Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Vote: কমিশনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করতে চলেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি

    Panchayat Vote: কমিশনের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করতে চলেছে কর্মচারী সংগঠনগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Vote) কেন্দ্র করে শাসক দলের বেলাগাম সন্ত্রাসের সাক্ষী থেকেছে গোটা বাংলা। শনিবারের ভোটে ঝরল ১৭টি তরতাজা প্রাণ। দুপুরের পর কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি এমন হয় যে প্রতি মিনিটে একটি করে খুনের খবর মিলতে থাকে। সাধারণ ভোটার থেকে সন্ত্রাসের শিকার নির্বাচনের ডিউটিতে থাকা সরকারি কর্মচারীরাও। পুলিশ কর্মী থেকে ভোটকর্মীদের কান্নার করুণ চিত্রও দেখা গেল এদিন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, তবুও বুথে বুথে মিলল না কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ইস্যুতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা সহ অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন দিন ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন, ধর্না করছে এই সংগঠন। দিল্লিতেও কয়েক মাস আগে ধর্না দেয় এই সংগঠন। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কথাও তুলেছিল তারা। রবিবারই মামলা দায়েরের কথা জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে সন্ত্রাস ইস্যুতে এই সংগঠন রাস্তায় নামতে চলেছে। প্রসঙ্গত, শনিবার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় ৪ লাখ সরকারি কর্মচারীকে নির্বাচনের ডিউটি করতে হয়। অজস্র বুথে আগ্নেয়াস্ত্রর সামনে মাথা নত করতে হয় তাঁদের।

    অসহায় ভোট কর্মীরা 

    ভোটকর্মীদের অসহায় অবস্থা সংবাদ মাধ্যমের সৌজন্যে সকলেই দেখতে পান। বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা, স্পর্শকাতর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুপস্থিতিতে শাসক দলের তাণ্ডব, এসব চলতেই থাকল। বীরভূমের ময়ূরেশ্বর পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের ১৪৭ নং বুথে দেখা যায় করুণ চিত্র। আতঙ্কে, সন্ত্রাসে সেখানে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকেন প্রিসাইডিং অফিসার রঙ্গনা সেন। তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যালট বক্স। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রানিগঞ্জে ভোটের (Panchayat Vote) ডিউটি করতে যাওয়া সরিফুল ইসলামেরও একই অবস্থা। ভোট লুট করতে আসা দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে আতঙ্কে লুকিয়ে ছিলেন বেঞ্চের নীচে।

    সোমবার কলকাতায় মিছিল করবে কর্মচারী সংগঠন

    রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবার রাজপথে নামতে চলেছে কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। জানা গিয়েছে, লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগে এবং তার প্রতিবাদে সোমবার শহরে মিছিল করা হবে। একথা জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীদের ডিএ আন্দোলকারী ঘোষণা মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বাহিনীর বিষয়ে মানা হয়নি কোর্টের কোনও নির্দেশ। এই পুরো পরিস্থিতির জন্য দায়ী কমিশন।’’

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আইনশৃঙ্খলার অবনতি! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আইনশৃঙ্খলার অবনতি! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে শনিবার ব্যাপক হিংসা ছড়ায় রাজ্য জুড়ে। সন্ত্রাসের বলি হন একদিনে ১৫ জন। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও তাদের বুথে ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ। এবার রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তুলল বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, এই ইস্যুতে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহকেও। ভোট ঘোষণা থেকে একে একে ঝরে পড়েছে তিরিশের ওপর তাজা প্রাণ, জেলায় জেলায় লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) শনিবার বলেন “কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাই এখনই। সেটা ৩৫৫ হতে পারে, ৩৫৬ হতে পারে। কোনটা হবে, সেটা কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করুক। জেপি নাড্ডাকে জানিয়েছি।” সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩৫৫ ধারা অনুযায়ী, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে, কেন্দ্রের হাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব চলে যায়। আর ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী, রাজ্য প্রশাসন চালাতে অক্ষম হলে, পুরো প্রশাসনিক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে চলে যায়।

