Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের আদি-নব্য গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল কুলপি, চলল ব্যাপক বোমাবাজি

    South 24 Parganas: তৃণমূলের আদি-নব্য গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল কুলপি, চলল ব্যাপক বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপিতে আইএসএফের জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলে যোগদান করায় আদি এবং নব্য তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই সংঘর্ষের সময় এলাকায় প্রচুর বোমাবাজির ঘটনাও ঘটে। এর ফলে কুলপির দৌলতাবাদ এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। গতকাল সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, এটি তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেরই ফল। ভাগের মাল নিয়ে লড়াই চলছে।

    কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত (South 24 Parganas)?

    কুলপির (South 24 Parganas) দৌলতাবাদে আদি তৃণমূল করেন ছেলে। তাঁর মা ফতেমা বলেন, “এলাকায় অনেক দিন ধরে টার্গেট করা হচ্ছিল আদি তৃণমূল যারা করে। বেশ কয়েকদিন ধরেই বাড়ির চারপাশে ঘোরাঘুরি করছিল দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে করা হয় ব্যাপক বাড়ি ভাঙচুর এবং বোমাবাজি। সকলে আমরা রীতিমতো ভয়ে রয়েছি।”

    ৪০ টি বোমাবাজির অভিযোগ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা প্রায় ৪০ টি বোমা মারে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ৩০টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আরও অভিযোগ ওঠে, বাড়ি থেকে বাইরে গিয়ে জল আনতে দেওয়া হয় না, ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে দেওয়া হয় না। নানাভাবে অত্যাচার করে নব্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ভাঙা হয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস এবং সেই সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে আহত হয়েছেন ইতিমধ্যেই ৩ জন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় এক বিজেপি নেত্রী অন্মিয়া শেখ বলেন, “আগে ছিল বুড়িমার বোম। এখন পিসির রাজত্বে চলছে, পিসিমার বোমা। তৃণমূলের রাজত্বে কেউ সুরক্ষিত নয়। সারা রাজ্য জুড়ে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    ঘটনার পর কুলপি থানা থেকে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার জেরে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত দুই পক্ষের পক্ষ থেকে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ নিদান দিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি

    Malda: বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ নিদান দিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বেশি আক্রমণাত্মক হচ্ছেন শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। দুদিন আগেই কোচবিহারের দলীয় সভায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে মারার নিদান দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ হুমকি দিলেন মালদা (Malda) জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? (Malda)

    মালদার (Malda) বামনগোলায় পথসভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন আব্দুর রহিম বক্সি। তিনি বলেন, ‘বিজেপি সাংসদ খগেনবাবুরা ৩৫ কোটি টাকা পান, কত টাকা কমিশনে কাজ বিক্রি করেছেন ঠিকাদরদের কাছে। সেই ৩৫ কোটি টাকা কোথায় তার হিসেব দিতে হবে। এরপরেই তিনি বলেন, ‘বহু কথা বলেছেন,বড় বড় আওয়াজ তুলছেন, মানুষ কিন্তু এবার ছেড়ে কথা বলবে না। যে মুখ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন, যে মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বলে মানুষদের বিভ্রান্ত করছেন, সেই মুখ থেকে জিভটা টেনে ছিঁড়ে বের করে মানুষ প্রমাণ করবে যে মানুষ আপনাদের সঙ্গে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই কলোনির হাটে যে রাস্তাগুলো হয়নি এখানে কেন্দ্রীয় সরকার যত বঞ্চনা করুক, খগেন মুর্মু যত বঞ্চনা করুক, জুয়েল মুর্মু যত বিরোধিতা করুক আর বিজেপি যত বিরোধিতা করুক, সমস্ত রাস্তা তৃণমূল কংগ্রেস করবে।’ মূলত বেহাল রাস্তার কারণে খাটিয়া নিয়ে রোগী নিয়ে যেতে রাস্তাতেই রোগীর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনা থেকে বাঁচতে রাস্তা তৈরির সাফাই দিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু বলেন, ‘আমরা কারও জিভ ছিঁড়তে রাজি নই। এই মন্তব্যের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। মালদায় (Malda) অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়ার জন্য এক মহিলার মৃত্যু দুঃখজনক। তবে এমজিএনআরজিএ-র কাজ হলে রাজ্য সরকার সেই কাজ করবে। সেটা বিধায়কের দেখার কথা নয়। স্থানীয় গ্রামের প্রশাসনের দেখা উচিত।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Tourism: পর্যটকদের জন্য সুখবর, নিরাপদ এখন সিকিম, খুলে দেওয়া হল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক

    Sikkim Tourism: পর্যটকদের জন্য সুখবর, নিরাপদ এখন সিকিম, খুলে দেওয়া হল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় দিনের আগেই পর্যটকদের জন্য সুখবর। চালু হয়ে গেল সিকিমের জাতীয় সড়ক। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক মেরমতির পর এবার স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যেতে আর কোনও বাধা নেই। সিকিমের পর্যটন (Sikkim Tourism) ব্যবসায়ীরা এবার আশার আলো দেখছেন।

    সিকিম প্রশাসনের বক্তব্য (Sikkim Tourism)

    সিকিম রাজ্যের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞাপন জারি করে জানানা হয়েছে যে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক চালু করা হয়েছে। এবার খুব সহজেই সিকিমে যাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত বাকি রাস্তাগুলিও সারাই করা হয়েছে। পর্যটক (Sikkim Tourism) এবং ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে এই রাস্তা দ্রুত মেরামত করা হয়েছে। সিকিম এখন পুরোপুরি নিরাপদ। এই শীতে পর্যটনের জন্য  বেশ উপযুক্ত। 

    সিকিমের পর্যটন দফতরের সচিব বন্দনা ছেত্রি বলেন, “সোমবার থেকেই পর্যটনের জন্য সিমিক প্রবেশের জন্য সড়ক পথ খুলে দেওয়া হয়েছে। সিকিমে বেড়াতে এলে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। তবে উত্তর সিকিমের বেশ কিছু জায়গায় যেতে নিষেধ আজ্ঞা রয়েছে।”

    ভ্রমণ নিরাপদ

    সিকিম সরকারের পক্ষ থেকে উত্তর সিকিমের কিছু কিছু এলাকা এখনও বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু ওই অংশ ছাড়া বাকি অংশগুলিতে যাওয়ার জন্য অত্যন্ত নিরাপদ। ফলে শীতের আগেই পর্যটকদের (Sikkim Tourism) টানতে এই বিপর্যয়কে অতিক্রম করতে সিকিম সরকার বিশেষ উদ্যোগী হয়েছেন। গ্যাংটক, নামচি, সোরেং, গেজিং, পাকিয়ং ইত্যাদি এলাকা এখন সম্পূর্ণ ভাবে নিরাপদ। তাই শীতের মরসুমে বেড়াতে যাওয়াতে কোনও অসুবিধা নেই বলে জানা গিয়েছে।

    হড়পা বানে বিপর্যস্ত ছিল সিকিম

    দুর্গাপুজোর আগে অক্টোবর মাসের প্রথমের দিকে মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদ ভেঙে গিয়েছিল। তিস্তার জলের স্রোতে ভেঙে পড়েছিল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। বাড়িঘর, গাছপালা লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এর প্রভাব পড়েছিল তিস্তা নদীর পাড় সংলগ্ন জলপাইগুড়ির এলাকায়। বিপর্যয় মোকাবেলায় উদ্ধার কাজে তৎপর হয়েছিল সুরক্ষা বাহিনী। আটকে পড়েছিলেন প্রচুর পর্যটক (Sikkim Tourism)। কেন্দ্রের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল বিশেষ অনুদান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Liquor factory: হুগলির মদের কারখানায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে আয়কর দফতরের হানা

