Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুশহরকে টেক্কা দিয়ে রেকর্ড গড়ছে কলকাতার গরম। পাশাপাশি বিদ্যুতের (Electricity Crisis) চাহিদা ব্যাপক আকার নিয়েছে। সিইএসসি এবং বণ্টন সংস্থার সর্বকালীন চাহিদা এখন শীর্ষে। শহর কলকাতার নাগরিকদের একটা বড় অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেই বিদ্যুৎ। চরম গরমে নাকাল মানুষের জীবন। অথচ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ জোগানের ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে। কিন্তু মানুষের জীবন নাজেহাল।

    পথ অবরোধ বেলগাছিয়ায় (Electricity Crisis)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কাল শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলগাছিয়া লাল ময়দান এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করেছিলেন। সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ তাঁরা বেলগাছিয়া সেতুর কাছে মূল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করেন। ফলে সাময়িক ভাবে রাস্তায় বেশ কিছু সময়ের জন্য যানজট হয়ে যায়। এমনকী আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় রোগীদের। অবশেষে সকাল ৯ টার সময় পুলিশ কোনও রকম বুঝিয়ে অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    এলাকার এক বাসিন্দা মহম্মদ এতেশাম নামে এক অবরোধকারী বলেন, “গত তিন দিন ধরে পরিস্থিতি একদম খারাপ। বিদ্যুৎ (Electricity Crisis) এই থাকে এই নেই। সিইএসসি-কে বার বার ফোন করেও লাভ হচ্ছে না। গত বছর এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থার তাতে কিছুই যায় আসে না। এই বছর অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। তাই মানষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন।” আবার বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বয়স্ক মাকে দিনে চারবার নেবুলাইজার নিতে হয়। বেলা ১১ টায় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। নেবুলাইজারে ওষুধ তখন অর্ধেক ব্যবহার করা গিয়েছিল। পরে যতক্ষণে বিদ্যুৎ এসেছিল ততক্ষণে সেই ওষুধ ব্যবহার করার সুযোগ হয়নি। তীব্র গরমে প্রশাসনের উচিত মানুষের অসুবিধাগুলিকে নজরে রাখা।”

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির বক্তব্য

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে ডব্লউবিএসইডিসিএল জানিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা পৌঁছেছিল ৯৯৩৫ মেগাওয়াট। যা ছিল সর্বকালীন রেকর্ড। আবার গত বছর সর্বোচ্চ চাহিদা পৌঁছেছিল ৯২০০ মেগাওয়াট। গতবারের ১৮ জুনের চাহিদা এবারে এপ্রিল মাসেই ছাপিয়ে গিয়েছে। আবার শুক্রবার ৩ টে ১৫ মিনিটে সিইএসসি সবথেকে বেশি চাহিদা ছিল ২৭২৮ মেগাওয়াট। যা এই বছরের সবথেকে বেশি চাহিদা। একই ভাবে গত বছর ১৬ জুন এই চাহিদার পরিমাণ ছিল ২৬০৬ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা ভালো ভাবেই মেটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। তবে গরম বাড়লে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে এটাও স্বাভাবিক। ফলে গত বছরের চাহিদাকে মাথায় রেখে এই বছর কেন অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তাই মানুষের মনে বড় প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন:চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, “জোগানে (Electricity Crisis) কোনও খামতি নেই। কয়েকমাস আগে থকেই সেই দিকে আমরা নজরে রেখেছি। সিইএসসি সংস্থার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয় সেই দিকে আমরা নজর দেওয়ার চেষ্টা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির পথ চেয়ে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু এখনই বৃষ্টির কোনো রকম আশা দেখাতে পারছেনা আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আপাতত এই পরিস্থিতিই চলবে আরও বেশ কয়েকদিন। মে মাসের শুরুতেও থাকবে এই দহন-জ্বালা। রবিবারেও দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি তাপপ্রবাহের থাবা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। রবিবার উত্তরবঙ্গের ৩টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

    উত্তরে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Heatwave)

    দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে অবশ্য হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়িতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া দিতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও জলপাইগুড়িতে স্বস্তি মিলবে না। অন্যদিকে দক্ষিণদিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যহত

    তবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে দুর্বিষহ (Heatwave) পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ১ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলায়-জেলায় তাপপ্রবাহের দাপট জারি থাকবে। কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হবে, কোথাও আবার টানা তাপপ্রবাহের জেরে আরও নাকাল পরিস্থিতি তৈরি হবে। দক্ষিণবঙ্গে ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতা (kolkata) সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ চলবে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহ টের পাওয়া যেতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই জেলাগুলিতে বইবে লু। এর ফলে চরমে উঠবে আবহাওয়া। পশ্চিমের সব জেলাতেই শুকনো গরমের সতর্কতা জারি। কলকাতা সহ উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে দুপুরে লু এর পরিস্থিতি বাকি সময়ে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই

    উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের (Heatwave) কারণে ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা (Temperature)। আপাতত এই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই। অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বই কমবে না। তবে শুধু পশ্চিমাঞ্চলই নয় দক্ষিণবঙ্গেও  (South bengal) এপ্রিল ও মে মাস জুড়ে চলবে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি। ফলে দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে এখনই নিস্তার নেই। নেই বৃষ্টিপাতের সম্ভবনাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে (Heatwave Alert) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। বেশিরভাগ জেলায় বইছে লু। আগামী ৭ দিন গরম থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। হু হু করে চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আর এরই মধ্যে রেকর্ড গড়ল রাজ্য। শনিবার দেশের উষ্ণতম স্থান ছিল কলাইকুণ্ডা। তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরের কাছে কলাইকুন্ডায় (kalaikunda Weather Update) এদিন তাপমাত্রার পারদ উঠে গিয়েছিল ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এই নিয়ে পর পর দুই দিন দেশের উষ্ণতম শহর কলাইকুন্ডা।

    দেশের মধ্যে সর্বাধিক তাপমাত্রা (Heatwave Alert) 

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডার তাপমাত্রা (Heatwave Alert) দেশের মধ্যে সর্বাধিক বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামীকাল থেকে আরও পারদ চড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিনে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    শনিবারও জ্বালাপোড়া গরম জেলায় জেলায়

    অন্যদিকে কলাইকুন্ডা (kalaikunda Weather Update) পাশাপাশি তাপপ্রবাহের (Heatwave Alert) পরিস্থিতি চলবে কলকাতাতেও। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.১ ডিগ্রি। এর আগে ৪৪ বছর আগে ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও শনিবার বর্ধমান, ব্যারাকপুর, ঝাড়গ্রাম শহরে দিনের তাপমাত্রা (Temperature) ৪৩ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। শ্রীনিকেতন, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, পুরুলিয়া, সিউড়ির তাপমাত্রা ছিল ৪২-এরও বেশি। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৭ দিন বৃষ্টির (Rain fall) সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    কলাইকুন্ডার তাপমাত্রার (kalaikunda Weather Update) কথা মাথায় রেখে এমত পরিস্থিতিতে (Heatwave Alert) আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা, প্রয়োজন ছাড়া সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত রোদে বেরোবেন না। বেরোলেও সাথে ছাতা, টুপি সানগ্লাস এবং পর্যাপ্ত জল নিয়ে বেরোতে হবে। সাদা বা হালকা রঙের সুতির জামা পরতে হবে। সর্বোপরি নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পুলিশের রিভলভার যেমন পাওয়া গিয়েছে, তেমনি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। দেশি আগ্নেয়াস্ত্র তো রয়েছে। সব মিলিয়ে এই অস্ত্র মজুত করার সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের যোগের অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। এই আবহের মধ্যে এই আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় থেকে আনা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে সিবিআই। আর তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের সামনে উঠে এসেছে।

    মার্কিন মুলুক থেকে এসেছিল অস্ত্র! (Sandeshkhali)

