত আর হাতে কাজ। এটাই হলো বিজেপির স্লোগান। নরেন্দ্র মোদির ১৭৫টি প্রকল্পের মধ্যে কোন স্কিমটা শুধুমাত্র কোনও ধর্ম সম্প্রদায়ের জন্য সেটা বলুন। আর তৃণমূলের লোকেরা বিভাজনের রাজনীতি করেন, আর শাহজাহান শেখদের মতো ডাকাত, ধর্ষণকারী তৈরি করেন। তিনি এই মঞ্চ থেকে বলেন, মুর্শিদাবাদের আনাচে-কানাচে এরকম শাহজাহান ছড়িয়ে আছে। এদের কাজ কেন্দ্র থেকে আপনাদের জন্য যে অর্থ পাঠানো হয় সেগুলো তছরুপ করা, নিজেদের বড়লোক বানানো।

    বহরমপুরে রোড শোয়ে জনজোয়ার

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,আজ কোথায় এক জায়গায় অধীর চৌধুরী বলেছেন, তৃণমূলের চেয়ে বিজেপিকে ভোট দেওয়া ভালো, একদম বিভ্রান্ত হবেন না। কেন বলছে জানেন, গতবারে অধীর চৌধুরীর নওদায়, বেলডাঙ্গায়, রেজিনগরে, ভরতপুরে হেরেছিল। লিড পেয়েছিল বহরমপুর আর কান্দিতে। এই অধীর চৌধুরী পাঁচ বছর পার্লামেন্টে যে ভাষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নর্দমার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এ বিষয়ে পার্লামেন্ট উত্তাল হয়েছিল, তাঁকে ক্ষমা চাওয়া করেছিল। এই অধীর চৌধুরী বুঝে নিয়েছে এবারে জেতা হচ্ছে না। আর একজন ইউসুফ পাঠান। মমতার মুখে বারবার শোনা যায়, মোদিজি বহিরাগত , অমিত শাহ বহিরাগত। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইউসুফ পাঠানকে কোথা থেকে এনেছেন। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দোষ গুণ কিছু দেখতে পান না বলে আজকে তাঁর দলের মন্ত্রীরা জেলের ভিতর বসে আছেন। শুভেন্দু অধিকারী এদিন সন্ধ্যায় বহরমপুর শহরে রোড শো করেন। রোড শোয়ে উপচে ভিড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share