Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Balurghat: “নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না”, বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিক্ষুব্ধ নেতা

    Balurghat: “নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না”, বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিক্ষুব্ধ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে (Balurghat) তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই দলে পাত্তা পাচ্ছেন না বিপ্লব মিত্রের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে নয়, অনুগামীদের নিয়ে তৈরি ‘টিম বিপ্লব’ই এই নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে নেমে পড়েছে।

    নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না (Balurghat)  

    জেলাজুড়ে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, দলের অভ্যন্তরে এই অবিশ্বাসের বাতাবরণে নিঃশ্বাস নিতে না পেরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ফেসবুক যুদ্ধ। এরই মধ্যে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে একটি টি-শার্টের বুকে লেখা, ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লবের সঙ্গে মৃনালের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে।সম্প্রতি যে নির্বাচনী কমিটি করা হয়েছে, সেখানেও বিপ্লব অনুগামীদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কার্যত গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন তাঁর বিরুদ্ধ অনুগামীরা। এই অবস্থার মধ্যে জেলার প্রচুর নেতা- কর্মীরা তাঁদের অবস্থান ঠিক করতে পারছেন না, চুপ করে রয়েছেন অনেকেই। কিন্তু, এর মধ্যে প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে। এই পোস্ট প্রসঙ্গে মৃণাল সরকার এদিন বলেন, ‘দলের নির্বাচনী কোনও পরিকল্পনা বা প্রস্তুতিতে আমাকে ডাকা হয় না। আমি তাই নিজের বুথেই কাজ করছি।

    বিপ্লব অনুগামী তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    ‘টিম বিপ্লব’ তত্ত্ব মানতে রাজি নন তৃণমূল নেতারা। বিপ্লব অনুগামী বলে পরিচিত জেলা কমিটি ও নির্বাচনী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা বালুরঘাট পুরসভার পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘আমাদের দলে টিম বিপ্লব বলে কোনও শব্দ নেই। আমরা সবাই টিম মমতা, টিম তৃণমূলের। যাঁরা এই দল করে তাঁরা সকলেই আমাদের দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন। কোথাও কোনও সমস্যা নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী রেখা, এখন কেমন আছেন?

    Sandeshkhali: বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী রেখা, এখন কেমন আছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। তবে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পরও প্রচার শুরু না করায় অনেকে রেখাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে ফোন করে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বুধবার থেকে তিনি শুরু করেন প্রচার। রেখাকে নিয়ে সন্দেশখালি জু়ড়ে বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। তাঁকে এক পলখ দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ে। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, আবেগের কাছে হার মানতে হয় রেখাকে। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি করা হাসপাতালে।

    বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসের কাছে হার মানলেন রেখা! (Sandeshkhali)

    বিজেপি প্রার্থী নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। প্রার্থী  হওয়ার পর নিরাপত্তার অভাব বোধ করার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি। আর প্রচার শুরুর পরই অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি।   বুধবার বিকেলেই অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় কল্যাণী এইমস হাসপাতালে। বুধবার রেখা সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পা রাখতেই ভিড় উপচে পড়ে। কারও বাড়ির মেয়ে, কারও দিদির মতো করে তিনি কথা বলেন। এলাকায় ঘুরে ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে সকাল থেকে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। এরপরই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডিহাইড্রেশনের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রেখা পাত্র। তাঁর শরীরে জলের পরিমাণ কমে গিয়েছিল। কল্যাণী এইমসে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর সবরকমের পরীক্ষা করা হয়। একাধিক রক্ত পরীক্ষা করা হয়, স্যালাইনও দেওয়া হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    চিকিৎসকরা কী বললেন?

    বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসকরা বলেন, রেখার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এরপর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তবে এবার কবে ফের প্রচারে নামবেন, তা এখনও জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, নিরাপত্তা নিয়ে অভাব বোধ করায় তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তিনি ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুরের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা এবং স্থানীয় থানার ওসিকে তলব করল এনআইএ (NIA)। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের শিরোনাম ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ড। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল ভূপতিনগরে? (NIA)

    ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর থানা এলাকায় নাড়ুয়াবিড়লা গ্রাম। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সেখানেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ৩ জনের। বাজি তৈরি করার সময় এই বিস্ফোরণ হতে পারে বলে নিহতদের একজনের স্ত্রী থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। যে বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, তা এক তৃণমূল নেতার বাড়ি বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লেখা হয়। তার পরেই এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে তলব করেছিল এনআইএ। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তৃণমূল নেতাদের তলব করল এননআইএ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি-র অঙ্গুলিহেলনে কেন্দ্রীয় সংস্থা বেছে বেছে তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাচ্ছে বলেই দাবি শাসক দলের নেতৃত্বের।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী সাফাই?

    এনআইএ সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতাদের বৃহস্পতিবার কলকাতার এনআইএ (NIA) দফতরে তলব করেছে। শাসক শিবিরের নেতারা নোটিস পাওয়ার পরই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, “পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে। বিজেপি হারছে। তাই ভয়ংকর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তৃণমূল নেতাদের নতুন করে এনআইএ নোটিস পাঠানো শুরু করেছে। যাতে ভোটের আগে প্রচারের সময় মাঠ ফাঁকা করা যায়। গোটাটাই ভোটের লক্ষ্যে চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে মানুষ গর্জে উঠবে। আমাদের কোনও কর্মী বা নেতা এই নোটিসে সাড়া দেবে না। আইনি পথে পদক্ষপ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁ লোকসভায় তৃণমূলের থেকে গতবার ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রটি বিজেপি-র শক্ত ঘাঁটি। কল্যাণী (Kalyani) বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নাম ঘোষণার পর থেকেই নিজের লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার ও কর্মীসভা করছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। বুধবার কল্যাণীর গয়েশপুরে প্রচারে আসেন তিনি। সেখানে প্রচারে বাধার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কল্যাণী (Kalyani) থানার গয়েশপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপল্লির মাঠ থেকে বিজেপির মিছিলের কথা ছিল। সেই মতো বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেই আনন্দপল্লি মাঠে আসেন শান্তনু ঠাকুর। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ‘বিজেপি চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। শান্তনুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে গো ব্যাক স্লোগানও। পালটা চোর স্লোগান দিতে থাকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। বিজেপি কর্মীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কল্যাণীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট উর্মি সান্যাল।

    আরও পড়ুন: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। তাই ওদের হাজার হাজার হার্মাদদের প্রচারে বাধা দিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে আমিই জিতব। সেটা ওরা মেনে নিতে পারছে না। এই বাধায় ভয় পাওয়ার ছেলে আমি না। ৩৬ ইঞ্চি বুকের পাটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো।” গয়েশপুর পুরসভার পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে এসেছেন শান্তনু ঠাকুর। সাধারণ মানুষ শান্তনু ঠাকুরকে আর চাইছে না। তাই বাধা দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Murshidabad: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের প্রচারে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী খলিলুর রহমান। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সাগরদিঘির কাবিলপুর এলাকায়। সাধারণ মানুষ কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর সামনে। ভোটের মুখে সাধারণ মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    তুমুল বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি ব্লকের কাবিলপুর গ্রামে বহুদিন ধরে একটি রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। সেই রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিধায়ক কেউ কোনও উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ। ফলে, সাধারণ মানুষ রাগে ফুঁসছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী এলাকায় প্রচারে আসতেই সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় এক বাসিন্দার বক্তব্য, তৃণমূল প্রার্থী এর আগে সাংসদ হয়েছেন। আমরাই তাঁকে ভোট দিয়েছি। সাংসদ হওয়ার পর তিনি পাঁচ পয়সার কাজ করেননি। তাঁর ভোট চাওয়ার অধিকার নেই। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, আমাদের সামান্য দাবি,  এলাকার রাস্তাটা ঠিক করার। তৃণমূল সেটা করেনি। ভোটের আগে প্রতিবার রাস্তা তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেয়। আর ভোট শেষ হয়ে গেলে আর কেউ মনে রাখে না। এবারও ভোট চাইতে আসায় আমরা ক্ষোভের কথা তৃণমূল প্রার্থীকে বলেছি।

