Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    Amit Shah: বুধবার বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মায়াপুর ইসকনে রয়েছে বিশেষ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। ভোটের প্রস্তুতি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে আগামী মার্চ মাসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে তার আগেই ফের রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসবেন এবং নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের মন্দিরে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

    বুধবার মায়াপুরে অমিত শাহ

    জানা যাচ্ছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে সরাসরি মায়াপুর যাবেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি প্রথমে ইসকনের শঙ্খভবনে যাবেন। সেখান থেকে তিনি রাধামাধব এবং পঞ্চতত্ত্বের বিগ্রহ দর্শন করবেন। পরে পদ্মভবনে সাধু-সন্তদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১৫২তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্ত ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিতেও অংশ নিতে পারেন তিনি। মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করতে পারেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠান শেষ করে বিকেলেই তিনি পুনরায় হেলিকপ্টারে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    নিরাপত্তার কড়াকড়ি মায়াপুরে

    এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মায়াপুর সফর ঘিরে শুরু হয়েছে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মায়াপুরে সাজসাজ রব। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মায়াপুরের অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে মন্দির চত্বর, শঙ্খ ভবন— সর্বত্র নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। দফায় দফায় নিরাপত্তা মহড়া এবং এলাকা পরিদর্শন চলছে। এর আগে, অমিত শাহের মায়াপুর আসার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে সেই সফর বাতিল হয়েছিল।

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

  • Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আরও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এবার কয়লা পাচার মামলার (Bengal Coal Scam) মূল অভিযুক্ত লালা সিন্ডিকেটের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার পুরনো কয়লা পাচার মামলাতেই ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এর ফলে এই মামলায় এখন পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মোট অঙ্ক দাঁড়াল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। তদন্তকারীরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে চালানো তল্লাশি অভিযানের সময়ই লালা সিন্ডিকেটের গড়া এই বিপুল সম্পদের নথি উদ্ধার হয়। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হত কয়লা পাচার?

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে আরও জানা গেছে, কয়লা পাচারের অর্থ দুটি বেনামি সংস্থার নামে জমি কেনা ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে লুকানো হয়েছিল। ভুয়ো চালানের মাধ্যমে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে লেনদেন দেখানো হত। এই সামান্য চালানের আড়ালেই গড়ে ওঠে কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি। তদন্তে উঠে এসেছে, চালানে পিন আটকানো ১০ বা ২০ টাকার নোট। ওই নোটের নম্বরই আসলে কোড। নাম তার ‘লালা প‌্যাড’। কয়লা মাফিয়া হিসাবে অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নামেই নামকরণ হয় এই প‌্যাডের। এই নোট-সহ প‌্যাডের ছবি হোয়াটসঅ‌্যাপে কয়লা পাচারের (Bengal Coal Scam) সঙ্গে যুক্ত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হত। এই টাকা আটকানো চালান যে ট্রাক চালকের কাছে থাকত, তাঁকে আটকানো হত না। ভুয়ো চালানের সঙ্গে পাঠানো হত ট্রাকের নম্বর প্লেটও। সেই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ছেড়ে দেওয়া হত বেআইনি কয়লা-সহ ট্রাক। এভাবেই বেআইনি কয়লা খাদান থেকে কয়লা পাচার হত বলে দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। ইডির গোয়েন্দারা জানান, ওই কয়লা পাচার চক্র বিপুল টাকা পাচার করত হাওয়ালার মাধ‌্যমেও। সেই ক্ষেত্রেও ১০ টাকার নোটের নম্বর ব‌্যবহার করা হত। ওই নম্বর দেখেই হাওয়ালা চক্র জায়গামতো পাঠিয়ে দিত কোটি কোটি টাকা। তদন্তকারীদের ধারণা, লালা সিন্ডিকেটের মোট দুর্নীতির পরিমাণ ২,৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

