Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র হাত ধরে গিয়েছিলেন তৃণমূলে, লোকসভা ভোটের আগে ভুল শুধরে ফিরলেন বিজেপিতেই

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র হাত ধরে গিয়েছিলেন তৃণমূলে, লোকসভা ভোটের আগে ভুল শুধরে ফিরলেন বিজেপিতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজল শেখ স্বমহিমায় দলে প্রত্যাবর্তনের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, অনুব্রত মণ্ডল বোধহয় পিছনের সারিতে চলে গেলেন। কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণিত করে কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিহার জেলে থাকা দলের জেলা সভাপতি (Birbhum) সেই অনুব্রত মণ্ডলের ওপরেই আস্থা রাখেন। আর এর কিছুদিনের মধ্যেই বড়সড় বিপর্যয় নেমে এল তৃণমূলে। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন শুভ্রাংশ চৌধুরী। দল তাঁকে মহম্মদ বাজারের ব্লক সভাপতিও করেছিল। কিন্তু সবাইকে এক রকম চমকে দিয়ে তিনি ফিরে এলেন তাঁর পুরনো দল বিজেপিতেই। বীরভূম জেলা বিজেপি অফিসে দলের জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার উপস্থিতিতে তাঁর বিজেপিতে যোগদান লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলকে অনেকটাই বেকায়দায় ফেলে দিল বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

    কী প্রতিক্রিয়া শুভ্রাংশ চৌধুরীর? (Birbhum)

    তৃণমূলে যাওয়ার পরেও তিনি যে এক মুহূর্ত স্বস্তিতে ছিলেন না, তা শুভ্রাংশ চৌধুরীর কথাতেই পরিষ্কার। বিজেপিতে যোগদান করার পর তাঁর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া, তিনি এক মুহূর্ত স্বস্তিতে ছিলেন না তৃণমূলে। দল হিসেবে তিনি তৃণমূলে থাকলেও তাঁর মনটা পড়েছিল সব সময় বিজেপিতেই। তিনি আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, আমাকে জোর করে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আপাতত আমি বিজেপিতে যেমন ছিলাম, আগামী দিনেও তেমনই থাকব।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি? (Birbhum)

    বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার বক্তব্য, শুভ্রাংশকে ভয় দেখিয়ে ওরা তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, তৃণমূলের অনেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। যে কোনও মুহূর্তে যে কেউই যোগদান করবেন। তবে যে কেউ আসতে চাইলেই যে তাঁকে দলে নেওয়া হবে, এরকম কোনও গ্যারান্টি নেই। তাঁর কাজকর্ম, পুরনো ইতিহাস ইত্যাদি খতিয়ে দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য অবশ্য পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অপরাধীদের নিয়ে ঘুরছেন অর্জুন! পুলিশের কাছে নালিশ তৃণমূল বিধায়কের

    Arjun Singh: অপরাধীদের নিয়ে ঘুরছেন অর্জুন! পুলিশের কাছে নালিশ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ফের অর্জুন-সোমনাথ-সুবোধ দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে। সাংসদ  অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। একইসঙ্গে বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী অর্জুনের (Arjun Singh) বিরুদ্ধে  সমালোচনা করেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বলে সাংসদ এবং বিধায়কদের মধ্যে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসায় রাজনৈতিক মহলে  চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    অর্জুনকে (Arjun Singh) পল্টুরাম বললেন সুবোধ

