Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ বিহনে উধাও জাঁকজমক, সোনার বদলে মায়ের গায়ে ইমিটেশনের গয়না!

    Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ বিহনে উধাও জাঁকজমক, সোনার বদলে মায়ের গায়ে ইমিটেশনের গয়না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা ছিলেন তিনি (Anubrata Mondal)। ফলে তাঁর কালীপুজোয় যে কেমন জাঁকজমক হবে, তা বলাই বাহুল্য। বাস্তবে হতও তাই। আসলে পুজোটা হত বীরভূমে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে। কিন্তু জেলার লোক জানতেন, এই পুজোর সর্বেসর্বা একজনই, তিনি আর কেউ নন, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, মানে ‘কেষ্টদা’। শোনা যায়, প্রায় ৩০০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হত মাকে। এমনকি ২০২১ সালে নাকি মায়ের গায়ে উঠেছিল ৫৬০ ভরি সোনার গয়না, যার বাজারমূল্য ছিল আড়াই কোটি টাকার মতো। পুজোর জাঁকজমকও ছিল দেখার মতো। শুধুমাত্র মায়ের সাজ দেখতেই দলে দলে মানুষ ভিড় জমাতেন এই পুজোয়।

    গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে বন্দি। স্বাভাবিকভাবে কেষ্টহীন অবস্থায় এবার পুজোয় কেমন আড়ম্বর হবে, তা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা ছিল। দেখা গেল, কেষ্ট নেই, জাঁকজমকও নেই। সবচেয়ে বড় কথা, সোনার বদলে মায়ের গায়ে উঠেছে ইমিটেশনের গয়না!

    অনুব্রতর সময় কেমন ছিল পুজো(Anubrata Mondal)

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আশির দশকের শেষের দিকে কেষ্টর (Anubrata Mondal) হাত ধরে এই পুজো শুরু হয়। তবে, তখন খুব বেশি জাঁকজমক হত না। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পুজোর আড়ম্বর ক্রমশ বাড়তে শুরু করে। যদি দিন গিয়েছে, জেলা তথা রাজ্য রাজনীতিতে কেষ্টর জমি ততই শক্ত হয়েছে। আর ফি বছর মায়ের পুজোর জাঁকজমক তত বেড়েছে। ২০২০ সালে মাকে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, কানের দুল, গলার হার, হাতের আংটি, কোমর বিছে মিলিয়ে প্রায় ৩০০ ভরির বেশি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছিল। গত বছর গরু পাচার মামলায় অনুব্রত সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়। এবারও আর পুজোতে তিনি থাকতে পারবেন না। ফলে, পুজোর সেই আড়ম্বরও এবার অনেকটাই ম্লান। দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল পরিমাণ গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই গয়না দিয়েছিলেন যে ব্যবসায়ী, তাঁকেও আগে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    কী বলছেন তৃণমূলের নেতারা?

    তৃণমূল নেতারা বলছেন, এবার মায়ের গায়ে দু-একটা সোনার গয়না থাকবে, বাকিটা ইমিটেশন। তাঁরা স্বীকার করছেন, তাঁদের দাদা (Anubrata Mondal) থাকলে পুজোয় যে আমেজ থাকত, দাদাবিহীন পুজোয় তা নেই। তাছাড়া ওই সব সোনার গয়না দাদা নাকি নিজে হাতে মাকে পরিয়ে দিতেন। তাই নাকি এবার গয়নায় কাটছাঁট। তাঁরা এও বলছেন, সবার মনও নাকি ভালো নেই। যদিও বিরোধীরা আড়ালে বলতে ছাড়ছেন না, আসলে এবারও যদি মায়ের গায়ে ওই বিপুল সোনার গয়না ওঠে, তাহলে তা তদন্তকারী সংস্থার নজর এড়াবে না। সেই গয়নারও খোঁজখবর শুরু হয়ে যাবে। আরও জোরদার হবে প্রভাবশালী তত্ত্ব। অগত্যা…

    বীরভূম জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় একটি সংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছেন, এবার মা কালীকে তাঁরা প্রায় ৭০ ভরি সোনার গয়না পরিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা! তাই কি মৃত্যুভয় গ্রাস করছে জ্যোতিপ্রিয়কে?

