Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল এখানে জিতলে, গুন্ডারা এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে। তাই তৃণমূলকে জেতানো যাবে না। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে। ভোট প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মীদের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে তৃণমূলকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার জেলার কুশমন্ডির মহিষবাথান এলাকায় ভোট প্রচার সারেন বালুরঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মহিষবাথানে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছর পাবেন। এই গ্যারান্টি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, বিরোধীরা মিথ্যে কথা বলছে। প্রচার করছে, দিদি দিচ্ছে। দিদির তো পকেটই নেই। কোথা থেকে দেবেন! পকেট থাকলেও টাকা নেই। তৃণমূলের ময়া মাছ, দাড়কা মাছ সাইজের নেতারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু, কারও বন্ধ হবে না। যদি কারও বন্ধ হয়ে যায় তা চালু করার দায়িত্ব আমার। ছাব্বিশে রাজ্যে বিজেপি সরকার হলে তিন হাজার টাকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করা হবে। কিন্তু তার আগেও সরকার চলে আসতে পারে। তাই তৃণমূলকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

    আরও পড়ুন: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে

    বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমার বলেন, সিএএ নিয়েও তৃণমূল মিথ্যে বলছে। কথা দিয়েছিলাম, বালুরঘাট-শিয়ালদা ট্রেন চালু করব, করেছি। এত সুন্দর ঝাঁ চকচকে ট্রেন গোটা উত্তরবঙ্গে নেই। এবার দিল্লির ট্রেন চলবে। সন্দেশখালিতে তৃণমূল মা-বোনদের সম্মান নিয়ে খেলেছে। এটা আমাদের এখানে হতে দেওয়া যাবে না।’ এদিনের সভা থেকে তিনি আরও বলেন, বাড়ির বউ- মেয়েদের তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ও নেতাদের ধারে পাশে যেতে দেবেন না, তাহলে তাঁদের ইজ্জত লুটে নেবে তৃণমূলের নেতারা। তৃণমূল দল হলো ইজ্জত লুটের দল। এই দল কে কোনও ভাবেই জেতানো যাবে না। তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে।

    ৩০টি আসনে জিতবে বিজেপি!

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘গতবার বিজেপি ১৮টি আসন জেতায় মুখ্যমন্ত্রীর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, বিজয় মিছিল করা যাবে না। এবারে আমরা ৩০টি আসন জিতে গেলে আরও বিজয় মিছিল করা যাবে না। সেজন্য আমরা আগামী ৩ তারিখ মনোনয়নপত্র জমা দেব। বিজয় মিছিলও করব। কিন্তু, বিজয় মিছিল করতে গেলে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নরেন্দ্র মোদির কাজ মানুষকে বোঝাতে হবে।’ আর তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রকে জেতানো যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল বিধায়ক লাভলীর স্বামীকে পুলিশের ডিসি পদ থেকে সরাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল বিধায়ক লাভলীর স্বামীকে পুলিশের ডিসি পদ থেকে সরাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন প্রক্রিয়া (Lok Sabha Election 2024) থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ-পশ্চিম সৌম্য রায়কে। সৌম্য রায় হলেন সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলী মৈত্রর স্বামী। প্রসঙ্গত, এটাই প্রথমবার নয় ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে  লাভলী মৈত্র যখন প্রার্থী হন তখনও সৌম্য রায়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন তাঁকে পদ থেকে সরানোর কথা জানিয়েছে।

    কী লেখা রয়েছে কমিশনের চিঠিতে? 

