Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Birbhum: ‘বড়লোকের বিটি লো’র স্রষ্টা পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান, খুশিতে মাতোয়ারা সিউড়িবাসী

    Birbhum: ‘বড়লোকের বিটি লো’র স্রষ্টা পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান, খুশিতে মাতোয়ারা সিউড়িবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হচ্ছেন বীরভূমের (Birbhum) লোকসঙ্গীত শিল্পী রতন কাহার। তাঁর সব থেকে জনপ্রিয় গান হল ‘বড়লোকের বিটি লো লম্বা লম্বা চুল’। এই খবর শোনার পর রতন কাহারের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া, ‘‘অনেক অভাব-অনটনের মধ্যে গান গেয়েছি আমি। ভারত সরকার যে আমায় এই সম্মান দিল, আমি খুব খুশি হয়েছি।’’ জেলাবাসীর কাছে এই সম্মান অত্যন্ত গর্বের বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বীরভূমের কোথায় বাড়ি (Birbhum)?

    প্রখ্যাত লোকশিল্পী রতন কাহারের বাড়ি বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। তিনি লোকগানের মধ্যে ভাদু গান গাওয়ার মধ্যে দিয়েই নিজের সঙ্গীতচর্চা শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তিনি প্রথম গান রেকর্ড করেন রেডিও সেন্টারে। পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ৭৭ টাকা ১৫ পয়সা। এছাড়াও তিনি টুসু, ঝুমুর এবং আলকাপ গানে বেশ পারদর্শী। মূল ধারার লোকসঙ্গীতের সঙ্গে পরম্পরা বা প্রথাগত গানেও বেশ সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত তাঁর স্বরচিত গানের সংখ্যা হল ২৫০।

    কী জানালেন রতন কাহারের ছেলে?

    রতন কাহারের ছেলে দেবাশিষ কাহার বলেন, “দিল্লি থেকে ফোন করে পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হচ্ছে বলে বাবাকে জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা এই সম্মানে ভীষণ খুশি।” এলাকার মানুষের বক্তব্য, তাঁরাও সিউড়িবাসী হিসেবে ভীষণ খুশি। কারণ বাংলার লোকগানের মুকুটে আরও এক পালক যুক্ত হল। বৃদ্ধ বয়সে এই লোকশিল্পীর এই সম্মাননা প্রাপ্য ছিল। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক সঙ্কটের কথা জানিয়েছেন এই শিল্পী। সঞ্চয়ের সামান্য টাকার সুদ এবং লোকশিল্পীর সামান্য ভাতায় কোনও রকমে সংসার চালান বলে জানিয়েছিলেন রতন কাহার (Birbhum)।

    বড়লোকের বিটি গান রেকর্ডে বিতর্ক

    ‘বড়লোকের বিটি লো’ গানটি প্রথম রেকর্ড করেন শিল্পী স্বপ্না চক্রবর্তী। এর পরবর্তী সময়ে বলিউড সঙ্গীতশিল্পী বাদশা তাঁর ‘গেন্দা ফুল’ গানে বড়লোকের বিটি গানের অংশ ব্যবহার করেন। এই গানটিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে গানে রতন কাহারের ঋণ স্বীকার করেননি তিনি। এই নিয়ে সমালোচনার ঢেউ উঠেছিল। এরপর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক হইচই হলে বাধ্য হয়ে রতন কাহারের কাছে ক্ষমা চান বাদশা। ঠিক তারপরেই সাম্মানিক হিসাবে পাঁচ লাখ টাকা রতন কাহারকে (Birbhum) তিনি পাঠান বলে জানা গিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রামের বিজয় হল অধর্ম ও অসত্যের বিনাশের সংকেত। যিনি রামচন্দ্রের অপমান করছেন, অধর্মের সাথ দিচ্ছেন, অসত্যের পথে হাঁটছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন কতদিন চলে দেখব। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংগঠনিক  বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি। মধ্য হাওড়ার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের অশান্তির ঘটনার জন্য কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রামলালার মূর্তি স্থাপন নিয়ে যখন আনন্দ-সমারোহ হচ্ছিল, তখন হাওড়ায় এই ওয়ার্ডে শিব মন্দিরে পাথর ছোড়া হয়। রাম ভক্তদের ওপর হামলা হয়। রামের ছবি ছেঁড়া হয়। যে গুন্ডারা এই কাজ করেছে, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয় পায়।

    এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)

    সনাতন ধর্মে ইন্ডি জোট ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা নেই, রয়েছে বিদ্বেষ। হামলার সময় পুলিশ ছিল না। কিন্তু জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবার সময় পুলিশ টিভি বন্ধ করতে হাজির হয়। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি আরও বলেন, যেখানে যেখানে ইন্ডি জোটের নেতারা আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, সেখানে রামচন্দ্রের প্রতি অপমান আছে, এটা পরিষ্কার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই। পুলিশ চুপচাপ তামাশা দেখেছে। কেন নরেন্দ্র মোদির প্রতি রাগ, কেন ভগবান রামের প্রতি অপমান-এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। এদিন ডুমুরজলার সাংগঠনিক বৈঠকে এসে টিকিয়াপাড়ার ঝামেলায় আক্রান্তদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার ভরসা দেন। তাঁর (Smriti Irani) আশ্বাসে খুশি আক্রান্তরা।

    অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল (Smriti Irani)

    স্মৃতি ইরানি বলেন, মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী শিখদের উৎসব উদযাপন করছিলেন। আমিও মদিনায় গিয়েছিলাম। অনেক অহিন্দু প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে শামিল হয়েছিলেন। পার্সিদের প্রধান পুরোহিতও অযোধ্যায় ছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী গেলেন না। স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল। ভারতীয় হিন্দুরা ১৮৮০র দশক থেকে এই নিয়ে লড়াই করেছেন। ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই ভাবে রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব হিন্দুই সুযোগ পেলে অযোধ্যা যেতেন। আস্থার এই জায়গাটিই কেউ কেউ বোঝেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: রানাঘাট সেনকো গোল্ডে ডাকাতি, চার দুষ্কৃতীর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা

    Dacoits: রানাঘাট সেনকো গোল্ডে ডাকাতি, চার দুষ্কৃতীর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে দুপুরে নদিয়া রানাঘাটে সেনকো গোল্ড এর শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনার দুই মাস পর অভিযুক্তদের সাজা ঘোষণা করল আদালত। বৃহস্পতিবার রানাঘাট মহকুমা আদালতের বিচারপতি চার অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। অনাদায়ে আরও একমাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Dacoits)

    আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই মাস আগে বিকাল তিনটে নাগাদ কয়েকজনের ডাকাত (Dacoits) আচমকা সেনকো গোল্ড এর শোরুমে হানা দেয়। রিভলভার দেখিয়ে লুটপাট করতে থাকে গয়না। কিছুক্ষণের পরেই খবর পৌঁছায় রানাঘাট থানায়। রানাঘাট থানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপরই শুরু হয় প্রকাশ্যে ওই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে গুলির লড়াই। দিনের বেলায় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশের গুলি বিনিময়ের দৃশ্য সংবাদ মাধ্যমের সৌজন্যে দেখেছিলেন রাজ্যবাসী। পুলিশের গুলিতে জখম হয় এক দুষ্কৃতী। বাকিরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। সোনার দোকান থেকে কয়েক কোটি টাকার গয়না হাতিয়ে নিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, এরপরই পুলিশ জখম ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীকালে পুলিশ তদন্তে নেমে আরও চারজনকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তারা ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। অভিযুক্তদের নাম নন্দন কুমার যাদব, রাজকুমার পাশওয়ান, ছোট্ট পাশওয়ান এবং রিক্কি পাসওয়ান। দীর্ঘ দুই মাস ধরে বিচার চলতে থাকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। এই ঘটনায় বুধবার বিচারপতি অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেন। বৃহস্পতিবার আদালতের বিচারক ওই চার অভিযুক্তের সাজা ঘোষণা করেন।

    আসামীপক্ষের আইনজীবী কী বললেন?