    আরও পড়ুন: আরএসএস-এর উদ্যোগে ১,২৫০ বিদ্যালয় চলছে জম্মু-কাশ্মীরে, শেখানো হচ্ছে দেশপ্রেম

    প্রচারে ব্লক সভাপতি ছিলেন না, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    তৃণমূল প্রার্থী খলিলুর রহমান এলাকায় কর্মীদের নিয়ে প্রচার করছেন, অথচ সেখানে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নেই। যা নিয়ে দলের অন্দরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নূরে মেহবুব আলম বলেন, আসলে তৃণমূল প্রার্থী দেরিতে আসায় আমি যেতে পারিনি। আর আমার এদিন শরীর খারাপ ছিল। তাই, এদিন আমি বের হতে পারিনি। তৃণমূলের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই।

    তৃণমূল প্রার্থী কী সাফাই দিলেন?

    যদিও বিক্ষোভ নিয়ে জঙ্গিপুরের তৃণমূল প্রার্থীর খলিলুল রহমান কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এতদিন কেন হয়নি তা জানা নেই। তবে, মানুষ যদি ফের আমাকে জিতিয়ে নিয়ে আসেন, এই এলাকার বেহাল রাস্তা তৈরি করা হবে আমার প্রথম কাজ। আর ব্লক সভাপতির প্রচারে না থাকা প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, আমি ব্লক সভাপতিকে খুঁজছি। ফলে, তিনি যে ব্লক সভাপতির ওপর বেজায় চটেছেন তা বলা বাহুল্য।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, তৃণমূল প্রার্থী এর আগে সাংসদ হয়ে যে কিছু করেননি তার জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে গেল এদিনের ঘটনা। প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি। আসলে এই সব প্রার্থীকে কেউ ভোট দেবে না। এখন থেকে মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat:”যারা সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটাবে, তারাই তৃণমূলের স্টার!” ভোটপ্রচারে আক্রমণ সুকান্তের

    Balurghat:”যারা সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটাবে, তারাই তৃণমূলের স্টার!” ভোটপ্রচারে আক্রমণ সুকান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার নিজের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন। বুধবার সকালে প্রথমে সন্ধ্যা সিনেমা হলের সামনে “চায়ে পে চর্চার” মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেন। তাঁদের সমস্যার কথা শুনলেন। তারপর দেওয়াল লিখন করে এলাকায় প্রচার শুরু করলেন। শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ড ও ২১ওয়ার্ডের প্রতিটি ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হন। বয়স্কদের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করেন তিনি। প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে হাতজোর করে সাধারণ মানুষকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিলি করেন। জনসংযোগ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমার ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ বাড়ি আছে। আমরা সবার বাড়িতে গিয়ে এলাকায় যা উন্নয়ন করেছি, তা  তুলে ধরবো।

    যারা সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটাবে তারা তো তৃণমূলের স্টার (Balurghat)

    ভোটের আগে ফের গুলি চলার ঘটনা প্রসঙ্গে বালুরঘাটে (Balurghat) প্রচারে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,ভাটপাড়া তো এখন ফাটপাড়া হয়ে গিয়েছে। ওখানে কথায় কথায় এখন বোমা ফাটে। তৃণমূলেরই তো অবদান গোলাগুলি, বোমা এইসব। এইটাকে ঠিক করতে হবে। দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূলের যুব প্রেসিডেন্ট অম্বরীশ সরকার চাকরি দুর্নীতির পান্ডা শান্তনুর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, এইটা তো হবেই, যারা চাকরি করবে, যারা সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটাবে তারা তো তৃণমূলের স্টার হবে। তৃণমূলের তো ওটাই পয়েন্ট। চুরি, ধর্ষণ এগুলো না থাকলে তৃণমূলের নেতা কেমন করে হবে।

