Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Burdwan: কৃষি দফতরে আবেদনের সাত বছর পর এল অ্যাডমিট কার্ড, তাজ্জব চাকরিপ্রার্থী

    Burdwan: কৃষি দফতরে আবেদনের সাত বছর পর এল অ্যাডমিট কার্ড, তাজ্জব চাকরিপ্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ম মেনে চাকরি পাওয়ার আশায় ফর্ম ফিল-আপ করেছিলেন এক চাকরিপ্রার্থী। আর সেই পরীক্ষা দেওয়ার অ্যাডমিট কার্ড এসে পৌঁছলো সাত বছর পর। অবাক করার মতো এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমান (Burdwan) শহরের নারকেলবাগান এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই চাকরিপ্রার্থীর নাম আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের ১৮ ই মার্চ কাগজে বিজ্ঞাপন দেখেন বর্ধমান (Burdwan) শহরের নারকেলবাগান এলাকার বাসিন্দা আশিসবাবু। সেই বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় রাজ্য কৃষি দফতরে কৃষি প্রযুক্তি সহায়ক পদে ৮১৮ জন নিয়োগ করা হবে। যোগ্যতা ছিল উচ্চ মাধ্যমিক। বিজ্ঞপি নং-০৪/WBSSC/২০১৬. বেতনক্রম ছিল ৫৪০০-২৫২০০। সেই মতো আশিসবাবু ওই পদে  আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, আবেদন করার পর থেকে প্রায় সাত বছর তাঁর কাছে পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড বা আনুষঙ্গিক কিছু আসেনি। কিন্তু, আচমকা চলতি বছরের ১ নভেম্বর দুপুর একটা নাগাদ চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রায় সাত বছর পরে সেই পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড হাতে পান আশিসবাবু। যা পেয়ে রীতিমতো উৎসাহিত হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু, অ্যাডমিট খুলেই হতবাক হন। কারণ পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে, ২০১৬ সালের ১৮ই ডিসেম্বর।

    কী বললেন ওই চাকরি প্রার্থী?

    চাকরিপ্রার্থী আশিসবাবু বলেন, যাঁরা চাকরি পাওয়ার যোগ্য, তাঁদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে অন্য লোককে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। কার ভুলে আমাকে এই খেসারত দিতে হল, তা প্রকাশ্যে আসুক। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথাও ভাবছি। এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দলগুলি একযোগে শাসকদল ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, যেভাবে রাজ্যে শিক্ষা ও পুরসভার মতো কৃষি দফতরে দুর্নীতি হয়েছে। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কৃষিমন্ত্রী কী বললেন?

    যদিও শাসকদলের সাফাই, এটা ডাকযোগে এসেছে। যদি কোনও গলদ থাকে তাহলে সেখানে হয়েছে। কৃষিমন্ত্ৰী প্ৰদীপ মজুমদারের বক্তব্য, এটা ২০১৬ সালের ঘটনা। কবে হয়েছে বলতে পারব না। তবে, এক্ষেত্রে তো কারও দায় থাকলে সেটা ডাক বিভাগের।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনে উধাও জ্যোতিপ্রিয়র ছবি, দল কি দূরত্ব তৈরি করল?

    Jyotipriya Mallick: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনে উধাও জ্যোতিপ্রিয়র ছবি, দল কি দূরত্ব তৈরি করল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল পাশে থাকার বার্তা দিলেও, তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলন থেকেই কি দল দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করল? উত্তর ২৪ পরগণার বাগদা পূর্ব ব্লকের বিজয়া সম্মেলনের ব্যানার-ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকলেও, বাদ গেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ছবি। উল্লেখ্য সম্প্রতি রেশন দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেতফতার হয়েছেন বালু। আবার রেশনের আটা, চাল, গম খোলা বাজারের বিক্রি করে বাকিবুর রহমান যে সম্পত্তি গড়েছেন, তার সঙ্গে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের সূত্র উঠে এসেছে তদন্তকারী সংস্থার হাতে। এরপর থেকেই কি দল, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর পাশে নেই? এই প্রশ্নে এখন তীব্র শোরগোল জেলায়।