    নির্বাচন কমিশনের (Lok Sabha Election 2024) তরফ থেকে সৌম্য রায়কে সরানোর কথা জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অবিলম্বে আইপিএস সৌম্যকে কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ-পশ্চিম বিভাগের ডিসি পদ থেকে সরিয়ে কোনও অ-নির্বাচনী পদে রাখতে হবে। পাশাপাশি কমিশন আরও জানিয়েছে, তাঁকে এমন পদে বদলি করতে হবে, সেই পদের সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়ার কোনও রকমের সম্পর্ক থাকবে না।

    নতুন নাম চেয়েছে কমিশন

    সৌম্যর পদ খালি হওয়ার (Lok Sabha Election 2024) পরে তা পূরণের জন্য তিনজন আধিকারিকের নামও চেয়েছে কমিশন। রাজ্যের কাছে আগামীকাল অর্থাৎ ৩ এপ্রিল দুপুর তিনটের, তিনটি নাম চেয়েছে কমিশন। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। আচরণ বিধি লাগু থাকার সময় নির্বাচন কমিশনের হাতে বিশেষ কিছু ক্ষমতা থাকে। এই বিশেষ ক্ষমতা বলে কমিশন সরকারি অফিসারদের বদলি করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনকে সংঘটিত করা। সেই কথা মাথায় রেখে তৃণমূল নেত্রী তথা বিধায়কের স্বামীকে বদলির সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

    গতকাল সরানো হয় ২ অফিসারকে

    প্রসঙ্গত, পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরের দুই অফিসারকে গতকালই সরিয়ে দেয় কমিশন। যাঁদের সরানো হয়েছে তাঁরা হলেন, অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অমিত রায়চৌধুরী এবং যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাহুল নাথ। প্রসঙ্গত ভোট ঘোষণার (Lok Sabha Election 2024) পরেই লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। তখনই কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এর পাশাপাশি সরানো হয়েছিল চার জেলাশাসককেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মেলেনি আবাসের বাড়ি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: মেলেনি আবাসের বাড়ি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাসে নয়, ভরসা কেরালা মডেল। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা বার্ণিশ অঞ্চলের মানুষের ক্ষোভ এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর। ওই এলাকার প্রায় ১৫০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিশ্চিহ্ন হয়েছে প্রায় ৫০০ বাড়ি। এলাকার মানুষের ক্ষোভ, যদি প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর তাঁরা পেতেন তাহলে এতটা ক্ষতি হত না। এলাকার অধিকাংশ বাড়িই টিনের চালের। তাও আবার কাঁচা বাড়ি। কিছু বাড়ির অর্ধেক দেওয়াল রয়েছে তাতে কী? বিধ্বংসী ঝড়ের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে বাড়িগুলি।

    ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা কী বললেন? (Jalpaiguri)

    স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জীব রায়, নৃপেন অধিকারীরা বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইনি। আমরা এই এলাকার আদি এবং স্থায়ী বাসিন্দা। অথচ যারা সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িতে এসেছেন, তাঁরা ঘর সহ অন্যান্য সুবিধা পেয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় এলাকায় তেমন ভাবে কাজের বা রোজগারের কোনও সুযোগ সুবিধা নেই। তাই বাধ্য হয়েই এলাকার ছেলে বুড়ো প্রায় সকলেই কেরালায় কাজ করেন। তাদের উপার্জিত টাকা দিয়েই বাড়ির লোকজন ঘরবাড়ি তৈরি করছিলেন। কিন্তু, ঝড়ের তান্ডবে সব শেষ হয়ে গেল। স্থানীয় নেতাদের উদ্দ্যেশ্যে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে স্থানীয়রা বলেন, যদি সরকার বিবেচনা করে সঠিক মানুষকে ঘর দেয় তাহলে ভালো হত। কিন্তু, এখানে উল্টো, স্থানীয় নেতাদের সুপারিশ করা লোকজনই সমস্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। সেই কারণে আস্থা হারিয়েছেন। বেছে নিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ। সেখানেই তাঁরা আর্থিকভাবে  সুরক্ষিত। উপার্জনও ভালো, তাই গ্রামের উঠতি যুবকরা কেউই আর এলাকায় থাকছেন না। কেউ শ্রমিকের, কেউ বা রাজমিস্ত্রীর, কেউ আবার কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতে কেরলায় পাড়ি দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন শুভেন্দু