    জড়িত পুলিশ আধিকারিক?…

    একদিকে পুরনো মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন মামলায় (Bengal Coal Scam) চলছে জোরদার তলব। সম্প্রতি কয়লা পাচার সংক্রান্ত নতুন মামলায় বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর বদলে দুই আইনজীবী—শুভ্রাংশু পাল ও দেবতনু দাস হাজির হন। তাঁদের কাছ থেকেই মনোরঞ্জন মণ্ডল এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। রাজ্যের বিভিন্ন রেল সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা সামনে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর এবং পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্রেই প্রকাশ্যে আসে অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তার সিন্ডিকেটের নাম। গত বছর ইডি (Enforcement Directorate) এই ঘটনায় আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করে। ভোটমুখী বাংলায় সেই তদন্ত এখন ফের তীব্র গতিতে এগোচ্ছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    Bangladesh: বাংলাদেশের ভোটের ফলাফলে মালদা-মুর্শিদাবাদের সুরক্ষা নিয়ে কড়া সতর্কতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিএনপি। ইউনূসের টানা অপশাসনে বাংলাদেশ অস্থির হয়ে গিয়েছিল। তারেকের আমলে এবার কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে আশা করছেন সাধারণ আমজনতা। তবে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি আসনের ফলাফল (Election Result) নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আগের থেকে অনেক ভালো ফল করেছে ভারত সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়।

    কোন কোন এলাকায় সতর্কতা (Bangladesh)?

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ (Bangladesh), রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, রংপুর এবং সাতক্ষীরার মতো এলাকায় জামাতের প্রার্থীরা বড় জয় পেয়ছে। এই সমস্ত অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদবাদ, মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং অসমের ধুবড়ি সীমানার খুব খাছে। ফলাফলের উপর নির্ভর করে বাড়তি নিরপাত্তার কথা ভেবে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী আসনগুলির (Election Result) মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ আসনেই জামাত প্রাধান্য পেয়েছে। আগে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সক্রিয়তার বিষয়ে বিশেষ নজরদারিও শুরু হয়েছে।

    ‘র’ ও ‘আইবি’ সক্রিয়

    ইতিমধ্যে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা, ‘র’ (RAW) , ‘আইবি’ (Intelligence Bureau) সীমান্ত পরিস্থিতিকে ভালো করে নজরে রেখেছে। সেইসঙ্গে বিএসএফ-এর তরফে বাড়তি সতর্কতার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সামরিক গোয়েন্দারাও নজরদারি জোরদার করেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু কিছু সীমান্তঘেঁষা আসন বিএনপির দখলে গিয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিছু অংশে জামাতের সাফল্য নিরপাত্তা এবং সুরক্ষার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে বিধানসভা নির্বাচন (Election Result), ফলে বহিরাগত শক্তি যাতে বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিকে ভারত বিরোধিতার কাজে ব্যবহার না করতে পারে, সেই দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।

    ইউনূসের আমলে এই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিই জঙ্গি কার্যকলাপ এবং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কার্যক্ষেত্রের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় আসায় কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে জামাত শিবির। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে  আইএসআই যাতে নিজেদের গতিবিধি না চালাতে পারে সেই বিষয়ে সতর্কতা ঘোষণা করেছে ভারতীয় গোয়েন্দারা।

  • SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানি শেষ হয়েছে। বৈধ ভোটাররা নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা মাত্র। সব নথি ভালো করে খতিয়ে দেখার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে চলছে সুপার চেকিং (Election Commission)। আর তাতেই উঠে এসেছে বিরাট চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবা অথবা মায়ের সঙ্গে ছেলে-মেয়ের সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণের জন্য জমা নেওয়া হয়েছে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট বা রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র!