    Liquor factory: হুগলির মদের কারখানায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে আয়কর দফতরের হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির মদের কারখানায় (Liquor factory) চলছে আয়কর হানা। চারদিক ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কড়া নিরপত্তায় চলছে তল্লাশি অভিযান। মঙ্গলবার ভোরবেলা থেকেই চলছে এই অভিযান। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর সময়ে রাজ্যে মদের বিক্রি প্রচুর পরিমাণে হয়েছে। এই বছর ঝাড়গ্রামে পুজোর পাঁচ দিনে মোট ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার মদ বিক্রি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এটা বাকি জেলার তুলনায় সবথেকে বেশি। এই বছর আবগারি দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এক কোটির বেশি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে রাজ্যে। ফলে রাজ্যে এত টাকার মদ বিক্রি সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। ইতিমধ্যে মদের কারখানায় আয়কর দফতরের হানায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    হুগলির কোন মদের কারখানায় হানা (Liquor factory)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির অ্যালপাইন ডিস্‌টিলারিস প্রাইভেট লিমিটেড কারখানায় (Liquor factory) চলছে তল্লাশি। মোট পাঁচটি গাড়িতে করে আয়কর দফতরের অফিসাররা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই কারখানা পোলবা থানার অন্তর্গত মহানাদ গ্রামে অবস্থিত। এই কারখানার মূল মালিক দিল্লির একটি সংস্থা। এখানকার ডিরেক্টরের নাম দেবরাজ মুখোপাধ্যায়। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এখানে বিশেষ ব্র্যান্ডের ‘রাম’ ওল্ড মঙ্ক বোতলজাতের কাজ করা হয়। এছাড়াও এখানে প্রচুর ইথানল উৎপাদন করা হয়। মদ উৎপাদনের জন্য এই কাঁচামাল ইথানল একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।

    কারখানার কর্মীর বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই মদের কারখানায় (Liquor factory) পুরুষের তুলনায় মহিলারা বেশি কাজ করেন। কারখানায় মোট শ্রমিক কাজ করেন ৩০০ জন। আয়কর দফতর মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪ টা থেকেই হানা দেওয়ায় এখনও পর্যন্ত কাজ বন্ধ রয়েছে। কাজে গেলে শ্রমিকদের কাজ করতে বাধা দেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। কারখানার কর্মী মঞ্জু বাউল দাস বলেন, “সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত আমাদের কাজ করতে হয়। সকালে কাজে এলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একবার ভিতরে গেলে আর বাইরে যাওয়া যাবে না বলে জনিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আর ঢুকিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান খুনে অধরা মূল অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ

    North 24 Parganas: গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান খুনে অধরা মূল অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার পঞ্চায়েত প্রধান খুনের পর পাঁচদিন কেটে গেলেও এক অভিযুক্ত ছাড়া কাউকেই পুলিশ ধরতে পারেনি। ঘটনার মূল চক্রী আবু তোয়েব হোসেন মণ্ডলকে আটক করার পরেও ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এই অভিযোগ তুলে আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন নিহত শাসক দলের প্রধানের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের মুখে পড়ে ঘটনাস্থল থেকে আমডাঙা থানার আইসিকে বিধায়ক ফোন করে খুনে জড়িতদের ধরার কথা বলেন। দ্রুত ব্যবস্থা না-নেওয়া হলে সর্বোচ্চ স্তরে বিষয়টি জানানো হবে বলে তিনি মৃতের পরিজনদের আশ্বাস দিয়েছেন।

    সোমবার ছিল রূপচাঁদের পারলৌকিক কাজ (North 24 Parganas)

    গত ১৬ নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার কামদেবপুরহাট সংলগ্ন রাস্তার ধারে দুষ্কৃতীদের বোমায় নিহত হন পঞ্চায়েত প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডল। পরের দিন মৃতের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পাশে থাকার আশ্বাস দেন। দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, সাংসদ অর্জুন সিং। সোমবার ছিল রূপচাঁদের পারলৌকিক কাজ। তাঁর বাড়িতে প্রথমে গিয়েছিলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। পরে পৌঁছান আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। বাড়িতে বিধায়ক আসতেই তাঁকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের লোকজন ও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বিধায়ক রফিকুর রহমানের কাছে জবাব চান মৃতের আত্মীয়া।

    নিহত তৃণমূল প্রধানের স্ত্রী কী বললেন?

    মৃত রূপচাঁদের স্ত্রী সুরূফা বিবির অভিযোগ, ‘চার দিন কেটে গেলেও এখনও স্বামীর খুনিদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। মূল অভিযুক্ত তোয়েবকে আটক করেছিল পুলিশ। কিন্তু, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখনও সে অধরা। আমি চাই, দোষীদের কঠোর শাস্তি হোক।’ মৃতের পরিজনদের আরও অভিযোগ, ‘সঠিকভাবে তদন্ত করলে এফআইআরে নাম থাকা তোয়েব-সহ চার জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারত।’ তাঁরা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও জানান।

    আমডাঙার বিধায়কের কী বক্তব্য?

    আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর বলেন, ‘এলাকার মানুষ ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছেন। তাদের ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিকই। চার দিন পরেও কেন বাকি অভিযুক্তরা ধরা পড়ল না, সেই দাবি করেছেন নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা। আমি আইসির সঙ্গে কথা বলেছি। পাশাপাশি ওনারা তোয়েবকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার যে অভিযোগ করছেন, সেটা নিয়েও কথা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ভারতের হার মেনে নিতে না পেরে আত্মঘাতী যুবক

    ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ভারতের হার মেনে নিতে না পেরে আত্মঘাতী যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি আউট হতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক ক্রিকেটপ্রেমী। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই প্রবীণ ক্রিকেটপ্রেমীর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) ফাইনালে ভারতের হার মেনে নিতে না পেরে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে আত্মঘাতী হলেন এক ক্রিকেটপ্রেমী যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল লোহার। বয়স ২৩ বছর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (ICC World Cup 2023)

    রবিবার ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) খেলা ছিল। সেই খেলা দেখতে মেতে উঠেছিলেন সবাই। বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়েও একদল যুবক মেতেছিলেন ক্রিকেট উন্মাদনায়। সকলে একসঙ্গে খেলা দেখছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত পরাজিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুষড়ে পড়েন রাহুলবাবু। হারের দুঃখ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ফাইনাল খেলা দেখেছিলেন রাহুলবাবু।  রাত্রে খেলা দেখে তার নিজের বাড়িতে আসেন তিনি। ঘরের ভিতরেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। হঠাৎ পরিবার সহ পাড়ার বন্ধু-বান্ধব খবর পেয়ে ছুটে যান। তড়িঘড়ি পাড়া-প্রতিবেশীরা রাহুলকে উদ্ধার করে বেলিয়াতোড় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বেলিয়াতোড় থানার পুলিশ। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে তারা।

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃত যুবকের জামাইবাবু উত্তম শূর বলেন, ক্রিকেট পাগল ছিল রাহুল। ক্যাটারিং-এর কাজও করত। ফাইনাল (ICC World Cup 2023)  নিয়ে সে খুব আশায় ছিল। সকাল থেকে সব কাজ ফেলে সে ফাইনাল খেলা দেখতে বসেছিল। ভারত হেরে যেতেই ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। তবে, এভাবে সে আত্মঘাতী হবে, এটা কেউ আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolaghat: প্রকাশ্যে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Kolaghat: প্রকাশ্যে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটেছিল বারাকপুরের একটি সোনার দোকানে। সোনার দোকানের মালিকের ছেলেকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এবার শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে (Kolaghat)। ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা থেকে খড়্গপুরগামী ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম সমীর পাড়িয়া (৩৭)। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানার কোলাঘাটের উত্তর জিঁয়াদা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kolaghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত পৌনে নটা নাগাদ সমীর পাড়িয়া (৩৭) নামে ওই ব্যবসায়ী কোলাঘাটের (Kolaghat) জিঁয়াদা বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ই বাইকে চড়ে সেখানে হাজির হয় তিন দুষ্কৃতী। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অন্তত তিনটি বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা ওই ব্যবসায়ীর পথ আটকায়। বাইকে থাকা সমীরবাবুর পথ আটকে তাঁর কাছে থাকা ব্যাগে সোনার গয়না এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। তখনই ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্তরা। ওই ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর কাছে থাকা সোনার গয়না এবং নগদ টাকা লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা। ব্যবসায়ীর চিৎকার এবং গুলির আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরা এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় সড়কের উপরে পড়ে রয়েছেন সমীরবাবু। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যবসায়ীর। এর পরেই ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা কলকাতা-খড়্গপুরগামী ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

    জাতীয় সড়কে নজরদারি নেই পুলিশের, সরব স্থানীয়রা

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর জাতীয় সড়কের উপর সেভাবে পুলিশের নজরদারি থাকে না। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। অবিলম্বে জাতীয় সড়কে পুলিশের নজরদারি বাড়াতে হবে। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে পেটানোর নিদান দিলেন উদয়ন