    সোমবার শুভেন্দু অধিকারী জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ঘটনাস্থলে এসে জানিয়েছিলেন, আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে। কিন্তু, রাজ্য সরকার সেই টাকা নয়ছয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় একটিও ঘর দেয়নি রাজ্যের বাসিন্দাদের। যদি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর এই এলাকায় দেওয়া হতো তাহলে এই দুর্গতি হত না। সেই ঘর শক্তপোক্ত হতো। ছাদ দেওয়া ঘর হতো, ঘরবাড়িগুলি অন্তত উড়ে যেত না। অন্যদিকে এলাকার মানুষ ভরসা রাখছে কেরলের ওপর বা অন্য রাজ্যের ওপর, যেখান থেকে অন্তত রুজিরুটির যোগান টুকু মেলে। পরিবারের মুখে দুবেলা অন্ন তুলে দেওয়ার গ্যারান্টি টুকু থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক বিপর্যয় এখন রাজনীতির ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) কয়েক মিনিটের ঝড় (Tornado) প্রভাব ফেলেছে রাজনীতির আঙিনায়। এবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এই কেন্দ্রে বঙ্গ সফরে বেশি সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রথম দফাতেই জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে নির্বাচন (Election) হবে। কিন্তু নির্বাচনের আগে টর্নেডোর তাণ্ডব এখন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোটের প্রচার (Election Campaign) থমকে গিয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। থমকে গিয়েছে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন। তবে ভোটপ্রচার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব নয় রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষে। গণতন্ত্রের উৎসব বলে কথা।

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারে মোদি

    প্রসঙ্গত রবিবার ঝড়ের খবর পেয়েই জলপাইগুড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), তড়িঘড়ি টুইট করে প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল কোচবিহার (Coochbehar), আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে নির্বাচন হবে। ভোট প্রচারে ঝড় তুলতে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর রবিবার জলপাইগুড়িতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই বালুরঘাটেও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

    রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা মোদির

    উত্তরবঙ্গ পাখির চোখ বিজেপির। নিজেদের গড় ধরে রাখার লড়াই চালাচ্ছে বিজেপি। কোচবিহারের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, বালুরঘাটের প্রার্থী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জলপাইগুড়ির বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। তিন হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও ভাষণ সহযোগে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, শুধু উত্তরবঙ্গ নয় লোকসভা ভোটে গোটা পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে একাধিক সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসত, কৃষ্ণনগর ও আরামবাগে সভা করে প্রচারে ঝড় তুলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির তারকা প্রচারকদের শতাধিক সভা ও মেগা র‍্যালি হবে রাজ্যজুড়ে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    উত্তরবঙ্গ বিজপির পাখির চোখ

    বিজেপি সূত্রের খবর, কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে মোদির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। এরপর রবিবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেন্দ্র বালুরঘাটে দুপুর ২:৩০ নাগাদ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি বিকেল চারটে নাগাদ যাবেন জয়ন্ত রায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র জলপাইগুড়িতে। সেখানে সভা করবেন তিনি। যেহেতু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছিল এবং সার্বিকভাবে বিগত বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কয়েকটি আসন নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় বিজেপি, তাই উত্তরবঙ্গকে এবারও পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। সে কারণেই প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না বিজেপি। তাই আগেভাগেই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসনে প্রচারে ঝড় তুলে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে পদ্মফুল শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের কেন্দ্রে তৃণমূল, সিপিএম ছেড়ে লাইন দিয়ে গেরুয়া বাহিনীতে যোগদান পর্ব চলছে। এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ করছেন কোচবিহারের (Cooch Behar) বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল বিধানসভায় ক্ষমতায় এসে বামেদের বহু কার্যালয় জোর করে দখল করে রেখেছে। এবার দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিশীথ প্রামাণিক বামেদের বার্তা দেন।

    বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস খুলে দেওয়ার বার্তা নিশীথের (Cooch Behar)