    আরও পড়ুন: “দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ”, বিস্ফোরক অর্জুন, ফিরে পেলেন জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    সন্দেশখালির মানুষ এবার ভোট দিতে পারবেন

    এতদিন সন্দেশখালিতে সঠিকভাবে ভোট দিতে পারেননি সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা এইবার আশা করছি নির্বাচন কমিশন বিশেষ ব্যবস্থা নেবে। সন্দেশখালিতে মানুষ ভোট দিতে পারবেন। আর সন্দেশখালিতে মানুষ ভোট দিতে পারলে বিজেপি সেখানে ১ লক্ষ ভোটে লিড পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: জুন মালিয়ার নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে! অস্বস্তিতে দল

    Paschim Medinipur: জুন মালিয়ার নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে! অস্বস্তিতে দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) জুন মালিয়ার নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল কর্মীদের দলীয় বিক্ষোভের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোলের চিত্র ধরা পড়ল আজ। তাঁর প্রচার গাড়ির সামনেই দেখা দিল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরাট দ্বন্দ্ব। কার্যত প্রচার গাড়িতে প্রতিবাদে সোচ্চার হেলেন ওয়ার্ডের নেতারা। দলীয় প্রচারে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনায় তৃণমূলের মধ্যেই ব্যাপক অস্বস্তি দেখা দিল। তবে তৃণমূল প্রার্থী দ্বন্দ্ব নিয়ে মুখ খোলেননি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Paschim Medinipur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন জুন মালিয়া। বুড়ো শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু করেন রোড শো। এরপর সেই সময় হুড খোলা গাড়ি নিয়ে প্রচার শুরু হলে সেই সময় নির্দল থেকে সদ্য যোগ দেওয়া কাউন্সিলর অর্পিতা রায় নায়েক গাড়িতে উঠে পড়েন। এরপর তাঁকে দেখে তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অন্য তৃণমূল সমর্থকেরা। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় গোলমাল।

    আরও পড়ুনঃ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে মন্তব্য, আমেরিকাকে ‘সমঝে’ দিল ভারত

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    ঘটনায় স্থানীয় (Paschim Medinipur) বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা কৌশিক পাল বলেন, “আসলে অর্পিতা বার বার তৃণমূল করেন আবার ছেড়েও দেন। তাই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ অনেক বেশি। তাঁকে দলে নেওয়াতেই এতো বিক্ষুব্ধ হয়েছেন।” আরেক তৃণমূল নেতা বলেন, “আগেও দলে এসেছিলেন অর্পিতা। টিকিট না পেয়ে নির্দল হন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন নির্দলদের দলে নেওয়া হবে না। কিন্তু ফের দলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের পুরাতন কর্মীদের গাড়িতে নেওয়া হচ্ছে না।”

    অর্পিতার বক্তব্য

    অপর পক্ষে ঘটনা সম্পর্কে মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) তৃণমূল প্রার্থী জুন মালিয়া বক্তব্য দেননি। এদিকে নির্দল থেকে সদ্য তৃণমূলে যোগদান করা তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা বলেন, “জুনদি বলেছিলেন অর্পিতা তুমি গাড়িতে উঠুন। আর তাই আমি গাড়িতে উঠেছিলাম। কিন্তু অশান্তি যে হচ্ছে, সেটা আমি তো দেখিনি। আমার বিরুদ্ধে কোথাও কোনও ক্ষোভ নেই। আমরা দলের হয়ে কাজ করছি। নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: “দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ”, বিস্ফোরক অর্জুন, ফিরে পেলেন জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    Arjun Singh: “দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ”, বিস্ফোরক অর্জুন, ফিরে পেলেন জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরই মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। দোলের দিন ভাটপাড়ায় প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এরপরই বুধবার বিকেলে অর্জুন সিং কে জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই তাঁর কাছেই নির্দেশ এসে পৌঁছেছে। রাজ্য পুলিসের যে নিরাপত্তা তাঁর সঙ্গে রয়েছে তা এবার তিনি ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগেও তাঁর এই নিরাপত্তা ছিল। তবে, তৃণমূল চলে যাওয়ার পর তিনি তা ছেড়ে দিয়েছিলেন। ফের আগের নিরাপত্তা ফিরে পেলেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা”।