    জ্যোতিপ্রিয়র ছবি উধাও (Jyotipriya Mallick)

    উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূল কর্মীদের বিজয়া সম্মেলনের পোস্টারে দেখা মেলেনি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ছবি। মমতা-অভিষেকের ছবির সঙ্গে রয়েছে জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের ছবি। ফলে দলীয় কর্মসূচী থেকে কি এবার বালু আরও ব্রাত্য হলেন? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। দুর্নীতির সব দায় কি বালুর? অথচ ২০২১ সালের বিধানসভার পরে জেলার যেকোনও কর্মসূচীতে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর ছবি দেখা যেতো। এককথায় জেলার শেষ কথা বলতেন বালু। তাহলে এবার থেকে সমীকরণ কি বদলে যাচ্ছে? 

    জেলা তৃণমূলকে বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগণার তৃণমূলের নেত্রী মমতা ঠাকুর বলেন, “দলের স্পষ্টই নির্দেশ রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছাড়া অন্য কোনও ছবি ব্যবহার করা যাবে না।” কিন্তু ব্যানারে জেলা সভাপতির ছবিও ছিল, আর তা নিয়ে প্রশ্ন করলে, বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “স্থানীয় বিধায়ক এবং কর্মীরা ভালোবেসে আমার ছবি দিয়েছেন।”

    কিন্তু এলাকার বিরোধীরা বলছেন যে মুখ্যমন্ত্রী মৌখিক ভাবে বললেও, বাস্তবে কেউ নেই জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) পাশে। তবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিং বালুর পাশে থাকার কথা বলেও, বাস্তবে জেলার চিত্রটা পুরোপুরি আলাদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ঘর থেকে মোবাইল চুরি করে ‘পাসওয়ার্ড’ জানতে ফিরে এল চোর, তারপর কী হল?