    Ration Scam: পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা! তাই কি মৃত্যুভয় গ্রাস করছে জ্যোতিপ্রিয়কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে নিভিছে দেউটি! দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন আস্থাভাজনরা। ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন রেশন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দিন কয়েক আগেও যে জ্যোতিপ্রিয়কে বলতে শোনা গিয়েছিল ১৩ তারিখে দেখা হবে, রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার সেই তৃণমূল নেতাকেই দেখা গেল মৃত্যু ভয়ে সন্ত্রস্ত্র অবস্থায়।

    মৃত্যুভয়!

    রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় এদিন বলেন, “শরীর অত্যন্ত খারাপ, মৃত্যুশয্যায় প্রায়। লেফট সাইডটা প্রায় প্যারালিসিস হয়ে গিয়েছে।” সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, “আমি মরে যাব। অবস্থা খুব খারাপ।” তিনি যে শরীর খারাপের ‘দোহাই’ দিয়ে গ্রেফতারি এড়াতে চাইছেন, তা বলেছেন বিরোধীরা। কারণ, শুক্রবারও তৃণমূল নেত্রী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সতীর্থ বলেছিলেন, “আমার শরীরটা খুব খারাপ। আমার বাঁ হাত ও পা দুটিই প্রায় পক্ষাঘাতের মতো হয়ে গিয়েছে। আমি হাসাপাতালে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছি। চিকিৎসা করিয়ে ফিরে আসব।”

    ঝুলি থেকে বের হতে পারে বিড়াল

    জ্যোতিপ্রিয় শরীর খারাপ বললেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা বলছেন না। গ্রেফতার (Ration Scam) হওয়ার পরে ইডি হেফাজতের কথা শুনে যেদিন এজলাসেই প্রথম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রিমশাই, সেদিন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বেসরকারি এক হাসপাতালে। সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, জ্যোতিপ্রিয় সুস্থই। তার পরেই তাঁকে হেফাজতে নেয় ইডি। কেন রাজ্যের মন্ত্রীকে গ্রাস করেছে মৃত্যুভয়? মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের একটা অংশের মতে, মন্ত্রীর একের পর এক আস্থাভাজন যেভাবে মুখ খুলতে শুরু করেছেন, তাতে ঝুলি থেকে বিড়াল বের হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সত্য ফাঁস হয়ে গেলে সমূহ বিপদ।

    আরও পড়ুুন: ৪ দিনের জেল হেফাজত বালুর, মন্ত্রীর নির্দেশেই ৩ সংস্থার ডিরেক্টর হন স্ত্রী ও কন্যা, দাবি ইডির

    একের পর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি যাবতীয় কেলেঙ্কারির দায় চাপিয়ে যাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়র ঘাড়ে। মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস সাফ জানান, যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রীর নির্দেশে। মন্ত্রীর পরিচারক রামস্বরূপ শর্মা জানিয়েছেন, সাদা কাগজে তাঁকে দিয়ে সই করিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র লোকজন। চালকল মালিক বাকিবুর রহমানও জানিয়েছেন, যা হয়েছে, তা মন্ত্রীর নির্দেশেই। দিন গড়ানোর পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন দলীয় নেতৃত্বের একাংশও। প্রত্যাশিতভাবেই মন্ত্রীকে গ্রাস করেছে (Ration Scam) মৃত্যুভয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: ৪ দিনের জেল হেফাজত বালুর, মন্ত্রীর নির্দেশেই ৩ সংস্থার ডিরেক্টর হন স্ত্রী ও কন্যা, দাবি ইডির

    Ration Scam: ৪ দিনের জেল হেফাজত বালুর, মন্ত্রীর নির্দেশেই ৩ সংস্থার ডিরেক্টর হন স্ত্রী ও কন্যা, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানো হল প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) গ্রেফতারের পরে ১৪ দিনই ইডি হেফাজতে ছিলেন বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। এদিন জ্যোতিপ্রিয়র আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদনও জানাননি তাঁর মক্কেলের। তবে মন্ত্রীর স্বাস্থ্যের যে অবনতি হয়েছে তা এদিন দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয়র আইনজীবী। অন্যদিকে ইডির দাবি, জেরার মুখে জ্যোতিপ্রিয় স্বীকার করেছেন ৩ সংস্থার ডিরেক্টর পদে তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে তিনিই বসিয়েছিলেন।

    আদালতে কী বললেন ইডির আইনজীবী?