    রোল অবজার্ভাররা তাজ্জব (SIR)

    একজন বললেন, “বার্থ সার্টিফিকেটর নাম শুনেছি আমরা, তবে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট আবার কী?” এই নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই সার্টিফিকেট ইস্যু করে এসআইআর–এর তালিকায় গ্রহণ করার কথা জানা গিয়েছে। সুপার চেকিং করতে গিয়ে এই তথ্য সম্পর্কে জানা গিয়েছে। রোল অবজার্ভাররা (SIR) তাজ্জব। ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট কী? উত্তর খুঁজছেন অবজার্ভাররা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এক ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছে এই ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। এই ধরনের সার্টিফিকেটের কোনও বৈধতা আদৌ রয়েছে কিনা? না থাকলে কেন জমা নেওয়া হয়েছে এই সার্টিফিকেট। তবে এখানেই নয়, সুপার চেকিং করতে গিয়ে এমন কিছু কিছু তথ্য এসেছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কোথাও বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর (Election Commission) মতো অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভাই-বোনের বয়সের ফারাক মাত্র ১ মাস।

    দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন

    উল্লেখ্য সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদনে এসআইআর (SIR)  নিয়ে কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে। যেমন মেটিয়াবুরুজে ১০ জন ভোটার নিজের বাবার নাম হিসেবে আবদুল হায় নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। ফর্ম খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন, আর দুজনেরই বাবা-মায়ের নাম আব্দুল হায় ও আনোয়ারা বিবি।

    এসআইআরের শুনানিতে কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতিগত শংসাপত্রের মতো নথি। অনেক নথিতে অনেক গরমিল খুঁজে পাচ্ছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। কোথাও দেখা যাচ্ছে, জন্মের আগেই জন্মের শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার এনুমারেশন ফর্মে (Election Commission) জন্মের তারিখই লেখেননি ভোটার। কী ভাবে সেই ফর্ম জমা নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিজেপি বিধায়কের (BJP MLA’s Car Attacked) পরিবারের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর। পুড়িয়ে মারার চেষ্টার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বনগাঁ উত্তর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারে শাশুড়ির উপরে আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    কী ঘটেছিল, জানালেন বিধায়ক

    বিধায়ক অশোক কির্তনীয়ার দাবি, তাঁর পরিবারকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ, যে গাড়িতে করে বিধায়কের পরিবার ভ্রমণ করছিল, তাতে ভাঙচুর চালানো হয়। কয়েক মাস আগে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার হামলার শিকার হল বিজেপি বিধায়কের পরিবার। জানা গিয়েছে, গোপালনগরের বেলডাঙায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়ি। সেই অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথেই বিধায়কের পরিবারের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় গাড়িতে। অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “আমার স্ত্রী একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের গুন্ডারা আমার স্ত্রীকে গাড়ির ভেতরে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা পুরো গাড়িটিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সঠিক বিচার না হলে বনগাঁর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হবে।

    শুভেন্দুর দাবি, পরিকল্পিত আক্রমণ

    এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দলের স্থানীয় নেতা। গোপালনগর ব্লক ১ তৃণমূলের সভাপতি তাপস পাল দাবি করেন, এসআইআর আতঙ্কে এলাকার একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সম্প্রতি। এই নিয়ে বিধায়কের গাড়ি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। তবে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এরপরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অশোক কীর্তনীয়ার গাড়ি বলে আক্রমণ করা হয়েছে। বিধায়কের দুটি একই রকমের গাড়ি ছিল। অশোক কীর্তনিয়া গাড়িতে আছেন ভেবেই পরিকল্পনা করে হামলা করা হয়। গাড়িতে স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা ছিলেন, মূলত মহিলারা ছিলেন। প্রকাশ্যে লোক দেখেছে কারা হামলা চালিয়েছে। তিনটি মুসলিম ছেলে ছিল, দুটি হিন্দু ছেলে। প্রত্যেকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতি।” রাজ্যে বিধানসভা ভোট আসন্ন। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই তৃণমূলের এই কৌশল বলে মনে করেন শুভেন্দু।

  • West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট! রাজ্য সরকারের (West Bengal Govt) বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ (Metro Work)। বকেয়া কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই মামলার শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহে।

    চিংড়িঘাটায় মেট্রোজট (West Bengal Govt)