    Nadia: ঘর থেকে মোবাইল চুরি করে ‘পাসওয়ার্ড’ জানতে ফিরে এল চোর, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘর থেকে মোবাইল চুরি হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু, মোবাইল চুরি হওয়ার পর ফের চোর মোবাইলের পাসওয়ার্ড জানতে ফিরে এসেছে, এরকম ঘটনা কখনও শুনেছেন? অনেকের কাছে এটা অবাস্তব মনে হবে। তবে, এটা বাস্তবে ঘটেছে। নদিয়ার (Nadia) তেহট্ট থানার বেতাইয়ের দক্ষিণ জিৎপুরের বধূ উর্মিলা বিশ্বাস এই ঘটনার সাক্ষী। তাঁর স্বামী রাজু বিশ্বাস পরিযায়ী শ্রমিক। কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। মোবাইল চুরি যাওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বধূ। তেহট্টের এসডিপিও শুভতোষ সরকার বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) বেতাইয়ের রাজু বিশ্বাসের মাটির ঘর আর টিনের ছাউনি। বাড়িতে বধূ একাই ছিলেন। মাঝ রাতে মাটির বাড়ির সিঁধ কেটে চোর ঘরের ভিতর ঢোকে। ঘরের ভিতর হঠাৎ শব্দে উর্মিলাদেবীর ঘুম ভেঙে যায়। ঘরের আলো জ্বেলে এদিক-ওদিক খুঁজেও কিছু দেখতে পাননি। মোবাইল খুঁজতে গিয়েই বুঝতে পারেন, ঘরের ভিতরের মোবাইল উধাও। ঘরের দেওয়াল ভাঙা রয়েছে। তখনই বুঝতে পারেন, ঘরে চোর ঢুকে মোবাইল হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে। সাধের মোবাইল ঘর থেকে চুরি হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে ফের লাইট বন্ধ করে তিনি শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে ফের ঘরের মধ্যেই সেই একই শব্দ শুনে পান। ঘরের মধ্যে অচেনা কারও উপস্থিতি টের পেয়ে হুড়মুড়িয়ে ঘুম থেকে উঠে বসেন তিনি। ঠিক করে চোখ খোলার আগেই দেখতে পান, ধারাল অস্ত্র নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে চাপা কণ্ঠে বলছে, ‘মোবাইলের পাসওয়ার্ড বলুন।’ ভয়ের চোটে তড়িঘড়ি মহিলাও মোবাইল খোলার পাসওয়ার্ড বলে দেন। তার পরেই সব শান্ত। চোর চলে যাওয়ার আগে মহিলাকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীর বক্তব্য, মহিলার একা থাকার সুযোগেই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের সাহস দেখে আমরা হতবাক। চোরের কত বড় সাহস, মোবাইল চুরি করে আবার ফিরে এসেছে পাসওয়ার্ড চাইতে। এই ঘটনা এর আগে কখনও শুনিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, চোরের সন্ধানে নানা জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এখনও তার সন্ধান মেলেনি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিন মাসের মধ্যে তিনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন। সাংসদের হাত ধরে এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বৈদ্যুতিক চুল্লি পেতে চলেছেন নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস এলাকার বাসিন্দারা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান হওয়ার সুবাদে সারা বছর দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে ওই এলাকায়। পাশাপাশি ধর্মীয় স্থান হওয়ার সুবাদে একটি অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের মধ্যে দিয়ে মহাশ্মশান গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসীরা। গত ১৮ই অগাস্ট ভারত ভুক্তি অনুষ্ঠানে যোগদান করতে এসে এলাকাবাসীদের দাবি মতো শিবনিবাসে একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি গড়ে তোলার আশ্বাস দেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এরই মধ্যে এলাকার উন্নতির স্বার্থে শুকদেব ঘোষ নামের স্থানীয় এক সহৃদয়ক ব্যক্তি বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের জন্য স্বেচ্ছায় জমি দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকী সরকারকে তিনি জমি রেজিস্ট্রি পর্যন্ত করে দেন। মূলত তারই পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসীদের দীর্ঘ প্রত্যাশিত বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। চূর্ণি নদীর ধারে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ শুরু হতে চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সাংসদ প্রতিশ্রুতি দেওয়ার তিনমাসের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ায় খুব ভালো লাগছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষের এটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। গত অগাস্ট মাসে তাঁদের দাবির বিষয়টি জানতে পারি। এরপরই আমি উদ্যোগী হয়ে ৪২ লক্ষ টাকা অনুমোদনের ব্যবস্থা করি। আসলে এই চুল্লিটি তৈরি হলে কৃষ্ণগঞ্জ, শিবনিবাস এলাকা ছাড়াও আশপাশের একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের শবদেহ দাহ করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: রাজ্যবাসীর হয়রানির আরেক নাম এসএসকেএম! রোগীদের অভিযোগেই সিলমোহর মুখ্যমন্ত্রীর

    SSKM: রাজ্যবাসীর হয়রানির আরেক নাম এসএসকেএম! রোগীদের অভিযোগেই সিলমোহর মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসায় গাফিলতির পর প্রশ্নের মুখে সাধারণ মানুষের পরিষেবা! যা নিয়ে এবার বিরোধীরা নয়, প্রশ্ন তুললেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। নিজেই সরাসরি জানিয়ে দিলেন, এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছে। যার জেরে তাঁর বাড়তি ভোগান্তি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সরকারি হাসপাতালে (SSKM) মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসায় গাফিলতি হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কতখানি হয়?

    কী ধরনের হয়রানি হয় ভুক্তভোগীদের? (SSKM) 

    ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, এসএসকেএমে বহির্বিভাগে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষত যাঁরা জেলা থেকে আসেন, তাঁদের রাত থেকেই বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারে অপেক্ষা করতে হয়। তারপরেও চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা যায় না। 
    প্রয়োজনেও হাসপাতালে ভর্তি হতে একাধিক সমস্যা হয়। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতালে জরুরি পরিস্থিতিতেও ভর্তির সমস্যা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দালালদের সক্রিয়তার অভিযোগ ওঠে। হৃদ সমস্যা কিংবা স্নায়ুর জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। যা রোগীদের ভোগান্তি বাড়ায়। 
    এর পাশপাশি অস্ত্রোপচার নিয়ে একাধিক সময় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরোপুরি সুস্থ হতে অনেক সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবন হয় না। পাশপাশি, একাধিক জটিলতা তৈরি হয়। অধিকাংশ চিকিৎসক রোগীর সমস্যা ঠিকমতো বোঝা কিংবা তার সমাধান বোঝানোর সময় বরাদ্দ করেন না, এমনই অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতালের (SSKM) অধিকাংশ চিকিৎসক রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তাই সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় একাধিক গাফিলতির ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি খোদ মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলায় কার্যত রোগীদের অভিযোগে সিলমোহর পড়ল বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। 
    এসএসকেএম হাসপাতালে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠেছিল, কবে সাবলম্বী হবে এসএসকেএম হাসপাতালে? কেন অস্ত্রোপচার পরবর্তী চিকিৎসায় এখনও পিছিয়ে সরকারি হাসপাতাল?! ঠিকমতো সংক্রমণ রুখতে পারে না এসএসকেএম, এমন অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। আর সেই কারণেই জটিল অস্ত্রোপচারের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী নানা সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত হন। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হাসপাতাল থেকেই এই সংক্রমণ ঘটে।

    কী বলছেন এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ? (SSKM)

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি এসএসকেএম হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। তবে, সাধারণ মানুষের হয়রানি প্রসঙ্গে তাঁরা বলছেন, রোগীর ভরসা এসএসকেএম। হাসপাতালে কলকাতার পাশপাশি গোটা রাজ্যের মানুষ চিকিৎসা করান (SSKM)। তাই রোগীকে অপেক্ষা করতে হয়। রোগী অনুপাতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি গোটা দেশেই। তাঁদের দাবি, চিকিৎসা পরিষেবার মান যথেষ্ট উন্নত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই সংগঠনকে ঢেলে সাজানো ও শক্তিশালী করে তুলতে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যের শাসকদল যেমন দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন স্থানে বিজয়া সম্মিলনী করে চলেছে, তেমনই পিছিয়ে থাকছে না গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির সেই বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। বুধবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ি-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলতলা এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানস্থলে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে, পুলিশি নিরাপত্তায় বিজয়া সম্মিলনী হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Cooch behar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ির বেলতলা এলাকায় বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীর প্রস্তুতি চলছিল। তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা নিয়ে বাইকে চেপে সেখানে এসে তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা মঞ্চ ছাড়াও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। অনুষ্ঠানের হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে চলে যায়। বিজেপি কর্মীরা তাদের দেখে সেখান থেকে কার্যত পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার বিশাল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ পৌঁছতেই দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। এরপর পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিজেপির পূর্বনির্ধারিত বিজয়া সম্মিলনী সম্পন্ন হয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির দিনহাটা মণ্ডলের সহ-সভাপতি রফিক খান বলেন, ‘সন্ত্রাস করে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনী ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা এসে অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর করে, দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয়। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা প্রতিবাদ করায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।’

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অপরদিকে তৃণমূলের আটিয়াবাড়ি ২ নম্বর অঞ্চল সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, একশো দিনের কাজের টাকা না পেয়ে সেই টাকা সম্পর্কে জানতে গিয়েছিল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ অন্যদিকে সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, ‘বিজয়া সম্মিলনীর মধ্য দিয়ে বিজেপি কর্মীরা নিজেরাই গন্ডগোল করে। তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে লোকসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। এতে লাভ কিছু হবে না।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: প্রকাশ্যে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন একজন, রোমহর্ষক ঘটনা বীরভূমে