    প্রসঙ্গত, ১৪ দিনের ইডি হেফাজতের পর জ্যোতিপ্রিয়কে আগামী সোমবার আদালতের সামনে হাজির করানোর কথা ছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। তবে ঠিক তার একদিন আগে রবিবারই তাঁকে পেশ (Ration Scam) করা হয় আদালতে। এখানেই কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির আইনজীবী জানান, জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই তাঁর স্ত্রী এবং কন্যাকে তিনটি সংস্থার ডিরেক্টর করা হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার কাছে একথা স্বীকারও করেছেন মন্ত্রী। অন্তত এমনটাই দাবি ইডির আইনজীবীর। এর পাশাপাশি ওই তিন সংস্থা যে জ্যোতিপ্রিয় নিজেই চালাতেন একথাও স্বীকার করেছেন মন্ত্রী। ইডির মতে, জ্যোতিপ্রিয়কে এখনও জেরা করা বাকি রয়েছে। কারণ বেশ কিছু বিষয় এখনও তদন্তে উঠে আসতে পারে বলে ধারনা কেন্দ্রীয় সংস্থার। তাই পরবর্তী জেরা তারা জেলে গিয়েই করতে চায়। এদিন ইডির আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘‘আমরা জানি কী করতে হবে। অভিযুক্ত রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালী। তাই তদন্ত সংক্রান্ত কোনও তথ্য বাইরে এলে সমস্যা হবে। আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। সে বিষয়ে মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ (Ration Scam) করা প্রয়োজন।’’

    কী জানাল আদালত?

    আদালত এদিন জানিয়েছে, রবিবার বাড়ির দেওয়া খাবারই খেতে পারবেন মন্ত্রী। তবে বেসরকারি হাসপাতালের তরফে মন্ত্রীকে যে ডায়েট মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তা জেলে পাওয়া যাবে কিনা সে রিপোর্ট সোমবারই দেবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিন ইডি আধিকারিকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পথে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিড়বিড় করে মন্ত্রীকে (Ration Scam) বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি মরে যাব, অবস্থা খুব খারাপ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজয়া সম্মেলনে তৃণমূলের গোষ্ঠদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: বিজয়া সম্মেলনে তৃণমূলের গোষ্ঠদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে তৃণমূল জেলা সভাপতির বিজয়া সম্মেলনে গরহাজির ছিলেন একাধিক দলের বিধায়ক। অসুস্থতার কথা বলে অনুপস্থিত ছিলেন জেলার সাংসদ। অবশ্য জেলার তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীদের বক্তব্য এই অনুপস্থিতি এক প্রকার অজুহাত ছিল। তবে এই প্রসঙ্গে বিস্ফোরক হলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বলেন, “ওঁকে জেলা সভাপতি বলে মনেই করিনা।” এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদে ফের একবার গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এলো।

    প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (Murshidabad)

    তৃণমূল দলের কেন্দ্রীয় স্তর থেকে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল দলের প্রত্যেক ব্লক স্তর পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিজায় সম্মেলন করতে হবে। বিধায়ক, ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি, টাউন সভাপতি, ওয়ার্ডের সভাপতি এবং অঞ্চলের নেতাদের এই বিজায়র সম্মলনে যোগদান করতে হবে। এখনও পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২৭ টি বিজয়া সম্মেলনের অনুষ্ঠান হয়। গতকাল শনিবার ছিল বহরমপুরে বিজায় সম্মেলন কিন্তু এই অনুষ্ঠানে তৃণমূল জেলা সভাপতি শাওনি রায়, রাজ্য সহ-সভাপতি মইনুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু বিজয়া সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না নওদার (Murshidabad) বিধায়ক শাহিনা মমতাজ এবং ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ফলে জেলায় ফের একবার হুমায়ুন কবীর বনাম শাওনি রায়ের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে।

    কী বললেন হুমায়ুন?