    এ বিষয়ে আসামীপক্ষের আইনজীবী বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, এর আগে আমরা দেখেছিলাম চার্জশিটে মৃত ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছিল। আমরা বেশকিছু বিষয় নিয়ে আসামীর হয়ে আদালতে প্রশ্ন করেছিলাম। কিন্তু, এদিন আদালত তাদের বিরুদ্ধে এই সাজা ঘোষণা করেছে। আগামী দিনে আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাব কিনা সেটা পরবর্তীকালে আসামীপক্ষের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের জেলা নেতৃত্বকে জেলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর অনুগামীদের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকী জেল থেকে বীরভূমে ফিরলে সব দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। ফলে, অনুব্রত অনুগামীদের দলে গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশই সার। দলীয় সুপ্রিমোর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে। বীরভূম জেলার কোর কমিটির ঘোষণা হতেই ফের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল অনুব্রতের খাসতালুক। অনুব্রত গোষ্ঠী ও কাজল গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে পালটা আক্রমণের অভিযোগ তুলছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুরের নাহিনা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Anubrata Mondal)

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গোষ্ঠীর চার তৃণমূল কর্মী বোলপুরে খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, গ্রামে ঢোকার পথেই কাজল গোষ্ঠীর লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। যদিও কাজল শেখ গোষ্ঠীর সদস্যদেরও একই অভিযোগ। বোমা, গুলি নিয়ে হামলা করা হয়েছে বলেই দাবি দুপক্ষের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজনের মাথা ফেটেছে ও পা ভেঙেছে। সাতজনেরও বেশি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বোলপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নতুন কোর কমিটি গঠনের পরই কোন্দল প্রকাশ্যে

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই বীরভূমের ৯ সদস্যের কোর কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন হয়। কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ। নানুরের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে। দলের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ স্বাভাবিক নিয়মে পদাধিকার বলেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়ার পরই ফের কাজল-অনুব্রত অনুগামীদের দ্বন্দ্বে শাসক দলের ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কাজল শেখ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কেন্দ্রের দেওয়া গোয়ালঘরের লক্ষ লক্ষ টাকা খেল তৃণমূল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: কেন্দ্রের দেওয়া গোয়ালঘরের লক্ষ লক্ষ টাকা খেল তৃণমূল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু থাকার বাসস্থান গোয়ালঘর তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ বরাদ্দ করেছিল। সেই টাকাতেও থাবা বসিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত সমবায় সমিতি। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Paraganas) জেলার মথুরাপুর ২নম্বর  ব্লকের ২৩ নম্বর লাট কৃষি সমবায় উন্নয়ন সমিতির বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Paraganas)

    গোয়াল ঘর তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছিল। এরমধ্যে উপভোক্তাদের ১ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) তৃণমূল পরিচালিত সমবায়ের মাধ্যমে উপভোক্তাদের সেই কাজ করে দেওয়ার কথা ছিল। প্রায় ৩০০ জন উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। তাঁরা সকলেই ১ হাজার জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে ১০টি গোয়াল ঘর তৈরি হয়েছিল। সেটাও আবার ৬০ হাজার করে খরচ হয়েছিল। বাকি লক্ষ লক্ষ টাকার কোনও হিসাব নেই। আর গোয়াল ঘর তৈরি না হওয়ায় উপভোক্তারা সরব হয়েছে। তৃণমূল বোর্ডের দিতে আঙুল তুলেছেন। জানা গিয়েছে, সমবায়ের তৎকালীন সম্পাদক ছিলেন উৎপল তাঁতি। তাঁর হাত ধরেই লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হয়েছিল। সমবায়ের এই দুর্নীতির টাকায় নিজে বিশাল বাড়িও করেছেন বলে অভিযোগ। সমবায়ের পুরানো বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন বোর্ড হয়েছে। নতুন বোর্ড দুর্নীতির দায় নিতে চাইছে না। সমবায়ের প্রাক্তন ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ হালদার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিলেও সেই টাকার কোনও হিসাব নেই। লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে সমবায়ের সম্পাদক। এর তদন্ত হওয়ার দরকার।