    মঙ্গলবার কাঁচরাপাড়া কাঁপা মোড় সংলগ্ন বাবু ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। রক্তদান শিবিরের মঞ্চ থেকে আবারও বিস্ফোরক সুবোধ এবং সোমনাথ। দুজনেরই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল সংসদ অর্জুন সিং(Arjun Singh)। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাসক দলের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বলেন, ২০১৯ সালে বীজপুর থেকে টিটাগড় যে সন্ত্রাস, তাণ্ডব হয়েছিল ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও তা করার চেষ্টা হচ্ছে। রাজ্যের সেরা থানার পুরস্কার পাওয়া বীজপুরকে নতুন করে অশান্ত করার পরিকল্পনা চলছে। এরপরই সুবোধ অধিকারীর গলায় কার্যত হুঁশিয়ারির সুর। সাংসদ অর্জুন সিং কে নিশানা করে বলেন, ‘ তিনি দাগী আসামীদের নিয়ে বীজপুরে অনেক জায়গায় পিকনিক করছেন। সেই ছবি আমি পুলিশ এবং প্রশাসনকে পাঠিয়েছি।  ২০১৯ সালে প্রতিবাদ হয়েছে। আবারও আমি সাবধান করতে চাই। আবারও যদি এই কাজ করতে যান তাহলে মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবে এবং সামল দিতে হবে আপনাকে’। সাংসদের নাম না করে সুবোধের কটাক্ষ, পল্টুরাম নীতীশ কুমার এখানেও আছে। যে ছেলেকে বিজেপিতে ঢুকিয়ে রেখেছে এবং নিজে তৃণমূলে ঘোরাঘুরি করছে। অর্থাৎ এক পা বিজেপিতে এবং এক পা তৃণমূলে। আবার আমাদের নামেই গুজব ছড়ানো হচ্ছে আমরা নাকি দিল্লিতে গিয়েছি বিজেপিতে যোগদান করার জন্য! আমরা তো তৃণমূলেই থাকবো, কিন্তু তিনি যে আগামী দিনে আবার পল্টুরাম হবেন না তার গ্যারান্টি কে নেবে? এরপরই মঞ্চের সামনে আসনে বসা মানুষদের উদ্দেশে সুবোধ বলেন, ‘ ২০২৪ সালে আবার অনেক পল্টুরাম পাবেন। তারা অনেক কথা বলবে। কিন্তু, সেদিকে কান দেবেন না’।

    জগদ্দলের বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নিশানাতেও সেই অর্জুন সিং (Arjun Singh)। একসময়ের মুকুল রায়ের খাস তালুক কাঁচরাপাড়ায় দাঁড়িয়ে সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘এখানে নাকি বড় বড় নেতারা থাকতেন। যারা পাল্টিবাজ। সেই পাল্টিবাজদের মত কিছু নেতা গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছেন আমি এবং সুবোধ নাকি দিল্লিতে রওনা দিয়েছি বিজেপিতে যোগদান করতে।  আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমরা পাল্টিবাজ নই। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের খুন করার চক্রান্ত করছে সাংসদ। এর আগে ইছাপুরে শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদারের পিছনেও সাংসদের হাত রয়েছে। ভারাটে খুনিরা তা স্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভুয়ো ইডির অফিসারের (Fake ED officer) পরিচয় দিয়ে বিয়ে করার চেষ্টা এক যুবকের। সেইসঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে যুবক। অভিযুক্তকে একেবারে হাতেনাতে ধরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনেই গণপ্রহার করল প্রতারণার শিকার মেয়ের পরিবার। অভিযুক্ত অবশ্য স্বীকার করেছে আগেও তিনটি পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অভিযুক্তের পরিচয় কী (Fake ED officer)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ন’মাস আগে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তরুণীর সঙ্গে আলাপ হয়। ভুয়ো ইডি অফিসার যুবকের (Fake ED officer) নাম প্রদীপ সাহা। নিজেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এরপর দুই পরিবারেরে মধ্যে সেই মতো কথাবার্তাও এগিয়ে যায়। অভিযুক্তের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে।

    তরুণীর পরিবারের অভিযোগ

    ঘটনায় প্রতারিত তরুণীর অভিযোগ হল, “প্রদীপ নিজেক ইডির (Fake ED officer) তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল। ইতিমধ্যে বিবাহের কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়েও নিয়েছে। এরপর তার আচরণে সন্দেহ হলে হাত-পা বেঁধে সোজা ইডির দফতর সিজিও-তে নিয়ে আসা হয় প্রদীপকে। সঙ্গে ছিলেন তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু দফতরে আনার পর প্রদীপের পরিচয় জানা গেল, সে কোনও ইডির অফিসার নয়। এরপর শুরু হল বেধড়ক মারধর।”