    অনেক দিন ধরেই থমকে রয়েছে চিংড়িঘাটা মোড়ে মেট্রোর কাজ। তার জেরে নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত আটকে রয়েছে লাইন পাতার কাজ। কাজ অসম্পূর্ণ মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার অংশের। এই অংশটাই পড়ে চিংড়িঘাটা মোড়ে। অভিযোগ, এই অংশে কাজের জন্য বাইপাসে বন্ধ রাখতে হবে যান চলাচল। রাজ্য সরকার তাতে অনুমতি না দেওয়ায় কাজ আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ মেট্রো কর্তৃপক্ষের। এর জেরেই হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। শুনানি চলাকালীন আদালত এনওসি দেওয়ার নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক) এবং ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ট্রাফিক)। হাইকোর্টের নির্দেশ, যান চলাচল অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এনওসি দিতে হবে, যাতে অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো প্রকল্পের কাজ করা যায় (West Bengal Govt)।

    আদালতের নির্দেশে বৈঠক

    আদালতের নির্দেশ মেনে গত ৯ সেপ্টেম্বর পার্কস্ট্রিটের মেট্রো রেল ভবনে সবপক্ষকে বসে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা হয়।এই বৈঠকেই স্থির হয়, উৎসবের মরশুম শেষে গত বছর নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহান্তে পিলার বসার কাজ হবে। নির্মাণকারী সংস্থা জানায়, গত বছর নভেম্বরে কাজ শুরু করা গেলে ৯ মাসের মধ্যে ওই লাইনের কাজ সম্পন্ন হবে (Metro Work)। যদিও পরে তারা জানায়, প্রয়োজনীয় এনওসি মেলেনি। তার পরেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করে আরভিএনএল। আদালত ফের একবার বৈঠকে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলে। গত ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য ও ট্রাফিক পুলিশকে পর পর দুটি সপ্তাহান্তের রাতের ট্রাফিক ব্লকের তারিখ চূড়ান্ত করতে হবে। তা কবে করা হবে ৬ জানুয়ারির মধ্যে সেটা রাজ্য জানাবে আরভিএনএল এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চ জানায়, আদালতের (West Bengal Govt) প্রত্যাশা সব কর্তৃপক্ষ সমন্বয় রেখে কাজ করবে, যাতে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যদিও তার পরেও কাজ থমকে রয়েছে সেই চিংড়িঘাটায়ই। এবার রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বিষয়টি ফের পিছিয়ে গেল বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রসঙ্গত, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ থমকে থাকা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার চিংড়িঘাটার মেট্রোর কাজে সহযোগিতা করছে না বলে কাজ থমকে রয়েছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় হয়ে (Metro Work) গিয়েছে যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না (West Bengal Govt)।”

     

  • RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে সমগ্র ভারতজুড়ে ৮০,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আরএসএস-এর আদর্শের মতোই এই অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজনও অনন্য এবং অনুকরণীয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যখন আমরা এই হিন্দু সম্মেলনের (Hindu Sammelan) খবর শুনি, তখন আমাদের তাৎপর্য, ভবিষ্যতের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আসুন দেখে নিই একনজরে হিন্দু সম্মলেনের উদ্দেশ্য কী?

    পিছিয়ে থাকা মানুষের সঙ্গে সংযোগ (RSS)

    একশ বছর আগে সংঘের (RSS) যাত্রা শুরু হয়েছিল সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আত্মবিস্মৃতি ও হতাশায় নিমজ্জিত ছিল তখন গোটা ভারতবর্ষ। গত একশ বছরে আরএসএস ভারতজুড়ে প্রশিক্ষিত স্বয়ংসেবকদের একটি বিশাল ভিত্তিভূমি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, সংঘ এখন ব্যক্তিগত এবং গণযোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান হিন্দু সম্মেলনগুলো (Hindu Sammelan)  সেই গণসংযোগেরই একটি অংশ। সমগ্র হিন্দু সমাজকে একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

    ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে সম্মলেন

    হিন্দু সামাজের (RSS) যখন সমাজকে জাতিভেদ, ভাষা বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে, তখন বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে ‘হিন্দু’ হিসেবে একত্রিত হচ্ছে—যা সমাজ পরিবর্তনের পথ প্রদর্শনের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই সম্মেলনগুলোতে (Hindu Sammelan) স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সন্ত, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানগুলো শুরু হয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে এবং শেষ হয় সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে যৌথ আত্মবিশ্বাস ও শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতা

    কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, একসঙ্গে চিন্তা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কারা? বাহ্যিক বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও কোন সাধারণ যোগসূত্রগুলো আমাদের একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করে? ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতাকে দেখায়। বৈচিত্র্য হল সেই একই শক্তি বা দৈব সত্তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ‘ভিন্ন ভিন্ন পথ একই গন্তব্যে নিয়ে যায়’—এই ধারণাটি সমস্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের (Hindu Sammelan) কাছে সাধারণ। তাই অন্তর্নিহিত ঐক্য উপলব্ধি করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যগুলিকে সমন্বয় করা উচিত। এই মৌলিক ‘দর্শন’ বা দার্শনিক অভিজ্ঞতাই আমাদের হিন্দু করে তুলেছে।

    বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই মৌলিক চিন্তা পবিত্র ভারতভূমিতে অনুভূত হচ্ছে। আমরা দেশকে মাতৃভূমি হিসেবে পূজা করি। এটিই আমাদের ভ্রাতৃত্বের এক দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু আমরা একটি সাধারণ বিশ্বদর্শন এবং একটি সাধারণ মাতৃভূমি ভাগ করে নিই, তাই আমাদের পূর্বপুরুষ এবং জীবনদর্শনের (RSS) প্রতি একটি জাতীয় চেতনা রয়েছে।

    স্থানীয়-বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলিকে গ্রহণ করতে হবে

    ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত অস্থিরতার মাঝে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীনও প্রতিনিয়ত হতে হচ্ছে। আমাদের এগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। হিন্দু হিসেবে এই সমস্যাগুলো (Hindu Sammelan) নিয়ে চিন্তা করা হিন্দু সম্মেলনগুলোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। যে কোনও সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অপরিহার্য। একত্রিত হওয়া এবং একসাথে চিন্তা করার পর, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলোকে স্থির করতে হবে।

    ‘পঞ্চ-পরিবর্তন’-এর কর্মসূচি—সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, স্বাতন্ত্র্যবোধ এবং জাতীয় কর্তব্য প্রচার—হলো ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা যা আমাদের সেই ‘রাষ্ট্র’ (RSS) হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম করবে যা স্বামী বিবেকানন্দ কল্পনা করেছিলেন।

    বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) যখন তার শতবর্ষ পূর্ণ করছে। শতবর্ষ যাত্রা সাংগঠনিক ভাবে মাইলফলক। ‘হিন্দু সম্মেলন’ বা সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে অভিন্ন সভ্যতাগত পরিচয়-দায়িত্ববোধের একটি যৌথ চেতনাকে জাগ্রত ও সমন্বয় করার কাজ করছে আরএসএস।  সনাতন হিন্দু সম্মেলনের সূচনা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় খাগড়ার বেলদৌর ব্লকের ফুলওয়ারিয়া গ্রামে একটি বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রার (Hindu Sammelan) আয়োজন করা হয়েছিল। এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

    ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ

    গত রবিবার আয়োজিত এই কলশ শোভাযাত্রায় ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি গ্রামের শিব মন্দির থেকে শুরু হয়ে  বিভিন্ন গলি ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে শ্রীকৃষ্ণ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সম্মিলিত ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    সংঘের আয়োজক কমিটির (RSS) সভাপতি সুবোধ কুমার বলেন, সনাতন হিন্দু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় এই কলশ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। পুরো শোভাযাত্রা চলাকালীন গ্রামজুড়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য, কারণ সংহতির অভাব বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।”

    কুমারী মেয়েদের ভোজনের অংশ হিসেবে ক্ষীর পরিবেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ঋষভ কুমার, কোষাধ্যক্ষ পবন কুমার হিটলার, অজয় কুমার শর্মা, ঘনশ্যাম কুমার, রঞ্জিত কুমার, পূরণ মণ্ডল, রাজেশ কুমার সহ আরও অনেক গ্রামবাসী ও সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটিকে (Hindu Sammelan) সফল করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন এলাকার গোটা হিন্দু সমাজ।

LinkedIn
Share