    সাধারণ মানুষ নয়, দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ (Arjun Singh)

    ভাটপাড়ায় রং খেলাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ যদি দুষ্কৃতীদের নিরাপত্তা দেয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা যা হওয়ার তাই হচ্ছে। বারাকপুরে পুলিশি ব্যবস্থা বলে কিছু নেই। তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    ভাটপাড়া প্রকাশ্যে গুলি চলার ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন অর্জুন

    জানা গিয়েছে, ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া। ২৬ মার্চ মঙ্গলবার হোলি উৎসবের দিন হিন্দি ভাষী প্রধান এলাকা ভাটপাড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর কলোনি এলাকায় দুই গোষ্ঠী  মধ্যে রং খেলা নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। এই ঘটনার জেরে পরপর ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়ে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যদিও পালানোর সময় একটি বাইক এলাকাতেই ফেলে যায় তারা। পরে, ঘটনাস্থলে এসে ভাটপাড়া থানার পুলিশ বাইকটিকে বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। বুধবার এলাকা থমথমে ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় টহল দেয়। ভাটপাড়া থানা ও বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে এলাকায় শান্তি ফেরাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। গুলি কাণ্ডে রোহিত সাউ ও সানি বর্মা নামে দুই দুষ্কৃতীকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করেছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ। তাদেরকে বারাকপুর আদালতে তোলা হয়েছে।  ঘটনার জেরে বুধবারও চাপা উত্তেজনা রয়েছে গোটা এলাকায়। এই প্রসঙ্গে অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, হোলির মতো উৎসবের দিনে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ কিছু করতে পারছে না। এলাকার মানুষ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছে। তাই, লোক দেখানো গ্রেফতার করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা বললেই তাদের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ছেড়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    Malda: জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর মিটিং! কমিশনে লিখিত অভিযোগ খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের প্রশাসনিক পদে থেকে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু। মালদা জেলার ১০ জন প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় মালদা জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

    খগেনের বক্তব্য (Malda)

    মালদা (Malda) উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বুধবার এই লোকসভা কেন্দ্রে তিনি সরকারি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া, জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। জেলাশাসক এবং পুলিশ আধিকারিকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু বলেন, “জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে কাজ করছেন। এই সমস্ত আধিকারিকেরা নির্বাচনে যুক্ত থাকলে নির্বাচন একদম নিরপেক্ষ হবে না। তাই সকলের অপসারণ দাবি করি।”

    আর কী বললেন খগেন?

    তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকের বৈঠক প্রসঙ্গে উত্তর মালদার বিজেপি প্রার্থী খগেন (Malda) মুর্মু আরও বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর একটি বেসরকারি হোটেলে মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের পুলিশ, ব্লক আধিকারিক এবং জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন তৃণমূল প্রার্থী। আর তাই এই সকল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুনঃ ওয়াশিং মেশিনে লুকনো কোটি কোটি টাকা! ভোটের মুখে বিরাট সাফল্য ইডির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। নির্বাচনের হতাশা থেকে এই অভিযোগ তুলেছেন।” উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ গনি খান চৌধুরীর পরিবারের মৌসম নুর বেনজিরের বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে খুব একটা অংশ গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে জেলার স্থানীয় তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের যোগদান না করার অভিযোগও রয়েছে। প্রার্থী নিজে বহিরাগত, এমন অভিযোগও উঠছে। ফলে জন সমর্থন এবং দলীয় সমর্থনের ভয়ে প্রশাসনকে কাজে লাগাতে চাইছেন না তো? ওয়াকিবহল মহল এমনটাই মনে করছেন বলা যায়।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কথা রাখলেন জগন্নাথ, কৃষ্ণনগর-আমঘাটা রেল লাইনে শুরু হল ট্রেনের ট্রায়াল রান