    Birbhum: প্রকাশ্যে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন একজন, রোমহর্ষক ঘটনা বীরভূমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনবহুল এলাকায় মিষ্টির দোকানে বসেছিলেন এক কলেজ ছাত্রী। আচমকা তিনজন এসে প্রকাশ্য দিবালোকে ওই কলেজ ছাত্রীকে কাটারি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল। ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম কলেজ ছাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি সদর হাসপাতালে। হামলাকারী কলেজ ছাত্রীর পূর্ব পরিচিত। বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার তালতলায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম আজিজুল সেখ। তাকে গ্রেফতার করেছে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর থানার ওলকুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী তাঁর বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বুধবার নিজের কলেজ সাঁইথিয়া অভেদানন্দ মহাবিদ্যালয়ে মার্কশিট তুলতে গিয়েছিলেন। কলেজে গিয়ে ছাত্রীটি জানতে পারে তার মার্কশিট অন্য কেউ তুলে নিয়েছে। খোঁজ খবর করে জানা যায়, ছাত্রীরই পূর্ব পরিচিত আজিজুল সেখ জালিয়াতি করে তার মার্কশিট তুলে নেয়। ছাত্রীর বন্ধু বান্ধবরা মিলে অভিযুক্ত যুবককে ধরে তার কাছ থেকে মার্কশিটটি উদ্ধার করে। ওই যুবককে বকাঝকাও করা হয়। এরপরে মেয়েটি যখন বাবার সঙ্গে কলেজ থেকে বেরিয়ে সাঁইথিয়ার তালতলায় এসে বাস ধরার জন্য যায়। বাস দেরিতে আসছে দেখে একটি  মিষ্টির দোকানে তারা ঢোকেন। অভিযুক্ত আজিজুল সেখ তার দুই বন্ধুকে নিয়ে সেখানে কাটারি নিয়ে আচমকা হামলা চালায় ছাত্রীর উপর। ছাত্রীর হাত ও পায়ে আঘাত লাগে। মেয়েটিকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন মিষ্টির দোকানের মালিকও। সেই এলাকার মানুষজন ছুটে এসে অভিযুক্ত যুবকদের ধরে ফেলে ও পুলিশের হাতে তুলে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় ছাত্রীটিকে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ও আহত দোকানদারকে সাঁইথিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। সাঁইথিয়া থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবকটিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি ময়ূরেশ্বরের ছোটতুড়ি গ্রামে। আক্রান্ত ছাত্রীর বাবা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ছেলেটি আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করছিল। কলেজেও এদিন ঝামেলা হয়েছিল। তারপরই এভাবে হামলা চালাবে তা আমরা ভাবতেই পারছি না। কয়েক বছর আগে প্রকাশ্য রাস্তায় সুতপা চৌধুরী নামে এক কলেজ পড়ুয়াকে সুশান্ত চৌধুরী কুপিয়ে খুন করেছিল। এদিনের হামলার ঘটনা সেই ঘটনাকেই স্মরণ করিয়ে দিল।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের কী বক্তব্য?

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ওরা খুব চুপচাপ ঘটনাস্থলে এসেছিল। ওদের সঙ্গে ধারাল অস্ত্র ছিল তা কেউ দেখতে পায়নি। আচমকা তারা হামলা চালায়। তবে, মিষ্টি ব্যবসায়ী ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধার না করলে বড় বিপদ হতে পারত।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদ্যমন্ত্রী থাকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) খাদ্য দফতরের গোডাউন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। মন্ত্রীর নির্দেশ মতো তাঁর জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর ব্লকে গোডাউন তৈরি হয়। কিন্তু, খাতায় কলমে সেই গোডাউন চালু হয়নি। তাতে কী হয়েছে, মাঝে মধ্যে গোডাউনে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা ঢুকত। কিছুদিন থাকার পর তা আবার বেরিয়ে যেত। কোথায় তা নিয়ে যাওয়া হত তা কেউ জানেন না। মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর ওই ট্রাক বোঝাই চালের মালিক কারা ছিল তা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এই গোডাউনে বাকিবুর রহমানের মাল মজুত থাকত কি না তা নিয়ে এলাকাজুড়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী অভিযোগ? (Jyotipriya Mallick)