    বিজায় সম্মলনে উপস্থিত না থাকার কারণ হিসাবে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন, জেলার (Murshidabad) সভাপতি শাওনি রায়ের বিরুদ্ধে বলেন, “জেলা সভাপতির সঙ্গে আমার সম্পর্ক একদম ভালো নয়। তাই আমি যাইনি। জেলা সভাপতিকে পরিবর্তন করার বিষয়ে দলকে জানিয়েছি। দল নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবে। তবে ওঁকে আমি জেলার সভাপতি বলে মানেই করিনা”

    জেলা সভাপতির বক্তব্য

    অপর দিকে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল জেলা সভাপতি দলের কোন্দলকে অস্বীকার করে শাওনি রায় বলেন, “গত নির্বাচনগুলি আমরা একসঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করছি। দলের সাফল্যের মূলে অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বেশ ভালো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে শুরু হয়েছে মা তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Tarapith: সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে শুরু হয়েছে মা তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কালীপুজো। সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে (Tarapith) চলছে তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা। সেই পুজো দেখতে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমেছে তারাপীঠে। আজ দুপুর ২ টো ৩৪ মিনিটে শুরু হবে অমাবস্যার তিথি। অমাবস্যা তিথি শুরু হতেই মা তারাকে পুজো দেওয়ার হিড়িক শুরু হবে। তারই প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে। সেইসঙ্গে দক্ষিণা কালী রূপে পূজিত হন নলহাটিতে মা নলাটেশ্বরী।

    তারা মায়ের অঙ্গে শ্যামাপুজো (Tarapith)

    আজ ভোর চারটের সময় তারাপীঠের (Tarapith) মা তারার শিলামূর্তিকে মহাস্নান করানো হয়েছে। তারপর মা তারাকে রাজবেশে সাজিয়ে মঙ্গলারতি করা হয়েছে। তারপরেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ভোর থেকে মা তারাকে শ্যামা রূপে পুজো করা হচ্ছে। তারাপীঠে মা তারা সব দেবীর উর্ধ্বে। তাই তারাপীঠে কোনও দেবী মূর্তি পুজোর চল নেই। সেই কারণেই মা তারার অঙ্গে শ্যামা পুজো করা হচ্ছে।

    আজ সারা রাত মায়ের গর্ভগৃহ খোলা

    মা তারাকে (Tarapith) দুপুরে ভাত, পোলাও, ডাল, পাঁচ রকম ভাজা, পাঁচ রকম তরকারি, মাছ, বলির পাঁঠার মাংস, শোল মাছ পোড়া, চাটনি, পায়েস, পাঁচ রকম মিষ্টি ও কারণবারি দিয়ে মা তারাকে মধ্যাহ্ন ভোগ নিবেদন করা হবে। সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ করা হবে সন্ধ্যা আরতি। তারপর খই, মুড়কি, লুচি ও মিষ্টি দিয়ে শীতল ভোগ নিবেদন করা হবে। রাত্রি ১০ টা নাগাদ মা তারাকে স্বর্ণ অলঙ্কার ও ডাকের সাজে রাজ রাজেশ্বরী বেশে সাজানো হবে। তারপর শুরু হবে নিশি পুজো এবং বিশেষ আরতি। আজ সারারাত মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা খোলা থাকবে।