    শনিবার সকাল থেকেই হিংসা ছড়ায় রাজ্যে 

    শনিবার সকাল থেকেই নির্বাচন-সন্ত্রাসের খবর সামনে আসতে থাকে। বোমাবাজি, গুলিচালনা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই চলতেই থাকে। পঞ্চায়েত ভোটে এক দিনে মৃতের সংখ্যা পৌঁছায় ১৭-তে। শনিবার দুপুরের পর থেকে, কিছুটা সময় এমনও ছিল যখন প্রতি মিনিটে একটা করে লাশ পড়তে থাকে। রাজ্যের অজস্র স্পর্শকাতর বুথে বাহিনী মোতায়েন না করে শুধুই সিভিক দিয়ে ভোট করানোর অভিযোগ ওঠে কমিশনের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শনিবার দুপুরেই অবিলম্বে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি তোলেন। শুভেন্দু বলেন, “আমি একটা কারণে, একটা লক্ষ্য নিয়ে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে এসেছি। সেই লক্ষ্যে আমাকে যা করতে হয় করব। পতাকা ধরে কিংবা পতাকা ছেড়ে, টু সেভ ডেমোক্র্যাসি, আমাকে যা করতে হয় করব।” তাঁর আরও সংযোজন, দুটি পথ খোলা। এক, ‘কালীঘাট চলো’, দ্বিতীয়ত ‘৩৫৬ কিংবা ৩৫৫ ধারা।’

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: কমিশনের অসহযোগিতাতেই বাহিনী নিয়ে জটিলতা, পাল্টা তোপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Central Force: কমিশনের অসহযোগিতাতেই বাহিনী নিয়ে জটিলতা, পাল্টা তোপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার যাবতীয় দায় শনিবার দুপুরেই রাজীব সিনহা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) ঘাড়ে চাপিয়েছিলেন। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা গেল রাজীবের তত্ত্ব মিথ্যা। অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সাফ জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সাহায্য করেনি বলেই বাহিনী যথা সময়ে আসতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গে। সহযোগিতা পেলে ভোটের আগে ৮২৫ কোম্পানি বাহিনী হাজির হত বাংলায়।

    রাজ্য জুড়ে হিংসা ও রাজীবের সাংবাদিক সম্মেলন

    ভোটের সকাল থেকেই জেলায় জেলায় হিংসা, বোমাবাজি, মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে তড়িঘড়ি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে রাজীব সাংবাদিক বৈঠক করেন দুপুর ২ টো নাগাদ। তিনি বলেন, ‘‘নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। শনিবার পর্যন্ত ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছতে পেরেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসতে এত দেরি হল কেন? আমরা তো বাহিনী চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম ২২ জুন। তারপর মনেও করিয়েছিলাম বেশ কয়েক বার। তা সত্ত্বেও ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী দিতে জুলাই মাসের ৩ তারিখ হয়ে গেল! আমার মনে হয় আরও কিছু আগে বাহিনী এলে সুবিধা হত।’’

    অমিত শাহের মন্ত্রকের পাল্টা উত্তর

    রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, যে সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) ছিল, সেখানে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। বরং কোনও বুথ দখলের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা দেখলেই কড়া হাতে দমন করেছে বাহিনী। কিন্তু কোন বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে আর কোন বুথে থাকবে না, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জেলাশাসক। স্পর্শকাতর বুথগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা ছিল কমিশনের কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা হয়নি বলেই জানিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। এই ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ কমিশনের বিরুদ্ধে এনেছে স্বরাষ্ট মন্ত্রক। মন্ত্রকের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য অনেক দেরিতে অনুরোধ করেছে কমিশন। রাতারাতি বাহিনী পাঠনো যায় না, তাদের প্রশিক্ষণ সমেত অন্যান্য ব্যবস্থা করতে সময় লাগে। অমিত শাহের মন্ত্রক আরও জানাচ্ছে, বাহিনীকে কোথায় নামতে হবে, কোথায় তাদের থাকার ব্যবস্থা হবে, এনিয়ে আলোচনা এড়িয়ে গিয়েছে কমিশন। তারা বার বার দায় সেরেছে একটা কথাতেই, ‘জেলাশাসক’ নির্দেশ দেবেন এব্যাপারে। এছাড়া কমিশনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, কিছু বাহিনী শনিবার সন্ধ্যায় নামে, এই বাহিনীকে স্ট্রংরুমের পাহারার কাজে লাগানো যেত। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি কমিশন।