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন হল কোচবিহার (Cooch Behar)। এখান থেকে বিজেপি ফের একবার ভরসা রেখেছে বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কোচবিহারে ভোটের লড়াই মূলত দ্বিমুখী। তৃণমূল বনাম বিজেপি। তবে কংগ্রেস ও ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীও রয়েছে এখানে। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে প্রার্থী করা হয়েছে নীতীশচন্দ্র রায়কে। এককালে কোচবিহার ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত ঘাঁটি হলেও, এখন সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই কমেছে ফরওয়ার্ড ব্লকের। এমন অবস্থায় বামেদের ভোট বিজেপির দিকে টানার চেষ্টায় কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। ভোটের আগে এবার বামপন্থীদের উদ্দেশে বার্তা দেন কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের। ভোটপর্ব মিটে গেলে, বামপন্থীদের দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারে সাহায্য করার আশ্বাস দিলেন তিনি। নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘যেখানে যেখানে বামপন্থী ভাইদের পার্টি অফিস তৃণমূল দখল করেছে, তারা উদ্ধার করতে না পারলে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি সেই পার্টি অফিস উদ্ধার করে বামপন্থী ভাইদের হাতে তুলে দেবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বামপন্থীরা যাতে ভোট নষ্ট না করেন, বার্তাও দিয়ে রাখলেন নিশীথ।

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও নিশীথের বামেদের প্রতি এই আশ্বাসকে খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না কোচবিহারের (Cooch Behar) দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর পাল্টা আক্রমণ, ‘আজকের প্রতিশ্রুতিটা অনেকটা সুপারি কিলারদের মতো। সুপারি কিলাররা যেমন টাকা নিয়ে খুন করে, তেমন তিনিও বলেছেন ভোট দিন, আমরা পার্টি অফিস উদ্ধার করে দেবেন।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় তারকা প্রার্থী দেব-কে (Dev) নিয়ে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়লেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা। প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ জানানোয় চরম বিড়ম্বনায় পড়েন তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। তবে, ভোটের মুখে এই ক্ষোভ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (Dev)

    সোমবার বিকেলে কেশপুরে প্রচারে আসেন দেব (Dev)। তাঁর গাড়ির আগেই ছিল মন্ত্রী তথা কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহার গাড়ি। ছুতারগেড়্যার কাছে দলের নেতা-কর্মীদের জটলা দেখে গাড়ি দাঁড় করান শিউলি। রাস্তার পাশে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয়। বাম আমলে এটিই সিপিএম কার্যালয় ছিল। পালাবদলের পরে ‘দখল’ হয়েছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী যখন নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন, তখন তাঁর গাড়ির সামনে আসেন কাবরুল বেগম নামে স্থানীয় এক মহিলা। অভিযোগ করে বলেন, আবাসের বাড়ি দেয়নি। আমার বড় ছেলে শেখ বরজাহান আলি একশো শতাংশ প্রতিবন্ধী হয়েও সরকারি ওই প্রকল্পের সুবিধা পাননি। অথচ গ্রামের এমন অনেকে বাড়ি পেয়েছেন, যাঁদের পাওয়ার কথাই নয়। গাড়ির কাছে গিয়ে কাবরুল মন্ত্রীকে শোনান, “আমি মমতাকে দেখে পার্টি করেছি। এই পার্টি অফিসের জায়গাটা আমার শ্বশুরের। দেব আমার দেশের ছেলে। আমি কাউকে ভয় করিনি। অন্য অনেকে দু’তলা, তিনতলা বাড়ি করছে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটা কেন বাড়ি পাবেনি? এটা শুধু আমার ব্যাপার নয় আরও অনেকের ব্যাপার।”

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অভিযোগকারীকে বলতে বাধা!