    নলাটেশ্বরী মন্দিরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    তারাপীঠের (Tarapith) সতীর একান্নপীঠের মতো অন্যতম এক সতীপীঠ বীরভূমের নলহাটির নলাটেশ্বরী। কথিত আছে দক্ষ যজ্ঞের সময় সতীর দেহ খণ্ডিত হয়ে এই নলহাটিতে সতীর কণ্ঠনালী পড়েছিল। তাই দেবীকে এখানে নলাটেশ্বরী রূপে পুজো করা হয়। আজ দীপান্বিতা অমাবস্যা। এই দিনটিতে নলাটেশ্বরী মন্দিরে উপচে পড়েছে পুণ্যার্থীদের ভিড়। ভোর চারটের সময় মঙ্গল আরতির পর মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। দিনভর পুজো দেওয়ার পর দুপুরে মা নলাটেশ্বরীকে অন্নভোগ নিবেদন করা হবে। ভোগে থাকবে অন্ন, পোলাও, ডাল, পাঁচ রকম ভাজা, পাঁচ রকম তরকারি, মাছ, বলির পাঁঠার মাংস, চাটনী, পায়েস ও পাঁচ রকমের মিষ্টি। তবে এই ভোগ নিবেদন করা হয় সবার চোখের অন্তরালে। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ অমাবস্যার তিথি শুরু হওয়ার পর দেবী নলাটেশ্বরীকে ডাকের সাজে সাজানো হবে। তারপর সন্ধ্যায় হবে সন্ধ্যা আরতি। রাত দশটায় নিশিরাতে নলাটেশ্বরীকে দক্ষিণা কালী রূপে পুজো করা হবে। আজ সারারাত মন্দিরের দরজা খোলা থাকবে। ইতিমধ্যেই ভক্ত সমাগমে পরিপূর্ণ সতীর এই পীঠ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    Dakshin Dinajpur: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঞ্চায়েত নির্বাচনে গুন্ডামি করে ভোটে জিতেছে তৃণমূল। সেসব পর্ব চলে গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে গুন্ডামি করতে চাইলে তাদের জায়গা হবে জেলে। সুকান্ত মজুমদার সেই গ্যারান্টি দিয়ে যাচ্ছে। আপনারা ভয় পাবেন না। আমি আপনাদের পাশে আছি।” গঙ্গারামপুর ব্লকের (Dakshin Dinajpur) গোচিয়ার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে শাসকদলকে এই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে এই এলাকায় আমাদের কর্মীরা কাজ করতে পারেন না। কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। আপনারা গুন্ডাদের তালিকা তৈরি করুন, আমরা ব্যবস্থা নেব।” লোকসভা নির্বাচনের এখনও দেরি। কিন্তু নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে ইতিমধ্যে ঘর সাজাতে শুরু করেছে সব রাজনৈতিক দল। কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল দৃঢ় করতে এদিন শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, লোকসভা নির্বাচন এলেই এই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো।”

    এজির পদত্যাগ

    পাশাপাশি তিনি রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে এদিন কথা বলেন। এক সরকারের আমলে বদল তিন এজির। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Dakshin Dinajpur) বলেন, “সৌমেন্দ্রনাথ মুখার্জী প্রথিতযশা একজন আইনজীবী। তাঁর পক্ষে এই অশিক্ষিত সরকারের সঙ্গে বেশি দিন কাজ করা সম্ভব নয়। অনেকেই আগে ছেড়ে দিয়েছেন, এবার সৌমেন্দ্রবাবু ছেড়ে গেলেন। এর আগে গোপালবাবু নামে একজন ছিলেন, যিনি প্রকাশ্যে কোর্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে এই ধরনের আচরণ রাজ্য সরকারের শোভা পায় না। অর্থাৎ এই সরকারের সঙ্গে শিক্ষিত মানুষরা বেশিদিন একসাথে চলবে না।”

    ধান কেনায় কেলেঙ্কারি

    ধান কেনার কেলেঙ্কারির তদন্তে ইডি স্ক্যানারে কলকাতা পুলিশ। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Dakshin Dinajpur) বলেন, “যে মামলায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন, সেই মামলার সূচনা হয়েছিল রাজ্য পুলিশের দ্বারাই। কোনও এক জায়গায় বেআইনি চাল ও চালের গুঁড়ো পাওয়া গিয়েছিল। তার তদন্তে নামে বেঙ্গল পুলিশ এবং সেটা দ্রুত ধামাচাপা দেওয়া হয়। অভিযোগ যায় ইডির কাছে। ইডি যাতে তদন্ত করতে না পারে, তার জন্য রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছি, কিন্তু কিছু হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইডি খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এখন শুধু পুলিশ কেন, বেশ কিছু আমলা এবং আধিকারিকেরও জেল হবে।”

    কী বলল তৃণমূল?