    সমবায়ের অভিযুক্ত প্রাক্তন সম্পাদক কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত সমবায়ের প্রাক্তন সম্পাদক তথা তৃণমূল নেতা উৎপল তাঁতি বলেন, উপভোক্তার কাছে থেকে হাজার টাকা করে নিয়েছিলাম। ঠিকাদাররা গোয়াল ঘর তৈরি করা শুরু করেছিল। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ায় সব ঘর করা যায়নি। কোনও দুর্নীতি হয়নি।

    দুর্নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল বিধায়ক অলোক জলদাতা বলেন, সমবায়ের উপভোক্তাদের টাকা আত্মসাৎ করার কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে, যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে তা সঠিক তদন্ত হবে। তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, যেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী,খাদ্যমন্ত্রী জেল খাটছেন, তাঁদের দলের নিচুতলার নেতারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাবেন, এটাই তো স্বাভাবিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ইন্ডি জোট ‘ঘেঁটে ঘ’! কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চও খুলে দিল মমতার পুলিশ

    Indi Alliance: ইন্ডি জোট ‘ঘেঁটে ঘ’! কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চও খুলে দিল মমতার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) এ কী হাল! জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের হাইকমান্ড রাহুল গান্ধী বাংলা সফরে আসছেন। সেখানে জোটের আর এক শরিক তৃণমূল তাঁকে স্বাগত জানাবে, এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। তাঁর জন্য নানা ব্যবস্থা করে সৌজন্য দেখাবে, এমনটাও ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু, কোথায় কী! রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’-র আগেই হোঁচট। রাহুলকে স্বাগত জানাতে কংগ্রেস কর্মীরা যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, তাতে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    পুলিশ দিয়ে হেনস্থা! (Indi Alliance)

    বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুলের রাজ্য সফর প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “আমাকে কি বলে বাংলায় আসছে?” এভাবেই রাহুলের আসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। তারপরই পুলিশ দিয়ে হেনস্থার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহারে অসম সীমানায় রাহুলকে স্বাগত জানাতে কংগ্রেস যে মঞ্চ তৈরি করেছিল, তা পুলিশের আপত্তিতে খুলে অন্যত্র সরাতে বাধ্য হয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরা। পুলিশের দাবি, জাতীয় সড়কের উপরে অনুমতি না নিয়ে মঞ্চ তৈরি করায় আপত্তি জানায় তারা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার কোচবিহারের বক্সিরহাট দিয়ে রাহুলের রাজ্যে আসার কথা ছিল। ২৮ জানুয়ারি ছিল তাঁর জলপাইগুড়ি শহরে পৌঁছনোর কথা। সূচি অনুযায়ী ঠিক ছিল, সেখানে এবিপিসি এবিপিসি মাঠে মধ্যাহ্নভোজ করবেন তিনি। কিন্তু, সেদিন পুলিশের একটি পরীক্ষা রয়েছে। তাই জেলা পুলিশের তরফে অনুরোধ করা হয়, রাহুল যেন দুপুর দু’টোর পরে শহরে ঢোকেন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, সেই মতো সূচি বদলানোর প্রস্তুতি তাঁরা নিয়েছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের জায়গাও বদলানোর তোড়জোড় করছিলেন।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা রাহুলকে স্বাগত জানাব বলে সভা মঞ্চ করেছিলাম। পুলিশ সভামঞ্চ খুলে দেয়। পরে, রাস্তার ঠিক উল্টো দিকে এক ব্যক্তির জমিতে আমরা মঞ্চ তৈরি করি। পুলিশ দিয়ে আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়।

     রাহুলের সভা নিয়ে তৃণমূল নেতারা চুপ!

    রাহুল আসার আগে প্রস্তুতি দেখতে কোচবিহারে গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কোচবিহার থেকে জলপাইগুড়ি, রাহুলের কর্মসূচিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কী করবেন, তা নিয়ে চর্চা চলছিল। বেশিরভাগ তৃণমূলের জেলা নেতা এই নিয়ে অবশ্য চুপ ছিলেন। আলিপুরদুয়ারের সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছিল, তাঁরা যাত্রায় যোগ দেবেন। যদিও শেষ মুহূর্তে রাহুল গান্ধী এই কর্মসূচি বাতিল করে দিল্লি ফিরে যাচ্ছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’, অর্জুনকে তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের

    Arjun Singh: ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’, অর্জুনকে তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার ঘাট সংস্কার নিয়ে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh) এবং বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর কোন্দল প্রকাশে চলে এল। ঘাট সংস্কার করার ব্যাপারে সাংসদের উদ্যোগ নিয়ে বীজপুরের বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন। এমনকী বীজপুর এলাকায় এসে উন্নয়ন করার আশ্বাস দেওয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঘাট সংস্কারের আশ্বাস দিলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) বিরোধ বহুদিন ধরে চলছে। ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার পর দুজনের মধ্যে বিরোধ আরও বেশি করে মাথাচাড়া দেয়। এবার বীজপুরের বিধায়কের সঙ্গে সাংসদের বিরোধও সামনে চলে এল। জানা গিয়েছে, নৈহাটি বিধানসভার জুবিলি ব্রিজের কাছে রামঘাট এবং বীজপুর বিধানসভার চাঁদনী ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি স্থানীয় পুর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সাংসদের কাছে বিষয়টি নিয়ে দরবার করেন। এরপরই বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং রামঘাট পরিদর্শনে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, জুবলি ব্রিজের নীচে গঙ্গার ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এখানে ছট পুজো সহ অনেক ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়। এলাকার মানুষ এই ঘাট নিয়মিত ব্যবহার করেন। সংস্কারের অভাবে ঘাটটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। তাই এই ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে খুবই ভালো হয়। অর্জুন সিং ঘাটের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে তা সংস্কার করার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে বীজপুরের চাঁদনী ঘাট সংস্কার করার কথা তিনি বলেন। অর্জুন সিং বলেন, রামঘাট এবং চাঁদনী ঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। দুটি ঘাট সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করব। তবে, আগে কেন এই ঘাট সংস্কার হয়নি তা আমি বলতে পারব না। সামনে লোকসভা ভোট। তার আগে নৈহাটি এবং বীজপুর বিধানসভায় গঙ্গার ঘাট সংস্কারের মধ্য দিয়ে জনসংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করলেন অর্জুন সিং। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল, অর্জুনকে কটাক্ষ করলেন সুবোধ

    যদিও সাংসদের (Arjun Singh) এই ঘাট সংস্কারকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বীজপুরে তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল। ঘাট সংস্কারের দায়িত্ব পুরসভার। পুরসভা ঠিকমতো কাজ করছে। আমি বিধায়ক হবার পর বীজপুর বিধানসভা এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। একাধিক ঘাট সংস্কার করেছি। আগামীদিনে আরও ঘাটে সংস্কার করা হবে। তাই পুরসভাকে না জানিয়ে এভাবে ঘাট পরিদর্শনে আসা নিয়ে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের রামভক্তদের অযোধ্যায় রাম মন্দিরে (Ram Mandir) নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার রামভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন (Ram Mandir)  

    লোকসভা ভোটের আগে পর্যন্ত এই উন্মাদনা জিইয়ে রাখতে তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে এলাকার সাধারণ কোনও মানুষ অযোধ্যায় যেতে চান কি না, তার খোঁজ নিতে হবে। রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনের জন্য অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থা কী কী থাকছে, কোন কোন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে, সে সব তাঁদের জানাতে হবে। ইচ্ছুকদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেন, অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই ট্রাস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদের রাম মন্দির দর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে। এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন। তাঁকে বিজেপি করতে হবে, এমন কোনও মানে নেই।

    খরচ কত পড়বে?