    অশান্তির ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) সম্পর্ক নেই, দাবি বিএসএফের

    প্রথম দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েনের তালিকা ও স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়েও পাননি বিএসএফ এবং সিআরপিএফ কর্তারা। অন্য দিকে তাঁরা জানাচ্ছেন, শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে যেখানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ ওই জায়গায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল।

     

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: গর্ভবতী মহিলার পেটে লাথি মেরে ভোট লুট করল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    Cooch Behar: গর্ভবতী মহিলার পেটে লাথি মেরে ভোট লুট করল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ঘটনায় গর্ভবতী মহিলাও বাদ পড়লেন না। কোচবিহারে (Cooch Behar) নিজের ভোট নিজে দিতে গিয়ে ভোট লুট করা দুষ্কৃতীদের লাথির আঘাতে আহত হলেন সাত মাসের গর্ভবতী এক মহিলা। ভোটের দিনে ব্যালট বাক্স লুট, বোমাবাজি, মারামারি, সংঘর্ষ এবং হত্যার ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    কী ঘটেছে (Cooch Behar)?

    ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের (Cooch Behar) খাগড়াবাড়ি এলাকার ৩/২৩৬ নম্বর বুথে। এক সাধারণ ভোটার সাত মাসের গর্ভবতী মহিলা সুস্মিতা দে’র সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, ভোট দিতে গিয়ে বলেন, আমি ভোট দিতে এসেছি! আমি ভোট দেবো! কিন্তু ছাপ্পা যারা দিচ্ছিল তারা বলে, আপনার ভোট হয়ে গেছে, আপনি চলে যান। উত্তরে মহিলা বলেন, আমি তো ভোট দিইনি। আমার ভোট কোথায় হল? এই কথা বলা মাত্রই সেই মহিলাকে এক দুষ্কৃতী পেটে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। ভোট লুটকারী দুষ্কৃতীদের এই আচরণে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। বর্তমানে প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই মহিলা। এমন ঘটনায় গ্রামের সমস্ত মানুষ উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    সাত মাসের গর্ভবতী মহিলা ঠিক কী বললেন?

    সাত মাসের গর্ভবতী (Cooch Behar) সুস্মিতা দে বলেন, আমি বুথের ভিতরই ছিলাম, আমার হাতে কালিও লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ভোট দিতে পারিনি। আমার এটা ছিল প্রথম ভোট দেওয়া। যে দুষ্কৃতীরা যারা আমাকে আঘাত করেছিল, তাদের আমি চিনি না। তিনি আরও বলেন, আমাকে প্রথমে ধাক্কা দেয় এবং তারপর লাথি মেরে বের করে দেয়। এখন আমি খুব অসুস্থ বোধ করছি।

    স্বামীর বক্তব্য

    ওই মহিলার স্বামী বলেন, আমি বুথে (Cooch Behar) বিজেপির পোলিং এজেন্ট ছিলাম। দুষ্কৃতীরা প্রত্যেকেই গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিল। এদের মধ্যে কাউকে কাউকে চেনেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এই দুষ্কৃতীদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল করে বলে জানিয়েছেন তিনি।  

    স্থানীয় ভোটারদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Cooch Behar) ভোটার অঞ্জুশ্রী দে বলেন, আমি সুস্মিতা দে’র সঙ্গেই ভোট কেন্দ্রে ছিলাম। আমরা এই বছরে প্রথম ভোট দিতাম। কিন্তু দুষ্কৃতীরা আমাদের বুথ থেকে ধাক্কা, লাথি দিয়ে বের করে দেয়। বের করার পর দুষ্কৃতীরা বুথের দরজা বন্ধ করে ছাপ্পা মারা শুরু করে। আর এই ঘটনা দরজার ফাঁক দিয়ে নিজের চোখে দেখেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে এটাও বলেন, যারা ছাপ্পা মারতে এসেছিল, তারা সবাই মদ্যপান করে ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: বুথের সামনেই কংগ্রেস কর্মীকে কুপিয়ে খুন, দেহ উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর

    Panchayat Poll: বুথের সামনেই কংগ্রেস কর্মীকে কুপিয়ে খুন, দেহ উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Panchayat Poll) চলাকালীন ফের উত্তর দিনাজপুরে দুজন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয়। উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ থানার ধোয়ারইল গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নারায়ণ সরকার (৫৫)। তাঁর বাড়ি হেমতাবাদ থানার গিয়াশিল গ্রামে। অন্যদিকে, এই জেলার গোয়ালপোখর-১ ব্লকে এক কংগ্রেস কর্মীকে বুথের ভিতরে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। মৃতের নাম মহম্মদ জামেরুদ্দিন (৬৫)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হেমতাবাদ থানার ধোয়ারইল গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণ সরকার গত ১০ বছর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন। এবারের হেমতাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মজিবুর রহমানের পোলিং এজেন্ট ছিলেন তাঁর ছেলে বিপ্লব সরকার। শনিবার সকালে নারায়ণবাবু ভোট দেওয়ার জন্য গিয়াশিল প্রাইমারি স্কুলে এসেছিলেন। তারপর থেকে আর তাঁকে দেখা  যায়নি। দুপুরের পরে হেমতাবাদ থানার ধোয়ারইল গ্রামের একটি পাঠক্ষেতে তাঁর মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

    শুরু রাজনৈতিক তরজা?

    হেমতাবাদ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মজিবুর রহমান বলেন, এখানে বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত বলেই নারায়ণ সরকারকে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। অপরদিকে হেমতাবাদের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বিপ্লব সরকার জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করলেই বোঝা যাবে কে খুন করেছে।

    বুথের সামনে কংগ্রেস কর্মীকে কুপিয়ে খুন

    তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু হল এক কংগ্রেস কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে গোয়ালপোখর ব্লকের সাহাপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের জাগিরবস্তির নয়াহাঁট এলাকায়। মৃত ওই কংগ্রেস কর্মীর নাম মহম্মদ জামেরুদ্দিন (৬৫)।  জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর- ১ ব্লকের  সাহাপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের জাগিরবস্তির নয়াহাঁট এলাকার বাসিন্দা  কংগ্রেস কর্মীর মহম্মদ জামেরুদ্দিন ভোটের (Panchayat Poll) আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করে। তারপর থেকে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা তাঁকে হুমকি দিত বলে অভিযোগ। এদিন দুপুরের পর তিনি বুথে ভোট দিতে আসেন। খবর পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বুথের সামনে ঘিরে ফেলে। পরে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন জামেরুদ্দিন। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন গোয়ালপোখর থানার পুলিশ। জামেরুদ্দিনের মৃতদেহটিকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতাল  পাঠানো হয়।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    কংগ্রেস নেতা আলি ইমরান বলেন, তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করার পর থেকেই জামিরুদ্দিনকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রাননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এই রাগের জেরেই প্ল্যান করে তাকে এদিন আক্রমণ করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস সরাসরি জড়িত।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই মৃত্যুর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো যোগাযোগ নেই। সমস্ত ভিত্তিহীন অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: কমিশন নিজের মতো বাহিনী মোতায়েন করেছে, বিস্ফোরক বিএসএফ কর্তা

    Panchayat Election 2023: কমিশন নিজের মতো বাহিনী মোতায়েন করেছে, বিস্ফোরক বিএসএফ কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ আগেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল স্পর্শকাতর বুথের তালিকা। অভিযোগ, দিচ্ছি দেবো করে বার বার এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। শুক্রবার রাতেও অনেক বার আমরা চেয়েছিলাম স্পর্শকাতর বুথের তালিকা (Panchayat Election 2023)। কিন্তু কমিশন এবং কমিশনার সেই তালিকা দেয়নি। যার ফলে বাহিনী এলেও তাকে কোথায় কীভাবে মোতায়েন করা হবে, তা কিছুই জানাতে পারেনি রাজ্য নির্বাচন কমিশন। দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএসএফের পক্ষ থেকে এমনই দাবি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কমিশন তার নিজের মতো করে বাহিনীকে মোতায়েন করেছে। শনিবার রাজ্যে যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে এবং তাতে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন অংশেই দায়ী নয় বলে বিএসএফের পক্ষ থেকে ট্যুইট করা হয়েছে।

    বাহিনী পাঠাতেও দেরি করেছে কমিশন (Panchayat Election 2023)