    অদূরে তখন দেবের গাড়ি। প্রশ্নের মুখে অস্বস্তিতে পড়েন শিউলি। নেতা-কর্মীরা ওই মহিলাকে সরানোর চেষ্টা করেন। কাবরুল তখন বলে ওঠেন, “সরাচ্ছো কেন? দল করার জন্য দুর্দিনে মার খেয়েছি। সুদিনে আমাদের দল দেখেনি।” শিউলি বোঝানোর চেষ্টা করেন, “আরে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দিচ্ছে না তো।” কয়েকজন নেতার আশ্বাসে শেষে কাবরুল শান্ত হন। মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে এই ক্ষোভের কথা কানে উঠতেই কেশপুরের ভূমিপুত্র দেব (Dev) বললেন, “শুধু মানুষের ভালো কথা শোনার জন্য তো আর জনপ্রতিনিধি হয় না। মানুষের রাগ, অভিমান-এ সবও শুনতে হয়। মানুষ তাঁর কাছেই আক্ষেপ করেন, যাঁকে বিশ্বাস করেন।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এতদিন ধরে তৃণমূল করার পরও ওই মহিলা আবাস যোজনায় বাড়ি পাননি কেন? স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ রফিকের দাবি, “ওঁর এক ছেলে বাড়ি পেয়েছে। উনি সেটা জানেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের তেজপাতা হিসেবে ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শীতলকুচির সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে তোপ দাগলেন। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন রাখলেন। এমনিতেই শীতলকুচিতে বিজেপির ভালো ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তবে, তৃণমূল এবার লোকসভায় ভোট টানার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

    তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য রাজনীতির নিরিখে অন্যতম চর্চিত অঞ্চল হল শীতলকুচি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে গুলি চলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক দূর গড়িয়েছিল রাজনীতির জল। শাসক-বিরোধী চাপানউতোর চলেছে দীর্ঘদিন। সেই শীতলকুচির মাটিতেই নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, তত তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতির বাতাবরণ। তৃণমূল, বিজেপি সব দলই একে অন্যকে নিশানা করছে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না। এসবের মধ্যেই এবার শীতলকুচির সভা থেকে কড়া ভাষায় তৃণমূল শিবিরকে বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সভা মঞ্চ থেকে শীতলকুচির আমজনতার উদ্দেশে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের তেজপাতা বলে মনে করেন।” সাধারণত, তেজপাতা হল প্রতিটি বাঙালির হেঁশেলের নিত্যদিনের ব্যবহারের একটি জিনিস। কিন্তু, সেটা শুধুই ব্যবহার হয় রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। রান্নার পর খাওয়ার সময় সেই তেজপাতা পাতে পড়লে সরিয়ে রাখা হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে শীতলকুচির নির্বাচনী প্রচার সভায় শুভেন্দুর দাবি, শাসক শিবির সেখানকার আমজনতাকে ‘তেজপাতা’ বলে মনে করেন। এরপরই শুভেন্দু ব্যাখ্যা দিলেন, “তেজপাতা তরকারিতে লাগে, কিন্তু খাওয়া যায় না।” ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, দয়া করে এদের হাতে ব্যবহার হবেন না।’

    আরও পড়ুন: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

    Election Commission: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরের দুই অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন (Election Commission)। যাঁদের সরানো হল তাঁরা হলেন, অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অমিত রায়চৌধুরী এবং যুগ্ম মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাহুল নাথ। প্রসঙ্গত ভোট ঘোষণার (Lok Sabha Election 2024) পরেই লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। তখনই কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এর পাশাপাশি সরানো হয়েছিল চার জেলাশাসককেও।

    পক্ষপাতের অভিযোগ ছিল ২ অফিসারের বিরুদ্ধে

    কমিশন (ECI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দুই আধিকারিকের (Election Commission) বিরুদ্ধে পক্ষপাতের একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছিল। দুজনেই ছিলেন ডাব্লুবিসিএস অফিসার। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং অবাধ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর পাশাপাশি ওই দুই অফিসারের পরিবর্তে অন্য নামও কমিশন চেয়েছে রাজ্যের কাছে। প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণার (Lok Sabha Election 2024) পরে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হওয়া থেকেই সরকারি অফিসারদের বদলি করার বিশেষ ক্ষমতা থাকে নির্বাচন কমিশনের হাতে। সেই ক্ষমতা বলেই এই দুই আধিকারিককে (Election Commission) সরানো হল।

    আরও পড়ুন: ভোটের উত্তাপে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এগিয়ে এল গরমের ছুটি, বাড়ল দিনও, কবে থেকে?