    সামান্য অনুদানের মাধ্যমে এই সফরের শরিক হতে পারেন ইচ্ছুক রামভক্তরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকেই অযোধ্যা-সফর শুরু হবে। চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়কালে দক্ষিণবঙ্গ থেকে দিনে একটি করে ট্রেন অযোধ্যা রওনা দেবে। প্রচারে জানানো হচ্ছে, যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ১২ দিন আগে অবশ্যই অনুদান জমা করতে হবে। সঙ্গে জমা দিতে হবে আধার কার্ডের প্রতিলিপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এ দিয়ে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। এই সফরের জন্য জেলায় একাধিক যোগাযোগ প্রমুখও নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি দেখছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে গেলে খরচ পড়বে ১,৬০০ টাকা। বর্ধমান থেকে ১,৪০০ টাকা। আসানসোল থেকে ১,২০০ টাকা পড়বে। এর মধ্যেই ট্রেনে যাতায়াত, রাত্রিবাস, আহারাদি-সব হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিভক্ত মেদিনীপুরে বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে সভা করতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মেচেদায় কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে আগামী ২৯ জানুয়ারি ওই সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মীকে সভায় আসার নির্দেশ (Amit Shah)

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাজ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধন্দও সম্প্রতি মেচেদায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। এবার সেখানে শাহের (Amit Shah) সাংগঠনিক সভা হতে চলেছে। এই সভার প্রস্তুতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপির জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক হবে। প্রাথমিক ভাবে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল ও ঝাড়গ্রামের মোট পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মী শাহের সভায় হাজির থাকবেন। প্রতিটি বুথ কমিটিতে গড়ে ১১ জন করে রয়েছেন। তবে প্রতিটি বুথ থেকে ৪-৫ জন করে কর্মীকে সভায় আসতে বলা হবে। আর তাতে কর্মিসভা আদতে জনসভার আকার নেবে। সেই মতো দলের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের প্রস্তুতিও প্রয়োজন। তাই বিজেপির তরফে দলীয় ভাবে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এমনিতেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও শাহের এই সফর থেকেই বাংলায় ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এমনিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় পূর্ব মেদিনীপুরের দু’টি আসন তমলুক ও কাঁথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথা বলেছেন শুভেন্দু। গত পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করেছে বিজেপি। বিজেপি-র শক্ত জমিতেই শাহ সভা করে বুথস্তরের কর্মীদের কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

    প্রস্তুতি নিয়ে কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা নেতা বামদেব গুছাইত বলেন, অবিভক্ত মেদিনীপুরের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার বুথের পদাধিকারীদের নিয়ে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বিষয়ে কর্মীদের বার্তা দিতেই এই কর্মিসভা হবে। সভাস্থলের জায়গা ব্যবহারের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বরা সভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: চলতি মাসে ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    Amit Shah: চলতি মাসে ফের রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের দামামা প্রায় বেজে গিয়েছে। আজ ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আবহে ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব বাংলাকে যে পাখির চোখ করেছেন, তা বলাই যায়। জানা গিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে জানুয়ারি মাসের ২৮-২৯ তারিখে দু’দিনের সফরে কলকাতায় আসবেন তিনি। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, মূলত দু’টি কর্মসূচি থাকবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে।

    অমিত শাহের কর্মসূচি

    ২৮ জানুয়ারি কলকাতায় রাজ্য বিজেপি নেতাদের (Amit Shah) নিয়ে একটি সাংগঠনিক বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা উপস্থিত থাকবেন বলেই জানা গিয়েছে। নভেম্বর মাসের পরে ফের বাংলায় পা পড়তে চলেছে শাহের। লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ভালো ফলের আশা করছে কেন্দ্রীয় বিজেপি। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির ইস্যুতে এমনিতেই বেশ ব্যাকফুটে শাসক দল। তাই এই শাহী সফর বলে জানা গিয়েছে। পরদিন ২৯ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদাতে কর্মিসভায় অংশগ্রহণ করবেন শাহ। কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। বিগত পঞ্চায়েত ভোটে নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে বিজেপি, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। মেচেদার কর্মসূচি সেরে ওই রাতেই বিশেষ বিমানে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে অমিত শাহের। লোকসভা ভোটের আগে এই শাহী সফর বিজেপি কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ৩৫ আসনের লক্ষ্য

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সিউড়ির জনসভা থেকেই রাজ্য বিজেপিকে ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন শাহ (Amit Shah)। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারাও যে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন, তা বোঝাই যাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে বর্তমানে বিজেপির পক্ষে বিপুল হাওয়া বইছে। এই আবহে লোকসভা ভোটে খুবই ভালো ফল গেরুয়া শিবিরের হবে বলে আশাবাদী রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share