    সিবিআই এর এখন সন্দেহ, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) উদ্ধার হওয়া এই সব অস্ত্রের অধিকাংশ এসেছিল মার্কিন মুলুক থেকে। আর এই সব অস্ত্র এমনই, যে বাজার থেকে কেনা যায় না। এগুলি নিলাম হয়। চড়া দামে কিনতে হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা দাম উঠে যায় একেকটি অস্ত্রের। তাহলে সন্দেহ প্রবল হচ্ছে, নেপথ্যে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাচালান চক্র? কীভাবে এই সব আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হত? আর সব থেকে বড় প্রশ্ন এত দামি অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ কোথা থেকে আসত? কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৩টি বিদেশি রিভলবার রয়েছে, যেগুলি মার্কিন মুলুকে তৈরি এবং এই সব আগ্নেয়াস্ত্র রীতিমতো নিলাম ডেকে চড়া দামে বিক্রি করা হয়। কী কারণে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র সন্দেশখালিতে মজুত করা হয়েছিল, অস্ত্র কেনার টাকাই বা এসেছিল কোথা থেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, একেকটি আগ্নেয়াস্ত্রের দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কোথা থেকে কেনা হয়েছিল এই অস্ত্র? তবে কি অস্ত্র চোরাচালানেও যুক্ত ছিল শেখ শাহজাহান?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিলের সূত্র থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ভান্ডারের কাছে বেশ কিছু বিল বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। সেই বিলে কলকাতার এক অস্ত্র কারবারির হদিশ মিলেছে। বিলে কে কেনা হয়েছিল তা উল্লেখ রয়েছে। কার্তুজ কেনার তথ্য রয়েছে। আর কোথায় থেকে অস্ত্র কেনা হয়েছিল তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। জানা গিয়েছে,  শনিবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) হানা দেয় সিবিআই। সেখানে একাধিক অভিযোগকারীর সঙ্গে তারা কথা বলেন। পাশাপাশি এদিনও শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সেই আবু তালেবের বাড়িতেও যান সিবিআই আধিকারিকরা। তবে, সেখান থেকে কী তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মী আসলে কেউটে সাপ মনে করে লাঠি দিয়ে পেটানোর নিদান দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গোসাবা বিধানসভার চুনাখালি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনীয় জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। জনসভায় তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল এবং বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল ও সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। দলীয় প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপিকে নিশানা করে একাধিক আক্রমণ করলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক।

    বিজেপি কর্মীদের কেউটে সাপের সঙ্গে তুলনা (South 24 Parganas)

    জনসভায় (South 24 Parganas) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন,” ভারতবর্ষ এবং বাংলার মানুষের সব থেকে বড় শত্রু বিজেপি। ধর্মের নাম করে এই দল বিষ ছড়াচ্ছে।” এরপর সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা তৈরি থাকবেন। ঘর বা বাড়ি বা বাস্তুর পাশে যদি বিজেপি কর্মীরা আসেন, মনে করবেন কেউটে সাপ এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাড়া করুণ।” তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।” অন্যদিকে, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা লাভলী মৈত্র মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া আক্রমণ করলেন। তিনি বলেন,” যখন বিজেপি প্রার্থী আসবে তাদের জল খাওয়াবেন। আর ঘেরাও করে ১০০ দিনের কাজের টাকা কোথায় তা জানতে চাইবেন।”

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জয়নগর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সর্দার বলেন, শ্যামলবাবু তো কয়েকদিন আগে তৃণমূলে থাকতে ভয় পাচ্ছিলেন। এখন বিজেপিকে কেউটে সাপের মতো আচরণ করে লাঠি দিয়ে মারার কথা বলছেন। এটুকু বলতে পারি, বিজেপিকে মারতে হবে না। তৃণমূল কর্মীরাই আপনাকে লাঠি পেটা করবেন। এসব যত বলবেন, মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। আর রাজ্যজুড়ে যা দুর্নীতি করেছে তৃণমূল, তাতে ভোট চাওয়ার মুখ নেই। এখন এই ধরনের গরম গরম কথা বলে মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

    “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

    সুকান্তের বক্তব্য

    পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

    পুলিশের ব্যর্থতা

    পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কী কী উদ্ধার হয়?

    শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করল সিবিআই। আর এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যোগ রয়েছে বলে বিরোধীরা সরব হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এবার সেই বিরোধীদের সুরে দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায় সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশকে তোপ দেখেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশের অপদার্থতা! (Sandeshkhali)

    শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি চালানোর পর সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে পুলিশের রিভলভারও। বোমা উদ্ধার করতে শুক্রবার নামানো হয়েছিল এনএসজি। আর সেই অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশের ওপরেই দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের একটা অংশ। শুক্রবারই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের নজরে থাকা উচিত ছিল। যারাই ঢুকিয়ে থাকুক, পুলিশের তো আগেই বের করা উচিত ছিল।” অন্যদিকে, দমদমের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় শনিবার প্রচারে বেরিয়ে সন্দেশখালিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে মন্তব্য করেন। রাজ্যের পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলেও সম্বোধন করেন তিনি। সন্দেশখালি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যেই অস্ত্র রাখুক না কেন, বেআইনি অস্ত্র ধরা তো পুলিশেরই কাজ। এটা পুলিশের অপদার্থতা।” প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পুলিশের ওপর দায় চাপালে কি শাসক দলের দিকে আঙুল উঠবে না?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    অস্ত্র উদ্ধারের কৃতিত্ব পুলিশের, দাবি পার্থ ভৌমিকের