    তরুণীর ভাইয়ের বক্তব্য

    তরুণীর ভাই দেবজিৎ সাহা জানিয়েছেন, “সাদি ডট কম ওয়েব সাইট থেকে আমাদের পরিবারের সঙ্গে আলাপ হয়। বিয়ের কথা ঠিক হলে বিয়ের জন্য কার্ড ছাপানো হয়। আমাদের পরিবারের কাছে প্রদীপ জানায় দুর্নীতির তদন্ত করে তার শরীর খারাপ, তাই চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন। এরপর টাকার চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু পরে সংস্থার দফতরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সেখানে প্রদীপ নামে কেউ কোনও বিভাগে কাজ করে না। এরপর তাকে উত্তমমধ্যম দেওয়া হয়। তার কাছ থেকে ভুয়ো কার্ড এবং ইডি (Fake ED officer) লেখা জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।”

    প্রসঙ্গ ক্রমে জানা গিয়েছে প্রদীপকে এই প্রতারণার কাজে সহযোগিতা করছে তার মা এবং বোন। মূলত মোবাইলের অ্যাপের মধ্যমে সে এই কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। নিজেকে অবশ্য নির্দোষ বললেও তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ আপাতত তদন্ত শুরু করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সফরে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। এদিন জেলার কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জনসভাতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন ৫০০ জন তৃণমূলকর্মী। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। জেলাতে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী গেরুয়া শিবিরে যোগ দান করায় লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

    মমতার সফরের দিনই দেওয়াল লিখন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) ছাড়াও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী,  প্রাক্তন জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়াল লিখন শুরু করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার । মমতার প্রশাসনিক সভামঞ্চের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বিজেপির তরফে দেওয়াল লিখন  করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের যুবশ্রী মোড় সংলগ্ন এলাকায় দেওয়াল লিখন শুরু করেন বিজেপি সাংসদ। ‘হীরক রানি বাই বাই, অনাচার থেকে মুক্তি চাই’, ‘মোদি সরকার আরও একবার’, এই সমস্ত স্লোগানকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে বিজেপি। 

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এদিন জেলার বালুরঘাটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন। আর আমার সভা বালুরঘাট থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে হচ্ছে। মামদোবাজি পেয়েছে নাকি যে আমাদেরকে সভা করতে দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী তো হেলিকপ্টার করে যাবেন। তাহলেই আমাদের সভা করলে ওনার সমস্যা কোথায়। আমরাও সভা করছি। আর  মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করল। পাশাপাশি বালুরঘাটে দেওয়াল লিখন করা হয়। তৃণমূলের সভাতে বিজেপির বিধায়কদের ডাকা হয়নি বলে কোর্টে যাবার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, তৃণমূলে সন্মান ছিল না। বিজেপিতে এসে আমরা আত্মসন্মান ফিরে পেলাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বারাকপুরে (Barrackpore) শান্তিপূর্ণ আইন অমান্য কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এমনকী মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ পাথর ছুড়েছে। তাতে বহু কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছেন। বাদ যাননি মহিলারা। এমনই অভিযোগ করলেন বারাকপুরের বিজেপি কর্মীরা।

    পুলিশ অমানবিক ও বর্বর আচরণ করেছে (Barrackpore)

    গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশ ৫ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজন মহিলা কর্মী রয়েছেন। মঙ্গলবার বারাকপুর (Barrackpore) আদালতে যাওয়ার পথে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তাঁরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ আমাদের কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাল। জল কামানে আমাদের জামাকাপড় ভিজে যায়। অপরাধীর মতো আমাদের সঙ্গে পুলিশ ব্যবহার করে। দুই মহিলা বিজেপি কর্মী বলেন, রাতেই মহিলা থানায় আমাদের আনা হয়। শুধু পিচবোর্ডে বসতে দেওয়া হয়। ভিজে কাপড়ে আমরা থাকি। আমাদের কোনও চাদর দেয়নি। প্রচণ্ড শীতে সারারাত ধরে আমরা শুধু থর থর করে কেঁপেছি। জল পর্যন্ত খেতে দেয়নি। রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে আমাদের খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমাদের গায়ে জ্বর চলে আসে। কোনও চিকিৎসা পর্যন্ত করেনি। আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে যোগ দিয়েছি বলে পুলিশ এত বর্বর আচরণ করেছে। যদিও বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ তোলায় পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বলতে বাধা দেয়। তাদের জোর করে নিয়ে চলে যাওয়া হয়।

    শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ ইট, পাথর ছোড়ে!

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে বারাকপুরের (Barrackpore) ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে, সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জল কামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ। পরে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ চলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাতদিনের মধ্যে সিএএ লাগু হবে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী  শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখা শুরু করেছেন মতুয়ারা। খুশির হাওয়া মতুয়া গড়ে। তাঁদের বিশ্বাস, মন্ত্রী যখন বলেছেন, তখন হবেই। এত লড়াইয়ের স্বীকৃতি এবার মিলবেই।

    সিএএ লাগু হওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন অমিত-শুভেন্দু

    মতুয়ারা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে আন্দোলন করছেন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মতুয়া গড় ঠাকুরনগরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন। এমনকী গত বছর নভেম্বরে কলকাতায় এসে ধর্মতলার সমাবেশ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ অবশ্যই কার্যকর হবে। সেদিন তৃণমূল সরকারকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সিএএ গোটা দেশের আইন। বাংলার সরকার এই আইন কোনও ভাবেই রুখতে পারবে না। বাংলায় অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই সিএএ কার্যকর করতে চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এটা দিল্লির আইন। তাই চেষ্টা করলেও এটাকে রুখতে পারবেন না। এদেশে একজন হিন্দু নাগরিকের যতটা অধিকার,শরণার্থীদের অধিকারও ঠিক ততটাই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই সি এএ লাগু হয়ে যাবে। একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা সিএএ কার্যকরী হওয়ার কথা বলায় মতুয়ারা নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও (Shantanu Thakur) এক সপ্তাহ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

    কী বললেন মতুয়ারা?

    মতুয়াদের বক্তব্য, আমরা উচ্ছ্বসিত, আপ্লুত। অবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) হাত ধরে আমাদের দাবি পূরণ হতে চলেছে। কারণ, শান্তনু ঠাকুর যখন বলেছেন অবশ্যই সিএএ লাগু হবে। আমরা শুভদিনের অপেক্ষায় দিন গুনছি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি সিএএ’র কথা বললেও তা লাগু না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল মতুয়াদের মধ্যে। এমনকী বিজেপি-র এক বিধায়ক সিএএ-এর পক্ষে জোর সওয়াল করেছিলেন।  ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন আগে দেশে সিএএ কার্যকরী হলে বিজেপি মাস্টারস্ট্রোক হবে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান এখনও বেপাত্তা। ২৪ দিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অথচ তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়।২৬ জানুয়ারি কর্মীদের তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। তারপরও পাঁচদিন হতে চলল শাহজাহানের কোনও হদিশ নেই পুলিশের কাছে। আর সেই শাহজাহান নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    মহাত্মা গান্ধীর মহাপ্ৰয়াণ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বারাকপুর গান্ধীঘাটে এসে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গান্ধীঘাটে প্রার্থনা সভায় অংশ নেবার পর এদিন রাজ্যপাল গান্ধীজীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  “আইন আইনের পথে চলছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। নিয়ম মেনেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শীঘ্রই ধরা হবে। আপনারা ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করুন।” একইসঙ্গে তিনি বার্তা দেন, বাংলার দুটি শত্রু রয়েছে-“হিংসা আর দুর্নীতি।” আর এর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। নাম না করলেও রাজ্যপাল এই দুটি শত্রুর জন্য বাংলার তৃণমূল সরকারই দায়ী তা স্পষ্ট করে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নরেন্দ্রপুর স্কুলে তাণ্ডব নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    শনিবার নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার ওপর চড়াও এবং ভাঙচুরের ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে। সেই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের বেশিরভাগই এখনও গ্রেফতার করতে হয়নি। এপ্রসঙ্গে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “আমরা বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখব। তদন্তকারী কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন, একটু সময় দিতে হবে, নিশ্চয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে যথাযথ নিয়ম মেনেই বিষয়টিতে আমি হস্তক্ষেপ করবেন।” রাজ্যপাল ছাড়াও এদিন গান্ধীঘাটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং, জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: রাহুল আসার আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান

    Rahul Gandhi: রাহুল আসার আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ অধীর চৌধুরীর গড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল কংগ্রেস। তাও আবার দলের সুপ্রিমো রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) জেলা সফরে আসার আগেই। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখালেন কয়েকশো পরিবার। তারমধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছেন। লোকসভা ভোটের আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ২ জন পঞ্চায়েত সদস্য সহ ৪০০টি পরিবার বিজেপি যোগদান (Rahul Gandhi)

    অধীর চৌধুরীর খাসতালুক মুর্শিদাবাদে ন্যায় যাত্রা করতে আসছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তার আগেই সোমবার হরিহরপাড়ায় কংগ্রেসে ধস নামে। এদিন হরিহরপাড়ার চোয়া গ্রামপঞ্চায়েতের পাঁচগাছি শিবনগর এলাকায় বিজেপির এই যোগদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কংগ্রেসের ২ জন গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য আব্দুস সামাদ ও দিবস মণ্ডলের  সঙ্গে প্রায় ৪০০টি পরিবার এদিন হাত ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লেখায়। সিপিএম ও কংগ্রেস থেকে এসেছে সেই পরিবারগুলি। বিজেপি নেতা তন্ময় বিশ্বাসের হাত ধরে এই যোগদান হয়। যোগদানকারীদের বক্তব্য, কংগ্রেস আমাদের গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেই এই সিদ্ধান্ত।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা তন্ময় বিশ্বাসও বলেন, এই যোগদানে লোকসভা ভোটের আগে কিছুটা হলেও আমাদের সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি হল। এখানে তৃণমূল ছাড়া যে সে-ই দল করুন না কেন, তাদের কেউ নিরাপত্তা দিতে পারেনি। দলের নেতৃত্ব তাঁদের পাশে থাকেনি। মিথ্যা মামলায় পুলিশ ফাঁসালেও দল কোনও প্রতিবাদ করেনি। সিপিএমেরও একই অবস্থা। তবে আমাদের বিজেপির কাউকে কেস দেওয়া তো দূর, কেস দেওয়ার কথাও ভাবতে পারে না।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কংগ্রেসের হরিহরপাড়া ব্লকের সভাপতি জাহাঙ্গির শেখ বলেন, কংগ্রেসের টিকিটে জিতে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকা করল। এখন কংগ্রেসের নামে বদনাম করছে। আসলে নিজেদের স্বার্থের জন্য তারা দল ত্যাগ করেছে। এলাকার মানুষ ওদের ক্ষমা করবে না। আর ওদের দল ত্যাগের কারণে দলের কোনও ক্ষতি হবে না। কংগ্রেস সবসময় মানুষের পাশে থাকে। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santipur: ‘১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা!’ অবস্থান-বিক্ষোভে সরব বিজেপি