    এদিকে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির রাজ্য সভাপতির জমানত জব্দ করবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি মিথ্যে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছেন। তিনি নিজের এলাকায় (Dakshin Dinajpur) হেরেছেন। জেলা পরিষদে একটি আসনও পায়নি তাঁর দল। তাই তিনি এসব ভুলভাল বকছেন। তাঁর উচিত রাজ্য রাজনীতিতে নজর দেওয়া। কারণ, জেলার মানুষ তাঁকে পছন্দ করে না। তাঁকে চায় না। রাজ্য সভাপতির এই হুমকির জবাব আগামী নির্বাচনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেবে মানুষই। ক্ষমতা থাকলে তিনি এবার বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে থেকে দাঁড়ান। যদি তাঁর জামানত জব্দ করতে না পারি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তি পেয়ে কালীপুজোর দিনই মন্ত্র-তন্ত্রে বাঁধা পড়ে ভূতেরা! কোথায় জানেন?

    Asansol: ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তি পেয়ে কালীপুজোর দিনই মন্ত্র-তন্ত্রে বাঁধা পড়ে ভূতেরা! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমাবস্যাতে অদ্ভূত এক ভূতের মুক্তির উপাখ্যান। আজও এক বটগাছকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে রয়েছে কত না কল্পকথা, কত বিশ্বাস, কত কাহিনী। এখানে মানুষের বিশ্বাস, মাত্র এক রাতের জন্য ভূতেরা মুক্তি পায় আসানসোলের (Asansol) পিয়ালবোড়োর শ্মশানঘাটে । বিগত ৭১ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই বিশ্বাস বহন করে চলেছেন এলাকাবাসীরা। ভূত চতুর্দশীর রাতে মুক্তিলাভ, কিন্তু পরে কালীপুজোর দিনই ফের মন্ত্র-তন্ত্রে গাছে বাঁধা পড়ে ভূতেরা।

    গাছে ভূত বাঁধা রয়েছে (Asansol)!

    আসানসোলের (Asansol) মহিশীলা গ্রামের এক নম্বর কলোনির শ্মশানঘাটে ভূত চতুর্দশীর দিন থেকে সাজো সাজো রব। এই গাছেই ভূতেদের বেঁধে দিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপার প্রধান শিষ্য বনমালী ভট্টাচার্য। প্রায় ৭১ বছর আগের সে কাহিনী আজ মিথে পরিণত হয়েছে। মানুষের বিশ্বাস, গাছে বাঁধা পড়া অবস্থায় ভূতেরা আজও রয়ে গিয়েছে স্বমহিমায়।

    ভূতের উপদ্রব 

    আসানসোলের (Asansol) রায় পরিবাররের জমিদার তান্ত্রিক বনমালী ভট্টাচার্যকে জমি দান করেছিলেন আশ্রম গড়ে তোলার জন্য। মহিশীলার পিয়ালবোড়োর ওই শ্মশান সংলগ্ন নির্জন স্থানে তিনি নিজের সাধনার ক্ষেত্র গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু আশ্রম করতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। ওই স্থানে যে ভূতের উপদ্রব ছিল বিরাট! এমনই উপদ্রব যে গ্রামের কেউ মারা গেলে রাতে শ্মশানে নিয়ে যেতেও ভয় পেতেন গ্রামবাসীরা।