    অস্ত্র মজুত এবং উদ্ধার করার বিষয়টি নাটক বলে অভিযোগ তৃণমূলের একটি অংশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়ী করার চেষ্টা করছে। এই আবহের মধ্যে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক আবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। তিনি বলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইডি, সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করেনি। এখন যাদের হেফাজতে রয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই সব তথ্য মিলছে। আসলে পুলিশের হেফাজতে থাকলেও এই অস্ত্র উদ্ধার হত। আসলে এই অস্ত্র উদ্ধারের সমস্ত কৃতিত্ব হচ্ছে পুলিশের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    Abhishek Banerjee: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) অষ্টম শ্রেণীর গণ্ডি পেরোননি। হাতে প্রমাণ রয়েছে।” আমতলার বাগরাহাট এলাকায় একটি পথসভা থেকে বিষ্ফোরক অভিযোগ করলেন ডায়মণ্ড হারবার (Diamond Harbour) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস ওরফে ববি।

    ঠিক কী বললেন অভিজিৎ দাস (Abhishek Banerjee)?

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস (Abhjit Das Bobby) সহ ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ-সভাপতি সুফল ঘাটু ও স্থানীয় নেতৃত্বরা এদিন উপস্থিত ছিলেন মঞ্চে। এদিনের এই সভা থেকে সমাজের সচেতন মানুষকে ভোট দেওয়ার আগে রাজ্যের পরিস্থিতি একবার ভাবার কথা বললেন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ক্লাস এইটে ফেল করেছেন, এমন দাবি করলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমার কাছে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে এই বিষয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস পুরোটাই দুষ্কৃতীবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছ।” নাম করেই একাধিক জাহাঙ্গীর শামীম, শওকত মোল্লা থেকে শুরু করে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান তিনি। তাঁর আরও দাবি, দু-বছরের মধ্যেই বিজেপি বাংলার ক্ষমতা দখল করবে। তাই দুষ্কৃতীদের শুধরে যেতে বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    অভিষেককে কেন অতিরিক্ত স্নেহ মমতার

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সখ্যতার সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলোন বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস। তাঁর মতে আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় থাকতে শুধু অভিষেককে কোন যোগ্যতার বিচারে অতিরিক্ত স্নেহ করেন মমতা, প্রশ্ন তোলেন ববি। অন্যদিকে বজবজ দু’নম্বর ব্লকের বাওয়ালি দাসপাড়া এলাকায় জলের পাইপ লাইন নিয়ে পথচারী গোপাল মালিক নামে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তিনি এদিনের সভা থেকে হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা যতই আক্রমণ করুক না কেন, কোনভাবে কিছু ঘটবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এক বাপের বেটা হয়ে থাকে, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেখাক। আপনার জামানত জব্দ যদি না হয়, আমি কথা দিলাম যে রাজনীতি আমি ছেড়ে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan) রোহিঙ্গাদের (Rohingya) নিয়ে এসে ক্যাম্প তৈরি করেছিলেন। সেই ক্যাম্পের খরচ দিত জেলা পরিষদ। বিষ্ফোরক অভিযোগ বিজেপির বর্ধমান দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। শেষ দফায় ১ জুন বসিরহাটে (Basirhat) নির্বাচন হবে। দেশ জুড়ে নির্বাচন চলাকালীন সন্দেশখালি (Sheikh Shahjahan Sandeshkhali) থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ফের জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি। দেশি, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সহ একশোর বেশি রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই (CBI)। উদ্ধার হয়েছে বিষ্ফোরক। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। নামাতে হয়েছে এনএসজি (NSG) কমান্ডো। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অস্ত্রপাচারের যোগের অভিযোগ করেছে বিজেপি।

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য (Seikh Shahjahan)

    দিলীপ ঘোষ বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকা যদি অস্ত্রের আড়তে পরিণত হয়, তাহলে দেশের সুরক্ষা কোথায়? যারা ইডির উপর হামলা চালিয়েছিল তারা প্রত্যেকে সন্ত্রাসবাদি। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত তল্লাশি চালিয়ে প্রত্যেককে জেলে ভরা। শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)  রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে ওখানে ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেই ক্যাম্পের খরচ চালাত ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের পাঠানো হত সারা ভারতের নানান প্রান্তে।”