    ৪ জেলাশাসককে সরানো হয় আগেই

    এর আগেও নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দেয় পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূম-এই চার জেলার জেলাশাসককে। তখন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওই চার জেলাশাসক কেউই (Election Commission) আইএস ক্যাডারের অফিসার নন। তাঁরা ডাব্লুবিসিএস আধিকারিক। প্রসঙ্গত, যে কোনও জেলায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দেখভালের সর্বোচ্চ দায়িত্ব থাকে জেলাশাসকের ওপরে। অবাধ-শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করাতে বড় ভূমিকা থাকে জেলাশাসকদের। তাই কোনও রকম যাতে অভিযোগ না ওঠে সেদিকে তাকিয়ে আইএএস ক্যাডারের চার জেলাশাসককে নিয়োগ করে কমিশন (ECI)। প্রসঙ্গত, সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও ভোট (Lok Sabha Election 2024) হবে সাত দফায়। ১৯ এপ্রিল থেকে ভোট শুরু হচ্ছে বাংলায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: কলকাতায় ৩৮ ডিগ্রি! আগামী ৩ দিন তাপপ্রবাহ দক্ষিণবঙ্গে, সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    Heatwave: কলকাতায় ৩৮ ডিগ্রি! আগামী ৩ দিন তাপপ্রবাহ দক্ষিণবঙ্গে, সুস্থ থাকতে কী কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র-আগামী ৩ দিন তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসও দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। পরিস্থিতি কী ভাবে মোকাবিলা করবেন, তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। শুধু দক্ষিণবঙ্গেই নয়, এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত ভারতের অনেকাংশ জুড়ে প্রবল গরম পড়বে। মধ্য ও পশ্চিম উপসাগরীয় এলাকায় সবথেকে বেশি গরম পড়বে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। 

    গরমে কী কী হতে পারে

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। আগামী ৩ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমানে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। ওই জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। বেলা ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত ঘর বা অফিস থেকে বাইরে বেরোতে মানা করা হয়েছে। এই তাপপ্রবাহের কারণে শিশু, বৃদ্ধ, যাঁদের রোগব্যাধি রয়েছে, এ রকম কিছু মানুষজনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাঁরা ভারী কাজ করেন, তাঁদেরও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। গরমে র‌্যাশ হতে পারে। হাতে-পায়ে টান ধরতে পারে।

    সুস্থ থাকতে কী করবেন

    তাপপ্রবাহ যখন চলবে, তখন বেশিক্ষণ বাইরে না থাকাই উচিত। হালকা সুতির জামা পরা দরকার। কোনও কাপড় বা টুপি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখা উচিত। সারা দিনে প্রচুর পরিমাণ জল পান করা উচিত। তেষ্টা না পেলেও জল খাওয়া প্রয়োজন। হাওয়া অফিসের আরও পরামর্শ, দেহে জলের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ওআরএস, লস্যি, ঘোল, ছাঁচ, লেবু-জল পান করা উচিত। প্রখর রোদের মধ্যে কাজ এড়িয়ে যাওয়া উচিত। বাইরে রোদের মধ্যে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের বার বার বিশ্রাম নেওয়ার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কলকাতায় ৩৮ ডিগ্রি!

    প্রতিদিনই বাড়ছে গরম। চলতি সপ্তাহে ৩৮ ডিগ্রি ছুঁতে পারে কলকাতার পারদ। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তিও থাকবে গরমের সঙ্গে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই। কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৪ থেকে ৯২ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ২৮ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। 

    আরও পড়ুন: ভ্যাপসা গরমে ঘামে নাজেহাল! কোন ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে রাখলে সুস্থ থাকবে শরীর?