    এমনকী বিএসএফ এটাও জানায়, দূর দূরান্ত থেকে যে বাহিনী এসেছে, তাদের সবাইকেই প্রথমে আনা হয়েছে কলকাতায়। তারপর ফের পাঠানো হয়েছে দূর দূরান্তের সব জেলায়। আর এখানেই দেখা দিয়েছে যত বিপত্তি। তার কারণ রাজ্যে বাহিনী এসে পৌঁছালেও তাদের সঠিক জায়গায় পাঠাতে অনেক দেরি করেছে কমিশন। কমিশনের এই চূড়ান্ত অব্যবস্থার কথা জানিয়ে শনিবার বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি কমিশনার রাজীব সিনহাকে চিঠি দিয়েছেন, যা নিয়ে কমিশনার (Panchayat Election 2023) মুখে কুলুপ এঁটেছেন। অর্থাৎ গাফিলতিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে মোতায়েন করতে যে কমিশন চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়েছে, সে কথা বিএসএফের আইজি এস সি বুধাকোটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

    অশান্তির (Panchayat Election 2023) ঘটনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সম্পর্ক নেই, দাবি বিএসএফের

    প্রথম দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাহিনী মোতায়েনের তালিকা ও স্পর্শকাতর বুথের তালিকা চেয়েও পাননি বিএসএফ এবং সিআরপিএফ কর্তারা। অন্য দিকে তাঁরা জানাচ্ছেন, শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে যেখানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ ওই জায়গায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও গাফিলতি নেই বলে দাবি করেন বুধাকোটি। বেলা গড়াতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার (Panchayat Election 2023) রাজীব সিনহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাহিনী দিতে যদি এত দেরি না করত, তাহলে রাজ্যে এই হিংসার ঘটনা ঘটত না। আর এখান থেকেই বিএসএফের সঙ্গে কমিশনের ফের টক্কর শুরু হয়েছে। একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকাল থেকেই একের পর এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গিয়েছে। চলে গিয়েছে বারোটি প্রাণ ,চলেছে গুলি, ফেটেছে বোমা, ঝরেছে রক্ত, অশান্ত হয়েছে বাংলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: রাজ্যে ৩৫৫ অথবা ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক, নন্দীগ্রামে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Purba Medinipur: রাজ্যে ৩৫৫ অথবা ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক, নন্দীগ্রামে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপালের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) নন্দনায়কবাড়ে ৭৭ নম্বর বুথে ভোট দিলেন তিনি। ভোট দিয়ে রাজ্য সরকারের পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, বিরোধীদের মারধরের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও মারধর করল পুলিশ। কোর্টের নির্দেশ মানেনি এই নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি এই রাজ্যে ৩৫৫ এবং ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি জানান তিনি।

    রাজ্য জুড়ে ভোটের দিন সন্ত্রাস চলেছে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ভোটে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে তৃণমূল। এই ভোটের দিনেই রাজ্যে প্রাণ গেছে বেশ কয়েক জনের। গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে সর্বত্র। তিনি যখন নন্দনায়ক বাড়ে ভোট দেন, সেই সময় তৃণমূলের কর্মীরা গন্ডগোল করে বলে বিশেষ অভিযোগ ওঠে।

    কেমন চিত্র ছিল নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur)

    ভোটের দিন সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) তারাচাঁদবাড় গ্রামে ৬৭ ও ৬৮ নং বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কট করেন। ওই ভোট কেন্দ্রের ভোটার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তৃণমূলের সহ সভাধিপতি শেখ সুফিয়ান। ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে ভোটাররা তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান এবং ভোট যাতে দিতে না পারেন, তাই বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন। পরে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকার সাধারণ ভোটাররা পুলিশের সামনে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের পা ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করতে দেখা যায় সাধারণ ভোটারদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে কীটনাশক খেয়ে তাঁরা আত্মহত্যা করার কথাও জানান। পরে পুলিশের আশ্বাসে বুথে বাহিনী মোতায়েন হয় প্রায় আড়াই ঘন্টা পর। আর এর পরেই ভোট শুরু হয় সেখানে। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ময়নাতেও বেশ কিছু জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে । স্থানীয় ভোট কর্মীদের অভিযোগ, মুখে কালো কাপড় বেঁধে বাহিনীর বেশে এসে বন্দুক ঠেকিয়ে ছাপ্পা ভোট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: বৃষ্টি উপেক্ষা করে ২৩ বছর পর পাহাড়ে উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন ভোটাররা