    খাদ্যমন্ত্রী (Jyotipriya Mallick) থাকাকালীন রেশনের চাল মজুতের গোডাউন তৈরি নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারি গোডাউনটি তৈরি হলেও চালু হয়নি এখনও। নতুন গোডাউন তৈরি হলেও কয়েক মাসের মধ্যে তার অবস্থা জীর্ণ হয়ে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি হয়েছে এই গোডাউনটি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।  জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বর ব্লকের পুড়শুড়ি এলাকায় কয়েক বিঘা জমির উপর কয়েক কোটি টাকা সরকারি অর্থ খরচে তৈরি হয়েছে  এই রেশন সামগ্রী মজুতের বিশাল গোডাউন। এই গোডাউনে রেশনের  চাল মজুত করার কথা। আরও জানা গিয়েছে, ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন গোডাউনটি কয়েক বছর ধরে তৈরি করে পূর্ত দফতর।  ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই গোডাউনটি খাদ্য দফতরের হাতে হস্তান্তর হলেও এখনও চালু হয়নি। এর মধ্যেই রঙ চটা থেকে প্লাস্টার খসতে শুরু করেছে। গোডাউনে থাকা সাইনবোর্ড খুলে ভিতরে রাখা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গোডাউনে মাঝে মধ্যে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা আসত। এখন শুনছি, গোডাউন চালুই হয়নি। তাহলে ওই চালের বস্তাগুলি কাদের ছিল? গোডাউনের ইনচার্জ সুকান্ত মণ্ডল বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে আমরা গোডাউনটি হাতে পেয়েছি। এখনও চালু হয়নি। তবে, গোডাউনে গাড়ি ঢোকার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে গোডাউন তৈরি করা হয়েছিল। গোডাউন তৈরিতে কাটমানি খেয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। আমাদের এলাকায় মন্ত্রী থাকেন বলে আমরা গর্ব করতাম। এই মন্ত্রী এত দুর্নীতিগ্রস্ত তা ভাবতে পারছি না। আর অবাক হয়ে যাচ্ছি, গোডাউন চালু না হলেও কী করে সেখানে ট্রাকে করে চালের বস্তা আসত। এর পিছনে বাকিবুর জড়িত কি না তা তদন্ত করে দেখা দরকার।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা নেতা দেবু টুডু বলেন, বালু দাকে (Jyotipriya Mallick) চক্রান্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তিনি কোনও দুর্নীতি করেননি। আর গোডাউন নিয়ে বিরোধীরা যে সব অভিযোগ তুলছেন সবই ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: টাটার ভাঙা কারখানা থেকে লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ ইত্যাদি দেদার লুট! দায় কার?

    Singur: টাটার ভাঙা কারখানা থেকে লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ ইত্যাদি দেদার লুট! দায় কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ভাগ্যে আরও এক ‘টাটানগর’ গড়ে ওঠার স্বপ্ন দুরমুশ হয়ে গিয়েছিল ২০০৮ সালে। ন্যানো কারখানা, কার্যত জমি আন্দোলনের নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের আর কোনও সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যায়নি। ট্রাইবুনালের নির্দেশে সুদ সহ ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে হবে মমতার সরকারকে। জমি বাঁচাও আন্দোলনের পর থেকেই নির্মীয়মাণ কারখানাকে মাঝ পথে ফেলে রেখে, নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল টাটা। সেই সময়ে সিঙ্গুরের (Singur) মাঠে পড়েছিল ভারী ভারী নির্মাণসামগ্রী। কোটি কোটি টাকার ছিল সরঞ্জাম। কিন্তু সব কেমন যেন স্রেফ উবে গেল! কিন্তু এই চুরি করল কারা?

    নির্মাণসামগ্রী লুটের অভিযোগ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিঙ্গুরের (Singur) এই জমিতে যে কারখানা নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে ছিল কোটি কোটি টাকার সামগ্রী। এই সামগ্রী ব্যাপক ভাবে চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লোহার রড, টিনের শেড, ক্যানাল পাইপ এবং ব্যবহার করার নানা যন্ত্রপাতি কার্যত লুট হয়েছে বলে দাবি এলাকার মানুষের।

    প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা

    স্থানীয় (Singur) সূত্রে জানা গিয়েছে যে এলাকায় চুরি ঠেকাতে পুলিশ তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখায়নি। এলাকার মানুষ প্রথম দিকে অভিযোগ জানিয়েছিলেন পুলিশকে। পুলিশ সেই মতো হাতে গোনা কয়েকটা সিসিটিভি লাগালেও, পরে সেগুলিকে খুলে নিয়ে চলে যায় চোরেরা। কিন্তু পুলিশ কোনও দোষীদের চিহ্নিত করে উঠতে পারেনি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    সিঙ্গুরে (Singur) এই নির্মাণ সামগ্রী চুরির ঘটনায় হুগলি জেলার বিজেপি যুবমোর্চার সদস্য সৌমিত্র পাখিরা শাসকদল তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “যখন রাজ্যে কারখানা নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল, সেই সময় থেকেই নির্মাণসামগ্রী চুরি হতে শুরু করে। শিল্প চলাকালীন শ্রম চুরি হয়। রড, বালি, পাথর, কাঠ সব চুরি করে নিয়েছে তৃণমূলের নেতারা।”