    Nadia: কথা রাখলেন জগন্নাথ, কৃষ্ণনগর-আমঘাটা রেল লাইনে শুরু হল ট্রেনের ট্রায়াল রান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত লোকসভা ভোটের আগে কৃষ্ণনগর থেকে স্বরূপগঞ্জঘাট পর্যন্ত রেল সম্প্রসারণ করার কথা বলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। সাংসদ হওয়ার পর রেল সম্প্রসারণের প্রথম পর্যায়ে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর-আমঘাটা রেললাইনের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। বুধবার পরিদর্শনে এলেন পূর্ব রেলের ডিআরএম দীপক নিগম। এই প্রথম কৃষ্ণনগর থেকে আমঘাটা পর্যন্ত ইলেকট্রিক ট্রেনের ট্রায়াল রান হবে।

    কৃষ্ণনগর-আমঘাটা রেললাইনের কাজ পরিদর্শনে ডিআরএম (Nadia)

    বহু বছর আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর থেকে নবদ্বীপ ধাম পর্যন্ত ন্যারোগেজ ট্রেন চলাচল করতো। পরবর্তীকালে তা বন্ধ হয়ে যায়। রেল দফতরের উদ্যোগে আবারো নতুন করে কৃষ্ণনগর থেকে স্বরূপগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত ব্রডগেজ ট্রেন চালু করার চিন্তাভাবনা করা হয়। সেইমতো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রেল দফতরের পক্ষ থেকে কাজ শুরু হয়। জমি জটে দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর অবশেষে কৃষ্ণনগর থেকে আমঘাটা পর্যন্ত ট্রেন চালু করার চিন্তা ভাবনা নেয় রেল দফতর। সেই কাজ প্রায় শেষের দিকে। এদিন আমঘাটা রেললাইন পরিদর্শনে যান পূর্ব রেলের ডিআরএম দীপক নিগম। তিনি বলেন, এদিন প্রথম ট্রেনের ট্রায়াল রান করা হয়। ইলেকট্রিক সিগন্যাল, রেলগেট সহ যা প্রযুক্তি রয়েছে তা সব ঠিকঠাক থাকলে আর কিছুদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে যাবে ট্রেন চলাচল। যারা এই দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা সম্পূর্ণ রিপোর্ট রেল দফতরের কাছে পেশ করবেন। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী সাধারণ মানুষের জন্য যত দ্রুত সম্ভব চালু করা হবে পরিষেবা। তবে, লোকসভা ভোটের আগে এই ট্রেন চালুর প্রশ্ন নিয়ে তিনি বলেন, এর সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই। এটা দীর্ঘদিন আগে থেকেই চালু করার চিন্তা ভাবনা চলছিল। কিছু সমস্যা কাটিয়ে অবশেষে কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার দিকে। পাশাপাশি রেললাইন তৈরিতে কিছু স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সমস্যার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, বিভিন্ন দিক থেকে অভিযোগ এসেছে। সাধারণ মানুষের যাতে সমস্যা না হয় সে দিকটাও আমরা চিন্তা ভাবনা করব।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    এ বিষয়ে রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ২০১৯ সালে সাংসদ হওয়ার পর আমার প্রথম টার্গেট ছিল কৃষ্ণনগর থেকে স্বরূপগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করার। সেই মতো বারংবার আমি সংসদে এবং রেল দফতরে বিষয়টি জানিয়েছি। পরবর্তীকালে রেল দফতরের তরফে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়।  আমি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলাম, সেই কথা রাখতে পেরেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share