    Panchayat Poll: বৃষ্টি উপেক্ষা করে ২৩ বছর পর পাহাড়ে উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) রাজ্য জুড়ে যখন সন্ত্রাস, খুনোখুনি চলছে, তখন উল্টো চিত্র দেখা গেল পাহাড়ে। শনিবারে পাহাড়ে শান্তিপূর্ণভাবেই দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন হল। এদিন সকাল থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়। কিন্তু, বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে পাহাড়বাসী উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন। কেননা দীর্ঘ ২৩ বছর পর পঞ্চায়েত নির্বাচন হল। বিমল গুরুং এদিন দার্জিলিংয়ের পাতলেবাসে ভোট দেন।

    পাহাড়ে ভোট যুদ্ধে কারা রয়েছে?

    পাহাড়ের ভোটের (Panchayat Poll) লড়াই হচ্ছে অনিত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা ও তৃণমূল কংগ্রেস জোটের সঙ্গে বিজেপির নেতৃত্বে আটটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের জোটের। শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাহাড়ে একচ্ছত্র রাজ ছিল সুবাস ঘিসিংয়ের দল জিএনএলএফের। এখন পাহাড়ের রাশ অনিতের বিজিপিএমের হাতে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামের রাশ কার হাতে যায় সেটাই দেখার বিষয়। দার্জিলিং জেলায় মোট ৫১৪টি বুথ রয়েছে। স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ২৩ টি এবং দুর্গম এলাকায় ৩ টি বুথ রয়েছে। মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ৯৫২ জন। কালিম্পং এখন আলাদা জেলা। কাজেই জেলা হিসেবে সেখানে এবারই প্রথম পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে। দার্জিলিংয়ে ৭০ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫৯৮টি আসন রয়েছে। আর পাঁচটি পঞ্চায়েত সমিতিতে ১৫৬ টি আসন রয়েছে। কালিম্পঙে ৪২ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৮১ টি আসন এবং  চারটি পঞ্চায়েত সমিতিতে ৭৬ টি আসন রয়েছে।

    উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন ভোটাররা

    সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে পুরুষদের সঙ্গে মহিলা ভোটারদের ভিড় ছিল লক্ষ্যণীয়। বেশ কিছু বুথে আধা সামরিক বাহিনী ছিল না। তবুও, শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট হয়েছে। কার্যত ভোটকে (Panchayat Poll) কেন্দ্র করে উৎসবের মেজাজে পাহাড়। উত্তরবঙ্গের এবং দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই যখন রক্তাক্ত কাণ্ড, ঠিক সেই সময়ে উৎসবের আমেজেই ভোট দিলেন পাহাড়ের আমজনতা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা?

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের নেতাদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিকমতো মোতায়েন করা হয়নি। ফলে, পাহাড়ের অনেক মানুষ আতঙ্কে ভোট দেননি। আগেই জোটের বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে ভয় দেখিয়ে অনিত থাপার দল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করিয়েছে। তারপরেও যারা হুমকি উপেক্ষা করে প্রার্থী থেকে গিয়েছেন তাঁদের ও গ্রামবাসীদের অনিত থাপার দল নানা ধরনের হুমকি দিয়ে চলেছে। যদিও অনিত থাপা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শান্তিতেই পাহাড়ে ভোট হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    North 24 Parganas: ব্যাপক বোমাবাজি দেগঙ্গা-আমডাঙা-অশোকনগরে, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস। ভোট কেন্দ্রে বুথ দখল, ছাপ্পা, বোমাবাজি এবং হত্যার ঘটনায় উত্তাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসকদলের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিরোধীরা সরব সর্বত্র। এই জেলার দেগঙ্গা, আমডাঙা, অশোকনগরে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। শাসক বনাম আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে চলে প্রত্যক্ষ লড়াই।