    কার্তিক অমাবস্যায় কালীপুজো হয়

    এখন আর আশ্রম স্থানে (Asansol) শ্মশান নেই। আছে আশ্রমের পঞ্চমুণ্ডির আসন। বনমালী ভট্টাচার্যের ছেড়ে যাওয়া আসনে পুজোর দায়িত্ব সামলাতেন শম্ভুনাথ ভট্টাচার্য। আর তার পরে দায়িত্ব নেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। তিনি পুজো করেন এবং সহযোগিতা করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কার্তিক অমাবস্যায় ভূত চতুর্দশীতে কালীপুজো করা হয় এখানে। এখন পুজো করেন বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য। শিবা ভোগ ও ভৈরব ভোগ দান করা হয় মায়ের পুজোতে। ভোগের উপাচার মদ আর মাংস। কালীপুজোর পরে ভূতেদের বেঁধে দেওয়া হয়। এই রীতি আজও চলে আসছে পরম্পরা মেনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি ও শ্যালক ছিলেন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে এতদিন পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র মেয়ে এবং স্ত্রীর নাম উঠে এসেছিল। এবার আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। জানা গিয়েছে, তিনটি সন্দেহভাজন শেল কোম্পানির (Ration Scam) ডিরেক্টর হিসেবে জ্যোতিপ্রিয় কখনও নিজের শাশুড়ি, কখনও নিজের আপ্তসহায়কের ঘনিষ্ঠকে, আবার কখনও নিজের শ্যালককে দেখিয়েছিলেন। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ৯ জন এই তিন সন্দেহভাজন শেল কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। এখন এই ৯ জন ইডির আতস কাচের তলায়।

    শেল কোম্পানিগুলিতে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠদের ডিরেক্টর পদের সময়কাল 

    ইডির দাবি, ‘গ্রসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’ এর ডিরেক্টর ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র শাশুড়ি। ঘটনাক্রমে, তিনি বর্তমানে জীবিত নেই। প্রয়াত অঞ্জলি সেন ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওই কোম্পানি ডিরেক্টর পদে ছিলেন। পাশাপাশি জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত-সহায়ক ঘনিষ্ঠ রণিত ‘গ্রসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড’, ‘গ্রসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’, এই তিনটি কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। ইডি সূত্রে যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই কোম্পানিগুলির ডিরেক্টর ছিলেন রণিত। অন্যদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শ্যালক অশোককুমার সেন ‘গ্রসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ কোম্পানির (Ration Scam) ডিরেক্টর ছিলেন ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। অশোক সেন ‘হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেডে’র ডিরেক্টর ছিলেন ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত।

    আরও ৪ নতুন কোম্পানি ইডির র‌্যাডারে

    অন্যদিকে, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) তিনটি শেল কোম্পানি ছাড়াও গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে আরও চারটি নতুন কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলির ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাস ও তার স্ত্রী সুকন্যা দাসের। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, কালো টাকার সাদা করতেই এই সমস্ত কোম্পানিগুলোকে খোলা হয়েছিল। নতুন যে চারটি কোম্পানির হদিশ গোয়েন্দারা পেয়েছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে তিনটি কোম্পানির ঠিকানা কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে আর চতুর্থ কোম্পানির ঠিকানা হাওড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মা মাটি সরকারের শাসক দল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে থাকলো মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। তৃণমূল মানবিক! বার বার শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের ভাষণে শোনা যায়। কিন্তু কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়ল সারি সারি গাড়ি। আর এই গাড়ির ভিড়ের মধ্যে আটকে গেল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। ঘটনায় ক্লোজ করা হল এক পুলিশ আধিয়ারিককে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।  

    কিন্তু প্রশ্ন হল শাসক দলের নেতাদের ভূমিকা নিয়ে। নাগরিক সমাজের প্রতি যদি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা দায়িত্বশীল থাকেন, তাহলে এমন ঘটনার জন্য নেতা-মন্ত্রীদের কি কোনও শাস্তির বিধান রয়েছে? নাকি সব দায় আমলাদের? এই প্রশ্নই উঠছে ধূপগুড়িতে (Jalpaiguri) কালীপুজোর উদ্বোধন করতে আসা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের ভূমিকা নিয়ে।

    নেতা-মন্ত্রীর ভিড়ে আটকে যায় অ্যাম্বুল্যান্স (Jalpaiguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহ কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন ধূপগুড়িতে। সঙ্গে ছিলেন জেলা শাসক এবং পুলিশ সুপার। গাড়ির ভিড়ে রাস্তা জ্যাম হয়ে যায়। এই অবস্থায় রাস্তায় আটকে পরে এক অসুস্থ মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। আধ ঘণ্টার সময়ের বেশি সময় ধরে আটকে ছিলেন রাস্তায়। এরপর রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ঘটনাস্থলে এলাকায় শতাধিক মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এরপরই ঘটনায় অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনায় ক্লোজ হন এক পুলিশ আধিয়ারিক।