    ঘটনার সূত্রপাত

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারকদের উপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  বাড়ির ৫০০ মিটার দূরের একটি বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই। বিরোধীদের প্রশ্ন সিবিআই এখানে অস্ত্রের হদিশ পায়। অথচ পুলিশ কেন পায় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আগেও উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। শাহজাহান ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টে তাদের কাছেই আলাপ আলোচনার জন্য নাকি পাঠিয়ে দিত পুলিশ। সেই অভিযোগে নতুন অধ্যায় জুড়ল সন্দেশখালি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার। এমনকি এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ইন্টেলিজেন্স ফেলিওরের তত্ত্ব এনেছেন খোদ রাজ্যের তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। শেখ শাহজাহানের সাগরেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রভাণ্ডার। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার আধার কার্ড, প্যান কার্ড, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার লাইসেন্স ও কার্তুজ কেনার বিল সহ আরও বহু নথি।

    উঠছে আরও অনেক প্রশ্ন

    বিরোধী দলের নেতাদের প্রশ্ন সন্দেশখালিতে এত অস্ত্র এল কোথা থেকে? কারা আনল, কী কারণে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বাড়িতে? ওই অস্ত্র কী ভোটের সময় সন্ত্রাসের জন্য মজুত করা হয়েছিল? এই অস্ত্রের জোরেই কি ইডির উপর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল দুষ্কৃতীরা? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সন্দেশখালির মাস্টার মাইন্ড শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  সঙ্গে এই অস্ত্রের যোগ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    বিরোধী দলনেতার বক্তব্য

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Seikh Shahjahan) এক্ষেত্রে বলেছেন, “যদি মিনাখাঁতে যান আইয়ুব গাজীর বাড়ি থেকে অস্ত্র পাবেন। জীবনতলায় যান শওকত মোল্লার ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন। বাসন্তীতে গেলে রাজা গাজীর ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন।” যে কটি নাম বলেছেন বিরোধী দলনেতা সকলেই নিজ-নিজ এলাকায় শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও কুনাল ঘোষ এর বক্তব্য এই অস্ত্র সিবিআই রেখে দিয়ে আই ওয়াশ করা তদন্ত করেছে। পুলিশের আগে থেকে সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। পুলিশের ইন্টেলিজেন্স কি করছিল। কেউ অস্ত্র রেখে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা করছে কিনা সেটা পুলিশের নজরদারি রাখা উচিত ছিল। অস্ত্র পাওয়া গেলে পুলিশের ভূমিকা ওতো অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। রাজনৈতিক কারণে শুভ কুনাল ঘোষ যাই বলুন না কেন ইন্টেলিজেন্স ফেললিয়নের কথা তিনি ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    CBI: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সন্দেশখালিতে হানা দিল সিবিআই (CBI) টিম। শুক্রবারের মতো শনিবারও তৃণমূল নেতা শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়ি ও দোকানে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুক্রবার আবু তালেবের বাড়িতে হানা দিয়ে সিবিআই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে। এদিন সিবিআই টিম শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তুফান মৃধার বাড়িতে হানা দেয়।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে হানা (CBI)

    স্থানীয় ও সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে সন্দেশখালির সিবিআই (CBI) টিম রাজবাড়ি এলাকায় যায়। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তুফান মৃধার দোকানে প্রথমে হানা দেয়। তুফান শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু, দোকান বন্ধ থাকায় সেখান থেকে তুফানের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। তুফান পরিবারের তরফে সিবিআই টিমকে জানানো হয়, সকালে কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছেন তিনি। তবে, এলাকার মানুষজন জানাচ্ছেন, গত তিন-চার দিন ওই দোকান বন্ধ রয়েছে। তুফানকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তবে, তিনি কোথায় আছেন তা প্রতিবেশীরা কেউ কিছু জানাতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠকে কলকাতায় জেরা

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দিতে গিয়ে ইডির আক্রান্ত হওয়ার মামলার প্রেক্ষিতে বার বার সন্দেশখালিতে সিবিআই হানা দেয়। শুক্রবার তালেবের বাড়িতে অস্ত্র উদ্ধারের পর সিবিআই ডেকে পাঠায় এনএসজিকে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে সন্দেশখালিতে চলে আসেন এনএসজি কম্যান্ডোরা। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর এদিন শাহজাহানের অন্য এক ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এর মধ্যে শনিবার শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ এক জনকে কলকাতায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। পাশাপাশি অভিযানও জারি রয়েছে। তবে, তুফানের বাড়িতে গিয়ে কী তথ্য জোগাড় করেছে তা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI) স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। তবে, তালেবের বাড়িতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে তুফান মৃধার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না তা নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে তুফানের বাড়ির লোকজন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share