    দেগঙ্গায় বোমাবাজি

    বেড়াচাঁপা (North 24 Parganas) ১ নং পঞ্চায়েতের বেলপুর বেলডাঙা এফপি হাইস্কুলে দেগঙ্গা বেলডাঙা ১২৪ নম্বর বুথে ভোট চলাকালীন ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমনই হয় যে, ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি ব্যালট পেপার পুড়িয়ে জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এরপরই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স সহ ভোটের যাবতীয় কাগজপত্র ফেলে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে বুথ ছেড়ে পালিয়ে যান ভোট কর্মীরা। ১৩৬ নম্বর বুথে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো এক মহিলা ভোটার জানান, ভোটের লাইনে ছিলাম আমরা। হঠাৎই দেখতে পাই বোমাবাজি শুরু করে শাসক দলের বহিরাগতরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারিদিকে বোম মারে তারা। প্রাণ বাঁচাতে পালাই সবাই। আমডাঙার রাহানা ৮০, ৮১, ৮২, নম্বর বুথে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। ঘটনার জেরে রাহানায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা।

    আমডাঙায় বোমাবাজি

    চন্ডীপুর (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের প্রভাকরহাটি গ্রামের ৬৩ নম্বর বুথে তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষ হয়। ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে খবর হয়। প্রথমে তৃণমূল বুথে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই করে ছাপ্পা ভোট দেয়। এরপর প্রতিরোধ করে পাল্টা বোমাবাজি করে আইএসএফ। বুথের ভিতরে ব্যালট বক্সের সামনে বোম রেখে ছাপ্পা দেয় সশস্ত্র শাসক দল।

    অশোকনগরে ব্যাপক বোমাবাজি

    অশোকনগর (North 24 Parganas) থানার সুলেমানপুর এলাকায় এক বাই ৭৩ নম্বর বুথে আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে চলে ব্যাপক বোমাবাজি। হাবড়া এসডিপিও রোহিত শেখের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী পাঁচজনকে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়। আপাতত সুলেমানপুর এলাকা থমথম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    North 24 Parganas: “দুষ্কৃতীরা বন্দুক-বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে!” হতাশ রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস পৌঁছালেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছিতে। ভোটের দিন মৃত্যু হয়েছে নির্দল প্রার্থীর। পঞ্চায়েত নির্বাচন শুরুর পর থেকেই সারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের দিনই এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ জনের প্রাণ গেছে। ব্যালট লুট, ছাপ্পা, বুথ দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই সবটাই ঘটল অবাধে। নির্বাচন কমিশনের সক্রিয়তা চোখে পড়েনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্যপাল আক্রান্ত এলাকায় গিয়ে বুলেটে নয়, ব্যালটে গণতন্ত্র রক্ষার কথা বললেন। ভোটের দিন রাজ্যে ভোট চলাকালীন সময়ে হিংসার বিষয়ে স্পষ্ট মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপাল কী বললেন (North 24 Parganas)? 

    ভোটের দিন কদম্বগাছিতে হিংসায় নিহত নির্দল প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহের স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে দেখা করে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল (North 24 Parganas) ভোটের দিন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি ভেবেছিলাম নির্বাচন অনেক শান্তিপূর্ণ হবে। সাধারণ মানুষ নিজের অধিকার এবং পছন্দকে ভোটের মাধ্যমে প্রতিফলন ঘটাবে। কিন্তু দুঃখজনক! দুষ্কৃতীরা বন্দুক, বোমা নিয়ে নির্বাচনকে রক্তাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই বুলেটে নয় ব্যালটে হতে হবে। মানুষ নিজের মত প্রকাশ করুক ভোটদানের মাধ্যমে। সরকার, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উচিত সাধারণ মানুষের জন্য ভোট প্রদানের পরিবেশ তৈরি করা। মানুষের অধিকারকে প্রয়োগ করার ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। ভারতীয় সমাজের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

    কেন গেলেন উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas)?

    শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর সময় থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কদম্বগাছি এলাকা। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হতেই  শাসক ও নির্দলের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ বেড়ে যায়। দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান নির্দল প্রার্থী আব্দুল্লাহ। অভিযোগের তীর শাসক দলের বিরুদ্ধে। এর পরই উত্তেজিত জনতা ভোট কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দেয়। ভোট প্রক্রিয়া শুরুর এক ঘন্টা পর্যন্ত ভোটদান বন্ধ থাকে। পরে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় সেনাবাহিনী। তার পরে উত্তপ্ত এবং হিংসা কবলিত এলাকায় এসে পৌঁছান রাজ্যপাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share