    ভোটের সময় তাপপ্রবাহ

    সামনেই লোকসভা ভোট। এপ্রিল-মে মাসে যখন সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে তখনই নির্বাচন। তাই এই সময় সতর্ক থাকার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। কার্যত প্রবল গরমের মধ্য়ে ভোটদান প্রক্রিয়াকে একেবারে স্বাভাবিক করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। আইএমডি ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, দেশের বড় অংশে স্বাভাবিকের থেকে বেশি তাপমাত্রা থাকতে পারে। এপ্রিল-জুন মাসে এই পরিস্থিতি থাকবে। মধ্য ও পশ্চিম উপসাগরীয় অঞ্চলে মারাত্মক গরম পড়তে পারে। সেই সঙ্গেই আবহবিদ জানিয়েছেন, রাজস্থান, মধ্য়প্রদেশ, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, ওড়িশা এপ্রিল-মে জুন মাসে তাপপ্রবাহ হতে পারে। ৮-১০ দিন ধরে এই তাপপ্রবাহ বইতে পারে। কিন্তু এবার এই তাপপ্রবাহ স্বাভাবিকের থেকে বেশি দিন ধরে হতে পারে। তাপপ্রবাহ নিয়েও সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Summer Vacation: ভোটের উত্তাপে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এগিয়ে এল গরমের ছুটি, বাড়ল দিনও, কবে থেকে?

    Summer Vacation: ভোটের উত্তাপে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এগিয়ে এল গরমের ছুটি, বাড়ল দিনও, কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে গিয়েছে বলাই যায়। রাজনৈতিক উত্তাপও বেড়েছে ভোটবঙ্গে। লোকসভা ভোটের কারণে তাই রাজ্যের স্কুলগুলিতে (Summer Vacation) এগিয়ে আনা হল গরমের ছুটি। পাশাপাশি বাড়ল ছুটির পরিমাণও। চলতি বছরে গরমের ছুটি থাকবে ২২ দিন। ৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত এই গরমের ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ৯ মে থেকে গরমে ছুটি পড়ত। কিন্তু এবার ছুটি তিনদিন এগিয়ে এল। এই ছুটি কার্যকর হবে বাংলার সমস্ত সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে।

    সাধারণভাবে গরমের ছুটি ১০ দিনের থাকে, বেড়ে হল ২২ দিন

    সাধারণভাবে গরমের (Summer Vacation) ছুটি ১০ দিনের থাকে। এবার তা বেড়ে ২২ দিনের হচ্ছে। অর্থাৎ ১২ দিন বাড়ল গরমের ছুটি। তার কারণ অবশ্যই লোকসভা ভোট। কারণ প্রতিটা স্কুলেই ভোট কেন্দ্র তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মচারীরা ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকবেন। তাই গরমের ছুটিও বাড়িয়ে দেওয়া হল।

    ভোটের কারণে স্কুল ছুটি

    ইতিমধ্যে পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে (Summer Vacation), ভোটের জন্য ১৬ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে স্কুল বন্ধ থাকবে ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের কারণে।

    ভোটের কারণে এগিয়ে আসে মাধ্যমিকও

    তবে ভোটের কারণে শুধুমাত্র স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি (Summer Vacation) বাড়ল তাই নয়। চলতি বছরে মাধ্যমিকের দিনক্ষণও এগিয়ে আনে পর্ষদ। ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ থেকে শুরু হয়েছিল দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা। ১২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। জানা গিয়েছে, মাধ্যমিকের খাতা দেখার কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে রেজাল্ট তৈরির কাজ চলছে। প্রতিবারের মতো মে মাসেই প্রকাশিত হবে ফল।

    আগেভাগে গরমের ছুটি ঘোষণায় কী বলছে শিক্ষক সংগঠন?

    তবে গরমের ছুটি আগেভাগে ঘোষণা করার (Summer Vacation) ফলে অনেক রকমের মতও উঠে এসেছে। যেমন শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী এ বিষয়ে জানিয়েছেন, এক মাসেরও বেশি সময় পরে আসতে চলেছে ৬ মে। তাই এখন থেকে এইভাবে নোটিশ দেওয়াটা বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share