    Udayan Guha: বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে পেটানোর নিদান দিলেন উদয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের। কোন্দলে জর্জরিত শাসক দল। বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে হারানো মাটি ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। আর সেই লক্ষ্য নিয়ে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গড় ভেটাগুড়িতে সভা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। সভা থেকেই বিজেপিকে হুমকি দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বললেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী? (Udayan Guha)

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গড় ভেটাগুড়িতে মিছিল করতে গিয়ে নাম না করে বিজেপি কর্মীদের হুংকার দেন তিনি। কার্যত গায়ে হাত তোলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha) বলেন,’এখানে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছে। যাঁরা এই মিছিলে হেঁটেছেন আমি মিছিলে নিজে পিছনে থেকে ওনাদের সামনে রেখেছি। তবে তাঁদের কারও গায়ে যদি একটু আঁচড় পড়ে নিজে মন্ত্রী হয়ে বলছি বাড়ি থেকে বের করে করে পেটানো হবে।’ নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে হুঁশিয়ারি পাল্টা হুঁশিয়ারির ‘খেলা’ চলছে। বিরোধীদের ঠেকাতেও নীশিথের গড় দখলে ‘দিনহাটা বাহিনীর’ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘ওদের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে আমাদের কাছে দিনহাটা বাহিনী।’ তবে, মিছিলে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল অনেকটাই কম। এমনকী মিছিলে দেখা যায়নি স্থানীয় নেতা কর্মীদের একাংশকে। তাহলে দলীয় কোন্দল না কি অন্য কোনও কারণ তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রীও নজরে আসে। আর মিছিলে কম লোক হওয়ার পিছনে উত্তর দিতে গিয়েও বিজেপিকেই দায়ী করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে এও স্বীকার করে বলেছেন, ‘ভেটাগুড়িতে কম সংখ্যক তৃণমূল কর্মী রয়েছে। যাঁরা রয়েছেন তাঁরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন এই কর্মসূচিতে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: সমবায়ের অনুষ্ঠানেই বিজেপির কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Purba Medinipur: সমবায়ের অনুষ্ঠানেই বিজেপির কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায়ের অনুষ্ঠানে বিজেপির উপর তৃণমূলের ব্যাপক আক্রমণের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) মহিষাদলে। অনুষ্ঠানের মধ্যে চলে হাতাহাতি, চেয়ার ছোড়াছুড়ি। ঘটনায় বেশ কিছু বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবাদে বিজেপি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ জানায়। যদিও ঘটনায় শাসক দল, বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগকে অস্বীকার করেছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Purba Medinipur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যের সমবায়ের শতবর্ষের উদযাপন অনুষ্ঠান। পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) মহিষাদলের জালপাই সমবায়েও একই ভাবে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকার তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী সহ পঞ্চায়েত, ব্লক এবং জেলা প্রশাসনের নানান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে ডাক পাননি বিজেপি পরিচালিত ইতামগরা ২ পঞ্চায়েতের প্রধান রামকৃষ্ণ দাস। এরপর এলাকার বিজেপি কর্মীরা প্রধানের নেতৃত্বে উপস্থিত হন অনুষ্ঠানে। তারপর পুলিশের সামনেই তৃণমূলের কর্মীরা আচমকা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। কার্যত বিজেপির কর্মীদের উপর লাঠি, বাঁশ, চেয়ার ছুড়ে একতরফা ব্যাপক মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।

    ঘটনায় বিজেপির বক্তব্য

    অনুষ্ঠানে মারধরের পর বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের এই আক্রমণের বিরুদ্ধে তেরপেখ্যা কাপাসএড়্যা (Purba Medinipur) সড়কে অবস্থান বিক্ষোভ করে। বিজেপির প্রধান রামকৃষ্ণ দাস বলেন, “এলাকায় মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে তৃণমূল নিজের গায়ের জোরে শতবর্ষের অনুষ্ঠান করেছে। এই সমবায়ে সকলের অধিকার রয়েছে। বাইরে থেকে লোক এনে অনুষ্ঠান করলে আমরা প্রতিবাদ করি। এই প্রতিবাদের জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর হামলা করে। পুলিশের সমানেই আমাদের উপর বেধড়ক মারধর চলে। পুলিশ কোনও রকম সক্রিয়তা দেখায়নি। পুলিশ যদি দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আগামী দিনে বড় আন্দোলন করবো।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের মহিষাদলের (Purba Medinipur) বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, “সমবায়ের অনুষ্ঠানের কারা আসবেন তা ঠিক করার একমাত্র অধিকার রয়েছে নির্বাচিত বোর্ডের। বিজেপি সর্বত্র অশান্তির সৃষ্টি করছে। শুভেন্দুর নির্দেশেই এলাকায় গোলমাল করছে বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ৮ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা! জালের শিকড় খুঁজতে ভিনরাজ্যে পাড়ি পুলিশের