    জেলা শাসকের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার জেলা শাসক উমেশ খান্ডবাহালে বলেন, “বিকল্প রাস্তা খোলা ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চালাচল করছিল। প্রাথমিক ভাবে একজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনায় কোনও চক্রান্ত হয়েছে কী না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘৯০ শতাংশ তৃণমূল কার্যালয় খোলে না’, দলীয় সভায় আক্ষেপ করলেন অর্জুন

    Arjun Singh: ‘৯০ শতাংশ তৃণমূল কার্যালয় খোলে না’, দলীয় সভায় আক্ষেপ করলেন অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনীতে কর্মীদের রাজনীতির পাঠ শেখালেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। শুক্রবার শ্যামনগরের সুব্রত পল্লিতে তৃণমূলের তরফে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অর্জুন।  তাঁর কথায়, আগামিদিনে নির্বাচন আছে। শত্রুকে কোনও দিন কমজোরি ভাববেন না। শত্রু কখনও কমজোরি হয় না। আর আবেগ দিয়ে রাজনীতি হয় না। যদি বুথে কর্মী সঠিক না থাকেন, ভোটার লিস্ট যদি আপনাদের মুখস্থ না থাকে, কে বিরোধী রাজনীতি করেন, তা যদি বুঝতে না পারেন, তা হলেই সমস্যা। মানুষের সঙ্গে ব্যবহার ঠিক রাখতে হবে।

    বিজেপি থেকে অনেক কিছু শিখেছি, স্বীকার অর্জুনের (Arjun Singh)

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, রাজনীতিতে সব সময় শিখতে হয়। আমি ভোট করতে শিখেছি। কংগ্রেস থেকে শিখে এসেছি। এমনকী, ভোটের রাজনীতি করতে গেলে বিজেপির কাছেও অনেক শিখতে হয়েছে। আমি শিখেছি। জ্ঞান নিতে গিলে মাস্টারমশাইয়ের জামার কলার ধরলে হবে না। মাস্টারমশাইকে প্রণাম করতে হবে। হাতজোড় করে জ্ঞান নিতে হবে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হানা নিয়ে কী বললেন অর্জুন

    অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, এজেন্সির সঙ্গে লড়তে গেলে নিজেদেরও ঠিক থাকতে হবে। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনুযায়ী চলতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পদক্ষেপ করবেন, সেই অনুযায়ী আমাদের সবাইকে চলতে হবে।“দলের কিছু সদস্যের জন্য যদি সবাই অসুবিধার মধ্যে পড়েন, আমি মনে করি, সেই লোককে দলে না রাখাটাই ভাল। যে লোকটা দু’দিন আগে মানুষকে ভয় দেখিয়েছে, সেই মানুষ যদি বুথে বসে থাকে, মানুষ অন্য কাউকে ভোট দেবেন। তাই আমাদের নজর রাখতে হবে। কোনও নাককাটা, গালকাটা বা কানকাটাকে বুথে বসতে দেওয়া যাবে না। সভ্য, ভদ্র মা-দিদি কাউন্সিলর যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বুথে ফিরিয়ে আনুন।

     তৃণমূলের ৯০ শতাংশ পার্টি অফিস খোলেই না, আক্ষেপ অর্জুনের

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, এখন তো আমরা পানের দোকান, চায়ের দোকানে বসতেই ভুলে গিয়েছি। পাড়ায় আড্ডা মারছি না। ভেবে নিয়েছি, সবাই আমাদের ভোট দিয়ে দেবেন। আমাদের এই অঞ্চলে ৯০ শতাংশ পার্টি অফিস খোলেই না। কিন্তু অফিসে বসুন। সময় দিন। আমি কিন্তু এলাকায় থাকলে অফিসে বসি। মানুষের সমস্যা শুনতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share