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    সিঙ্গুরে (Singur) তৃণমূল নেতা দুধকুমার ধারা বামেদের দিকে দোষ ঠেলে বলেন, “যত চুরি হয়েছে বাম আমলে। যে সময়ে চুরি হয়েছে সেই সময় রাজ্যের ক্ষমতায় সিপিএম ছিল। সব দায় তাঁদেরকেই নিতে হবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: চাকরির হাহাকার রাজ্যে, ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত শিক্ষিত যুবক!

    Fraud: চাকরির হাহাকার রাজ্যে, ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা দিয়ে প্রতারিত শিক্ষিত যুবক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের হাতে এরাজ্যে কাজ নেই। আগে টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ধরে কিছুটা সরকারি চাকরি হলেও নিয়োগ-দুর্নীতি সামনে আসতেই এখন সরকারি নিয়োগও খুব কম হচ্ছে। ফলে, ভালো চাকরি পাওয়ার আশায় শিক্ষিত অনেক বেকার ছেলেমেয়ে খপ্পরে পড়ে প্রতারণার (Fraud) শিকার হচ্ছেন। শুধু সরকারি নয়, টাকার বিনিময়ে বেসরকারি চাকরি পেতেও মরিয়া হয়ে উঠেছেন শিক্ষিত বেকার যুবকরা। এরকমই একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এক যুবকের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানা এলাকায়। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম সুদীপ ভট্টাচার্য। উত্তর ২৪ পরগণার নিমতা থানার ২ নম্বর শ্রীকৃষ্ণপল্লিতে তাঁর বাড়ি। বর্ধমান শহরের বাদামতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে শক্তিগড় থানার গাংপুরের যুবক অর্ঘ্য দাস একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। পরের দিন তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন নথিপত্র চাওয়া হয়। তারপর নানা অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে টাকা চাওয়া হয়। চাকরি পাওয়ার আশায় ওই বেকার যুবক প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দেন। তিনি বাবা-মা এবং পরিচিতদের কাছ থেকে ধারদেনা করে ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৫৮ টাকা প্রতারকদের দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করেন। কিন্তু, চাকরি হয়নি। উল্টে আরও ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা জমা করার জন্য বলা হয়। টাকা জমা না করলে চাকরি হবে না বলে তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। বারবার টাকা চাওয়ায় সন্দেহ হয় অর্ঘ্যের। প্রতারিত (Fraud) হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি ঘটনার কথা জানিয়ে গত ১২ অক্টোবর শক্তিগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ। শক্তিগড় থানা ঘটনার কিনারা করতে সাইবার থানা থেকে প্রযুক্তিগত সাহায্য নেয়। অভিযুক্তদের ফোন নম্বর এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে সাইবার থানা জানতে পারে, কলকাতার বিরাটি থানা এলাকার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় অর্ঘ্যর দেওয়া টাকা জমা পড়েছে। ব্যাঙ্কের নথি দেখে সেটি সুদীপের বলে নিশ্চিত হন তদন্তকারীরা। তাঁর অ্যাকাউন্টে ৪ দফায় টাকা জমা পড়ার নমুনা পান তদন্তকারীরা। তারপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, এর পিছনে বড় প্রতারণা (Fraud) চক্র কাজ করছে। এর সঙ্গে অনেকেই রয়েছে। কারণ, এতবড় চক্র একজনের পক্ষে চালানো সম্ভব নয়। টাকা কার কার অ্যাকাউন্টে গিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় আমরা একজনকে ধরতে পেরেছি। ৬ দিনে হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই চক্রের সঙ্গে যারা রয়েছে তাদের সকলকে ধরা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share