    Fraud: ৮ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা! জালের শিকড় খুঁজতে ভিনরাজ্যে পাড়ি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়দায় কল সেন্টারের আড়ালেই চলত বিশাল প্রতারণা চক্র। আমেরিকা, কানাডার নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট সাফ করার অভিযোগ উঠেছিল প্রতারকদের বিরুদ্ধে। প্রায় আট হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রতারকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে। এবার সেই প্রতারণার আট হাজার কোটি টাকা কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে, তারই হদিশ শুরু করেছে বারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ। ইতিমধ্যে বিদেশে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। অধিকাংশ অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। যে সব ব্যাঙ্কের হদিশ পেয়েছে পুলিশ, তাদের কাছে নথি চেয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এই বিশাল চক্রের পিছনে বড় কোনও মাথা রয়েছে। তার মাধ্যমেই সমস্ত প্রতারণা (Fraud) চক্রটি অপারেট করা হত। ভিনরাজ্য সে গা ঢাকা দিয়ে বসে রয়েছে বলে পুলিশের আশঙ্কা। তার খোঁজেই ভিন রাজ্যে যাচ্ছে কমিশনারেটের একটি টিম।

    দুবাই, ব্যাঙ্কক বার বার যেত প্রতারকরা (Fraud)

    বলরাম হাসপাতালে কাছে একটি বাড়িতে ঘরভাড়া নিয়ে প্রতারণা (Fraud) চক্র চলত। সৈয়দ শাহাবাজ হাসান ঘর ভাড়া নিয়েছিল। সন্ধ্যে সাতটা থেকে সারারাত ধরে অফিস চলত। ভোরের দিকে কর্মীরা বাড়ি চলে যেত। সারারাত ধরে চলত প্রতারণা চক্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বুলেট সহ দামি দামি বাইক নিয়ে কর্মীরা কাজ করতে আসত। পুলিশ তদন্ত নেমে জানতে পেরেছে, প্রতারকরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। একাধিকবার দুবাই ও ব্যাংকক যাওয়ারও তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। সেখানে তারা কেন বার বার যেত সেই এটাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কয়েকদিন আগে দেরদুন থেকে কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, তারা প্রত্যেকেই পাঁচতারা হোটেলে ছিলেন। বিদেশে যে অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা রাখা হত, সেখানে কোনও চক্র রয়েছে কিনা সেটাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বিটকয়েন এবং হাওলার মাধ্যমে ওই টাকা আসত বলে পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে।

    ভয়েস চেঞ্জারের মাধ্যমে বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলত প্রতারকরা

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা মূলত ভয়েস চেঞ্জারের মাধ্যমে বিদেশিদের সঙ্গে  কথা বলে প্রতারণা (Fraud) করত। তাঁদের কম্পিউটারের অ্যান্টি ভাইরাসের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে, নতুন করে অ্যান্টি ভাইরাস দেওয়ার জন্য তারা লিংক পাঠাত। সেই লিংকে ক্লিক করলেই অ্যাকাউন্টের ডিটেলস চলে আসত প্রতারকদের কাছে। এরপর খড়দায় বসেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত প্রতারকরা। আমেরিকা এবং কানাডার ৭০-৮০ জন প্রবীণ নাগরিকের প্রতারিত হওয়ার হদিশ মিলেছে। গত ১৮ অক্টোবর একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে খড়দহ থানা এলাকার বলরাম হাসপাতালের কাছে একটি কল সেন্টারে হানা দেয় খড়দা থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে ৮ হাজার কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। সব মিলিয়ে ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা কী বললেন?

    বারাকপুরের গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পান্ডে বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের কাছে থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share