    Santipur: ‘১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা!’ অবস্থান-বিক্ষোভে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নদিয়া জেলার শান্তিপুরে (Santipur) প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক, এমপি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, পঞ্চায়েত সদস্যরা আমন্ত্রিত রয়েছেন। কিন্তু, আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বিজেপির বিধায়ক, এমপি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের কাউকেই। সোমবার দুপুরে এই অভিযোগ তুলে নদিয়ার ফুলিয়ার বিডিও অফিসে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    ১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা! (Santipur)

    বিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নদিয়ার রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও সামিল ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখে শান্তিপুরে (Santipur) আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, সেখানে বিজেপির কোনও প্রশাসনিক কর্তা থেকে এমপি বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী এখানে প্রশাসনিক সভা করতে আসছেন না দলীয় কর্মসূচি করতে আসছেন। বিজেপি-র শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন,  ২০১৬ সালে শান্তিপুর-কালনার গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজের জন্য বরাদ্দ হয় ১৯০০ কোটি টাকা। চাষিদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করা হলেও সেই ব্রিজ এখনও তৈরি হয়নি। ব্রিজের টাকা গেল কোথায়? আসলে ১৯০০ কোটি টাকা কেলেঙ্কারি করেছে তৃণমূল। সব টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। যাদের আগে পাটকাটির বাড়ি ছিল, তাঁদের এখন তিনতলা বাড়ি। এই ব্লকে ১৪ হাজার বার্ধক্য ভাতা বন্ধ রয়েছে, এই টাকা অবিলম্বে বরাদ্দ করতে হবে। আমাদেরকে প্রশাসনিক সভায় না ডাকার কারণ আমরা যদি এই সমস্ত অভিযোগ তুলে ধরি সেই ভয়ে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    নদিয়া জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার কটাক্ষ করে বলেন, একটি ব্যস্ততম দফতরের সামনে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে নাটক করছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভাতে কাকে ডাকা হবে আর কাকে ডাকা হবে না তার সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। এখানে রাজনীতি টানা ঠিক নয়। ওরা এসব করে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। তাতে লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডি অধিকারিকদের মাথা ফাটানোর ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা সেখানকার স্বঘোষিত বাঘ শেখ শাহজাহান। পরবর্তীকালে ইডির দল ফের একবার যায় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে। ইডি দফতরের হাজিরা দিতে বলে, তখনই তাঁর বাড়িতে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার ২৯ জানুয়ারি ছিল সেই হাজিরার দিন। কিন্তু শেখ শাহজাহানকে ইডি অফিসের ধারে কাছে তো দূরের কথা প্রকাশ্যেই কোথাও দেখা যায়নি। ইডি অফিসে হাজিরা না দিলেও আগাম জামিনের আবেদন করেছেন শেখ শাহাজাহান। সোমবার ইডির বিশেষ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    শাহজাহানের আগাম জামিনের শুনানি আজ

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারি সেই আবেদনের শুনানি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বারবার বিরোধী নেতারা অভিযোগ জানিয়েছেন যে পুলিশই লুকিয়ে রেখেছে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। অন্যদিকে, শাহজাহানের অডিও বার্তার এর মধ্যে ভেসে এসেছে। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে সন্দেশখালিতে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর অবস্থান মিলেছে। এত কিছু সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়নি পুলিশ।

    শাহজাহানকে ক্লিনচিট দিলেন অভিষেক

    সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শেখ শাহজাহানের পাশেই দাঁড়ালেন দেখা গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। এর মাধ্যমে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) কার্যকলাপে কার্যত সিলমোহর দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘শেখ শাহজাহান কী করেছে? যেদিন ঘটনা ঘটেছে, শেখ শাহজাহান ছিল বলে তো আমার জানা নেই। কিছু লোকের বিক্ষোভ আমি দেখতে পেয়েছি। আমি জানি না। তবে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। এটা না ঘটলেই ভাল হত। যে ঘটনা সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ঘটেছে, সেটা তো তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share